লাভ-জিহাদের শিকার হিঙ্গলগঞ্জের সুমিতা মন্ডল; পুলিসের ঢিলেমি, হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ পরিবার

Photo2লাভ-জিহাদের করাল গ্রাস থামছে না পশ্চিমবাংলার বুকে। এইবার লাভ জিহাদের শিকার হল উত্তর ২৪ পরগনা জেলার  হিঙ্গলগঞ্জের হিন্দু নাবালিকা সুমিতা মন্ডল( নাম পরিবর্তিত, বয়স ১৬ বছর ৯মাস)। সে হিঙ্গলগঞ্জ হাইস্কুল( উঃ মাঃ ) দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়াশুনো করতো। গত ১৯ ই নভেম্বর রাত্রে সে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। হিঙ্গলগঞ্জ থানায় দায়ের করা অভিযোগে সুমিতার পিতা  জানিয়েছেন যে, তাঁর মেয়েকে হিঙ্গলগঞ্জের বাঁকড়া গ্রামের মতিউর সরদার (পিতা -রবিউল সরদার ) ফুঁসলিয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে নিয়ে গিয়েছে। তার অভিযোগের ভিত্তিতে হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিস অভিযুক্ত মতিউর সরদার-এর বিরুদ্ধে অপহরণের মামলা দায়ের করেন,যার FIR No -১৬৪/১৮। কিন্তু তার পরে বেশ কয়েকদিন কেটে গিয়েছে। কিন্তু অপহৃতা সুমিতা এখনো উদ্ধার হয়নি। এমতবস্থায় সুমিতার পিতা তার মেয়েকে ফিরে পাওয়ার আশায় হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ হয়েছেন। তিনি গতকাল ২৬শে নভেম্বর হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্যের সঙ্গে দেখা করে তাঁর নাবালিকা কন্যাকে ফিরিয়ে দেবার কাতর প্রার্থনা জানান। সুমিতার পিতা জানিয়েছেন যে, তার কন্যাকে ফিরিয়ে দেবার ক্ষেত্রে হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিস যথেষ্ট ঢিলেমি করছে এবং তিনি আরো জানিয়েছেন যে বার বার থানায় যাওয়া সত্বেও তার নাবালিকা কন্যাকে উদ্ধার করার ব্যাপারে কোনো ভরসা দিতে পারেননি হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিস। তাই তিনি হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ হয়েছেন। এমতবস্থায় হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে তার অপহৃতা কন্যাকে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয় সুমিতার পিতাকে।

Advertisements

লাভ জিহাদের শিকার বীরভূমের পুষ্পিতা কাহার, পুলিশের তৎপরতায় উদ্ধার

বীরভূমের আবার এক নাবালিকা লাভ জিহাদের শিকার, ঘটনাটি ঘটে বীরভূমের সিউড়ি থানার অন্তর্গত  বারুইপুর গ্রামে, গত  11ই ফেব্রূয়ারি,.2018 রবিবার সন্ধ্যার সময় সবাই যখন নিজের নিজের কাজে ব্যস্ত, তখন বারুইপুরের অজিত কাহারও টিভি দেখতে ব্যস্ত ছিলেন, টিভি দেখতে দেখতে দেখলেন তার বড় কন্যা পুষ্পিতা কাহার(বয়স ১৭, নাম পরিবর্তিত) কে দেখা যাচ্ছেনা। তিনি ভাবলেন হয়তো আশেপাশে আছে, ঠিক চলে আসবে। প্রায় 30 মিনিট পেরিয়ে গেলেও বাড়িতে ফিরছে না দেখে অজিত কাহার তার মেয়ে পুষ্পিতা কাহার কে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও কোন খোঁজ পাওয়া গেলোনা যখন, তখন বিশেষ সূত্রে অজিত কাহার জানতে পারে তার মেয়ে পুষ্পিতা কাহারকে সিউড়ির ১২নাম্বার ওয়ার্ডের ছাপতলার শেখ জানেআলম(তুফান) পিতা জাকির, প্রলোভন দেখিয়ে সঙ্গে নিয়ে পালিয়ে গেছে। তারপর অজিত কাহার ও তার পরিবার কাতর অবস্থায় 12.02.2018 তারিখে প্রশাসনের দ্বারস্থ হন। প্রশাসন থেকে তাদের মেয়েকে ফিরিয়ে দেবার আশ্বাস দেওয়া হয়।  মেয়ে উদ্ধার হতে দেরি হওয়ায় অজিত বাবু  হিন্দু সংহতির স্থানীয় কর্মকর্তা দীপক মাহাতোর সাথে দেখা করে তার সাহায্য প্রার্থনা করেন। পরে গত ৭ই ফেব্রূয়ারি, বুধবার পুলিশ লাভ জিহাদের শিকার হিন্দু নাবালিকা পুষ্পিতাকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত জানে আলমকে গ্রেপ্তার করে। উদ্ধার হওয়া পুষ্পিতা এখন জুভেনাইল হোমে রয়েছে। আর অভিযুক্ত জানে আলমকে বর্তমানে জেল হেফাজতে রাখা হয়েছে। প্রসঙ্গতঃ  উল্লেখ করা যায় যে পুষ্পিতা এবছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী।

লাভ-জিহাদের শিকার নন্দীগ্রামের সুপ্রিয়া দাস

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রাম থানার অন্তর্গত রানিচর গ্রামের বাসিন্দা একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী, সুপ্রিয়া দাস (নাম পরিবর্তিত, বয়স ১৭বছর) কে  গত ২৯শে জানুয়ারী ফুঁসলিয়ে নিয়ে যায় সাতাঙ্গাবাড়ি গ্রামের শেখ সুফিয়ান আলি, পিতা – শেখ আফতার আলি। কিন্তু মেয়েটিকে উদ্ধার করতে পুলিশ যথেষ্ট দেরী করছে। মেয়েটির পরিবারের পক্ষ থেকে মেয়েটির মা নন্দীগ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন, যার  FIR No-৪১/১৮ । পুলিশ অভিযুক্ত মুসলিম যুবক শেখ সুফিয়ান আলীর বিরুদ্ধে IPC – ৩৬৯,৩৬৫ধারায় মামলা দায়ের করেছে। কিন্তু মেয়েটিকে উদ্ধার করতে পুলিশ যথেষ্ট দেরী করছে। এমতবস্থায় মেয়েটির পরিবার তাদের মেয়েকে ফিরে পাওয়ার জন্য হিন্দু সংহতির কাছে আবেদন জানিয়েছেন। হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে থানায় যোগাযোগ করা হলে পুলিশের পক্ষ থেকে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত লাভ-জিহাদের শিকার কিশোরী সুপ্রিয়াকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ-প্রশাসন।

হিন্দু প্রেমিকার নগ্ন ছবি ফেসবুকে পোস্ট, রামপুরহাটে গ্রেপ্তার সুফিয়ার রহমান

হিন্দু প্রেমিকা বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় প্রেমিকার আপত্তিকর ছবি সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সাইটে পোস্ট করে দিল  মুসলিম প্রেমিক। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূম জেলার অন্তর্গত রামপুরহাট থানার কাষ্টগড়া গ্রামে। এদিকে, গতকাল ৮ই ফেব্রুয়ারী, বৃহস্পতিবার দুপুরে অভিযুক্ত সুফিয়ার রহমান ওরফে নিউটনকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় পুলিশকে। পরে অবশ্য বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। রামপুরহাট থানার আইসি সন্দীপন চট্টোপাধ্যায় বলেন, আজ ৯ই ফেব্রুয়ারী, শুক্রবার ধৃতকে রামপুরহাট আদালতে তোলা হবে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিউটনের বাড়ি কাষ্টগড়া গ্রামেই। ওই গ্রামে তার মোবাইলের দোকান রয়েছে। সেই দোকানে মোবাইলের রিচার্জ করাতে আসতেন গ্রামেরই ওই যুবতী। তিনি সিউড়ি বিদ্যাসাগর কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী। আসা যাওয়ার সুবাদে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তারা ঘনিষ্ঠভাবে মেলামেশা করতো। সম্প্রতি ওই ছাত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দেয় নিউটন। কিন্তু, ওই ছাত্রী তা না মানায় তাদের সম্পর্কের অবনতি ঘটে।

ওই ছাত্রী বলেন, দিন কয়েক আগে বন্ধুদের মাধ্যমে জানতে পারি, নিউটন আমার বেশকিছু আপত্তিকর ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দিয়েছে। আমি পরে ওর সঙ্গে যোগাযোগ করলে সে বলে, ভুল করে হয়ে গিয়েছে। তোমার বাবা যেন কোথাও অভিযোগ না জানায়। আমি ফেসবুক থেকে ছবি ডিলিট করে দিচ্ছি। এদিকে ততক্ষণে ওই ছাত্রীর নগ্ন ছবি মোবাইলে মোবাইলে ছড়িয়ে পড়ে। এদিকে মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবে থানায় অভিযোগ জানাননি ওই ছাত্রীর বাবা। কিন্তু, গ্রামের বাসিন্দারা মিলে এব্যাপারে রামপুরহাটের মহকুমা শাসক ও মহকুমা পুলিশ আধিকারিকের কাছে ওই যুবকের নামে অভিযোগ জানান। সেইমতো এদিন নিউটনকে মল্লারপুরের একটি ব্যাঙ্ক থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

নিউটনকে নিয়ে পুলিশ তার দোকানেও হানা দেয়। দোকানের কম্পিউটার সহ অনান্য সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করতে গেলে বাধা দেয় নিউটনের আত্মীয়রা। তারা অভিযুক্তকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। তা নিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে আরও পুলিশ বাহিনী এসে প্রয়োজনীয় সামগ্রী সহ অভিযুক্তকে থানায় নিয়ে আসে।

লাভ-জিহাদের শিকার দিল্লীর তরুণী, অ্যাসিড দিয়ে পোড়ানো হলো হাতের ওঁম(ॐ) ট্যাটু।

মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে রাজধানী দিল্লিতে। বছর ২১-এর তরুণীটি দিল্লীর একটি কলেজে স্নাতক স্তরের পড়াশুনো করছিলেন। প্রায় দশ মাস আগে ফোনের মিসড কলের সূত্রে তার ইমরানের সঙ্গে আলাপ হয়। কিন্তু ইমরান মেয়েটির কাছে নিজের পরিচয় গোপন করে এবং নিজেকে সোনু নামে পরিচয় দেয়। এইভাবে ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একদিন মেয়েটি বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায় সোনুর সঙ্গে। মেয়েটির নিজের কথায় শুনুন ”সোনুর বাড়িতে গিয়ে দেখি যে সে হিন্দু নয়, মুসলিম ছেলে। তার আসল নাম ইমরান শেখ। তখন আমি বাড়ি ফিরে আসতে চাইলে ইমরান আমায় আটকে রাখে এবং লাগাতার ধর্ষণ করতে থাকে। একদিন ইমরানের বাবা আমার হাতের ওঁম ট্যাটু দেখে ফেলে এবং অ্যাসিড দিয়ে হাতের ট্যাটু পুড়িয়ে দেয়। একটি মিসড কল আমার জীবনটা শেষ করে দিলো।” পুলিশ ইমরান এবং তার বাবাকে  গ্রেপ্তার করেছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আটকে রেখে ধর্ষণ, প্রতারণা সহ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করেছে দিল্লী পুলিশ। বর্তমানে মেয়েটির চিকিৎসা চলছে।

পুরোনো অখিলা অশোকান নামেই কলেজে পরিচিত হবেন ইসলামে ধর্মান্তরিত হাদিয়া

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী কেরালা পুলিশ গতকাল ২৮শে নভেম্বর, মঙ্গলবারই সালেমে পৌঁছে দিল ইসলামে ধর্মান্তরিত হাদিয়াকে৷ কলেজ ও হস্টেলে তাঁর জন্য নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকবে বলে জানিয়েছে তামিলনাড়ু পুলিশ৷ তবে সেখানে হাদিয়া পরিচিত হবেন তাঁর পুরোনো নাম অখিলা অশোকান নামে৷ কলেজ অধ্যক্ষের ঘোষণা, বাবার সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হবে ছাত্রীকে, স্বামী শাফিন জাহানের সঙ্গে নয়৷

শীর্ষ আদালত সোমবার হাদিয়ার কাছে জানতে চেয়েছিল, তাঁর কী ইচ্ছে? কেরালার বছর পঁচিশের তরুণী পড়াশোনার জগতে ফিরতে চেয়েছিল৷ তাঁর সেই আর্জি মঞ্জুর করে প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রের বেঞ্চ৷ আদালতের নির্দেশ অনুসারে মঙ্গলবার নয়াদিল্লি থেকে তামিলনাড়ু উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয় হাদিয়াকে৷ কেরালা পুলিশের ঘেরাটোপে কোয়েম্বাটোর বিমানবন্দরে পৌঁছন তিনি৷ সেখানে তাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়নি৷ বিমানবন্দর থেকে সড়কপথে সালেমের শিবরাজ মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয় হোমিয়োপ্যাথির ছাত্রীটিকে৷ তুলে দেওয়া হয় কলেজ কর্তৃপক্ষের হাতে৷

গত মে মাসে শাফিন জাহানের সঙ্গে হাদিয়ার বিয়ে হয়৷ অখিলা অশোকান ইসলামে ধর্মান্তরণের পর হন হাদিয়া৷ তার আগেই কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি৷ একমাস পড়াশোনাও করেছেন৷ তাই কলেজের অধ্যক্ষ জি কান্নন জানিয়েছেন, এই প্রতিষ্ঠানে হাদিয়া তাঁর পুরোনো নাম অখিলাতেই পরিচিত হবেন৷ কলেজের ছাত্রী আবাসে থাকবেন তিনি৷ অন্যান্য ছাত্রীদের থেকে আলাদা চোখে তাঁকে দেখা হবে না৷ তবে হাদিয়ার জন্য যে নিরাপত্তার বন্দোবস্ত থাকবে, সে কথা জানিয়েছেন পুলিশের ডিসি সুব্বুলক্ষ্মী৷ ১০ মাস এখানে থেকে হাদিয়াকে কোর্স শেষ করতে বলেছে আদালত৷ বাবা ও স্বামী, উভয়ের কাছ থেকে তাঁকে দূরে রাখতে এই কলেজের ডিনকে স্থানীয় অভিভাবক হিসেবে বেছে নিয়েছে আদালত৷ তিনি প্রয়োজনে আদালতে অভিভাবক হিসেবে নিজের বক্তব্য পেশ করতে পারবেন৷ যদিও কলেজ অধ্যক্ষ এ দিন বলেন, ‘‘ছাত্রীর বাবা তাঁকে ভর্তি করেছেন৷ তাঁর সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দেওয়া হবে৷ কিন্তু, স্বামীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে দেওয়া হবে না৷’’ সুপ্রিম কোর্টের রায়ে খুশি হাদিয়ার বাবা কে এম অশোকান মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে চান৷ যদিও তাঁর মেয়েই অভিযোগ তুলেছেন, কয়েকমাস বাবা গৃহবন্দি করে রেখেছিলেন৷ এই অভিযোগ খারিজ করে অশোকান বলেন, ‘‘মেয়ে পুলিশি পাহারায় ছিল, গৃহবন্দি ছিল না৷’’ তাঁর মন্তব্য, ‘‘আমার পরিবারে কোনও সন্ত্রাসবাদীর জায়গা হতে পারে না৷ ইসলামে ধর্মান্তরিত হওয়ার পর অখিলা সিরিয়া যেতে চাইত৷ যে দেশের সম্পর্কে ওর কোনও ধারণা নেই৷’’

লাভ জেহাদের পাঠ নিতে স্কুল পড়ুয়া ও শিক্ষকদের মেলায় যাওয়ার নির্দেশ দিল রাজস্থান সরকার

love jihader path nite rajasthane‘লাভ জেহাদ’ ও খ্রিস্টান মিশনারিদের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে জয়পুরের বিভিন্ন স্কুলের পড়ুয়া ও শিক্ষকদের নির্দেশ দিল বসুন্ধরা রাজে সরকার। জয়পুরের অতিরিক্ত জেলা শিক্ষা আধিকারিক দীপক শুক্লা এই খবরের সত্যতা স্বীকার করে জানিয়েছেন, জয়পুরের প্রত্যেক সরকারি ও বেসরকারি স্কুলকে ওই মেলার সংগঠকদের সহায়তা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, রাজস্থানের প্রাথমিক ও মধ্য শিক্ষামন্ত্রী বাসুদেব দেভনানির নির্দেশেই ওই মেলায় পড়ুয়া ও শিক্ষকদের পাঠাতে স্কুলগুলিকে বলা হয়েছে। তিনি বলেন, আয়োজকরা চেয়েছিলেন অন্তত ২১০০ শিক্ষক যেন মেলায় যোগদান করেন। আয়োজকরা বিভিন্ন স্কুলে গিয়ে মেলায় অংশ নিতে আবেদনও করেন। কিন্তু সরকারি স্কুলের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, সরকারের নির্দেশ ছাড়া এমন অনুরোধ রক্ষা করা সম্ভব নয়। এরপরই স্কুল শিক্ষামন্ত্রী ওই মেলায় অংশ নেওয়ার জন্য সরকারি স্কুলগুলিকে নির্দেশ দেন। ফলে পড়ুয়ারা ছাড়াও প্রত্যেক স্কুল থেকে ২-৩ জন শিক্ষক ওই মেলায় অংশ নিচ্ছেন।

পাঁচদিনের এই হিন্দু স্পিরিচুয়্যাল অ্যান্ড সার্ভিস ফেয়ার শেষ হবে আগামীকাল। মেলায় ভিএইচপির স্টলে ‘লাভ জেহাদ’ নিয়ে পুস্তিকা বিতরণ করা হচ্ছে। ওই পুস্তিকায় বলা হয়েছে, সইফ আলি খান ও আমির খানের মতো অভিনেতারা হিন্দুদের স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করেছেন। এইভাবেই মুসলিমরা হিন্দু মহিলাদের ফাঁদে ফেলছেন। পুস্তিকায় লেখা হয়েছে, চাপের মুখে অন্য ধর্ম গ্রহণ করার চেয়ে নিজের ধর্ম বজায় রেখে মৃত্যুবরণ করে নেওয়া ভালো। কোথায় কোথায় লাভ জেহাদের ফাঁদে পড়েন হিন্দু মহিলারা তার বর্ণনাও দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, বিউটি পার্লারস, মোবাইল রিচার্জের দোকান, মেয়েদের দর্জির দোকানগুলি হল লাভ জেহাদের মুখ্যস্থল। মুসলিম হকারদের থেকে সাবধান থাকার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে হিন্দু মহিলাদের। বলা হয়েছে, ভিড় বাসে কোনও হিন্দু মহিলাকে আসন ছেড়ে দেওয়াটা কিন্তু জেহাদিদের একটি কৌশল। ওই পুস্তিকায় লেখা হয়েছে, মুসলিমরা হিন্দু মহিলাদের প্রলোভিত করে। কখনও তাঁদের বেচে দেয় আবার কখনও তারা খুন করে দেয়। হিন্দু মহিলাদের ধর্মান্তরিত করতে পারলে তারা অর্থও পায়। এই লাভ জেহাদ কীভাবে ঠেকানো যাবে তার পরামর্শও অভিভাবকদের দিয়েছে ওই পুস্তিকা। সেখানে লেখা হয়েছে, আপনার মেয়ে বা বোনের বইগুলি ভালোভাবে নজরে রাখুন। তাঁরা কাকে ফোন করছে সেদিকে খেয়াল রাখুন। সম্ভব হলে কোনও একজনকে তাঁদের সঙ্গে স্কুল-কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠান।

শুধু যে মুসলিমদের সম্পর্কেই পুস্তিকায় বলা হয়েছে এমন নয়। খ্রিষ্টান মিশনারিদের সন্দেহজনক গতিবিধি সম্পর্কেও আরও একটি পুস্তিকা প্রকাশ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, ইউরোপ-আমেরিকা থেকে এরা লক্ষ কোটি টাকা পাচ্ছে। আর সেই অর্থ দিয়েই নাগাল্যান্ড, অরুণাচল প্রদেশের মতো রাজ্যকে খ্রিষ্টান সংখ্যাগুরু রাজ্যে পরিণত করেছে।

ওই মেলায় হিন্দু সেনা নামে একটি সংগঠনের স্টলে লেখা আছে দেশকে সম্পূর্ণভাবে হিন্দুদের দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। অযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণের ডাকও দিয়েছে হিন্দু সেনা। বাবা জয়গুরুদেব বিকাশ সংস্থানের স্টলে আবার নিরামিশাষী হওয়ায় জোর দেওয়া হয়েছে। এক প্রচারক বলছেন, বিভিন্ন রাজ্যে এ ব্যাপারে ইতিমধ্যেই প্রচার করা হয়েছে। গো রক্ষা সেবা সংস্থানের স্টলে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে জার্সি গোরুর দুধ এড়িয়ে চলুন। তাদের পুস্তিকায় লেখা হয়েছে, ওই দুধ থেকে ক্যান্সার, ডায়াবিটিস, পক্ষঘাত, হার্ট ও মস্তিষ্কের সমস্যা হয়। ভারতীয় গো ক্রান্তি মঞ্চে আবার গোরুকে ‘রাষ্ট্র মাতা’ ঘোষণার দাবিতে অর্থ সংগ্রহ করা হচ্ছে। এই মঞ্চের তরফে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে বলা হয়েছে, গো-হত্যাকারীদের যেন ফাঁসি দেওয়া হয়। পাশাপাশি ১০ বছরের কম বয়সিদের যেন বিনামূল্যে ভারতীয় গোরুর দুধ দেওয়া হয়।

স্বামী জোর করে ধর্মান্তরণ করে আইএসে বিক্রির চেষ্টা করেছে, হাইকোর্টে কেরলের তরুণী

অখিলা ওরফে হাদিয়ার লাভ জিহাদের মামলা নিয়ে গোটা দেশ তোলপাড় হওয়ার মধ্যেই এ নিয়ে নয়া অভিযোগ। নিজের বিয়ে খারিজের দাবি করে কেরল হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন ২৫ বছরের জনৈক মালয়ালি তরুণী। তাঁর অভিযোগ, জোর করে ইসলামে ধর্মান্তরণ করে যৌন দাসী হিসেবে তাঁকে পাচার করা হয় সৌদি আরবে। তারপর সিরিয়ায় নিয়ে গিয়ে আইএস জঙ্গিদের কাছে তাঁকে বিক্রির চেষ্টা চলছিল। মালয়ালি ওই তরুণীর বড় হয়ে ওঠা গুজরাতে। তাঁর অভিযোগ, ২০১৪ সালে বেঙ্গালুরুর কলেজে পড়তে পড়তে জনৈক সাজ্জাদ রাহমের সঙ্গে তাঁর প্রেম হয়। তাঁরা যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হলে সাজ্জাদ তার ভিডিও তুলে রাখে, তারপর তা প্রকাশ করার ভয় দেখিয়ে ইসলাম গ্রহণ করতে বাধ্য করে তাঁকে। বিয়ে করে এ বছর আগস্টে তাকে সৌদি আরবে নিয়ে যায় সে। সেখানে তার পরিচয় দেয় নিজের যৌন দাসী বলে।

সাজ্জাদের মা-ও এই ঘটনায় যুক্ত বলে ওই তরুণীর অভিযোগ। আরও অভিযোগ, অমুসলিমকে ইসলামে দীক্ষিত করে তাদের পরিবার অজানা কোনও উৎস থেকে সোনা ও টাকা পয়সা পেয়েছে। সৌদি থেকে তাকে নিয়ে সিরিয়া যাওয়ার ইচ্ছে ছিল সাজ্জাদের, এমনকী তাকে আইএসআইএস জঙ্গিদের কাছে বেচে দেওয়ার কথাও নাকি বলে সে। ৩অক্টোবর কোনওমতে বাড়ির সঙ্গে যোগাযোগ করেন ওই তরুণী। বাবা তাঁকে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে বিমান টিকিটের স্ক্যান করা কপি পাঠিয়ে দেন। ৪ তারিখ শ্বশুরবাড়ি থেকে পালান তিনি, পরদিন পৌঁছন আহমেদাবাদ।

তাঁর দাবি, গোটা ঘটনায় যুক্ত কেরলের বিতর্কিত সংগঠন পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া। এ ব্যাপারে এনআইএ তদন্ত চেয়েছেন তিনি। সম্ভবত সোমবার কেরল হাইকোর্টে উঠবে মামলাটি।

অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যু হলো হিন্দু প্রেমিকার, গ্রেপ্তার মইজ আলি

গোপনাঙ্গ থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের জেরে মৃত্যু হল এক ছাত্রীর৷ তিনি পোদ্দারকোর্ট এলাকার একটি বেসরকারি মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে পড়তেন৷ ঘটনায় ওই ছাত্রীর প্রেমিককে আটক করেছে পুলিশ৷পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাবে না৷পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ছাত্রীর নাম মেঘা ভঞ্জ (২২)৷ তাঁর প্রেমিকের নাম মইজ আলি (২২)৷ দু’জনেরই বাড়ি হাওড়ার শিবপুর এলাকায়৷পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, কলেজে পড়ার সূত্রে তাঁদের আলাপ পরিচয়৷ সেই সূত্রেই প্রেম৷ অনলাইনে আলিপুরের একটি গেস্ট হাউসের রুম বুক করে তাঁরা৷ আজ ২৩শে অক্টোবর, দুপুর ১টা নাগাদ তাঁরা ওই গেস্ট হাউসের রুমে ঢোকে৷ হোটেল সূত্রের খবর, ঘণ্টা খানেক পরে মইজ তাঁর প্রেমিকাকে রক্তাক্ত অবস্থায় রুম থেকে বের করে৷ প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মেয়েটির গোপানাঙ্গ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হচ্ছিল৷ প্রথমে তাঁকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷সেখান থেকে বাঙ্গুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মৃত্যু হয় মেয়েটির৷ মইজ-ই টেলিফোন করে মেয়ের বাড়িতে খবর দেয়৷ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসকের কথায়, ‘‘যৌন মিলনের সময় কিছু ভুলভ্রান্তির জেরেই এই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে৷’’ পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তে সবদিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে৷

লাভ জিহাদের শিকার চট্টগ্রামের আয়না চাকমা

চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ির দীঘিনালা সরকারী কলেজের ছাত্রী আয়না চাকমাকে(১৯) চট্টগ্রামের বিবিরহাট থেকে উদ্বার করেছে পুলিশ। সে সাথে অপহরণকারী আবু বক্করকে আটক করেছে। তবে উদ্বার হওয়া কলেজ ছাত্রী ও অভিযুক্তের দাবী তারা প্রেম করে বিয়ে করেছে। দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সামসুউদ্দিন ভূইয়া জানান, জেলার মহালছড়ি উপজেলার উল্টাছড়ি গ্রামের বাসিন্দা সুখময় চাকমার বুধবার বিকালে তার মেয়ে দীঘিনালা সরকারী কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী আয়না চাকমাকে অপহরনের অভিযোগ এনে থানায় মামলা দায়ের করে। পুলিশ ঐদিন রাত সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির বিবিরহাটে অভিযান চালিয়ে দু’জনকে আটক করেছে। এদের আদালতে পাঠানোর প্রস্ততি চলছে।আবু বক্কর  অপহরণের অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, আয়না চাকমার সাথে আমার তার দীর্ঘ দিনের প্রেম ছিল। আমরা সেচ্ছায় দুজন বাড়ি থেকে পালিয়ে এসেছি। আয়না চাকমা জানান, গত ১৫ অক্টোবর কোর্ট এফিডেবিট মূলে বৌদ্ধ ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছি। আমি আর আয়না চাকমা নই। আমি এখন রিমা আক্তার। আমার সাথে থাকা আবু বক্করকে আমি বিবাহ করেছি। আমাকে সে অপহরণ করেনি।

কেরালায় পরিকল্পিতভাবে লাভ-জিহাদ চালাচ্ছে পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (PFI)

পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া – এই নামটির মধ্যে কোনোরকম ইসলামিক গন্ধ না থাকলেও এটি একটি মৌলবাদী ইসলামিক সংগঠন। এই সংগঠনটি পুরো কেরালা জুড়ে পরিকল্পিতভাবে হিন্দু মেয়েদের টার্গেট করে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করে চলেছে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে, এনআইএ (NIA) তদন্তে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। এই তথ্য গত ১১ই অক্টোবর এনআইএ সুপ্রিম কোর্ট-এ পেশ করে।  প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এনআইএ কেরালায় ঘটে যাওয়া ৯৪টি  ইসলামী ধর্মান্তকরণের ঘটনা নিয়ে তদন্তে নামে। যার মধ্যে ৩৬ টি ধর্মান্তকরণে সরাসরি পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার কর্মীরা জড়িত।কয়েকটি মেয়ে তদন্তকারীদের জানিয়েছে যে তাদেরকে প্রলুব্ধ করা হয়েছে ইসলাম গ্রহণের জন্যে।  এনআইএ সূত্রে আরো জানা গিয়েছে যে, এই ধর্মান্তরিত মেয়েদের ইসলামিক আদব-কায়দা,নামাজ শেখানো প্রভৃতি শেখানোর কাজ করতো PFI -এর মহিলা শাখা ন্যাশনাল ওমেন ফ্রন্ট। এক্ষেত্রে মহিলা শাখার প্রধান সাইনাবকে জেরা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে এনআইএ।  এছাড়া তাদের মধ্যে যারা নার্স বা ডাক্তার ছিল,তাদেরকে ইসলামিক স্টেট-এ যোগ দেওয়ার জন্যে উৎসাহিত করা হতো। ইতিমধ্যেই কেরালা থেকে বেশকিছু সংখক ধর্মান্তরিত যুবক-যুবতী সিরিয়া পাড়ি দিয়েছে। এই কেসগুলিতে প্রায় ৫০জন PFI কর্মীকে জেরা করা হয়েছে, এনআইএ সূত্রে এমনটাই জানানো হয়েছে। তবে তদন্ত এখনো চলবে বলে এনআইএ- এর এক অফিসার জানিয়েছেন।