পশ্চিমবঙ্গের জনবিন্যাস পরিবর্তনের চক্রান্তের বিরুদ্ধে রাজ্যব্যাপী আন্দোলনে হিন্দু সংহতি

movement2১৯৫১ সালের জনগণনায় পশ্চিমবঙ্গে মুসলমান জনসংখ্যা ছিল ১৯.৮৫% আর ১৯৮১র জনগণনায় তা বেড়ে দাঁড়ায় ২১.৫১%| অর্থাৎ ৫১ থেকে ৮১ – এই ত্রিশ বছরে মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির পরিমাণ ১.৬৬%| কিন্তু ১৯৮১ থেকে পরবর্তী ত্রিশ বছরে পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ৫.৫% অর্থাৎ পূর্ববর্তী ত্রিশ বছরের তুলনায় তিনগুনেরও বেশী! কোনো একটি পত্রিকায় দেখলাম ত্বহা সিদ্দিকি দাবী করছেন জনসংখ্যার ভিত্তিতে নির্বাচনে মুসলমানদের জন্য আসন সংরক্ষণ করতে হবে| স্পষ্ট ইঙ্গিত – সেক্যুলারিজম হল মুসলমানের চোখে চোষা আমের আঁটির সমান| ৩৫% এ ধর্মের ভিত্তিতে আসন সংরক্ষণ| তারপরেই সরকারের মাথায় একজন সোরাবর্দী| তারপরেই হিন্দুর ঝাড়খন্ড কিংবা উড়ষ্যায় ঠাঁই খোঁজার পালা| এ যেন ৪৬-৪৭এর ইতিহাসের কপিপেস্ট হচ্ছে! আমাদের লড়াই ইতিহাসের চাকা বিপরীত দিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার লড়াই| এই আরব সাম্রাজ্যবাদের রণকৌশল হল ডেমোগ্রাফির পরিবর্তন ঘটিয়ে নিঃশব্দে গ্রেটার বাংলাদেশের বাস্তবায়ন|

বাংলাকে এই আরব সাম্রাজ্যবাদের গভীর ষড়যন্ত্রের হাত থেকে মুক্ত করতে হলে #জনসংখ্যা_নিয়ন্ত্রণ_আইন কঠোরভাবে লাগু করতে হবে| যারা আইন ভাঙবে, তাদেরকে সমস্ত সরকারী সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত করতে হবে, তাদের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে হবে, প্রয়োজনে তাদের শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে|

দ্বিতীয়ত, #নাগরিকত্ব_সংশোধন_আইন এনে বাংলাদেশ থেকে আগত অত্যাচারিত হিন্দুদেরকে বৈধ এবং সম্মানজনকভাবে ভারতে বসবাস করার অধিকার প্রদান করতে হবে|

তৃতীয়ত, পশ্চিমবঙ্গে বসবাসকারী বিদেশী, অবৈধ #অনুপ্রবেশকারীদের_চিহ্নিতকরণ_এবং_বিতাড়ন এর ব্যবস্থা করতে হবে|

এই কাজ করার দায়িত্ব সরকারের, কিন্তু আমাদের দায়িত্ব প্রবল সামাজিক চাপ সৃষ্টি করে সরকারকে এই কাজ করতে বাধ্য করা| এরজন্য পশ্চিমবঙ্গে দরকার একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক গণআন্দোলনের| আমরা রাজনৈতিক দল এবং নেতানেত্রীদের কাছে আমাদের ভাগ্যকে লীজ্ দিয়ে নিশ্চিন্ত হয়ে বসে থাকলে চলবে না| একটি প্রবল অরাজনৈতিক গণআন্দোলন সরকারকে (এই সরকার যে দলেরই হোক না কেন) বাধ্য করবে আমাদের দাবী মেনে নিতে| আসুন এবারে রাস্তায় দেখা হোক।

Advertisements

বাংলাদেশের মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলায় মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুর

madaripurমাদারীপুরের রাজৈর উপজেলায় একটি মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। দুষ্কৃতীরা মন্দিরের প্রতিমা ভেঙে বাইরে ফেলে দিয়ে যায়।
রাজৈর থানার ওসি জিয়াউল মোর্শেদ জানান, বাজিতপুর ঘোষপাড়া সর্বজনীন মন্দিরে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এই ভাংচুর হয় বলে তারা অভিযোগ পেয়েছেন।
মন্দির কমিটির সভাপতি দীনবন্ধু ঘোষ অভিযোগ করেন, “রাতের আঁধারে আমাদের মন্দিরের রাধাকৃষ্ণ প্রতিমাটি দুর্বৃত্তরা ভেঙে ফেলেছে। সকালে পূজা দিতে গিয়ে বিষয়টি আমাদের নজরে আসে।”
স্থানীয় বাসিন্দা বাবুল ঘোষ বলেন, “নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর এমন একটি ঘটনা ঘটায় আমরা নিরাপত্তাহীনতা বোধ করছি। হিন্দু সম্প্রদায়ের ভেতরে আতঙ্ক কাজ করছে।”

সদাইপুর আপডেট : সরানো হলো ওসি আব্দুর রব খান-কে

গত ৭ই নভেম্বর বীরভূম জেলার সদাইপুর থানার অন্তর্গত চিনপাই গ্রামের ৬০০ বছরের পুরোনো সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দিরে প্রায় ৮০ ভরি সোনার গয়না  এবং ২০ কেজি রুপোর গয়না চুরি হয়। সেই চুরির ঘটনায় গ্রামবাসীরা সদাইপুর থানার ওসি আব্দুর রব খানের দিকে সন্দেহের আঙ্গুল তুলেছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানিয়ে ৬০নং জাতীয়সড়ক অবরোধ করেছিলেন। সদাইপুর থানার সেই ওসিকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেবার কথা ঘোষণা করলেন বীরভূম জেলার এডিশনাল এসপি সুবিমল রায়। এছাড়াও মন্দিরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ২ জন সিভিক ভলান্টিয়ারকেও সাসপেন্ড করার কথা ঘোষণা করেছেন তিনি। তিনি দোষীদের গ্রেপ্তার করার আশ্বাস দিলেও, এখনো পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিস।

বীরভূমের সদাইপুরের ৬০০ বছরের পুরোনো কালীমন্দিরে চুরি, পুলিশের ভূমিকায় ক্ষোভ, জাতীয়সড়ক অবরোধ স্থানীয় বাসিন্দাদের

গত ৭ই নভেম্বর, বুধবার রাত্রে বীরভূম জেলার সদাইপুর থানার অন্তর্গত চিনাপাই গ্রামের ৬০০ বছরের পুরোনো মা সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দিরে ভয়ানক চুরির  ঘটনা ঘটলো। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দুষ্কৃতীরা মন্দিরের প্রায় ৮০ থেকে ৯০ ভরি সোনার অলংকার এবং কয়েক কেজি রুপোর গয়না নিয়ে পালিয়ে যায়। গ্রামের হিন্দু বাসিন্দারা জানিয়েছেন যে এই মন্দির খুবই জাগ্রত মন্দির। মা সিদ্ধেশ্বরী মন্দিরের কালী মা- কে গ্রামের বাসিন্দারা বড় মা বলে ডাকতেন এবং এই মন্দিরের ঠিক পিছনে প্রায় ১০০ মিটার দূরে আর একটি কালী মন্দির রয়েছে, যা ছোট মায়ের মন্দির নামে পরিচিত। দুটি মন্দিরই প্রায় ৬০০ বছরের পুরোনো এবং প্রতি বছরই  ধুমধাম করে কালী পূজা হতো। এছাড়াও পূজাকে কেন্দ্র করে বড়ো মেলা বসে। কিন্তু ৭ই নভেম্বর, বুধবার রাত্রে সদাইপুর থানার পুলিস ওসি আব্দুর রব খান মন্দিরের সামনে এসে জোর করে সমস্ত লাইট বন্ধ করে দেন এবং ওখানে থাকা সবাইকে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেন। এমনকি প্রতিদিন যে দুজন সিভিক ভলান্টিয়ার মন্দির পাহারা দিতেন,তাদেরকেও সরিয়ে নেন অফিসার।

  পরেরদিন সকালে মন্দিরের সেবাইত এসে দেখেন যে মন্দিরে মায়ের সমস্ত অলংকার চুরি হয়ে গিয়েছে। মুহূর্তের মধ্যে এই ঘটনা আশেপাশের গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে এবং তাঁরা মন্দিরের সামনে জড়ো হন। পরে তাঁরা ন্যাশানাল হাইওয়ে অবরোধ করেন। বিক্ষুব্ধ হিন্দুরা রাস্তার ওপর টায়ার,কাঠ জ্বালিয়ে অবরোধ করতে থাকেন। অবরোধের খবর পেয়ে ওসি আব্দুর রব খান ঘটনাস্থলে এলে স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে আটকে রাখেন এবং দোষীদের গ্রেপ্তার করার দাবি জানাতে থাকেন। অবরোধে অনেক লরি আটকে পড়ে। পরে অন্যান্য এলাকা থেকে বিশাল পুলিশবাহিনী এবং RAF এসে আব্দুর রব খানকে উদ্ধার করে। পরে ডগ স্কোয়াড আসে এবং জেলা সদর থেকে সিআইডি অফিসাররা এসে ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন এবং দোষীদের গ্রেপ্তার করার আশ্বাস দিলে স্থানীয় বাসিন্দারা অবরোধ তুলে নেয়। তবে এখনো পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার না হওয়ায় স্থানীয় হিন্দুরা ক্ষোভে ফুঁসছেন এবং তাঁরা সদাইপুর থানার ওসির বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

মালদহের হবিবপুরে ৮ বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী গ্রেপ্তার

 মালদহ জেলার হবিবপুরের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাঁঠাল বানপুর থেকে আট জন বাংলাদেশিকে গত ৬ই নভেম্বর, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিএসএফ আটক করেছে। ধৃতরা চোরাপথে সীমান্ত পার হয়ে এপারে এসেছিল। সন্দেহজনক ভাবে ঘোরাফেরা করায় বিএসএফ তাদের জেরা করে আটক করে। পরে তাদেরকে হবিবপুর থানার পুলিসের হাতে তুলে দেয়। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতরা বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরের বাসিন্দা। তাদের কাছ থেকে বেশকিছু মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত হয়েছে। হবিবপুর থানার আইসি ত্রিদিব প্রামাণিক বলেন, বিএসএফের ৬০ নম্বর ব্যাটেলিয়ানের জওয়ানরা আট বাংলাদেশিকে আটক পুলিসের হাতে তুলে দিয়েছে। ধৃতদের বুধবার আদালতে তুলে ১৪ দিনের পুলিসি রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। কী উদ্দেশ্যে তারা এদেশে ঢুকেছে তা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

পাকিস্তানে সেনার গোপন তথ্য পাচার,জওয়ান শেখ রিয়াজুদ্দিন গ্রেপ্তার

সেনাবাহিনীর তথ্য পাচার করার অভিযোগে এক বিএসএফ  জওয়ানকে গ্রেপ্তার করা হলো। তাঁর নাম শেখ রিয়াজুদ্দিন। তাঁর বাড়ি মহারাষ্ট্রের লাতুর জেলার রেনপুরা গ্রামে। তাকে গত ৪ঠা নভেম্বর, রবিবার পাঞ্জাবের ফিরোজপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ, ওই জওয়ান সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ার তথ্য,রাস্তার ছবি মির্জা ফয়জল নামে এক আইএসআই এজেন্টকে পাঠিয়েছেন। রিয়াজুদ্দিনের বিরুদ্ধে অফিসিয়াল সিক্রেটস আইন,১৯২৩ এবং জাতীয় সুরক্ষা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ধরা পড়ার পর তার কাছ থেকে দুটি ফোন এবং সাতটি সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে।  তাকে জেরা করে এবং তার  ফোন দুটি পরীক্ষা করে আরো তথ্য জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। আপাতত ধৃত রিয়াজুদ্দিন পুলিস হেফাজতে রয়েছে।

তাজমহল চত্বরে স্থানীয় মুসলিমদের নামাজ বন্ধ করার নির্দেশিকা জারি হলো

tajশুক্রবার ছাড়া  সপ্তাহের অন্য সমস্ত দিনে তাজমহল চত্বরে নামাজ পাঠের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করল ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ (এএসআই)। যা ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। সরকারি এই সংস্থার আধিকারিকরা জানিয়েছেন, গত জুলাই মাসে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া নির্দেশই বলবৎ করেছেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, স্থানীয় মুসলিম বাসিন্দারা ছাড়া শুক্রবার অন্য কেউ তাজমহল চত্বরে নামাজ পড়তে পারবেন না বলে নির্দেশিকা জারি করেছিল স্থানীয় প্রশাসন। সুপ্রিম কোর্টও এই নির্দেশিকা বহাল রাখে। তাজমহলের নিরাপত্তার খাতিরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তারপর থেকে দর্শনার্থীদের জন্য শুক্রবার তাজমহল বন্ধ থাকলেও স্থানীয় মুসলিম বাসিন্দারা তাজমহল সংলগ্ন মাঠে দুপুর দু’টো পর্যন্ত নামাজ পাঠ করতে পারতেন। স্মৃতিসৌধে প্রবেশের জন্য তাঁদের কোনও টিকিটও কাটতে হতো না। কিন্তু গত ৪ঠা নভেম্বর, রবিবারই যে স্থানে নামাজ পড়া হতো,তার গেট বন্ধ করে দেয় এএসআই।  ইমাম সহ অন্যান্যদেরও শুধুমাত্র শুক্রবারই আসতে বলা হয়। তাঁরা নামাজ না পড়ে ফিরে যান। এই প্রসঙ্গে আগ্রা সার্কেলের এএসআইয়ের অধিকর্তা বসন্ত স্বর্ণকার জানান, শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মেনেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। শুধুমাত্র শুক্রবারে স্থানীয় বাসিন্দারা নামাজ পাঠ করতে পারবেন।

জেলায় জেলায় হিন্দু সংহতির বিজয়া সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো

গতকাল ৪ঠা নভেম্বর, রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার অন্তর্গত বাসন্তীতে শতাধিক কর্মীর উপস্থিতিতে হিন্দু সংহতির বিজয়া সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো।  এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য, সম্পাদক শ্রী সুন্দর গোপাল দাস। উপস্থিত সংহতি কর্মী এবং সমর্থকদের উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য মহাশয়।

এছাড়াও গতকাল  ৪ঠা নভেম্বর, রবিবার  শ্যামনগরে ঋষি অরবিন্দ বালিকা বিদ্যালয়ে স্থানীয় হিন্দু সংহতি কর্মীদের উদ্যোগে আয়োজিত হল বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট শ্রী শান্তনু সিংহ, শ্রী দেবপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়, ডাঃ শ্রী অভিষেক ব্যানার্জী, শ্রী শ্যামল বিশ্বাস, শ্রী ধনঞ্জয় কর্মকার, শ্রী শিমূল রায় এর‌ং শ্রী সুজিত মাইতি দাদা । যথাযথ মর্যাদায় ওঁকার ধ্বনিতে অনুষ্ঠান শুরু হয়, অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশাত্মবোধক গান গেয়ে শোনান স্থানীয় কর্মীরা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন দেব চট্টোপাধ্যায়, শান্তনু সিংহ ও অভিষেক ব্যানার্জী। বিজয়া সম্মিলনীর এই অনুষ্ঠানে হিন্দু সংহতির নেতৃত্বে আগত দিনে জিহাদী শক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রতিজ্ঞা গ্রহণ করেন স্থানীয় মানুষ ও সংহতি কর্মীরা। অনুষ্ঠানে স্বাগত জানানো হয় সদ্য সনাতন ধর্মে প্রত্যাবর্তনকারী এক মুসলমান বোনকে। সমবেত ওঁকার ধ্বনি, শান্তি মন্ত্র পাঠ ও মিষ্টিমুখ দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়। 

 এছাড়া গতকাল  উঃ 24পরগনা জেলার অন্তর্গত দেগঙ্গা থানার দেবালয় (বেড়াচাঁপা) গ্রামে বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত  ছিলেন হিন্দু সংহতির সহ সভাপতি শ্রী সমীর গুহরায় , কেন্দ্র কমিটির সদস্য শ্রী সুষেন বিশ্বাস, ও জয়ন্ত সাধুখাঁ, এছাড়া দেগঙ্গা ব্লকের বিশিষ্ট কার্যকত্তা প্রশান্ত পাল । অনুষ্ঠানে উপস্থিত সংহতি কর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন হিন্দু সংহতির সহ সভাপতি শ্রী সমীর গুহরায়।

গঙ্গারামপুরে পুকুরে পাওয়া গেলো বিষ্ণুমূর্তি

bishnuগতকাল ২রা নভেম্বর, শুক্রবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর থানার মিশন মোড় এলাকায় এক ব্যক্তির পুকুর খননের সময় কষ্টিপাথরের একটি বিষ্ণু মূর্তি পাওয়া যায়। পুলিস জানিয়েছে, গঙ্গারামপুর থানার মিশন মোড়ের বাসিন্দা সুবল দাস এদিন তাঁর পুকুর খনন করছিলেন। সেই সময় বিষ্ণু মূর্তিটি পাওয়া যায়। সেটি অক্ষত রয়েছে। বিষ্ণু মূর্তি পাওয়ার খবরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। মূর্তিটিকে দেখার জন্যে স্থানীয় বাসিন্দারা ভিড় করেন। এমনকি মূর্তিকে ঘিরে পুজোও শুরু হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিস গিয়ে সেটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। গঙ্গারামপুর থানার আইসি গৌতম রায় বলেন একটি বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার হয়েছে। মূর্তিটি সংরক্ষণের যথাযথ ব্যবস্থা করা হবে

আসামে ৫ বাঙালি হিন্দু হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ প্রদর্শন হিন্দু সংহতির

আসামের তিনসুকিয়াতে ৫ বাঙালিকে গুলি করে হত্যা করার প্রতিবাদে গতকাল ২রা নভেম্বর, শুক্রবার হিন্দু সংহতির বরাক শাখা উপত্যকার বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ প্রদর্শন করলো। হিন্দু সংহতির কর্মীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে শিলচর শহরে এবং অন্য একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয় উধারবন্দ।  দুটি মিছিলে শতাধিক হিন্দু সংহতি কর্মী হাতে প্লাকার্ড নিয়ে বিক্ষোভ দেখায়। মিছিল থেকে  পরেশ বড়ুয়ার গ্রেপ্তারির দাবিতে শ্লোগান দেয় হিন্দু সংহতি কর্মীরা। দুটি মিছিল শেষেই আলফা জঙ্গিগোষ্ঠীর প্রধান পরেশ বড়ুয়ার কুশপুতুল পোড়ায় হিন্দু সংহতির কর্মীরা।

জেলায় জেলায় অনুষ্ঠিত হলো হিন্দু সংহতির বিজয়া সম্মেলন

আজ হাওড়া জেলার অন্তর্গত উলুবেড়িয়াতে হিন্দু সংহতির ডাকে বিজয়া সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো। এই সম্মেলনে শতাধিক হিন্দু সংহতি কর্মী উপস্থিত হয়েছিলেন। হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য, সহ সভাপতি শ্রী সমীর গুহরায় এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত সংহতি কর্মীদের উদ্দেশ্যে দেবতনু ভট্টাচার্য মহাশয় এবং সমীর গুহরায় মহাশয় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন।

আজ নদীয়া জেলার হরিণঘাটা থানার অন্তর্গত পাগলাতলা গ্রামে আর একটি হিন্দু সংহতির বিজয়া সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো। এই অনুষ্ঠানে শতাধিক হিন্দু সংহতি কর্মী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও এই অনুষ্ঠানে শস্ত্র পূজনও করা হয়। হিন্দু সংহতির সম্পাদক শ্রী সুন্দরগোপাল দাস, প্রমুখ কর্মী শ্রী সুষেন বিশ্বাস এবং নদীয়া জেলার প্রমুখ কর্মী পাঁচুগোপাল মন্ডল এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

আসামের তিনসুকিয়াতে ৫ বাঙালি হিন্দুকে গুলি করে হত্যা করলো আলফা জঙ্গিরা

tinsukiya2গতকাল ১লা নভেম্বর, বৃহস্পতিবার আসামের তিনসুকিয়ার ধোলা থানার অন্তর্গত বিছনিমুখ গ্রামে ৫ বাঙালি হিন্দুকে হত্যা করলো আলফা জঙ্গিরা। গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ এই ঘটনা ঘটে। মৃতরা সকলেই জেলে পরিবারের। জানা গিয়েছে, ঐদিন সন্ধ্যায় ওই কয়েকজনকে বাজার থেকে পাশের নদীর পাড়ে ডেকে  নিয়ে যায় জঙ্গিরা এবং তারপর সারিবদ্ধভাবে বসিয়ে গুলি করে হত্যা করে।নিহতরা হলো শ্যামলাল বিশ্বাস, অনন্ত বিশ্বাস, অবিনাশ বিশ্বাস,সুবল দাস এবং ধনঞ্জয় নমশূদ্র।  এই ঘটনার খবরে সারা আসাম জুড়ে বাঙালি হিন্দুদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। তারা অতীতের কালোদিনগুলিকে স্মরণ করে আতঙ্ক অনুভব করছেন। এই গণহত্যার প্রতিবাদে আসামের বাঙালি ফেডারেশন শুক্রবার ১২ ঘন্টার তিনসুকিয়া বন্ধের ডাক দিয়েছে।  প্রসঙ্গত, দুর্গাপূজার আগেই আলফা পানবাজারের শুক্রেশ্বর ঘাটে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে চার জনকে আহত করেছিল। সেই ঘটনার দায় স্বীকার করে আলফা জানিয়েছিল যে হিন্দু বাঙালিদের বার্তা দিতেই সেই বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছিল।

হিলি সীমান্তের হাঁড়িপুকুরগ্রামে ধুমধাম করে কালীপূজা করেন গ্রামের মুসলিমরাই

দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি সীমান্তে কাঁটাতারের ওপারের ভারতীয় গ্রাম হাঁড়িপুকুরের কালীপুজো ধুমধামের সঙ্গে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ করে থাকেন। মূলত দীর্ঘ ১৫০ বছরের বেশি সময় ধরে এই পুজো গ্রামবাসীরা করে আসছেন। আগে এখানে মূর্তি তৈরি করে পুজো হলেও বর্তমানে ঘটপুজো হয়। সারাবছর মন্দিরের রক্ষাণাবেক্ষণও করেন মুসলিম বাসিন্দারা । কারণ গ্রামে একসময় হিন্দুদের বসবাস থাকলেও বর্তমানে ওই গ্রামে আর একজনও হিন্দু থাকেন না। তাই কোনো এক অজানা টানের কারণে গ্রামের মুসলিমরাই সেই পূজা আজও বাঁচিয়ে রেখেছেন। এমনকি, পুজোর ভোগ নিতে আমন্ত্রণ জানানো হয় প্রতিবেশী বাংলাদেশের বাসিন্দাদেরও। বিএসএফ ও বিজিবির জওয়ানদের কড়া নজরদারিতেই মিলন হয় দুই দেশের বাসিন্দাদের। চাঁদা তোলা থেকে শুরু করে খিচুরি রান্না পুজোর প্রসাদ বিতরণ সবই করেন মুসলিমরা। শুধু রীতি মেনে পুজো করতে কাঁটাতার পেরিয়ে সূদর হিলি থেকে পুরোহিত আনা হয়। এই পুজোকে কেন্দ্র করে আলোর উৎসবেও মেতে উঠে দুই দেশের মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ।
এলাকার বাসিন্দা রসিদ মণ্ডল, আতিয়ার মণ্ডল, নজরুল ইসলামরা বলেন, এই পুজোর কথা আগে বাপ-ঠাকুর্দাদের মুখ থেকে শুনতাম। বর্তমানে আমরা মন্দিরের রক্ষণাবেক্ষণ করছি। দীপাবলির দিনে আমরাই এলাকা আলোকিত করে তুলি। আগে মূর্তি বানিয়ে পুজো করা হলেও এখন ঘটপুজো করা হয়। কারণ কয়েকবছর আগেও মূর্তি পূজা করা হলেও কোনো এক অজানা কারণে মূর্তি পূজা বন্ধ হয়ে গিয়েছে কয়েকবছর।

বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু মূর্তি ‘স্ট্যাচু অফ ইউনিটি’-এর উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

unityগতকাল ৩১শে অক্টোবর, বুধবার গুজরাতের নর্মদা জেলায় সর্দার সরোবর বাঁধের কাছে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ১৮২ মিটার উঁচু মূর্তির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ‘স্ট্যাচু অব ইউনিটি’ বা ঐক্যের প্রতীক এই মূর্তি উচ্চতায় বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে লম্বা। প্রসঙ্গত, আমেরিকার স্ট্যাচু অব লিবার্টি এবং চীনের স্প্রিং টেম্পল বুদ্ধের উচ্চতা যথাক্রমে ৯৭ এবং ১৫৩ মিটার। এদিনের অনুষ্ঠানে বিরোধীদের কটাক্ষ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জাতীয় নায়কদের এই ধরনের মূর্তি তৈরি করে তিনি কোনও অপরাধ করেননি। ২০১৩ সালে গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন এই মূর্তিটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন মোদি। প্রসঙ্গত রেকর্ড ৩৩ মাসের মধ্যে এই সুবিশাল মূর্তিটি তৈরি করতে খরচ হয়েছে ২ হাজার ৯৮৯ কোটি টাকা।

বাসন্তীর চড়াবিদ্যায় হিন্দু সংহতির বিজয়া সম্মেলন

আজ বিকেলে দক্ষিণ 24 পরগনা জেলার অন্তর্গত বাসন্তী থানার চড়াবিদ্যায় হিন্দু সংহতির কর্মীদের আয়োজনে বিজয়া সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো।এই অনুষ্ঠানটি ৯নং কুমড়োখালি মামভাগ্নে স্কুলের মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে ওই অঞ্চলের হিন্দু সংহতি কর্মী-সমর্থকদের যোগদানে পুরো স্কুল মাঠটি ভরে যায়।অনেকেই বসার জায়গা না পাওয়ায় দাঁড়িয়ে থেকে বক্তব্য শোনেন।এছাড়াও এই অনুষ্ঠানে মহিলাদের উপস্থিতি ছিল ব্যাপকহারে।স্থানীয় হিন্দু মা-বোনদের এই অনুষ্ঠান নিয়ে উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো।এই অনুষ্ঠানে উপস্হিত ছিলেন হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য মহাশয়, সহ-সম্পাদক শ্রী সুজিত মাইতি এবং কোষাধ্যক্ষ শ্রী সাগর হালদার এবং প্রমুখ কর্মী শ্রী দীনবন্ধু ঘরামী । অনুষ্ঠানে হিন্দু সংহতির সভাপতি সম্মানীয় দেবতনু ভট্টাচার্য মহাশয়ের বক্তব্য শুনে উপস্থিত হাজারেরও বেশি কর্মী-সমর্থকেরা উচ্ছাসে ফেটে পড়েন ।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য চড়াবিদ্যা অঞ্চলে হিন্দুর মান-সম্মান, মাটি বাঁচানোর লড়াইয়ে হিন্দু সংহতি প্রথম থেকেই এলাকার হিন্দুদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াইয়ের সহযোগী হয়েছে