হাওড়ার দাশনগরে একই রাতে দুটি মন্দিরে চুরি, দুষ্কৃতীরা অধরা

গত ১৯শে ফেব্রূয়ারি, মঙ্গলবার হাওড়া জেলার অন্তর্গত দাশনগর এলাকার একটি শ্যামাকালী ও তারা মায়ের মন্দিরে চুরি হয়েছে। দু’টি মন্দির থেকেই দুষ্কৃতীরা প্রতিমার গায়ে থাকা অলঙ্কার ও বাসনপত্র নিয়ে চম্পট দিয়েছে। এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। এই নিয়েও দাশনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত কয়েকদিন ধরেই হাওড়া শহরের বিভিন্ন এলাকায় চুরির ঘটনা ব্যাপক আকার নিয়েছে। প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও চুরি হচ্ছে। অথচ পুলিস এখনও পর্যন্ত কোনও চুরির ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এই ঘটনায় পুলিসের ভূমিকায় মানুষের ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

Advertisements

মালদহের ইংলিশবাজারের কালীমন্দিরে প্রণামীর টাকাসহ অলংকার চুরি, অধরা দুষ্কৃতীরা

inglishbazarপশ্চিমবঙ্গের জেলায় জেলায় একের পর এক মন্দিরে চুরি হয়ে চলেছে। চোরেরা প্রত্যেকটি মন্দিরের অলংকার থেকে শুরু করে পূজার যাবতীয় জিনিস চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। এবার চুরি হলো মালদার কালীমন্দিরে। গত ১৯শে জানুয়ারী, শুক্রবার রাতে  মালদহের ইংলিশবাজারের হায়দরপুরের একটি ক্লাবের কালীমন্দিরে  চুরির ঘটনা ঘটলো । শনিবার সকালে স্থানীয়রা মন্দিরের ভাঙা লোহার গেট দেখে চুরির বিষয়টি বুঝতে পারে। তারপরেই হইচই পড়ে যায়। ক্লাব সূত্রে জানা গিয়েছে, দেবীপ্রতিমার গায়ে থাকা যাবতীয় অলঙ্কার, বাসনপত্র ও প্রণামীর টাকা দুষ্কৃতীরা নিয়ে চলে গিয়েছে। সবমিলিয়ে লক্ষাধিক টাকার চুরি হয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি। ঘটনার খবর পেয়ে পরে পুলিস আসে। শহরের মধ্যে এধরনের চুরি নিয়ে বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। বাসিন্দাদের দাবি, সম্প্রতি শহরে একাধিক মন্দিরে চুরির ঘটনা ঘটেছে। ইংলিশবাজার থানার আইসি পূর্ণেন্দু কুণ্ডু বলেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে চুরির সঙ্গে জড়িত কাউকে এখনো পর্যন্ত গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিস।

হাওড়ার জগৎবল্লভপুরের পঞ্চানন মন্দিরে লক্ষাধিক টাকার অলঙ্কার চুরি, অধরা দুষ্কৃতীরা

jagatballavpurরাতের অন্ধকারে মন্দিরের দরজার তালা ভেঙে প্রায় লক্ষাধিক টাকার অলঙ্কার চুরির ঘটনায় উত্তেজনা ছড়াল জগৎবল্লভপুরের উত্তর মাজু পঞ্চাননতলা এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৭ই জানুয়ারী, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কয়েকজন দুস্কৃতি উত্তর মাজু পঞ্চাননতলা এলাকায় পঞ্চানন্দ মন্দিরের দরজার তালা ভেঙে ভিতরে থাকা বিগ্রহের সোনা ও রুপার সমস্ত অলঙ্কার চুরি করে নিয়ে পালিয়ে যায়। শুক্রবার ভোরে স্থানীয় মহিলা মন্দির পরিস্কার করার জন্য মন্দিরে এলে চুরির বিষয়টি তার নজরে আসে। পরে তার চিৎকারে স্থানীয় বাসিন্দারা এসে মন্দিরের ভিতরে ঢুকে সমস্ত অলঙ্কার চুরির বিষয়টি তারা জানতে পারে। পরে পুলিশে খবর দিলে জগৎবল্লভপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে চুরির ঘটনার তদন্তে নামে। তবে এখনো পর্যন্ত কোনো দুষ্কৃতীর গ্রেপ্তরির খবর পাওয়া যায়নি।  মন্দির কমিটি সূত্রে জানা গেছে এর আগেও দুস্কৃতিরা মন্দিরে চুরির চেষ্টা করলেও সফল হয়নি। তবে এই ঘটনায় স্থানীয় হিন্দুদের মনে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।

সিলেটের গৌরাঙ্গ মন্দিরে লুঠপাট দুষ্কৃতীদের

gouranga akhraনির্বাচনের পরেও বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা অব্যাহত। গত ৩রা জানুয়ারী, বৃহস্পতিবার  রাতে সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলার খলাছড়া ইউনিয়নের দুপড়িরপাড় গ্রামে শ্রী শ্রী গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর আখড়ায় লুঠপাটের ঘটনা ঘটেছে!রাতের অন্ধকারে মন্দিরের তালা ভেংগে ভিতরে প্রবেশ করে মন্দিরের বিগ্রহের স্বর্নালংকার ও সেবায়েতের ঘরের বিভিন্ন জিনিসপত্র নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা।সেই সঙ্গে মন্দিরের মধ্যে থাকা পূজার বাসনপত্র ফেলে দেয় এবং মন্দিরের ভিতরে থাকা পূজার জন্য ব্যবহৃত জিনিসপত্র তছনছ করে দিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে আখড়া কতৃপক্ষ। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। 

পুরাতন মালদহে মনসা মন্দিরে চুরি

ইংলিশবাজারে মন্দিরে চুরির ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পুরাতন মালদহের মনসা মন্দির থেকে তালা ভেঙে দুষ্কৃতিরা অলঙ্কারসহ দামি জিনিসপত্র নিয়ে গেল। গত ১১ই ফেব্রুয়ারী, রবিবার রাতে মালদহের পুরাতন মালদহের বাচামারির রামচন্দ্রপুর এলাকায় ওই মনসা মন্দিরটি আছে। রবিবার ভোর রাতে সেখানেই তালা ভেঙে দুষ্কৃতিরা হানা দেয়। মন্দির পরিচালন কমিটির সূত্রে জানা গিয়েছে, সোনা ও রুপোর গয়না ও ঠাকুরের বাসনপত্র সহ প্রায় লক্ষাধিক টাকা মূল্যের সামগ্রী দুষ্কৃতিরা নিয়ে গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন মন্দির সংলগ্ন এলাকার বেশকিছু বাড়ির বাসিন্দারা সকালে নজর করেন যে বাড়ির গেট বাইরের দিক থেকে আটকানো হয়েছে। বাসিন্দাদের অনুমান দুষ্কৃতিরাই পরিকল্পিতভাবে এটা করেছে। যাতে স্থানীরা চুরির বিষয়টি টের পেলেও বাড়ি থেকে বের হতে না পারে। ওই ঘটনায় ইতিমধ্যেই মালদহ থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। মালদহ থানার পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

গত ১০ই ফেব্রুয়ারী, শনিবার রাতে মালদহের ইংলিশবাজার থানার দক্ষিণ বালুরচরে একটি কালিমন্দিরে চুরি হয়েছিল। সেখানেও তালা ভেঙে বহু লক্ষ টাকা মূল্যের গহনা দুষ্কৃতিরা নিয়ে যায়। ওয়াকিবহাল মহলের অনুমান, খুব পরিকল্পিতভাবে শহরের মন্দিরগুলিকে চুরির জন্যে দুষ্কৃতিরা বেছে নিচ্ছে।

উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জে বিদ্রোহী ক্লাবের মন্দিরের প্রতিমার গয়না, প্রণামী বাক্স থেকে নগদ টাকা চুরি

একের পর এক চুরিতে উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ শহরের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। গত বুধবার রাতে শহরের বিদ্রোহী ক্লাবের মন্দিরে চুরি হয়েছে। এই ক্লাব রায়গঞ্জের বিধায়ক তথা কংগ্রেসের উত্তর দিনাজপুর জেলা কংগ্রেস সভাপতি মোহিত সেনগুপ্তের বলে পরিচিত। এই মন্দিরে সারা বছর ধরে প্রতিদিন দুর্গাপুজো হয়। বুধবার রাতে দুষ্কৃতিরা মন্দিরের পিছনের দিকের দরজার গ্রিল ভেঙে সোনার গয়না সহ প্রণামী বাক্স থেকে নগদ টাকা নিয়ে চম্পট দিয়েছে। দিন কয়েক দিন আগে শহরের দেবীনগরে বাজার ব্যবসায়ী সমিতির দুর্গা প্রতিমার সোনার গয়না চুরি হয়েছিল। এছাড়া শহরের আরও কয়েকটি মন্দিরে সম্প্রতি চুরি হয়েছে। পাশাপাশি ছিনতাইয়ের ঘটনাও ঘটেছে। শহরে এভাবে পরপর চুরির ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে উদাসীনতার অভিযোগ উঠেছে।

গত ১৮ই জানুয়ারী, বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্রোহী ক্লাবের মন্দিরে চুরির বিষয়টি সকলের নজরে আসে। ক্লাবের পিছনের দিকের গ্রিলের দরজার তালা ভেঙে দুষ্কৃতিরা ভিতরে ঢোকে। তারা প্রতিমার সোনা ও রুপোর গয়না, প্রণামী বাক্স থেকে নগদ টাকা সহ আরও কিছু সামগ্রী নিয়ে চম্পট দেয়। ১২ জানুয়ারী শহরের দেবীনগরে আলুর আড়ত থেকে স্টিলের আলমারি ভেঙে বেশকিছু সোনার গয়না ও নগদ টাকা চুরি হয়েছে। এর আগে ২৮ নভেম্বর শহরের তেলিপাড়ায় রাধা গোবিন্দের মন্দিরের তালা ভেঙে দুষ্কৃতিরা বিগ্রহের রুপোর ছাতা, পিতলের সিংহাসন, প্রদীপ সহ একাধিক জিনিস নিয়ে চম্পট দেয়। গত ১১ সেপ্টেম্বর দেবীনগরে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের সামনে এক মোবাইল ব্যবসায়ীর হাত থেকে টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতিরা। এছাড়াও শহরের লিচুতলা মন্দির থেকে প্রতিমার গয়না চুরি হয়েছে। এসমস্ত ঘটনা ছাড়াও শহরের উকিলপাড়া এলাকায় বেশ কয়েকটি বাড়িতে চুরি হয়েছে। কিছুদিন আগে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে বড়সড় চুরির চেষ্টা হয়েছিল। এভাবে দুষ্কৃতিরা একের পর এক চুরি করছে। অথচ পুলিশ এখনও কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ করতে পারছে না।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাটে একই রাতে কালী, শীতলা ও মনসা মন্দিরে চুরি

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার মগরাহাট এলাকা হিন্দুর ওপর অত্যাচার ও আক্রমণের জন্যে সুবিদিত। কারণ ওই থানা এলাকায় হিন্দুরা সংখ্যালঘু। বিগত কয়েক দশক ধরেই ওখানে হিন্দুর ধর্মীয় স্বাধীনতা বলে কিছু নেই। তার রেশ ধরেই এবার একই রাতে তিনটি মন্দিরের দরজা ভেঙে একই গ্রামের কালী, শীতলা ও মনসা মাতার মন্দিরে চুরি হয়ে গেলো।ঘটনাটি গত ১১ই জানুয়ারী, বৃহস্পতিবার মগরাহাট থানার অন্তর্গত মৌখালীর কালীতলা গ্রামে। মন্দিরের সেবাইতরা হিন্দু সংহতির প্রতিনিধিকে জানান যে, দুষ্কৃতিরা প্রতিমার গায়ের সোনার অলঙ্কার, রুপোর অলঙ্কার এবং মন্দিরের পিতলের বাসনপত্র চুরি করে নিয়ে গিয়েছে। তবে এই ঘটনায় স্থানীয় হিন্দুদের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তারা জানিয়েছেন যে তাদের সন্দেহ পাশের পাড়ার মুসলিম দুষ্কৃতিরা এই কাজ করে থাকতে পারে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী,  এই নিয়ে থানায় কোনো অভিযোগ জানানো হয়নি এখনো পর্যন্ত।

জলপাইগুড়িতে একই রাতে তিনটি মন্দিরে চুরি, দুষ্কৃতিরা অধরা

গত ৯ই ডিসেম্বর, মঙ্গলবার গভীর রাতে নিউ জলপাইগুড়ি থানার সুকান্তপল্লীতে একই রাতে পরপর তিনটি মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। দুষ্কৃতিরা সুকান্তপল্লীর শিবশক্তি কালীবাড়ির পিছনের জানলার রড ভেঙে ভিতরে ঢোকে।মন্দিরের সিসি টিভির ফুটেজ থেকে দেখা যাচ্ছে চার যুবক ঢুকেছিল। কালীঠাকুরের গয়না হাতিয়ে নেয় তারা। দানবাক্স ভেঙে নগদ ৫ হাজার টাকা নিয়ে চম্পট দেয় তারা। এই মন্দিরে এর আগেও চুরির ঘটনা ঘটেছে। ওই রাতে পাশের দু’টি বাড়ির ঘরের মন্দিরেও চুরির ঘটনা ঘটেছে। সব মিলিয়ে অন্তত লক্ষাধিক টাকার চুরি হয়েছে। এদিন সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা মন্দিরে চুরির ঘটনাটি দেখতে পান। নিউ জলপাইগুড়ি থানার ওসি অনির্বাণ ভট্টাচার্য বলেন, দুষ্কৃতিদের ‘‘খোঁজে তল্লাশি চলছে।’’

বীরভূমের দুবরাজপুর ও চন্দ্রপুরে একই রাতে ৬ টি মন্দিরে চুরি

একই রাতে পাশাপাশি দুই থানা এলাকার ছ’টি মন্দিরে চুরির ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। গত ১৯শে ডিসেম্বর, মঙ্গলবার রাতে দুবরাজপুর থানার গোয়ালিয়াড়া গ্রামের চারটি মন্দিরে চুরি হয়েছে। সেই রাতেই চন্দ্রপুর থানার খয়রাডিহি গ্রামের দু’টি মন্দিরে চুরি হয়েছে। মন্দিরগুলির তালা ভেঙে গয়না, প্রণামী বাক্স চুরি করে নিয়ে পালিয়েছে দুষ্কৃতীরা। গত কয়েক মাসে সিউড়ি ও দুবরাজপুর থানা এলাকায় একাধিক মন্দিরে চুরি হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অভিযোগের কিনারা করতে না পারায় পুলিশের উপর ক্ষোভ বাড়ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে গোয়ালিয়াড়া গ্রামে লোকনাথ মন্দিরের তালা ভাঙা দেখেন বাসিন্দারা। খোয়া গিয়েছে প্রণামী বাক্স। এলাকার বাসিন্দা সাধন চক্রবর্তী বলেন, এই প্রণামী বাক্সের জমানো টাকা দিয়েই বছরে একবার উৎসব করা হয়। সেই প্রণামী বাক্সই খোয়া গেল।

এই খবর চাউর হতেই দেখা যায় গ্রামেরই দু’টি শ্রীধর মন্দিরেও  চুরি হয়েছে। একটি মন্দির থেকে শালগ্রাম শিলা, রুপোর মুকুট, সোনা ও রুপোর তৈরি পৈতে চুরি গিয়েছে বলে মন্দিরের কর্মকর্তা গৌতম দাস ও কাঞ্চন দাস জানান। একটি হনুমান মন্দিরেও চুরি হয়েছে। অন্যদিকে, চন্দ্রপুর থানার খয়রাডিহি গ্রামের ভবতারিণী মন্দিরেও এদিন সকালে বাসিন্দারা দেখেন মায়ের সোনার গয়না চুরি হয়েছে। গ্রামের মঙ্গলচণ্ডীর মন্দিরেও রুপোর চাঁদমালা খোয়া গিয়েছে। এলাকার বাসিন্দা খগেন দাস, বাসুদেব ভক্ত বলেন, এভাবে মন্দিরে চুরি হলে আমরা গয়না রাখব কোথায়? জেলার বিভিন্ন প্রান্তে ক্রমাগত চুরির ঘটনা বাড়ায় উদ্বিগ্ন বাসিন্দারা।

বাঁকুড়ায় ২টি মন্দিরে চুরি

গত ১৩ই ডিসেম্বর, বুধবার রাতে বাঁকুড়া শহরের লোকপুর এলাকায় দু’টি মন্দিরে চুরির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।লোকপুর মহাশ্মশানের কালীমন্দির এবং ভগতপাড়ার বজরংবলির মন্দিরে দুষ্কৃতীরা হানা দেয়। সোনার গয়না সহ পুজোর উপকরণ নিয়ে তারা চম্পট দেয়। স্থানীয় বাসিন্দা মধুসূদন গড়াই বলেন, দু’টি মন্দিরেরই গ্রিল ভেঙে চুরি হয়। এদিন সকালে বিষয়টি লক্ষ্য করে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে সদর থানার পুলিশ এলাকায় পৌঁছায়। বাঁকুড়া সদর থানার আইসি রাজর্ষি দত্ত বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে।

শিলিগুড়িতে হনুমান মন্দিরে চুরি, এলাকায় চাঞ্চল্য

শিলিগুড়ি থানার সূর্যনগরের হনুমান মন্দিরে গত ২৮শে নভেম্বর, মঙ্গলবার রাতে দুঃসাহসিক চুরি হয়েছে। দুষ্কৃতীরা মন্দিরের তালা ভেঙে ভিতরে ঢুকে সর্বস্ব চুরি করে চম্পট দিয়েছে। এদিন সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা দেখতে পান তালা ভাঙা। মন্দিরের যাবতীয় পুজোর বাসনপত্র, ঠাকুরের রুপো ও কাসার আসবাবপত্র খোয়া গিয়েছে। পুলিশ চুরির তল্লাশি শুরু করেছে। মন্দির কমিটির পক্ষে শম্পা দাস বলেন, মঙ্গলবার রাতে পুজো ছিল। বুধবার সকালে দেখা যায় তালা ভাঙা। যাবতীয় সরঞ্জাম চুরি গিয়েছে। সব মিলিয়ে ৪০ হাজার টাকার সরঞ্জাম চুরি হয়েছে। গত ২৮ জুন একই ভাবে তালা ভেঙে প্রণামীর বাক্স চুরি হয়েছিল। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে।তবে শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, এখনো পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।