কলকাতার ভবানীপুরে ডাকাতির চেষ্টা, গ্রেপ্তার ৪ দুষ্কৃতি

কলকাতার ভবানীপুরে লুঠের চেষ্টার ঘটনায় চার যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ২৫শে জানুয়ারী, বৃহস্পতিবার রাতে ম্যাঙ্গো লেন থেকে তাদের পাকড়াও করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম মহম্মদ শামিম ওরফে বাবলু, অমরজিৎ কুঁওয়ার, মহম্মদ মুস্তাকিন ওরফে রাজ এবং মহম্মদ নাদিম। এর মধ্যে অমরজিৎ বিহারের মজফ্‌ফরপুরের বাসিন্দা। শামিমের বাড়ি হাওড়ার টিকিয়াপাড়ায় এবং বাকি দু’জন বন্দর এলাকার বাসিন্দা। ধৃতদের কাছ থেকে দু’টি সিঙ্গল শটার পিস্তল, দু’টি কার্তুজ এবং একটি গাড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, গত ২৪শে জানুয়ারী, বুধবার রাতে ভবানীপুর থানার আনন্দ ব্যানার্জি লেনের অগ্রবাল পরিবারে লুঠের চেষ্টা হয়। কিন্তু গৃহকর্ত্রী ললিতা অগ্রবালের উপস্থিত বুদ্ধির জোরে লুঠ না করেই চম্পট দেয় দুষ্কৃতিরা। ওই পরিবারের কর্তা মোহন অগ্রবালের এলগিন রো়ডে একটি ছবি তোলার স্টুডিও আছে। তাঁদের অভিযোগ, গভীর রাতে কলিং বেলের আওয়াজ শুনে মোহনবাবু ঘুম চোখে দরজা খুলতেই চার জন মুখোশধারী তাঁকে ঠেলে ঢুকে পড়ে। ভিতর থেকে দরজা বন্ধ করে মোহনবাবুকে তারা কিছু বলতে থাকে। দুষ্কৃতিদের এক জন শোয়ার ঘরে ঢুকে ফের বেরিয়ে আসে এবং মোহনবাবুর মাথায় রিভলভার ঠেকিয়ে কিছু জানার চেষ্টা করে। ঘটনার সময়ে শোয়ার ঘর থেকে মোহনবাবুর দিদি গায়ত্রীদেবী ও স্ত্রী ললিতাদেবী বেরিয়ে আসেন। কিন্তু ললিতাদেবীকে ঘরে ঢুকে যেতে বলে দুষ্কৃতিরা। কিছুক্ষণ পরে সন্দেহ হওয়ায় তিনি ফের বাইরে আসেন এবং দেখেন, তাঁর স্বামীর মাথায় রিভলভার ঠেকানো। এর পরেই শোয়ার ঘরে ঢুকে স্ত্রী ললিতাদেবী ফোন করেন থানায়। ললিতাদেবী জানান, রাতে কলিং বেলের আওয়াজে ঘুম ভেঙে গিয়েছিল তাঁর। তিনি হাসপাতাল থেকে ডায়ালিসিস করে আসায় ক্লান্ত ছিলেন। ওই রাতে মেয়ে এবং বৌমার সঙ্গে তিনি অন্য ঘরে শুয়েছিলেন। ললিতাদেবীর কথায়, ‘‘আমার ঘরেও কেউ ঢুকে আলো জ্বেলেছিল। আলো দেখে সেটা বন্ধ করতে বলি। পরে পরিস্থিতি বুঝে থানায় জানাই।’’

Advertisements

কলকাতা বন্দর এলাকায় অস্ত্রসহ ৫ মুসলিম দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করলো ওয়াটগঞ্জ থানার পুলিশ

বিগত কয়েকদিন বন্দর এলাকার বিভিন্ন প্রান্তে অপরাধের ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় রাতের নজরদারি আরও বেশি করে বাড়িয়েছে কলকাতা পুলিশ। আর তাতেই মিলল সাফল্য। গভীর রাতে পেট্রল পাম্পে ডাকাতির উদ্দেশ্যে জড়ো হওয়া জনা পাঁচেক দুষ্কৃতীকে অস্ত্র সহ গ্রেপ্তার করল ওয়াটগঞ্জ থানার পুলিশ। গত ৪ঠা জানুয়ারী, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ওয়াটগঞ্জ থানার ষষ্ঠীতলা রোড থেকে ওই পাঁচজন দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সার্কুলার গার্ডেনরিচ রোড ও সত্য ডক্টর রোডের সংযোগস্থলে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার পেট্রোল পাম্পে ডাকাতি করতেই অভিযুক্তরা এলাকায় এসেছিল। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম মহম্মদ রাজা আলম, মহম্মদ সেলিম, মহম্মদ নিয়াজ, মণি মোল্লা, শেখ মহম্মদ রফিক। ধৃতদের বাড়ি দক্ষিণ বন্দর ও ওয়াটগঞ্জ এলাকায়। কলকাতা পুলিশের বন্দর বিভাগের ডেপুটি কমিশনার সৈয়দ ওয়াকার রাজা জানিয়েছেন, ধৃতদের কাছ থেকে দু’টি আগ্নেয়াস্ত্র, দু’টি কার্তুজ, তিনটি চপার, দড়ি, হাতে আঁকা এলাকার একটি মানচিত্র উদ্ধার হয়েছে। ধৃতদের জেরা করে দেখা হচ্ছে, আগে কোনও ডাকাতির ঘটনায় এরা যুক্ত ছিল কি না।

পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুরে ডাকাতির উদ্দেশ্যে জড় হওয়া তিন দুষ্কৃতী গ্রেপ্তার

ডাকাতির উদ্দেশ্যে জড়ো হওয়া তিন দুষ্কৃতীকে সশস্ত্র অবস্থায় গ্রেপ্তার করল ভগবানপুর থানার পুলিশ। রবিবার রাতে ভগবানপুরের যাদবপুকুর এলাকা থেকে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করে থানার টহলদারি পুলিশ। দুষ্কৃতীরা ভগবানপুরের কলাবেড়িয়া এলাকায় একটি জুয়েলারির দোকানে ডাকাতি করার জন্য জড়ো হয়েছিল বলে পুলিশ জানতে পেরেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত অনন্ত জানা ওরফে ‘মামা’র বাড়ি তমলুকের পসড়া গ্রামে, শেখ রিয়াজুলের বাড়ি ঝাড়খণ্ডের সরাইকেল্লা এবং রাজু হাজরার বাড়ি হুগলি জেলার চন্দননগর এলাকায়। ধৃতদের কাছ থেকে পুলিশ এক রাউন্ড গুলি সহ একটি ওয়ান শটার পাইপগান, একটি নম্বরবিহীন বাইক এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত শাবল, চেন সহ অন্যান্য সামগ্রী আটক করেছে। সোমবার ধৃতদের কাঁথি মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক প্রত্যেকের ১৪দিন জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন।

ছয়টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ দুই ডাকাত গ্রেফতার আসামের হাইলাকান্দিতে

6ti agneyastrosoho dakat assamer hailakandiঅভিযান চালিয়ে ছয়টি আগ্নেয়াস্ত্র সমেত দুই ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে হাইলাকান্দি পুলিশ। ধৃত দুই কুখ্যাত ডাকাতের গিয়াসউদ্দিন বড়ভুইয়াঁ এবং রহিমউদ্দিন চৌধুরী বলে পরিচয় পাওয়া গেছে।
গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে হাইলাকান্দির রামনাথপুর থানার পুলিশ জেলার অসম-মিজোরাম সীমান্তের বরুণছড়া গ্রামে হানা দেয়, ঘটনাটা শুক্রবার রাতের। গ্রামের নির্দিষ্ট পৃথক পৃথক স্থান থেকে জেলা ও সংলগ্ন এলাকার ত্রাস গিয়াসউদ্দিন বড়ভুইয়াঁ ও রহিমউদ্দিন চৌধুরী নামের দুই ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রথমে তাদের আটক করে তল্লাশি চালায় পুলিশ। তল্লাশি চালিয়ে তাদের হেফাজত থেকে তিনটি বন্দুক ও তিনটি রিভলভার সমেত চার রাউন্ড সক্রিয় গুলি উদ্ধার করেছেন অভিযানকারীরা।
রামনাথপুর থানার ওসি মুকুট হাজরিকা এই তথ্য দিয়ে জানান, ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে অনেক তথ্য পাওয়া গেছে। জেলার ডাকাত সর্দার এবং তার সাগরেদদের ধরতে তদন্তের পাশাপাশি শীঘ্রই পুলিশ অভিযান চালাবে বলে জানিয়েছেন মুকুট হাজরিকা।