সুপ্রিম কোর্ট নিষিদ্ধ করার পরও স্ত্রীকে হোয়াটসঅ্যাপে তালাক দিলেন অধ্যাপক স্বামী

শীর্ষ আদালতের রায়ে তিন তালাক বেআইনি হয়েছে দু’মাস হয়ে গেল। কিন্তু বাস্তবে এখনও বহাল তবিয়তে বর্তমান তিন তালাকের অভিশাপ। অভিযোগ, আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক খালিদ বিন ইউসুফ খান হোয়াটসঅ্যাপে তালাক দিয়েছেন তাঁর স্ত্রী ইয়াসমিন খালিদকে।

একেবারে ভেঙে পড়ে ৩ সন্তানের মা ইয়াসমিন বলেছেন, যদি বিচার না পান তবে সন্তানদের নিয়ে ভাইস চ্যান্সেলরের বাসভবনের সামনে আত্মহত্যা করবেন তিনি।

অভিযুক্ত অধ্যাপক এএমইউয়ের সংস্কৃতের অধ্যাপক, ২৭ বছর ধরে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে যুক্ত। তিনি প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপ ও পরে টেক্সট মেসেজ করে স্ত্রীকে তালাক দিয়েছেন। স্ত্রীকে বাড়ি থেকেও বার করে দিয়েছেন তিনি। বিচারের আশায় দোরে দোরে ঘুরছেন ইয়াসমিন। অবশেষে শুক্রবার সন্ধ্যেয় পুলিশের সাহায্যে নিজের বাড়িতে ঢুকতে পেরেছেন তিনি। ইয়াসমিন জানিয়েছেন, ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে সুবিচার না পেলে ভিসি তারিক মনসুরের বাড়ির সামনে ৩ ছেলেমেয়েকে নিয়ে তিনি আত্মহত্যা করবেন।

ওই অধ্যাপকও স্বীকার করে নিয়েছেন, সুপ্রিম কোর্টে নিষিদ্ধ হওয়ার পরেও স্ত্রীকে তালাক দিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, শুধু হোয়াটসঅ্যাপ ও এসএমএসে নয়, ইয়াসমিনকে তিনি শরিয়া মেনে ২ জন সাক্ষীর সামনে মৌখিকভাবেও তালাক দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, ২০ বছর ধরে ইয়াসমিন হেনস্থা করে চলেছেন তাঁকে। বিয়ের আগে একাধিক সত্য গোপন করেছেন বলেছিলেন, তিনি গ্র্যাজুয়েট কিন্তু বিয়ের পর দেখেছেন, তা মিথ্যে কথা।

যদিও ইয়াসমিনের দাবি, তিনি শুধু স্নাতক নন, এএমইউ থেকে স্নাতকোত্তর ও বিএড করেছেন তিনি।

পুলিশ বলেছে, ইয়াসমিন এখনও স্বামীর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ দায়ের করেননি, তিনি শুধু কাউন্সেলিং চাইছেন। এই পরিস্থিতিতে পুলিশের বেশি কিছু করার নেই। তবে স্বামী স্ত্রীকে ডেকে পাঠিয়েছে তারা।

Advertisements

লন্ডনের হাউস কমন্স সভায় বক্তব্য রাখলেন হিন্দু সংহতির প্রাণ পুরুষ তপন ঘোষ

ইতিহাসে প্রথমবার বৃটিশ পার্লামেন্টে ভারতের হিন্দুর সংকটের কথা তুলে ধরলেন হিন্দু সংহতির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রাণ পুরুষ তপন ঘোষ। তারপর সেখানে শুরু হয়ে গিয়েছে বিরাট তোলপাড়। তপন ঘোষকে যে সকল সংস্থা আমন্ত্রণ করে নিয়ে গিয়েছিল তাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে ইংলন্ডের ইসলামের এজেন্টরা ও মুসলমান এম.পি.রা।

গত ১৮ই অক্টোবর লন্ডনের হাউস কমন্স-এ এক আলোচনাসভার প্রধান বক্তা ছিলেন হিন্দু সংহতির প্রতিষ্ঠাতা শ্রী তপন ঘোষ মহাশয়। এই অনুষ্ঠানটির যৌথভাবে আয়োজন করেছিল হিন্দু ফোরাম অফ বৃটেন এবং ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ হিন্দু টেম্পলস (NCHTUK)। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বৃটিশ পার্লামেন্টের শাসকদলের এমপি বব ব্লাকমান। আলোচনার বিষয় ছিল ‘Tolerating the Intolerant’। তপন ঘোষ মহাশয় তাঁর বক্তব্যের মধ্য দিয়ে বাঙালি হিন্দুর সহিষ্ণু হবার ফলে আজ বাঙালি হিন্দুর অস্তিত্ব বিপন্ন – এ কথা তুলে ধরেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “জমি দিয়ে দিলেই জিহাদি আগ্রাসন থেমে যাবে না সেটা ১৯৪৭-এ দেশভাগের পরে কাশ্মীরের ঘটনায় প্রমাণ হয়ে গেছে। তৎকালীন নেতারা হয় অজ্ঞ ছিলেন বা ইচ্ছা করে আমাদেরকে সত্যটা বুঝতে দেননি। গান্ধার, সিন্ধ প্রদেশ, পশ্চিম পাঞ্জাব, পূর্ববঙ্গ একসময় যা আমাদের ছিল, তা আজ আর আমাদের নেই। কারণ আমরা সহিষ্ণু। আজ বাঙালি হিন্দু সহিষ্ণু হবার ফলে পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুর অস্তিত্বই বিপন্ন”। এছাড়াও তিনি পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুর সংখ্যা কমে যাওয়ার প্রসঙ্গে বলেন, “দেশভাগের পর ৮১ শতাংশ হিন্দুর রাজ্যে আজ হিন্দু ৭০ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে, যদিও দেশভাগের পর প্রচুর সংখ্যক হিন্দু শরণার্থী বাংলায় আশ্রয় নিয়েছিল। আর এটা সম্ভব হয়েছে বাংলাদেশ থেকে মুসলিম অনুপ্রবেশের ফলে”। তিনি বক্তব্যে গ্রাম বাংলার সাধারণ হিন্দুরা যে জিহাদি মুসলিমদের দ্বারা আক্রান্ত, সেকথা বলতে গিয়ে বলেন, “আজ আপনারা পশ্চিমের দেশগুলি লস্কর-ই-তৈবা নিয়ে আতঙ্কিত। কিন্তু আমাদের গ্রাম বাংলার সাধারণ হিন্দুরা কোনোদিন লস্কর নিয়ে চিন্তিত নয়। গ্রামে লস্কর জঙ্গি নেই, তবু তারা আতঙ্কিত ও ভীত, তাদের বাড়িঘর আক্রান্ত। আর নির্বাচনী গণতন্ত্রে ব্লক ভোটের লোভ এই পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলেছে। তাদের বাড়ির মেয়েদেরকে লাভ জিহাদের ফাঁদে ফেলে ধর্মান্তরিত করা হচ্ছে। আমি এটাকে ফ্রড জিহাদ বলতে চাই। কারণ, মুসলিম ছেলেরা হিন্দু নাম নিয়ে হিন্দু মেয়েদেরকে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে ঠকায়। আমি যখনই পশ্চিমি দেশগুলিতে আসি, তখনই আমি মানবধিকার লঙ্ঘনের কথা শুনি। কিন্তু আমরা যেখানে বাস করি সেখানে আমাদের অস্তিত্বই বিপন্ন। সেখানে মানবধিকার নিয়ে ভাবাই বিলাসিতা”। তিনি তাঁর বক্তব্যে ইসলামিক জঙ্গি তৈরির কারখানা মাদ্রাসার প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি বলেন, “যদি কোনো ৫-৬ বছর বয়সের বালক বা বালিকাকে মাদ্রাসায় জিহাদ শেখানো হয়, তাহলে সে একদিন নিজেকে উড়িয়ে দেবে না কি?” এই ভাষণে তপন ঘোষের যে কথাটি ইংলন্ডের মিডিয়া ও রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন ফেলে দিয়েছে তা হল, তিনি শ্রোতাদের কাছে আহ্বান জানান যে ইউরোপের সমস্ত সাধারণ মানুষ তাদের নিজ নিজ দেশের সরকারের উপর ও সংযুক্ত রাষ্ট্রপুঞ্জের উপর চাপ দিক যে সৌদি আরব যেন ভারত সহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলিতে মাদ্রাসার জন্য টাকা পাঠানো বন্ধ করে। কারণ, এই মাদ্রাসাতেই ধর্মান্ধতার পাঠ দেওয়া হয় ও জঙ্গি তৈরী হয়। তিনি আরো বলেন যে তাঁর সংগঠন হিন্দু সংহতি পশ্চিমবঙ্গে হিন্দু ডিফেন্স ফোর্স তৈরির কাজে হাত দিয়েছে, কারণ আমরা  পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা কাশ্মীরের মতো হতে দিতে চাই না। হিন্দু সংহতি বাংলায় প্রতিরোধ মানসিকতার জন্ম দিতে চায়। তিনি প্রতিরোধ বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা প্রসঙ্গে বলেন,”বাংলার হিন্দুর পায়ের তলার মাটি,মা-বোনের ইজ্জত,মঠ-মন্দির বাঁচানোর জন্যে আজ লড়াই-এর প্রয়োজন।অনেকেই বলেন যে হিন্দু লড়াই করতে পারে না। আমি এই ধারণায় বিশ্বাসী নই। আমি বিশ্বাস করি যে  হিন্দু কোনোদিন লড়াইতে হারে না। হিন্দু সম্প্রদায়ের অনগ্রসর শ্রেণীর যারা তারা যথেষ্ট লড়াকু। আমাদের কর্তব্য তাদেরকে সম্মান করা,তারা যে শ্রদ্ধা পাবার যোগ্য তা তাদেরকে দেওয়া”। তিনি শ্রোতাদের মনে করিয়ে দেন যে হিন্দু সংহতি একটি অরাজনৈতিক সংগঠন।কারণ তিনি বিশ্বাস করেন যে রাজনীতি করে হিন্দুর ভালো করা যাবে না। তারপর তিনি সবাইকে ধন্যবাদ দিয়ে তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।

পার্লামেন্টের এই অনুষ্ঠানের আর এস এসের গ্রেট বৃটেনের প্রধান প্রচারক চন্দ্রকান্ত শর্মা এবং আরও কয়েকজন স্বয়ংসেবক উপস্থিত ছিলেন। তপন ঘোষের মোট ১২ দিনের ইংল্যান্ড সফরে বৃটিশ পার্লামেন্টে ভাষণ ছাড়াও তিনি আরও অনেকস্থান ভ্রমণ করেছেন।লন্ডনের জালারাম মন্দিরে তাঁকে সম্বর্ধনা দেওয়া হয়েছে। সেখানে লর্ড বোর্ণের সামনে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ হয়েছে। বিখ্যাত স্বামীনারায়ণ মন্দিরে দেওয়ালি অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত ছিলেন। সেখানে স্বামীনারায়ণ সম্প্রদায়ের বর্তমান প্রধান মহন্ত স্বামী মহারাজ তপন ঘোষকে আশীর্বাদ করেন ও হিন্দু সংহতির কাজ সমন্ধে তাঁকে অবহিত করা হয়। এছাড়া ইসকন মন্দিরে দেওয়ালী উদযাপনের বিশাল কার্যক্রমে তিনি উপস্থিত ছিলেন। সেই অনুষ্ঠানে রামায়ণ অভিনয় হয় এবং বিশাল আকারে বাজি পোড়ানো হয়। ইসকনের এই মন্দির বিখ্যাত বীটল গায়ক জর্জ হ্যারিসনের বাড়িতে অবস্থিত। সংলগ্ন কয়েকশো একর জমি বর্তমানে এই  মন্দিরের সম্পত্তি। সেখানে সুন্দর একটি গোশালা আছে। এসবই তপন ঘোষ পরিদর্শন করেন এবং ইসকনের কর্মকর্তাদের সাথে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ আলোচনাও হয়। বার্মিংহামে গিয়ে তিনি শিখ অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তা সর্দার মোহন সিং-এর সঙ্গে দেখা করেন এবং শিখ মেয়েরা যে মুসলিমদের দ্বারা যৌন শোষণের শিকার হচ্ছে, ইংলন্ডে একে বলা হয় গ্রূমিং, সে বিষয়ে আলোচনা করেন।

এছাড়া ওখানে একজন বিখ্যাত জেহাদ বিরোধী নেতা টমি রবিনসন ও তাঁর দুই সহযোগী এসে তপন ঘোষের সঙ্গে দেখা করেন। দুজনের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। এই সফরে তিনি আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সঙ্গে দেখা ও আলোচনা করেন।

দুর্ভাগ্যক্রমে আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী গুজরাটের মানুষ খুনি- সুজাত ভদ্র

sujat vodroগত ১লা নভেম্বর, বুধবার পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া(পিএফআই) আয়োজিত ফ্যাসিবাদী শক্তির বিরুদ্ধে কলকাতায় ‘আমাদেরও কিছু বলার আছে’ শীর্ষক সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন একঝাঁক ইসলামিক সমাজকর্মী ও বুদ্ধিজীবীগণ।

রানী রাসমণি এভিনিউ এ অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মানবাধিকার কর্মী সুজাত ভদ্র বলেন, দুর্ভাগ্যক্রমে আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী গুজরাটের মানুষ খুনি। তিনিই ইচ্ছে করে গুজরাটে মানুষ খুন করেছেন। তারই মদতে আহসান জাফরী সহ মুসলিম মহল্লাগুলোকে জ্বালিয়ে দেয় হিন্দুত্ববাদীরা।

 

বাসন্তীতে কালীপূজার অনুষ্ঠানে আক্রমণ

বাসন্তী থানার অন্তর্গত ৪নং হরেকৃষ্ণপুর “মা সুমিত্রা নবজীবন মিলন সংঘ” প্রতিবছরের মতো এবারও কালীপূজার আয়োজন করে। গত ২৪শে অক্টোবর ক্লাবের সদস্যরা আনুমানিক রাত ১২টা নাগাদ মাইকে গান চালিয়ে আনন্দ করছিল। অভিযোগ, সেই সময় আবু সালাম মোড়ল, আবু কাসেম মোড়ল, আবু কালাম মোড়ল, পিঙ্কু মোল্লা, আবুল মোল্লা সহ বেশ কয়েকজন মুসলিম যুবক ঘটনাস্থলে এসে মাইক বন্ধ করতে বলে। ক্লাবের সদস্যরা রাজি না হলে অভিযুক্তরা বিশ্রী ভাষায় গালাগাল করতে করতে তাদের ওপর চড়াও হয়। প্যান্ডেলের লাইট, মাইক প্রভৃতি ভাঙচুর করে। দীপক মন্ডলের নেতৃত্বে ক্লাবের সদস্যরা বাধা দিলে উভয়ের মধ্যে মারামারি লেগে যায়। এই সময় আবু কালামরা দীপকের দুই বোন সরস্বতী মন্ডল ও মল্লিকা মন্ডলকেও মারধর করে। জয়দেব হালদার, দেবু দলুই, প্রদীপ মন্ডল, গৌর হালদার দুষ্কৃতীদের মারে কমবেশি আহত হয়। উল্লেখ্য, খবর পেয়ে হিন্দু সংহতির কর্মীরা ঘটনাস্থলে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। যাওয়ার সময় সাউন্ড মিক্সচার মেশিন (আনুমানিক মূল্য চার হাজার টাকা) ও দীপক মন্ডলের মানিব্যাগটি যাতে তিন হাজার টাকা ছিল ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

ক্লাবের পক্ষ থেকে উক্ত অভিযুক্তদের নামে বাসন্তী থানায় একটি কেস দায়ের (জিডি নং ৮২৭/২৭) করা হয়েছে। মুসলমানদের পক্ষ থেকেও প্রদীপ মন্ডল, দীপক মন্ডল, সুকুমার হালদার, স্বপন হালদার, দেবু দলুই-এর নামে পাল্টা একটি  অভিযোগ থানায় করা হয়েছে। তবে বাসন্তী থানা অভিযোগ নিলেও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয় নি বলে সূত্র মারফত জানা গেছে।

ধর্মতলায় জিহাদি সংগঠন পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার সভা, হাজির ছিলেন সুকৃতি বিশ্বাস।

কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ-এর তদন্তে জানা গিয়েছে যে কেরালায় পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার কর্মীরা পরিকল্পিতভাবে লাভ জিহাদ করে হিন্দু মেয়েদের ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করছে। কিন্তু সেই সংগঠন এবার পশ্চিমবঙ্গে বড়ো সভা করে বাঙালি হিন্দুদের উদ্দেশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলো।

‘আমাদেরও কিছু বলার আছে’ শীর্ষক গোটা দেশ জুড়ে একটি ক্যাম্পেন চালায় পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া। তারই অংশ হিসাবে গত ১লা নভেম্বর, বুধবার রানী রাসমণি রোডে জমায়েত করে নিজেদের অস্তিত্বের জানান দেয়। পার্কসার্কাস থেকে একটি মিছিলও বের হয়। সেই মিছিলে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন নীতির সমালোচনা করা হয়।

জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে সভার কাজ শুরু হয়। বিজেপি সরকার নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া কে নিয়ে কিছু এজেন্সির মাধ্যমে মিথ্যাচার করে সংগঠনের বদনাম করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ সংগঠনের। পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার রাজ্য সভাপতি মুহাম্মাদ সাহাবুদ্দিন বলেন, “এই সরকার সব দিক দিয়ে ব্যার্থ।আর ব্যার্থতা ঢাকতেই জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে ঘোরাতে পপুলারকে নিয়ে এইসব করছে।তবে বিজেপি সরকার বুঝে গেছে, পপুলার ফ্রন্টকে দমানো যাবেনা। আমরা ফ্যাসিবাদী এই সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলবোই।”  সংগঠনটির রাজ্য সম্পাদক ডঃ মিনারুল ইসলাম আবার গোরক্ষক বাহিনীর মানুষ খুনের বিরোধীতা করে বলেন, “গণতান্ত্রিক দেশে সাম্প্রদায়িক ফ্যাসিবাদী সরকার চলছে। গরু নিয়ে যাবার অপরাধে মানুষকে খুন করা হচ্ছে। শুধু মাত্র একজন যা বলে দেবে তাই হবেনা। দেশের মানুষেরও কিছু বলার আছে।”

পপুলার ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সম্পাদক ওয়াহিদ শেঠ বলছেন, “নোট বাতিল থেকে কালো টাকা ফেরত সব দিক দিয়ে সরকার জনগণকে ধোঁকা দিয়েছে। সাম্প্রদায়িক ফ্যাসিবাদী শক্তি ও তাদের নিয়ন্ত্রিত কিছু এজেন্সি প্রথম থেকেই মুসলিম ও দলিত বিদ্বেষী প্রচার মাধ্যমের সাহায্যে পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়াকে দমন করা ও বদনাম করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিছু পত্র পত্রিকা ও টিভি চ্যানেল বিশেষ কিছু সরকারী এজেন্সির উদ্ধৃতি দিয়ে জোর কদমে মিথ্যা প্রচার করে চলেছে।”

অভিযোগ করা হয়, পপুলার ফ্রন্ট নাকি ২০১৩ সালের ১৩ এপ্রিল কান্নুর জেলার নারতে একটি অস্ত্র প্রশিক্ষন ক্যাম্পের ব্যবস্থা করেছিল। সংগঠনটি বলছে, সেটি ছিল যোগা বা শরীর চর্চার প্রশিক্ষন কর্মসূচী, যেটি জাতীয় স্তরে প্রতি বছর হেলথ পিপল, হেলথ ন্যাশন প্রচারাভিযানের অংশ হিসাবে করা হয়ে আসছিল একটি জনবহুল এলাকাতে।

সংগঠনের নেতারা এদিন জনসভায় সন্ত্রাসের সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে। সভায় উপস্থিত ছিলেন সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের রাজ্য সম্পাদক মুহাম্মদ কামরুজ্জামান, এসডিপিআই এর রাজ্য সভাপতি তায়েদুল ইসলাম, ইমাম নেতা মিনারুল সেখ, মানবাধিকার কর্মী সুজাত ভদ্র, মাইনোরিটি কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান ইন্তাজ আলি শাহ, শিখ নেতা সুখ নন্দন সিং আলুওয়ালিয়া, জেডিইউ এর প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি অমিতাভ দত্ত, ডঃ আফসার আলি প্রমুখ। প্রায় সকল বক্তা মোদী সরকারের সমালোচনা করে দলিত ও সংখ্যালঘু অত্যাচার নিয়ে কথা বলেন।

স্বরুপনগরে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু, গ্রেপ্তার জাল ডাক্তার আমির হোসেন গাজী

amir hosenamir hosen2উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট  থানার অন্তর্গত স্বরূপনগর। এলাকায় চেম্বার করতেন প্রেসক্রিপশনে M.B.B.S. লেখা ডাক্তার আমির হোসেন গাজী। তার বাড়ি বাদুড়িয়া থানার সফিরাবাদ এলাকায়। এলাকার বাসিন্দা সুমন বৈদ্য(২২) জ্বরে আক্রান্ত হলে  তার মা সন্ধ্যা বৈদ্য তাকে গত ৩০শে সেপ্টেম্বর চিকিৎসক আমির হোসেনের কাছে নিয়ে যান। ওখানে চিকিৎসা করিয়েও সুমনের জ্বর না কমায় তার মা তাকে আবার ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান। কিন্তু ডাক্তার বাবু সুমনকে ভালো করে না দেখে ওষুধ দিয়ে বলেন যে সুমন সুস্থ হয়ে যাবে। কিন্তু সুমনের অবস্থার অবনতি হওয়াতে ১লা অক্টোবর তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাবার পথে সুমনের মৃত্যু হয়। তার মা সন্ধ্যাদেবী স্বরূপনগর থানায় চিকিৎসক আমি হোসেন গাজীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পারে যে ওই চিকিৎসকের M.B.B.S ডিগ্রি জাল। তিনি কখনও M.B.B.S পাশই করেননি। পুলিশ গত ১৭ই অক্টোবর মঙ্গলবার আমির হোসেন গাজীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। তাকে বসিরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে ১৪ দিনের জেল হেপাজতের নির্দেশ দেন।

কোচবিহারের সরকার হাটের কালীমন্দিরে গরুর মাংস ফেলল দুষ্কৃতীরা

Coochকোচবিহারের শীতলকুচি ব্লকের সরকারের হাটের কালীমন্দির। এলাকার হিন্দু জনসাধারণের কাছে খুব জাগ্রত মন্দির বলে পরিচিত। সেই মন্দিরে গত ১৪ই অক্টোবর রাতে গরুর হাড়-মাংস ফেলে দিয়ে গেলো দুষ্কৃতীরা। পরের দিন ১৫ই অক্টোবর সকালে স্থানীয় হিন্দুদের নজরে পড়ায় এলাকায় মানুষেরা উত্তেজিত হয়ে পড়ে। তারা দল বেঁধে রাস্তায় বেরিয়ে এসে বিক্ষোভ দেখায়। পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাবার আগেই এলাকায় বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়। স্থানীয় হিন্দুরা অভিযোগ করেছেন যে তাদের সন্দেহ এলাকার সংখ্যালঘু মুসলিমদের প্রতি।এই ঘটনায় স্থানীয় রাজবংশী হিন্দুরা ক্ষোভে ফুঁসছে।

ভ্রু-প্লাক, ট্রিমিং ও চুল কাটা ইসলামবিরোধী, ফতোয়া দিলো দারুল উলুম

ভ্রু-প্লাক, ট্রিমিং ও চুল কাটা ইসলামবিরোধী। মুসলিম মহিলাদের এসব থেকে দূরে থাকতে ফতোয়া দিল দারুল উলুম। উত্তরপ্রদেশের সহারানপুরের জনৈক ব্যক্তির প্রশ্নের জবাবে এমনটা জানিয়েছে সংস্থাটি। মহিলাদের ভ্রু প্লাক ও চুল কাটা কি ইসলামিক আইনে বৈধ কিনা জানতে চেয়েছিলেন ওই ব্যক্তি। তার জবাবে দারুল ইফতা জানিয়েছে, এই সব কাজ ইসলামবিরোধী। ফতোয়া দিয়ে তারা জানিয়েছে, কোনও মহিলা চুল কাটলে তিনি ইসলামিক আইন লঙ্ঘন করবেন।তাদের ব্যাখ্যা, চুল মহিলাদের সৌন্দ‌র্য বাড়ায়। তাই ইসলামে চুল কাটতে নিষেধ করা হয়েছে। দারুল ইফতার মৌলানা সাদিক কাশমির দাবি, বিউটি পার্লারে ‌মেক আপ করে মহিলারা পুরুষদের চোখ টানার চেষ্টা করেন। ইসলামে এটা বারণ করা হয়েছে। মুসলিম পুরুষেরও দাঁড়ি কামানো নিষেধ। দেশজুড়ে মুসলিম মহিলাদের বিউটি পার্লারে ‌যাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। এটা বন্ধ করতেই ফতোয়া দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সাদিক কাশমি।

তবে সংখ্যাগরিষ্ঠ মহিলাই এই ফতোয়া মানতে অস্বীকার করেছেন। তিন তালাকে নি‌র্যাতিতা সোফিয়া আহমেদের কথায়, ”এভাবে কেউ আমাদের ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে পারে না। মৌলবিরা আমাদের মাথা হেঁট করছেন।

মালদহের হবিবপুরে দু-দল গরু পাচারকারীর মধ্যে সংঘর্ষ

গত ৬ই অক্টোবর,শুক্রবার ভোরে মালদহের হবিবপুরে ঋষিপুরে গোরুপাচার নিয়ে দু’দল পাচারকারীর মধ্যে গুলি ও বোমার লড়াই হয়েছে। ঘটনার জেরে এক স্কুল ছাত্র জখম হয়েছে। পাশাপাশি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে করতে আসা বিএসএফের মারে আরও তিন জন জখম হয়েছে। বিএসএফও গুলি চালায় বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছে। যদিও বিএসএফ এবং পুলিশ দু’পক্ষই গুলি চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছে। মালদহ মেডিকেল সূত্রে জানা গিয়েছে, অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্র সহ তিন জন হবিবপুরের একই এলাকা থেকে জখম হয়ে মেডিকেলে ভরতি হয়েছে। তবে কারও শরীরের গুলি বা বোমার আঘাত নেই।

মালদহের হবিবপুর থানার পুলিশ জানিয়েছে, দু’টি দলের মধ্যে সংঘর্ষ হলেও গুলি বা বোমাবাজির কোনও ঘটনা ঘটেনি। জখম কিশোর কাঁটাতারের বেড়াতে পড়ে জখম হয়েছে। এদিকে বিএসএফ দাবি করেছে, এদিন পাচার রুখতে গেলে পাচারকারীরা পালটা হামলা করে। তখন তা প্রতিরোধ করতে হয়েছে। গুলি চালানোর অভিযোগ ভিত্তিহীন।

পাকিস্তানকে চরম হুঁশিয়ারি দিলেন বায়ুসেনা প্রধান

IAFচরম হুঁশিয়ারি দিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা। পাকিস্তান এবং চীনের সঙ্গে একইসঙ্গে যুদ্ধ করে দু’পক্ষকেই মোকাবিলা করার জন্য ভারত সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে গত ৫ই অক্টোবর বায়ুসেনা প্রধান বি এস ধানোয়া রীতিমতো চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছেন। ভারতীয় বায়ুসেনা দিবস অনুষ্ঠানের প্রাক্কালে বায়ুসেনা প্রধান ইদানীংকালের মধ্যে সবথেকে কঠোর হুমকি দিয়েছেন দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রকেই। পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বি এস ধানোয়া বলেছেন, কেন্দ্রীয় সরকার সার্জিকাল স্ট্রাইকের সিদ্ধান্ত নিলে পাকিস্তানের সীমান্তে মোতায়েন পরমাণু অস্ত্র উপকরণ ও ভাণ্ডার চিহ্নিত করে করে ধ্বংস করার জন্য ভারত প্রস্তুত   >>

রোহিঙ্গাদের রুখতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে নজরদারি বাড়াচ্ছে বিএসএফ

দুষ্কৃতীদলের সাহায্যে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত পার হয়ে চোরাপথে এদেশে ঢুকছে রোহিঙ্গারা। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে ইতিমধ্যেই এমন ১৪০টি জায়গা চিহ্নিত করে নিরাপত্তারক্ষীদের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। কড়া নজরদারি চালানোর জন্য বসানো হয়েছে আধুনিক যন্ত্রপাতিও। শুক্রবার একথা জানিয়েছেন বিএসএফ ডিজি কে কে শর্মা। সম্প্রতি বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিবি) সঙ্গে চারদিন ব্যপী বার্ষিক আলোচনাসভায় অংশ নিয়েছিল বিএসএফ কর্তারা। এই বৈঠকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে রোহিঙ্গাদের ঢুকে পড়ার বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়  >>

রায়গঞ্জে দুর্গা মণ্ডপে চুরি, এলাকায় ছড়ালো উত্তেজনা

গত ৩রা অক্টোবর মঙ্গলবার  রাতে রায়গঞ্জ থানা থেকে মাত্র ৫০ মিটার দূরে লিচুতলা দুর্গাপুজো কমিটির স্থায়ী মণ্ডপের দুর্গা প্রতিমার শরীরের বেশকিছু অলংকার ও ক্লাবের আলমারি ভেঙে নগদ টাকা চুরির ঘটনায় এলকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। চুরির বিষয়টি মঙ্গলবার সকালে লিচুতলা ক্লাবের সদস্যদের নজরে আসে। লিচুতলা ক্লাবের পুজো কমিটির সদস্যদের দাবি, প্রায় ২০ ভরি সোনার গয়না ও নগদ দু’লক্ষ টাকা খোয়া গিয়েছে  >>

বন্ধ হয়ে যাওয়া মহরম চালু করলো পুলিশ

ঘটনাটি দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার নামখানা থানা এলাকার।ওই  এলাকার উত্তর চন্দনপিড়ির মাইতি বাজারে মাঠে দীর্ঘ তেরো বছর ধরে সর্বজনীন দূর্গা পূজা হয়ে আসছে। কিন্তু ওই মাঠেই মহরম করতো মুসলিমরা। কিন্তু মুসলিমদের ওই মাঠে মহরমে মিছিল বের  করা,অস্ত্র প্রদর্শন ইত্যাদি কারণে এলাকার হিন্দুরা মহরম অনুষ্ঠান থেকে মুখ  ফিরিয়ে নিয়েছিলেন।অনেক হিন্দুই এই পূজা মণ্ডপের মাঠে মহরমে আপত্তি তোলেন  >>

পেট্রাপোলে উদ্ধার ৭০ লক্ষের সোনার বিস্কুট,গ্রেপ্তার সাবিনা মন্ডল

sabinaগত ৫ই অক্টোবর,বৃহস্পতিবার সকালে পেট্রাপোল সীমান্তের চেকপোস্টে  সোনার বিস্কুটসহ এক মহিলাকে গ্রেপ্তার করলো বিএসএফ-এর ৬৪ নম্বর ব্যাটেলিয়নের জওয়ানরা। ধৃতের নাম সাবিনা মন্ডল। সে বাংলাদেশ থেকে সোনার বিস্কুটগুলি নিয়ে এসে বনগাঁয় দিতে যাচ্ছিলো। সেই সময় জওয়ানরা তাকে আটক করে  >>

রোহিঙ্গাদের জন্যে ত্রাণ পাঠাচ্ছে এই রাজ্যের মুসলিম সংগঠনগুলি

reliefমায়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিমদের জন্যে লাগাতার ত্রাণ পাঠাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন মুসলিম সংগঠন। এর জন্যে তারা পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা সদরগুলিতে পথসভা এবং আলোচনার আয়োজন করে অর্থ  সংগ্রহ শুরু করেছে। জমিয়তে উলামায়ে-ই-হিন্দ,ত্বহা সিদ্দিকীর ‘মোজ্জাদ্দিয়া অনাথ ফাউন্ডেশন’ থেকে শুরু করে সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশন  নেমে পড়েছে। শুধু এরা নয়, ট্রেন সংগ্রহে নেমে পড়েছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলারজামাতে ইসলামীর শাখা সংগঠন >>