পুরুলিয়ার আদিবাসী স্কুলে ছাত্রীদের শ্লীলতাহানী, গ্রেপ্তার স্কুলের কর্মী শেখ জালালউদ্দিন

পুরুলিয়ার বোরো থানার শুশুনিয়া এলাকায় একলব্য আবাসিক বিদ্যালয়ের হস্টেলে একাধিক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি এবং যৌন হেনস্তার অভিযোগে চতুর্থ শ্রেণীর এক কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। ধৃতের নাম শেখ জালালউদ্দিন। গত ৪ঠা মে, শুক্রবার ওই চতুর্থশ্রেণীর কর্মচারীর গ্রেপ্তারের দাবিতে শুশুনিয়া এলাকায় বান্দোয়ান থেকে মানবাজার যাওয়ার রাস্তা ৫ঘণ্টার বেশি সময় ধরে অবরোধ করে রাখে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকরা। পরে পুলিস অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করলে বিকেলে অবরোধ তুলে নেন আন্দোলনকারীরা।
পুরুলিয়ার পুলিস সুপার জয় বিশ্বাস বলেন, একলব্য আবাসিক বিদ্যালয়ের হস্টেলে এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ। আগে স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও কোনও সুরাহা না হওয়ায় এদিন স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা রাস্তা অবরোধ করে। পরে পুলিস আন্দোলনকারী এবং ওই ছাত্রীর সঙ্গে কথা বলে। লিখিত অভিযোগ নেওয়ার পরই অভিযুক্ত চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন বেলা ১১টা নাগাদ স্কুল থেকে বেরিয়ে ছাত্রছাত্রীরা রাস্তা অবরোধ শুরু করে। তাদের সঙ্গে যোগ দেয় অভিভাবক, স্থানীয় বাসিন্দা এবং ভারত জাকাত মাঝি পারগানা মহল এবং ভারত জাকাত সাঁওতাল পাঠওয়া গাঁওতা নামে দু’টি আদিবাসী সংগঠন। অভিযুক্ত চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীকে গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ এবং অবরোধ চলে দীর্ঘক্ষণ ধরে। ওই স্কুলের এক ছাত্রী নির্দিষ্টভাবে চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগও করে। বিভিন্ন অছিলায় হস্টেলে তাকে এবং তার একাধিক সহপাঠীকে শ্লীলতাহানি ও যৌন হেনস্তার চেষ্টা দীর্ঘদিন ধরেই করা হতো বলে অভিযোগ। এমনকী ঘটনার কথা কাউকে জানালে হস্টেল থেকে তাড়িয়ে দেওয়া এবং অন্যান্য হুমকিও দেওয়া হতো বলে অভিযোগ। এদিন আন্দোলনে শামিল ভারত জাকাত মাঝি পারগানা মহলের নেতা সুরজিৎ হাঁসদা এবং ভারত জাকাত সাঁওতাল পাঠওয়া গাঁওতার জেলার সভাপতি আদিত্য কুমার মুর্মু ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন। একই সঙ্গে আদিবাসী ছাত্রীদের উপর নির্যাতনে অভিযুক্ত চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীর গ্রেপ্তারির পাশাপাশি কঠোর শাস্তিরও দাবি জানান তাঁরা। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিস বাহিনী সহ মহকুমা এবং ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকরা। বোরো থানার পুলিসের সঙ্গেও আন্দোলনকারীদের আলোচনা হয়।
পরে এক ছাত্রীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে শেখ জালালউদ্দিন নামে ওই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। এবিষয়ে স্কুলের টিআইসি অজিত মাহাতর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

Advertisements

পাকিস্তানী মদতপুষ্ট হ্যাকার,দুই কাশ্মীরি মুসলিম যুবককে গ্রেপ্তার করলো দিল্লী পুলিস

গত ২৭শে এপ্রিল, শুক্রবার পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের মদতপুষ্ট একটি হ্যাকার-গোষ্ঠীর কার্যকলাপ ফাঁস করে দিল দিল্লি পুলিসের বিশেষ দল। ঘটনায় দুই কাশ্মীরি যুবককে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। এই প্রথম এই ধরনের অভিযান চালিয়ে সাফল্য মিলেছে বলে দাবি করেছে দিল্লি পুলিস।
পুলিস জানিয়েছে, শাহিদ মাল্লা এবং আদিল হুসেন নামে ধৃত দুই যুবক পাঞ্জাবের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। শাহিদ বি-টেক করছিল এবং আদিলের বিষয় ছিল বিসিএ। ধৃতদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২৪এ এবং তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৬৬ নম্বর ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে ধৃতদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের জন্য ১২০বি ধারাটিও যোগ করা হয়েছে।
পুলিস জানিয়েছে, ‘টিম হ্যাকার থার্ড আই’ নামে ওই হ্যাকার গোষ্ঠী এখনও পর্যন্ত দেশের ৫০০টি ওয়েবসাইট হ্যাক করেছে। যার মধ্যে গত জানুয়ারি মাসে হ্যাক হওয়া জম্মু ও কাশ্মীর ব্যাঙ্কের ওয়েবসাইটও রয়েছে। ধৃতদের জেরা করে গোটা চক্রে পাকিস্তান-যোগের বিষয়ে একপ্রকার নিশ্চিত হয়ে গিয়েছেন তদন্তকারীরা। পুলিসের দাবি, ধৃতদের সঙ্গে পাক গুপ্তচর সংস্থার সরাসরি যোগ ছিল। এক তদন্তকারী আধিকারিক জানিয়েছেন, ধৃতদের সঙ্গে ফয়জল আফজল এবং আমির মুজফ্ফর নামে দুই পাক নাগরিকের যোগাযোগের প্রমাণ মিলেছে। এই ফয়জল এবং আমির আবার পাকিস্তানেরই হ্যাকার গোষ্ঠী পাক সাইবার অ্যাটাকার বা সংক্ষেপে পিসিএ’র সদস্য।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, দুবাই এবং লাহোর থেকে অপারেশন চালানো এই গোষ্ঠী ২০১৬ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত হাজারেরও বেশি ভারতীয় ওয়েবসাইট হ্যাক করেছে।

কালনার ধর্মরাজের মন্দিরে পুজো দিলেন হিন্দু সংহতির প্রতিষ্ঠাতা তপন ঘোষ

tapandaগত ২৯শে এপ্রিল, রবিবার বুদ্ধ পূর্ণিমার দিন কালনা মহকুমার অন্তর্গত জামালপুরের বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী বুড়ো ধর্মরাজের মন্দিরে পুজো দিলেন হিন্দু সংহতির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রাণপুরুষ শ্রী তপন ঘোষ মহাশয়। শ্রী ঘোষ মহাশয়ের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির সহ সভাপতি শ্রী বিশ্বজিৎ মজুমদার। মেলাতে শ্রী ঘোষ মহাশয়কে ঘিরে সাধারণ হিন্দু জনগণের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ আর উন্মাদনা ছিল। সকলে হাতে থাকা অস্ত্র আকাশের দিকে তুলে শ্রী ঘোষ মহাশয়কে স্বাগত জানান। এই মেলাতে  বর্ধমান,নদীয়া ও মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে প্রচুর ভক্ত বুদ্ধপূর্ণিমার দিন আসেন। সকলে অস্ত্র নিয়ে খেলতে খেলতে আসেন ধর্মরাজের মন্দিরে পুজো দিতে। অনেকে এই মন্দিরে মানদ করেন। তারপর মনোকামনা পূর্ণ হলে পশু বলি দেন। এইবারে প্রচুর ভক্ত মন্দিরে পূজাসহ  পশু বলি দেন।

রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের মুক্তাঞ্চলে পরিণত হয়েছে ত্রিপুরার কমলাসাগর সীমান্ত

রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারীরা ভারতে অনুপ্রবেশের নতুন রাস্তা খুঁজে পায়েয়েছে। বর্তমানে মায়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গা মুসলিমরা বাংলাদেশ থেকে ত্রিপুরা হয়ে ভারতের অন্য রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ছে। এ ক্ষেত্রে ত্রিপুরার বিশালগড় মহকুমার মিঞাপাড়া হয়ে রোহিঙ্গা মুসলিম অনুপ্রবেশের করিডর হয়ে উঠেছে। গত চার-পাঁচ মাস ধরে রোহিঙ্গা মুসলিমরা মিঞাপাড়া হয়ে ভারতে ঢুকে আসাম হয়ে ভারতের অন্যান্য রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ছে। মধুপুর থানা এলাকার মিঞাপাড়া হলো পাচারের মুক্তাঞ্চল। এটা বিএসএফ-এর কমলাসাগর বর্ডার অউটপোস্টের অধীনে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন যে,মিঞাপাড়া সীমান্তের ১১০, ১১১, ১১২,১১৩ এবং ১১৪ নং গেটের মাঝের কাঁটাতার পেরিয়ে রোহিঙ্গা মুসলিমরা প্রবেশ করে। দুপুরে বিএসএফ-এর জওয়ানরা যখন ডিউটি বদল করে,তখন ভারতীয় দালালরা রোহিঙ্গা মুসলিমদের ভারতে প্রবেশ করায়। তারপর তাদেরকে কাছের মুসলিম বস্তি রানিরবাজারের কাওয়ামারা এলাকায় নিয়ে গিয়ে রাখা হয়। সেটাই হলো অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গা মুসলিমদের বেসক্যাম্প। সেখানে তাদের ভারতবর্ষ সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়। রাস্তায় কি কথা বলতে হবে,বাড়ি কোথায় জিজ্ঞেস করলে কি উত্তর দিতে হবে এইসব শেখানো হয়।এমনকি সবাইকে নির্দেশ দেওয়া হয় যেন সকলে হিন্দি ভাষায় কথা বলে।  বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গিয়েছে যে, ভারতে যে সমস্ত রোহিঙ্গা মুসলিম আসছে, তারা রেলপথে বাংলাদেশের কসবা স্টেশনে এসে নামছে। সেখান থেকে এরা দালাল ধরে মিঞাপাড়া সীমান্তে এসে ভারতে প্রবেশ করছে। গত চার-মাস ধরে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ চললেও, বিএসএফ আজ পর্যন্ত একজন রোহিঙ্গা মুসলিম অনুপ্রবেশকারীকে ধরতে পারেনি। অথচ ত্রিপুরা পুলিশ রাস্তা থেকে ধরছে রোহিঙ্গা মুসলিমদের। যা দেখে অনেকেই অবাক হয়েছেন।

দক্ষিণ দিনাজপুরে মুসলিম দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত হলেন বিবেকানন্দ সেবাকেন্দ্রের স্বামী রামানন্দ মহারাজ

গত ২৩শে

এপ্রিল, সোমবার সন্ধাবেলায় দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর থানার অন্তর্গত বিবেকানন্দ সেবা কেন্দ্রের প্রেসিডেন্ট স্বামী রামানন্দ মহারাজ দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত হলেন। স্বামী রামানন্দ মহারাজ গঙ্গারামপুরের আইসি কে করা তার অভিযোগে জানিয়েছেন যে, তিনি সেবামূলক কাজের জন্যে কাশিম ৭নং জাহাঙ্গীরপুরে গিয়েছিলেন। কিন্তু ফিরতে ওনার সন্ধ্যা হয়ে যায়। তিনি শিববাড়ি রাস্তা ধরে আশ্রমে ফিরছিলেন। কিন্তু হলিক্রস মিশন স্কুলের সামনের মোড়ে দুজন দুষ্কৃতী বাইক নিয়ে রাস্তা আটকায়। রামানন্দ মহারাজ গাড়ি থেকে নামাতেই ওই দুই দুষ্কৃতী মারধর করে মহারাজকে। তারপর মহারাজের মাথায় রিভলভার ঠেকিয়ে হুমকি দেয় যে গঙ্গারামপুরে সাধুদের কোনো কাজ চলবে না।  হিন্দুদের জন্যে করা সংগঠনের কাজ ছেড়ে দেবার হুমকি দেওয়াও হয় মহারাজকে। তারপর মহারাজকে ছেড়ে চলে যায় দুষ্কৃতীরা। ওই মুসলিম দুষ্কৃতীদের মারে স্বামী রামানন্দ মহারাজ আহত হন। তিনি গঙ্গারামপুর এস ডি হাসপাতালে চিকিৎসা কোরান। বাইকের হেলমেট দিয়ে মহারাজের কাঁধে দুষ্কৃতীরা আঘাত করায় কাঁধে যথেষ্ট ব্যাথা রয়েছে। এমনকি ছুরি দিয়ে মহারাজের উরুতে আঘাত করে দুষ্কৃতীরা। বর্তমানে স্বামী রামানন্দ মহারাজ সুস্থ রয়েছেন। তবে প্রায় দুদিন হতে চললেও পুলিশ এখনো পর্যন্ত কোনো দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

এনআরসি -তে নাম তুলতে জাল নথি জমা, বরপেটায় গ্রেপ্তার মুসলিম পরিবারের ৩ সদস্য

জাতীয় নাগরিক পঞ্জিতে (এনআরসি) নাম তোলার জন্যে জাল নথি জমা দিয়ে আসামের বরপেটা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হলেন মুসলিম পরিবারের তিন সদস্য। গত ২৩শে এপ্রিল, সোমবার এই ঘটনা ঘটে। জানা গিয়েছে, গত সোমবার বৰপেটা মাধব চৌধুরী কলেজে বংশলতিকা যাচাইয়ের কাজ চলছিল। সেসময় এই জালিয়াতি প্রকাশ্যে আসে। পুলিশ জানিয়েছে, বরপেটা থানার অন্তর্গত  দেব্রাদি গ্রামের বাসিন্দা জুলমত আলী নামের ব্যক্তি তাঁর প্রথম স্ত্রী আসমাতন নেসার নামে থাকা ভোটার আইডি কার্ড, পানকার্ড ইত্যাদি জালিয়াতি করে দ্বিতীয় স্ত্রী রোমেলা বেগমের নামে ব্যবহার করছিলেন। শুধু তাই নয়, ২০১৫ সালে আসমাতন নেশার নামে পঞ্চায়েত প্রধানের দেওয়া প্রমাণপত্রটিও জুলমত জালিয়াতি করে রোমেলা বেগমের নামে করে নিয়েছিলেন। কিন্তু এইবছর এনআরসিতে দ্বিতীয় স্ত্রী রোমেলা বেগমের নাম তোলার জন্যে এই সমস্ত জাল নথি জমা দিয়েছিলেন। এদিকে, রোমেলা বেগমের বাবা এনআরসি অফিসারদের কাছে দাবি করেন যে তার মেয়ের নাম আসমাতন নেসা। কিন্তু পঞ্চায়েত প্রধান পুলিশকে জানান যে ওই প্রমাণপত্রটি জাল। তারপরই গতকাল বরপেটা থানার পুলিশ জুলমত আলী,তার দ্বিতীয় পক্ষকে স্ত্রী রোমেলা বেগম এবং তার পিতা রমজান আলীকে গ্রেপ্তার করে।

আসামের ভরলুমুখে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার সাবির আহমেদ

আসামের  ভরলুমুখে ৪ বছরের শিশু এক মুসলিম যুবকের পাশবিক মানসিকতার শিকার হলো। গত ২৩ই এপ্রিল, সোমবার সকালে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে অভিযুক্ত সাবির আহমেদকে। ভরলুমুখের এসপি প্রাণজিৎ দুয়রা জানান, মঙ্গলবার সকালে থানায় শান্তিপুরের বাসিন্দারা অভিযোগ দায়ের করে জানান যে  সাবির সকালে ঘরে কেউ না থাকার সুযোগ নিয়ে চার বছরের শিশুকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। প্রতিবেশীরা দেখে ফেললে সে শিশুটিকে ফেলে দিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যাবার চেষ্টা করে। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে ধরে ফেলে এবং মারধর করে আটকে রাখে। পরে স্থানীয়রাই পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে ভরলুমুখ মহিলা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে এবং ধর্ষক সাবিরকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়। গতকাল ২৪ই এপ্রিল, মঙ্গলবার তাকে আদালতে তোলা হলে বিচারক সাবিরকে জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন।

নারায়ণগঞ্জের হিন্দুসম্প্রদায়ের একমাত্র শ্মশান দখল চলছে

বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জের হিন্দু  ধর্মাবলম্বীদের ৩০০ বছরের পুরানো একমাত্র মহা শ্মশানের জলাশয় দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। হিন্দু নেতাদের দাবি, স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল রাতের আঁধারে বালি-মাটি  ফেলে তার উপর ছোট টিনের ঘর নির্মাণ করে ধীরে ধীরে ওই জলাশয় দখল করে নিয়ে নিচ্ছে । এমনকি রীতিমত শ্মশানে হওয়া হিন্দু সম্প্রদায়ের  অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় বাধা দেওয়ার চক্রান্ত  শুরু হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ মহা শ্মশান কমিটির সহ সভাপতি শংকর সাহা বলেন, ৩০০ বছরের বেশি পুরানো এ মহা শ্মশান। এখানে নারায়ণগঞ্জ ও এর আশেপাশের বিভিন্ন এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের মরদেহ দাহ করা হয়। এর জন্য শ্মশানের পাশেই  রয়েছে দীর্ঘদিনের পুরানো জলাশয়। তবে দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী মহল দখল করতে করতে জলাশয়টি প্রায় ভরাট করে নিয়েছে। এখন যেটুকু আছে সেটুকুও রাতের আধাঁরে দখল করতে শুরু করেছে। প্রতিবাদ করাতো দূরে কথা বরং দাহ করতে গেলেও বাধা দিতে আসে ওই প্রভাবশালী মহলের লোকজন।নারায়ণগঞ্জ মহা শ্মাশন কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুজন সাহা বলেন, শ্মশানের এ জলাশয় দখল হয়ে গেলে এখানে হিন্দু সম্প্রদায়ের শব দাহ করা বন্ধ হয়ে যাবে। যার ফলে ২ থেকে আড়াই লাখ হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ ভোগান্তিতে পড়বে। তিনি আরো বলেন যে এই নিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

বাংলাদেশের ময়মনসিংহে শিবমূর্তি ভাঙচুর করলো মুসলিম যুবক

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটের এক মন্দিরে প্রতিমা ভাংচুরের অভিযোগে এক মুসলিম যুবককে আটক করেছে পুলিশ। গত ১৮ই এপ্রিল, বুধবার বিকালে  ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট উপজেলার কেন্দ্রীয় মন্দিরে শিব প্রতিমা ভাংচুরের এ ঘটনা ঘটে বলে হালুয়াঘাট থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার জানিয়েছেন। তবে ই ঘটনা ঘটার পর পুলিশের দাবি, আটক মামুন মানসিক ভারসাম্যহীন। ওসি আরো বলেন, বিকালে মন্দিরে ঢুকে প্রতিমা ভাংচুরের সময় স্থানীয়রা এগিয়ে এলে মামুন পালিয়ে যায়। প্রতিমার হাত, মাথার চূড়া, এবং গলায় পেঁচানো সাপ ভাংচুর করা হয়েছে।

স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী , প্রতিমার হাত, মাথার চূড়া, এবং গলায় পেঁচানো সাপ ভাংচুর করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। আটক যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে বাংলাদেশজুড়ে অনেকগুলি প্রতিমা ভাঙচুরের বা মন্দিরে হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া মুসলিম যুবকের পরিবার দাবি করে যে তাদের সন্তান মানসিক ভারসাম্যহীন। এইসব কথা পরিকল্পিতভাবে রটানো হচ্ছে বলে অনেকে জানিয়েছেন।

কোচবিহারের মাথাভাঙাতে জালনোটসহ বিহারের ৪ বাসিন্দা গ্রেপ্তার

গত ২৩শে এপ্রিল, সোমবার ১৭ হাজার টাকার জালনোট সহ বিহারের বাসিন্দা চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে মাথাভাঙা থানার পুলিস। পুলিস জানিয়েছে, বিহারের চার জন নিশিগঞ্জ এলাকায় গাঁজা কেনার জন্য এসেছিল। জাল টাকা দিয়ে গাঁজা কিনতে না পারায় তারা ফিরে যাওয়ার পথে ধরা পড়ে। ধৃতদের নাম সুনীল মাহাত, পঙ্কজ যাদব, মহম্মদ কাদের ও সুরেন্দর মাহাত। মাথাভাঙা থানার পুলিস জানিয়েছে, ধৃতদের কাছ থেকে ১৭ হাজার টাকার জালনোট উদ্ধার হয়েছে। ধৃতদের আজ মাথাভাঙ্গা কোর্টে তোলা হবে পুলিস জানিয়েছে।

মেদিনীপুরের স্কুলে মুসলিম ছাত্রের মৃত্যু, হিন্দু বাড়িঘর-দোকানে আগুন দিলো মুসলিম জনতা

গত ২০শে এপ্রিল, শুক্রবার  পূর্ব মেদিনীপুর জেলার অন্তর্গত তমলুকের শ্রীরামপুরের এগ্রিকালচার হাইস্কুলের হোস্টেলে নবম শ্রেণীর ছাত্র শরিফুল গাজীর অস্বাভাবিকভাবে মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুর পর স্কুলের প্রধানশিক্ষক জানান যে এই বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের খুঁজে বের করবে। কিন্তু মৃত ছাত্রের পরিবারের লোকজন সে কথা শুনতে চাননি। তারা স্কুলে এসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। সেই সময় স্কুলে অল্প ভাঙচুর চালানো হয়। কিন্তু পরেরদিন ২১শে এপ্রিল,শনিবার  আসরে নামে জিহাদি মানসিকতার মুসলিম সংগঠন অল ইন্ডিয়া মাইনরিটি এসোসিয়েশন (আইমা)। ঐদিন রাত্রে তারা বিক্ষোভের নাম করে দূর দূরান্ত থেকে কয়েকহাজার মুসলমানকে জড়ো করে। তারা হাতে ব্যানার নিয়ে বিক্ষোভ দেখানোর নাম করে স্কুলের আশেপাশে থাকা একের পর হিন্দু দোকান ও বাড়িঘরে ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেয়। স্কুলের সামনে থাকা একটি টিফিন স্টলে আগুন লাগিয়ে দেয় এবং দোকানটি পুরো পুড়ে ছাই হয়ে যায়। পাশে থাকা একটি একটি টালির বসতবাড়ি ভাঙচুর করে মুসলিম জনতা। এছাড়া আশেপাশে থাকা অনেকগুলি হিন্দু বাড়িতে ভাঙচুর করে আগুন লাগানো হয়। তবে কাছে থাকা একটি মুসলিম বস্তিতে হাত দেয়নি দাঙ্গাকারী মুসলমানরা। স্থানীয় হিন্দুরা জানিয়েছেন যে মুসলিমরা পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী হিন্দুদের আক্রমণ করার মানসিকতা নিয়ে এসেছিলো। কিন্তু ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশবাহিনী ও RAF ব্যাপক লাঠিচার্জ করে ডাঙায় উন্মত্ত মুসলিম জনতাকে হঠিয়ে দেয়। স্থানীয় বাসিন্দারা হিন্দু সংহতির প্রতিনিধিকে এও জানিয়েছেন যে, পুলিশ যদি লাঠিচার্জ করে মুসলিম জনতাকে না সরিয়ে দিতো,তাহলে তমলুকের বুকে আর একটা ধুলাগড় হয়ে যেতে পারতো।

উত্তর দিনাজপুরের রাড়িয়া গ্রামের বাৎসরিক ধর্মসভায় আমন্ত্রিত তপন ঘোষ

উত্তর দিনাজপুর জেলার অন্তর্গত রায়গঞ্জের  রাড়িয়া  গ্রামে গতকাল ২১শে এপ্রিল, শনিবার গ্রামের বাৎসরিক পূজা উপলক্ষে এক বিরাট হিন্দু সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল।তবে এবারের অনুষ্ঠান অন্য বছরের তুলনায় সম্পূর্ণরকম আলাদা ছিল। কারণ এই বছর অনুষ্ঠানের সর্বাগ্রে সমস্ত দায়িত্ব মাথায় তুলে নিয়েছিল হিন্দু সংহতির তরুণ-যুবকেরা। আর তাদের প্রচেষ্টায় এই বছরের অনুষ্ঠান অনেক বিরাট আকারে পালিত হলো।  আর সেই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত ছিলেন হিন্দু সংহতির প্রতিষ্ঠাতা এবং বর্তমানে মুখ্য উপদেষ্টা শ্রী তপন ঘোষ মহাশয়। এছাড়াও এই অনুষ্ঠানে হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির উত্তরবঙ্গের পর্যবেক্ষক শ্রী পীযুষ মন্ডল এবং হিন্দু সংহতির সহ সভাপতি শ্রী তুষার সরকার। রাড়িয়া গ্রামে  শ্রী তপন ঘোষ মহাশয় আসবেন-এই খবর ঘিরে এলাকার জনগণের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা ছিল। প্রধান রাস্তা থেকে কয়েক হাজার হিন্দু জনসাধারণ মিছিল করে, ঢাক বাজিয়ে, জয় মা কালী জিন্দাবাদ,হিন্দু সংহতি জিন্দাবাদ, তপন ঘোষ জিন্দাবাদ শ্লোগান দিতে দিতে শ্রী ঘোষকে সভাস্থলে নিয়ে যায়। সেখানে তপন ঘোষ হিন্দু জনসাধারণের উদ্দেশে তার মূল্যবান বক্তব্য রাখেন। তিনি তার বক্তব্যে বলেন যে, ”মাটি রক্ষার জন্যে শুধু লড়াই করে যেতে হবে। আর এটাই হলো হিন্দু সংহতির মন্ত্র। যুবকেরা তোমরা মনে রেখো, লড়াই করতে করতে মাথা কেটে যাবে, তবুও যেন তোমাদের পা পিছিয়ে না আসে”। এছাড়াও তিনি উপস্থিত হিন্দু জনতার উদ্দেশ্যে বলেন যে, ওরা মুসলিমদের জন্যে দেশভাগ করে নিয়েছে,তবুও কেন এদেশে জায়গার নাম ইসলামপুর থাকবে? প্রসঙ্গত গত বছর বকরি ঈদের সময় গরুর মাংস ফেলাকে কেন্দ্র করে দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে রায়গঞ্জের বিস্তীর্ণ এলাকায়। সেই হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গায় এই  রাড়িয়া গ্রামের হিন্দু যুবক তোতন দাস শহীদ হন। সেই সময়  রাড়িয়া গ্রামের হিন্দুদের পাশে হিন্দু সংহতি দাঁড়িয়ে থেকে সর্বতোভাবে সাহায্য করেছিল।

উত্তর-পূর্ব সীমান্ত দিয়ে ঢুকছে রোহিঙ্গা মুসলিমরা, এই দেশেই সক্রিয় একাধিক চক্র

ভারতের উত্তর-পূর্ব সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে মায়ানামারের রোহিঙ্গা মুসলিমরা  ভারতে প্রবেশ করছে। গত বৃহস্পতিবার গুয়াহাটির একটি বাস থেকে ১৮ রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরে বসবাসকারী এইসব রোহিঙ্গাদের মধ্যে অন্তত পাঁচজনের কাছে রাষ্ট্রসঙ্ঘের শরণার্থী সংস্থার দেওয়া পরিচয়পত্র পাওয়া গিয়েছে। জানা গিয়েছে, ধৃতরা দিল্লি যেতে চাইছিল। এসব রোহিঙ্গাকে খোয়াই জেলার তেলিয়ামুরা থেকে আটক করে ত্রিপুরা পুলিস। ধৃতদের মধ্যে ১১ পুরুষ, তিন মহিলা ও চার শিশু রয়েছে। তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর ত্রিপুরা পুলিস জানিয়েছে, ধৃত রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের চট্টগ্রামের রোহিঙ্গা শিবিরে বসবাস করত। অন্য অনেক রোহিঙ্গাদের মতো তারাও ত্রিপুরার সিপাহিজলা জেলার সোনামুরা সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে।
জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত রোহিঙ্গারা তাদের দেশ ছেড়ে পালানোর তথ্য দিয়েছে। আটক করা তিন রোহিঙ্গা পুরুষের সঙ্গে এজেন্টরা যোগাযোগ করে। প্রথমে তাদের মালয়েশিয়ায় কাজের প্রস্তাব দিয়ে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়। তিন দিন তারা সেখানে ছিল। পরিবারসহ মালয়েশিয়া যেতে এজেন্টকে তারা প্রায় ২২ লাখ কিয়াট (মায়ানমারের মুদ্রা) দেয়। বাংলাদেশ থেকে তারা সোনামুরা সীমান্ত দিয়ে ভারত প্রবেশ করে।গত বছরের আগস্টে রাখাইন রাজ্যে মায়ানমারের সেনাবাহিনী ও রোহিঙ্গাদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হলে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা। একই সময়ে ভারতে আগে থেকেই বসবাস রোহিঙ্গাদের বিতাড়িত করার উদ্যোগ নেয় কেন্দ্র। গত বছরের সেপ্টেম্বরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র রাষ্ট্রমন্ত্রী কিরেন রিজিজু রোহিঙ্গাসহ বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে দেশ থেকে বের করে দিতে সব রাজ্যকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সংসদে জানান। পরে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন সেখানে বসবাসকারী রোহিঙ্গারা। সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপে আপাতত আটকে রয়েছে ওই প্রক্রিয়া। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং উত্তর পূর্ব রাজ্যগুলিকে সতর্ক করে দিয়ে জানান, এইসব রাজ্যের সীমান্ত দিয়ে নতুন করে রোহিঙ্গারা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করতে পারে। মানবপাচারকারীরা ভারত-বাংলাদেশ ও ভারত-মায়ানমার সীমান্ত ব্যবহার করে রোহিঙ্গাদের ভারতসহ অন্য দেশে পাঠানোর চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ। ত্রিপুরায় রোহিঙ্গা আটকের ঘটনা এবারই প্রথম নয়। গত ১৪ জানুয়ারি উত্তর ত্রিপুরার ধর্মনগর রেল স্টেশন থেকে ৬ রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়। গত বছরের ২৯ নভেম্বর পশ্চিম ত্রিপুরার খয়েরপুর মার্কেট এলাকা থেকে  আটক করা হয় আরও ৮ রোহিঙ্গাকে।

নন্দকুমারে স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তিতে কালী মাখালো দুষ্কৃতিরা, চাঞ্চল্য এলাকায়

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার অন্তর্গত নন্দকুমারের কল্যাণচক হাই স্কুল মোড়ে স্বামী বিবেকানন্দের একটি পূর্ণাবয়ব মূর্তিতে কালি ঘষে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায়। জানা গিয়েছে, গত ১৮ই এপ্রিল রাতের অন্ধকারে কে বা কারা স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তিতে কালি মাখিয়ে দেয়। এদিন সকালে এই ঘটনার খবর জানাজানি হওয়ার পর পুলিস ও প্রশাসনের কর্তারাও নড়েচড়ে বসেন। গত ১৯শে এপ্রিল, বৃহস্পতিবার দুপুরে বিডিও মহম্মদ আবু তৈয়বের উদ্যোগে কালি তুলে নতুন করে মূর্তি রং করা হয়। তবে কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তা জানার জন্য পুলিস তদন্ত শুরু করেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এই ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয়েছে।
বিডিও মহম্মদ আবু তৈয়ব বলেন, খবর পাওয়ার পরই দ্রুত স্বামীজির মূর্তিতে লেগে থাকা কালি তুলে নতুন রং করা হয়েছে। এই ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের খোঁজে পুলিস তল্লাশি শুরু করেছে।

রাজ্যের মাদ্রাসাগুলি সংখ্যালঘু তকমা পাওয়ার যোগ্য কিনা -খতিয়ে দেখবে সুপ্রিম কোর্ট

রাজ্যের মাদ্রাসাগুলিতে শিক্ষক নিয়োগের অধিকার কার হাতে থাকবে –মাদ্রাসা পরিচালন সমিতি নাকি মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন – সুপ্রিম কোর্টে এই প্রশ্নের মীমাংসা হল না বৃহস্পতিবারেও৷ এই প্রশ্নের মীমাংসার আগে শীর্ষ আদালত বিচার করে দেখবে , রাজ্যের মাদ্রাসাগুলি সংখ্যালঘু তকমা পাওয়ার যোগ্য কিনা৷ আগামী মঙ্গলবার থেকে এই প্রশ্নের উত্তর -সন্ধানে শুরু হবে শীর্ষ আদালতে শুনানি৷ গত ১৯শে এপ্রিল, বৃহস্পতিবার এ কথা জানিয়েছে বিচারপতি অরুণ মিশ্র এবং বিচারপতি উদয় উমেশ ললিতের বেঞ্চ৷ মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগের অধিকার নিয়ে মামলার শুনানিতে রাজ্যের একটি মাদ্রাসার তরফে জানানো হয় , ২০০৭ সালে রাজ্যের সব ক’টি মাদ্রাসাকে ‘সংখ্যালঘু’ শ্রেণিভুক্ত বিদ্যালয়ের তকমা দিয়ে বিজ্ঞন্তি প্রকাশ করেছিল তৎকালীন রাজ্য সরকার৷ সেই বিজ্ঞন্তি চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করে কয়েকটি মাদ্রাসা৷ রাজ্যের বিভিন্ন মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগের অধিকার মাদ্রাসা পরিচালন সমিতির হাতে না দিয়ে পরে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনের হাতে দেওয়ারও সিদ্ধান্ত হয়৷ কাঁথি রহমানিয়া  মাদ্রাসার তরফে আইনজীবী আবু সোহেল আবার দাবি করেন , সংখ্যালঘু প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের অধিকার রাজ্য সরকারের নেই৷ এর পরেই বিচারপতি অরুণ মিশ্র এবং বিচারপতি উদয় উমেশ ললিত স্থির করেন, রাজ্যের মাদ্রাসাগুলি ‘সংখ্যালঘু’ মর্যাদা পাওয়ার যোগ্য কিনা , তা আগে স্থির করবে আদালত৷ ৷ এর গত গত এপ্রিল সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য সরকারকে চিঠি দিয়ে জানতে চেয়েছিলো যে রাজ্যের মাদ্রাসাগুলোতে কি পড়ানো হয়। এমনকি বিচাপতিরা এই মন্তব্য করেছিল যে রাজ্য সরকার যেহেতু টাকা দেয়, তাই শিক্ষক নিয়োগের অধিকারও তাদের থাকা উচিত।