‘ধর্ষণ করার আগে মেয়েদের বুকে কোরআন শরীফ দিতাম’

before-the-rapeসিরিয়ার সাইফুল নামে এক ধর্ষক কয়েক বছর আগে কবিরাজ হিসেবে শিক্ষা নেয় । কুমারী মেয়েদের ছাড়া কোনো চিকিৎসায় কার্যসিদ্ধি হবে না, এমনটাই থাকতো তার কবিরাজির মূলশর্ত। শর্ত অনুযায়ী, অল্প বয়সী কুমারী মেয়ে ছাড়া কোনো ধরনের চিকিৎসায় হাত দিতো না সাইফুল। এমনকি সেই কুমারী মেয়ে যদি আঠারোর্ধ্ব হতো তাহলেও চলতো না  >>

বলিউডের হার্টথ্রব ঊর্মিলাও কি অবশেষে লাভ জেহাদের শিকারঃ উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া

uuuuuuuuuবলিউডের রঙ্গীলা নায়িকা ঊর্মিলা মার্তন্ডকর এখন মুম্বাইয়ের ফিল্মি জগৎ থেকে বহুদূরে নিজের স্বামীর সঙ্গে দিন কাটাচ্ছেন। বিয়ে করেছেন, তার থেকে অন্তত ৯ বছরের ছোট কাশ্মীরী ব্যাবসায়ী মহসীন আক্তার মীর’কে  >>

 

প্রেমে প্রত্যাখ্যাত ইমাম আলী এসিড ছুঁড়ে খুন করলো মৌ রজককে

14628196_350058732001907_1862048885_nতিন তিনটি বাচ্চার বাবা ইমাম আলি মন্ডল নিজের আসল পরিচয় গোপন করে, হিন্দু পরিচয় দিয়ে প্রেমের জালে ফাঁসিয়েছিল হাঁসখালি, নদীয়ার মৌ রজককে …………. (বিস্তারিত )

প্রেম-ধর্মান্তর-পরিণয়, নির্যাতনে পরিণতি!

photo-1470756340বাংলাদেশের এই হিন্দু তরুণীটি যে ভুল করল, যে ভুলের জন্য ওর জীবন শেষ হয়ে গেল, সেই একই ভুল তো আমাদের এই পশ্চিমবঙ্গে হাজার হাজার হিন্দু মেয়ে করছে। ফাঁদে পড়ছে। জীবন ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। তখন আর ফেরার পথ নেই। তাই বাধ্য হয়ে মেনে নিচ্ছে। তাদের মধ্যে মাত্র ১ শতাংশ নিজ মা-বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছে, এবং তাদের সাহায্যে আমাদের কাছে পৌঁছচ্ছে। বাঁচার আশায়, ফেরার আশায়, ভুল সংশোধনের আশায়। কিন্তু তখন বড় দেরী হয়ে গিয়েছে। আমরা তাও চেষ্টা করছি। এরকম ১০-টার মধ্যে একটাকে বাঁচাতে পারছি। অনেক অনেক হ্যাপা পোয়াতে হচ্ছে। প্রচন্ড রিস্ক নিতে হচ্ছে। ওই হতভাগ্য মেয়েটির ব্যাথা যন্ত্রণা, বঞ্চনার কাহিনী শুধু তার মা-বাবা আর আমরা জানছি। সবাইকে জানানোর মত পরিকাঠামো বা সঙ্গতি আমাদের নেই। সেসব পরিকাঠামো হিন্দু-বিরোধী সেকুলারদের দখলে। ওরা সবাই বামপন্থী। ওরা বিকৃত ইতিহাস তৈরী করে। ওরা মুসলমানের উপর হিন্দুর অত্যাচারের মিথ্যা গল্প লেখে। মিথ্যা সিনেমা, নাটক তৈরী করে। এই মিথ্যা কাঁসর ঘন্টার আওয়াজে হিন্দুর যন্ত্রণার আর্তনাদ চাপা পড়ে যায়।

বাংলাদেশের এই করুণ কাহিনীটি আমাদের পশ্চিমবঙ্গের বহু হতভাগ্য হিন্দু কন্যার কাহিনী। সেসব কাহিনী আমার মনের খাতায় লেখা আছে। তার মধ্যে কিছু কাহিনী আমাদের অফিসের ফাইলে ধরে রাখা আছে। নিঃশব্দ সন্ত্রাসের এইসব যন্ত্রণার মূক কাহিনীর বোঝা বওয়া আমার কাছে কঠিন হয়ে উঠছে। রবীন্দ্রনাথ বোধহয় আমার মত অবস্থাতে পড়েই লিখেছিলেন, “আমি যে দেখেছি গোপন হিংসা কপট রাত্রি ছায়ে, হেনেছে নিঃসহায়ে, আমি যে দেখেছি প্রতিকারহীন শক্তের অপরাধে, বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে।”

বাংলাদেশে জামাত আছে, সন্ত্রাসী আছে, মৌলবাদী আছে, কিন্তু ‘সেকুলারে’র সংখ্যা কম। তাই হিন্দু যন্ত্রণা, হিন্দু অপমানের এইসব কাহিনীগুলো একটু জানা যায়। একটু পড়ে দেখুন বাংলাদেশের এই হতভাগ্য হিন্দু মেয়েটির কাহিনী।

প্রেমের টানে ঘর ছেড়েছেন, হয়েছেন ধর্মান্তরিত। কিন্তু যাকে ভালোবেসে এত কিছু করা, সেই মানুষটিই পদে পদে প্রতারণা করেছেন। পাঁচ বছরের সংসারে সহ্য করেছেন নির্মম নির্যাতন।

বলছি কুমিল্লার এক তরুণীর কথা। ২২ বছর বয়সী হিন্দুধর্মাবলম্বী এই তরুণী ধর্মান্তরিত হয়ে বিয়ে করেন চান্দিনার দোল্লাই নবাবপুর ইউনিয়নের কৈকরই গ্রামের সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি)সদস্য আবদুল মমিন সরকারের ছেলে মো. জালাল উদ্দিনকে।

ওই তরুণী জানান, তিনি কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার চিতড্ডা ইউনিয়নের ওড্ডা গ্রামের  মেয়ে। মুঠোফোনে রং নম্বরে জালালের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে তাঁর।

একপর্যায়ে পাঁচ বছর আগে ধর্মান্তরিত হয়ে বিয়ে করেন জালালকে। বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন অজুহাতে জালাল তাঁকে মারধর করেন।

নির্যাতনের বর্ণনা দিয়ে জালালের স্ত্রী বলেন, ‘কয়েক দিন আগে  আমার  মাকে দেখার জন্য বাপের বাড়ি যাই। সেখান থেকে জানতে পারি আমার স্বামী জালাল চট্টগ্রাম থেকে বাড়ি আসছেন। তাই আমিও ওখান থেকে  ৩১ জুলাইসকাল ১০টার দিকে স্বামীর বাড়িতে চলে আসি। এসে দেখি আমার স্বামী আমার আগে বাড়িতে চলে এসেছেন।’

‘আমি আসার পর আমার স্বামী আমাকে ঘরের এক কক্ষে নিয়ে বাপের বাড়ি যাওয়ার অজুহাতে হাত-পা বেঁধে রড, টর্চ লাইট ও চৌকির পায়া দিয়ে পেটাতে থাকেন এবং ব্লেড দিয়ে মাথার চুল কেটে দেন। এমনকি আমার বাম পা-ও ভেঙে দেন। খবর পেয়ে আমার ভাই এসে স্থানীয় চেয়ারম্যানকে জানালে চেয়ারম্যান এসে আমাকে দেখে যান এবং সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দেন।’

নির্যাতনের শিকার তরুণী বলেন, ‘বিয়ের পর জানতে পারি আমার স্বামী জালাল আগে একটি বিয়ে করেছিলেন এবং রাব্বী (১০) ও রিনি (৮) নামে তার দুটি সন্তানও রয়েছে। তার আগের স্ত্রীকে নির্যাতন করলে অসুস্থ হয়ে মারা যায় সে।’

জালালের বাবা আবদুল মমিন সরকার পুত্রবধূর ওপর নির্যাতনের কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমার ছেলে এবং ছেলের বউ কেউ আমার কথা শোনে না।’

প্রতিবেশী আমেনা বলেন, ‘আমরা চিল্লাচিল্লি, চিক্কুর হুইন্না আইছি। হের শাশুড়িসহ আমরা দরজা বাইরাতাছি, হে দরজা খোলে না। মারার শেষে দরজা খুইল্লা দেয়, পরে বেলেট আইন্না চুল-মুল কাইট্টা দেয়।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দোল্লাই নবাবপুর ইউপির চেয়ারম্যান শাহাব উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে ইউপি মেম্বার ও চৌকিদার নিয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান এবং নির্যাতনের শিকার মেয়েটির কথা শুনেন। এ সময় তিনি মেয়েটির শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান।

এ ঘটনার উপযুক্ত বিচার করা হবে বলেও আশ্বস্ত করেন ইউপি চেয়ারম্যান।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. মোস্তাফিজুর রহমান এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘এ ঘটনা সম্পর্কে আমার জানা নাই, কেউ এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগও করেনি।’

অপহৃত বারো বছরের কিশোরীকে মোয়াজ্জেনের কবল থেকে উদ্ধার করলো মালদা পুলিশ

image

গত 28/4/16 মালদা জেলার পুখুরিয়া থানার অন্তর্গত পরানপুর গ্রামের বাসিন্দা পিন্টু  সাহার 12 বছরের মেয়ে শেফালী সাহাকে ফুসলিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায় ওই এলাকারই জনৈক আমানুল্লা হোসেন। 27 বছর বয়সী এই আমানুল্লা স্থানীয় একটি মসজিদের মোয়াজ্জেন। 30/4/16 তে পিন্টু সাহা পুখুরিয়া থানায় আমানুল্লা সহ আরও সাতজনের নামে অপহরণ অভিযোগ করে তার মেয়েকে উদ্ধারের আবেদন জানান। পুলিশের পক্ষ থেকে কোন বিশেষ উদ্যোগ দেখতে না পেয়ে পিন্টু সাহা হিন্দু সংহতির কাছে লিখিত আবেদন করেন সাহায্য পাওয়ার জন্য। সংহতি কর্মকর্তাদের পরামর্শে জেলা শাসক, পুলিশ সুপারসহ আরও কয়েকজন উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক অাধিকারিকদের কাছে মেয়েকে উদ্ধারের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার জন্য এবং অভিযুক্তদের শাস্তির জন্য লিখিত আবেদন করেন শেফালীর বাবা।

অবশেষে গত 29/5/16-পুলিশ শিলিগুড়িতে ছেলের আত্মীয় বাড়ি থেকে মেয়েকে উদ্ধার করে পুকুরিয়া থানায় নিয়ে আসে। পরের দিন তাকে চাঁচল মহকুমা আদালতে তোলা হয় ও গোপন জবানবন্দী নেওয়ার পরে তাকে হোমে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। 31/5/16- পিন্টু সাহা ব্যক্তিগত বন্ড এ মেয়েকে হোম থেকে বাড়ি নিয়ে যান।

মালদায় সপ্তম শ্রেণীর বালিকাকে অপহরণ করল ২৭ বছরের আমানুল্লা হোসেন

হিন্দু সংহতি মিডিয়া, মালদা: প্রতিবেশী দেশ পাকিস্থান বা বাংলাদেশের মাটিতে যে ভাবে যথেচ্ছভাবে সংখ্যালঘু হিন্দু নাবালিকাদের জোরপূর্বক অপহরণের ঘটনা ঘটে থাকে, ঠিক তেমনই একটি উদ্বেগজনক ঘটনার সাক্ষী হয়ে রইল পশ্চিমবঙ্গের ‘কালিয়াচক কান্ড’ খ্যাত জেলা মালদা।

নিজস্ব সূত্রে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী গত ২৮শে এপ্রিল; ২০১৬ তাং মালদা’র সপ্তম শ্রেনীর সাড়ে এগারো বছরের একটি বাচ্চা মেয়েকে (জন্ম তাং: ০৯/০৯/২০০৪) জোর করে তুলে নিয়ে যায় বছর সাতাশের দুষ্কৃতী আমানুল্লা হোসেন এবং তার সাঙ্গপাঙ্গেরা।

ঘনিষ্ঠ সূত্র আরও জানাচ্ছে যে, অপহৃতার পরিবার এই নিয়ে অভিযোগ জানাতে গেলে স্থানীয় ‘পাকুরিয়া থানা’ প্রথমে দুষ্কৃতী’দের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিতেই অস্বীকার করে। পরে চাপের মুখে পুলিশ গত ৩০শে এপ্রিল এই সংক্রান্ত একটি অভিযোগ নথিভুক্ত করেছে বলে জানা গেছে (কেস নং – ১৪৪/১৬)। তবে, দুর্ভাগ্যজনক ভাবে ঘটনার এতগুলো দিন পেরিয়ে যাবার পরেও আজ অবধি অপহৃতার পরিবারকে থানা থেকে অভিযোগ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সরকারি নথি’র কপিটি পর্যন্ত দেবার কোন প্রয়োজন আছে বলেই মনে করা হয় নি।

সবচেয়ে মারাত্মক বিষয়টি হল, উক্ত ঘটনাটি কিন্তু কোন ‘লাভ জিহাদ’মূলক ষড়যন্ত্রের অংশ নয়। এটি সম্পুর্নরূপে জোর-জবরদস্থি মূলক একটি নির্মম অপহরণের প্রামান্য চালচিত্র,… যা এযাবৎকাল প্রতিবেশী মুসলমান দেশগুলির বুকে অমুসলমান সম্প্রদায়ের বিশেষত হিন্দু মেয়েদের উপরে আমরা প্রতিনিয়ত সভয়ে প্রত্যক্ষ করেছি।

এখনও পর্যন্ত প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী অত্যন্ত বিস্ময়কর ঘটনা এই যে, এ রাজ্যের ‘নারী ও শিশুকল্যান মন্ত্রক’ বা ‘মানবাধিকার কমিশন’ সহ অন্যান্য প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান বা সরকারী কতৃপক্ষ, … কাউকেই এখনও পর্যন্ত আক্রান্ত পরিবারটির পাশে এসে দাঁড়াতে দেখা যায় নি এবং সেইসঙ্গে সমস্থ তথাকথিত মেইনস্ট্রিম মিডিয়াও এ বিষয়টি নিয়ে সম্পুর্ন মৌনব্রত অবলম্বন করেছেন।

তা’সত্ত্বেও পরিবারটি এখনও তাদের ফুটফুটে মেয়েটিকে আবার নিজেদের মধ্যে ফিরে পেতে মরিয়া। দুশ্চিন্তায় তাদের রাতের ঘুম উবে গেছে।

এমত অবস্থায় নিতান্ত নিরুপায় হয়ে মেয়েটির দরিদ্র বাবা, হিন্দু সংহতি’র দ্বারস্থ হলে,…. পরিশেষে বিষয়টি’র গুরুত্ব বিবাচনাপুর্বক ‘হিন্দু সংহতি’র কর্নধার তথা সভাপতি শ্রী তপন কুমার ঘোষ মহাশয় সে ছোট্ট মেয়েটিকে উদ্ধারের জন্য সর্বতো ভাবে সাহায্য করবার আশ্বাস দিয়েছেন …।।

দিনের শেষে, … – নিকষ কালো অন্ধকারের মাঝে, এটুকু’ই যা আশার আলো…।।

হিন্দু সংহতির প্রচেষ্টায় গুজরাট থেকে উদ্ধার হল বনগাঁ থেকে অপহৃতা নাবালিকা

গত ২৪ এপ্রিল বনগাঁ থানার বাসিন্দা পুলক দাস – এর ১৭ বছর বয়সী নাবালিকা কণ্যা সংগীতা নিখোঁজ হয়। মেয়েটির অভিভাবকরা এলাকায় খোঁজ করে জানতে পারেন যে বাগদা থানা এলাকার জনৈক সামিম মন্ডল এই অপহরণের মূল হোতা। সামিমের বাড়িতে খোঁজ করতে গেলে তার বাড়ির লোকেরা পুলক বাবুদের অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে তাড়িয়ে দেয়। ২৫ তারিখ বনগাঁ থানায় অভিযোগ দায়ের করা সত্ত্বেও পুলিশের ভূমিকায় সন্তুষ্ট না হয়ে অপহৃত মেয়েটির অভিভাবকরা হিন্দু সংহতির সাথে যোগাযোগ করেন। খোঁজ খবর করে জানা যায় যে সংগীতা এবং সামিম গুজরাটের সুরাট – এ আছে। সেখানকার সংহতি সমর্থকদের সাথে কথা বলে মেয়েটির অভিভাবকদের সুরাট পাঠানো হয়। সেখানে গিয়ে দেখা যায় যে সামিম সংগীতাকে নিয়ে সুরাট ছেড়ে পালিয়ে গিয়ে পিপরিয়া নামের একটি জায়গায় আত্মগোপন করে আছে। সংহতি সমর্থকদের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় মেয়েটিকে সেখান থেকে উদ্ধার করা হয়। সামিম সহ মেয়েটি বর্তমানে পিপরিয়া থানায় পুলিশের হেপাজতে আছে। পিপরিয়া থানা থেকে বনগাঁ থানায় খবর পাঠানো হয়েছে। বনগাঁ থানা থেকে একজন ইন্সপেক্টর পদ মর্যাদার অফিসার পিপরিয়া থানায় পৌঁছালে সামিম এবং সংগীতাকে হস্তান্তর করা হবে বলে জানা গেছে। সংহতির পক্ষ থেকে সভাপতি তপন ঘোষ গুজরাটের সংহতি সমর্থকদের এই কাজে সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

(নিরাপত্তা জনিত কারণে নাবালিকা মেয়েটির এবং তার বাবার নাম পরিবর্তিত আকারে দেওয়া হল।)

লাভ জেহাদের বাস্তবতা

Image

…”ভালোবাসা মানে না কোনো জাত-পাত,” অথবা “ভালোবাসা মানে না কোন ধর্মের বাঁধ” এই মগজ ধোলাই করা কথাগুলো লাভ জিহাদীদের প্রাথমিক অস্ত্র, সে কোন বস্তির হুর লোভী মুসলমানই হোক বা সমাজে প্রতিষ্ঠিত নাম করা ব্যাক্তিবর্গ। এদের একপক্ষ পেট বাঁচিয়ে বেহেস্তে যেতে উৎসুক, অপরপক্ষ হাই সোসাইটির রাজকীয় জীবন ব্যবস্থায় থেকেও ৭২ হুর, গোলেমান (যৌনদাসী) -এর লোভ সামলাতে পারে না! এদের মধ্যে রয়েছে, বলিউডের দুর্ধর্ষ লাভ জিহাদী খানেরা!

…শাহরুখ খান যিনি বিয়ে করেছেন হিন্দু মেয়ে গৌরিকে, আমির খান অবশ্য এদিক থেকে আরো একধাপ এগিয়ে। তিনি দুই দুইজন হিন্দু মেয়েকে বিয়ে করেছেন। খুব অল্পবয়সেই রীনা দত্তের প্রেমে (?) পড়ে বিয়েও করেছিলেন আমির। দু দু বার পেট বানানোর পরেও কিন্তু সে বিয়ে বেশিদিন টিকেনি। পরে আরেক হিন্দু মেয়ে কিরণ রাওকে লাভ জিহাদে ফাঁসিয়ে বিয়ে করে আমির।
…সাইফ আলি খান আমিরের মতো দু’বার লাভ জিহাদ করে বিয়ে করে। আর দুবারই হিন্দু মেয়েকে বিয়ে করে জনসংখ্যা বাড়িয়েছে। প্রথমবার অমৃতা সিং ও পরে করিনা কাপুরকে বিয়ে করে।
…বলিউডের জনপ্রিয় খান ইরফান। বলিউড থেকে হলিউডেও ছড়িয়েছে তার নাম। তিনি ২০১২ সালের মার্কিন চলচ্চিত্র ‘অ্যামেজিং স্পাইডার ম্যান’ এ অভিনয় করে প্রশংসা অর্জন করে। ১৯৯৫ সালে সুতপা শিকদারকে লাভ জিহাদে ফাঁসিয়ে বিয়ে করেন তিনি।
…সালমান খান এখনো নিকাহ না করলেও একের পর এক হিন্দু মেয়ে চুষে ছিবড়ে করছেন তিনি।
…তার দুই ভাই সোহেল ও আরবাজ কিন্তু হিন্দু মেয়েকেই বিয়ে করেছেন। মালাইকা আরোরার প্রেমে পড়ে বিয়ে করলেও যৌবন অস্তমিত হওয়ায় তালাক দিয়েছেন সালমানের বড়ভাই বলিউড অভিনেতা আরবাজ খান, নতুন কচি হিন্দু মেয়ের সন্ধানে আছেন তিনি। সালমান আর আরবাজ খানের ভাই সোহেল খানও হিন্দু মেয়ে সীমা সচদেবকে বিয়ে করেছে, তালাক সময়ের অপেক্ষা।
…মামা আমির খানের পথ ধরেই হেঁটেছে বলিউড অভিনেতা ইমরান খান। অবন্তিকা মলিককে বিয়ে করে ইমরান খান।
…বলিউডের প্রাক্তন অভিনেত্রী মমতাজের মেয়ে নাতাশা মাধওয়ানিকে লাভ জিহাদে ফাঁসিয়ে বিয়ে করেন ফারদিন খান।
…জায়েদ খানও হিন্দু মেয়ে মালাইকা পারেখকে লাভ জিহাদের বলি করে বিয়ে করে।

…এরকম প্রায় সব মুসলিম নায়কের হিন্দু স্ত্রী কেন কখনও ভেবে দেখেছেন ???
…কারণ আর কিছুই নয়, হিন্দু মেয়ের সতীচ্ছদ ছিন্ন করে সোয়াব (পুণ্য) আদায়; ফলস্বরূপ মৃত্যুর পর বেহেস্ত প্রাপ্তি এবং ৭২ জন হুর পরীর সঙ্গে অনন্তকাল সঙ্গম ও যৌন সুখ লাভ।
…এরা কেন শুধু মাত্র বেছে বেছে হিন্দু মেয়েদের টার্গেট করেছে, মুসলিম মেয়ের কি ভারতে অভাব পড়েছে ? এরা ভালো করেই জানে তারা যা করবে তাদের তরুণ তরুণী ভক্তরা সেটাই অনুসরন করবে এবং অনেকাংশে এরা সফল। হিন্দু মেয়ের সতীত্ব নষ্ট করতে পারার পুরস্কার স্বরূপ তারা যত কুকর্মই করুক না কেন ইসলাম অনুসারে তাদের জন্য বেহেস্তে হুর গোলেমান (যৌনদাসী) বরাদ্দ রয়েছে।

…এতো গেল কেবল কিছু বেহায়াদের কথা, আমাদের সমাজে এমন ওঁৎ পেতে আছে কথিত বেহেস্তের অশ্লীলতার লোভে মগ্ন এমন হাজারো খানেরা যারা, আপনার আমার মেয়েকে বোনকে টার্গেট করতে পারে। খোঁজখবর রাখেন তো ? কোথায় যায় কি করে ? সময় গেলে কিন্তু সাধন হয় না ? তাই বন্ধুরা সাবধান !

ঋতঙ্কর দাস