দক্ষিণেশ্বরে পুরোহিতদের মমতা ব্যানার্জীর শুভেচ্ছাবার্তা নিয়ে গেলেন তাঁর সরকারের মন্ত্রী

dakkhineshwarer purohitder mamata banerjir suvecchabartaবীরভূমের অনুব্রত মণ্ডলের পুরোহিত সম্মেলনের রেশ ধরেই গত ১০ই ডিসেম্বর, বুধবার দক্ষিণেশ্বরের মাটিতে হাজার বিশেক ব্রাহ্মণের জমায়েত থেকে ‘বন্দে পুরুষোত্তম’ ধ্বনি তুলে পশ্চিমবঙ্গের জমিতে হিন্দুত্বের প্রশ্নে বিজেপিকে যে জমি ছাড়া হবে না তা স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দিল শাসকদল৷ এ দিন রাজ্য সনাতন ব্রাহ্মণ ট্রাস্টের বকলমে তৃণমূলের এই সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে উপস্থিত না থাকলেও, জমায়েত ও সংগঠকদের উদ্দেশ্যে তাঁর শুভেচ্ছাবার্তা পাঠিয়েছেন রাজ্যের সেচমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাধ্যমে৷ রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী সব মানুষকেই পরিষেবা দিতে জাতপাত, ধর্মের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের জন্য কাজ করছেন৷ ব্রাহ্মণদেরও কিছু দাবিদাওয়া রয়েছে৷ মুখ্যমন্ত্রী সহানুভূতির সঙ্গে সব বিবেচনা করবেন৷ সমাবেশের বার্তা তাঁকে সবিস্তারে জানাব৷’’ এ দিনের সভায় মূলত দুই মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বীরভূম, বাঁকুড়া ও দুই ২৪ পরগনা থেকে সনাতন ব্রাহ্মণদের জমায়েত হয়েছিল৷ ব্রাহ্মণ সমাজের উন্নয়নে নয় দফা দাবি সামনে রেখে গত কয়েক মাসে ট্রাস্টের সংগঠন গড়ে তোলার কাজে শ্রীধর মিশ্র, মধুসূদন মিশ্রদের নেতৃত্বে সারা রাজ্যজুড়েই পুরোহিতদের সংগঠিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল৷ দাবির মধ্যে যেমন পঞ্চম শ্রেণি থেকে সংস্কৃত ভাষা শিক্ষার দাবি আছে, তেমনই প্রবীণ পুরোহিতদের মাসিক ভাতার দাবিও স্থান পেয়েছে৷ আছে পূজক ব্রাহ্মণদের জন্যও মাসিক ভাতার দাবি৷ ব্রাহ্মণদের জন্য কর্মসংস্থান, বাসগৃহ, পঞ্চায়েত ও পুর এলাকায় টোল নির্মাণের মতো দাবিও রয়েছে৷ রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় সব দাবিই মুখ্যমন্ত্রীর বিবেচনার জন্য তাঁর কাছে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলেছেন৷ উদ্যোক্তারা জানান, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যেই সংগঠনের স্থায়ী কার্যালয় ও আশ্রম, বৃদ্ধাবাস ইত্যাদি করার জন্য মেচেদায় তিন বিঘা জমি দিয়েছেন৷ মার্চে কলকাতার গান্ধীমূর্তির সামনে আরও বড়, অন্তত ৫০ হাজার ব্রাহ্মণ পুরোহিতের জমায়েত করা হবে৷’’

Advertisements

তালাক দেবার হুমকি, স্বামী গ্রেপ্তার বারুইপুরে

তালাককাণ্ডে অভিযুক্ত স্বামী সাবির আহমেদকে গ্রেন্তার করল পুলিশ৷ ধৃতকে বুধবার বারুইপুর মহকুমা আদালতে তোলে পুলিশ৷ দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার বারুইপুর কেয়াতলার বাসিন্দা নূরনেহার বিবি গত ৯ই ডিসেম্বর, মঙ্গলবার বারুইপুর থানায় অভিযোগ করেন, তিন-তালাক দেওয়ার জন্য ক্রমাগত তাঁর উপর চাপ সৃষ্টি করছিলেন স্বামী সাবির ও শাশুড়ি সালেহার বিবি৷ অভিযোগ, দু’দিন আগে নূরনেহারের বাপের বাড়িতে হঠাৎই চড়াও হন সাবির৷ জানতে চান, কবে তালাক দেবেন৷ নূরনেহার রাজি  না হওয়ায় তাকে তার  মারধর করেন এবং  বিড়ির ছেঁকা দেন৷ এরপর নূরনেহার থানায় স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন৷ তারপরেই পুলিশ সাবির আহমদকে গ্রেপ্তার করে।

বাংলাদেশের নড়াইলে হিন্দু জেলে সম্প্রদায়ের ওপর হামলা যুবলীগ নেতার

গত ৮ই ডিসেম্বর, সোমবার বাংলাদেশের নড়াইলের লোহাগড়ায় যুবলীগ নেতার নেতৃত্বে শহরের কুন্দশী এলাকায় হিন্দু জেলে সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় সন্ত্রাসীদের হামলায় মহিলাসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। বাধা দিতে গেলে সন্ত্রাসীরা বাড়িঘরসহ আসবাবপত্র ভাঙচুর করে।

আহতদের লোহাগড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় লোহাগড়া থানায় মামলা করা হলেও পুলিশ এজাহারভুক্ত কোনো আসামিকে আটক করতে পারেনি।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেল চারটের দিকে লোহাগড়া পৌরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের কুন্দশী জেলেপাড়ার বিজুষ বিশ্বাস ওরফে পাগলের মাছ ধরার জাল ভাড়া দেওয়াকে কেন্দ্র করে একই গ্রামের রুলু মোল্লার সঙ্গে ঝগড়া হয়। এর জের ধরে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে লোহাগড়া উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর শিকদার নেতৃত্বে রুলু, টুলু, রবি, সুমন, বিল্লালসহ ৩০-৩৫ জনের একদল সন্ত্রাসী রামদা, হাতুড়ি ও লাঠিসোটা নিয়ে জেলাপাড়ার বিজুষ বিশ্বাস ওরফে পাগলের বাড়িতে হামলা করে। এসময় সন্ত্রাসীরা বলরাম বিশ্বাসের ছেলে সুবল বিশ্বাস (১৮), তার মা নমিতা বিশ্বাস (৪৭), বিজুষ বিশ্বাস ওরফে পাগলের স্ত্রী শিখা বিশ্বাস (৪১), পরিতোষ বিশ্বাস (৪১) এবং তার স্ত্রী বাসন্তী বিশ্বাসকে (৩৬) বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। সন্ত্রাসীরা ঘরে ঢুকে আসবাবপত্র ভাঙচুর করে মোবাইল ফোনসহ অন্যান্য মালামাল নিয়ে যায় বলেও অভিযোগ করা হচ্ছে। পরে এলাকাবাসী আহতদের উদ্ধার করে লোহাগড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

এ ঘটনায় বলরাম বিশ্বাসের স্ত্রী নমিতা বিশ্বাস রাতেই পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে লোহাগড়া থানায় মামলা করেছেন।
লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলাম মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাটি নিশ্চিত করে বলেন, ‘‘আসামিদের আটকের চেষ্টা চলছে।’’

অভিযুক্ত যুবলীগ নেতা জিয়াউর শিকদার পলাতক থাকায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।

তিন কোটির হেরোইনসহ মুর্শিদাবাদে গ্রেপ্তার আবদুল সুকুর

tin kotir heroinsoho murshidabadeতিন কেজি হেরোইন সমেত এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করল সিআইডি৷ যার আনুমানিক মূল্য তিন কোটি টাকা৷ গত ৯ই ডিসেম্বর, মঙ্গলবার আবদুল সুকুর নামের ওই হেরোইন কারবারিকে লালগোলার মির্দাদপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়৷ বুধবার বহরমপুর জেলা জজ কোর্টে তোলা হলে তাকে পাঁচ দিনের জন্য পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারক৷ এটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য বলে দাবি সিআইডির৷ মুর্শিদাবাদের লালগোলা হেরোইনের আঁতুড়ঘর হিসেবে পরিচিত৷ এখান থেকে আন্তর্জাতিক বাজারেও হেরোইন পাচার হয়৷ গত এক বছরে লালগোলা থেকে হেরোইন বিক্রি করা ও পাচারের জন্য মোট ৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ৷ এছাড়া এক বছরে প্রায় ৭০ কেজি হেরোইন উদ্ধার হয়েছে৷ কিন্তু আবদুল সুকুরকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় এটা স্পষ্ট যে, এখনও পর্যন্ত লালগোলা থেকে হেরোইন নির্মূল করা যায়নি৷ মঙ্গলবার কলকাতা থেকে সিআইডির একটি বিশেষ দল গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আবদুল সুকুরকে গ্রেপ্তার করে৷ তার কাছে থাকা একটি ব্যাগ থেকে ২ কেজি ৯৫০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার হয়৷ যার বাজারমূল্য প্রায় তিন কোটি টাকা৷ তবে সিআইডির আধিকারিকরা মনে করছেন যে, ধৃতকে পাঁচ দিন নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আরও নতুন তথ্য পাওয়া যাবে৷

জলপাইগুড়িতে একই রাতে তিনটি মন্দিরে চুরি, দুষ্কৃতিরা অধরা

গত ৯ই ডিসেম্বর, মঙ্গলবার গভীর রাতে নিউ জলপাইগুড়ি থানার সুকান্তপল্লীতে একই রাতে পরপর তিনটি মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। দুষ্কৃতিরা সুকান্তপল্লীর শিবশক্তি কালীবাড়ির পিছনের জানলার রড ভেঙে ভিতরে ঢোকে।মন্দিরের সিসি টিভির ফুটেজ থেকে দেখা যাচ্ছে চার যুবক ঢুকেছিল। কালীঠাকুরের গয়না হাতিয়ে নেয় তারা। দানবাক্স ভেঙে নগদ ৫ হাজার টাকা নিয়ে চম্পট দেয় তারা। এই মন্দিরে এর আগেও চুরির ঘটনা ঘটেছে। ওই রাতে পাশের দু’টি বাড়ির ঘরের মন্দিরেও চুরির ঘটনা ঘটেছে। সব মিলিয়ে অন্তত লক্ষাধিক টাকার চুরি হয়েছে। এদিন সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা মন্দিরে চুরির ঘটনাটি দেখতে পান। নিউ জলপাইগুড়ি থানার ওসি অনির্বাণ ভট্টাচার্য বলেন, দুষ্কৃতিদের ‘‘খোঁজে তল্লাশি চলছে।’’

সমুদ্রগড়ে শীতবস্ত্র ও কম্বল বিতরণ হিন্দু সংহতির

গত ৫ই জানুয়ারি, শুক্রবার বর্ধমান জেলার সমুদ্রগড়ে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে প্রায় শতাধিক দুস্থ মানুষকে কম্বল ও শীতবস্ত্র দেওয়া হয়। এই অনুষ্ঠানটি নাদনঘাটের নিবীন সংঘের মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির সহ সভাপতি শ্রী সুজিত মাইতি মহাশয়, নাদনঘাটের প্রমুখ কর্মী সঞ্জয় সূত্রধর এবং স্থানীয় হিন্দু সংহতির শুভাকাঙ্খী শ্রী বিবর্জন সরকার।

মালদহে জালনোট পাচারের মাথাকে গ্রেপ্তার করলো এনআইএ গোয়েন্দারা

প্রশান্ত মণ্ডল নামের জালনোট পাচারের এক বড় চাঁইকে এনআইএ গোয়েন্দারা মালদহের বৈষ্ণবনগর থেকে গ্রেপ্তার করেছে।বৈষ্ণবনগরের জৈনপুর সুকপাড়ার বাসিন্দা ওই চাঁইকে ধরিয়ে দিলে ২৫ হাজার টাকার পুরস্কার মূল্য এনআইএ ঘোষণা করেছিল। ২০১৫ সালে মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানে জালনোট পাচারের একটি ঘটনায় ডিরেক্টরেট অব রেভিনিউ ইনটেলিজেন্স (ডিআরআই) ওড়িশার এক বাসিন্দাকে গ্রেপ্তার করে। তখনই প্রশান্তর নাম প্রকাশ্যে আসে। সেই সময় থেকে হন্যে হয়ে খুঁজলেও ওই চাঁইয়ের খোঁজ মেলেনি। অবশেষে সোমবার গভীর রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে এনআইএ গোয়েন্দারা প্রশান্ত মণ্ডলকে মালদহ থেকে ধরে কলকাতায় নিয়ে চলে যায়। এনিয়ে এআইএ কর্তৃপক্ষ রাত পর্যন্ত সরকারি ভাবে কোনও মন্তব্য করেনি।

তবে এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০০৫ সালে রাঁচি জেল থেকে এই জালনোট পাচারচক্রের সংগঠিত হওয়া শুরু হয়েছিল। বৈষ্ণবনগরেরই বাসিন্দা নিষ্ফল মণ্ডল ছিল এই চক্রের মাথা। ২০১৬ সালে এনআইএ-এর হাতে নিষ্ফল মণ্ডল ধরা পড়ে যায়। তারপর থেকেই জালনোটের মডিউলগুলিকে নতুন করে গড়া হয়। সোমবার রাতে গ্রেপ্তার হওয়া প্রশান্ত মণ্ডলকে সেই রকমই একটি মডিউলের মাথায় বসানো হয়েছিল। যে কারণেই এনআইএ এই প্রশান্ত মণ্ডলকে ধরার জন্য ২৫ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করে। দীর্ঘদিন এনআইএ-এর চোখে ধুলো দিয়ে অবশেষে সোমবার রাতে প্রশান্ত ধরা পড়ে।

২০১৫ সালের মে মাসে ধুলিয়ানের ডাকবাংলো থেকে ডিআরআই ১০ লক্ষ টাকার জালনোট সহ সুশান্ত সাহুকে গ্রেপ্তার করে। ওড়িশার কান্তাবানিয়ার বাসিন্দা ওই ব্যক্তি ওড়িশা, বিহার, ঝাড়খণ্ড এলাকায় জালনোট ছড়ানোর কাজ করতো। ডিআরআইয়ের বহরমপুর রিজিয়নের তদানীন্তন কর্তা কে কে হালদার এনিয়ে মামলা দায়ের করেন। পরে এই মামলা এনআইএ নিয়ে নেয় এবং ২০১৬ সালে দিল্লিতে মামলা রুজু হয়। ওই ঘটনায় দু’জন বাংলাদেশীসহ ১১ জনকে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই একদফা চার্জশিট পেশ হয়েছে। এনআইএ গোয়েন্দারা তদন্তে নেমে জানতে পারে ২০০৫ সালে রাঁচির জেলে বন্দি থাকা অবস্থায় নিষ্ফল মণ্ডল নামের এক মালদহবাসীর উদ্যোগে জালনোট পাচার চক্র তৈরি হয়। নিষ্ফল আগে থেকেই জালনোট পাচারকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলত। জেল থেকে বের হওয়ার পরেই নিষ্ফল মণ্ডলের নেতৃত্বে বিহার-ওড়িশা সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় জালনোট পাচারের কাজ শুরু হয়ে যায়। এনআইএ-এর তথ্য অনুসারে ২০০৫ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত কয়েক কোটি টাকা ছড়ানো হয়েছিল। এনআইএ তদন্তভার নেওয়ার পরেই ২০১৬ সালে নিষ্ফল মণ্ডলের জন্য পুরস্কার মূল্য ঘোষণা করে। ওই বছরেই বিশেষ অভিযান চালিয়ে মালদহ থেকে তাকে গ্রেপ্তারও করা হয়। তারপরেই নিষ্ফলের ঘনিষ্ঠ সহযোগী প্রশান্ত মণ্ডল জালনোট পাচার চক্রের মাথা হয়ে বসে। সম্প্রতি নতুন ২০০০ টাকা ও ৫০০ টাকার নোট মালদহে প্রচুর পরিমাণে মজুত হওয়ার পেছনে এই প্রশান্ত মডিউলেরই হাত আছে বলে গোয়েন্দারা মনে করছে। গত সপ্তাহেই বৈষ্ণবনগরে প্রশান্তর খোঁজে এনআইএ অভিযান চালিয়েছিল। কিন্তু ধূর্ত এই চাঁইকে তারা ধরতে পারেনি। সোমবার রাতে ফের গোপন অভিযান চালিয়ে এনআইএ সাফল্য পায়।

উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ মুসলিমদের, প্রতিবাদে হিন্দুদের রেল অবরোধ

গত ৭ই জানুয়ারী, রবিবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার দত্তপুকুর থানা এলাকার হিন্দুদের এক পিকনিক পার্টি পিকনিক সেরে মাইক বাজিয়ে ফিরছিল, ফেরার পথে তাদের উপর হামলা চালালো মুসলিমরা। ঐদিন রাতে হিন্দুরা কাটরা-কদম্বগাছির রাস্তা দিয়ে পিকনিক সেরে ফিরছিল। কিন্তু রাস্তার মোড়ে একটি মসজিদ আছে, সেখানে থাকা মুসলিমরা মাইক বন্ধ করে যাওয়ার কথা বলে। এতে পিকনিক দলের লোকজন মাইক বন্ধ করতে অস্বীকার করলে স্থানীয় মুসলিমরা পিকনিক থেকে ফেরা হিন্দুদের ব্যাপক মারধর করে। তাদের মারে অনেকে গুরুতর আহত হয়। এমনকি মুসলিমরা  পিকনিক পার্টির মহিলাদের শ্লীলতাহানি করে বলে অভিযোগ। তাদের হামলার জেরে মহিলা, শিশু সহ ১৫ জন জখম হন। তার মধ্যে কয়েক জন বারাসত জেলা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

এই ঘটনার জেরে গত ৮ই জানুয়ারী,  সোমবার সকাল সাড়ে ন’টা নাগাদ স্থানীয় হিন্দুরা দত্তপুকুর স্টেশনে রেল অবরোধ করে। রেল লাইনের ওপরে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখায় হিন্দুরা। পুলিশ অবরোধ তুলতে গেলে অবরোধকারীদের সঙ্গে পুলিশের খণ্ডযুদ্ধ বাধে। পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। তাদের লক্ষ্য করে ইট ছোঁড়া হয়। তাতে তিনজন পুলিশ কর্মী জখম হন। পরে, পরিস্থিতি সামাল দিতে বাইরে থেকে অতিরিক্ত বাহিনী, রাফ, কমব্যাট ফোর্স নামানো হয়। অবরোধকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশের পক্ষ থেকে কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটানো হয়। বেলা বারোটা নাগাদ অবরোধ ওঠে। ঐদিন দত্তপুকুর থানায় হিন্দুদের পক্ষ থেকে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ দায়ের করা হয়। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী পুলিশ মাত্র দুইজন মুসলমান দুষ্কৃতিকে গ্রেপ্তার করতে পেরেছে। তবে পুলিশ অবরোধ তুলতে যেভাবে নিরীহ হিন্দুদের ওপর লাঠিচার্জ করেছে, তাতে জেলার বিস্তীর্ণ অংশের হিন্দুরা যথেষ্ট ক্ষুব্ধ।

ব্যাঙ্ককর্মীকে বিয়ে, রঙিন বোরখা পরায় নিষেধাজ্ঞার পর এবার নয়া ফতোয়া জারি মৌলবীদের

হায়দ্রাবাদের ইসলামীক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামিয়া নিজামিয়া নির্দেশ দিয়েছে, চিংড়ি মাছ হারাম, মুসলমানরা তা খেতে পারবেন না। ১৪২ বছর বয়সি এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান মুফতি মহম্মদ আজিমুদ্দিন ১ জানুয়ারি এই ফতোয়া জারি করেছেন।ফতোয়ায় বলা হয়েছে, চিংড়ি আসলে পোকা, কোনওভাবেই মাছের পর্যায়ে পড়ে না সে। তাই চিংড়ি খাওয়া কঠোরভাবে নিষিদ্ধ, মুসলমানরা তা খেতে পারবেন না। ইসলামীয় নিয়মে খাবার তিন রকম, হালাল – যা আইনিভাবে সিদ্ধ, হারাম – যা খাওয়া উচিত নয় ও মাকরুহ – যা পুরোপুরি নিষিদ্ধ। যদিও অনেক মৌলবীই এই নিষেধাজ্ঞার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

হিন্দুপাড়ায় হুকিংয়ের চেষ্টা মুসলিমদের, হিন্দুরা বাধা দিলে সংঘর্ষ মথুরাপুরে

দক্ষিণ ২৪  পরগনা জেলার প্রান্তিক এলাকার মথুরাপুর ব্লক। এই ব্লকের দেবীপুর অঞ্চলের অন্তর্গত তালপুকুর গ্রাম। গ্রামটি মুসলিম অধ্যুষিত। তালপুকুর-এর পাশের গ্রাম হিন্দু অধ্যুষিত সাধঘরা গ্রাম। গত ২৪শে ডিসেম্বর, রবিবার আনুমানিক দুপুর ১২টা নাগাদ তালপুকুর থেকে একদল মুসলমান হুকিং করতে সাধঘরা গ্রামে আসে। কিন্তু স্থানীয় হিন্দুরা এই হুকিংয়ের প্রতিবাদ করে, যার নেতৃত্বে ছিলেন গ্রামের কয়েকজন হিন্দু সংহতির কর্মী। তখনকার মতো বাধা পেয়ে মুসলিমরা চলে যায়। কিন্তু কিছুসময় পরে মুসলিমরা বিশাল দলবল নিয়ে এসে অতর্কিতে হিন্দুদের ওপর হামলা করে এবং যে হিন্দুরা হুকিং করতে বাধা দিয়েছিলো, তাদের প্রচন্ড মারধর করে। এতে বাপ্পা সরদার নামের একজন হিন্দুর মাথা ফেটে যায়। হিন্দুরা পরে পাল্টা মার দিলে চারজন মুসলিম আহত হয় এবং মুসলিমরা পালিয়ে যায়। পরেরদিন গত ২৫শে ডিসেম্বর মথুরাপুর থানায় আহত হিন্দুরা অভিযোগ জানাতে গেলে থানায় থাকা ডিউটি অফিসার অভিযোগ নিতে অস্বীকার করেন। ফলে হিন্দুরা বাড়ি ফিরে আসতে বাধ্য হয়। এই পর্যন্ত সব ঠিক ছিল। কিন্তু এর মধ্যেই গত ২৯শে ডিসেম্বর, ২০১৭ তারিখে ওই গ্রামের চারজন হিন্দু – বাপ্পা সরদার, গৌতম সরদার, প্রভাস সরদার এবং দীপু নাইয়া-এর নামে মথুরাপুর থানা থেকে  নোটিশ আসে এবং থানায় হাজিরা দেওয়ার কথা বলা হয়। নোটিসে দেখা যায় যে গত ২৫শে ডিসেম্বর মুসলিমরা চারজন হিন্দুর নামে মথুরাপুর থানায় কেস দায়ের করেছে, যার নম্বর ৩৪৬/১৭। যার ভিত্তিতে মথুরাপুর থানা ৩৪১,৩২৩,৩২৫,৫০৬,৩৪ IPC ধারায় মামলা দায়ের করেছে। পুলিশের এই অন্যায় আচরণে ক্ষুব্ধ হিন্দুরা বাধ্য হয়ে ডায়মন্ড হারবার কোর্টে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।

শ্যামপুরের ওসিকে মারধরে ঢোলাহাট থেকে গ্রেপ্তার ৫

Shyampure OC ke mardhore Dholahat.jpgশ্যামপুর থানার বারগ্রাম মুন্সিপাড়ায় ওসি সুমন দাস সহ পুলিশ কর্মীদের বেধড়ক মারধর করার অভিযোগে গত ৮ই জানুয়ারী,  সোমবার ভোরবেলা পুলিশ আরও ৫ জনকে গ্রেপ্তার করল। এদিন ভোরে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঢোলাহাট থানার জগদীশপুর থেকে স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতায় মুন্সিপাড়ার বাসিন্দা বাবর মুন্সি, বরহান মুন্সি, রমজান মুন্সি, ইব্রাহিম মুন্সি সহ মোট ৫ জনকে ধরেছে পুলিশ। গত শুক্রবার রাতের ঘটনার পর মুন্সিপাড়া জনমানবশূন্য। যে যেখানে পেরেছে ঘরে তালা লাগিয়ে সপরিবারে পালিয়েছে। গ্রামে এখন পুলিশি টহল ছাড়া কিছুই নেই। এমনকী মহিলারাও বাড়িছাড়া।

ঘটনার দিনই পুলিশ মূল অভিযুক্ত মুন্সি মতিয়ার রহমান সহ মোট ৭ জনকে গ্রেপ্তার করে। এই নিয়ে মোট ২২ জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হল পুলিশ। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে জোর তল্লাসি জারি রয়েছে।

অন্যদিকে, চিকিৎসাধীন ওসি সুমন দাসের অবস্থা আগের তুলনায় কিছুটা ভালো বলে জানিয়েছে কলকাতার ওই নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ। তারা জানিয়েছে, সুমনবাবুর সিটি স্ক্যান করা হয়েছিল সোমবার। তাতে কোনও অবনতি লক্ষ্য করা যায়নি। চিকিৎসকদের আশা, তাঁর মস্তিষ্কে জমে থাকা রক্ত ধীরে ধীরে মিশে যাবে। তখন অবস্থার আরও উন্নতি হবে।

হুগলীর ফুরফুরাতে দুষ্কৃতিদের ফেলে রাখা বোমা ফেটে মারাত্বক আহত হিন্দু বালক

২০১৮-এর ১ জানুয়ারি, সোমবার আনুমানিক সকাল ৯টা ১৫মিনিট নাগাদ হুগলী জেলার জাঙ্গীপাড়া থানার ফুরফুরা গ্রামে কৌটো বোমা বিস্ফোরণে গুরুতর আহত হয় অমিত দাস (চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র) – পিতা ছট্টু দাস। অমিত ফুরফুরার ধাড়াপাড়ার বাসিন্দা। রাতের অন্ধকারে কেউ বা কারা মড়িপুকুর শ্মশান ও ফুরফুরা মাঠ সংলগ্ন বাসস্ট্যান্ডের পাশে একটি ব্যাগের মধ্যে দুটি কৌটো বোমা ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। বালক আমিত দাস কৌতুহলবসত সেই ব্যাগ কুড়িয়ে কৌটো খুলতে গেলে বিকট বিস্ফোরণ হয় এবং তার বুক ভয়ঙ্কর ভাবে ক্ষতবিক্ষত হয়।
তৎক্ষণাৎ তাকে ফুরফুরা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে রেফার করে দেওয়া হয়। অমিতের শরীরে লোহার টুকরো ঢুকে থাকার ফলে তা বের করার জন্যে চিকিৎসকদের অস্ত্রপচার করতে হয়। বিস্ফোরণের পর জাঙ্গীপাড়া থানার পুলিশ এসে এলাকাটি ঘিরে রাখে এবং অবশিষ্ট বিস্ফোরকটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। কাউকে গ্রেপ্তার বা আটকের খবর নেই। ইংরেজী বর্ষের প্রথম দিনেই এমন দুর্ঘটনায় গ্রামবাসীরা ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পরে। দুষ্কৃতিদের দৌরাত্ম্যবৃদ্ধি পাওয়ায় পুলিশ-প্রশাসনের উপর জনগণের চাপা ক্ষোভ তৈরী হয়েছে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী অমিত দাস কিছুটা সুস্থ আছে।

উত্তরপ্রদেশে জাল পাসপোর্ট চক্রে ধৃত দুই বাংলাদেশি

উত্তরপ্রদেশে জাল পাসপোর্ট চক্রে জড়িত সন্দেহে আরও দু’জন বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করল সন্ত্রাসদমন শাখা (এটিএস)।তাদের সঙ্গে ধরা পড়েছে আরও একজন। পুলিশ সূত্রে খবর, গত ২রা জানুয়ারী, মঙ্গলবার গাজিয়াবাদের কুরসি গ্রামের একটি গোপন ডেরায় হানা দিয়ে ইউসুফ আলি নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। অন্য দু’জন হল ওয়াসিম আহমেদ এবং এহসান আহমেদ। ধৃতরা ভুয়ো তথ্য দিয়ে পাসপোর্ট তৈরি করাতো বলে এটিএসের একটি সূত্র জানিয়েছে।

চট্টগ্রামে ডাকাতি ও একই পরিবারের চার হিন্দু মহিলাকে গণধর্ষণ মুসলিম দুষ্কৃতীদের

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানার শাহমিরপুর এলাকার এক হিন্দু বাড়িতে ডাকাতি ও চার হিন্দু নারীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার এক আসামি চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। গত ২৭শে ডিসেম্বর, ওই হিন্দুবাড়িতে ডাকাতদল ঢোকে। গত ২রা ডিসেম্বর, মঙ্গলবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দেওয়া জবানবন্দিতে মিজানুর রহমান (৪৫) নামের ওই আসামি ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তবে সে নিজে ধর্ষণ করেনি বলে দাবি করেছে। মিজানুর বাগেরহাট জেলার মোংলা থানা এলাকার বাসিন্দা। গতকাল চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম আল ইমরান খানের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় সে। জবানবন্দিতে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনায় পাঁচজন জড়িত বলে তথ্য উঠে এসেছে। তাদের মধ্যে মিজানুরসহ চারজনের পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। অন্য একজনের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। মিজানুরের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির তথ্য অনুযায়ী, ঘটনায় মোট পাঁচজন জড়িত। তাদের মধ্যে আবু সামা নামের একজন স্থানীয়। বাকি চারজন অন্য জেলার। মিজানুর তিনজনের পরিচয় প্রকাশ করতে পারলেও একজনের পরিচয় আদালতে প্রকাশ করতে পারেনি। মিজানুরের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি অনুযায়ী, ঘটনার দিন তাদের প্রবাসীদের বাড়ি দেখিয়ে দিয়েছিল স্থানীয় বাসিন্দা আবু সামা। বাড়িটি পাকা এবং চারপাশ থেকে সীমানাপ্রাচীর থাকায় ডাকাতরা ভেতরে প্রবেশ করতে পারছিল না। পরে তারা একটি বাঁশের সাহায্যে সীমানাপ্রাচীর পার হয়ে ভেতরে ঢোকে। ওই বাড়ির একটি কক্ষে কেউ থাকেন না বলে তাদের আগে থেকেই জানিয়েছিল আবু সামা। ওই কক্ষের জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে চারজন। চারজন ভেতরে প্রবেশ করলেও আবু সামা বাইরে ছিল। ভেতরে গিয়ে মিজানুরসহ তার অন্য একজন সহযোগী একটি কক্ষে প্রবেশ করে। ওই কক্ষে দুজন নারী ঘুমিয়ে ছিলেন। তারা প্রথমেই দুই নারীকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। তারপর গয়না, টাকা ও মোবাইল ফোন লুট করে নেয়। এ সময় তাদের সহযোগী ইলিয়াছ ও মজিদুল দুই নারীকে পাশের রুমে নিয়ে যায়। এ সময় নারীদের মারধরও করা হয়। ইলিয়াছ ও মজিদুল দু’জন নারীকে ধর্ষণ করেছে বলে মিজানুর শুনেছে বলে আদালতের কাছে দাবি করে। তবে নিজে ধর্ষণ করেছে এমন কথা সরাসরি স্বীকার করেনি। মিজানুর স্বীকারোক্তিতে উল্লেখ করে, পাশের রুমে দুই নারীকে নিয়ে যাওয়ার পর তারা কক্ষ থেকে টাকা, স্বর্ণালংকার, মোবাইল নিয়েছিল। মিজানুর ওই বাসা থেকে ৯০ হাজার টাকা, দেড় ভরি স্বর্ণ ও পাঁচটি মোবাইল লুটের কথা তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক (মেট্রো) সন্তোষ চাকমার কাছে স্বীকার করেছে। এর মধ্যে নিজের ভাগে ১৩ হাজার টাকা পাওয়ার কথা জানিয়েছে সে।

বীরভূমের রামপুরহাটে মুসলিম টিউশন শিক্ষক ধর্ষণ করলো হিন্দু নাবালিকাকে

মুসলিম টিউশন শিক্ষকের কাছে টিউশন পড়তে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হলো এক হিন্দু নাবালিকা। ঘটনাটি গত ৩০শে ডিসেম্বর, শনিবারের। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূম জেলার রামপুরহাট থানার অন্তর্গত ৪নং ওয়ার্ডের ডাকবাংলো পাড়ায়। ঐদিন স্থানীয় নন্দিতা দাস পাল (নাম পরিবর্তিত,বয়স – ১২বছর) নামের এক নাবালিকা স্থানীয় মুসলিম শিক্ষক আতাউর রহমানের কাছে টিউশন পড়তে যায়। সে ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী। ঐদিন সকালে টিউশন ছুটি হয়ে গেলে সবাই চলে গেলেও ওই শিক্ষক নন্দিতাকে থাকতে বলে। তারপর আতাউর নন্দিতাকে ধর্ষণ করে। মেয়েটি বাড়ি গিয়ে তার মাকে সব কথা বলতে ঘটনাটির কথা জানাজানি হয়। এতে স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তারা দল বেঁধে গিয়ে দোষীর বাড়িতে ভাঙচুর করে। স্থানীয় হিন্দুরা আতাউর রহমানের বাড়ির দরজা, জানালা ও বাড়ির গেট ভেঙে ফেলে দেয়। ঘটনার খবর পেয়ে রামপুরহাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে এবং অভিযুক্ত আতাউর রহমানকে গ্রেপ্তার করে। এলাকার বাসিন্দারা জনিয়েছেন যে, তারা তাদের মেয়েকে আর কোনো মুসলিম শিক্ষকের কাছে টিউশন পড়তে পাঠাবেন না। পাশাপাশি তারা এটাও জানিয়েছেন যে ধর্ষক আতাউর-এর যেন কঠিন শাস্তি হয়।