স্বদেশ সংহতি সংবাদ :ফেব্রুয়ারী ২০১৯

Image

Samhati Sambad_Feb_ 20191 copy

Advertisements

প্রিয়া সর্দারের অপহরণকারী মোক্তাউদ্দিন মোল্লা গ্রেপ্তার

গত ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ তে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার মিনাখা থানার অন্তর্গত গড় আবাদ গ্রামের হিন্দু নাবালিকা প্রিয়া সর্দারকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় মোক্তাউদ্দিন। পরে মেয়েকে ফিরে পাবার আশায় মোক্তাউদ্দিন মোল্লার বিরুদ্ধে মিনাখা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন প্রিয়ার পিতা মাধাই সর্দার। প্রথমে পুলিস গুরুত্ব না দিলেও পরে হিন্দু সংহতি এই ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করলে পুলিস সক্রিয় হয়। গত ১২ই মার্চ প্রিয়াকে উদ্ধার করে পুলিস। এবার অপহরনকারী মোক্তাউদ্দিন মোল্লাকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। এই গ্রেপ্তারে প্রিয়ার পরিবার স্বভাবতই খুশি। সেইসঙ্গে হিন্দু সমাজ থেকে হারিয়ে যেতে বসা একটি মেয়েকে ফিরিয়ে আনতে পেরে হিন্দু সংহতি সমাজের প্রতি দায়িত্ব পালন করেছে। হিন্দু সংহতি প্রথম থেকেই প্রিয়ার দরিদ্র পরিবারের পাশে থেকেছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। সেইসঙ্গে মিনাখা থানার পুলিস অফিসেরদেরকে ধন্যবাদ। 

হিন্দু সংহতির ১১তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন

গত ইংরেজি ২০০৮ সালের ১৪ই ফেব্রুয়ারি বাঙালি হিন্দুর আশা ভরসার আর এক নাম হিন্দু সংহতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। গত ১০ বছর ধরে যে সংগঠন প্রত্যন্ত গ্রাম বাংলার জিহাদে আক্রান্ত, অত্যাচারিত, নিপীড়িত হিন্দুর কল্যাণের লক্ষে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে।প্রতি বছর এই দিনটিতে প্রতিষ্ঠা দিবস কলকাতার বুকে পালিত হয় রানী রাসমণি এভিনিউ তে। কিন্তু এই বছর মাধ্যমিক পরীক্ষা থাকার কারণে মাইক ব্যবহারের অনুমতি না থাকায় এই অনুষ্ঠা হলে করতে হলো।আর তাই এই বছর ১১তম প্রতিষ্ঠা দিবস পালিত হলো কলকাতার ভারতসভা হল-এ। এই অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলার ৫০০ কর্মী-সমর্থক যোগ দেন। হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য ও স্বামী বলভদ্রজি মহারাজ ভারতমাতার ছবিতে পুষ্পার্ঘ্য এবং প্রদীপ জ্বালিয়ে সভার কাজ শুরু করেন। এছাড়াও এই অনুষ্ঠানে হিন্দু সংহতির নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। সভাপতি ছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহ সভাপতি শ্রী সমীর গুহরায়,শ্রী দেব চ্যাটার্জি ও কলকাতা হাইকোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী শ্রী শান্তনু সিংহ; সম্পাদক শ্রী সুন্দর গোপাল দাস, সহ সম্পাদক শ্রী সুজিত মাইতি ও শ্রী মুকুন্দ কোলে; কোষাধ্যক্ষ শ্রী সাগর হালদার, হুগলী জেলার সভাপতি শ্রী পার্থপ্রতিম ঘোষ, ক্যানিং এর বিশিষ্ট নেতৃত্ব শ্রী দীনবন্ধু ঘরামী, বনগাঁর নেতা শ্রী অজিত অধিকারী , নেত্রী স্নেহা নস্কর প্রমুখ। বক্তারা তাদের বক্তব্যে বাঙালি হিন্দুর সামনে পশ্চিমবঙ্গে অত্যাচারিত, বঞ্চিত হিন্দুদের চরম বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরেন এবং তার প্রতিকার, প্রতিরোধের উপায় তুলে ধরেন। সেই সঙ্গে হিন্দুদেরকে এই প্রতিরোধের কাজে সহযোগী হওয়ার আহ্বান জানান সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য মহাশয়। শেষে জাতীয় সংগীত গানের মাধ্যমে এবং আগামীদিনে পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে হিন্দু প্রতিরোধের কাজকে আরো শক্তিশালী করার শপথ নিয়ে সভার কাজ শেষ হয়।

হুগলির মশাটে হিন্দু সংহতির বার্ষিক বার্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো

পশ্চিমবাংলার মাটিতে আজ জিহাদিদের বাড়বাড়ন্ত, আকাশে বাতাসে তার পদধ্বনি।জিহাদের ঠেলায় পড়ে সাধারণ হিন্দুদের আজ নিঃস্বাস নেওয়া মুশকিল হয়ে পড়েছে।এমতবস্থায় পশ্চিমবাংলায় হিন্দু সংহতির সংগ্রামী কাজের প্রয়োজন রাজ্যের সব জেলার সাধারণ হিন্দু জনতা অনুভব করছেন।ঠিক এইরকম একটি পরিস্থিতিতে হিন্দু সংহতির বার্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো হুগলী জেলায়।এই বৈঠক মশাটের শ্রী কৃষ্ণ প্যালেসে ২১শে সেপ্টেম্বর থেকে২৩শে সেপ্টেম্বর- তিনদিন ব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়।রাজ্যের বিভিন্ন জেলার কয়েকশ কর্মী এই সম্মেলনে যোগ দেন।ভারতমাতার ছবিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে এবং প্রদীপ জ্বালিয়ে এই সমনেলনের শুভ সূচনা করেন হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য।সম্মেলনে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় হিন্দুদের বর্তমান অবস্থা, সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।এছাড়াও আগামীদিনে হিন্দু সংহতির কাজের বিষয়, কর্মপন্থা স্থির করা হয় এই বৈঠকে। হিন্দু সংহতির প্রদেশ কমিটির সমস্ত সদস্যমন্ডলী এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।শেষে ওঙ্কার ধ্বনি দিয়ে বৈঠক শেষে কর্মীরা হিন্দু স্বার্থে আগামী দিনগুলোতে জোরদার কাজ করার প্রতিজ্ঞা নিয়ে যে যার বাড়ি ফিরে যান

লাভ-জিহাদের শিকার হিঙ্গলগঞ্জ-এর নাবালিকা সুমিতা মন্ডল উদ্ধার

Photo2গত ১৯শে নভেম্বর  উত্তর ২৪  জেলার অন্তর্গত হিঙ্গলগঞ্জের হিন্দু নাবালিকা সুমিতা মন্ডল লাভ জিহাদের শিকার হয়ে মতিউর সরদার-এর সঙ্গে বাড়ি ছেড়েছিলো। সুমিতার পিতা তারপরের দিনই হিঙ্গলগঞ্জ থানায় FIR দায়ের করেছিলেন অভিযুক্ত মতিউর-এর বিরুদ্ধে। কিন্তু কোনো ভরসা না পেয়ে তিনি গত ২৬শে নভেম্বর  হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ হয়েছিলেন মেয়েকে ফিরে পাওয়ার আশায়। তারপরেই সুমিতাকে দ্রুত উদ্ধার করার জন্যে  হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে পুলিসের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়। তার ফলে গতকাল অর্থাৎ ২৭শে নভেম্বর রাত্রে হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিস সুমিতাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এতে সুমিতার পরিবার স্বভাবতই খুশি। সুমিতাকে দ্রুত উদ্ধার করায় হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিসকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এছাড়া ভবিষ্যতেও লাভ জিহাদের শিকার হওয়া হিন্দু মেয়েদেরকে  উদ্ধার করার কাজে হিন্দু সংহতি সবসময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবে বলে তিনি জানান।

পশ্চিমবঙ্গের জনবিন্যাস পরিবর্তনের প্রতিবাদে ক্যানিং-এ বিশাল মিছিল হিন্দু সংহতির

গতকাল দক্ষিণ 24 পরগনা জেলার মহকুমা শহর ক্যানিং-এ পরিকল্পিতভাবে পশ্চিমবঙ্গের জন বিন্যাস পরিবর্তনের বিরুদ্ধে এক বিশাল মিছিলের আয়োজন করলো হিন্দু সংহতি। এই মিছিলে ক্যানিং মহকুমার বিভিন্ন গ্রাম থেকে প্রচুর হিন্দু জনসাধারণ যোগ দেন। মিছিল থানার মোড় থেকে শুরু হয়ে পুরো ক্যানিং বাজার ঘুরে বাসস্ট্যান্ডে এসে শেষ হয়।মিছিল থেকে হিন্দু সংহতির কর্মীরা বাংলাদেশ থেকে আগত হিন্দুদের নাগরিকত্বের দাবিতে, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইনের দাবিতে এবং বাংলাদেশি মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে তাড়ানোর দাবিতে আওয়াজ তোলেন। হিন্দু সংহতির কর্মীদের শ্লোগানে পুরো ক্যানিং শহর সরগরম হয়ে ওঠে।বাসস্ট্যান্ডে কর্মীদের জমায়েতের সামনে একটি ছোট পথসভার আয়োজন হয়। সেই পথসভায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য, সহ সভাপতি সমীর গুহরায়(বাবুদা), সহ সভাপতি শ্রী অভিষেক বন্দোপাধ্যায়, সুষেন বিশ্বাস এবং ক্যানিং মহকুমার প্রমুখ কর্মী শ্রী দীনবন্ধু ঘরামীসহ অন্যান্যরা। পরে হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে এক প্রতিনিধিদল মহকুমা শাসকের কাছে হিন্দু সংহতির তিনটি দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি জমা দেয়। হিন্দু সংহতির সভাপতি জানিয়েছেন যে ক্যানিং থেকে যে আন্দোলন শুরু হলো, আগামীদিনে তা সারা রাজ্যব্যাপি ছড়িয়ে দেওয়া হবে এবং এই আন্দোলন ততদিন চলবে, যতদিন না পর্যন্ত সরকার হিন্দু সংহতির দাবিগুলি মেনে না নেয়।

জেলায় জেলায় হিন্দু সংহতির বিজয়া সম্মেলন

পূজাবকাশের পর পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় হিন্দু সংহতির আয়োজনে বিজয়া সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়ে চলেছে। গত ২৮শে অক্টোবর হাওড়া জেলার বাগনানে হিন্দু সংহতির কর্মীদের আয়োজনে বিজয়া সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো। এই অনুষ্ঠানে শতাধিক হিন্দু সংহতির কর্মী-সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য মহাশয়, সহ সম্পাদক শ্রী মুকুন্দ কোলে এবং বাগনান থানা এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মী শ্রী সুমন গোলুই প্রমুখ। এই অনুষ্ঠানে সভাপতি দেবতনু ভট্টাচার্য মহাশয় কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশ্যে  সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন।

  একইদিনে অর্থাৎ গত ২৮শে অক্টোবর, বর্ধমান জেলার কাটোয়াতে হিন্দু সংহতির বিজয়া সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানটি কাটোয়া থানা এলাকার বাঁদরাতে অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানেও শতাধিক হিন্দু সংহতির কর্মী-সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির  সহ সভাপতি দেব চট্টোপাধ্যায়, সহ সম্পাদক শ্রী সুজিত মাইতি, সহ সম্পাদক শ্রী বিশ্বজিৎ মজুমদার এবং কাটোয়া এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মী প্রশান্ত চক্রবর্তী।
  ওই একইদিনে ২৮শে অক্টোবর হুগলি জেলার চণ্ডীতলায় কানাইডাঙ্গা কালীমন্দির প্রাঙ্গনে  হিন্দু সংহতির বিজয়া সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির সম্পাদক শ্রী সুন্দর গোপাল দাস, হুগলি জেলা সভাপতি ডাঃ পার্থপ্রতিম ঘোষ, হুগলি জেলার হিন্দু সংহতির প্রমুখ কর্মী আশিস মান্না এবং বাবলু গরাং। এই অনুষ্ঠানে এলাকার হিন্দু কিশোর-কিশোরীরা লাঠিখেলা প্রদর্শনী করে। এছাড়াও ঐদিন হুগলি জেলার জাঙ্গিপাড়া ব্লকেও হিন্দু সংহতির বিজয়া সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির সম্পাদক শ্রী সুন্দর গোপাল দাস এবং  জেলা সভাপতি ডাঃ পার্থ প্রতিম ঘোষ। এই অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন হিন্দু সংহতির সম্পাদক সুন্দর গোপাল দাস মহাশয় এবং জেলা সভাপতি ডাঃ পার্থপ্রতিম ঘোষ মহাশয়। এই অনুষ্ঠানেও  শতাধিক হিন্দু সংহতির কর্মী সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। 

প্রেমপ্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় হিন্দু নাবালিকাকে কেমিক্যাল ইনজেকশন দিলো মুসলিম ছাত্র

প্রেম প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় স্কুলের মধ্যেই এক নাবালিকা ছাত্রীকে কেমিক্যাল ইনজেকশন দিলো স্কুলেরই মুসলিম ছাত্র। এই চাঞ্চল্যকর এবং অমানবিক ঘটনাটি ঘটেছে আসামের শিলচরের ঘুঙঘুর থানা এলাকার ললিত জৈন মেমোরিয়াল হাই স্কুলে। স্কুলেরই মুসলিম ছাত্র মহম্মদ রবিউল করিম মজুমদার স্কুলে যাওয়া আসার পথে সবসময় উত্যক্ত করতো হিন্দু নাবালিকা রমা দাস (নাম পরিবর্তিত, বয়স ১৪ বছর) কে। একাধিকবার প্রেম প্রস্তাবও দেয় রবিউল। কিন্তু তা প্রত্যাখ্যান করে রমা। কিন্তু তার ফলে যে এতবড়ো মূল্য দিতে হবে তা রমা নিজেও কল্পনা করতে পারেনি। গত ৭ই জুন, বৃহস্পতিবার স্কুলের ল্যাবরেটরিতে ক্লাস চলাকালীন রবিউল  পিছন থেকে রমার হাতে একটি সিরিঞ্জ ফুটিয়ে দেয়।  তারপর মেয়েটি বাড়ি ফিরে আসে। কিন্তু বিকেলে রমা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায়  তাকে শিলচর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ডাক্তাররা পরীক্ষা করে জানায় যে রমার শরীরে কেমিক্যাল ইনজেকশন করা হয়েছে। এই ঘটনায় দোষী রবিউল মজুমদারের গ্রেপ্তার ও শাস্তি চেয়ে ঘুঙঘুর থানায় রমার মা অভিযোগ দায়ের করেছেন। উনি স্থানীয় হিন্দু সংহতির কর্মীদের কাছেও সহযোগিতা চেয়েছেন। কিন্তু দোষী রবিউলকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিস। পুলিশ জানিয়েছে সে ও তার পরিবার পলাতক। রবিউলের গ্রেপ্তার চেয়ে গত ১১ই জুন, সোমবার হিন্দু সংহতির কর্মীরা ঘুঙঘুর থানায় ডেপুটেশন দেন।

বালিয়াবাসন্তি-তে পরম্পরাগত কালী মাতার আরাধনায় আমন্ত্রিত সংহতি সভাপতি

furfura(baliya-basonti)গত ১২ই জুন, হুগলী জেলার অন্তর্গত বালিয়াবাসন্তি(বর্তমানে ফুরফুরা শরীফ) এলাকার পরম্পরাগত রক্ষাকালী মায়ের আরাধনার প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত ছিলেন হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য মহাশয়। এই কালীমাতা এলাকার হিন্দুদের কাছে  ধাড়া মায়ের পুজো নাম পরিচিত। প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যায় এই বালিয়াবাসন্তি একসময় হিন্দু বাগদি রাজাদের রাজত্ব ছিল। কিন্তু মুসলিম আক্রমণকারীরা তা দখল করে নেয় এবং বাগদি রাজাদের রাজধানী ফুরফুরা শরীফে পরিণত হয়। এই ধাড়া কালিমায়ের পুজোর সঙ্গে স্থানীয় হিন্দুদের আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। এই পুজোতে আশেপাশের এলাকাগুলি থেকে বিশাল সংখ্যক হিন্দু উপস্থিত ছিল। এই অনুষ্ঠানে দেবতনু ভট্টাচার্যের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির অন্যতম উপদেষ্টা শ্রী শান্তনু সিংহ মহাশয় এবং সহ সম্পাদক শ্রী সুজিত মাইতি মহাশয়।

কাছাড়ের বন্যাদূর্গত হিন্দুদের ত্রাণ বিতরণ করলো হিন্দু সংহতি

গত ১৬ই জুন, শনিবার আসামের কাছাড় জেলার রংপুরের বন্যাদুর্গত হিন্দুদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলো হিন্দু সংহতির আসাম শাখার সদস্যরা।উল্লেখ্য  গত কয়েকদিন ধরেই কাছাড় জেলার বিভিন্ন অংশে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। তাতেই অনেক হিন্দু এলাকা বিশেষ করে রংপুরের শিমুলতলা ও আশেপাশের এলাকাগুলি জলে প্লাবিত হয়ে যায়। আর সেই সমস্ত মানুষগুলিকে খিচুড়ি বিতরণ করা হয় হিন্দু সংহতির তরফ থেকে। এই কাজে হিন্দু সংহতির তরুণ কর্মীরা উৎসাহের সঙ্গে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এই ট্রেন বিতরণের সময় কর্মীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির বরাক উপত্যকার দায়িত্বপ্রাপ্ত সভাপতি শ্রী পান্তু চন্দ মহাশয়।

আশ্রমের জমি দখলের চেষ্টা, রুখে দাঁড়ালো হিন্দু সংহতি

IMG-20180505-WA0002দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার মন্দিরবাজার আঁচনা। ওখানে রাস্তার ধারে সুশান্ত মহারাজের একটি আশ্রম রয়েছে, যা এলাকার সাধারণ হিন্দুদের কাছে অতি পরিচিত। আশ্রমের ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলিতে এলাকার হিন্দু জনসাধারণ উৎসাহের সঙ্গে যোগ দিয়ে থাকে। কিন্তু ওই জমির ওপর নজর স্থানীয় মুসলমানদের একাংশের। স্থানীয় মুসলমানদের একটি গোষ্ঠির সহযোগিতায় জাহির মোল্লা (পিতা-মৃত নাজিম মোল্লা) নামক ব্যক্তি দলবল নিয়ে এসে জমি দখল করে ঘর করতে শুরু করে। আশ্রমের সন্ন্যাসী বাধা দেন। তখনকার মতো কাজ বন্ধ করে চলে যায়। কিন্তু আশ্রমের মহারাজ জাহির মোল্লা ও স্থানীয় মুসলমানদের বিরুদ্ধে ডায়মন্ড হারবার মহকুমা আদালতে মামলা দায়ের করেন। কোর্ট গত ৩রা মে ওই জমির ওপর ১৪৪ ধারা জারি করে এবং মন্দিরবাজার থানার পুলিশকে নির্দেশ দেয় যে তারা যেন ২১জুন,২০১৮ -এর মধ্যে কোর্টে রিপোর্ট পেশ করে। কিন্তু কোর্টের আদেশ অমান্য করে গতকাল ৫ই মে, শনিবার মুসলমানরা আশ্রমের জায়গায় গায়ের জোরে ঘর তৈরি করতে শুরু করে। কিন্তু স্থানীয় হিন্দুরা সাহায্যের জন্যএগিয়ে আসেনি। এমনকি মন্দিরবাজার থানার পুলিশকে জানানো হলেও কোনো এক অজ্ঞাত কারণে পুলিশ সাহায্যের জন্যে এগিয়ে আসেনি। তখন সুশান্ত মহারাজ হিন্দু সংহতির প্রমুখ কর্মী শ্রী রাজকুমার সরদারকে ফোন সমস্যার কথা জানান এবং সাহায্যের জন্যে আবেদন করেন। শ্রী রাজকুমার সরদার হিন্দু সংহতির কর্মীদের নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে পুলিশের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়। পরে পুলিশ ওই জমিতে ঘর নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দেয়। বর্তমানে ওই স্থানে মন্দিরবাজার থানার পুলিশকর্মী মোতায়েন রয়েছে।