হিন্দু সংহতির ফেসবুক মিট

Image

সকল হিন্দুত্ববাদী লেখক ও পাঠকদের জন্য রইলো সাদর আমন্ত্রণ। আসুন বাংলার ইসলামীকরণের বিরুদ্ধে আমাদের এই লড়াইকে আরও শক্তিশালী, সংগঠিত ও ফলদায়ী করে তুলি।

Location:
Near MG Road and CR Avenue (Central Avenue) crossing.
Landmark: Moon Light Cinema.
Nearest Metro : MG Road / Central

2nd October, from 4-30 pm

Contacts:
8697664931
9674623463

facebook_meet-copy

 

পাক পরমাণু মিসাইলে চিনা প্রযুক্তি : উদ্বিগ্ন আমেরিকা

Image

পাকিস্তানের পারমাণবিক অস্ত্রসম্ভারে চিনের প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়টি এবার সামনে এসে পড়ল৷ বিষয়টি যেমন প্রতিবেশী দেশ ভারতের চিন্তা বাড়িয়েছে, তেমনই এতে সিঁদুরে মেঘ দেখছে ওয়াশিংটনও৷ গত মাসে পাকিস্তানের বার্ষিক সেনাদিবসের কুচকাওয়াজে যে সমস্ত ভারী সমরাস্ত্র প্রদর্শিত হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে পরমাণু অস্ত্র বহনকারী মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র শাহিন-থ্রি৷ ইণ্টারন্যাশনাল অ্যাসেসমেণ্ট অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজি সেন্টারের চৈনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ রিচার্ড ফিশার শাহিন-থ্রি’র একটি প্রকাশ্য স্যাটেলাইট ছবি বিশ্লেষণ করার পর এই সিদ্ধান্তে এসেছেন যে, এই ট্রান্সপোর্ট-ইরেক্টর-লঞ্চার বা সংক্ষেপে ‘টেল’-এর নকশার সঙ্গে চিনের ক্ষেপণাস্ত্রের হুবহু মিল রয়েছে৷ এই প্রযুক্তি ২০১১ সালে উত্তর কোরিয়াকে দিয়েছিল বেজিং৷

বিশেষত, রিচার্ডের নজরে এসেছে, চিন, উত্তর কোরিয়া এবং পাকিস্তান তাদের এই ধরনের মিসাইলের ইঞ্জিনে একই প্রযুক্তি ব্যবহার করছে৷ ব্যবহার হয়েছে একই ফুটহোল্ড গঠন, একই চেসিস৷ এখন রিচার্ডের এই রিপোর্ট খতিয়ে দেখার জন্য পেন্টাগন, বিদেশ দফতর এবং জাতীয় গোয়েন্দা বিভাগের ডিরেক্টরকে নির্দেশ দিয়েছেন কংগ্রেসের দুই প্রভাবশালী রিপাবলিকান সদস্য মাইক রজার্স এবং টেড পো৷ উল্লেখ্য রজার্স কংগ্রেসের আর্মড সার্ভিস সাব-কমিটির চেয়ারম্যান এবং পো বিদেশ বিষয়ক সাবকমিটির চেয়ারম্যান৷ দুই সদস্যের মত, কয়েক দশক ধরেই চিন ও পাকিস্তানের মধ্যে সামরিক সহযোগিতার সম্পর্ক রয়েছে৷ ২০১৩ সালে চিন সরকার ঘোষণা করে, করাচিতে পরমাণু বিদ্যুত্‍ কেন্দ্র স্থাপনে পাকিস্তানকে তারা সব সাহায্য দেবে৷ তখনই পাকিস্তানের পরমাণু কর্মসূচিতে চিনের মদতদানের বিষয়টি সামনে এসে পড়ে৷ যদিও আটের দশক থেকে আমেরিকার অবশ্য আশঙ্কা ছিল, ইসলামাবাদের পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচিতে সাহায্য করছে বেজিং৷ তবে তার সপক্ষে আমেরিকার হাতে কোনও প্রমাণ ছিল না৷ রিচার্ডের গবেষণা যদি সত্যি হয়, তবে সহজেই প্রমাণ করা যাবে যে, পাকিস্তানের পরমাণু কর্মসূচিতে সাহায্য করছে চিন৷ বিদেশ সচিব জন কেরিকে লেখা চিঠিতে রজার্স এবং পো বলেছেন, পাকিস্তানের প্রদর্শিত ‘টেল’-এ চিনের প্রযুক্তি ব্যবহার হওয়ার বিষয়টিতে তাঁর অত্যন্ত উদ্বিগ্ন৷ ওয়াশিংটনের আরও উদ্বেগের বিষয় হল, পাকিস্তান যদি চিনের সাহায্য নিয়ে পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচিতে এগোয় তবে তার মোকাবিলায় উদ্যোগী হতে পারে ভারতও৷ সেই পরিস্থিতিতে দক্ষিণ এশিয়ায় সার্বিক শান্তি ও স্থিতি বিঘ্নিত হবে৷

এদিকে, ভারতের উত্তরাখণ্ড, পাঞ্জাব এবং উত্তরপ্রদেশে একটি করে পরমাণু বিদ্যুত্‍ কেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র৷ বুধবার প্রধানমন্ত্রীর দফতরের প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং লোকসভায় সরকারের এই সিান্তের কথা জানিয়েছেন৷

চিনের উত্তর সীমান্তে মোতায়েন হল ভারতীয় সেনা

Image

বেজিং-এর অস্বস্তি ফের বাড়াল নয়াদিল্লি। চিনের উত্তর সীমান্তে সেনা পাঠিয়ে মঙ্গোলিয়ার সঙ্গে সামরিক মহড়া শুরু করল ভারত। মঙ্গোলিয়ার তিন দিকেই চিন। উত্তরে রাশিয়া। সামরিক দিক থেকে চিনের উপরেই বেশি করে নির্ভরশীল হওয়ার কথা এমন একটি দেশের। তার বদলে এমন একটি দেশের সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া দিচ্ছে মঙ্গোলিয়া, যা শি চিনফিং-এর কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলতে বাধ্য।

2এমন একটা সময়ে মঙ্গোলিয়ার সঙ্গে সামরিক মহড়া শুরু করল ভারত, যখন বেশ কয়েকটি ইস্যুতে মতানৈক্যের জেরে চিনের সঙ্গে ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বেশ উত্তপ্ত। দক্ষিণ চিন সাগরে চিনের কৃত্রিম দ্বীপ তৈরি করার বিরোধিতা করেছে ভারত। আন্দামান সাগরে লুকিয়ে হানা দিয়েছে চিনা সাবমেরিন। ভারতের নৌসেনাও ঘাঁটি গেড়েছে দক্ষিণ চিন সাগরকে ঘিরে থাকা বিভিন্ন দেশের উপকূলে। তার মধ্যেই জঙ্গি মাসুদ আজহারকে নিয়ে দু’দেশের সম্পর্কে তিক্ততা আরও বেড়েছে। জৈশ-ই-মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজহারের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারির ভারতীয় প্রস্তাব চিন ভেটো দিয়ে আটকে দেওয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ভারত।

এমন উত্তপ্ত সময়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি টুকরি হাজির হয়ে গেল মঙ্গোলিয়ায়। ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, সন্ত্রাসবাদ এবং অন্য নানা ধরনের জঙ্গি কার্যকলাপের মোকাবিলা কী ভাবে করতে হয়, ভারতীয় বাহিনী মঙ্গোলিয়ার সেনাকে তার প্রশিক্ষণ দেবে। বিভিন্ন সামরিক বিষয়ে ভারতীয় সেনার অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়া হবে মঙ্গোলিয়ার সঙ্গে।

ভারত-মঙ্গোলিয়া সামরিক মহড়া এই প্রথম নয়। এর আগেও ১০ বার এই দুই দেশের সেনা যৌথ মহড়ায় অংশ নিয়েছে। কিন্তু মঙ্গোলিয়ার অবস্থান এমন একটি জায়গায়, যে ভারতের সঙ্গে এমন নিবিড় সামরিক সম্পর্কের বদলে চিনের সঙ্গে তাদের সখ্য বেশি হওয়াই স্বাভাবিক। মঙ্গোলিয়ার দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিম সীমান্ত জুড়ে চিনের অবস্থান। তেমন একটি দেশ চিন-ভারত সম্পর্কের তিক্ততাকে অগ্রাহ্য করে ভারতের সঙ্গে মহড়া দেওয়া শুরু করায়, বেজিং বেশ বিরক্ত। চিনের উত্তর সীমান্তে অবস্থিত মঙ্গোলিয়ায় ভারতীয় সেনার যখন তখন আনাগোনা যথেষ্ট মাথাব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে পিপলস লিবারেশন আর্মির কাছে।

নিঃশব্দে পাঞ্জাব সীমান্তে লেসার রশ্মির বেড়াজাল তৈরী করল মোদী সরকার

Image

1আর কাঁটাতারের উপর ভরসা নয়। সীমান্তে এ বার লেসার ওয়াল বসিয়ে দিল ভারত। অবৈধ ভাবে সীমান্ত পেরনোর চেষ্টায় বাধা হয়ে উঠবে লেসার রশ্মি। ভারত-পাক সীমান্তের যে সব দুর্গম এলাকায় কাঁটাতার বসানো যায় না, সেই সব এলাকাকেই অনুপ্রবেশের জন্য ব্যবহার করত জঙ্গিরা। পঞ্জাবে ভারত-পাক সীমান্ত বরাবর তেমনই ১২টি জায়গায় লেসারের বেড়াজাল বসিয়ে দিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।

ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বা বিএসএফ লেসার ওয়ালের দেখভাল করছে। দু’বছর আগেই সীমান্তে লেসারের দেওয়াল তৈরি করার প্রস্তাব দিয়েছিল বিএসএফ। পঠানকোটে জঙ্গি হামলার পর দ্রুত গতিতে কাজ শেষ করার নির্দেশ দেয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। সীমান্তের যে সব পাহাড়ি এলাকায় বিপজ্জনক ঢাল রয়েছে, সেখানে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া সম্ভব নয়। সেই সব এলাকাকেই আগে সুরক্ষিত করা হয়েছে। দুর্গম পাহাড়ি ঢালে বসেছে লেসারের বেড়াজাল। বিএসএফ-এর এক শীর্ষ কর্তা জানিয়েছেন, ৮টি এলাকায় লেসার ওয়াল ইতিমধ্যেই কাজ করতে শুরু করেছে। আরও ৪টি জায়গায় পরিকাঠামো তৈরি সম্পূর্ণ। কয়েক দিনের মধ্যেই সেই লেসার ওয়াল অ্যাক্টিভেট করা হবে।

উপগ্রহ নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার মাধ্যমে লেসার ওয়াল কাজ করছে। লেসার রশ্মির যে জাল সীমান্তে বিছিয়ে দেওয়া হয়েছে, সেই জালের মধ্যে কোনও অবৈধ গতিবিধি টের পেলেই সেন্সর সঙ্কেত পাঠিয়ে দিচ্ছে কম্যান্ড সিস্টেমে। কোন এলাকায় অবৈধ গতিবিধি বা অস্বাভাবিকতা দেখা যাচ্ছে, তা নিখুঁত ভাবে বলে দিচ্ছে এই সঙ্কেত। সঙ্গে সঙ্গে সেই এলাকা বিএসএফের নজরে চলে আসছে। লেসার ওয়ালের সাফল্য দেখে বিএসএফ-এর শীর্ষকর্তারা উল্লসিত। আগে জওয়ানদের চোখ এড়িয়ে, কাঁটাতারের বেড়া কেটে পাকিস্তান থেকে ভারতে ঢুকত জঙ্গিরা। কিন্তু লেসারের বেড়া হল আলোক রশ্মির বেড়া। একে কাটা যায় না। একে এড়ানোও যায় না। সীমান্ত পেরনোর চেষ্টা করলে লেসার রশ্মির সংস্পর্শে আসতেই হবে। আর সংস্পর্শে এলেই বিএসএফের কাছে পৌঁছে যাবে সঙ্কেত। অন্ধকারে তো বটেই, কুয়াশার মধ্যেও খুব দক্ষ ভাবে কাজ করবে এই লেসার ওয়াল।

জম্মুতেও খুব দ্রুত লেসার ওয়াল বসিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। পঞ্জাব ও জম্মুকেই দেশের সবচেয়ে সংবেদনশীল সীমান্ত বলে মনে করা হয়। তাই সেখানকার জন্য আগে লেসার সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি গুজরাতের ভারত-পাক সীমান্ত এবং পশ্চিমবঙ্গের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের ৩০-৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ এলাকা জুড়ে লেজার ওয়াল বসানো হবে পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে। এক মাসের মধ্যে সেই কাজ শুরু হবে বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রের খবর।জম্মুতেও খুব দ্রুত লেসার ওয়াল বসিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। পঞ্জাব ও জম্মুকেই দেশের সবচেয়ে সংবেদনশীল সীমান্ত বলে মনে করা হয়। তাই সেখানকার জন্য আগে লেসার সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি গুজরাতের ভারত-পাক সীমান্ত এবং পশ্চিমবঙ্গের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের ৩০-৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ এলাকা জুড়ে লেজার ওয়াল বসানো হবে পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে। এক মাসের মধ্যে সেই কাজ শুরু হবে বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রের খবর।

মিনাখাঁয় হরিনাম সংকীর্তনে তপন ঘোষ

Image

গত 26 এপ্রিল উত্তর ২৪ পরগনা জেলার মিনাখাঁ থানার একটা প্রত্যন্ত গ্রামে বার্ষিক হরিনাম সংকীর্তন শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করলেন হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী তপন ঘোষ। মাত্র ৪০ ঘর রুইদাস পরিবারের হিন্দুদের বাস ওই গ্রামে চারিদিকে মুসলিম পরিবেষ্টিত। সকল গ্রামবাসী হিন্দু সংহতির সঙ্গে যুক্ত। এটাই তাদের আশা ভরসা ও আত্মবিশ্বাসের কারণ।এটা দেখে আশপাশের গ্রামের হিন্দুরাও মনে বল পাচ্ছে মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকার। শোভাযাত্রার শেষে ধর্মসভায় শ্রী ঘোষ তাঁর মূল্যবান বক্তব্য রাখেন।

পৃথিবীর প্রথম মানচিত্রের ধারণা ভারতীয়দের

Image

পৃথিবীর মানচিত্র প্রথম কে তৈরি করেছেন? এই প্রশ্নের উত্তরে সকলেই যে নামটি বলবেন তা হলো ক্রিস্টোফার কলম্বাস। কিন্তু এর বাইরে কেউ কি কখনো শুনেছেন যে, আধুনিক পৃথিবীর মানচিত্রের ধারণা সর্বপ্রথম মহাভারতে উল্লেখ করা হয়েছে?

ধারণা করা হয় কলম্বাস ৫২৫ বছর আগে বিশ্বের প্রথম মানচিত্র তৈরি করেছিলেন। তিনি জম্মগ্রহণ করেন ইটালিতে ১৪৫১ সালে এবং মারা যান স্পেনে ১৫০৬ সালে। কলম্বাস ছিলেন একজন নাবিক। তার নেশা ছিল নতুন নতুন ভূ-খণ্ড অবিষ্কার করা।

এখন মূল বিষয়ে আসা যাক। পৃথিবীর বৃহত্তম ও অন্যতম প্রাচীন মহাকাব্য ‘মহাভারত’। সুবিখ্যাত মহাভারত মূলত একটি ইতিহাস নির্ভর মহাকাব্য হলেও এটা যুগ যুগ ধরে ধর্মের শিক্ষা ভারতবাসীকে দিয়ে এসেছে। তাই এটা হিন্দুদের কাছে একটি ধর্মগ্রন্থও বটে। মহাভারত রচিত হয় খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০ বছর আগে।

আজ থেকে ৫০১৫ বছর আগে মহামুনি বেদব্যাস লিখে যান মহাভারত। এই গ্রন্থে ইতিহাস এবং ধর্মের বিষয়গুলো খুব পরিস্কারভাবে ব্যাখা করা হয়েছে। সবচেয়ে শুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি তা হল পৃথিবীর ভৌগলিক গঠনের চিত্র পরিস্কারভাবে বর্ণনা করা হয়েছে মহাভারতে। ভারতীয় হিন্দু সভ্যতাই বিশ্বের মানচিত্র সর্বপ্রথম তৈরি করেছিল। তবে গভীর দৃষ্টিভঙ্গীর অভাব ও প্রচার না হওয়ার কারণে তা অনেকটা অধরা থেকে গেছে মহাভারতের পাঠক ও ভক্তদের কাছে।

বেদব্যাস লিখে গিয়েছিলেন, প্রথিবীর ভূ-প্রকৃতির গঠন এবং মাটির উপর পৃথিবীর ভরের অবস্থান সম্পর্কে।

বেদব্যাস মহাভারতের ভীষ্ম পর্বে বর্ণনা করেছেন, ‘হে সর্বশক্তিমান! এই দ্বীপের নাম হল সুর্দশন চক্র যা গোলাকার। এটা নক্ষত্রমণ্ডলী থেকে দেখা যায়, যেমন মানুষ তার উল্টা প্রতিবিম্ব দেখে দর্পণে। এর দুটো খণ্ডিত অংশ পিপল (অশ্বত্থ) গাছের পাতার মতো দেখতে। অপর দুটো অংশ দেখতে খরগোশের মতো।

যদি আমরা এই খণ্ডিত অংশগুলো একত্রিত করি তাহলে দেখব তা দেখতে পৃথিবীর বর্তমান মানচিত্রের মত।

বেদব্যাস মহাভারতে লিখেছেন, এই দ্বীপকে ডাকা হয় সুদর্শন। এই দ্বীপটি দেখতে গোলাকার। এটা নদী ও অন্যান্য জলাশয়ে পূর্ণ। এখানে পর্বতরাজি রয়েছে মেঘমালার মতো। এখানে অনেক বড় বড় শহর রয়েছে। সুখ-সমৃদ্ধিতে পূর্ণ অনেক রাজ্য রয়েছে এখানে। এই গ্রহ ফল-ফুলে শোভিত বৃক্ষরাজিতে পূর্ণ। বিভিন্ন প্রকার ফসল ও আরও অনেক সম্পদে সমৃদ্ধ এই গ্রহ। এই দ্বীপরাজি সকল দিক থেকে লবণের সাগর দ্বারা বেষ্টিত।

earth described in Mahabharat

বেদব্যাস আরও উল্লেখ করেছেন পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ সম্পর্কে। তিনি লিখেছেন, চাঁদ হলো পৃথিবীরই একটা প্রতিরূপ। আয়নায় প্রতিবিম্বিত মানুষের মুখের মতো চাঁদের ভূ-মণ্ডলের গঠনও পৃথিবীর অনুরূপ।

হিন্দু শাস্ত্র থেকে আমরা জানি ‘সপ্তদ্বীপা বসুন্ধরা’। চারিদিকে জল দ্বারা বেষ্টিত এই সাতটি ‘দ্বীপ’ বলতে বর্তমান সময়ের একেকটি মহাদেশকে বোঝানো হয়েছে। পৃথিবীতে সাতটি মহাদেশের কথা সর্বপ্রথম হিন্দু ধর্মগ্রন্থেই উল্লেখ পাওয়া যায়।

wrong decision is far better than indecision

Image

প্রত্যেককেই একটা সময় একটা সিদ্ধান্তে উপনীত হতে হয়। বিস্তর আলোচনা, চিন্তন, মনন করতে করতে যদি সময় পার হয়ে যায় তা হলে কাজের কাজ কখন হবে? সিদ্ধান্ত সঠিক নাও হতে পারে। কুছ পরোয়া নেহি। wrong decision is far better than indecision. সম্পূর্ণ বাঙালি সমাজের জাতিগত বৈশিষ্ট্য হল সিদ্ধান্তহীনতা। তাই একটা সিদ্ধান্ত নেওয়ার সাহস দেখাতেই হবে।

যদি রাজনৈতিক পথেই বাংলার হিন্দুর ভবিষ্যত সুরক্ষিত হবে বলে মনে করেন, ঝাঁপিয়ে পড়ুন। বাংলার রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করার জায়গায় পৌঁছানোর জন্য জান লড়িয়ে দিন। রাজনীতিতে খারাপ লোকেদের ভীড়টা সমস্যা নয়, সমস্যা হল ভাল লোকেদের নিস্পৃহতা, পলায়ন প্রবৃত্তি। সারদা – নারদা – মুসলিম তোষণ ইত্যাদি নিয়ে চিৎকার করে লাভ কি? ওদেরকে রিপ্লেস করার চ্যালেঞ্জ নিতে পারলে তবেই তো অবস্থার পরিবর্তন হতে পারে!

যদি হিন্দু সংহতির পথকে সঠিক পথ বলে মনে হয়, প্রত্যক্ষভাবে এই পথে এগিয়ে আসুন। আসুন, আলোচনার ভিত্তিতে আপনার আমার ভুমিকা স্থির করি। বাংলার গ্রামে গ্রামে হিন্দুর প্রতিরোধের লড়াইয়ের প্রস্তুতির কাজে আপনার আমার দায়িত্ব কি হবে তা নিশ্চিত করি। শুধু শুকনো সমর্থনে হিন্দুর শক্তি বাড়বে না। value add করতে হবে। মূল্য দিতে হবে প্রত্যেককে। জন জাগরণ অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ কাজ। কিন্তু যারা জেগে উঠেছেন, তাদেরকে এই কাজে প্রত্যক্ষভাবে প্রত্যেকের সাধ্যমত contribute না করাতে পারলে কোন ফল পাওয়া যাবে না। Idle capital is empty vault. তাই শুধু জেগে থাকা আর লোককে জাগানো মোটেই পর্যাপ্ত নয়। action চাই। আপনার সাহস ও শক্তি অনুসারে আপনাকে সক্রিয় হতে হবে। গ্রাম থেকে শহরে হিন্দুর প্রতিরোধের লড়াইকে শক্তিশালী করতে হবে।

সময় কম। এখনও বুদ্ধির বিলাসিতায় কালক্ষয় করলে বাংলাকে বাঁচানো যাবে না। আজ সিদ্ধান্ত নিতে গরিমসী করলে পরবর্তী প্রজন্মের সাথে প্রতারণা করা হবে। এগিয়ে আসুন, সময়ের আহ্বানে সাড়া দিন। আজকের এই কঠিন এবং নির্ণায়ক পরিস্থিতিতে আমাদের মন্ত্র হোক – লক্ষ পরাণে শঙ্কা না মানে, না রাখে কাহার ঋণ………..জীবন মৃত্যু পায়ের ভৃত্য চিত্ত ভাবনাহীন।।

রবিশঙ্করের শান্তি প্রস্তাবের জবাবে মুণ্ডহীন দেহের ছবি পাঠাল আইএস

Image

আধ্যাত্মিক গুরু শ্রী শ্রী রবিশঙ্কর জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসআইএস-এর সঙ্গে শান্তি বৈঠকে বসার প্রস্তাব দিয়ে বিনিময়ে পেলেন একজনের মুণ্ডহীন দেহের ছবি। তিনি নিজেই এই কথা জানিয়েছেন। এই ছবি পাঠিয়ে ইসলামিক স্টেট জঙ্গিরা তাঁর শান্তি প্রস্তাব নাকচ করে দিল বলেই মনে করছেন ‘আর্ট অফ লিভিং’-এর প্রবক্তা।

আগরতলায় তিন দিনের সফরে গিয়েছিলেন রবিশঙ্কর। সেই সফর সেরে কলকাতার বিমান ধরার আগে সাংবাদিকদের তিনি জানিয়েছেন, ‘আমি সম্প্রতি আইএসআইএস-এর সঙ্গে শান্তি বৈঠকে বসার প্রস্তাব দিয়েছিলাম। কিন্তু ওরা আমাকে একজনের মুণ্ডহীন দেহের ছবি পাঠিয়েছে। ফলে আমার সঙ্গে আইএসআইএস-এর শান্তি বৈঠকে বসার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। আমার মনে হয় ওরা শান্তি চায় না। তাই সেনাবাহিনীর মাধ্যমেই ওদের মোকাবিলা করা উচিত।’

ইসলামিক স্টেট জঙ্গিরা শান্তি প্রস্তাবে সাড়া না দিলেও, উত্তর-পূর্ব ভারতের জঙ্গি সংগঠনগুলিকে সরকারের সঙ্গে শান্তি ফেরানো নিয়ে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন রবিশঙ্কর। তিনি উত্তর-পূর্ব ভারতে শান্তি বজায় রাখা এবং সব সংস্কৃতি, ধর্ম, বিশ্বাস ও মতবাদকে মিলিয়ে দেওয়ার উপর জোর দিচ্ছেন।

সম্প্রতি দিল্লিতে তাঁর সংগঠনের অনুষ্ঠানের ফলে যমুনা নদীর তীরের ক্ষতি হওয়ার জন্য পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দিয়েছে গ্রিন ট্রাইব্যুনাল। এই ঘটনাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন রবিশঙ্কর।

মুসলিম জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ হলেই মেয়েরা সুরক্ষিত থাকবে – গিরিরাজ সিং

Image

সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জনসংখ্যা নীতি নিয়ে বেফাঁস মন্তব্যে ফের বিতর্কে গিরিরাজ সিং৷ বিহারের চম্পারণের বাগাহায় এক জনসমাবেশে গিরিরাজ বলেন, জনসংখ্যার উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পারলে আমাদের মেয়েরা বিপদের মুখে পড়বে৷ পাকিস্তানের মতো আমাদের দেশের মেয়েদেরও পর্দার আড়ালে লুকিয়ে রাখতে হবে৷ তাই মুসলিমরা যাতে দুটির বেশি সন্তান জন্ম না দেয়, তা নিশ্চিত করতে হবে৷

এদিন এই বিজেপি সাংসদ আরও বলেন, ‘‘হিন্দুদের দুটি ছেলে হলে, মুসলিমদেরও দু’টি ছেলে থাকা উচিত৷ আমাদের জনসংখ্যা ক্রমশ কমছে৷ বিহারে এমন সাত জেলা আছে যেখানে আমাদের জনসংখ্যা কমছে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের নীতি বদলাতে হবে৷ এই নীতি বদলালেই আমাদের মেয়েরা সুরক্ষিত থাকবে৷ নাহলে পাকিস্তানের মতো আমাদেরও মেয়েদের পর্দার আড়ালে রাখতে হবে৷ ’’ উল্লেখ্য, বিহারের সাত রাজ্যে হিন্দুদের তুলনায় মুসলিমদের জনসংখ্যার হার ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে৷ এই পরিসংখ্যান তুলে ধরেই এদিন জনসংখ্যা নীতি বদলের পক্ষে সওয়াল করেন গিরিরাজ৷

তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ কেটে নিয়ে কৃপালের দেহ পাঠাল পাকিস্তান!

Image

imageপাকিস্তানের জেলে মৃত ভারতীয় নাগরিক কৃপাল সিংহের দেহ ফেরত পাঠালো পাকিস্তান। কিন্তু দেহে হৃদপিণ্ড, পাকস্থলী এবং লিভার নেই। দেহের এই তিন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ কেটে নিয়ে ফেরত পাঠানো হয়েছে মৃতদেহ। পাকিস্তানের তরফে জানানো হয়েছে, ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য রেখে দেওয়া হয়েছে কৃপাল সিংহের ওই তিন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। তবে ঘটনাটি নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে বিস্তর।

পাকিস্তানে গুপ্তচর বৃত্তি করা এবং নাশকতার অভিযোগে ১৯৯২ সালে ভারত-পাক সীমান্তের খুব কাছ থেকে কৃপাল সিংহকে গ্রেফতার করে পাক সীমান্তরক্ষী বাহিনী রেঞ্জার্স। পাকিস্তানের আদালত তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে এবং মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দেয়। কিন্তু মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার আগেই কোট লাখপত জেলে কৃপালের মৃত্যু হয়েছে। পাক কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

পোস্টমর্টেম এবং নানা সরকারি আনুষ্ঠানিকতা মেটার পর কৃপাল সিংহের দেহ ভারতে পাঠানো হল তাঁর মৃত্যুর প্রায় এক সপ্তাহ পর। দেহ আসার পর দেখা গিয়েছে, তাতে হৃদপিণ্ড, পাকস্থলী এবং লিভার নেই। ওই তিন অঙ্গের ফরেনসিক পরীক্ষা করার জন্য লাহোরের জিন্নাহ্‌ হাসপাতালে তা রাখা হয়েছে বলে পাকিস্তানের তরফে জানানো হয়েছে। কিন্তু, মৃত্যুর পর কৃপাল সিংহের দেহ এক সপ্তাহ সে দেশে থাকা সত্ত্বেও ওই তিন অঙ্গের ফরেনসিক পরীক্ষা এর মধ্যে করে নেওয়া গেল না কেন? কৃপাল সিংহের পরিবার প্রশ্ন তুলেছে তা নিয়েই। মৃতের পরিজনদের দাবি, ভারতে আলাদা করে পোস্টমর্টের করা হোক। পাকিস্তানের পোস্টমর্টের রিপোর্টের উপর বিশ্বাস রাখা উচিত নয়।

২০১৩ সালে পাকিস্তানের কোট লাখপত জেলে ভারতীয় বন্দি সরবজিৎ সিংহের উপর প্রাণঘাতী হামলা হয়েছিল। সেই হামলায় তাঁর মৃত্যু হয়। কৃপাল সিংহ সরবজিতের পাশের সেলেই থাকতেন। নিজের শহর পঞ্জাবের গুরুদাসপুরে তাঁর শেষকৃত্য হবে। মঙ্গলবারই কৃপাল সিংহের দেহ তাঁর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। জেল থেকে লেখা তাঁর শেষ চিঠিটিও পরিবারের হাতে পৌঁছেছে। সেই চিঠি লিখলেও আর পোস্ট করার সুযোগ পাননি কৃপাল। চিঠিতে লেখা রয়েছে, ‘‘আমি ভাল নেই। তোমরা আজকাল আমাকে আর চিঠি লিখছো না। … দয়া করে আমার জন্য ভাল উকিল ঠিক করে আমার মুক্তির ব্যবস্থা কর। তোমরা কি আমার মৃতদেহ দেখার জন্য অপেক্ষা করছ?’’ কৃপাল সিংহের এই চিঠিই বলছে, তিনি কোনও বিপদের আশঙ্কাতেই ছিলেন। বলছে ওয়াকিবহাল মহল।

আসামে সাত বাংলাদেশি ‘জঙ্গি’ গ্রেপ্তার

Image

আসামের চিরাং জেলায় জঙ্গি’ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে বাংলাদেশভিত্তিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশের (জেএমবি) সাত সদস্যকে আটক করা হয়েছে। বুধবার রাতে স্থানীয় পুলিশ আটক করেন তাদের।

স্থানীয় পুলিশের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা আইএএনএস জানিয়েছে, বুধবার রাতে আটক হওয়াদের মধ্যে দুজন মসজিদের ইমাম। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তারা দলের সদস্যদের শারীরিক ও অস্ত্র প্রশিক্ষণের জন্য ক্যাম্প গড়ে তুলেছেন। আটক হওয়া সাত জন হলেন জয়নাল আবেদিন (৩২), রেজ্জাক আলী (২১), সোলেমান আলী (২৮), দিদার আলী (২৩), মো. নুরুল ইসলাম (২৭), রফিকুল ইসলাম ও উখিলুদ্দিন (৩৩)।

পুলিশ জানিয়েছে, এই সাত জনের মধ্যে জয়নাল আবেদিন ও রেজ্জাক আলী আমগুরি মসজিদের ইমাম। এর আগে ১৬ই এপ্রিল চিরাং ও কোকরাঝাড়ের পুলিশ ‘জঙ্গি’ অভিযোগে চার জনকে আটক করে। তাদের বিরুদ্ধেও চিরাংয়ে প্রশিক্ষণ ক্যাম্প স্থাপনের অভিযোগ রয়েছে।

বোড়োল্যান্ড টেরিটোরিয়াল এরিয়া ডিস্ট্রিক্টসের পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল এলআর বিশনই বলেন, ‘আগের আটক চার জিহাদিকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে আমরা এই সাত জনের কথা জানতে পেরেছি। বুধবার রাতে এই সাত জনকে আটকের মাধ্যমে এই প্রদেশে এখন পর্যন্ত মোট আটকের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৯। এরা সবাই বাংলাদেশের জেএমবির অধীনে আসামে কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছিল।’

ধর্ষণে গররাজী, মসুলে ২৫০ মহিলাকে হত্যা করল আইএস

Image

যৌন জেহাদে রাজী না হলে মৃত্যু – ইসলামিক স্টেট (আইএস)-এর জঙ্গিদের এই শাসানিতেও রাজি না হওয়ায় ইরাকের মসুল শহরে প্রাণ গেল ২৫০ জন মহিলার। উত্তর ইরাকে আইএস বিরোধী কুর্দ প্রশাসনের তরফে এই কথা জানান হয়েছে।

আইএস ঝড়ের সামনে ২০১৪-র জুনে ইরাকের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মসুলের পতন হয়। তার পরেই বাকি ইরাক থেকে পৃথক হয়ে যায় এই শহর। এখানে আলাদা প্রশাসন গড়ে তুলেছে আইএস। ইরাক ও সিরিয়ায় নিজেদের অধীনস্থ এলাকা ক্রমে সঙ্কুচিত হয়ে এলেও এখনও মসুলে নিজেদের কর্তৃত্ব বজায় রাখতে পেরেছে আইএস। আর আইএস-এর কর্তৃত্ব মানেই নারীর অধিকারের দফারফা। রাস্তায় বেরনো মানা। মানা নিজের স্বামী বাছার অধিকারেও। হাজারো নিয়মের বাঁধনে জর্জরিত জীবন।

কিন্তু মহিলাদের শুধু নিয়মের বাঁধনে বেঁধেই ক্ষান্ত থাকেনি আইএস। মহিলাদের উপরে যৌন অত্যাচারকেও অন্য স্তরে তুলে নিয়ে গিয়েছে তারা। বিশেষত মহিলারা শিয়া বা কোনও সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর হলে তো কথাই নেই। প্রথমে মহিলাদের বন্দি করা। তার পরে বয়স অনুযায়ী কার কী গতি হবে ঠিক করা। এমনকী মহিলাদের নিয়ে হাটে কেনাবেচাও চলেছে। মসুলেও এর ব্যতিক্রম হয়নি।

কুর্দ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, মহিলাদের অস্থায়ী ভাবে জঙ্গিদের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হত। তার পরে চলত যৌন অত্যাচার। আইএস এর নাম দিয়েছিল যৌন জেহাদ। ভোগ শেষ হলে অন্য জঙ্গির হাতে তুলে দেওয়া হত। ২৫০ জন মহিলা এই অত্যাচারে অংশ নিতে রাজি হননি। ফলে তাঁদের হত্যা করেছে আইএস। শুধু মহিলারাই নন, বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে তাঁদের পরিবারের সদস্যদেরও হত্যা করা হয়েছে।