সীমান্তে কাঁটাতার কাটার চেষ্টা, বিএসএফ-এর গুলিতে মৃত্যু বাংলাদেশীর

ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার কাটতে এসে বি এস এফের গুলিতে মৃত্যু হলো এক বাংলাদেশীর। গত ১৮ ই জানুয়ারী ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরদিনাজপুর জেলার গোয়ালপোখর থানার শ্রীপুর বর্ডার আউট পোষ্টে। পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ইসলামপুর হাসপাতাল মর্গে নিয়ে এসেছে। মৃতদেহের পাশ থেকে দুটি কাটার ও ভোজালি উদ্ধার হয়েছে। মৃতের পরিচয় জানা যায় নি। গোয়ালপোখর থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করছে। পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে, ওইদিন ভোরে গোয়ালপোখর থানার ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে শ্রীপুর বর্ডার দিয়ে এক ব্যাক্তি কাটাতারের বেড়া কেটে ভারত সীমান্তে ঢোকার চেষ্টা করে। সেই সময় প্রহরারত বি এস এফ জোয়ান তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় ওই ব্যাক্তির। মৃতদেহর পাশ থেকে উদ্ধার হয় দুটি কাটার ও একটি ভোজালি। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ইসলামপুর হাসপাতালে পাঠায়। মৃতের পরিচয় জানা যায়নি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে গোয়ালপোখর থানার পুলিশ।

Advertisements

নির্বাচনের আগেই আক্রমণের শিকার বাংলাদেশের হিন্দুরা

রাত পোহালেই বাংলাদেশ নির্বাচন। আর এই নির্বাচনের আগেই আবারও বাংলাদেশে আক্রান্ত হিন্দুরা। উত্তরের জনপদ ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার একটি হিন্দুবাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে দুষ্কৃতীরা বলে অভিযোগ। ঘটনায় আতঙ্কিত স্থানীয়রা। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। জানা গেছে এনিয়ে ঠাকুরগাঁও উপজেলায় তিনটি হিন্দু পরিবারের ওপর হামলার ঘটনা ঘটল।

আখানগর ইউনিয়নের ঝাঁপরতলি গ্রামের আনন্দ চন্দ্র বর্মনের বাড়িতে বৃহস্পতিবার রাতে হামলা হয়। শুক্রবার সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের সিঙ্গিয়া শাহপাড়া গ্রামে কৃষ্ণ ঘোষের এবং আখানগর ইউনিয়নের মধ্য ঝাড়গাও গ্রামের যাক্রু বর্মনের বাড়িতেও আগুন লাগিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা। আক্রান্তদের অভিযোগ পরিকল্পনা করে হিন্দুদের আতঙ্কিত করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হিন্দু তথা সংখ্যালঘুরা যাতে ভোট দিতে না পারেন সেই কারণেই এই হামলা বলে অভিযোগ।

আখানগর ইউনিয়ন পরিষদের সভাপতি নুরুল ইসলাম দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপে গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। বাংলাদেশের হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ আগেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল যে নির্বাচনের আবহে ওই দেশের সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা হতে পারে। এমনকি গোয়েন্দা রিপোর্টেও এই আশঙ্কার উল্লেখ করা ছিল। পরিস্থিতি অশান্ত করতেই আইএসআই মদতপুষ্ট বিএনপি ও জামাত হিন্দুদের নিশানা করতে পারে বলে ধারণা অনেকের। কারণ সংখ্যালঘুদের বড় একটা অংশ আওয়ামী লীগের সমর্থক।

৩০ ডিসেম্বর বাংলাদেশে ভোট গ্রহণ। ফলে দেশ জুড়ে রয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তার ঘেরাটোপ। নির্বাচনের আগে ও ফলাফল প্রকাশের পরই বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ নেমে আসে। বাড়িতে ঢুকে হামলা, কটুক্তি হুমকির ঘটনা নতুন নয় সেখানে। সংখ্যালঘু ঐক্য পরিষদের দাবি নির্বাচনকে ঘিরে বাংলাদেশের বসবাসকারী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে বিস্তর। সেই জন্যেই তারা সংখ্যালঘু মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার, নির্বাচন কমিশন ও প্রতিটি রাজনৈতিক দলের কাছে আবেদন জানিয়েছেন।

জামাতের সঙ্গে কোনো আপস নয়,জানালো ভারত

“জামাত ছাড়া, বাংলাদেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে চলবে নয়াদিল্লি৷ গণতন্ত্রবিরোধী জামাতের সঙ্গে কোনও ধরনের আপস করতে রাজি নয় ভারত।” এমনই জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা৷ তিনি জানান, মূলত তিনটি কারণে জামাতের সঙ্গে কোনও রকমের বোঝাপড়ায় যাবে না ভারত৷ প্রথমত, মুক্তিযুদ্ধের সময় জামাতের ভূমিকা, দ্বিতীয়ত, তাঁদের সাম্প্রদায়িক রাজনীতি এবং তৃতীয়ত তাদের গণতন্ত্র বিরোধী নীতি-আদর্শ। যেগুলির পুরোপুরি বিরোধী ভারত৷  তিনি আরও জানান, আওয়ামি লিগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি, বাংলাদেশ ওয়াকার্স পার্টি-সহ সমস্ত দলের সঙ্গে ভারতের যোগাযোগ রয়েছে। ব্যতিক্রম জামাত৷ কারণ, ১৯৭১-এ বাংলাদেশের স্বাধীনতা লড়াইয়ের বিরোধিতা করেছে জামাত। মুক্তিযোদ্ধাদের নির্বিচারে হত্যা করেছে তারা। ওই গণহত্যার শিকার হয়েছেন ভারতীয় সেনারাও। জামাত সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করছে বলেও অভিযোগ করেন শ্রিংলা৷ তিনি জানান, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপরও নৃশংস অত্যাচার চালাচ্ছে জামাত সদস্যরা। আসন্ন বাংলাদেশ নির্বাচন সম্পর্কে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গিও স্পষ্ট করেন তিনি৷

ডালখোলার মাদ্রাসায় বোমা বিস্ফোরণ, খাগড়াগড় কাণ্ডের পুনরাবৃত্তি কি?

dalkholaউত্তর দিনাজপুর জেলার ডালখোলা থানার অন্তর্গত ঝাটকিয়া গ্রাম। সেই গ্রামেই রয়েছে জামিয়া রহমানিয়া মাদ্রাসা। কিন্তু গত ২৯শে নভেম্বর, গভীর রাত্রে ওই মাদ্রাসায় শক্তিশালী বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণের আওয়াজে পুরো গ্রাম কেঁপে ওঠে। এমনকি মাদ্রাসার দেওয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে। মাদ্রাসার ভিতরে চেয়ার,টেবিল ভেঙেচুরে পড়ে থাকতে দেখা যায়। দেওয়ালের প্লাস্টার খসে পড়ে বিস্ফোরণের তীব্রতায়। বিস্ফোরণের আওয়াজে গ্রামবাসীরা মাদ্রাসা চত্বরে ছুটে আসেন। গ্রামবাসীরা মাদ্রসার মৌলবী জুনেদ আলম রুমানিকে ঘিরে ধরে বিস্ফোরণের কারণ জানতে চান।    কিন্তু আশ্চর্জনকভাবে মাদ্রাসা কতৃপক্ষ বিস্ফোরণের কথা প্রথমে পুলিসকে জানাননি। সূত্র মারফত এই খবর পেয়ে শুক্রবার সকালে ইসলামপুরের অতিরিক্ত পুলিস সুপার কার্তিকচন্দ্র মন্ডল ঘটনাস্থলে আসেন। তখনই মাদ্রাসা কতৃপক্ষ দাবি করেন যে মাদ্রসায় বাইরে থেকে দুষ্কৃতীরা বোমা ছুঁড়েছে এবং শুক্রবার দুপুরে ডালখোলা থানায় FIR দায়ের করেছেন। কিন্তু ইতিমধ্যেই একটা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে যে রাতে বিস্ফোরণ হলেও সকালে মাদ্রাসা কতৃপক্ষ কেন পুলিসকে জানাননি।
তবে এই ঘটনায় খাগড়াগড় কান্ডের কথা মনে করিয়ে দিলো। এমনিতেই খাগড়াগড় কান্ডের পর পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত এলাকাগুলি নিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত গোয়েন্দারা। এরমধ্যেই ঝাটকিয়ার এই বিস্ফোরণ অনেক প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। মাদ্রাসার ভিতরে বোমা বিস্ফোরণ করলো কারা? কি কারণে এই বোমা বিস্ফোরণ ? রাতে বিস্ফোরণ হলেও, দুপুরে কেন থানায় অভিযোগ জানানো হলো ?যদিও এইসব প্রশ্নের উত্তর একমাত্র তদন্তের পরেই জানা যাবে। তবে এই ঘটনাকে যথেষ্ট গুরত্ব দিয়ে দেখছেন জেলা পুলিসের কর্তারা। ইতিমধ্যেই অতিরিক্ত পুলিস সুপার ঘটনাস্থল ঘুরে গিয়েছেন এবং নিজের তত্বাবধানে তদন্ত করছেন। তাছাড়া মাদ্রাসার ভিতরে কি কাজকর্ম হতো, তা জানার জন্যে স্থানীয় গ্রামবাসীদের নিয়ে আলোচনায় বসতে চলেছেন পুলিসকর্তারা। তবে এই ঘটনার পর কাউকে আটক বা থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্যে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়নি।

মুর্শিদাবাদের পাঁচথুপীতে সিংহবাহিনী মন্দিরে ভয়ানক চুরি

singhabahiniমুর্শিদাবাদ জেলার বড়ঞা থানার অন্তর্গত পাঁচথুপীর সিংহবাহিনী মন্দিরে ভয়ানক চুরির ঘটনা ঘটলো। আজ সকালে পুরোহিত মন্দিরে এসে দেখতে পান যে মন্দিরের তালা ভাঙা এবং  মূর্তির গায়ে থাকা প্রায় তিন লক্ষ টাকার  সোনার অলংকার  চুরি হয়ে গিয়েছে। তিনি এই ঘটনার কথা স্থানীয় বাসিন্দাদের জানান। খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা মন্দিরের সামনে ভিড় জমান। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে যে , এই মন্দির আশেপাশের এলাকাতে জাগ্রত মন্দির হিসেবেই পরিচিত। ফলে এই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা  ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বড়ঞা থানার পুলিস এসে পৌঁছায়। স্থানীয় মানুষরা পুলিসের কাছে দোষীদেরকে  করার আবেদন জানান। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে  এখনও পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।

লাভ-জিহাদের শিকার হিঙ্গলগঞ্জের সুমিতা মন্ডল; পুলিসের ঢিলেমি, হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ পরিবার

Photo2লাভ-জিহাদের করাল গ্রাস থামছে না পশ্চিমবাংলার বুকে। এইবার লাভ জিহাদের শিকার হল উত্তর ২৪ পরগনা জেলার  হিঙ্গলগঞ্জের হিন্দু নাবালিকা সুমিতা মন্ডল( নাম পরিবর্তিত, বয়স ১৬ বছর ৯মাস)। সে হিঙ্গলগঞ্জ হাইস্কুল( উঃ মাঃ ) দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়াশুনো করতো। গত ১৯ ই নভেম্বর রাত্রে সে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। হিঙ্গলগঞ্জ থানায় দায়ের করা অভিযোগে সুমিতার পিতা  জানিয়েছেন যে, তাঁর মেয়েকে হিঙ্গলগঞ্জের বাঁকড়া গ্রামের মতিউর সরদার (পিতা -রবিউল সরদার ) ফুঁসলিয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে নিয়ে গিয়েছে। তার অভিযোগের ভিত্তিতে হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিস অভিযুক্ত মতিউর সরদার-এর বিরুদ্ধে অপহরণের মামলা দায়ের করেন,যার FIR No -১৬৪/১৮। কিন্তু তার পরে বেশ কয়েকদিন কেটে গিয়েছে। কিন্তু অপহৃতা সুমিতা এখনো উদ্ধার হয়নি। এমতবস্থায় সুমিতার পিতা তার মেয়েকে ফিরে পাওয়ার আশায় হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ হয়েছেন। তিনি গতকাল ২৬শে নভেম্বর হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্যের সঙ্গে দেখা করে তাঁর নাবালিকা কন্যাকে ফিরিয়ে দেবার কাতর প্রার্থনা জানান। সুমিতার পিতা জানিয়েছেন যে, তার কন্যাকে ফিরিয়ে দেবার ক্ষেত্রে হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিস যথেষ্ট ঢিলেমি করছে এবং তিনি আরো জানিয়েছেন যে বার বার থানায় যাওয়া সত্বেও তার নাবালিকা কন্যাকে উদ্ধার করার ব্যাপারে কোনো ভরসা দিতে পারেননি হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিস। তাই তিনি হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ হয়েছেন। এমতবস্থায় হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে তার অপহৃতা কন্যাকে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয় সুমিতার পিতাকে।

দুর্গাপুরে ২ হিন্দু কিশোরীকে অপহরণ, ২ মুসলিম যুবক গ্রেপ্তার

গত ২৩শে নভেম্বর, শুক্রবার দুর্গাপুরের দুই হিন্দু নাবালিকাকে অপহরণের অভিযোগে ২ মুসলিম যুবককে গ্রেপ্তার করলো পুলিস। ধৃতদের নাম মহম্মদ হোসেন এবং মুর্তাজা আনসারী। জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া দুই নাবালিকা দুর্গাপুরের বাসিন্দা এবং তারা বিধাননগরের একটি স্কুলে নবম শ্রেণীতে পড়তো। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্গাপুরের মুচিপাড়ার বাসিন্দা মহম্মদ হোসেন বিধাননগরের টেটিখোলায় একটি নাচের স্কুল চালায়। সেই স্কুলেই নাচ শিখতো ওই ২ নাবালিকা। গত ১২ই নভেম্বর, কলকাতায় একটি নাচের প্রতিযোগিতায় নিয়ে যাবার নাম করে ওই দুই নাবালিকাকে নিয়ে যায় মহম্মদ হোসেন। কিন্তু  কলকাতায় না নিয়ে গিয়ে বাসে করে সিউড়ি নিয়ে যায় এবং  সেখানে তাদের মুর্তজা আনসারীর বাড়িতে আটকে রাখে। এর মধ্যে এক কিশোরী গত ১৫ই নভেম্বর থেকে পালিয়ে গিয়ে বাড়িতে আসে এবং পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা বলে। এদিকে দুই কিশোরীর নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ পরিবারের তরফে নিউ টাউনশিপ থানায় জানানো হয়েছিল। পরে পুলিশ সেখানে হানা দিয়ে মুর্তাজা আনসারীকে গ্রেপ্তার করে। পুলিসের প্রাথমিক অনুমান যে, ধৃতদের সঙ্গে নারী পাচারকারীদের যোগাযোগ থাকতে পারে এবং  পাচার করার উদ্দেশ্যে ওই দুই নাবালিকাকে নিয়ে  যাওয়া হয়েছিল। বর্তমানে ধৃতদের জেরা করে পুরো বিষয়টি জানার চেষ্টা চলছে বলে পুলিসের তরফে জানানো হয়েছে।

তাসের সর্দারের পরিবার ক্ষতিপূরণ পেলেও অসীমা প্রামানিকের পরিবার বঞ্চিত

গত  ২৩শে অক্টোবর, মঙ্গলবার  হাওড়ার সাঁতরাগাছি স্টেশনের ফুট ওভারব্রিজে ভিড়ের চাপে পদপিষ্ট হয়ে মারা যান পেশায় রাজমিস্ত্রি তাসের সর্দার। তার বাড়ি মুর্শিদাবাদ জেলার হরিহরপাড়া থানার নশীপুর গ্রামে।এই মৃত্যুর পর রেল কোনো ক্ষতিপূরণ দেয়নি।কিন্তু তার মৃত্যুর ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই রাজ্য সরকার ৫লক্ষ টাকা তার পরিবারকে সাহায্য করলো এবং টাকা তার একাউন্ট  এ পৌঁছে গেল।খুব ভালো ।
কিন্তু তার আগে  গত ২৮শে সেপ্টেম্বর রাতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলার বারুইপুরের স্টেশনে ওভাররব্রিজের সিমেন্টের স্ল্যাব ভেঙে পড়ে মারা যান অসীমা প্রামানিক। এক্ষেত্রেও রেল কোনো ক্ষতিপূরণ দেয়নি। তিনি 2 নং প্লাটফর্ম এর তলা দিয়ে হেঁটে বাড়ি ফিরছিলেন।তার বাড়ি মাদারহাটের নায়েবের মোড়। তার বাড়িতে দেখা করতে গিয়েছিলেন এলাকার MLA এবং বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দোপাধ্যায়।কিন্তু সেই ঘটনার পর প্রায় ২মাস কেটে গেল।এখনো পর্যন্ত ১টাকাও ক্ষতিপূরণ পৌঁছায়নি রাজ্য সরকারের তরফে ।
কিন্তু তাসের সর্দার কে দিলেও, কেন অসীমা প্রামানিকের পরিবার ৫লক্ষ টাকা দেয়নি রাজ্য সরকার? কেন?কেন?অসীমা প্রামানিক হিন্দু বলে?নাকি অসীমা প্রামানিকরা দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক এই রাজ্যে? 

প্রেমপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় হিন্দু কলেজ ছাত্রীকে অ্যাসিড দিয়ে পুড়িয়ে মারার হুমকি মুসলিম যুবকের

প্রেমপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় এক হিন্দু কলেজ ছাত্রীকে অ্যাসিড দিয়ে পুড়িয়ে মারার হুমকি দিলো মুসলিম যুবক। ঘটনা দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার অন্তর্গত ক্যানিং-এর। আতঙ্কে কলেজ যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন ওই ছাত্রী। ইতিমধ্যেই নিরাপত্তা ও অভিযুক্ত আনোয়ার সরদারের  শাস্তি চেয়ে ক্যানিং থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই ছাত্রী। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ছাত্রী জানিয়েছেন, প্রায় মাস তিনেক ধরে কলেজে যাওয়া আসার পথে উত্যক্ত করতো আনোয়ার। তার বাড়ি তালদি এলাকার শিবনগর গ্রামে। সে বিবাহিত আনোয়ারকে পাত্তা না দেওয়ায় বেপরোয়া হয়ে ওঠে সে । একদিন কলেজ যাওয়ার পথে জোর করে মোবাইল কেড়ে নেয় সে। পরে মোবাইল ফেরত চাইলে আনোয়ার  ওই ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেয়। কিন্তু ছাত্রীটি প্রস্তাবে রাজি না হলে কলেজে যাওয়ার পথে অ্যাসিড দিয়ে পুড়িয়ে দেবার হুমকি দেয় আনোয়ার। আর তারপর থেকেই আতঙ্কে কলেজে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন ওই ছাত্রী। বিচার চেয়ে অভিযোগও করেছেন ক্যানিং থানায়। তবে এখনো পর্যন্ত অভিযুক্ত যুবক আনোয়ার সরদার গ্রেপ্তার হয়নি।

রোহিঙ্গা মুসলিম ও ভারতের নিরাপত্তা

শ্রী রজত রায় 

 অনেকের মুখে বলতে শুনেছি হিন্দুদের মধ্যে একতার খুব অভাব।একজনের বিপদে আরেকজন পাশে থাকে না। অন্যদিকে মুসলমানরা সবাই এক। একসঙ্গে নমাজ পড়ে।একসঙ্গে খায়। গোটা বিশ্বের মুসলমানরা নিজেদের এক ভাবে। আল্লা হো আকবর বললে সবাই এক সারিতে চলে আসে। একজনের বিপদে আরেকজন ঝাপিয়ে পড়ে।  এগুলি যদি সত্যি হয়, তবে রোহিঙ্গা মুসলমানদের এই দুর্দশা কেন? মায়ানমার সেনাবাহিনী এবং সেখানকার স্থানীয় বৌদ্ধদের সাড়াশি উৎপীড়নে উৎখাত রোহিঙ্গা মুসলমানদের পৃথিবীর কোন মুসলমান দেশ আশ্রয় দিচ্ছে না কেন? ওদের মুসলিম সৌভাতৃত্বের বাণী কোথায় গেলো? একমাত্র বাংলাদেশ, যেটা রাখাইন প্রদেশের(আরাকান, শরৎচন্দ্রের উপন্যাসে নামটা খুব পাওয়া যায়) উত্তর সীমান্তে ওদের বাসস্থানের একদম লাগোয়া, সেই দেশে ওরা আপনাআপনি ঢুকে পড়েছে। এছাড়া পৃথিবীর বহু মুসলিম দেশে আশ্রয়প্রার্থী হতে চাইলেও কেউ তাদের  আশ্রয় দিতে রাজী নয়।সবাই সীমান্ত থেকেই ওদের বিদায় করে দিচ্ছে। মুসলমান একতার, ভ্রাতৃত্ববোধের আদর্শের চিহ্নমাত্রও তো নেই।
           ২০১৪ এর এমেনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এর রিপোর্ট  ‘Left Out In The Cold’  অনুযায়ী Gulf Cooperation Council  যার মধ্যে সৌদি আরব, কাতার ,বাহরিন, কুয়েত,সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর মতো সব মুসলমান রাষ্ট্র আছে , তারা মুসলমান রাষ্ট্র সিরিয়ার একজন নির্যাতিত মুসলমানকেও আশ্রয় দেয় নি। একতা আর সৌভাতৃত্ব বোধ ভোজবাজীর মতো উধাও হয়ে গেলো কেন?
          এক চিত্র রাখাইন থেকে পালানো মুসলমানদের ক্ষেত্রেও। ১৯৮২ র ‘বার্মিজ সিটিজেনশিপ ল’ অনুযায়ী যদি কারো পূর্বপুরুষ ১৮২৩ সালের পূর্বে ঐ দেশের বাসিন্দা না হয়ে থাকে তবে সে ঐ দেশের নাগরিক বলে গন্য হবে না। তারা Resident Foreigners হিসেবে গন্য হবে।এমনকি তাদের মা বাবার একজন সে দেশের নাগরিক হলেও না। সামরিক শাসন থেকে মুক্তি পেয়ে ২০১৫ সালে দেশে নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠিত হবার পরেও সেই সরকার ওদের নাগরিকত্ব দিতে অস্বীকার করে। ২০১২ সালে এক বৌদ্ধমতাবলম্বী মহিলা রোহিঙ্গাদের দ্বারা গনধর্ষিতা এবং খুন হয়।তারপর স্থানীয় বৌদ্ধদের আক্রোশের মুখে ওদের পলায়ন শুরু হয়। এবার ২৫ শে আগস্ট রোহিঙ্গারা মায়ানমার সেনার একটা ক্যাম্প আক্রমন করে এবং সেইসঙ্গে ১২ জনকে হত্যা করে। তারপর থেকে মায়ানমার সেনাবাহিনী ওদের এলাকা তছনছ শুরু করে ।শুরু হয় গনপলায়ন। পৃথিবীতে এতগুলি মুসলিম দেশ আছে। অনেকগুলি পেট্রোলিয়ামের পয়সায় যথেষ্ট ধনী দেশ। সবাই কয়েকহাজার করে আশ্রয় দিলেই রোহিঙ্গা মুসলিমদের পুনর্বাসন হয়ে যায়?কিন্তু কেউ স্বেচ্ছায় ওদের একজনকেও নিতে রাজী হচ্ছে না কেন? ভারতবর্ষের যে রাজনীতিবিদরা রোহিঙ্গাদের আমাদের দেশে আশ্রয় দেবার ওকালতি করছেন, মানবিকতার দোহাই দিচ্ছেন, বলছেন , আমার রাজ্যের দরজা রোহিঙ্গা মুসলিমদের জন্য খোলা, তাদের মনে কি এই প্রশ্নটা আসছে না যে আরব, কাতার, লিবিয়া, বাহরিন এর মতো মুসলিম রাষ্ট্রগুলি কেন ওদের আশ্রয় দিচ্ছে না? ভারতে ওদের আশ্রয় দেবার ওকালতি কোন স্বার্থে? যে মানবিকতার দোহাই দেওয়া হচ্ছে, বাংলাদেশ, পাকিস্থানে হিন্দুর প্রতি নির্মম অত্যাচারের সময় এই মানবিকতা কোথায় থাকে? তখন নীরবতা কেন? রোহিঙ্গা মুসলমানদের দুঃখে কাতর আর পাকিস্তান, বাংলাদেশের হিন্দুদের দুঃখে উদাসীন , এর নাম কি মানবতা?ধর্মনিরপেক্ষতা?(চলবে )

কাশ্মীরের যুবসমাজে জিহাদের ভাবধারা প্রচার, গ্রেপ্তার সাজিয়া

সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ব্যবহার করে জম্মু-কাশ্মীরের যুবসমাজকে জঙ্গি ভাবধারায় উদ্বুদ্ধ করার অভিযোগে এক মহিলাকে গ্রেপ্তার করল নিরাপত্তা বাহিনী। তার নাম সাজিয়া। তার বাড়ি উত্তর কাশ্মীরের বান্দিপোরার সম্বল এলাকায়। উপত্যকায় এইধরনের ঘটনা আগেও একাধিকবার ঘটেছে। কিন্তু, কোনও ক্ষেত্রেই কোনও মহিলাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। অভিযোগ, ধৃত শাজিয়া তার ফেসবুক প্রোফাইল ব্যবহার করে উপত্যকার যুবসমাজকে ‘জিহাদ’ এবং হাতে অস্ত্র তুলে নেওয়ার জন্য উস্কানি দিত। জয়েশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে ধৃতের যোগ রয়েছে বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা।   শাজিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদে অংশ নেওয়া এক আধিকারিকের কথায়, ‘প্রাথমিকভাবে আমাদের অনুমান ওই মহিলাকে পুলিস ও নিরাপত্তা বাহিনীর গোপন তথ্য ও নথি জোগাড়ের জন্য ব্যবহার করত জঙ্গি সংগঠনগুলি।’ জেরায় একাধিক জঙ্গি কম্যান্ডারের নাম নিয়েছে শাজিয়া বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।

প্রসঙ্গত জঙ্গি কার্যকলাপে যুক্ত থাকার অভিযোগে গত সপ্তাহেই আরেক মহিলাকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিস। পুলিসের কাছে খবর ছিল, লাওয়াপোরা এলাকায় অস্ত্রশস্ত্র পাচারের মতলবে রয়েছে জঙ্গিরা। সেই মতো ওই এলাকায় হানা দিয়ে পুলিস ২৮ বছরের আয়সিয়া জানকে গ্রেপ্তার করে। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয় ২০টি গ্রেনেড এবং বেশিকিছু গুলি। ঘটনায় আয়সিয়াকে সাহায্য করার অভিযোগে তার দুই ভাইকেও আটক করে পুলিস।

পশ্চিমবঙ্গের জনবিন্যাস পরিবর্তনের প্রতিবাদে ক্যানিং-এ বিশাল মিছিল হিন্দু সংহতির

গতকাল দক্ষিণ 24 পরগনা জেলার মহকুমা শহর ক্যানিং-এ পরিকল্পিতভাবে পশ্চিমবঙ্গের জন বিন্যাস পরিবর্তনের বিরুদ্ধে এক বিশাল মিছিলের আয়োজন করলো হিন্দু সংহতি। এই মিছিলে ক্যানিং মহকুমার বিভিন্ন গ্রাম থেকে প্রচুর হিন্দু জনসাধারণ যোগ দেন। মিছিল থানার মোড় থেকে শুরু হয়ে পুরো ক্যানিং বাজার ঘুরে বাসস্ট্যান্ডে এসে শেষ হয়।মিছিল থেকে হিন্দু সংহতির কর্মীরা বাংলাদেশ থেকে আগত হিন্দুদের নাগরিকত্বের দাবিতে, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইনের দাবিতে এবং বাংলাদেশি মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে তাড়ানোর দাবিতে আওয়াজ তোলেন। হিন্দু সংহতির কর্মীদের শ্লোগানে পুরো ক্যানিং শহর সরগরম হয়ে ওঠে।বাসস্ট্যান্ডে কর্মীদের জমায়েতের সামনে একটি ছোট পথসভার আয়োজন হয়। সেই পথসভায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য, সহ সভাপতি সমীর গুহরায়(বাবুদা), সহ সভাপতি শ্রী অভিষেক বন্দোপাধ্যায়, সুষেন বিশ্বাস এবং ক্যানিং মহকুমার প্রমুখ কর্মী শ্রী দীনবন্ধু ঘরামীসহ অন্যান্যরা। পরে হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে এক প্রতিনিধিদল মহকুমা শাসকের কাছে হিন্দু সংহতির তিনটি দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি জমা দেয়। হিন্দু সংহতির সভাপতি জানিয়েছেন যে ক্যানিং থেকে যে আন্দোলন শুরু হলো, আগামীদিনে তা সারা রাজ্যব্যাপি ছড়িয়ে দেওয়া হবে এবং এই আন্দোলন ততদিন চলবে, যতদিন না পর্যন্ত সরকার হিন্দু সংহতির দাবিগুলি মেনে না নেয়।

সংখ্যালঘু হিন্দুর সুরক্ষায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি দিলো বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট

bdবাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ভবিষ্যত সুরক্ষিত করার লক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি দিলো সে দেশের হিন্দু স্বার্থে কাজ করা হিন্দু সংগঠন ‘বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট’।গত ৭ই নভেম্বর শেখ হাসিনাকে দেওয়া চিঠিতে মহাসচিব গোবিন্দ চন্দ্র প্রামানিক জাতীয় সংসদে ৫০টি আসন সংরক্ষণ করার দাবি জানিয়েছেন।এছাড়াও সংখ্যালঘু মন্ত্রক তৈরির দাবি এবং সংখ্যালঘুদের অভাব-অভিযোগের নিষ্পত্তির জন্যে সংখ্যালঘু কমিশন গঠনেরও দাবি জানিয়েছেন।কিন্তু এই দাবির কতটা বাস্তবায়ন হবে,কিংবা সংখ্যালঘু হিন্দুসমাজের নিরাপত্তা কতটা সুনিশ্চিত হবে,তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে।
এইবার ভারতের সঙ্গে তুলনা করে দেখা যাক।এদেশে সংখ্যালঘুর জন্যে আলাদা মন্ত্রক, আলাদা কমিশন, পৃথক ধর্মীয় শিক্ষার ব্যবস্থা।কিন্তু একটা মুসলিমপ্রধান দেশে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও অধিকার সুনিশ্চিত করার জন্যে কোনো ব্যবস্থা নেই।তাই ভারতের ধর্মনিরপেক্ষবাদীরা যতই দাবি করুক না কেন যে বাংলাদেশে হিন্দুধর্মালম্বী মানুষেরা ভালো আছে, বাস্তব কিন্তু সম্পূর্ণ উল্টো।

পশ্চিমবঙ্গের জনবিন্যাস পরিবর্তনের চক্রান্তের বিরুদ্ধে রাজ্যব্যাপী আন্দোলনে হিন্দু সংহতি

movement2১৯৫১ সালের জনগণনায় পশ্চিমবঙ্গে মুসলমান জনসংখ্যা ছিল ১৯.৮৫% আর ১৯৮১র জনগণনায় তা বেড়ে দাঁড়ায় ২১.৫১%| অর্থাৎ ৫১ থেকে ৮১ – এই ত্রিশ বছরে মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির পরিমাণ ১.৬৬%| কিন্তু ১৯৮১ থেকে পরবর্তী ত্রিশ বছরে পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ৫.৫% অর্থাৎ পূর্ববর্তী ত্রিশ বছরের তুলনায় তিনগুনেরও বেশী! কোনো একটি পত্রিকায় দেখলাম ত্বহা সিদ্দিকি দাবী করছেন জনসংখ্যার ভিত্তিতে নির্বাচনে মুসলমানদের জন্য আসন সংরক্ষণ করতে হবে| স্পষ্ট ইঙ্গিত – সেক্যুলারিজম হল মুসলমানের চোখে চোষা আমের আঁটির সমান| ৩৫% এ ধর্মের ভিত্তিতে আসন সংরক্ষণ| তারপরেই সরকারের মাথায় একজন সোরাবর্দী| তারপরেই হিন্দুর ঝাড়খন্ড কিংবা উড়ষ্যায় ঠাঁই খোঁজার পালা| এ যেন ৪৬-৪৭এর ইতিহাসের কপিপেস্ট হচ্ছে! আমাদের লড়াই ইতিহাসের চাকা বিপরীত দিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার লড়াই| এই আরব সাম্রাজ্যবাদের রণকৌশল হল ডেমোগ্রাফির পরিবর্তন ঘটিয়ে নিঃশব্দে গ্রেটার বাংলাদেশের বাস্তবায়ন|

বাংলাকে এই আরব সাম্রাজ্যবাদের গভীর ষড়যন্ত্রের হাত থেকে মুক্ত করতে হলে #জনসংখ্যা_নিয়ন্ত্রণ_আইন কঠোরভাবে লাগু করতে হবে| যারা আইন ভাঙবে, তাদেরকে সমস্ত সরকারী সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত করতে হবে, তাদের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে হবে, প্রয়োজনে তাদের শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে|

দ্বিতীয়ত, #নাগরিকত্ব_সংশোধন_আইন এনে বাংলাদেশ থেকে আগত অত্যাচারিত হিন্দুদেরকে বৈধ এবং সম্মানজনকভাবে ভারতে বসবাস করার অধিকার প্রদান করতে হবে|

তৃতীয়ত, পশ্চিমবঙ্গে বসবাসকারী বিদেশী, অবৈধ #অনুপ্রবেশকারীদের_চিহ্নিতকরণ_এবং_বিতাড়ন এর ব্যবস্থা করতে হবে|

এই কাজ করার দায়িত্ব সরকারের, কিন্তু আমাদের দায়িত্ব প্রবল সামাজিক চাপ সৃষ্টি করে সরকারকে এই কাজ করতে বাধ্য করা| এরজন্য পশ্চিমবঙ্গে দরকার একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক গণআন্দোলনের| আমরা রাজনৈতিক দল এবং নেতানেত্রীদের কাছে আমাদের ভাগ্যকে লীজ্ দিয়ে নিশ্চিন্ত হয়ে বসে থাকলে চলবে না| একটি প্রবল অরাজনৈতিক গণআন্দোলন সরকারকে (এই সরকার যে দলেরই হোক না কেন) বাধ্য করবে আমাদের দাবী মেনে নিতে| আসুন এবারে রাস্তায় দেখা হোক।