লাভ-জিহাদের শিকার হয়ে মরতে হলো তফশিলি জাতিভুক্ত নাবালিকা সুমিতা লেটকে

ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের রামপুরহাট থানার অন্তর্গত নিশ্চিন্তপুর এলাকার ৩নং  ওয়ার্ডে। মৃত কিশোরীর নাম সুমিতা লেট। তাকে অপহরণ করে পুড়িয়ে মেরে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তার বাবা ধানু লেট (পেশায় রিকশা চালক) ও মা সন্তোষী লেট। প্রসঙ্গত, এই পরিবারটি তফশিলি জাতিভুক্ত।

চলতি বছরে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল সুমিতার । সেই মতো চলছিল প্রস্তুতি। কিন্তু  চলতি বছরের ১৪ই ফেব্রূয়ারি , বুধবার, সুমিতাকে  রামপুরহাট পুরসভার ২নং ওয়ার্ডের মাদ্রাসা পাড়ার বাসিন্দা শেখ ঝনটু  প্রলোভন দেখিয়ে ফুসলিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে রামপুরহাট থানায় অভিযোগ জানানো হলেও দীর্ঘদিন সুমিতার কোনও খবর পায়নি রামপুরহাটের লেট পরিবার। গত ১লা এপ্রিল, শনিবার সিউড়ি হাসপাতাল থেকে সুমিতার মৃত্যুর খবর আসে। হাসপাতালে গিয়ে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে ধানু লেটের। সেখানে জানতে পারে গত ১৫ ই মার্চ, বৃহস্পতিবার অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় সিউড়ি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল সুমিতাকে । ওই হাসপাতালেই শনিবার মৃত্যু হয় তার।
উল্লেখযোগ্য বিষয় সুমিতা লেটকে যখন হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তখন সায়রা বানু নাম দিয়ে  হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, আর শেখ ঝনটু  নিজের নাম গোপন করে নিজের নাম মনটু  শেখ বলে এবং ঝাড়খন্ডের ঠিকানা দেয়।এখনো অবধি ঝনটু  শেখের কোনো নাগাল পায়নি পুলিস।
Advertisements

স্ত্রী-এর সাথে পরকীয়া, খোকন মোল্লাকে খুন করে শাস্তি দিলো সত্য অধিকারী

বর্ধমান জেলার পূর্বস্থলী-২ ব্লকের মুকসিমপাড়া পঞ্চায়েতের কেশববাটী গ্রামের বাসিন্দা খোকন মোল্লা (২৭) বছর তিনেক ধরে পাটুলি থেকে মহাদেবপুর রুটে অটো চালাতেন। স্থানীয় নানা সূত্রের দাবি, উত্তর শ্রীরামপুরের বাসিন্দা সত্য অধিকারীর স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। তিন ছেলেমেয়েকে নিয়ে বাড়িও ছাড়েন ওই মহিলা। এলাকাবাসীর দাবি, তাঁদের নদিয়ার বেথুয়াডহরিতে একটি ভাড়া বাড়িতে রাখেন খোকন। তার পর থেকেই বছর পঁয়ত্রিশের সত্যর সঙ্গে খোকনের বিবাদ চলছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ন’মাথা মোড়ের আশপাশে সত্য কখনও আখ, কখনও ডাব বিক্রি করে। এ দিন সে রাস্তার পাশে ডাব বিক্রি করছিল। সঙ্গে ছিল ধারাল হাঁসুয়া। এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন অটো চালিয়ে যাতায়াত করতেন খোকন। এ দিন সকাল ৯টা নাগাদ খোকনের অটো যাত্রী নিয়ে ন’মাথার মোড়ে পৌঁছয়। অভিযোগ, তার পরেই সত্য দ্রুত অটোর কাছে গিয়ে কিছু বুঝে ওঠার আগে হাঁসুয়া দিয়ে খোকনের গলায় কোপ মারে। আশপাশের লোকজন দ্রুত খোকনকে কাটোয়া হাসপাতালে নিয়ে গেলেও সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

কাঁকিনাড়ায় রামনবমীর শোভাযাত্রায় হামলা, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ, আহত ৭

ইটপাটকেল এবং বোমা নিয়ে হামলার অভিযোগ রামনবমীর শোভাযাত্রায়। ঘটনায় বেশ কয়েকজন জখম হয়েছে এবং পুলিশের গাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে । ঘটনাটি ঘটেছে ২৫শে মার্চ, সন্ধ্যায় উত্তর ২৪ পরগনার কাঁকিনাড়ার ভাটপাড়া মোড় এলাকায়।
রামনবমী উপলক্ষে রবিবার রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শোভাযাত্রা হয়। উত্তর ২৪পরগনার  কাঁকিনাড়া আর্যসমাজ রোড থেকেও সেরকমই তৃণমূল পরিচালিত শোভাযাত্রা বের হয়েছিল। সেই মিছিল থেকে উত্তেজনা মূলক স্লোগান দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। কাঁকিনাড়া রেলব্রিজ পেরোনোর সময় কিছু লোকজন শোভাযাত্রায় হামলা চালায় বলে অভিযোগ। শোভাযাত্রা লক্ষ্য করে একটি তিনতলা বাড়ি থেকে ইট ছোঁড়া হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। বোমাও ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ।এর ফলে মিছিলের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে  যায়। অপরপ্রান্তে থাকা ভাটপাড়া ফাঁড়ির পুলিশের গাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয়। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয় বলে দাবি পুলিশের।
অভিযোগ, এর পর মিছিলে হামলার পালটা হামলা শুরু হয়। ফলে, উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। চলে বোমাবাজি। ঘটনায় বেশ কয়েকজন জখম হয়েছে। তারমধ্যে এক ব্যক্তিকে চিকিৎসার জন্য ভাটপাড়া স্টেট জেনারেল  হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী এসে লাঠি এবং কাঁদানেগ্যাস ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় পুলিশি টহল ও ধরপাকড় শুরু করে । এই ঘটনায় দুপক্ষের ১২ জনকে গ্রফতার করে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে জগদ্দল থানার পুলিশ ।

রামনবমীর শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ পুরুলিয়ায়, মৃত ১

রামনবমীর মিছিলে সংঘর্ষের জেরে মৃত্যু হল এক গ্রামবাসীর। ঘটনাটি ঘটেছে পুরুলিয়ার আড়শা থানার ভুরসা গ্রামে। আগে থেকেই উত্তেজনা ছিল। মিছিল শেষে হিন্দু-মুসলিম সংঘর্ষ হয়।

খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। মিছিলকারীদের সঙ্গে পুলিশের খণ্ডযুদ্ধ বেধে যায়। সেখানেই গুরুতর আহত হন এক গ্রামবাসী। ডিএসপি হেড কোয়ার্টার সুব্রত পাল-সহ আহত হন ৪ পুলিশকর্মী। সবাইকেই দেবেন মাহাতো সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে জনৈক শেখ শাহজাহানকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ।

সূত্রের খবর, পুরুলিয়ার আড়শা থানার ভুরসা গ্রামের ওপর দিয়ে বজবং দলের শোভাযাত্রা যাচ্ছিল। সেই সময় এই সংঘর্ষ শুরু হয়ে যায়। দুপক্ষের মধ্যে ব্যাপক ইট-পাথর বৃষ্টি চলে। বেশ কয়েকটি দোকান-বাড়িতে আগুন লাগানোর ঘটনা ঘটে। পুলিশ গেলে তাদের লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। সংঘর্ষেই আহত হন বছর পঞ্চান্নর শেখ শাহজাহান। পরে হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। এডিজি আইন শৃঙ্খলা অনুজ শর্মা জানিয়েছেন, ডিএসপি হেড কোয়ার্টার-সহ চার পুলিশকর্মী ঘটনায় আহত হয়েছেন। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ডিএসপি এবং তাঁর নিরাপত্তারক্ষীকে চিকিত্‍সার জন্য কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

মহিষাদলের ৩০০ বছরের পুরোনো রামমন্দিরের সংস্কার করবে তৃণমূলের দখলে থাকা পঞ্চায়েত সমিতি

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মহিষাদলে একটি পুরোনো রামমন্দির রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন যে মন্দিরটি প্রায় ৩০০ বছরের বেশি পুরোনো। সংস্কারের অভাবে জীর্ণ হয়ে পড়েছে সেই মন্দির। পুরোনো ইঁট ভেঙে পড়েছে কোথাও কোথাও। আবার প্লাস্টার খসে পড়েছে। এমনকি মন্দিরের গায়ে গজিয়ে উঠেছে বোরো বোরো গাছ। এবার সেই রামমন্দির সংস্কারের সিদ্ধান্ত নিলো তৃণমূলের দখলে থাকা মহিষাদল পঞ্চায়েত সমিতি। এর জন্যে কয়েকদিন আগে পঞ্চায়েত সমিতিতে আলোচনা করে একটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আর এর জন্যে খোড়ো ধরা হয়েছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। এ নিয়ে অন্যান্য রাজনৈতিক দল সমালোচনা করলেও স্থানীয় হিন্দু বাসিন্দারা তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েত সমিতির প্রশংসা করেছেন। তারা জানিয়েছেন যে তাদের গর্ব এই রাম মন্দির। তা নতুন রূপ পেলে এলাকার হিন্দুদের কাছে খুবই আনন্দের হবে। এনিয়ে পঞ্চায়েত সমিতির করতে-ব্যক্তিদেরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তারা।

পাথারকান্দিতে শ্লীলতাহানির ঘটনায় গ্রেপ্তার ২ মুসলিম যুবক

অবশেষে পাথারকান্দিতে যুবতীকে শ্লীলতাহানির ঘটনায় জড়িত দুই মুসলিম যুবককে গ্রেপ্তার করলো পাথারকান্দি থানার পুলিশ। গত ১৮ই মার্চ, রবিবার  বিকেলে আসামের পাথারকান্দির  ইউবিআই ব্যাংকের সামনে ওই হিন্দু যুবতীর শ্লীলতাহানি করে দুই যুবক। এমনকি ওই দুই যুবকের সঙ্গে ওই হিন্দু যুবতীর ধস্তাধস্তিও হয়। পরে ওই দুই যুবক ঘটনাস্থল ছেড়ে পালায়। পরেরদিন ওই যুবতীর পরিবার পাথারকান্দি থানায় অভিযোগ দায়ের করে। তদন্তে নেমে পুলিশ গত ২০শে মার্চ, মঙ্গলবার গভীর রাতে দুইজন মুসলিম যুবককে গ্রেপ্তার করে। ধৃত দুই মুসলিম দুষ্কৃতী হলো ডালিম উদ্দিন এবং মনির উদ্দিন। দুইজনের বাড়িই পাথারকান্দিতে। পরে গতকাল ২২শে মার্চ, বৃহস্পতিবার স্থানীয় বাসিন্দারা দোষীদের কঠিন শাস্তির দাবিতে পাথারকান্দি বাজারে বিক্ষোভ দেখান এবং পাথারকান্দিতে জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন। পরে পুলিশ এসে দোষীদের কঠিন শাস্তির দেবার প্রতিশ্রুতি দিলে অবরোধ তুলে নেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

মুম্বই থেকে কিশোরীকে অপহরণ, হাওড়া থেকে গ্রেপ্তার শেখ রোহিত

মুম্বইতে কাজ করতে গিয়ে ওখানকার কিশোরীকে অপহরণ করার অভিযোগে হাওড়ার উদয়নারায়ণপুরের খলতপুর থেকে গত ১৫ই মার্চ এক যুবককে গ্রেপ্তার করলো মুম্বই পুলিশ। পাশাপাশি অপহৃত মেয়েটিকেও উদ্ধার করে পুলিশ।  ধৃতের নাম শেখ রোহিত (১৯)। পরের দিন ধৃতকে উলুবেড়িয়া কোর্টে তোলা হয়। মুম্বই পুলিশ অভিযুক্তকে ট্রানজিট রিমান্ডে মুম্বই নিয়ে যাবার আবেদন জানায়। বিচারক সেই আবেদনে না করেননি।  বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে যে , বছর দুয়েক আগে উদয়নারায়ণপুরের বাসিন্দা শেখ রোহিত চশমার দোকানে কাজ করার উদ্দেশে মুম্বইয়ের কল্যানে যায়। সেখানে কাজ করার সুবাদে ওই মেয়েটির সঙ্গে আলাপ হয়। কিন্তু গত সোমবার সেস্ক রোহিত মেয়েটিকে নিয়ে নিজের বাড়িতে চলে আসে। মেয়েটির পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মুম্বই পুলিস শেখ রোহিতকে গ্রেপ্তার করে।

বর্ধমানে বোমাসহ গ্রেপ্তার শেখ আকাশ

বোমা সহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে বর্ধমান থানার পুলিস। ধৃতের নাম শেখ আকাশ। শহরের কেশবগঞ্জচটি এলাকায় তার বাড়ি। পুলিস জানিয়েছে,গত ১৬ই মার্চ, শুক্রবার রাতে সদরঘাটের দিক থেকে একটি নাইলনের থলি নিয়ে আসছিল আকাশ। তেলিপুকুর আন্ডারপাসের কাছে তাকে ধরা হয়। তল্লাশিতে তার কাছে থাকা নাইলনের ব্যাগ থেকে দু’টি তাজা বোমা উদ্ধার হয়। গতকাল ১৭ই মার্চ, শনিবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। ধৃতকে তিনদিন পুলিসি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন ভারপ্রাপ্ত সিজেএম সোমনাথ দাস।

আসামের উধারবন্দে জিহাদি আক্রমণের শিকার হলো হিন্দুরা

গত ১০ই মার্চ,শনিবার রাত্রে আসামের কাছাড় জেলার অন্তর্গত উধারবন্দ থানার পানগ্রামে জিহাদি মুসলিমরা হিন্দুদের দোকানসহ বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিলো। পানগ্রাম রোডে একটি বার আছে, যার নাম মা মনসা বার। গত শনিবার সন্ধ্যায় কিছু মনিপুরী হিন্দু যুবক ওই ছিল। তারা এক  মুসলিম ট্রাক ড্রাইভারকে দাড় করায় এবং গাড়িটিকে আস্তে চালাতে বলে। এই নিয়ে ওই মুসলিম ট্রাক ড্রাইভার এবং মনিপুরী হিন্দু যুবকদের সঙ্গে বচসা শুরু হয়ে যায়। পরে ট্রাক ড্রাইভার চলে যায়। কিন্তু কিছু সময় পর ট্রাক ড্রাইভারটি কয়েকশো মুসলিমকে সঙ্গে নিয়ে ওই বারের সামনে ফিরে আসে।  প্রথমেই মা মনসা বার-এ আগুন লাগিয়ে দেয় মুসলিম জনতা। তারপর পাশে থাকা একের পর দোকান ভাঙচুর করতে থাকে। তারপর কাছে থাকা মনিপুরী হিন্দুদের পাড়া আক্রমণ করে জিহাদি মুসলমানরা। ভয়ে মনিপুরী হিন্দু মহিলারা দৌড়ে পালিয়ে যায়। তখন মুসলিমরা একের পর এক হিন্দু বাড়িতে হামলা চালায় এবং লুঠপাঠ করে। ঘটনার খবর পেয়ে উধারবন্দ থানার পুলিশ বিশাল বাহিনীসহ ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় সিআরপিএফ মোতায়েন করে জেলা পুলিশ। তবে শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী পুলিশ এখনো পর্যন্ত ২ জন জিহাদি মুসলমানকে গ্রেপ্তার করেছে।

দলে দলে রোহিঙ্গা এসে আশ্রয় নিচ্ছে দক্ষিণ ২৪ পরগণার বারুইপুরে

unnamedগতকাল ১৩ই মার্চ, মঙ্গলবার গভীর রাতে বাংলাদেশের কক্সবাজার থেকে আরও ৮০ জন রোহিঙ্গা এসে পৌঁছেছেন বারুইপুরে। এর আগেও রোহিঙ্গারা নদীপথে সীমান্ত পেরিয়ে তিন দফায় এসে ঘাঁটি গেড়েছেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের হাড়দহ গ্রামে। কলকাতা থেকে ৫০ কিমি দূরে সেখানে অস্থায়ী শিবির খুলে তাঁদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করছে ‘দেশ বাঁচাও সামাজিক কমিটি’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা।

বিশেষ সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে জলপথে সন্দেশখালি হয়ে রোহিঙ্গাদের এ রাজ্যে প্রবেশ করানো হচ্ছে। গত ১৮ ডিসেম্বর টেকনাফ থেকে হাড়দহের শিবিরে প্রথম দফায় ২৯ জন রোহিঙ্গাকে আনা হয়েছে।  দ্বিতীয় পর্যায়ে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ২২ জন এসেছেন। তৃতীয় পর্যায়ে ৫৩ জন এসেছেন গত ১৭ ফেব্রুয়ারি। ১০ মার্চ পাঁচজন এসেছেন। আর সবচেয়ে  বড় দলটি এসেছে মঙ্গলবার রাতে।

যা শুনে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক ওয়াই রত্নাকর রাও বলেন,‘‘বিষয়টি খোঁজ নিচ্ছি। পুলিশ সুপারকে রিপোর্ট দিতে বলেছি।’’ কী ভাবে সীমান্ত টপকে আসছেন রোহিঙ্গারা? বিএসএফের দক্ষিণবঙ্গের আইজি অঞ্জনইয়েলু বলেন,‘‘আমরা সতর্ক আছি। সীমান্ত টপকালে আমরা তা খোঁজখবর করছি।’’ এর আগেও ২০ জন রোহিঙ্গা ধরা পড়ার পর তাঁদের পুশব্যাক করা হয়েছে বলে বিএসএফ সূত্রের দাবি। যদিও ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সম্পাদক হোসেন গাজি জানিয়েছেন, ‘‘কক্সবাজারের টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবিরে আমাদের অফিস রয়েছে। সেখান থেকেই মায়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের এখানে আনা হচ্ছে। টিন, বাঁশের ছাউনি দিয়ে আপাতত থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। উদ্বাস্তুদের মধ্যে মহিলা ও শিশুর সংখ্যা বেশি। ২২টি পরিবারের ১০৯ জনের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাঁরা আসবেন তাঁদেরও করা হবে। ’’

কিন্তু এত টাকা-পয়সা আসছে কোথা থেকে? হাড়দহ শিবিরের পরিচালক হোসেন গাজির কথায়, ‘‘৪০টির বেশি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা একজোট হয়ে এই বড় দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছেও সাহায্যের আবেদন জানানো হয়েছে।’’ তবে স্থানীয় প্রশাসনের কর্তারা রোহিঙ্গা প্রশ্নে কিছুটা দূরত্ব বজায় রাখছেন। বারুইপুর ব্লকের বিডিও সৌম্য ঘোষের কথায়, ‘‘স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার উদ্যোগে রোহিঙ্গারা বারুইপুরের শিবিরে মাস তিনেক আগে এসেছেন বলে শুনেছি। ওঁদের বিষয়টি খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।’’ স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক নির্মলচন্দ্র মণ্ডলের কথায়, ‘‘হাড়দহে রোহিঙ্গারা এসেছে, শুনেছি। এর বেশি কিছু জানি না।’’ হাড়দহের শিবির দেখে শতাধিক রোহিঙ্গার দেখা মিললেও পুলিশের হিসেবে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা  সংখ্যার মাত্র ২৬। বারুইপুরের এসডিপিও অর্ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, ‘‘দিন কুড়ি আগে সমীক্ষা চালিয়ে দেখেছি, ওখানে ২৬ জন রোহিঙ্গা সদস্য রয়েছেন।’’ বারুইপুরে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের কাছে ‘ইউনাইটেড নেশনস হাই কমিশনার ফর রিফিউজিস’ স্বীকৃত একটি পরিচয়পত্র রয়েছে। বারুইপুরের এসডিপিও-র কথায়, ‘‘হাড়দহে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের পরিচয়পত্র আসল কিনা তা খতিয়ে দেখতে দিল্লির  অফিসে ওই পরিচয়পত্রের নমুনা পাঠানো হয়েছে।’

 

স্বামীজীর চিকাগো বক্তৃতা স্কুলের পাঠ্যক্রমে , স্বাগত জানালো হিন্দু সংহতি

swamiস্বামী বিবেকানন্দের চিকাগো বক্তৃতার ১২৫ তম বর্ষপূর্তিতে স্বামীজীর চিকাগো বক্তৃতাকে স্কুলের পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভূক্ত করলো পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার। রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে হিন্দু সংহতি। এই প্রসঙ্গে সংহতির সভাপতি বলেন, “এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। আমরা সরকারের এই উদ্যোগকে সর্বান্তঃকরণে সমর্থন জানাচ্ছি। আমরা কোনো রাজনৈতিক দলের বন্ধু নই, শত্রুও নই। সুতরাং সরকারের এই ধরণের উদ্যোগকে রাজনীতির চশমা দিয়ে আমরা দেখি না। হিন্দুর স্বার্থে যেকোন পদক্ষেপ স্বাগত। কোন্ দল এই পদক্ষেপ নিলো – তা অপ্রাসঙ্গিক।” তিনি আরও বলেন, ” এই সিদ্ধান্তের পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতেই পারে।  সব রাজনৈতিক দলের অধিকাংশ সিদ্ধান্ত এবং কর্মসূচী রাজনৈতিক লাভক্ষতির হিসাব করে নেওয়া হয়ে থাকে। এটা রাজনৈতিক দলগুলির বাধ্যবাধকতা। মুসলিম সমাজ এটাকে কাজে লাগাতে পারে। এখন সময় এসেছে, আমাদেরও একে কাজে লাগাতে হবে।” তবে তিনি রাজ্য সরকারকে সতর্ক করে বলেছেন, ” স্বামীজীর মূল ভাষণকে যেন কোনোভাবেই বিকৃত করা না হয়। এই রকম হলে আমরা তার তীব্র বিরোধিতা করবো। “

দেশের একাধিক স্থানে হামলার পরিকল্পনা ছিল নিহত জয়েশ জঙ্গির

শুধু জম্মু ও কাশ্মীর নয়, দেশের একাধিক স্থানে হামলার পরিকল্পনা ছিল নিহত জয়েশ জঙ্গি এবং সুঞ্জোয়ানের সেনা ক্যাম্পে হামলার মূলচক্রী মুফতি ওয়াকাসের। গত ১০ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলার সুঞ্জোয়ান সেনা ক্যাম্পে আত্মঘাতী জঙ্গিরা হামলা চালায়। ওই হামলায় জড়িত পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন জয়েশ-ই-মহম্মদের মুফতি ওয়াকাস ওরফে আবু আনসারের নাম উঠে আসে। গত ৫ মার্চ নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সংঘর্ষে তার মৃত্যু হয়। জম্মু ও কাশ্মীর পুলিস একটি টিম গঠন করে ওই জঙ্গির সম্বন্ধে খোঁজখবর নিতে শুরু করে। সে কাশ্মীরের যুবকদের মগজ ধোলাই করে আত্মঘাতী হওয়ার জন্য প্ররোচনা দিত বলে তদন্তে উঠে আসে। ইতিমধ্যে তার ফাঁদে পা দিয়ে তিন যুবক জয়েশ-ই-মহম্মদে যোগ দিয়েছে। শুধু তাই নয়, ভারতের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানেও হামলার পরিকল্পনা নিচ্ছিল মুফতি ওয়াকাস।

মেডিকেল এন্ট্রান্স পরীক্ষায় জালিয়াতি? মামলা কলকাতা হাইকোর্টে

অবশেষে মামলা হলো মেডিকেল পরীক্ষায় স্বচ্ছতা নিয়ে ! মোট মেধা তালিকায় ৪০০০ পরীক্ষার্থীর মধ্যে জনই আল-আমিন মিশনের ! এবং আরও মজাদার বিষয় এই মিশন থেকে পরীক্ষার্থীরা মোট ৬ টি পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষায় বসে এবং সেই ৬ টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দেওয়া ১০০% পরীক্ষার্থীই মেধা তালিকায় স্থান পায় !

WBJEE একটি নজিরবিহীন ঘটনার জন্য কলকাতা হাইকোর্টের বিচারাধীন। ২০১৬ সালের জয়েন্ট এন্ট্রাস পরীক্ষায় 4000 ছাত্রের মধ্যে ৬১৮ জন একটি মুসলিম স্টাডি সার্কেলের, নাম আল আমিন মিশন স্টাডি সার্কেল, যা আল আমিন মিশন নামে একটি মুসলিম প্রতিষ্ঠানের শাখা। মোট মুসলিম ছাত্র ছাত্রী  পাশ করেছে ১১৩৬ জন। ২৮.৩৫% মুসলিম ছাত্র ছাত্রী মেডিকেল এন্ট্রাস পাশ করেছে, যা একটি রেকর্ড ও সন্দেহের উর্ধ্বে নয়।  এখানে প্রশ্ন আসতে পারে যে মুসলিম ছাত্রদের মেডিকেল পাওয়া কি অপরাধ?? না অবশ্যই সেটা কোনো অপরাধ নয়। কিন্তু দুর্নীতির সাহায্য নিয়ে অন্যায় ভাবে সুযোগ করিয়ে দেওয়া অপরাধ। বেশ কিছু সন্দেহজনক কাজ তারা করেছে যা এখন বিচারাধীন।

এই আল আমিন মিশনের মুসলিম ছাত্র ছাত্রীদের পরীক্ষার সেন্টার হয় ১. সাঁতরাগাছি কেদারনাথ ইন্স্টিটিউশন (Center Code 579312), ২. বজবজ ইন্স্টিটিউট অফ টেকনোলজি ( Center Code 589111), ৩. ডোমজুড় নেহেরু বালিকা বিদ্যালয় ( Center Code 579512), ৪. উলুবেড়িয়া ওম দয়াল ইন্স্টিটিউট ( Center Code 579112),  ৫. কলকাতা মিত্র ইন্স্টিটিউট ও একটি পরীক্ষা কেন্দ্র যার Center Code 579113। এই সব কেন্দ্রে সফলতার হার অস্বাভাবিক , ৯০% এরো বেশি।
উপরের ওই ছয়টি কেন্দ্র থেকে মোট সফল পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭৬০ জন যার মধ্যে সফল মুসলিম পরীক্ষার্থী  ৬৯২ অর্থাৎ ৯১% সফল পরীক্ষার্থী মুসলিম।
২৬ শে আগস্ট, ২০১৬ তে রেজাল্ট বেরোবার পর অনেক পরীক্ষার্থী তাদের ফলাফলে খুশি না হয়ে স্কোর জানানোর জন্য আবেদন করতে থাকে। স্কোর না জানিয়ে জয়েন্ট এন্ট্রাস দপ্তর উত্তর পত্র প্রকাশ করে তাদের ওয়েব সাইটে। অসংখ্য পরীক্ষার্থীর Ranking ও Score না মেলায় আদালতের দ্বারস্থ হয়। ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ হাইকোর্টের নির্দেশে বিস্তারিত রেজাল্ট প্রকাশ করার পরেও মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যেই ওয়েব সাইট থেকে তুলে দেওয়া হয়। এরপর মানুষের সন্দেহ আরো দৃঢ় হয়ে যায়।
এই সংখ্যক মুসলিম পরীক্ষার্থীর মেডিকেলে সুযোগ পাওয়া মুসলিম জনসংখ্যা ও তাদের স্বাক্ষরতার হার অনুযায়ী অস্বাভাবিক। পশ্চিম বঙ্গে মুসলিম জনসংখ্যা ২৭.০১% ও শিক্ষিতের হার মাত্র ২৩.৪২%, ২০১১ এর জনগণনার হিসাব অনুযায়ী। ২০০১ সালের জনগণনার হিসাব অনুযায়ী সাচার কমিটির রিপোর্টে বলা হয় মাত্র ৫০% মুসলিম জনসংখ্যা স্কুলে যায়। তার মধ্যে ২৬% ক্লাস ৪ পর্যন্ত যায়, ১২% মাধ্যমিক পাশ করে। কাজেই পশ্চিম বঙ্গের মেডিকেলের সাফল্য এক অবাস্তব ঘটনা।
নিয়ম না মানার অভিযোগ আছে অনেক। যেমন এক যমজ পরীক্ষার্থী যাদের জন্ম তারিখ ১২.০৮.১৯৯৩, সিট পড়ে সেন্টার কোড 485211, তারা পাশাপাশি বসে পরীক্ষা দেয়। একজনের Ranking ৫৭৫ স্কোর ১৯০.১৭  এবং অন্য জনের Ranking ৯৪৭ ও স্কোর ১৮৭.০৯। দুজনেই সফল।
CBI নিয়োগের জন্যও আবেদন করা হয়েছে এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে।

পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে নতুন জিহাদি সংগঠন ”জামাত -উল-মুজাহিদিন-ইন্ডিয়া”

শীর্ষনেতার নাম কওসর ওরফে বোমারু মিজান৷ সংগঠনের নতুন নাম জেএমআই৷ আপাতত এই নামেই এ রাজ্য -সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ডানা মেলছে বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠন জেএমবি৷ এমনকী তারা মুর্শিদাবাদের ঘাটি গেড়ে রীতিমতো মডিউল তৈরি করে ফেলেছে৷ সম্প্রতি কলকাতা পুলিশের হাতে দুই জেএমবি জঙ্গি ধরা পড়ার পরে জানা গিয়েছিল , বিহারের বৌদ্ধ গয়ায় কী ভাবে আইইডি বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল তারা৷ এ বার জানা গেল নিজেদের কাজ কতটা নিখুঁত হয়েছে , তা জানার জন্য ‘ট্রায়াল রান ’ হিসেবে ওই বিস্ফোরণ ঘটানো হয়৷ ২০১৪ সালের অক্টোবরে খাগড়াগড়ে তৈরি করার সময়ে হ্যান্ড গ্রেনেড ফেটে ওই সংগঠনের চার জন মারা যান৷ গোয়েন্দা সূত্রের খবর , সে সময়ে সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ছিল কওসর৷ কিন্তু ওই একটি ঘটনায় পুরো সংগঠনের গোপন কাজকর্ম প্রকাশ্যে এসে পড়ে৷ ফলে তীব্র ভাবে কথা শুনতে  হতে হয় কওসর ওরফে বোমারু মিজানকে৷ একটা সময়ে বাংলাদেশে পালিয়ে গিয়ে সে পুরোনো সংগঠনের কাজকর্ম ছেড়ে নব্য জেএমবিতে যুক্ত হয়৷ কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সূত্রের খবর , ওই সংগঠনের শীর্ষনেতা মেজর জিয়ার সঙ্গে কাজ শুরু করে কওসররা৷ তারা যোগাযোগ শুরু করে আইএসের এশিয়া শাখার সঙ্গে৷ দু’পক্ষের মধ্যে ঐক্য দানা বাঁধার পরে ঢাকায় জঙ্গি হানা৷ কিন্তু এর পরেই বাংলাদেশ জুড়ে ব্যাপক পুলিশ তত্পরতায় তামিম চৌধুরি এবং সালওয়ার নামে দুই নেতার মৃত্যু হয়৷ ফলে এই সংগঠনের কাজ অনেকটাই ঝিমিয়ে পড়ে৷ এর ঠিক পরেই বর্তমান নেতা আয়ুব বাচ্চুর সঙ্গে ঝামেলা শুরু হয় কওসরের৷ ফলে সে আবার তার পুরোনো সংগঠনে যোগ দিয়ে এ পারে পালিয়ে আসে৷ শুরু করে নতুন সংগঠন বাড়ানোর কাজ৷ গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন , গত বছরের অগস্টে জেএমবির শীর্ষনেতা সালাউদ্দিনের সঙ্গে মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানে কওসরের বৈঠক হয়৷ সেই বৈঠক থেকেই নতুন জেএমআই অর্থাত্ জামাত -উল -মুজাহিদিন ইন্ডিয়ার কাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত হয়েছিল৷ সংগঠনের ভারতীয় শাখার প্রধান করা হয় বোমারু মিজানকে৷ তাকে দিয়ে মোট ২২ জনের একটি কোর গ্রুপ তৈরি করা হয়৷ যাদের তিন ভাগে ভাগ করে পাঠানো হয় চেন্নাইতে প্রশিক্ষণের জন্য৷ কিন্ত্ত চেন্নাইয়ে কেন ? গোয়েন্দা সূত্রের খবর , কলকাতা বা তার আশপাশের জেলাগুলিতে খাগড়াগড়ের ঘটনার পরে পুলিশের নজরদারি অনেকটা বেড়ে গিয়েছে৷ গত কয়েক বছরে একাধিক জেএমবি নেতা গ্রেন্তারও হয়েছে৷ ফলে প্রশিক্ষণ দেওয়ার মতো ঝুঁকি এখানে নিতে রাজি হয়নি বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত এই সংগঠন৷ কয়েকমাস প্রশিক্ষণের পরে নতুন যোগ দেওয়া যুবকদের পাঠানো হয় বৌদ্ধগয়ায়ে নিজেদের তৈরি করা আইইডি বিস্ফোরণ ঘটানোর জন্য৷ পুলিশ জানতে পেরেছে , ঝাড়খণ্ডে এই সংগঠনের যে শাখা রয়েছে , তারা পাকুড় থেকে সরঞ্জাম সরবরাহ করে তা পাঠিয়ে দেয় মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানে৷ সেখান থেকে আইইডি তৈরি হয়ে চলে যায় বৌদ্ধ গয়ায়৷ কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সূত্রের খবর , আপাতত সালাউদ্দিনের সংগঠনের সঙ্গে আল কায়দার এশিয়া শাখার সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে৷ কয়েকদিন আগে পর্যন্ত বাংলাদেশের এই জঙ্গি সংগঠনের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে আইসিস এবং আল কায়দা দু’পক্ষই নিজেদের সংগঠন বাড়ানোর চেষ্টা শুরু করে৷ কলকাতা পুলিশের হাতে প্রায় ছ’মাস আগে দুই আল কায়দা জঙ্গি ধরা পড়ার পরে গত সন্তাহে পয়গম্বর শেখ -সহ তিন জেএমবি জঙ্গিকে গ্রেন্তার করে এসটিএফ৷ তার পরেই উঠে আসে সংগঠনের নতুন কাজকর্মের হদিস৷