পশ্চিমবাংলার জেলায় জেলায় আইএস ঘাঁটি : নবান্নকে চিঠি কেন্দ্রের

ISIS-591990আইএস তৎপরতার বিষয় নিয়ে কী ভাবছে রাজ্য, পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে এমনই চিঠি দিয়ে জানতে চাইলো কেন্দ্র। বিশেষ করে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী পশ্চিমবঙ্গের তিন জেলা (মালদা, মুর্শিদাবাদ, নদীয়া) র পরিস্থিতি রীতিমতো উদ্বেগজনক  >>

কাশ্মীরে ফের সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই, নিহত হিজবুল জঙ্গি-সহ ৩

army-ranger-pft-imageগত ২৮শে মার্চ সন্ত্রাস জর্জরিত কাশ্মীরে আবারও শুরু গুলির লড়াই। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। আহত চার। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মঙ্গলবার ভোরে উপত্যকার বাদগাঁও জেলার চাডোরা এলাকায় অভিযান চালায় সেনাবাহিনী  >>

নয়া ২০০০ টাকার নোটের ৫ লক্ষ টাকার জালনোট উদ্ধার

murshi_web২ হাজার টাকার ২৫০টি জালনোট উদ্ধার করল মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ থানার পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয়েছে দু্’জনকে। ধৃতদের নাম বাবু শেখ ও সেলিম শেখ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার (২৫শে মার্চ) রাতে ধুলিয়ানের ফেরিঘাটে অভিযান চালায় পুলিশ  >>

রোহিঙ্গারা আধার কার্ড বানিয়ে হয়ে যাচ্ছে বৈধ নাগরিক

adhar_rohingaসরকারী হিসাবেই জম্মুতে বসবাসকারী রোহিঙ্গা মুসলমানদের সংখ্যা ১৩,০০০ ছাড়িয়ে গেল। এরা কেউই আকাশ থেকে পরেনি, বিনা বাধায় ভারতের সীমান্ত অতিক্রম করা পর একের পর এক রাজ্য পার হয়ে তারা জম্মু অবধি পৌছে সেখানকার জনসংখ্যার ভারসাম্য বদলে দিচ্ছে  >>

‘বাঁচাতে পারলে বাঁচাও’, উত্তরপ্রদেশে ভয়ানক হামলার হুমকি আইএস-এর

imagesমধ্যপ্রাচ্যে অস্তিত্বের লড়াই চালালেও, ভারতে ক্রমশ জাল বিস্তার করছে আন্তর্জাতিক জঙ্গিসংগঠন ইসলামিক স্টেট৷ এবার উত্তরপ্রদেশে ভয়ানক হামলা চালানোর হুমকি দিল সন্ত্রাসবাদী সংগঠনটি  >>

ভারতে জিহাদি অনুপ্রবেশ বাড়ছে : প্রশ্নের মুখে জাতীয় নিরাপত্তা

32-Aভারতে বাড়ছে জঙ্গি অনুপ্রবেশ।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে এমনই সতর্কবার্তা দিল বাংলাদেশ৷ ফলে ফের একবার প্রশ্নের মুখে জাতীয় নিরাপত্তা  >>

জেহাদি আগ্রাসনের গ্রাসে এবার কালিমাতা ঠাকুরানীর দেবোত্তর সম্পত্তি/শ্মশানঃ পুনরুদ্ধারের আশায় হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ গ্রামবাসীরা

imagesএই পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে হিন্দুদের সম্পত্তি গা-জোয়ারি দখলের অভিযোগ পাওয়া যায় ভূরি ভূরি। কিন্তু খোদ ঠাকুরের সম্পত্তি বেদখল! তায় আবার শ্মশান, এমনই বিরল অভিযোগের নজির পাওয়া গেল আরামবাগের একটি গ্রামের গ্রামবাসীদের পক্ষ থেকে  >>

‘হিন্দু রাষ্ট্র ভারতে রক্তগঙ্গা বইয়ে দাও’, হুমকি আইএস-এর

17309461_424491394558640_9041933933288805104_nলখনউ এনকাউন্টারে নিহত সইফুল্লার মৃত্যুর ‘বদলা’ নাও, আহ্বান আইএস জঙ্গি চ্যানেলের l
‘সইফুল্লাই ভারতীয় মুসলিমদের আদর্শ l’ এবার এমনই প্রচার শুরু করেছে আইএস পরিচালিত জেহাদি চ্যানেল l শুধু তাই নয়, ‘আল হিন্দি’ নামের ওই জেহাদি চ্যানেলের দাবি, ভারতীয় মুসলিমদের যুবকদের এবার এভাবেই হামলা চালাতে হবে  >>

কাশ্মীরে ফের সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষ, নিকেশ দুই জঙ্গি

Army-Recruitment4ভারত-পাক সীমান্তে ফের শুরু হয়েছে গুলির লড়াই। এবারও জঙ্গিদের নিশানায় কাশ্মীরের কুপওয়ারা  >>

মালদহে ঘাঁটি গাড়ছে বাংলাদেশি মুজাহিদরা

সৌজন্য আনন্দবাজার পত্রিকা : ১ জুন ২০১৬

বাংলাদেশ থেকে একটা সময়ে তারা আফগানিস্তানে গিয়েছিল আল কায়দা-র কাছে যুদ্ধের প্রশিক্ষণ নিতে। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি বদলে যাওয়ায় বছর কুড়ি আগে থেকেই ধীরে ধীরে তাদের ‘ঘর ওয়াপসি’ শুরু হয়েছিল। ওসামা বিন লাদেনের হাতে গড়া সেই বাংলাদেশি মুজাহিদদেরই

এখন ভারতের নিরাপত্তার পক্ষেও বড়সড় ঝুঁকি বলে চিহ্নিত করছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা।

বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু সম্প্রতি জানিয়েছেন, আফগানিস্তানে বেশ কয়েক হাজার বাংলাদেশিকে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন ওসামা বিন লাদেন। আনন্দবাজারকে ইনু বলেন, ‘‘পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর ব্যবস্থাপনায় তিন থেকে পাঁচ হাজার বাংলাদেশি মাদ্রাসা-ছাত্র সাবেক সোভিয়েত সেনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আফগানিস্তানে গিয়েছিল। তারাই বাংলাদেশে ফিরে যাবতীয় জঙ্গি কার্যকলাপ শুরু করে।’’ বাংলাদেশের গোয়েন্দা-কর্তাদের একাংশও মানছেন, এই ‘মুজাহিদ’-দের থেকে বিপদের ঝুঁকি শুধু বাংলাদেশের নয়, পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতেরও। ঢাকায় ডিআইজি পদমর্যাদার এক গোয়েন্দা-কর্তার কথায়, ‘‘জেএমবি-র অনেক নেতাই এখন তাদের সংগঠনের নাম বলে— জামাতুল মুজাহিদিন বাংলা। জেরায় নেতারা জানিয়েছে, দুই বাংলা মিলেই খিলাফত প্রতিষ্ঠা করতে চায় তারা।’’ এনআইএ-র আইজি সঞ্জীব সিংহ বলেন, ‘‘আল কায়দার প্রশিক্ষিত এত জঙ্গি বাংলাদেশে থাকলে, পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে তো দুশ্চিন্তা থাকবেই!’’

বাংলাদেশি গোয়েন্দাদের তথ্য অনুযায়ী, আশির দশকে বাংলাদেশের বিভিন্ন মাদ্রাসা থেকে কয়েক হাজার ছাত্র আফগানিস্তানে ‘লড়াই করতে’ যায়। পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর সরাসরি তত্ত্বাবধানে আফগান-পাকিস্তান সীমান্তের বিভিন্ন শিবিরে প্রশিক্ষণের পরে তাদের যুদ্ধে পাঠানো হয়। কিন্তু সোভিয়েতের পতনের পরে পরিস্থিতি বদলে যাওয়ায় তারা দেশে ফেরা শুরু করে। তাদের নেতৃত্বেই বাংলাদেশে গড়ে ওঠে ‘হুজি-বি’ (হরকতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ) ও ‘জেএমবি’ (জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ)। দু’টি নামেরই অর্থ— ‘বাংলাদেশের মুজাহিদদের সংগঠন’। দু’দশক ধরে নানা ওঠাপড়ার পরে হুজি এখন কার্যত নিষ্ক্রিয় হয়ে গেলেও দুই বাংলা জুড়ে সংগঠন বাড়ানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছে জেএমবি। শেখ হাসিনা সরকার এই জঙ্গিদের বিরুদ্ধে কোমর বেঁধে অভিযান চালানোয় এই সব মুজাহিদরা এখন মালদহকে ঘাঁটি করে এগোতে চাইছে বলে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ) সূত্রে দাবি করা হয়েছে। গোয়েন্দাদের বক্তব্য, বাংলাদেশি জঙ্গিরা  বিশেষ করে কালিয়াচক, বৈষ্ণবনগর এলাকাকেই ঘাঁটি হিসেবে পছন্দ করছে।

কিন্তু মালদহই বা কেন? কারণ হিসেবে সম্প্রতি হাতে আসা কয়েকটি তথ্য পেশ করেছেন গোয়েন্দারা।

এক, সম্প্রতি কালিয়াচকের সীমান্ত ঘেঁষা একটি আমবাগানে জেহাদি প্রশিক্ষণ দিয়ে গিয়েছে জেএমবি-র নেতারা। এনআইএ জেনেছে, ডজন খানেক স্থানীয় যুবক সেখানে অন্তত চার দিন প্রশিক্ষণ নিয়েছে। তার পর আর তাদের হদিস নেই। রাইফেল ধরার তালিম দেওয়া হয় সেখানে, সঙ্গে ছিল শারীরিক কসরত ও জেহাদি পাঠ। প্রশিক্ষকদের মধ্যে অন্তত এক জন মুজাহিদ ছিল বলে খবর।

দুই, এ বছর জানুয়ারি মাসে কালিয়াচকে যে অশান্তি, হিংসা ও আগুন লাগানোর ঘটনা ঘটে, তাতে শুধু স্থানীয় দুষ্কৃতীরাই নয়, এনআইএ-র কাছে নির্দিষ্ট খবর— বাংলাদেশ থেকে ৫৪ জন জঙ্গি চোরাপথে সীমান্ত পেরিয়ে কালিয়াচকে ঢুকেছিল। পদ্মাপারের চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলায় জেএমবি-র একটি ডেরায় বসে মুজাহিদরাই এই পরিকল্পনাটি সাজিয়েছিল।

তিন, বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনে (ইউএপিএ) অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে বৈষ্ণবনগরের একটি গ্রাম থেকে গ্রেফতার করে আনার সময়ে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা প্রবল প্রতিরোধের মুখে পড়েন। বোমা ছুড়ে, সড়ক অবরোধ করে এবং গাড়ি ভাঙচুর করে আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হয়। গোয়েন্দারা জেনেছেন, এই কাজের পাণ্ডাদের মধ্যে দু’জন সেই সময়ে বাংলাদেশের দু’টি মোবাইল নম্বরে ফোন করে যোগাযোগ রাখছিল এবং সেখান থেকেই নির্দেশ পাচ্ছিল।

কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের মতে, বেআইনি ভাবে ভারতে ঢোকার সব চেয়ে সহজ পথ মালদহ সীমান্ত। এই জেলার সীমান্তবর্তী এলাকার পরিবেশ-পরিস্থিতি সব দিক দিয়ে জঙ্গিদের মদত দেওয়ার জন্য তৈরি হয়ে আছে। আইএসআই-এর পাঠানো কোটি কোটি টাকার জাল নোটের অধিকাংশটা এই পথেই ভারতে ঢোকে। মাদক, সোনা ও গরু চোরাচালানের সঙ্গে এই জাল নোট পাচারের বিষয়টিও নিয়ন্ত্রণ করে জামাত-জঙ্গিরাই। মালদহের ঠিক ও-পারে বাংলাদেশের রাজশাহি ডিভিশনের চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলা। গোটা রাজশাহি জুড়েই জেএমবি-র ঘাঁটি ছাড়ানো। এনআইএ-র এক কর্তার কথায়, চাঁপাই নবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ জাল নোটের কারবারিদের প্রধান আড্ডা। গত বছর নভেম্বরে সেই শিবগঞ্জ থানায় গিয়ে ভারতীয় গোয়েন্দারা জানতে পারেন, আগের এগারো মাসে জাল নোট সংক্রান্ত মাত্র তিনটি মামলা পুলিশের কাছে রুজু হয়েছে। তাজ্জব হয়ে যান তাঁরা।

সব দেখে ভারতীয় গোয়েন্দাদের মনে হয়েছে, কোনও এক অজানা কারণে বাংলাদেশের প্রশাসনের একটা অংশও রাজশাহি ও চাঁপাই নবাবগঞ্জের চোরাচালান ও জাল নোটের কারবার রুখতে ততটা তৎপর নয়। পুলিশের বদলে র‌্যাব (র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন) বা গোয়েন্দা সংস্থা এই এলাকায় বাড়তি নজরদারি চালালে জঙ্গিদের কাজকর্ম হয়তো অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

আসামে সাত বাংলাদেশি ‘জঙ্গি’ গ্রেপ্তার

Image

আসামের চিরাং জেলায় জঙ্গি’ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে বাংলাদেশভিত্তিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশের (জেএমবি) সাত সদস্যকে আটক করা হয়েছে। বুধবার রাতে স্থানীয় পুলিশ আটক করেন তাদের।

স্থানীয় পুলিশের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা আইএএনএস জানিয়েছে, বুধবার রাতে আটক হওয়াদের মধ্যে দুজন মসজিদের ইমাম। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তারা দলের সদস্যদের শারীরিক ও অস্ত্র প্রশিক্ষণের জন্য ক্যাম্প গড়ে তুলেছেন। আটক হওয়া সাত জন হলেন জয়নাল আবেদিন (৩২), রেজ্জাক আলী (২১), সোলেমান আলী (২৮), দিদার আলী (২৩), মো. নুরুল ইসলাম (২৭), রফিকুল ইসলাম ও উখিলুদ্দিন (৩৩)।

পুলিশ জানিয়েছে, এই সাত জনের মধ্যে জয়নাল আবেদিন ও রেজ্জাক আলী আমগুরি মসজিদের ইমাম। এর আগে ১৬ই এপ্রিল চিরাং ও কোকরাঝাড়ের পুলিশ ‘জঙ্গি’ অভিযোগে চার জনকে আটক করে। তাদের বিরুদ্ধেও চিরাংয়ে প্রশিক্ষণ ক্যাম্প স্থাপনের অভিযোগ রয়েছে।

বোড়োল্যান্ড টেরিটোরিয়াল এরিয়া ডিস্ট্রিক্টসের পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল এলআর বিশনই বলেন, ‘আগের আটক চার জিহাদিকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে আমরা এই সাত জনের কথা জানতে পেরেছি। বুধবার রাতে এই সাত জনকে আটকের মাধ্যমে এই প্রদেশে এখন পর্যন্ত মোট আটকের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৯। এরা সবাই বাংলাদেশের জেএমবির অধীনে আসামে কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছিল।’