কলকাতায় উমর খালিদের সভা : প্রতিবাদে হিন্দু সংহতি

কিছু অতিবাম দেশদ্রোহীর উদ্যোগে কলকাতায় বিচ্ছিন্নতাবাদের বার্তা প্রচারেimageএসেছিল JNU র কুখ্যাত উমর খালিদ। 21মে বিকাল 5-00 টা থেকে ভারতসভা হলে তাদের মিটিং হওয়ার কথা ছিল। হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে ওই দিনই বিকাল 4-00 টায় একটা

image

প্রতিবাদ কর্মসূচী নেওয়া হয় ভারতসভা হলের বাইরে। মাত্র কয়েক ঘন্টার নোটিসে সহস্রাধিক জাতীয়তাবাদী মানুষ কালো পতাকা নিয়ে উপস্থিত হন সেখানে। এলাকার জনজীবন স্তব্ধ হয়ে যায় কিছু সময়ের জন্য। প্রচুর সংখ্যায় পুলিশ মোতায়েন থাকা সত্ত্বেও ক্রুদ্ধ জনতা

image

পৌঁছে যায় হলের প্রবেশদ্বার পর্যন্ত। পরিস্থিতি অনুধাবন করে বিকাল 3-30 নাগাদই হলের সমস্ত গেট তালা দিয়ে বন্ধ করে ভিতরে বসেছিল খালিদ সহ তার পৃষ্ঠপোষকরা। ফলে উত্তেজিত জনতা ভিতরে ঢোকার সুযোগ পায় নি। বস্তুত ভিতরে আদৌ কিছু হচ্ছিল কিনা, তা বাইরে থেকে বুঝতে পারেনি বেশীরভাগ মানুষ। ফলে বাইরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হচ্ছিল।

image

হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী তপন ঘোষ এবং হিন্দু অ্যাক্টিভিস্ট প্রকাশ দাস তাঁদের বক্তব্যের মাধ্যমে বিক্ষুব্ধ জনতার বার্তা সকলের সামনে তুলে ধরেন। মোটের উপর এই বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপ কলকাতার মানুষ সহ্য করবে না, এই বার্তা নিশ্চিতভাবে এই কর্মসূচীর মাধ্যমে দেশদ্রোহীদের কানে পৌঁছে গেছে।

কানহাইয়াকে কালো পতাকা

দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের সভাপতি কানহাইয়া কুমারকে কালো পতাকা দেখানোর অভিযোগে দু’জনকে আটক করল পুলিশ। রবিবার পটনার এস কে মেমোরিয়াল প্রেক্ষাগৃহে একটি অনুষ্ঠানে ওই ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ সূত্রে খবর, আটক দুই যুবক ‘যুব স্বরাজ’ নামে একটি সংগঠনের সদস্য বলে পরিচয় দিয়েছেন। তাঁদের নাম নীতীশ কুমার ও মণিকান্ত মণি। পটনার এসএসপি মনু মহারাজ জানিয়েছেন, ওই অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন কানহাইয়া কুমার। তখনই ওই দুই যুবক তাঁকে কালো পতাকা দেখান। ‘ভারত মাতা কী জয়’ স্লোগানও দেওয়া হয়। কানহাইয়ার কয়েক জন সমর্থক তাঁদের মারধর করেন বলে অভিযোগ। এর পর দু’জনকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

‘যৌন চক্রের আড়ত’ হয়ে উঠেছে জেএনইউ, অভিযোগ শিক্ষকদের একাংশের

আফজল গুরুর ফাঁসির প্রতিবাদ সভাকে কেন্দ্র করে বেশ কিছুদিন আগে সংবাদ শিরোনামে উঠে আসে দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় বা জেএনইউ। সেই প্রতিবাদ সভা আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের সভাপতি কানহাইয়া কুমারকে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে জেলেও যেতে হয়।

এবারও সেই জেএনইউ ঘিরে নয়া চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে আনলেন শিক্ষকদের একাংশ। সেন্টার ফর ল অ্যান্ড গভর্ন্যান্স এর অধ্যাপক অমিতা সিংয়ের নেতৃত্বে একদল শিক্ষক দাবি করেছেন যে, ‘জেএনইউ বিশ্ববিদ্যালয় যৌন ব্যবসা ও যৌন চক্রের আড়ত হয়ে উঠেছে’।

এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালক কর্তৃপক্ষকে অনেক আগেই জানানো হয়েছে। সেইমতো গতবছর ২০০ পাতার নথিও তাদের কাছে জমা দেওয়া হয়। শিক্ষকদের দাবি, এছাড়াও বিশ্ববিদ্য়ালয়ে হস্টেলের ভিতরে মদ্যপান ও অন্যান্য কুকর্ম করার জন্য হাজার জনের বেশি ছেলে-মেয়েকে, যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া, তাদের ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানাও করা হয়েছে।

অভিযোগ, রাত বাড়লেই জেএনইউ ক্যাম্পাসের মধ্যে দামি গাড়ি আনাগোনা বেড়ে যায়। এই ঘটনায় কিছু নিরাপত্তারক্ষীও জড়িত রয়েছে। বহুবার হস্টেল ওয়ার্ডেনের তল্লাশিতে পড়ুয়াদের ঘরে বহিরাগত যুবকদের পাওয়া গিয়েছে। ছেলেদের ঘরে মেয়েদের বা উল্টোটাও দেখা গিয়েছে। অথচ হস্টেলে ছেলে বা মেয়ের একে অপরের ঘরে ঢোকা নিষিদ্ধ।