লাভ জিহাদ নিয়ে হিন্দুদের ভণ্ডামি

Love-Jihad (1)লাভ জিহাদ” নিয়ে চটকদার প্রচারে হিন্দুরা যতটা উৎসাহী, ততটা এর প্রতিকারে আগ্রহী নয়। হিন্দুরা অন্তর থেকে বিশ্বাস করে, এসবের প্রতিকার সম্ভবপর নয়। অন্ততঃ হিন্দুর দ্বারা এর সমাধান যে অসম্ভব, সেটা বিশ্বাসযোগ্য করতে, হিন্দুরা অবিশ্বাস্য সব তত্ত্ব খাড়া করেন। কেউ বলেন- “আরে, ওদের তো এসব কাজের জন্য ট্রেনিং দেওয়া হয়।” কেউ আবার মনে করেন-“এগুলোর জন্য তো ওরা মাসে মাসে টাকা পায়।” আরো কয়েক ধাপ এগিয়ে গিয়ে কেউ কেউ বলেন- “ওরা তো পীরের কাছে নিয়ে গিয়ে জলপড়া খাইয়ে দেয়। অমনি হিন্দুরা ওদের প্রেমের বশ হয়ে যায়।” সম্প্রসারণটা যে সুস্থ স্বাভাবিক কোন জাতির সম্পূর্ন প্রাকৃতিক চিন্তা হতে পারে, এই ভাবনাটাই হিন্দুদের মাথা থেকে পুরোপুরি লোপ পেয়েছে। প্রকৃতি পূজা করতে করতে যে কেউ এতদূর অপ্রাকৃতিক হয়ে উঠতে পারে, সেটা হিন্দুদের দেখলে বোঝা যায়।

হিন্দুরা মনে করে, তারা নিজের ধর্মকে নিজের কোলে গুটলি পাকিয়ে লুকিয়ে রাখে বলে, সবাইকেই তাই করতে হবে। হিন্দু আর মুসলমানে বিয়ে হলে হিন্দু পুরুষ যথেষ্ট উদারতা দেখিয়ে বলে- “আমি হিন্দু, বউ মুসলমান, তাই আমাদের সন্তান হিদুলমান”! এতে কাগজে কাগজে হাততালি, টিভিতে রেডিওয় পিঠ চাপরানি অনেক কিছুই জোটে। সেজন্য হিন্দুরা আশা করে এর প্রতিদানে আমির খানও নিজের হিন্দু স্ত্রীর সন্তানদের হিঁদুলমান কিংবা মুন্দু বানিয়ে বড় করবেন। কিন্তু মুশকিল হল হিন্দুর কল্পিত পাপবোধ কিংবা পিঠ চাপরানির লোভ ওনাদের মধ্যে একেবারেই নেই। তাই এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে আমির খান যখন গর্বভরে ঘোষণা করেন, মায়ের ধর্ম যাই হোক, পিতার ধর্মই সন্তানের ধর্ম হবে- অবাক বিস্ময়ে হিন্দুদের মুখের ভিতর এত বড় বড় হাঁ হয়ে যায়। সন্তানের পরিচয়ের উপর পিতার যে একটা স্বাভাবিক অধিকার বোধ থাকে, এটা ধর্মনিরপেক্ষতার নামে মেরুদন্ড বিকিয়ে দেওয়া হিন্দুদের মনে থাকার কথা নয়। তাই এসব ঘটনা দেখে শুনে, এগুলোকে “লাভ জেহাদ” নাম দিয়ে, হায় হায় করে বেড়ানো ছাড়া হিন্দুদের আর কিছুই করণীয় নেই।

হিন্দুরা সবেতেই গভীর চক্রান্ত খুঁজে পায় এবং সমাধানের বদলে সমস্যা গুলোকে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে আরো বড় করে দেখিয়ে আনন্দ পায়। কারণ সমস্যা যত বড় হবে, তার সমাধান তত বেশি করে হিন্দুর হাতের বাইরে হবে। সমাধান হিন্দুর হাতের যত বেশি বাইরে থাকবে, ততই হিন্দুর পক্ষে অকর্মা হয়ে বসে অদৃষ্ট ভরসায় থাকা সহজ হবে। যার সমাধান হিন্দুর হাতে নেই, তার জন্য ঈশ্বরের উপর ভরসা করা ছাড়া তো আর কোন উপায় নেই। হিন্দুও ঠিক ঐটাই চায়। এইসব বিষয়ে বাঙালি হিন্দু বা অবাঙালি হিন্দুর মধ্যে তিলমাত্র ফারাক নেই। তাই নিজের সমস্যা নিজে সমাধানের বদলে হিন্দুরা একেকটি করে অবতার পাকড়ায়। কখনো সেই অবতারের নাম মোদি, কখনো যোগী আদিত্যনাথ, কখনো আবার বিজেপি। অবতার আসে, অবতার যায়; হিন্দুর অবস্থা পাল্টায় না। এক অবতারের পতন হলে হিন্দু নতুন অবতার খুঁজে নেয়। মনে স্থির বিশ্বাস, আগের অবতার না পারলেও, নতুন অবতার এলেই সব দুঃখ ধুয়ে মুছে যাবে। অবশ্য বিশ্বাস না রেখে উপায় আছে? শক্তিহীন, দুর্বল, অকর্মাকে তো অবতারের ভরসাতেই পথ চলতে হবে।

শুধু লাভ জেহাদ বলে নয়, সংখ্যা যুদ্ধের কোন অংশেই হিন্দুর অবতার নির্ভরশীলতা কমে না। সন্তান উৎপাদনের ক্ষেত্রেও হিন্দুরা এক ডজন গোলে পিছিয়ে। সমতা ফেরাতে হিন্দুদের ভরসা নিজের জৈবিক ক্ষমতায় নয়; বরং “জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ বিধি” নামের একটি কাল্পনিক আইনে। অবতার এখানে আইন রূপে আবির্ভুতা। এই আইন বলে দুটির বেশি সন্তান নেওয়া নিষিদ্ধ হলেই, হাসতে হাসতে হিন্দু বজায় রাখতে পারবে নিজের সংখ্যাগুরুর খেতাব। আইন দিয়ে অন্যদের জনবৃদ্ধিতে লাগাম টানার চিন্তায় হিন্দুরা এতই মশগুল, যে ভেবেও দেখে না যে ভারতের সমস্ত আইনের মত এই আইনেও জব্দ হবে হিন্দু নিজেই। অন্যদের জনবৃদ্ধি বন্ধ হবার প্রশ্নই নেই, উল্টে শাস্তির ভয়ে যে গুটিকয় হিন্দু দুটির বেশি সন্তান নিচ্ছিলেন, তারাও ক্ষান্ত দেবেন। এই আইন নিজের পায়ে কুড়াল মারার অব্যর্থ অস্ত্র। আসলে নিজে ভাল খেলে জেতায় হিন্দুদের আস্থা নেই। হিন্দুরা চায় অন্যেরা খারাপ খেলে হারুক। এখন হিন্দুকে জেতানোর দায় যেহেতু অহিন্দুদের নেই, তাই হিন্দুদেরও আর অন্যকে হারানো হয়ে ওঠে না। হিন্দু যতবার নিজের শক্তির উপর ভরসা না করে চতুর্দিকে অবতার খুঁজে বেড়াবে, ততবার এই অন্ধ বিশ্বাস হিন্দুকেই রক্তাক্ত করবে।

হিন্দুদের মুশকিল হল, তারা যেটাকে মুসলমানের দোষ বলে মনে করে, সেটা মোটেই দোষ নয়, গুন। আর হিন্দুরা যেটাকে নিজেদের গুন বলে মনে করে নিজেরাই নিজেদের পিঠ চাপড়ে বেড়ায়, সেটা কোন গুন নয়, মারাত্মক দোষ। আপনি সম্প্রসারণে অনিচ্ছুক হলে, তার দায় মুসলমানের? বিধর্মী বিয়ে করে সন্তানকে উভধর্মী নামক হাঁসজারু বানিয়ে হিন্দুসংখ্যা কমাব আমরা, আর দোষ হবে মুসলমানের? স্বধর্মের প্রচার ও প্রসারে আপনার অনীহা থাকলে, তার দোষ মুসলমানের? নিজের দোষ না দেখে সর্বত্র অন্যের দোষ খুঁজে বেড়ানো চূড়ান্ত অক্ষমের লক্ষ্মণ। কারণ দোষটা নিজের হলে আপনি সেটা শুধরে নিতে পারেন। দোষটা যদি অন্যের হয়, তবে সেটা শুধরে দেওয়া আপনার কর্ম নয়। নিজেদের সমস্যা সমাধানের উপায় নিজেদেরই খুঁজতে হবে। কোন অবতার এসে আকাশবাণী ছড়িয়ে হিন্দুকে বাঁচিয়ে দিয়ে যাবে না। বাঁচতে হলে, রাজত্ব করতে হলে, তার জন্য হাসিমুখে অনেক ত্যাগ স্বীকারও করতে হবে। নয়তো একদিন ভারতের শেষ হিন্দু অঞ্চলের শেষতম হিন্দুটির গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে, গলা নামিয়ে চুপিসারে বলতে হবে- “দেখেছেন, দেশটাকে কিরকম মিনি পাকিস্তান বানিয়ে ফেলেছে”?

লেখা- স্মৃতিলেখা চক্রবর্তী

ডানকুনিতে খুন হলেন গৃহবধূ পিঙ্কি বারি, গ্রেপ্তার প্রেমিক শেখ সেলিম

চিকিৎসককে দেখাতে যাওয়ার কথা বলে নিজের শিশুপুত্রকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন লিলুয়ার বাসিন্দা গৃহবধূ পিঙ্কি বারি। তার পরে আর বাড়ি ফেরেননি। সেইদিন রাতেই ওই গৃহবধূর মৃতদেহ উদ্ধার হয় ডানকুনির হাউসিং মোড়ের কাছের একটি হোটেলে। গত ৯ই মে  এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিস গত ১১ই মে পিঙ্কির ‘প্রেমিক’ শেখ সেলিম নামে এক মুসলিম যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, পেশায় দিনমজুর সেলিম বিবাহিত এবং তাঁর একটি মেয়ে রয়েছে। চন্দননগর পুলিস কমিশনারেটের এক কর্তা জানিয়েছেন, ধৃত সেলিম জেরায় জানিয়েছে, পিঙ্কির সঙ্গে দু বছর আগে তাঁর আলাপ হয়। সেই থেকে দুজনের সম্পর্কের শুরু হয়। এদিকে পিঙ্কি বিবাহিত এবং তাঁর দেড় বছরের একটি ছেলে রয়েছে। সেলিম আরও জানিয়েছে, সে এবং পিঙ্কি প্রায়ই বিভিন্ন হোটেলে সময় কাটাতো। কিন্তু ইদানিং পিঙ্কি তাকে অতটা গুরুত্ব দিচ্ছিলো  অন্য ছেলের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিল। তাই সে পিঙ্কিকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করে। অভিযুক্তের দাবি খতিয়ে দেখছে পুলিস। আপাতত ধৃত সেলিম পুলিস হেফাজতে রয়েছে।

লাভ জিহাদের শিকার পূর্ব মেদিনীপুরের জ্যোতি দাস, হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ পরিবার

লাভ জিহাদের বিষ পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে মারাত্মক ভাইরাসের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। এর কবলে পড়ে একের পর এক কন্যাসন্তান হিন্দু সমাজ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে।
এবার লাভ জিহাদের শিকার হলো পূর্ব মেদিনীপুরের এগরা থানার অন্তর্গত বাসুদেবপুর গ্রামের বাসিন্দা জ্যোতি দাস(নাম পরিবর্তিত,বয়স ১৫ বছর) ।
Jyoti Dasতাঁর পিতা হিন্দু সংহতিকে জানিয়েছেন যে, গত ৫ই মার্চ নাবালিকা জ্যোতি স্কুল গিয়ে আর বাড়ি থেকে ফেরেনি। জ্যোতিকে কে বা কারা অপহরণ করেছে, তা অজানা থাকায়, তাঁর পিতা গত ৮ই মার্চ এগরা থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মেয়েকে অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এগরা থানা কেস শুরু করে, যার নম্বর-১৯২/১৯ ।তদন্ত শুরু করে এগরা থানার পুলিস। কিন্তু পরে জ্যোতির পিতা খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারেন যে গ্রামের রবিউল খান(পিতা-খোদাবক্স), খোদাবক্স খান(পিতা-মোস্তাকিন), ঝর্ণা দাস এবং মোস্তাকিন খান তাঁর মেয়ের অপহরণে জড়িত। সেই কথা জানিয়ে তিনি পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসককে চিঠি দেন। কিন্তু সময় পেরিয়ে গেলেও নাবালিকা জ্যোতিকে এখনও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিস। সেইসঙ্গে দোষীদেরও গ্রেপ্তার করা যায়নি। এমতাবস্থায় জ্যোতির পিতা মেয়েকে ফিরে পেতে সাহায্য চেয়ে হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ হয়েছেন। তিনি হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্যের কাছে সহযোগিতা চেয়ে লিখিতভাবে আবেদন জানিয়েছেন। হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে সবরকম সহযোগিতা করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে অপহৃতা জ্যোতির পরিজনদের।

অপহরণ করে ইসলামে ধর্মান্তর; জোড়াবাগান থানায় ডেপুটেশন দিলো হিন্দু সংহতি

কলকাতার দুই হিন্দু নাবালিকাকে অপহরণ করে ইসলামে ধর্মান্তরের ঘটনায় জোড়াবাগান থানায় আজ হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে ডেপুটেশন দেওয়া হলো। হিন্দু সংহতির এই প্রতিনিধি দলে ছিলেন হিন্দু সংহতির সহ সভাপতি শ্রী শান্তনু সিংহ ও শ্রী সমীর গুহরায়, সম্পাদক শ্রী সুন্দর গোপাল দাস, কোষাধ্যক্ষ শ্রী সাগর হালদার এবং প্রমুখ কর্মী শ্রী অমিত মালী। প্রসঙ্গত, দুই বোনের মধ্যে ছোটবোনকে উদ্ধার করতে পারলেও, অপহরণকারী মুসলিম যুবককে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিস। সেই কারণে ওই অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার করার দাবি জানিয়ে এই ডেপুটেশন দেওয়া হয়। এছাড়াও, থানার তদন্তকারী অফিসারের সঙ্গে কথা বলেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। আলোচনার শেষে দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের আশ্বাস দেয় পুলিস।

কলকাতার বুকে ২ হিন্দু মেয়েকে অপহরণ করে ইসলামে ধর্মান্তকরণ, উদ্ধার ১

কলকাতা শহরের বুকে দুই বোনকে  অপহরণ করে ইসলামে ধর্মান্তর করলো দুই মুসলিম যুবক। দুজনের মধ্যে একজন নাবালিকা এবং আর একজন প্রাপ্তবয়স্ক। জানা গিয়েছে, কলকাতার জোড়াবাগান থানা এলাকার বাসিন্দা দুই বোন বিনীতা ঠাকুর এবং পরি ঠাকুর (নাম পরিবর্তিত) নামে  দুই বোনকে অপহরণ করে মুসলিম যুবকেরা । মেয়েটির বাবা জানিয়েছেন যে গত ১১ই মার্চ তারিখ থেকে তাঁর দুই কন্যা নিখোঁজ ছিল। পরে তিনি জানতে পারেন যে এলাকার দুই মুসলিম ছেলে শাহবাজ খান এবং আহমেদ খান তাঁর দুই মেয়েকে নিয়ে গিয়েছে, যারা প্রথমে নিজের হিন্দু পরিচয় দিয়েছিলো।  সেদিনই তিনি জোড়াবাগান থানায় অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু পুলিস তার অভিযোগের ভিত্তিতে কোনো FIR দায়ের করেনি।   থানার অফিসাররা ছোট বোন পরিকে উদ্ধার করতে সমর্থ হন। তাঁর মুখ থেকে ভয়ঙ্কর ঘটনার কথা জানা যায়। পরি জানিয়েছে যে ওই দুই মুসলিম যুবক তাদেরকে ভয় দেখায় যে তাদের সঙ্গে না গেলে তাঁর বাবা-মাকে খুন করা হবে। ভয় পেয়ে তারা ওই দুই মুসলিম যুবকের সঙ্গে যেতে রাজি হয়। তারপর তাদেরকে ইসলামে ধর্মান্তরিত করে দুই মুসলিম যুবককে বিয়ে করতে বাধ্য করা হয়। পরে পুলিস পরিকে উদ্ধার করতে পারলেও, বিনীতাকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিস। সেইসঙ্গে পরিকে তাঁর বাবার হাতে তুলে দিলেও কোনো মেডিকেল করায়নি পুলিস এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পস্কো(POSCO ) ধারা যোগ করেনি পুলিস। কোনো উপায় না পেয়ে, তাদের পিতা গত ১২ই  মার্চ জোড়াবাগান থানায় আর একবার লিখিত আবেদন জানিয়েছেন(GD নং -৯৩৫)। পরির পিতা আরো জানিয়েছেন যে তাদের দুই মেয়েকে কলকাতার বড়বাজার এলাকার “বড়ি মসজিদে” ধর্মান্তর করে বিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী বড়ো বোন বিনীতাকে এখনো উদ্ধার করতে পারেনি পুলিস।

স্বামী মুসলিম, জানতে পেরে আত্মহত্যা করলেন আসামের হিন্দু তরুণী

লাভ জিহাদের শিকার হওয়া আসামের তেজপুরের এক হিন্দু তরুণী আত্মহত্যার পথ বেছে নিলো। গত ১৫ই মার্চ, আসামের তেজপুরের আমবাগান এলাকার বাসিন্দা হিন্দু তরুণী পূজা মন্ডল আত্মহত্যা করে। পরে পুলিস এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে। পাশাপাশি একটি সুইসাইড নোটও উদ্ধার করে পুলিস। সেই সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক মাস আগে পূজা মন্ডল তাঁর বাড়ি থেকে পালিয়ে এসে রাজ বরাকে বিয়ে করে। তারপর তারা আমবাগান এলাকায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করে। কিন্তু কয়েকদিন আগেই পূজা তাঁর স্বামীর পরিচয় জানতে পারে। সে জানতে পারে যে তাঁর স্বামী রাজ বরার  আসল নাম রেইজুল আহমেদ এবং সে মুসলিম । এটা জানার পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে পূজা। তারপর অপমানে আত্মহত্যা করে পূজা, এমনটাই সন্দেহ করছে পুলিস। তারপরেই রেইজুল বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। রেইজুলের দুটি ফোন নম্বরও দিয়েছে পূজা। কিন্তু রেইজুল দু’বার ফোন ধরলেও,বর্তমানে তাঁর ফোন বন্ধ রয়েছে এবং তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না, এমনটাই জানিয়েছে পুলিস। এমতবস্থায় পুলিস পূজার মৃতদেহ হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ময়নাতদন্ত করায়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত পূজার পরিবারের কারওর খোঁজ পায়নি পুলিস। সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেওয়া সত্বেও পূজার পরিবারের কেউ তাঁর মৃতদেহ এখনো  আসেনি।তাই পূজার মৃতদেহ এখনও হাসপাতালের মর্গেই পড়ে আছে।  তবে পুলিস রেইজুলকে গ্রেপ্তার করার জোরদার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

হিন্দু সংহতির প্রচেষ্টায় লাভ জিহাদের শিকার প্রিয়া সর্দার উদ্ধার

IMG-20181228-WA0033গত ২৩শে ডিসেম্বর, ২০১৮ তারিখে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার মিনাখাঁ থানার অন্তর্গত গড় আবাদ গ্রামের বাসিন্দা মাধাই সর্দারের নাবালিকা কন্যাকে অপহরণ করে নিয়ে যায় মোক্তাউদ্দিন মোল্লা। সেইসময় প্রিয়ার বয়স মাত্র ১৫ বছর ৮মাস ছিল। প্রিয়ার পিত মাধাই সর্দার  মিনাখাঁ থানায় মেয়েকে ফিরে পাবার জন্যে এবং দোষীর গ্রেপ্তারের জন্যে অভিযোগ দায়ের করেনFIR নং -৩৮৪/১৮ । কিন্তু পুলিসের তৎপরতা না দেখে তিনি হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ হন। হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে প্রিয়াকে উদ্ধার করার জন্যে পুলিসের ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করা হয়। সেইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী, স্টেট চাইল্ড ওয়েলফেয়ার দপ্তরে এবং প্রধানমন্ত্রীকেও চিঠি দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে প্রিয়ার পরিবারের নিরাপত্তার দিকটিও হিন্দু সংহতির কর্মীরা লক্ষ রেখেছিলো। শেষপর্যন্ত গতকাল ১২ই মার্চ রাতে মিনাখাঁ থানার পুলিস প্রিয়াকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। নাবালিকা প্রিয়া উদ্ধার হওয়ায়  হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য মিনাখাঁ থানার পুলিসকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

আসামে লাভ জিহাদের বিরুদ্ধে বাড়ি-বাড়ি ঘুরে প্রচার হিন্দু সংহতির

লাভ জিহাদের ফাঁদে পড়ে হিন্দু মেয়ের গৃহ ত্যাগ এবং ইসলামে ধর্মান্তরিত হওয়া নতুন ঘটনা নয়। কিন্তু এই লাভ জিহাদের বিরুদ্ধে হিন্দু সংহতি তার প্রতিষ্ঠার লগ্ন থেকে লড়াই করছে। সেই ধারা বজায় রেখে লাভ জিহাদের বিরুদ্ধে মানুষের সচেতনতা গড়ে তুলতে বাড়ি-বাড়ি অভিযান চালানো হলো আসামে।  হিন্দু সংহতির বরাক ভ্যালি ইউনিটের যুবক কর্মীরা লাভ জিহাদের বিরুদ্ধে গ্রামে-গ্রামে, পাড়ায়-পাড়ায় প্রচার চালাচ্ছেন বেশ কিছুদিন ধরেই। হিন্দু সংহতির কর্মীরা কাছাড় জেলার  শিলচর শহর, মালুগ্রাম প্রভৃতি এলাকার হিন্দু বাড়িতে গিয়ে হ্যান্ডবিল দেওয়াসহ প্রচার চালাচ্ছেন।  এই পর্যন্ত হিন্দু সংহতির কর্মীরা ২০০টি পরিবারে প্রচার চালিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে বরাক ভ্যালির হিন্দু সংহতি প্রধান সম্রাট দত্ত জানিয়েছেন, ”আমরা ১০০০ টি পরিবারে প্রচার চালানোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছি। তাই আগামী দিনগুলিতে হিন্দু সংহতির এই প্রচার অভিযান চলবে”।

অপহৃতা প্রিয়া সরদার এখনও উদ্ধার হলো না

IMG-20181228-WA0033অপহৃতা হওয়ার পর আজ ১০দিন কেটে গেল। এখনও উদ্ধার হলো না উত্তর ২৪ পরগনা জেলার মিনাখাঁ থানার অন্তর্গত গড় আবাদ গ্রামের মাধাই সরদার-এর ১৫ বছর ৮ মাস বয়সী নাবালিকা কন্যাকে উদ্ধার করতে পারলো না পুলিস। মাধাই সরদার একজন দরিদ্র মানুষ, যিনি দিনমজুরের কাজ করেন।এমতবস্থায় বারবার পুলিসের দ্বারস্থ হয়েও কোনো এক অজ্ঞাত কারণে উদ্ধার হয়নি তার কন্যা। হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে আইনিসহ সবরকম সহযোগিতা করা হচ্ছে প্রিয়ার পরিবারকে, যাতে তাদের মনোবল না ভেঙে পড়ে । তাছাড়া গত ৩রা জানুয়ারি, রাজ্যের শিশু ও মহিলা কল্যাণ দপ্তরে নিজের কন্যাকে দ্রুত ফিরিয়ে দেবার আবেদন জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন হতভাগ্য পিতা মাধাই সরদার।এছাড়াও কেন্দ্রের Schedule Castes ডিপার্টমেন্টে চিঠি দিয়েছেন তিনি।তা সত্বেও এখনো উদ্ধার হলো না নাবালিকা প্রিয়া সরদার। মিনাখাঁ থানার পুলিস শুধু এক কথাই বলে চলেছে-আমরা চেষ্টা করছি।কিন্তু উদ্ধার করার লক্ষ্যে কোনোরকম দায়িত্বপূর্ণ উদ্যোগ পুলিসের পক্ষ থেকে দেখা যায়নি।হয়তো প্রিয়ার পিতা দিনমজুর বলে সুবিচার থেকে বঞ্চিত।
এমতবস্থায় সুশীল, শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষদের কাছে নিবেদন এই যে আপনারা আন্দোলন গড়ে তুলুন, প্রতিবাদের ভাষাকে জোরদার করুন।

লাভ-জিহাদের শিকার মিনাখাঁর হিন্দু নাবালিকা প্রিয়া সরদার, হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ পিতা

IMG-20181228-WA0033লাভ-জিহাদের করাল গ্রাসের শিকার হয়ে হারিয়ে যাচ্ছে  হিন্দু সমাজের একের পর এক কন্যা। একের পর এক ঘটনা ঘটে চলেছে পশ্চিমবঙ্গে। এবার লাভ-জিহাদের শিকার হলো উত্তর ২৪ পরগনা জেলার মিনাখাঁ থানার অন্তর্গত গড় আবাদ গ্রামের বাসিন্দা  হিন্দু নাবালিকা প্রিয়া সরদার(নাম পরিবর্তিত, বয়স ১৫ বছর ৮মাস)। সে গত ২৩শে ডিসেম্বর বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে যায়। তাঁর পিতা শ্রী মাধাই সরদার বিশেষ সূত্রে জানতে পারেন যে ওই গ্রামের বাসিন্দা মোক্তাউদ্দিন মোল্লা তাঁর মেয়েকে নিয়ে গিয়েছে। এরপরেও তিনি তার মেয়ের খোঁজ করতে থাকেন। কোনোভাবে মেয়ের কোনো খোঁজ না পেয়ে তিনি মিনাখাঁ থানায় অভিযুক্ত মুসলিম যুবক মোক্তাউদ্দিন মোল্লার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন, যার FIR নম্বর ৩৮৪/১৮। পুলিসের কাছে দায়ের করা অভিযোগে প্রিয়ার পিতা মাধাই সরদার জানিয়েছেন যে অভিযুক্ত মুসলিম যুবক মোক্তাউদ্দিন তার মেয়েকে অসৎ উদ্দেশ্যে নিয়ে গিয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত হিন্দু নাবালিকা প্রিয়া সরদারকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিস। এমতবস্থায় প্রিয়ার পিতা তার নাবালিকা কন্যাকে ফিরিয়ে আনতে সহযোগিতা চেয়ে হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ হয়েছেন। তিনি হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য-কে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন তার নাবালিকা কন্যাকে উদ্ধারে সহযোগিতা চেয়ে। হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে তাকে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

লাভ জিহাদের শিকার অনুশ্রী বর্মন, হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ পরিবার

Anuradha Barmanকোচবিহার জেলার শিতলকুচি থানার অন্তর্গত জায়গীর নাওহাটি(পাঠানটুলী) গ্রামের বাসিন্দা হেমন্ত বর্মনের মেয়ে অনুশ্রী বর্মন(নাম পরিবর্তিত) গত 20শে ডিসেম্বর সন্ধ্যায় নিখোঁজ হয়ে যায়।বাড়ির লোক অনেক খোঁজাখুঁজি করে অনুশ্রীকে পায়নি।শেষে স্থানীয় সূত্রে তিনি জানতে পারেন যে স্থানীয় ৪জন মুসলিম যুবক অনুশ্রীকে নিয়ে গিয়েছে।তারপরই ২২শে ডিসেম্বর তারিখে অনুশ্রীর পিতা শিতলকুচি থানায় ওই ৪জন মুসলিম যুবকের বিরুদ্ধে FIR দায়ের করেন,যার নম্বর ২৪৯/১৮।ওই ৪জন মুসলিম যুবক হলো ১) রানা মিয়াঁ, ২) মজিদ মিয়াঁ, ৩) হাপে মিয়াঁ এবং ৪)নাজিমুল মিয়াঁ।তিনি তার থানায় করা অভিযোগে উল্লেখ করেছেন যে তার মেয়েকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে গিয়েছেওই যুবকেরা।এমনকি তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে পাশেই যেহেতু বাংলাদেশ সীমান্ত রয়েছে, তাই তার মেয়েকে বাংলাদেশে পাচার করে দেওয়া হতে পারে এবং তার মেয়ে কোথায়, কি অবস্থায় রয়েছে, তা নিয়ে তিনি খুব চিন্তিত, এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।কিন্তু কয়দিন কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত তার মেয়ের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।এমনকি তিনি জানিয়েছেন যে পুলিসের ভূমিকায় তিনি সন্তুষ্ট নন, তিনি এও অভিযোগ করেন যে পুলিস উনাকে নিজের মেয়েকে খোঁজার কথা বলেছে।এমতবস্থায় তিনি তার কন্যাকে দ্রুত উদ্ধারের জন্য হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ হয়েছেন।তিনি হিন্দু সংহতির কাছে সাহায্যের জন্য কাতর প্রাথর্না জানান।হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে তার মেয়েকে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

লাভ-জিহাদের শিকার হিঙ্গলগঞ্জের সুমিতা মন্ডল; পুলিসের ঢিলেমি, হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ পরিবার

Photo2লাভ-জিহাদের করাল গ্রাস থামছে না পশ্চিমবাংলার বুকে। এইবার লাভ জিহাদের শিকার হল উত্তর ২৪ পরগনা জেলার  হিঙ্গলগঞ্জের হিন্দু নাবালিকা সুমিতা মন্ডল( নাম পরিবর্তিত, বয়স ১৬ বছর ৯মাস)। সে হিঙ্গলগঞ্জ হাইস্কুল( উঃ মাঃ ) দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়াশুনো করতো। গত ১৯ ই নভেম্বর রাত্রে সে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। হিঙ্গলগঞ্জ থানায় দায়ের করা অভিযোগে সুমিতার পিতা  জানিয়েছেন যে, তাঁর মেয়েকে হিঙ্গলগঞ্জের বাঁকড়া গ্রামের মতিউর সরদার (পিতা -রবিউল সরদার ) ফুঁসলিয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে নিয়ে গিয়েছে। তার অভিযোগের ভিত্তিতে হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিস অভিযুক্ত মতিউর সরদার-এর বিরুদ্ধে অপহরণের মামলা দায়ের করেন,যার FIR No -১৬৪/১৮। কিন্তু তার পরে বেশ কয়েকদিন কেটে গিয়েছে। কিন্তু অপহৃতা সুমিতা এখনো উদ্ধার হয়নি। এমতবস্থায় সুমিতার পিতা তার মেয়েকে ফিরে পাওয়ার আশায় হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ হয়েছেন। তিনি গতকাল ২৬শে নভেম্বর হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্যের সঙ্গে দেখা করে তাঁর নাবালিকা কন্যাকে ফিরিয়ে দেবার কাতর প্রার্থনা জানান। সুমিতার পিতা জানিয়েছেন যে, তার কন্যাকে ফিরিয়ে দেবার ক্ষেত্রে হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিস যথেষ্ট ঢিলেমি করছে এবং তিনি আরো জানিয়েছেন যে বার বার থানায় যাওয়া সত্বেও তার নাবালিকা কন্যাকে উদ্ধার করার ব্যাপারে কোনো ভরসা দিতে পারেননি হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিস। তাই তিনি হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ হয়েছেন। এমতবস্থায় হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে তার অপহৃতা কন্যাকে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয় সুমিতার পিতাকে।

লাভ জিহাদের শিকার বীরভূমের পুষ্পিতা কাহার, পুলিশের তৎপরতায় উদ্ধার

বীরভূমের আবার এক নাবালিকা লাভ জিহাদের শিকার, ঘটনাটি ঘটে বীরভূমের সিউড়ি থানার অন্তর্গত  বারুইপুর গ্রামে, গত  11ই ফেব্রূয়ারি,.2018 রবিবার সন্ধ্যার সময় সবাই যখন নিজের নিজের কাজে ব্যস্ত, তখন বারুইপুরের অজিত কাহারও টিভি দেখতে ব্যস্ত ছিলেন, টিভি দেখতে দেখতে দেখলেন তার বড় কন্যা পুষ্পিতা কাহার(বয়স ১৭, নাম পরিবর্তিত) কে দেখা যাচ্ছেনা। তিনি ভাবলেন হয়তো আশেপাশে আছে, ঠিক চলে আসবে। প্রায় 30 মিনিট পেরিয়ে গেলেও বাড়িতে ফিরছে না দেখে অজিত কাহার তার মেয়ে পুষ্পিতা কাহার কে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও কোন খোঁজ পাওয়া গেলোনা যখন, তখন বিশেষ সূত্রে অজিত কাহার জানতে পারে তার মেয়ে পুষ্পিতা কাহারকে সিউড়ির ১২নাম্বার ওয়ার্ডের ছাপতলার শেখ জানেআলম(তুফান) পিতা জাকির, প্রলোভন দেখিয়ে সঙ্গে নিয়ে পালিয়ে গেছে। তারপর অজিত কাহার ও তার পরিবার কাতর অবস্থায় 12.02.2018 তারিখে প্রশাসনের দ্বারস্থ হন। প্রশাসন থেকে তাদের মেয়েকে ফিরিয়ে দেবার আশ্বাস দেওয়া হয়।  মেয়ে উদ্ধার হতে দেরি হওয়ায় অজিত বাবু  হিন্দু সংহতির স্থানীয় কর্মকর্তা দীপক মাহাতোর সাথে দেখা করে তার সাহায্য প্রার্থনা করেন। পরে গত ৭ই ফেব্রূয়ারি, বুধবার পুলিশ লাভ জিহাদের শিকার হিন্দু নাবালিকা পুষ্পিতাকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত জানে আলমকে গ্রেপ্তার করে। উদ্ধার হওয়া পুষ্পিতা এখন জুভেনাইল হোমে রয়েছে। আর অভিযুক্ত জানে আলমকে বর্তমানে জেল হেফাজতে রাখা হয়েছে। প্রসঙ্গতঃ  উল্লেখ করা যায় যে পুষ্পিতা এবছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী।

লাভ-জিহাদের শিকার নন্দীগ্রামের সুপ্রিয়া দাস

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রাম থানার অন্তর্গত রানিচর গ্রামের বাসিন্দা একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী, সুপ্রিয়া দাস (নাম পরিবর্তিত, বয়স ১৭বছর) কে  গত ২৯শে জানুয়ারী ফুঁসলিয়ে নিয়ে যায় সাতাঙ্গাবাড়ি গ্রামের শেখ সুফিয়ান আলি, পিতা – শেখ আফতার আলি। কিন্তু মেয়েটিকে উদ্ধার করতে পুলিশ যথেষ্ট দেরী করছে। মেয়েটির পরিবারের পক্ষ থেকে মেয়েটির মা নন্দীগ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন, যার  FIR No-৪১/১৮ । পুলিশ অভিযুক্ত মুসলিম যুবক শেখ সুফিয়ান আলীর বিরুদ্ধে IPC – ৩৬৯,৩৬৫ধারায় মামলা দায়ের করেছে। কিন্তু মেয়েটিকে উদ্ধার করতে পুলিশ যথেষ্ট দেরী করছে। এমতবস্থায় মেয়েটির পরিবার তাদের মেয়েকে ফিরে পাওয়ার জন্য হিন্দু সংহতির কাছে আবেদন জানিয়েছেন। হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে থানায় যোগাযোগ করা হলে পুলিশের পক্ষ থেকে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত লাভ-জিহাদের শিকার কিশোরী সুপ্রিয়াকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ-প্রশাসন।

হিন্দু প্রেমিকার নগ্ন ছবি ফেসবুকে পোস্ট, রামপুরহাটে গ্রেপ্তার সুফিয়ার রহমান

হিন্দু প্রেমিকা বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় প্রেমিকার আপত্তিকর ছবি সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইটে পোস্ট করে দিল  মুসলিম প্রেমিক। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূম জেলার অন্তর্গত রামপুরহাট থানার কাষ্টগড়া গ্রামে। এদিকে, গতকাল ৮ই ফেব্রুয়ারী, বৃহস্পতিবার দুপুরে অভিযুক্ত সুফিয়ার রহমান ওরফে নিউটনকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় পুলিশকে। পরে অবশ্য বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। রামপুরহাট থানার আইসি সন্দীপন চট্টোপাধ্যায় বলেন, আজ ৯ই ফেব্রুয়ারী, শুক্রবার ধৃতকে রামপুরহাট আদালতে তোলা হবে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিউটনের বাড়ি কাষ্টগড়া গ্রামেই। ওই গ্রামে তার মোবাইলের দোকান রয়েছে। সেই দোকানে মোবাইলের রিচার্জ করাতে আসতেন গ্রামেরই ওই যুবতী। তিনি সিউড়ি বিদ্যাসাগর কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী। আসা যাওয়ার সুবাদে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তারা ঘনিষ্ঠভাবে মেলামেশা করতো। সম্প্রতি ওই ছাত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দেয় নিউটন। কিন্তু, ওই ছাত্রী তা না মানায় তাদের সম্পর্কের অবনতি ঘটে।

ওই ছাত্রী বলেন, দিন কয়েক আগে বন্ধুদের মাধ্যমে জানতে পারি, নিউটন আমার বেশকিছু আপত্তিকর ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দিয়েছে। আমি পরে ওর সঙ্গে যোগাযোগ করলে সে বলে, ভুল করে হয়ে গিয়েছে। তোমার বাবা যেন কোথাও অভিযোগ না জানায়। আমি ফেসবুক থেকে ছবি ডিলিট করে দিচ্ছি। এদিকে ততক্ষণে ওই ছাত্রীর নগ্ন ছবি মোবাইলে মোবাইলে ছড়িয়ে পড়ে। এদিকে মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবে থানায় অভিযোগ জানাননি ওই ছাত্রীর বাবা। কিন্তু, গ্রামের বাসিন্দারা মিলে এব্যাপারে রামপুরহাটের মহকুমা শাসক ও মহকুমা পুলিশ আধিকারিকের কাছে ওই যুবকের নামে অভিযোগ জানান। সেইমতো এদিন নিউটনকে মল্লারপুরের একটি ব্যাঙ্ক থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

নিউটনকে নিয়ে পুলিশ তার দোকানেও হানা দেয়। দোকানের কম্পিউটার সহ অনান্য সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করতে গেলে বাধা দেয় নিউটনের আত্মীয়রা। তারা অভিযুক্তকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। তা নিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে আরও পুলিশ বাহিনী এসে প্রয়োজনীয় সামগ্রী সহ অভিযুক্তকে থানায় নিয়ে আসে।