আজ হিন্দু সংহতির শহীদ স্মরণ – “সোনাখালি দিবস”

sonakhaliঅত্যন্ত ভক্তি ও শ্রদ্ধার সঙ্গে প্রতি বছর ১০ই ফেব্রুয়ারী, দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তী ব্লকের অধীন সোনাখালি’তে হিন্দু সংহতি তাদের শহীদ দিবস পালন করে  >>

কোরান পড়ুন, হাদিস পড়ুন, ইসলামকে জানুন

wp-1472359893006.jpgএই রোগেই তো ঘোড়া মরেছে। আপনারা লিখেন – ” ইসলাম তো এটা বলে না “। আপনাদের দোষ নেই। আপনাদের পূর্বপুরুষরাও ঠিক এই ভুল, এই অন্যায়টাই করেছিলেন।

ইসলাম কি বলে, আর কি বলে না – আপনারা কি করে জানলেন ? আপনারা ইসলামের কোন বই-টা পড়েছেন ? কোরান ক’পাতা পড়েছেন ? হাদিস ক’পাতা পড়েছেন ? কোরান কাকে বলে, আর হাদিস কাকে বলে জানেন ? কোরান আর হাদিসের মধ্যে তফাৎ কী জানেন ? ……………..(বিস্তারিত)

কলকাতায় উমর খালিদের সভা : প্রতিবাদে হিন্দু সংহতি

কিছু অতিবাম দেশদ্রোহীর উদ্যোগে কলকাতায় বিচ্ছিন্নতাবাদের বার্তা প্রচারেimageএসেছিল JNU র কুখ্যাত উমর খালিদ। 21মে বিকাল 5-00 টা থেকে ভারতসভা হলে তাদের মিটিং হওয়ার কথা ছিল। হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে ওই দিনই বিকাল 4-00 টায় একটা

image

প্রতিবাদ কর্মসূচী নেওয়া হয় ভারতসভা হলের বাইরে। মাত্র কয়েক ঘন্টার নোটিসে সহস্রাধিক জাতীয়তাবাদী মানুষ কালো পতাকা নিয়ে উপস্থিত হন সেখানে। এলাকার জনজীবন স্তব্ধ হয়ে যায় কিছু সময়ের জন্য। প্রচুর সংখ্যায় পুলিশ মোতায়েন থাকা সত্ত্বেও ক্রুদ্ধ জনতা

image

পৌঁছে যায় হলের প্রবেশদ্বার পর্যন্ত। পরিস্থিতি অনুধাবন করে বিকাল 3-30 নাগাদই হলের সমস্ত গেট তালা দিয়ে বন্ধ করে ভিতরে বসেছিল খালিদ সহ তার পৃষ্ঠপোষকরা। ফলে উত্তেজিত জনতা ভিতরে ঢোকার সুযোগ পায় নি। বস্তুত ভিতরে আদৌ কিছু হচ্ছিল কিনা, তা বাইরে থেকে বুঝতে পারেনি বেশীরভাগ মানুষ। ফলে বাইরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হচ্ছিল।

image

হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী তপন ঘোষ এবং হিন্দু অ্যাক্টিভিস্ট প্রকাশ দাস তাঁদের বক্তব্যের মাধ্যমে বিক্ষুব্ধ জনতার বার্তা সকলের সামনে তুলে ধরেন। মোটের উপর এই বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপ কলকাতার মানুষ সহ্য করবে না, এই বার্তা নিশ্চিতভাবে এই কর্মসূচীর মাধ্যমে দেশদ্রোহীদের কানে পৌঁছে গেছে।

মিনাখাঁয় হরিনাম সংকীর্তনে তপন ঘোষ

Image

গত 26 এপ্রিল উত্তর ২৪ পরগনা জেলার মিনাখাঁ থানার একটা প্রত্যন্ত গ্রামে বার্ষিক হরিনাম সংকীর্তন শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করলেন হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী তপন ঘোষ। মাত্র ৪০ ঘর রুইদাস পরিবারের হিন্দুদের বাস ওই গ্রামে চারিদিকে মুসলিম পরিবেষ্টিত। সকল গ্রামবাসী হিন্দু সংহতির সঙ্গে যুক্ত। এটাই তাদের আশা ভরসা ও আত্মবিশ্বাসের কারণ।এটা দেখে আশপাশের গ্রামের হিন্দুরাও মনে বল পাচ্ছে মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকার। শোভাযাত্রার শেষে ধর্মসভায় শ্রী ঘোষ তাঁর মূল্যবান বক্তব্য রাখেন।

শান্তির মূল্য

Image

শান্তি চাইলেই শান্তি পাবেন কেন ? এ জগতে কোনকিছু কি বিনা মূল্যে পাওয়া যায়? একটা পেন্সিলও তো বিনা মূল্যে পাওয়া যায় না! তাহলে শান্তি-র মত এত গুরুত্বপূর্ন জিনিস বিনা মূল্যে পেতে চাইছেন কেন ? পূর্ববঙ্গে আমাদের পূর্বপুরুষরা কোন মূল্য দিতে প্রস্তুত না থাকায় তো তাঁরা রিফিউজি হয়েছিলেন। আপনারা আবার সেই পথে এগোচ্ছেন ! এই পশ্চিম বাংলাকে আবার ইসলামিক স্থান করতে আপনারা তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষরা সাহায্য করছেন। এই বাংলার বাঁচার কোন আশা নেই। ৪৭-এর দেশভাগ থেকে কোন শিক্ষা এই জাতি নিল না। তাকে কে বাঁচাবে ? শান্তির জন্য মূল্য দিতে হয়। সে মূল্য হল – অশান্তিকে বরণ করে নেওয়া। দুর্বৃত্তের কাছে মাথা নত না করা। সত্যের জন্য ন্যায়ের জন্য লড়াই করা। আপনারা জেনেও জানেন না, বুঝেও বোঝেন না যে, শান্তি রক্ষার সব চেয়ে বড় উপায় হল শক্তি। আছে এই বাংলায় হিন্দুর সেই শক্তি? পার্কসার্কাস এলাকা থেকে সব হিন্দুরা বাড়ি বিক্রি করে চলে যাচ্ছে কেন ? জানেন না? বোঝেন না? দুর্বল বলে। শক্তির অভাবে। আপনারা ধর্মনিরপেক্ষ প্রগতিশীল উদার হিন্দুরা তাদের পাশে গিয়ে দাঁড়াচ্ছেন না কেন? বাস্তবে আপনারা এতই দুর্বল এতই কাপুরুষ যে পার্কসার্কাস – মেটিয়াবুরুজের নির্মম সত্যটাকেও লুকিয়ে রাখেন। কাশ্মীরের হিন্দুরা কোনদিন আর এস এস, শিবসেনা করে নি। আমি নিজে কাশ্মীরি রিফিউজি ক্যাম্পগুলো ঘুরেছি। দেখেছি – মুসলমানরা অসন্তুষ্ট হবে এই ভয়ে তারা শ্যামাপ্রসাদের নাম পর্যন্ত তাদের ছেলেমেয়েদেরকে জানতে দেয়নি। কোনদিন “জয় শ্রীরাম” স্লোগান দেয়নি। পূর্ববঙ্গের হিন্দুরাও কোনদিন আর এস এস করেনি। কিন্তু তারা কেউ বাঁচেনি ইসলামিক আগ্রাসন, অত্যাচার, ধর্ষনের হাত থেকে। আপনারা সেই পথে পশ্চিমবঙ্গকে আবার নিয়ে যাচ্ছেন। তাই বেশী দেরী না করে বুঝুন – শান্তির একমাত্র মূল্য যুদ্ধ। আর কিছু নয়।

                                                                                                   …………………..তপন ঘোষ