পূর্ব বর্ধমান জেলার পূর্বস্থলীতে যুবতীকে আটকে রেখে মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার নিজামুদ্দিন মোল্লা

যুবতীকে জোর করে আটকে রেখে মারধরের অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করল পূর্বস্থলী থানার পুলিশ। ধৃতের নাম সরফরাজ নিজামুদ্দিন মোল্লা। বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুর থানার দৌলতপুরে। ধৃতকে বৃহস্পতিবার কালনা আদালতে তোলা হলে বিচারক ১৪দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। যুবতীর গোপন জবানবন্দি নেওয়া হয় আদালতে।স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার বিষ্ণুপুর থানা এলাকার বাসিন্দা এক যুবতী দমদমে একটি মেসে থাকেন। অভিযোগ, সরফরাজ তাঁকে জোর করে পূর্বস্থলীর একটি গেস্ট হাউসে এনে আটকে রাখে এবং মারধর করে। ঘটনার কথা ওই যুবতী দমদমে তাঁর এক বান্ধবীকে ফোনে জানান। এরপর ওই বান্ধবী ঘটনার কথা পুলিশকে জানান।পুলিশ বুধবার রাতে পূর্বস্থলী থেকে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করে এবং যুবতীকে উদ্ধার করে। কালনা আদালতে তোলার সময় সরফরাজ জানায় ওই যুবতী তার পূর্ব পরিচিত। তবে, সে কেন গেস্ট হাউস বুক করেছিল সেবিষয়ে জানা যায়নি।

 

অন্যদিকে, নাদনঘাটের ধামাই গ্রামে বুধবার জুয়ার ঠেকে হানা দিয়ে ছ’জনকে গ্রেপ্তার করল নাদনঘাট থানার পুলিশ। বেশ কিছু নগদ টাকাও উদ্ধার হয়েছে। অভিযান চলবে বলে জানায় পুলিশ।

Advertisements

মন্দিরবাজারে বান্ধবীর বাড়িতে যাবার পথে ধর্ষণের শিকার হিন্দু যুবতী, গ্রেপ্তার লাল্টু গাজী

গত লক্ষী পুজোর রাত্রে বান্ধবীর বাড়ি মন্দিরবাজারের মুলদিয়াতে যাবার জন্যে বিষ্ণুপুর থানার অন্তৰ্গত গোকুলপুরের হিন্দু তরুণী মুলদিয়া মোড়ে নামেন। সে সময় ওই তরুণীকে একা পেয়ে দুইজন মুসলিম যুবক পাশের কলাবাগানে টেনে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর তার বান্ধবী তাকে আনতে আসে এবং তখন তরুণীটি সব কথা খুলে বলে তাদের। তাদের চিৎকারে এলাকার লোকেরা জড়ো  হয়। দেখা যায় যে দুষ্কৃতীরা তাদের সাইকেলটি ফেলে গেছে। পাশে একটি মুসলিম বাড়ি আছে। সেই বাড়ির লোকেরা বলে যে সাইকেলটি তাদের। তখন উত্তেজিত জনতা ওই মুসলিমটিকে ধরে মারধর করে এবং তার বাড়ি ভাঙচুর করে। পাশের কয়েকটি মুসলিম বাড়িও ভাঙচুর করে তারা। মুসলিমরা বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে মন্দিরবাজার থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিশ লাল্টু গাজীকে (পিতা- আবেদ আলী গাজী) গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে সে জেলে আছে। পুলিশ তার বিরুদ্ধে IPC -৩২৩, ৩২৫, ৩৫৪B, ৩৭৬, ৫১১, ৫০৬ এবং ৩৪ ধারায় মামলা দায়ের করেছে। তবে বাড়িঘর ভাঙচুর করার অভিযোগে দুইজন হিন্দুর নামে কেস দায়ের হয়েছে। তাদের আগাম জামিন করানোর চেষ্টা করছে হিন্দু সংহতি।

কলেজ ছাত্রীকে চপার দিয়ে কোপানোর ঘটনায় গ্রেপ্তার কাজী পাপ্পু শেখ

college chatrike chopper pappu sekhকলেজ ছাত্রী পাত্তা না দেওয়ায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কলেজ ছাত্রীকে এলোপাথাড়ি কোপাল এক যুবক। ঘটনাটি ঘটেছে গত ১৫ই নভেম্বর, বুধবার সন্ধ্যায় মধ্যমগ্রামের বিবেকানন্দ নগর এলাকায়। রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে জখম ছাত্রীকে কলকাতার আরজি কর হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। এদিকে, পুলিশ গতকাল ১৬ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার দেগঙ্গা থেকে অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তারও করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম কাজি পাপ্পু শেখ । ধৃত যুবক জেরায় অপরাধের কথা কবুল করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ওই কলেজ ছাত্রীর বাড়ি দেগঙ্গার ইয়াজপুর এলাকায়। তিনি প্রথম বর্ষের কলেজ ছাত্রী। ইয়াজপুর এলাকাতেই পাপ্পুর বাড়ি। গত ১৮ জুলাই নিখোঁজ হয়ে যায় ওই ছাত্রী। তাঁকে খুঁজে না পেয়ে পরদিন ১৯ জুলাই ছাত্রীর পরিবারের লোকজন দেগঙ্গা থানায় লিখিত জানান। বিষয়টি নিয়ে হইচই হতেই গত ২১ জুলাই এক ব্যক্তি ওই ছাত্রীকে থানায় দিয়ে যায়। পরে, জানা যায় ওই ব্যক্তি পাপ্পুর দাদা। ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগ, পাপ্পু তাঁদের মেয়েকে উত্ত্যক্ত করত। জোর করে প্রেম করার চেষ্টা করত। পাপ্পুই তাঁকে অপহরণ করেছিল। পরে, জানাজানি হয়ে যাওয়ায় ছাত্রীকে ফিরিয়ে দিয়েছে সে।

এদিকে, এই ঘটনার পর ছাত্রীর বাড়ির লোকজন আতঙ্কে ছিলেন। পুনরায় যাতে এই ঘটনা না ঘটে তার জন্য তাকে মধ্যমগ্রামের দিকবেড়িয়া এলাকায় মাসির বাড়িতে রাখা হয়েছিল। সেখান থেকেই সে পড়াশোনা করছিলো। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যায় সে টিউশন পড়ে মাসির বাড়ির দিকে ফিরছিলো। তার সঙ্গে এক বান্ধবীও ছিলো। অভিযোগ, বিবেকানন্দ নগর এলাকায় হঠাৎ পাপ্পু এসে হাজির হয়। সে তাদের পথ আটকায়। ওই কলেজ ছাত্রী তাকে সরে যেতে বলে। তারপরই আচমকা সে ধারালো অস্ত্র বের করে ওই ছাত্রীকে এলোপাথাড়ি কোপায়। সে এবং তার বান্ধবী বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকারও করে। অস্ত্রের আঘাতে ওই ছাত্রী রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তারপরই ওই যুবক দৌড়ে পালিয়ে যায়।

এদিকে, চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসেন। তাঁরা রক্তাক্ত অবস্থায় ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে মধ্যমগ্রাম গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করেন। কিন্তু, অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে রাতেই আরজি কর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার পাপ্পুকে দেগঙ্গার সোহাই-শ্বেতপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জেরায় সে পুলিশের কাছে দাবি করেছে, সে অপহরণ করেনি। সম্প্রতি, ওই ছাত্রী তাকে পাত্তা না দিয়ে অন্য এক ছাত্রের সঙ্গে বন্ধুত্ব করেছিলো। সেই রাগেই সে তাকে খুন করার জন্য এই কাণ্ড ঘটিয়েছে। যদিও সে সত্যি বলছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

উত্তর ২৪ পরগনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উত্তর) অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমরা অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করেছি। সে অপরাধ কবুল করেছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রণয়ঘটিত কারণে এই ঘটনা বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। তবে, সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্ধশতাধিক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার নন্দনপুর কাদেরিয়া দাখিল মাদ্রাসার কৃষি শিক্ষক ইমাম হোসেনের বিরুদ্ধে অর্ধশতাধিক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এনিয়ে সম্প্রতি ২৪জন ছাত্রী মাদ্রাসা সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছে। তবে এ ঘটনায় মাদ্রাসা সুপার নিয়ম রক্ষার কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েই দায় সেরেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে ছাত্রীদের ধর্ষণের অভিযোগে শনিবার দুপুরে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির এক সভার আয়োজন করা হয়। এ সময় ওই শিক্ষকের বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থী ও স্থানীয় লোকজন ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠে। পরিস্থিতি সামলাতে মাদ্রাসা সুপার মাদ্রাসা ছুটি ঘোষণা করেন।খবর পেয়ে পুলিশ মাদ্রাসা থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক ইমাম হোসেনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নন্দনপুর কাদেরিয়া দাখিল মাদ্রাসায় প্রায় দুই বছর আগে ইমাম হোসেন যোগদান করেন । অভিযুক্ত শিক্ষক নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার খানপুর গ্রামের আবদুল খালেকের ছেলে। তিনি শুরু থেকেই ছাত্রীদের প্রাইভেট পড়ানোর সময় ধর্ষণ এবং ক্লাসে যৌন হয়রানি করতেন।
তার যৌন হয়রানি বিষয়টি ছাত্রীরা একাধিকবার সুপারকে জানালেও তিনি কর্ণপাত করেননি। সম্প্রতি পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির ২৪জন ছাত্রী লিখিত অভিযোগ করে। পড়ে ইমাম হোসেনকে ১০ অক্টোবর কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন সুপার। এরপর ইমাম হোসেন আত্মগোপনে চলে যান। ১২ অক্টোবর তিনি শোকজের জবাব দেন ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিন ছাত্রী জানায়, শিক্ষক ইমাম হোসেন কৌশলে তাদের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করেছেন। ওই শিক্ষক তাদের মতো অন্তত ৫০-৬০জন ছাত্রীর সাথে যৌনকর্ম করেছেন। বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে তাদের ক্ষতি হবে বলে চুপ থাকতে বলেন।
মাদ্রাসা সুপার মো. আতিকুর রহমান বলেন, ইমামের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের লিখিত অভিযোগ পেয়ে দু’বার তাকে শোকজ করা হয়েছে। জবাবে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ওই শিক্ষকের বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থী ও স্থানীয় লোকজন ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শনিবার দুপুরে মাদ্রাসা ছুটি দেওয়া হয়। রবিবার শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক নিয়মে চলবে। মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি সৈয়দ আবুল কাশেম বলেন, বিষয়টি লজ্জাজনক। এ বিষয়ে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভা করা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশের কাছে সোর্পদ করা হয়েছে ।
সদর মডেল থানার ওসি মো. লোকমান হোসেন বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করা হয়েছে। ছাত্রীদের অভিভাবকরা থানায় এখনো আসেনি। তাদের লিখিত অভিযোগের আলোকে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সৌজন্যে : http://www.ittefaq.com.bd/wholecountry/2017/10/28/133413.html

ডায়মন্ডহারবারের গণধর্ষণের মূল অভিযুক্ত তিন দুষ্কৃতী গ্রেপ্তার

diamond harbarডায়মন্ডহারবারের বাসুলডাঙা গ্রামে ঘরে ঢুকে হিন্দু তপশীলি ছাত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ৩ মূল অভিযুক্ত।ধৃতদের টিআই প্যারেডের জন্য আদালতে আবেদন পুলিশের। দুই জেলা থেকে তিন দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করল ডায়ন্ডহারবার থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে দাবি, মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে গত ২৬ সে অক্টোবর, বৃহস্পতিবার মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে পাকড়াও করা হয়েছে সেলিম লস্কর, রশিদ লস্কর ও আমিন শেখকে।

ঘটনার সূত্রপাত, ১৯ অক্টোবর রাতে। বাড়িতে ভাইকে নিয়ে একা ছিল সপ্তম শ্রেণির ওই হিন্দু তফশিলী ছাত্রী। দু’জনে ঘুমিয়ে ছিল দুটি ঘরে।

অভিযোগ, হঠাৎ দরজা ভেঙে বাড়িতে ঢোকে প্রতিবেশী ৩ যুবক সেলিম, রশিদ ও আমিন। কিশোরীর গলায় ধারাল অস্ত্র ঠেকিয়ে খুনের হুমকি দেয়। তাপর গণধর্ষণ করে চম্পট দেয় অভিযুক্তরা। পরিবারের অভিযোগ, ঘটনা জানাজানি হতে স্থানীয় সিপিএম নেতা বিশ্বনাথ হালদার সালিশি সভা বসিয়ে অভিযুক্তদের বাঁচানোর চেষ্টা করেন।পরে ওই সিপিএম নেতা-সহ আটজনের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করে ছাত্রীর পরিবার। সেই ঘটনাতেই দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুর থেকে মূল অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে এখনও ফেরার অভিযুক্ত সিপিএম নেতা। ধৃতদের টিআই প্যারেডের জন্য আদালতে আবেদন জানিয়েছে পুলিশ।

ডায়মন্ডহারবারে তফসিলি পরিবারের হিন্দু নাবালিকাকে গণধর্ষণ

diamondফাঁকা বাড়ি পেয়ে বারো বছরের হিন্দু তফসিলি সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ। ঘটনাটি কালীপুজোর রাতে ডায়মন্ড হারবার এক নম্বর ব্লকের দোগিরা গ্রামে। মেন রাস্তা লাগোয়া বাড়িতে একাই ছিল এই ছাত্রী। বছর খানেক আগে বাবা মারা যায়। মা পরিচারিকার কাজ করেই সংসার চালান।জানা গিয়েছে, কালীপুজোর রাতে সপ্তম শ্রেণির পড়ুয়া এই মেয়েটি একাই ছিল। কাজের বাড়িতে পুজোর কাজ থাকায় রাতে বাড়ি ফিরতে পারেননি মা। সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীর অভিযোগ, রাতে বেড়ার দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে পড়ে এলাকারই তিন যুবক। এরপর গলায় ছুরি ঠেকিয়ে তাকে রাতভর গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। আতঙ্কে ওই ছাত্রী প্রথমে চিৎকারও করতে পারেনি।অত্যাচারের মাত্রা কমতেই ওই ছাত্রী চিৎকার করে ওঠে। বাড়ির পাশেই ছাত্রীটির মামা-র বাড়ি। তারাও চিৎকার শুনে ছুটে আসে। কিন্তু, ততক্ষণে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে মোটরবাইকে চড়ে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। শনিবার সকালেই নির্যাতিতা ছাত্রীটিকে ডায়মন্ড হারবার হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পুলিশে অভিযোগও দায়ের করে ওই ছাত্রী এবং তার মা। অভিযুক্তদের সে চেনে বলেও পুলিশকে জানায়। এরপরই রবিবার রাতে পুলিশ দোগিরা গ্রামে অভিযান চালিয়ে তিন অভিযুক্তদের মধ্যে এক জনের দাদা এবং অন্যজনের বাবা-কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার ধৃতদের আদালতে তোলা হলে বিচারক রফিক লস্করকে ১৪ দিনের জেল হেফাজত এবং রফিক শেখকে ৩ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। পুলিশ ধৃতদের বিরুদ্ধে মারধর, গণধর্ষণসহ পোশাক আইনে মামলা করা হয়েছে।  জানা গিয়েছে তিন অভিযুক্ত এলাকায় ছোটখাটো অপরাধমূলক কাজকর্মের সঙ্গে যুক্ত। তাদের বিরুদ্ধে চুরি ও ছিনতাই-এরও অভিযোগ আছে। তিন জনের নামও জানা গিয়েছে। এরা হল শেখ আমিন, রশিদ নস্কর ও সেলিম নস্কর। তিন জনের খোঁজেই তল্লাশি চলছে। নির্যাতিতা ছাত্রীর বয়ান নথিবদ্ধ করেছে পুলিশ।

(ছবিতে ধৃত রফিক লস্কর ও রফিক শেখ )