সোনারপুরে ৩৫ লক্ষ টাকার হেরোইনসহ ২ মুসলিম গ্রেপ্তার

গত ২৮শে অক্টোবর, শনিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার স্টেশনের পাশে ৩৫ লক্ষ টাকার হেরোইনসহ দুজন মাদক কারবারীকে গ্রেপ্তার করলো পুলিস। ধৃতরা হলো রশিদ লস্কর এবং শেখ জালালুদ্দিন। এদের মধ্যে রশিদ দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ঘুটিয়ারি শরীফের বাসিন্দা এবং শেখ জালালুদ্দিন নদীয়ার কালীগঞ্জের বাসিন্দা। এদের কাছ থেকে পুলিস ১কেজি ১০০গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করেছে, যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকা। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে  যে, সূত্র মারফত বারুইপুর জেলা পুলিসের কাছে খবর আসে যে দুজন ব্যক্তি সোনারপুর স্টেশনের পাশেই হেরোইন ডেলিভারি দিতে আসবে। সেইমতো ঐদিন সকাল থেকে পুলিস কর্মীরা স্টেশনের আশেপাশে সন্দেহজনক ব্যক্তিদের ওপর নজর রাখতে থাকেন। পরে পুলিসকর্মীরা এই দুজনকে তল্লাশি করেন এবং পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এই কারবারে আর কারা জড়িত, তা জানার জন্যে তাদের জেরা করা হচ্ছে বলে পুলিসের তরফ থেকে জানানো হয়েছে।

Advertisements

বীরভূমের নলহাটিতে গ্রেপ্তার মাদক পাচারকারী জিয়াউল শেখ

অবশেষে ধরা পড়ল আন্তঃরাজ্য মাদক পাচার চক্রের চাঁই জিয়াউল শেখ। অপরাধ দুনিয়ায় সে ‘ফিরোজ’ নামেই পরিচিত। গত ৬ই ফেব্রুয়ারী, মঙ্গলবার রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে নলহাটির লোহাপুর স্টেশন সংলগ্ন এলাকা থেকে মাদক সহ ফিরোজকে ধরে পুলিশ। আটক করা হয় তার তিন শাগরেদকেও। দীর্ঘ জেরার পর বুধবার দুপুরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। রামপুরহাট মহকুমা পুলিশ আধিকারিক মিতুন দে বলেন, “ধৃতদের দফায় দফায় জেরা করে এই মাদক পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত বাকিদেরও সন্ধান জানার চেষ্টা চলছে। আজ বৃহস্পতিবার তাদের রামপুরহাট আদালতে তোলা হবে।”

পেট্রাপোলে গ্রেপ্তার ২ মাদক পাচারকারী

মাদক পাচারের অভিযোগে কোডাইন মিকচার সহ দুই পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করলো পেট্রাপোল থানার পুলিশ। গত ৬ই ডিসেম্বর, বুধবার  রাতে পেট্রাপোল সীমান্তবর্তী জয়ন্তীপুর বাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতরা হলো লোকমান শেখ ও নয়নতারা শেখ। ধৃতদের কাছ থেকে ১০.৭ লিটার কোডাইন মিকচার উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মাদক পাচারের অভিযোগে ধৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

মেয়ো রোডে কোকেনসহ ধৃত আন্তঃরাজ্য মাদক পাচার চক্রের দুই পান্ডা

কলকাতার ময়দান থানার মেয়ো রোডের কাছ থেকে গত ২৯শে অক্টোবর, রবিবার বিকালে ২৩৮.৫০ গ্রাম কোকেনসহ আন্তঃরাজ্য মাদক পাচার চক্রের দুই মাথাকে গ্রেপ্তার করলেন কলকাতা পুলিশের নারকোটিক সেলের গোয়েন্দারা। ধৃতরা হল, শেখ নজরুল আলি (২৮) ও আফসার আলি (৩৩)।

কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান বিশাল গর্গের কথায়, আগাম খবরের ভিত্তিতে নারকোটিক শাখার গোয়েন্দাদের একটি দল রবিবার বিকাল সাড়ে চারটে নাগাদ এই দুই যুবককে ২৩৮.৫০ গ্রাম কোকেনসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে। গোয়েন্দা
প্রধান জানাচ্ছেন, প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে ধৃতরা কলকাতায় মাদক সরবরাহ করতেই এসেছিল। আন্তর্জাতিক বাজারে উদ্ধার হওয়া এই কোকেনের দাম প্রায় ১৬ লক্ষ টাকা।

প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, আদতে হুগলির জাঙ্গিপাড়ার বাসিন্দা শেখ নজরুল। তবে ধৃত আফসারের আদি বাড়ি হরিপালে হলেও, হালে সে বেঙ্গালুরুর নাগেরপেট এলাকায় কাজের সুবাদে আস্তানা গেড়েছিল।
বিরিয়ানির দক্ষ কারিগর হওয়ার সুবাদে বেঙ্গালুরুতে আফসারের আর্থিক অবস্থা যথেষ্টই সচ্ছল। তবে দু’জনেই একসময় মাদকাসক্ত ছিল। পরে মোটা টাকা রোজগারের নেশায় নিজেদের পেশা ছেড়ে আন্তঃরাজ্য মাদক পাচার কারবারে নাম লেখায়।

অন্ধকার জগতে কোকেনকে রাজার নেশা বলা হয়। সাম্প্রতিককালে কলকাতা শহরে বড়সড় কোকেন গ্যাং ধরা পড়েনি বললেই চলে। এদিকে, ধৃত দু’জনকে সোমবার দুপুরে সিটি সেশন কোর্টে হাজির করানো হলে, আদালত ১২ নভেম্বর পর্যন্ত
পুলিশ হেপাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এ রাজ্যে এই চক্রের অন্য সদস্যদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে।

মালদায় পুলিশের হাতে ব্রাউন সুগারসহ গ্রেপ্তার মঈন শেখ

brown sugarগত ২৯শে অক্টোবর, রবিবার মালদার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের মহদীপুর থেকে ৩০০গ্রাম ব্রাউন সুগারসহ এক আন্তর্জাতিক মাদক পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ। তার নাম মঈন শেখ(২৮)। ধৃতের বাড়ি কালিয়াচক থানার অন্তর্গত কামারপাড়া এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে দীর্ঘ দিন ধরেই মঈন কালিয়াচক থেকে মাদক নিয়ে এসে বাংলাদেশে পাচার করত। তাকে খুঁজছিলো পুলিশ। রবিবার ভোরে তাকে মহদীপুর থেকে ব্রাউন সুগারসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

ফের গ্রেপ্তার আন্তঃরাজ্য মাদক কারবারের চাঁই জাহাঙ্গীর কবীর

drug-murshidabadধরা পড়ে জেল খেটেও কোন পরিবর্তন হয়নি আন্তঃরাজ্য মাদক কারবারের চাঁইয়ের। তাই ছাড়া পেয়ে ফের মুর্শিদাবাদের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে মাদক-হেরোইন কারবারের বড়সড় নেটওয়ার্ক বানিয়ে ফেলতে তৎপর হয়ে ওঠে জাহাঙ্গীর কবীর। এই খবর পেয়েই ময়দানে কোমর বেঁধে নেমে পড়ে পুলিশও। আর তাতেই শেষ রক্ষা হল না ওই চাঁইয়ের। লালগোলা পুলিশের জালে আবারও বমাল ধরা পরে যায় জাহাঙ্গীর কবীর । গোপন সূত্রে খবর পেয়ে লালগোলা থানার পুলিশ তল্লাশি অভিযানে নেমে উন্নত মানের লক্ষাধিক টাকার হেরোইন সমেত পাকড়াও করে তাকে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, লালগোলা থানার বিলবরা কোপরা অঞ্চলের রামনগরের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আন্তঃরাজ্য মাদক কারবারে নতুন মুখ নয়। বহুদিন ধরেই হেরোইন পাচারের সাথে যুক্ত থেকেছে সে।বছর দুয়েক আগেও কোটি টাকা মূল্যের উন্নত মানের ৩.৫ কেজি হেরোইন সমেত গ্রেপ্তার হয় জাহাঙ্গীর।জেল খেটে ছাড়া পেয়ে ফের মাদক ব্যবসায় কিং পিন হবার দৌড়ে হাত পাকাতে শুরু করে। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশেও তার নেটওয়ার্কের হদিস পেয়েছে পুলিশ। প্রসঙ্গত এবারও নির্দিষ্ট জায়গায় মাদক পৌঁছে দেবার জন্য বাড়ি থেকে গতকাল ১৩ই অক্টোবর গভীর রাতে বেড়ায় এই কারবারী।গোপন সূত্রে খবর পেয়ে লালগোলা থানার ওসি বিপ্লব কর্মকার ব্লু-প্রিন্ট বানিয়ে জঙ্গিপুর-লালগোলা রাজ্য সড়কের যশইতলা মোড়ে অভিযান শুরু করেন। এই অভিযানে গ্রেফতার হওয়া জাহাঙ্গীরের কাছ থেকে উদ্ধার হয় ৪১০ গ্রাম হেরোইন। নারকটিক ড্রাগস এন্ড সাইকট্রপিক সাবস্টান্স অ্যাক্টে আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে ছয় দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়। এই ব্যাপারে লালগোলা থানার ওসি বিপ্লব কর্মকার বলেন, “ধৃত জাহাঙ্গীরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে, তার বাংলাদেশ লিঙ্ক ও অন্যান্য কোথায় যোগাযোগ আছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই কারবারের সাথে যুক্ত কাউকে ছাড়া  হবে না।”