দাদা মিথ্যা কেসে জেল খাটছে। বোনের বিয়েতে সাহায্যর হাত বাড়িয়ে দিলো হিন্দু সংহতি

4দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বাসন্তী থানার ৯ নং কুমড়াখালী গ্রামের দেবদাস সাঁফুই। বাড়ির বড়ো ছেলে হওয়ার জন্যে সংসারের অনেক দায়িত্ব ছিলো দেবদাসের উপর। ভাই এবং ছোট বোন পড়াশুনো করতো। তাদের বই এবং টিউশন মাস্টারের টাকা সহ সংসার চালানোর জন্যে অনেক কষ্ট করতে হতো দেবদাসকে। গ্রামে তেমন কাজ না থাকার জন্য কেরালাতে যোগাড়ের কাজে যেতে হতো তাকে। কষ্ট করে সংসার চালাতে হলেও তাদের সংসার ছিলো সুখের সংসার। বাবা, মা, ভাই, বোন আর দেবদাস এই পাঁচ জনের সুখের সংসার। কিন্তু এই সুখ স্থায়ী হলোনা। কেরালায় কাজ করে ২০১৭ দূর্গা পুজোর সময় বাড়িতে আসে দেবদাস। ইচ্ছা ছিলো পরিবারের সকলকে সাথে পূজা কাটাবে। দুর্ভাগ্য তার সেই ইচ্ছা পূরণ হলো না।5

গত ২০১৭ দূর্গা পুজোর অষ্ঠমীর রাতে (আনুমানিক রাট ১.৩০) ৯নং কুমড়াখালী গ্রামে সমীর সেখ (৫৫) ও তার স্ত্রীকে (৪৩) রাতের অন্ধকরে কে বা কারা গুলি করে চলে যায়। তাতে নাম জড়ায় দেবদাস সহ আরো ১০ জন হিন্দুছেলের। কারণ এরা ওই এলাকাতে #হিন্দু_সংহতি করতো, এরা হিন্দু সমাজের নেতৃত্ব দিতো, এরা জেহাদিদের হাত থেকে হিন্দুদের বাঁচাতো। এটা মেনেনিতে পারেনি ওই এলাকার মুসলিম নেতৃত্বরা। তাই প্ল্যান করে #হিন্দু_সংহতি -র নেতৃত্বাধীন ছেলেদের ফাসাঁনো হয় সেই কেসে। মোট ১১ জন হিন্দুর নামে কেস হয় বাসন্তী থানায়। সেই কেসের ভিত্তিতে ৪ (4) জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের আলিপুর কোর্টে বিচার চলছে। তাদের পরিবার এবং কেসের দায়িত্ব নিয়েছে হিন্দু সংহতি।

গত  ২৮/০৪/২০১৯ দেবদাসের বোনের বিয়ে ছিলো। সেই বিয়েতে হিন্দু সংহতি বারুইপুর_জেলা কমিটি পক্ষথেকে ১০,০০০ টাকা তুলে দেওয়া হয় দেবদাসের মায়ের হাতে।

হিন্দু সংহতির পক্ষথেকে উপস্থিত ছিলেন স্বপন মন্ডল (সভাপতি হিন্দু সংহতি বারুইপুর জেলা ) শ্যামল মন্ডল, নিমাই হালদার, মিলন ওঝা, অরুন মন্ডল, সোনা নস্কর, তন্ময় সহ আরও অনেকে।

 

শ্রী রামের নামে ফেসবুকে অশ্লীল মন্তব্য, FIR দায়ের করলো হিন্দু সংহতি

Afjalআসামের এক মুসলিম যুবক ভগবান শ্রী রাম সম্পর্কে অশ্লীল ভাষায় পোস্ট করে। তাঁর অবিলম্বে গ্রেপ্তারির দাবিতে গত ২৪শে এপ্রিল, বুধবার কাছাড় জেলার অন্তর্গত শিলচর সদর থানায় FIR দায়ের করা হলো হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে। অভিযোগ দায়ের করেছেন হিন্দু সংহতির কর্মী বিজয়ন নাথ। আসামের হিন্দু সংহতির প্রতিনিধি সূত্রে  জানা গিয়েছে, ওই মুসলিম যুবকের নাম আফজল চৌধুরী। তাঁর বাড়ি করিমগঞ্জে হলেও বর্তমানে সে গুয়াহাটির রাজগড় রোডের চান্দমারী এলাকায় থাকে। হিন্দু সংহতির কর্মীর দায়ের করা অভিযোগে বলা হয়েছে যে, আফজল চৌধুরীর পোস্টের মাধ্যমে হিন্দুদের ধর্মীয় অনুভূতি আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে  এবং এই পোস্টের ফলে সমাজে হিংসা ছড়িয়ে পড়তে পারে। ফলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পুলিস সেই অভিযোগ ইতিমধ্যে  গ্রহণ করেছে এবং ওই মুসলিম যুবকের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ২৯৪, ১৫৩(A ) এবং ৬৬(A) ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত করছে। তবে এখনও পর্যন্ত গ্রেপ্তারির কোনো খবর পাওয়া যায়নি। এ প্রসঙ্গে হিন্দু সংহতির শিলচর শহর কমিটির সভাপতি সায়ন পাল বলেন, পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে অভিযুক্তকে অবিলম্বর গ্রেপ্তার করা উচিত।

মুসলিম প্রেমিকের হুমকিতে বিয়ের রাতেই আত্মঘাতী হলেন ডায়মন্ড হারবারের হিন্দু তরুণী

priyanka pramanikসবেমাত্র সাত পাকে বাঁধা পড়েছেন নবদম্পতি। হঠাৎ বিয়ের মণ্ডপে হাজির তরুণী পাত্রীর পুরনো প্রেমিক। পাত্রের কপালে রিভলভার ঠেসে ধরে সে হুমকি দিয়ে যায়, ‘‘সকাল ৭টার মধ্যে আমার প্রিয়াকে আমার কাছে পাঠিয়ে দিবি। না হলে সব ক’টাকে খুন করে ফেলব!’’ সেটা যে স্রেফ ফাঁকা হুমকি ছিল না, তা টের পেয়েছিলেন পরিবারের লোকজন। রাতভর মোটর বাইক নিয়ে এলাকায় চক্কর কাটে প্রেমিক।
পিছনের দরজা দিয়ে মঙ্গলবার রাতেই এলাকা ছাড়েন সদ্য বিবাহিত দম্পতি প্রিয়াঙ্কা (১৮) এবং সোমনাথ প্রামাণিক। আশ্রয় নেন এক আত্মীয়ের বাড়িতে। শনিবার সকালে সেখানেই ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় প্রিয়াঙ্কার।
পরিবারের দাবি, রাতে টেলিফোনে বিষয়টি বার বার জানানো হয়েছিল পুলিশকে। কিন্তু তারা গুরুত্ব দেয়নি। অভিযোগ মানছে না পুলিশ। তাদের কাছে কোনও খবর ছিল না বলেই দাবি পুলিশ কর্তাদের। লিখিত অভিযোগ এলে তদন্ত করে দেখার আশ্বাস মিলেছে। আপাতত অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু হয়েছে।
প্রিয়াঙ্কার বাড়ি কুলতলির পশ্চিম ছাটুইপাড়ায়। এ বছরই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিলেন তরুণী। তাঁর পরিবার সূত্রের খবর, বছর দু’য়েক আগে রায়দিঘিতে বেড়াতে গিয়ে তাঁর আলাপ হয়েছিল ফইজ্জুল মোল্লা নামে এক যুবকের সঙ্গে। ফইজ্জুল অবশ্য নিজের নাম বলেছিল রাজু দাস। দু’জনের মেলামেশা শুরু হয়।
কিছু দিন পরে প্রিয়াঙ্কা জানতে পারেন, মিথ্যা পরিচয় দিয়েছিল রাজু। যোগাযোগ কমিয়ে আনেন তরুণী। বাড়িতেও বিষয়টি জানাজানি হয়। বিয়ের ঠিক হয় তাঁর। পাত্র, জয়নগরের দক্ষিণ বারাসতের রামচন্দ্রপুর গ্রামের যুবক সোমনাথ। বুধবার রাতে মেয়েকে রামচন্দ্রপুর গ্রামে নিয়ে গিয়ে বিয়ে দেন প্রিয়াঙ্কার পরিজনেরা। পুলিশকে তাঁরা জানিয়েছেন, বিয়ের অনুষ্ঠান সবে মিটেছে, অতিথি অভ্যাগতেরা তখনও অনেকেই হাজির। ফইজ্জুল্লা তার বন্ধু পলাশকে নিয়ে হাজির হয়। বাইক থেকে নেমে দু’জনে ঢুকে পড়ে বিয়ে আসরে। সেখানেই ফইজ্জুল্লা সোমনাথের কপালে রিভলভার ঠেকিয়ে হুমকি দেয়। বলে, প্রেমিকাকে সকাল ৭টার মধ্যে যেন তার বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। না হলে সকলকে খুন করবে সে। মোবাইলে তোলা প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে বেশ কিছু ছবিও দেখায় সে সোমনাথকে।
পেশায় সেনাকর্মী সোমনাথ এই পরিস্থিতিতে কিছুটা ঘাবড়েই যান। তবে স্ত্রীর সম্মানের কথা ভেবে ঘটনাটা পাঁচকান করেননি। সোমনাথ জানান, বাইক নিয়ে দু’টি ছেলে বাড়ির আশেপাশে ঘোরাঘুরি করছিল। এই পরিস্থিতিতে বাড়ি ছাড়ার কথা ভাবেন নবদম্পতি। বাড়ির পিছনের দরজা দিয়ে পাঁচিল টপকে দু’জনে বেরিয়ে পড়েন। ডায়মন্ড হারবারের কালীনগরে এক আত্মীয়ের বাড়িতে ওঠেন। সোমনাথের কথায়, ‘‘গোটা বিষয়টা ফোনে পরিবারের লোকজনকে জানাই। প্রিয়াঙ্কার বাড়ির লোককেও বলি। স্ত্রীকে বলে আসি, পুরনো ব্যাপারটা মিটিয়ে ফেল। আমি খুব তাড়াতাড়ি এসে তোমাকে নিয়ে যাব।’’ প্রিয়াঙ্কার দাদা শুভজিৎ ছাটুই জানান, বুধবার ভোরে শ্বশুরবাড়ি থেকে আসার পরে মনমরা হয়েছিল বোন। দুর্ঘটনা ঘটার ভয়ে সকলে নজরেও রেখেছিলেন। কিন্তু শনিবার শেষরক্ষা হল না। হঠাৎ ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন প্রিয়াঙ্কা। বাড়ির লোক বাইরে থেকে চিৎকার করলেও দরজা খোলেননি তরুণী। দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে সকলে দেখেন, ততক্ষণে গলায় ওড়নার ফাঁস দিয়ে ঝুলে পড়েছেন তিনি।

শিয়ালদহ স্টেশনে গ্রেপ্তার মালদহের জালনোট পাচারকারী সাহাবুল শেখ

কলকাতা শহর থেকে ফের উদ্ধার হলো জালনোট। এবার শহরের ব্যস্ততম শিয়ালদহ স্টেশন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে সাহাবুল শেখ নামে মালদহের এক জালনোটের পাচারকারীকে। গত ১৮ই এপ্রিল, বৃহস্পতিবার রাতে তাকে শিয়ালদহ স্টেশন থেকে গ্রেপ্তার করে কলকাতা পুলিসের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স। এসটিএফ সূত্রের খবর, মালদহ থেকে জাল নোট নিয়ে এসে কলকাতায় এক এজেন্টের কাছে তা পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল সাহাবুলের। সে কোন ট্রেনে করে শিয়ালদহে আসছে, সেই তথ্য গোপন সূত্রে জানতে পারে এসটিএফ। তারপরেই নজরদারি বাড়ায় এসটিএফ। রাতেই ট্রেন থেকে নামতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর ব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে আড়াই লক্ষ টাকার জালনোট উদ্ধার করে এসটিএফ-এর অফিসাররা। উদ্ধার হওয়া টাকার সবটাই দু’হাজার টাকার নোটের। ধৃতকে প্রাথমিক জেরায় জানা গিয়েছে, বিভিন্ন এজেন্টের মাধ্যমে কলকাতায় জালনোট ছড়ানো হতো। এর আগেও সাহাবুল কলকাতায় এসে জালনোট দিয়ে গিয়েছে। আরও তথ্য জানার জন্যে তাকে জেরা করছেন এসটিএফ-এর অফিসাররা।

বাংলাদেশের বালিয়াকান্দিতে কালী মন্দির ভাঙচুর দুষ্কৃতীদের

baliakandi.jpgবাংলদেশের রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের তুলশীবরাট গ্রামে শ্মশান কালীমন্দিরের দুটি প্রতিমা ভেঙে দিয়েছে দুষ্কৃতীরা। গত ২৬শে মার্চ, মঙ্গলবার রাতের কোনো এক সময় এ ঘটনা ঘটে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে বালিয়াকান্দি থানার পুলিশ  বুধবার ঘটনাস্থল ঘুরে দেখে।

জানা গিয়েছে , মন্দিরের আশপাশে কোনো বাড়ি নেই। একটি পুকুর পাড়ে খোলা মাঠে মন্দিরটি অবস্থিত। অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীরা রাতের অন্ধকারে মন্দিরের ভেতরে প্রবেশ করে কালী প্রতিমার মাথা পুরোটা এবং মহাদেবের হাতের কিছু অংশ ভেঙে দিয়েছে।

মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক অজিত কুমার জানান, সাত বছর আগে মন্দিরটি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিবছর ৩০ চৈত্র এ মন্দিরে বার্ষিক পূজা অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়াও প্রতি মঙ্গলবার স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ এখানে পূজা অর্চনা করে থাকেন। টিন ও বাঁশ দিয়ে তৈরি মন্দিরটি অনেকটাই অরক্ষিত। মঙ্গলবার বিকেলে স্থানীয় মন্টু পূজা করে বাঁশের দরজা সুতলি দিয়ে বেঁধে রেখে যান। বুধবার সকালে মন্দির কমিটির সভাপতি নেপাল রাজ মন্দিরে প্রণাম করতে গেলে প্রতিমা ভাঙা দেখতে পান। পরে বিষয়টি তিনি উপজেলা প্রশাসন ও বালিয়াকান্দি থানায় জানিয়েছেন ।

বালিয়াকান্দি থানার ওসি আজমল হুদা জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মন্দিরের দুটি প্রতিমা ভাঙার সত্যতা পাওয়া গেছে। কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। এ ব্যাপারে তিনি নিজে একটি জিডি করেছেন। ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনো দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিস।

স্বামী মুসলিম, জানতে পেরে আত্মহত্যা করলেন আসামের হিন্দু তরুণী

লাভ জিহাদের শিকার হওয়া আসামের তেজপুরের এক হিন্দু তরুণী আত্মহত্যার পথ বেছে নিলো। গত ১৫ই মার্চ, আসামের তেজপুরের আমবাগান এলাকার বাসিন্দা হিন্দু তরুণী পূজা মন্ডল আত্মহত্যা করে। পরে পুলিস এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে। পাশাপাশি একটি সুইসাইড নোটও উদ্ধার করে পুলিস। সেই সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক মাস আগে পূজা মন্ডল তাঁর বাড়ি থেকে পালিয়ে এসে রাজ বরাকে বিয়ে করে। তারপর তারা আমবাগান এলাকায় বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করে। কিন্তু কয়েকদিন আগেই পূজা তাঁর স্বামীর পরিচয় জানতে পারে। সে জানতে পারে যে তাঁর স্বামী রাজ বরার  আসল নাম রেইজুল আহমেদ এবং সে মুসলিম । এটা জানার পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে পূজা। তারপর অপমানে আত্মহত্যা করে পূজা, এমনটাই সন্দেহ করছে পুলিস। তারপরেই রেইজুল বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। রেইজুলের দুটি ফোন নম্বরও দিয়েছে পূজা। কিন্তু রেইজুল দু’বার ফোন ধরলেও,বর্তমানে তাঁর ফোন বন্ধ রয়েছে এবং তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না, এমনটাই জানিয়েছে পুলিস। এমতবস্থায় পুলিস পূজার মৃতদেহ হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ময়নাতদন্ত করায়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত পূজার পরিবারের কারওর খোঁজ পায়নি পুলিস। সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেওয়া সত্বেও পূজার পরিবারের কেউ তাঁর মৃতদেহ এখনো  আসেনি।তাই পূজার মৃতদেহ এখনও হাসপাতালের মর্গেই পড়ে আছে।  তবে পুলিস রেইজুলকে গ্রেপ্তার করার জোরদার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

হিন্দু ধর্মে ফেরার পর সুমাইয়া এখন রাত্রি

IMG_20190228_075243হিন্দু সংহতির সহায়তায় পূর্বপুরুষের সনাতন হিন্দু ধর্মে ফিরলেন সুমাইয়া। তার নাম এখন রাত্রি। হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে তাকে সবরকম সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে। রাত্রির মতো যারা পূর্বপুরুষের সনাতন ধর্মে ফিরতে চাইবে, তাদের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দিন যে, #হিন্দু_সংহতি তাদের পাশে থাকবে।
সেইসঙ্গে সবার কাছে আবেদন যে আপনারা এই কাজে হিন্দু সংহতিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন।
হিন্দু সংহতি-হিন্দুর সাথে, হিন্দুর পাশে।

সর্বস্ব পুড়ে যাওয়া আদিবাসীদের সাহায্য হিন্দু সংহতির

গত ৭ই ফেব্রূয়ারি নদীয়া জেলার পলাশীপাড়া থানার অন্তর্গত বার্ণিয়া গ্রামের সর্দার পাড়ায় আগুন লাগে।  সেই আগুনে আদিবাসীদের ৫টি বাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। বাড়ির মধ্যে থাকা বাসনপত্র, পরনের কাপড় কিছুই বাঁচানো যায়নি আগুনের গ্রাস থেকে। সেই আগুনের গ্রাসে নিঃস্ব হয়ে পড়া আদিবাসীদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলো হিন্দু সংহতি। গতকাল ২৬শে ফেব্রূয়ারি বার্ণিয়া গ্রামে একটি ঘরোয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সর্বস্ব হারানো ৫টি আদিবাসী পরিবারের হাতে রান্নার বাসনপত্র এবং কিছু অর্থ সাহায্য তুলে দেওয়া হয় হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির সহ সভাপতি শ্রী সমীর গুহরায় এবং শ্রী অভিষেক ব্যানার্জি। এছাড়াও স্থানীয় হিন্দু সংহতির প্রমুখ কর্মী শ্রীমতি রাখী সরকার এবং রূপচাঁদ সরকার এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

বালুরঘাটে মিষ্টি বিতরণ হিন্দু সংহতির

ভারতীয় বায়ুসেনা পুলওয়ামা হামলার বদলা নিয়েছে। বায়ু সেনার বোমাবর্ষণ ৩০০জনের বেশি জঙ্গি মারা গিয়েছে। আর সেই খুশিতে দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট শহরে মিষ্টি বিতরণ করলো হিন্দু সংহতি কর্মীরা। শহরের বালুরঘাট থানার সামনে শ্রী রজত রায়-এর নেতৃত্বে হিন্দু সংহতি কর্মীরা পথ চলতি মানুষকে মিষ্টিমুখ করায়। সেই সঙ্গে হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে ভারতীয় বায়ু সেনাকে অভিনন্দন জানানো হয়।

ভিটে-মাটি থেকে উচ্ছেদ হওয়া রিয়াং হিন্দুদের ঘরে ফেরালো হিন্দু সংহতি

গত ১৮ই ফেব্রূয়ারি  আসামের কাছাড় জেলার ভুবনখালের উপজাতি হিন্দু রিয়াংদেরকে ভিটে ছাড়তে হয়েছিল খ্রিস্টান মার উপজাতির আক্রমণের মুখে পড়ে, কারণ রিয়াং হিন্দুরা খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত হতে চায়নি। তারপরেই তাদের জিরিঘাট এলাকায় আশ্রয়, খাদ্যের ব্যবস্থা করেছিল হিন্দু সংহতির বরাক ভ্যালি ইউনিট। সেইসঙ্গে প্রশাসনের কাছে উচ্ছেদ হওয়া রিয়াংদের পুনর্বাসনের দাবি জানানো হয়েছিল হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে। সেই মতো আজ হিন্দু সংহতির কর্মীরা এবং স্থানীয় থানার পুলিসকর্মীরা রিয়াংদেরকে তাদের বাড়িতে ফিরিয়ে দেন। সেইসঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন রিয়াংদের নিরাপত্তার সমূহ দায়িত্ব নিয়েছে।
হিন্দু সংহতির উদ্ধারবন্দ শাখার সদস্যরা অনেকটা পাহাড়ি পথ পেরিয়ে রিয়াং হিন্দুদের তাদের নিজের বাড়িতে পৌঁছে দেন। উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির বরাক ভ্যালি ইউনিটের সভাপতি শ্রী সম্রাট দত্ত।

পাকিস্তানে ঢুকে হামলা চালালো বায়ুসেনা, গুঁড়িয়ে দিলো জঙ্গিঘাঁটি, মৃত ২০০-এর বেশি জঙ্গি

পুলওয়ামা হামলার বদলা নিল ভারত। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ঢুকে জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করল ভারতীয় বায়ুসেনার বিমান। গতকাল রাত সাড়ে ৩টে নাগাদ নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে ১২টি মিরাজ যুদ্ধবিমান হামলা চালায়। পাক জঙ্গি ঘাঁটি লক্ষ্য করে ১০০০ কেজি বোমাবর্ষণ করা হয় বলে সূত্রের খবর। জানা গিয়েছে, বালাকোট সেক্টর থেকে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ঢুকে পড়ে ভারতীয় বায়ুসেনার যুদ্ধবিমানগুলি। জয়েশ জঙ্গিঘাঁটি লক্ষ্য করে লেজার গাইডেড হামলা করা হয়। এর ফলে লক্ষ্যবস্তুতে নিঁখুতভাবে হামলা চালানো সম্ভব। শোনা যাচ্ছে হামলার জেরে পাকিস্তানের দুটি যুদ্ধবিমানও ধ্বংস করা হয়েছে। বায়ুসেনা সূত্রে খবর বালাকোট, চাকোতি এবং মুজফ্ফরাবাদে জয়েশ জঙ্গিদের তিনটি লঞ্চপ্যাড গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ১২টি যুদ্ধবিমান এই অভিযানে অংশ নেয়। সীমান্ত পেরিয়ে ৮০ কিমি ভিতরে ঢুকে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে হামলা চালানো হয়। ধ্বংস করে দেওয়া হয় একাধিক জঙ্গি ঘাঁটি। ঘটনায় প্রায় ২০০ জন জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অতর্কিত এই সফল অভিযান চালিয়ে ১২টি যুদ্ধবিমানই ভারতের আদমপুর বায়ুসেনাঘাঁটিতে ফিরে আসে।

কালের কণ্ঠ-এর সাংবাদিক ছোটন কান্তি নাথের বাড়িতে হামলা দুষ্কৃতীদের, চললো গুলি

kaler konthoবাংলাদেশের প্রথম শ্রেণীর সংবাদপত্র কালের কণ্ঠ-এর হিন্দু সাংবাদিক শ্রী ছোটন কান্তি নাথকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালালো একদল দুষ্কৃতী। এমনকি তাঁর বাড়ি লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলিও চালায় দুষ্কৃতীরা।  জানা গিয়েছে, গতকাল ২৫শে ফেব্রূয়ারি ভোররাতে ছোটোনা নাথের কক্সবাজারের চকরিয়ার বাড়িতে বাইকে চেপে আসে একদল দুষ্কৃতীরা। তারা বাড়ির দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করে। না পেরে, বাড়ির জানালা লক্ষ করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। তারপরে বাড়ির লোকেরা জেগে উঠলে পালিয়ে যায়। পরে ছোটনবাবু পুলিসে খবর দেন।  পুলিস এসে ঘটনার তদন্ত করে। তবে এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিস।

আল্লাহু আকবর’ ধ্বনি দিয়ে শ্মশানের কালী মন্দির ভাঙা হলো দিনাজপুরের বোচাগঞ্জে

বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার অন্তর্গত বোচাগঞ্জ উপজেলার সহসপুর চৌরঙ্গী বাজারে নিকটবর্তী শশ্মানে আনুমানিক গত ২৪শে ফেব্রূয়ারি,  বিকেল ৫ ঘটিকায় নবনির্মিত কালী মন্দির ও শশ্মানে জায়গা দানকারী স্বর্গীয় কেশব চন্দ্র রায় বাবুর সমাধিস্থল ভাংচুর করে একই গ্রামের মোঃ আবদুল্লাহ (বাচ্চু মিয়া)ও সহসপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুল আলম বাবুর নেত্রীত্বে আনুমানিক দুই শতাধিক মুসলিম দুষ্কৃতি।

সনকাই ও  মহাশ্মশান কালী মন্দিরের সভাপতি ভারত চন্দ্র রায় বলেন  সহসপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বাবুর নেতৃত্বে  দুষ্কৃতিকারীরা প্রথমে শ্মশানের সাইনবোর্ড ভেঙ্গে ফেলার পর নবনির্মিত কালী মন্দিরের ঘরটি ভাঙচুরের পর অতর্কিত ভাবে জনসাধারণের দিকে ইট পাটকেল ছুঁড়ে মারে।  এতে ঘটনাস্থলেই একই এলাকার গন্ডিরাম রায় পিতা ঝটুরাম রায়,শ্যামল রায়,মজেন রায়,হরিপদ রায়,নেতীশ চন্দ্র রায় সহ আরও দুই জন গুরুতর ভাবে আহত হয়েছেন।আহতদের মধ্যে গন্ডিরাম রায়কে দিনাজপুর আব্দুর রহিম  মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বাকিদের সেতাবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যাওয়া হয়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য ননীগোপাল রায় বলেন ঘটনাস্থলে আমি শান্তশিষ্ট রাখার সর্বাত্মক চেষ্টা করেছি কিন্তু ভাংচুরকারীরা কোন কথাই শুনেনি।
নবনির্মিত মন্দির ও সমাধিস্থল ভাংচুর শেষে ভাংচুরকারীরা চৌরঙ্গী বাজারের আল্লাহু হু আকবর,ধর ধর মালাউনরে ধর চিৎকার করে হিন্দু দোকান ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান হামলা চালায়। বেশ কয়েকটি দোকানে ভাঙচুর  লুঠপাট চালায় মুসলিম দুষ্কৃতীরা।
এই ঘটনার বিষয়ে বোচাগঞ্জ থানার আব্দুর রৌফ মন্ডলকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা শোনামাত্র ঘটনাস্থলে দ্রুত ফৌজ পাঠিয়ে দিয়েছি এবং গতকাল রাত্রেই মুল আসামিকে দিনাজপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মামলার প্রস্তুতি চলছে।

মালদহের ইংলিশবাজারের কালীমন্দিরে প্রণামীর টাকাসহ অলংকার চুরি, অধরা দুষ্কৃতীরা

inglishbazarপশ্চিমবঙ্গের জেলায় জেলায় একের পর এক মন্দিরে চুরি হয়ে চলেছে। চোরেরা প্রত্যেকটি মন্দিরের অলংকার থেকে শুরু করে পূজার যাবতীয় জিনিস চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। এবার চুরি হলো মালদার কালীমন্দিরে। গত ১৯শে জানুয়ারী, শুক্রবার রাতে  মালদহের ইংলিশবাজারের হায়দরপুরের একটি ক্লাবের কালীমন্দিরে  চুরির ঘটনা ঘটলো । শনিবার সকালে স্থানীয়রা মন্দিরের ভাঙা লোহার গেট দেখে চুরির বিষয়টি বুঝতে পারে। তারপরেই হইচই পড়ে যায়। ক্লাব সূত্রে জানা গিয়েছে, দেবীপ্রতিমার গায়ে থাকা যাবতীয় অলঙ্কার, বাসনপত্র ও প্রণামীর টাকা দুষ্কৃতীরা নিয়ে চলে গিয়েছে। সবমিলিয়ে লক্ষাধিক টাকার চুরি হয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি। ঘটনার খবর পেয়ে পরে পুলিস আসে। শহরের মধ্যে এধরনের চুরি নিয়ে বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। বাসিন্দাদের দাবি, সম্প্রতি শহরে একাধিক মন্দিরে চুরির ঘটনা ঘটেছে। ইংলিশবাজার থানার আইসি পূর্ণেন্দু কুণ্ডু বলেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে চুরির সঙ্গে জড়িত কাউকে এখনো পর্যন্ত গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিস।