বীরভূমের সিউড়িতে আদিবাসী কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণ,গ্রেপ্তার মোহিত খান।

বীরভূম জেলায় আদিবাসী হিন্দু সমাজের মহিলারা মুসলিমদের হাতে যৌন লালসার শিকার হয়েই চলেছে। মাত্র কয়েকমাস আগেই পাড়ুই-এর এক আদিবাসী মহিলা ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন ।তার পর মহম্মদবাজারের এক আদিবাসী মহিলা জঙ্গলে পাতা কুড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন।   আর এইবার ধর্ষণের শিকার হল সিউড়ির বিদ্যাসাগর কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। মেয়েটির বাড়ি সিউড়ি থানার অন্তর্গত কামারডাঙ্গা গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৫ই সেপ্টেম্বর, শনিবার ছাত্রীটি গ্রামের পাশে জঙ্গলে গরু চরাতে গিয়েছিলো। তখনই পাশের বাতাসপুরের বাসিন্দা মোহিত খান ছাত্রীটিকে জঙ্গলে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। এমনকি মেয়েটিকে প্রাণে মারার হুমকি দেওয়া হয়। পরে মেয়েটি সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে সব ঘটনা জানালে রাতেই পুলিসে অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ পেয়ে পুলিস তদন্তে নামে এবং রাতেই অভিযুক্ত মোহিত খানকে গ্রেপ্তার করে। পরেরদিন ১৬ই সেপ্টেম্বর,রবিবার ধৃত মোহিতকে বিশেষ আদালতে তোলা হয়। জানা গিয়েছে, এলাকায় মোহিত খান  কয়লা চুরি ও পাচার ছাড়াও একাধিক অপরাধ করে বেড়ায়। তবে এই ঘটনায় আদিবাসী সমাজে ক্ষোভের আগুন  ছড়িয়েছে এবং তারা ঐক্যবদ্ধভাবে এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি যথেষ্ট থমথমে এবং এলাকায় পুলিসকর্মী মোতায়েন রয়েছে।

Advertisements

কুশমন্ডি ধর্ষণে অভিযুক্তের বাড়ি জ্বালিয়ে দিলো আদিবাসী জনগণ

kushmondiদক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমণ্ডির দেহাবন্দে আদিবাসী যুবতীকে ধর্ষণে অভিযুক্তদের শাস্তি এবং নির্যাতিতার সুচিকিৎসার দাবিতে গতকাল ২৩শে ফেব্রূয়ারি, শুক্রবার এলাকা উত্তাল হয়ে ওঠে। এদিন উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা কয়েকশো আদিবাসী এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেন। উত্তেজিত জনতা ধর্ষণের ঘটনায় ধৃত রামপ্রসাদ শর্মা সহ তার তিন আত্মীয়ের বাড়ি ও দু’টি কাঠের দোকান ভাঙচুর করে তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়। ভয়ে এদিন একাংশ বাসিন্দা গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যান। আদিবাসীদের অভিযোগ, ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন জড়িত রয়েছে। পুলিস ঠিকভাবে তদন্ত না করায় এখনও তারা গ্রেপ্তার হয়নি। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে বিকেলের পর থেকে গ্রামে বহিরাগত কাউকেই ঢুকতে দেওয়া হয়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল সকালে বংশীহারির ধুমসা দিঘিতে উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় হাজার তিনেক আদিবাসী সমাজের মানুষ জমায়েত হন। তাদের প্রত্যেকের হাতেই তির ধনুক, ধারালো অস্ত্র ছিল। গণ্ডগোলের আগাম আঁচ পেয়ে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিস সুপার, ডেপুটি পুলিস সুপার, গঙ্গারামপুরের এসডিপিও সহ কুশমণ্ডি, হরিরামপুর থানার পুলিস কর্মীরা উপস্থিত হন। দুপুর ১টা নাগাদ আদিবাসীদের বিক্ষোভ মিছিল ঘাটপাড়ায় যায়। মিছিল থেকেই কিছু লোক ধর্ষণ কাণ্ডে ধৃত রামপ্রসাদ সহ তার তিন প্রতিবেশীর বাড়িতে চড়াও হয়। তালাবন্ধ বাড়িতে তারা ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়। পাশাপাশি কয়েকটি দোকানেও আগুন ধরিয়ে দেয়। এলাকা নিমেষের মধ্যে উত্তাল হয়ে ওঠে। উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে পুলিস থাকলেও তারা তির ধনুক নিয়ে আসা বিক্ষোভকারীদের আটকানোর সাহস দেখাতে পারেনি। আতঙ্কিত হয়ে একাংশ গ্রামবাসী ঘরে তালা মেরে পালিয়ে যান। কুশমণ্ডি থেকে ইটাহারগামী সড়কে পুলিস যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। এদিকে,এলাকায় মিছিল ও বিক্ষোভ থাকায় ঠিক সময়ে দমকলের ইঞ্জিনও পৌঁছতে পারেনি। বেশ কয়েকটি বাড়ি ও দোকান ভস্মীভূত হয়ে যায়।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, নির্যাতিতা যুবতীকে মালদহ মেডিকেলে ফেলে রাখা হয়েছে। চিকিৎসার জন্য তাঁকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়ার দাবিও তারা করে। পাশবিক ওই ঘটনায় জড়িত সকলকে খুঁজে বের করার দাবি জানানোর পাশাপাশি ধৃতদের কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হয়। প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে শাস্তি দেওয়া না হলে জেলাজুড়ে বৃহত্তর আন্দোলনের হুমকিও দেন বিক্ষোভকারীরা। প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী আদিবাসী যুবতীকে ধর্ষণের ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। মালদহ মেডিকেল কলেজে গিয়ে তিনি নির্যাতিতাকে দেখে আসেন। চিকিৎসা এবং ওই মহিলা যাতে মাথা উঁচু করে বাঁচতে পারেন সেজন্য সরকারের তরফে তাঁকে চার লক্ষেরও বেশি টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে।

আদিবাসী যুবতীর ধর্ষকদের শাস্তির দাবিতে মহম্মদবাজারে জাতীয় সড়ক অবরোধ

adibasi jubotir dhorsokderদক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমণ্ডিতে আদিবাসী যুবতীকে নৃশংস গণধর্ষণ কাণ্ডের প্রতিবাদে ও অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে গতকাল ২২শে ফেব্রুয়ারী, বৃহস্পতিবার বীরভূমের মহম্মদবাজার থানার শেওড়াকুড়ি মোড়ে ৬০নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করলো আদিবাসীরা। এর জেরে আধ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে জাতীয় সড়ক কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে যায়। পরে পুলিশ এলে অবরোধ উঠে যায়। আদিবাসী নেতা সুনীল সোরেন, বাবুলাল টুডু বলেন, আদিবাসী মহিলাদের উপযুক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে। যাঁরা কুশমণ্ডি গণধর্ষণ কাণ্ডে যুক্ত তাদের উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে।

কালনায় ব্ল্যাকমেল করে হিন্দু গৃহবধূকে একাধিকবার ধর্ষণ, অভিযুক্ত মোমরেজ শেখ

পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনা থানার বেলডাঙা গ্রামের এক গৃহবধূকে ধর্ষণের পর সেই ভিডিও দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল করে একাধিকবার সহবাসের অভিযোগ উঠলো এক যুবকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় নির্যাতিতা বধূ কালনা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে। কালনা থানার ওসি প্রণব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মহিলার অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাটি খতিয়ে দেখে অভিযুক্তর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই বধূ ১৪ ফেব্রুয়ারী বাড়িতে একা ছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় এলাকার ১০০দিনের কাজের সুপার ভাইজার মোমরেজ শেখ ছবি তুলতে হবে বলে তাঁর ঘরে ঢোকে। এরপর তাঁকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। এমনকী ধর্ষণের ভিডিও মোবাইলে রেকর্ড করে রাখে মোমরেজ। এরপর সেই ছবি প্রকাশ্যে আনার কথা বলে ব্ল্যাকমেল করে সে বেশ কয়েকবার ওই বধূর সঙ্গে সহবাস করে বলে অভিযোগ। এরপরই গতকাল ১৯ই ফেব্রুয়ারী,  সোমবার ওই বধূ কালনা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এখনও পর্যন্ত দোষী মোমরেজ শেখ গ্রেপ্তার হয়নি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে।

আইনি সহায়তা দেবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে হিন্দু মহিলাকে লাগাতার ধর্ষণ মুসলিম কনস্টেবলের

আইনি সহায়তা দেওয়ার অজুহাতে এক মহিলাকে লাগাতার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার রামনগর থানার এক পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে৷ অভিযুক্ত পুলিশ কনস্টেবলের নাম শেখ মোসারফ৷ এলাকায় মুসা নামে পরিচিত৷ তার বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনা জেলা বনগাঁয়। অভিযোগ সামনে আসতেই অভিযুক্ত মুসাকে রাতারাতি রামনগর থেকে সরিয়ে তমলুক থানাতে বদলি করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ৷ লিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মহিলার শ্বশুরবাড়ি রামনগর থানার পালধুইয়ে৷ তাঁর স্বামীর দু’টো বিয়ে। তিনি দ্বিতীয়পক্ষের স্ত্রী। শ্বশুরবাড়িতে আশ্রয় না হওয়ায় বালিসাইয়ে একটি ভাড়াবাড়িতে স্বামীর সঙ্গে উঠেছিলেন ওই মহিলা৷ বছরদেড়েক আগে অশান্তি শুরু হলে তাঁকে ছেড়ে পালিয়ে যায় তাঁর স্বামী৷ মহিলার দাবি, ওই মহিলা স্বামীর বিরুদ্ধে রামনগর থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে পরিচয় হয় মুসার সঙ্গে। সেই থেকে স্বামী-স্ত্রী’র সম্পর্কে জোড়া লাগানোর কথা বলে মহিলার বাড়িতে আসা-যাওয়া শুরু করে কনস্টেবল মুসা৷ নির্যাতিতার অভিযোগ, অসহায়তার সুযোগ নিয়ে তাঁর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ায় মুসা৷ বিয়েরও প্রস্তাব দেয় তাঁকে৷ প্রথমে রাজি না হলেও নিজের অসহায়তার কথা ভেবে সে বিয়েতে রাজি হয়ে যায়৷ শুরু হয় অবাধ মেলামেশা৷ দিঘা থেকে শুরু করে কলকাতার বিভিন্ন হোটেলেও মহিলাকে নিয়ে যায় সে৷ মহিলা অন্তঃসত্ত্বা হলে গর্ভপাতও করানো হয়৷ মহিলার দাবি, মাস তিনেক আগে বিয়ের প্রসঙ্গ উঠলেই বেঁকে বসে অভিযুক্ত মুসা৷ নিজেকে বিবাহিত বলে দাবি করে সে৷ প্রতারিত হয়েছেন বুঝতে পেরে থানা যেতে চাইলে মুসা খুনের হুমকি দেয় বলে নির্যাতিতার দাবি৷ সেই থেকেই মহিলা আতঙ্কে ছিলেন৷ সম্প্রতি হুমকি বাড়তে থাকায় গত ৩১ জানুয়ারী ডাকযোগে অভিযোগ পাঠান জেলার পুলিশ কর্তাদের৷ মহিলার স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘‘অভিযুক্ত মুসাই তাঁদের মধ্যে দূরত্ব বাড়িয়ে দিয়েছিল৷ আর সেই সুযোগ নিয়েই তাঁর স্ত্রীকে সে ধর্ষণ করেছে৷ হাতে পেলেও পুলিশ গ্রেপ্তার করেনি অভিযুক্ত কনস্টেবল শেখ মোসারফ ওরফে মুসাকে৷ উল্টে অভিযুক্তকে রাতারাতি অন্য থানায় বদলি করে দিয়েছেন রামনগর থানার ওসি৷’’ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ্রামীণ) ইন্দ্রজিৎ বসু বলেন, ‘‘আমি মহিলার অভিযোগ পেয়েই রামনর থানাকে ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছি৷ আর বদলির ব্যাপার আমার অজানা৷ সম্প্রতি বদলির নোটিশও জারি হয়নি৷ আমরা বিষয়টা খতিয়ে দেখছি৷’’ রামনগর থানার পুলিশ সূত্রে খবর, এটা রুটিন বদলি৷ অনেক আগেই মুসার বদলির নির্দেশ এসেছিল৷

উত্তর ২৪ পরগনার বাগদায় তরুণীকে ধর্ষণের চেষ্টা, গ্রেপ্তার রিপন শেখ

ripon sekhতরুণীর ঘরে ঢুকে জোর করে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। গ্রামবাসীরা যুবককে ধরে ফেলে বেধড়ক মারধর করে। এক ব্যক্তি ওই যুবককে গ্রামবাসীর হাত থেকে বাঁচাতে গেলে তাকেও ধরে মারধর করে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় ওই যুবক সহ সাত জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গত ৭ই ফেব্রূয়ারি, বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা থানার ঘাটপাকিল এলাকায়। ধৃত যুবক বাগদার বয়রা এলাকার বাসিন্দা রিপন শেখ। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর বনগাঁ কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রী বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ নিজের ঘরে পড়াশোনা করছিল। তরুণীর বাবা মা বাড়ি না থাকার সুযোগ নিয়ে রিপন শেখ ঘরে ঢুকে পরে। তাকে একা পেয়ে তার মুখে কাপড় বেঁধে জোর করে ধর্ষণ করার চেষ্টা করে। মুখ থেকে কাপড় খুলে যেতেই তরুণী চিৎকার করতে থাকে। চিৎকার শুনে ছুটে আসে আশপাশের প্রতিবেশীরা। তরুণীকে ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করে ওই যুবক। গ্রামবাসীরা তাড়া করে যুবককে ধরে বেধড়ক মারধর করে। স্থানীয় বিকাশ বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তি গ্রামবাসীর হাত থেকে ওই যুবকে বাঁচাতে গেলে তাকেও বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে গ্রামবাসীরা পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ করে। পুলিশের সামনেই রিপন শেখ ও বিকাশ বিশ্বাসকে মারতে থাকে। বাগদা থানার পুলিশ ওই দুজনকে গ্রামবাসীর হাত থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। গ্রামবাসী বিকাশ বিশ্বাস বলেন রিপন শেখ নামে ওই যুবককে আমি চিনি না। তাকে ওই ভাবে মারতে দেখে আমি বাধা দিয়ে পুলিশকে খবর দিতে বলাতেই গ্রামবাসীরা আমার ওপর চড়াও হয়। এই ঘটনায় বাগদা থানার পুলিশ তিন মহিলা সহ ছ’জন গ্রামবাসীকে গ্রেফতার করে। এছাড়া ধর্ষণের অভিযোগে রিপন শেখকে গ্রেফতার করে। বাগদা থানার পুলিশ জানিয়েছে ধৃতদের বৃহস্পতিবার বনগাঁ আদালতে তোলা হলে বিচারক রিপন শেখকে ৫ দিনের পুলিশি হেফাজত ও বাকি গ্রামবাসীদের ১৪ দিনের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয়।

পুকুর থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ,পুরুলিয়ায় গ্রেপ্তার কায়েম আনসারী

pukur theke tule niyeপুকুর ঘাটে স্নান করার সময় গ্রামের এক মহিলাকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করলো গ্রামেরই প্রতিবেশী এক মুসলিম যুবক। গত ১৩ই ডিসেম্বর, বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে পুরুলিয়া জেলার অন্তর্গত আড়ষা ব্লকের অন্তর্গত কুমারডিহা গ্রামে। মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত কায়েম আনসারীকে পুলিশ গত ১৫ই ডিসেম্বর গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে আক্রান্ত ওই মহিলা পুরুলিয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে ওই মহিলা জানান, ”পুকুরে স্নান করার সময় কায়েম আনসারী আমাকে তুলে নিয়ে গিয়ে ঝোপের ধারে আমায় ধর্ষণ করে। এমনকি কাউকে বললে ছুরি দেখিয়ে মারার হুমকি দেয়। ধর্ষণে বাধা দিতে গেলে আমার মুখে আঘাত করে।” অভিযুক্ত কায়েম আনসারী এখন পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। ওই মহিলা অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমণ্ডি থানার লোহাগঞ্জে এক আদিবাসী মহিলাকে ধর্ষণ করে খুন

গত ৫ই ডিসেম্বর, মঙ্গলবার ভোরে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমণ্ডি থানার লোহাগঞ্জে এক আদিবাসী মহিলাকে ধর্ষণ করে খুন করার অভিযোগ উঠেছে। এদিন ওই মহিলার বাড়ির উঠোন থেকে তাঁর ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। এক ব্যক্তিকে আটক করে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। কুশমণ্ডি থানার আইসি শ্যামল বিশ্বাস বলেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। জড়িতদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই মহিলার স্বামী দীর্ঘদিন ধরে বাইরে রয়েছেন। সামান্য কিছু আয় করতে ওই মহিলা বাড়িতে চোলাই বিক্রি করতেন। বাড়িতে অনেকেরই আনাগোনা হতো। তবে সোমবার রাতে কী ঘটনা ঘটেছিল তা কারও নজরে আসেনি। সকাল হলে প্রতিবেশীরা বাড়ির উঠোনে তাঁর মৃতদেহ দেখতে পান। মৃতের মেয়ের অভিযোগ, তার বাবা ভিনরাজ্যে শ্রমিকের কাজ করতে গিয়েছে। তার মাকে একা পেয়ে কেউ ধর্ষণ করে খুন করেছে। এই ঘটনায় জড়িতরা দ্রুত গ্রেপ্তার না হলে আদিবাসী সংগঠন জেলা জুড়ে আন্দোলনে নামার হুমকি দিয়েছে।

আশ্রয় ও সহায়তার নামে যুবতীকে(১৮) রাতভর ধর্ষণ, অভিযুক্ত জামায়াত নেতা

bbbb

তৈয়ব আলী ও খাদিজা বেগমের বড় মেয়ে আরফার বিয়ে ঠিক হয়েছিল। এমন সময় বিভীষিকা নেমে আসলে পরিবারটি রুম খাঁ নামের এক বাংলাদেশী দালালের মাধ্যমে উখিয়ার শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেয়।

পালং গ্রামের করিম বক্সের ছেলে রুম খাঁর মাধ্যমে পরিচয় হয় ডা. ছালাম ও এডভোকেট জালালের সাথে। তারা তৈয়ব ও খাদিজাকে কাজ ও থাকার ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়ে একটি বাড়ি ভাড়া করে দেয়।

গত শুক্রবার রোহিঙ্গা দম্পতির বড় মেয়ের সাথে ছালাম ও জালাল অশালীন আচরণ করলে তারা এই দুই জামায়াত নেতার পা ধরে সম্মান রক্ষার আকুতি জানায়।

ক্ষুব্ধ হয়ে বাড়ি ত্যাগ করলেও জামায়াত নেতা শিবিরের আরও ৬ জন নেতা-কর্মী নিয়ে রোববার সেই ভাড়া করা বাড়িতে হানা দেয়। বাবা-মায়ের চোখের সামনে রাতভর তরুণীকে ধর্ষণ করে এবং পাশবিক নির্যাতন চালায়।

গতকাল তৈয়ব আলী ও আরফা থানায় অভিযোগ জানালে ভাড়া করা বাড়ি থেকে তাদের বের করে দেওয়া হয়।

জানা গেছে, আবদুস ছালাম, জালাল ও রুম খাঁকে অভিযুক্ত করে আরো অজ্ঞাত ৬ জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ১৯শে সেপ্টেম্বর  সকাল ৯ টায় ছালামকে গ্রেফতার করে পুলিশ। অন্যরা পালিয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, উক্ত পরিবারের এবার স্থান হয়েছে টেকনাফ উপজেলার হোয়াক্যং ইউনিয়নের রইক্ষ্যং শরণার্থী ক্যাম্পে।