চীনা পণ্য বয়কটের ডাক দিলেন যোগগুরু বাবা রামদেব

ramdevভারতের মানুষকে চীনা পণ্য বয়কট করার আহ্বান জানালেন যোগগুরু বাবা রামদেব। সেই আহ্বানসহ টুইট করেছেন গতকাল। সন্ত্রাস প্রশ্নে পাকিস্তানকে বরাবরই সমর্থন জানিয়ে আসছে চীন। এমনকি চীনের ভেটো দেওয়ার ফলে মাসুদ আজহারকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী হিসেবে ঘোষণা করার চেষ্টা বাধা পাচ্ছে বারবার। তাই এবার চীনা পণ্য বর্জন করার ডাক দিলেন রামদেব।  তিনি তাঁর টুইটে বলেন, ”মাসুদ আজহারের সমর্থক চীন এবং তাদের নাগরিকদের সামাজিক, রাজনৈতিক এবং বাণিজ্যিকভাবে বয়কট করা উচিত আমাদের। চীন শুধু ব্যবসার ভাষা বোঝে। তাই ওদের অর্থনৈতিকভাবে বয়কট করলে, তা ওদের কাছে যুদ্ধের থেকেও ভয়ঙ্কর হবে”।

Advertisements

আসামে লাভ জিহাদের বিরুদ্ধে বাড়ি-বাড়ি ঘুরে প্রচার হিন্দু সংহতির

লাভ জিহাদের ফাঁদে পড়ে হিন্দু মেয়ের গৃহ ত্যাগ এবং ইসলামে ধর্মান্তরিত হওয়া নতুন ঘটনা নয়। কিন্তু এই লাভ জিহাদের বিরুদ্ধে হিন্দু সংহতি তার প্রতিষ্ঠার লগ্ন থেকে লড়াই করছে। সেই ধারা বজায় রেখে লাভ জিহাদের বিরুদ্ধে মানুষের সচেতনতা গড়ে তুলতে বাড়ি-বাড়ি অভিযান চালানো হলো আসামে।  হিন্দু সংহতির বরাক ভ্যালি ইউনিটের যুবক কর্মীরা লাভ জিহাদের বিরুদ্ধে গ্রামে-গ্রামে, পাড়ায়-পাড়ায় প্রচার চালাচ্ছেন বেশ কিছুদিন ধরেই। হিন্দু সংহতির কর্মীরা কাছাড় জেলার  শিলচর শহর, মালুগ্রাম প্রভৃতি এলাকার হিন্দু বাড়িতে গিয়ে হ্যান্ডবিল দেওয়াসহ প্রচার চালাচ্ছেন।  এই পর্যন্ত হিন্দু সংহতির কর্মীরা ২০০টি পরিবারে প্রচার চালিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে বরাক ভ্যালির হিন্দু সংহতি প্রধান সম্রাট দত্ত জানিয়েছেন, ”আমরা ১০০০ টি পরিবারে প্রচার চালানোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছি। তাই আগামী দিনগুলিতে হিন্দু সংহতির এই প্রচার অভিযান চলবে”।

ভিটে-মাটি ছাড়া রিয়াং হিন্দুদের পাশে দাঁড়ালো হিন্দু সংহতি

আসামের কাছাড় জেলায় হিন্দু রিয়াং উপজাতির বসবাস কয়েকশ বছর ধরে। সেখানেই বসবাস করে মার উপজাতিরা।কিন্তু খ্রিস্টান মিশনারিদের প্রভাবে এই মার(Hmar) উপজাতির বিশাল সংখক মানুষ খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছে। তারপরেই বিভিন্ন ভাবে রিয়াং উপজাতির হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষজনকে খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত করার জন্য চাপ দেওয়া হতে থাকে।কিন্তু এতকিছুর পরেও রিয়াং হিন্দুরা ধর্মান্তরিত হয়নি। আর তার ফলেই তাদের ওপর নেমে এলো খ্রিস্টানদের আক্রমণ। গত ১৮ই ফেব্রুয়ারি একদল মার(Hmar) উপজাতির খ্রিস্টান যুবক রিয়াংদের বাড়িঘরে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন লাগিয়ে দেয়। এতে আতঙ্কিত রিয়াং হিন্দুরা বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যায়। তাঁরা জিরিঘাটে পালিয়ে আসে। ঘটনার খবর পেয়ে হিন্দু সংহতির বরাক ভ্যালি ইউনিটের  সম্রাট দত্তের নেতৃত্বে হিন্দু সংহতির কর্মীরা ভিটে-মাটি ছাড়া রিয়াংদের সঙ্গে দেখা করেন। তারপর হিন্দু সংহতির উদ্যোগে তাদেরকে জিরিঘাট ইউনাইটেড ক্লাবে আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়, তাদেরকে প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।বর্তমানে তাঁরা ওই স্থানে রয়েছেন।

হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে রিয়াং হিন্দুদের পুনর্বাসন-এর দাবি জানানো হয়েছে প্রশাসনের কাছে। সেই সঙ্গে অভিযুক্ত মার(Hmar) খ্রিস্টান যুবকদের গ্রেপ্তার করারও দাবি জানানো হয়েছে। প্রশাসন যদি হিন্দু সংহতির দাবি না মেনে নেয়, তাহলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে হিন্দু সংহতি, এমনটাই জানিয়েছেন বরাক ভ্যালি ইউনিটের সভাপতি শ্রী সম্রাট দত্ত

করিমগঞ্জের দোহালিয়ার সর্বহারা হিন্দু পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ালো হিন্দু সংহতি

Dohaliyaগত ১০ই ফেব্রূয়ারি রাতে আসামের করিমগঞ্জ জেলার অন্তর্গত দোহালিয়ায় ২টি হিন্দু বাড়িতে আগুন দেয় মুসলিম দুষ্কৃতীরা। পুড়ে ছাই হয়ে যায় ১ টি হিন্দুর বাড়ির সর্বস্ব এবং এর একটি বাড়ির আংশিক ক্ষতি হয়। এমনকি বাড়ির পাশে থাকা একটি টিনের তৈরি মন্দির পুড়ে ছাই হয়ে যায়।সেই দিন থেকে ওই দুটি পরিবার খোলা আকাশের নিচে ত্রিপল খাটিয়ে বসবাস করছিল। কেউ সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেনি। এই রকম পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দু পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ালো হিন্দু সংহতির বরাক ভ্যালি ইউনিট। গতকাল ১৫ই ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার সেই পরিবারের হাতে ১০ টিন তুলে দেওয়া হয় হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে।

জানা গিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত ৪ঠা ফেব্রূয়ারি তারিখে। সেইদিন দুপুরে করিমগঞ্জ জেলার পাঠারকান্দি মডেল হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের আরবি শিক্ষক মাওলানা মেহবুব হাসান স্কুলের ভিতরেই দুই হিন্দু ছাত্রীর শ্লীলতাহানি করেন। এই মেহবুবপ্রতিবাদে পাথারকান্দি ও নিলামবাজারে পথ অবরোধ করে হিন্দুরা। এমনকি ওই আরবি শিক্ষককে স্কুলের বাইরে বেধড়ক মারধর করে বিক্ষুব্ধ জনতা।পরে ওই শিক্ষককে হাসপাতালে ভর্তি থাকতে হয়। এর প্রতিবাদে মাদ্রসা ছাত্রদের সংগঠন আমসা পথ অবরোধ করে। আর এই কারণেই দোহালিয়ায়  হিন্দুদের বাড়ি-ঘরে আগুন লাগানো হয় বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দোহালিয়াকে কেন বেছে নেওয়া হলো?কারণ দোহালিয়া পাহাড়ের কোলে একটি প্রত্যন্ত গ্রাম এবং যে গ্রামে হিন্দু সংখ্যালঘু-মাত্র ৩০০ হিন্দুর বাস। গ্রামটির দুরত্ব আসিমগঞ্জ বাজার থেকে ১ কিমি।তাই ওই অল্পসংখ্যক হিন্দু টার্গেটে পরিণত হলো ।আরো বড় ক্ষতি হতে পারতো, কিন্তু হিন্দুরা সজাগ থাকায় মুসলিম  দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। আর সেই হামলায় সর্বস্ব হারানো পরিবারদুটির পাশে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল হিন্দু সংহতি। হিন্দু সংহতির কর্মী অমিত রায় এবং শুভম দাস আসিমগঞ্জ বাজার থেকে প্রায় ১ কিমি পথ টিন মাথায় নিয়ে, পায়ে হেঁটে  গিয়ে পরিবারগুলোর হাতে সাহায্য পৌঁছে দেন।ভবিষ্যতেও ওই পরিবারগুলোর পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে।

কেরালা থেকে গ্রেপ্তার জেএমবি জিহাদি বোমা বিশেষজ্ঞ আব্দুল মতিন

abdul motinদক্ষিণ ভারতে বসে পশ্চিমবঙ্গে জঙ্গি কার্যকলাপ চালানোর ঘটনায় আব্দুল মতিন নামে একজনকে গ্রেপ্তার করল এসটিএফ। কেরলের মাল্লাপুরম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সেখানকার আদালত তার আটদিনের ট্রানজিট রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। তাকে এদিন কলকাতায় এনে ব্যাঙ্কশালের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে তোলা হয়। সরকারি আইনজীবী অভিজিৎ চট্টোপাধ্যায় বলেন, বুদ্ধগয়া বিস্ফোরণকাণ্ডে আব্দুল মতিনের যোগ থাকার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। সেইসঙ্গে এরাজ্যে জঙ্গি কার্যকলাপে তার যোগ থাকার তথ্যপ্রমাণ মিলেছে। তাই আরও তদন্তের জন্য তাকে হেফাজতে নেওয়া প্রয়োজন। আদালত আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাকে এসটিএফের হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয়। সূত্রের খবর, বর্ধমানের খাগড়াগড় বিস্ফোরণকাণ্ডের দুই ষড়যন্ত্রী ইউসুফ এবং কওসরের সঙ্গে আব্দুল মতিনের ঘনিষ্ঠতা ছিল। গত দু’বছর ধরে মতিন অনুমোদনহীন মাদ্রাসা থেকে শিক্ষিত ছেলেদের জোগাড় করে জঙ্গি সংগঠনে নিয়ে আসত বলে জানা গিয়েছে। এমনকী বিস্ফোরক তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজেও তার যুক্ত থাকার প্রমাণ মিলেছে।
গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, অসমের বরপেটার বাসিন্দা আব্দুল মতিন ২০১০ সাল নাগাদ মালদহের কালিয়াচকের একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। সেই সময় সে জেহাদি সংগঠনের প্রতি আকৃষ্ট হয়। প্রথমে কালিয়াচকের মাদ্রাসায় জাহিরুল শেখের কাছে জেহাদি কার্যকলাপের শিক্ষা নেয় এবং পরবর্তীকালে বর্ধমানের শিমুলিয়ার মাদ্রাসায় খাগড়াগড়কাণ্ডে জড়িত ইউসুফের কাছে জেহাদি পাঠ সম্পূর্ণ করে।
তদন্তে গোয়েন্দারা জেনেছেন, কালিয়াচকে মতিনের জেহাদি চর্চায় খুশি হয়ে ইউসুফই তাকে শিমুলিয়ায় নিয়ে গিয়েছিল। সেখানকার পাঠ চোকানোর পর মুর্শিদাবাদের লালগোলার মুকিমনগর এলাকার একটি মাদ্রাসায় হাতকাটা নাসিরুল্লার কাছে তার বিস্ফোরক বানানোর তালিম শুরু হয়। আইইডি থেকে টাইম বোমা—সবই বানাতে সে শিখে যায় দ্রুত। এরপরে মুকিমনগরেই সে অন্যদের বিস্ফোরক তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করে।
২০১৪ সালে খাগড়াগড় বিস্ফোরণের কিছুদিন আগেই এরাজ্যে জেএমবি মডিউলের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে কাজ শুরু করে মতিন। সেই থেকেই ইউসুফ শেখ এবং কওসরের সঙ্গে তার পুরোদমে কাজ শুরু। আরও প্রশিক্ষণের জন্য এরপর সে বাংলাদেশে যায়। এমনকী সেখান থেকে বিভিন্ন সময় বিস্ফোরণের সামগ্রীও এরাজ্যে নিয়ে আসে। খাগড়াগড় কাণ্ডের পর সে ইউসুফের সঙ্গে বাংলাদেশে পালিয়েছিল। সেখানে কওসরের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়। এরপর কওসরের নির্দেশেই সে দক্ষিণ ভারতে ফিরে আসে। ২০১৬ সাল থেকে মতিন ফের জেএমবি’র নতুন মডিউল তৈরির কাজ শুরু করে। মূলত অসম এবং পশ্চিমবঙ্গের বাংলাভাষী যুবকরা, যারা বিভিন্ন রাজ্যে শ্রমিকের কাজ করে, তাদের ‘মস্তিষ্ক প্রক্ষালন’ করে জেহাদি প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করে সে। এরপর কওসরের সঙ্গে ফের তার যোগাযোগ হয়। এমনকী বুদ্ধগয়ায় বিস্ফোরণ ঘটানো নিয়ে তাদের যে বৈঠক হয়েছিল, সেখানেও মতিন হাজির ছিল। বুদ্ধগয়ায় বিস্ফোরণের পর মতিন ফের মাঝেমধ্যেই এরা঩জ্যে আসা শুরু করে। জেএমবি’র পুরনো লোকজনকে ফের সক্রিয় করে তোলাই তার কাজ ছিল। কিন্তু শুধুমাত্র শ্রমিক দিয়ে সব কাজ হবে না, তাই অনুমোদনহীন মাদ্রাসার মাধ্যমে সেখানকার শিক্ষিত যুবকের জেহাদি প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করে।
মুর্শিদাবাদ, মালদহ এবং উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন মাদ্রাসাই এবার মতিনের লক্ষ্য ছিল। পাশাপাশি বিস্ফোরক তৈরির প্রশিক্ষণও দেওয়া শুরু করেছিল সে। তদন্তে গোয়েন্দারা জেনেছেন, হায়দরাবাদ, বেঙ্গালুরু এবং কেরলে বসেই জেএমবি মডিউলগুলি সক্রিয় করা এবং বিস্ফোরক তৈরির প্রশিক্ষণ দিচ্ছিল মতিন। সম্প্রতি কওসরকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় এসটিএফ মতিনের নাম পায়। সেই সূত্রেই তার খোঁজ চলে। অবশেষে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ভারতে মাদক কারবার চালাচ্ছে রোহিঙ্গা মুসলিমরা

rohingyaমায়ানমার থেকে পালিয়ে এসে কয়েক লক্ষ রোহিঙ্গা মুসলমান বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছিল। মানবিকতার কারণ দেখিয়ে তাদেরকে সবরকমের সুযোগ সুবিধা দিয়েছিল বাংলাদেশ সরকার। সরকারের উদ্যোগে তাদেরকে বাংলাদেশের কক্সবাজারের উখিয়া এবং টেকনাফ এলাকায় রাখা হয়েছে। কিন্তু রোহিঙ্গা মুসলিমরা বাংলাদেশে এসেই মাদক পাচার, খুন, চুরি ইত্যাদি কাজ চালাতে থাকে। মূলত তাদের মাধ্যমেই বাংলাদেশে নিষিদ্ধ মাদক ইয়াবা কারবারের রমরমা হয়। কিন্তু বিশাল সংখক রোহিঙ্গা মুসলমান সীমান্তের নজর এড়িয়ে এদেশে প্রবেশ করে এবং সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাস করছে। আর ভারতে থাকা সেই সব রোহিঙ্গা  মুসলিম অনুপ্রবেশকারীরা বাংলাদেশ থেকে মাদক দ্রব্য ইয়াবা ভারতে নিয়ে আসছে। কিন্তু মাদক ইয়াবা কি? ইয়াবা হলো একটি নেশার ট্যাবলেট, যা দেখতে গোলাপি রঙের হয়। মেথাফেটামাইন  এবং ক্যাফেইনের মিশ্রনে এই ট্যাবলেট তৈরি হয়। এই ট্যাবলেট প্রচুর পরিমানে ধরা পড়েছে বাংলাদেশে। ধরা পড়া পাচারকারীদের বেশিরভাগই রোহিঙ্গা মুসলিম। বাংলাদেশের গোয়েন্দাদের জেরায় জানা গিয়েছে যে রোহিঙ্গা মুসলিমরা এই ইয়াবা  ট্যাবলেট ভারতে থাকা রোহিঙ্গা মুসলিমদের মাধ্যমে ভারতে পাচার করছে। ফলে যদি এই মাদক পাচার না আটকানো হয়, তবে ভারতে যুবসমাজে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

বাঙালি হিন্দু অসমীয়া হিন্দুর আত্মীয়, বললেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা

himanta biswasharma

বাঙালি হিন্দু অসমীয়া হিন্দুর আত্মীয়, এমনটাই জানালেন আসামের মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। সেইসঙ্গে তিনি এও মনে করিয়ে দেন যে বাঙালি হিন্দু আসামে না থাকলে অসমীয়া হিন্দুরাই সমস্যায় পড়বে, তাই ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করে হিন্দুর অধিকার বজায় রাখার আহ্বান জানান মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। গুয়াহাটি তে একটি জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, আমরা অসমকে কিছুতেই দ্বিতীয় কাশ্মীর হতে দিতে পারি না। সেটা যাতে না হয়, তার জন্য অসম চুক্তির ৬নং ধারা সহ এই বিলের প্রয়োগ প্রয়োজন। তার দাবি বাংলাদেশের অনুপ্রবেশকারীদের জন্য অসমে হিন্দুদের জনসংখ্যা ১০% কমে গেছে। যা ১৯৭১ এহিন্দু সংখ্যা ছিল ৭১ শতাংশ। সেখানে ২০১১ তে তা কমেছে ৬১%। এরপর যদি বাংলাদেশ থেকে আসা ৮ লক্ষ হিন্দুকে বাদ দেওয়া হয়, তাহলে হিন্দু জনসংখ্যা কমে দাঁড়াবে ৫২% তে। আর তখনই বদরুদ্দিন আজমল অথবা সিরাজ উদ্দিন আজমল হবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী,বলে কটাক্ষ করেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের এক হাত নিয়ে বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এই বিলের বিরোধিতা করার প্রচার চালাচ্ছে সংখ্যালঘুদের সংগঠন। যারা নাগরিকত্ব বিলের বিরোধিতা করছেন তারা এই রাজ্যের অর্থনৈতিক উদ্বাস্তু।

কাকে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে আর কাকে দেওয়া হবে না, সেটা বলার অধিকার এদেরকে দিয়েছে বলে প্রশ্ন তোলেন তিনি। লোকসভা ভোটকে তিনি তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করেছেন এবং বলেছেন যাদের জন্য জম্মু-কাশ্মীরে রক্ত ঝরেছে তারা কিনা ধর্মনিরপেক্ষতার পাঠ পড়াচ্ছে। তিনি জনসভায় উপস্থিত জনতাকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, ” একবার আপনারা ধুবড়ী, পশ্চিম গোয়ালপাড়া, মানকাচরে ঘুরে আসুন। দেখবেন সেখানে হিন্দুদের কোনো অস্তিত্ব নেই। কালীপূজায় যদি প্রদীপ জ্বলে, সেটাই যথেষ্ট”। যেসব অসমীয়া হিন্দুরা বাঙালি নাগরিকত্ব বিলের বিরোধিতা করছেন তাদের বলেন, ” নিজের আত্মীয় বাঙালি হিন্দুর সঙ্গে ঝগড়া করার আগে নগাঁও, ধুবড়ী ঘুরে আসুন। অসমীয়া হিন্দুদের শত্রু বাঙালি হিন্দু নয়, বাঙালি মুসলমান। আসামের হিন্দুদের স্বার্থে আমৃত্যু সংগ্রাম করবেন কথা বলেন তিনি।

দুইয়ের বেশি সন্তান থাকলে ভোট দেওয়ার অধিকার কেড়ে নেওয়া উচিত : যোগগুরু রামদেব

ramdev

যোগগুরু বাবা রামদেব এর আগেও একবার জন্ম নিয়ন্ত্রণের জন্যে আইন আনার কথা বলেছিলেন, আবারও বললেন একই কথা। তবে এবার আরো কড়া হল তার বিধান। ভারতের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে বাবা রামদেবের পরামর্শ দুইয়ের বেশি সন্তান থাকলে তাদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া উচিত।এমন কি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অধিকারও তাদের দেওয়া উচিত নয়। আলিগড়ে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন,হিন্দু হোক বা মুসলিম দেশের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করতে দুইয়ের বেশি সন্তান থাকলে সেই দম্পতি সব রকম সুবিধা কেড়ে নিতে হবে। শুধু ভোটাধিকার নয় শিক্ষা, চাকরি, চিকিৎসার অধিকারও কেড়ে নেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। তিনি বলেছিলেন ২ এর বেশি সন্তান হলে সেই পরিবারকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা উচিত। এবারও তিনি ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার সঙ্গে বলেছেন,ওদের স্কুল ,কলেজ হাসপাতাল কোন কিছুই ব্যবহার করতে দেবেন না। সরকারি চাকরি ও করতে দেবেন না । তাহলেই দেখবেন জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে।

ভারত একটি হিন্দু রাষ্ট্র, মন্তব্য হিমন্ত বিশ্বশর্মার

himanta biswasharmaভারত একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র নয়, বরং এটি একটি হিন্দু রাষ্ট্র, যা বিগত ৫০০০ বছর ধরে থেকে এসেছে- এমনই মন্তব্য করলেন আসামের মন্ত্রী শ্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। গতকাল ২২শে জানুয়ারী, মঙ্গলবার সাংবাদিকদের করা এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এমনই মন্তব্য করেন। সাংবাদিক প্রশ্ন করেন যে, সংবিধান তো ধর্মনিরপেক্ষ, সেখানে কি করে হিন্দুত্বের কথা বলতে পারেন আপনি। প্রশ্নের উত্তরে হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন যে ধর্মনিরপেক্ষতা একটা শব্দ মাত্র। ভারতবর্ষ বিগত ৫০০০ বছর ধরে একটি হিন্দুরাষ্ট্র , যেখানে সনাতন, বৈদিক ধর্মের ঐতিহ্য বিরাজ করছে। শুধু মাত্র ধর্মনিরপেক্ষতার দোহাই দিয়ে সেই ঐতিহ্যকে অবহেলা করা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। তবে তার এই মন্তব্য ঘিরে আসামের সেক্যুলার মিডিয়া তাঁর বিরুদ্ধে নেমে পড়েছে। অনেকেই তাঁর বিরুদ্ধে সংবিধান অবমাননার অভিযোগ তুলেছেন। তা সত্বেও তিনি তাঁর মন্তব্যে অনড় রয়েছেন।

শবরীমালার ঐতিহ্য ধ্বংসের চেষ্টার প্রতিবাদে, কেরালার মুখ্যমন্ত্রীর ছবি পুড়িয়ে বিক্ষোভ হিন্দু সংহতির

কেরালার হিন্দুদের আবেগবিজড়িত শবরীমালা মন্দিরের ঐতিহ্য ধ্বংসের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সে রাজ্যের বাম সরকার । জোর করে , পুলিস-প্রশাসন দিয়ে মন্দিরের সম্মান ও পবিত্রতা ধ্বংসের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে কেরালার বাম সরকার। তারই প্রতিবাদে আজ হিন্দু সংহতির বারুইপুর জেলা ইউনিটের কর্মীরা কলকাতার ঢাকুরিয়ায় অবস্থিত কেরালার ট্যুরিজম অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখায়।এই বিক্ষোভে হিন্দু  সংহতির কয়েকশ কর্মী অংশ নেয়।হিন্দু সংহতির কর্মীরা শবরীমালা মন্দিরের ঐতিহ্য ধ্বংসের প্রতিবাদে এবং কেরালার হিন্দুদের ওপর বাম সরকারের দমন-পীড়নের প্রতিবাদে কেরালার স্টেট ট্যুরিজম অফিসের সামনে শ্লোগান দেয়। মাথায় গেরুয়া ফেট্টি বেঁধে, হাতে হিন্দু সংহতির পতাকা নিয়ে হিন্দু সংহতির কর্মীরা বিক্ষোভ দেখায়। হিন্দু সংহতির কর্মীরা ট্যুরিজম অফিসের কর্মীদেরকে বের করে অফিসের শাটার নামিয়ে তালা লাগিয়ে দেয়। তারপর ওই অফিসের সামনে কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের ছবি পোড়ানো হয়।এ শবরীমালা রক্ষায় কেরালার হিন্দুদের সমর্থন জানাতে আগামীদিনেও হিন্দু সংহতি পথে নামতে কুন্ঠাবোধ করবে না। 

লোকসভায় পাশ হলো নাগরিকত্ব বিল

তুমুল বিতর্ক এবং বিরোধী দলগুলির বিরোধিতা সত্বেও লোকসভায় পাশ হয়ে গেলো নাগরিকত্ব বিল।  এর ফলে  বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে আসা ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা ভারতের নাগরিকত্ব পাবেন। গতকাল ৮ই জানুয়ারী লোকসভায় এই বিল পাশ হয়। বিল পেশের আগে সব বিরোধী দলগুলি বিতর্কে অংশ নেয়। তামাম বিরোধী দলগুলি এই বিলের বিরোধিতায় বক্তব্য রাখেন। তাদের মধ্যে কয়েকটিদল এই তালিকায় বাংলাদেশী মুসলমানদের অন্তর্ভুক্ত করারও দাবি জানান। এই নিয়ে দীর্ঘসময় পর্যন্ত সংসদে বিতর্ক চলতে থাকে। এর উত্তরে সংসদে রাজনাথ সিংহ বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন যে যারা ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হচ্ছেন, তাঁরা সেদেশে সংখ্যালঘু এবং তাদের ভারত ছাড়া যাওয়ার আর কোনও জায়গা নেই। তিনি আরও বলেন যে এই  তিন দেশের নির্যাতিত সংখ্যালঘুদের আশ্রয় দেওয়া কোনও ভাবেই সংবিধান-বিরোধী নয়। এই আইন পাশের ফলে বৈধ নথি না থাকলেও নাগরিকত্বের আবেদন জানাতে পারবেন। কিন্তু লোকসভায় পাশ হলেও, রাজ্যসভায় পাশ করাতে যথেষ্ট বেগ পেতে হতে পারে মোদী সরকারকে।

৫রোহিঙ্গা মুসলিমকে মায়ানমারে ফেরত পাঠালো কেন্দ্র

Members of a Muslim Rohingya family sit as they pose for a photograph with Indian and Myanmar security officials before their deportation on India-Myanmar border at Morehভারতে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশকারী ৫ সদস্যের একটি রোহিঙ্গা মুসলিম পরিবারকে গত ৩রা জানুয়ারী, বৃহস্পতিবার মায়ানমারে ফেরত পাঠালো কেন্দ্র সরকার, সংবাদ সংস্থা রয়টার্স সূত্রে এমন খবর জানা  গিয়েছে। আরো জানা গিয়েছে যে ওই রোহিঙ্গা মুসলিম পরিবারটি গত ২০১৪ খ্রিস্টাব্দে বেআইনিভাবে মনিপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে এবং পরে আসাম পুলিসের হাতে গ্রেপ্তার হয়। সেই থেকে তারা আসামে জেলবন্দি ছিল। কিন্তু গত বছর কেন্দ্র সরকার ঘোষণা করে যে রোহিঙ্গা মুসলিমরা ভারতের নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক। আর তারপরেই এদেশে অবৈধভাবে থাকা রোহিঙ্গা মুসলিমদের চিহ্নিত করার কাজ শুরু করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক এবং তারপরেই রোহিঙ্গাদের মায়ানমারে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। সেই মতো গত বছরে অক্টোবর মাসে ৭জন রোহিঙ্গা মুসলিমকে মায়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়। তারপরেই ৫ জন রোহিঙ্গা মুসলিমকে ফেরত পাঠানো হলো। তাদেরকে মনিপুর সীমান্ত দিয়ে মায়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়। সংবাদ সংস্থা রয়টার্স ওই রোহিঙ্গা মুসলিমদের একটি ছবিও প্রকাশ করেছে, যাতে ওই রোহিঙ্গাদের সঙ্গে ভারত এবং মায়ানমারের বিদেশমন্ত্রকের অফিসারদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে।

শবরীমালা রক্ষায় ভিক্টোরিয়ার সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন কলকাতার মালয়ালীদের

sdsdশবরীমালা মন্দিরের পবিত্রতা রক্ষার আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করলেন কলকাতায় বসবাসরত শতাধিক মালায়ালী হিন্দু। গতকাল ৫ই জানুয়ারী, শনিবার শতাধিক পুরুষ ও মহিলা হাতে প্ল্যাকার্ড, প্রদীপ ও ফুলসহ পুজোর থালা হাতে নিয়ে মন্দিরের পবিত্রতা রক্ষায় কেরালার হিন্দু জনতার আন্দোলনকে সমর্থন জানান। অনেকের মাথায় ‘সেভ শবরীমালা’ লেখা ফেট্টি বাঁধা ছিল। প্রসঙ্গত কলকাতায় খুব কম সংখক মালয়ালম হিন্দু বসবাস করেন। কিন্তু তাদের এই ক্ষুদ্র পরিসরের প্রতিবাদ কেরালার আন্দোলনরত হিন্দু জনতাকে সমর্থন যোগাবে, এমনটাই ধারণা বিক্ষোভকারীদের। এ প্রসঙ্গে হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য বলেন, ”শবরীমালা মন্দিরের ঐতিহ্য ও পবিত্রতা রক্ষায় কেরালার হিন্দুদের আন্দোলনের প্রতি হিন্দু সংহতির পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।”এছাড়াও তিনি বলেন ”ভবিষ্যতে কলকাতার মালয়ালী হিন্দুরা যদি বৃহৎ পরিসরে আন্দোলন করে, হিন্দু সংহতি তাদের পাশে থাকবে। ”

অযোধ্যায় ২২১ মিটার শ্রী রাম-এর মূর্তি তৈরির ঘোষণা করলেন যোগী আদিত্যনাথ

lord-ram.jpegঅযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণ নিয়ে এখন গোটা দেশে হইচই শুরু হয়েছে। এরইমধ্যে অযোধ্যায় ২২১ মিটার উঁচু রামচন্দ্রের ব্রোঞ্জের মূর্তি তৈরির কথা ঘোষণা করে বড়সড় চমক দিল উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ সরকার। এটিই হবে বিশ্বের উচ্চতম মূর্তি। গত ২৪শে নভেম্বর, শনিবার সন্ধ্যায় যোগী সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান উত্তরপ্রদেশের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি (তথ্য) অবনীশ অবস্থি। তিনি বলেন, মূল মূর্তিটির উচ্চতা হবে ১৫১ মিটার। কিন্তু রামচন্দ্রের মূর্তির মাথার উপর যে ছাতা থাকবে তার দৈর্ঘ্য হবে ২০ মিটার। এছাড়া নীচে বেদীর উচ্চতা হবে ৫০ মিটার। সেখানে একটি জাদুঘর তৈরি করা হবে। প্রায় ১০০ এক জমির উপর জমির উপর তৈরি হবে এই রামমূর্তি। পাশাপাশি সরযূ নদীর তীরও সাজিয়ে তোলা হবে। ইতিমধ্যে পাঁচটি সংস্থাকে বাছা হয়েছে। গতকাল মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সামনে প্রেজেন্টেশনও দিয়েছে তারা। মূর্তি বসানোর জন্য মাটির পরীক্ষাও করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, গত ৩১ অক্টোবর গুজরাতে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ১৮২ মিটার উঁচু মূর্তির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই মুহূর্তে এটিই বিশ্বের উচ্চতম মূর্তি।

অমৃতসরে শিখ ধর্মালম্বীদের অনুষ্ঠানে গ্রেনেড হামলা, মৃত ৩, আহত ২০

shikhজঙ্গি অনুপ্রবেশের খবর পেয়ে দু’দিন আগেই রাজ্য জুড়ে সতর্কতা জারি করেছিল পঞ্জাব সরকার। তার পরেও গতকাল ১৯শে নভেম্বর, সোমবার অমৃতসরের শিখ ধর্মালম্বীদের এক ধর্মীয় সমাবেশে গ্রেনেড বিস্ফোরণে মৃত্যু হল ৩ জনের।

পুলিশ জানায়, গতকাল রাজাসংসী গ্রামের নিরঙ্কারি ভবনে প্রার্থনার জন্য জমা হয়েছিলেন নিরঙ্কারি শিখ সম্প্রদায়ের কয়েকশো সদস্য। বেলা ১২টা নাগাদ মোটরবাইকে এসে তাঁদের দিকে গ্রেনেড ছোড়ে মুখোশধারী দুই ব্যক্তি। ঘটনাস্থলেই নিহত হন ৩ জন। আহত ২০। প্রাথমিক তদন্তের পরে পুলিশ মনে করছে, এই হামলা চালিয়েছে জঙ্গিরাই। পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের মদতে পুষ্ট খলিস্তানি বা কাশ্মীরি জঙ্গি সংগঠনের হাত থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না মুখ্যমন্ত্রী অমরেন্দ্র সিংহ। জইশ ই মহম্মদের ছয় বা সাত জন জঙ্গি পঞ্জাবে ঢুকেছে এবং তারা ফিরোজপুরে রয়েছে বলে বৃহস্পতিবারই সতর্ক করেছিলেন গোয়েন্দারা। বলা হয়েছিল, দিল্লির দিকে যাওয়ার চেষ্টা করছে ওই জঙ্গিরা। গত সপ্তাহে পঠানকোটের মাধোপুরে চালকের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে একটি এসইউভি ছিনতাইয়ের ঘটনায় জঙ্গি হামলার আশঙ্কা আরও বাড়ে। পঞ্জাব পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল সুরেশ অরোরা বলেছেন, ‘‘এই হামলা জঙ্গিদের কাজ বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ, কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তির উপরে হামলা হয়নি, হামলা হয়েছে একটি সম্প্রদায়ের উপরে। অকারণে এক দল মানুষের উপরে গ্রেনেড ছোড়ার আর কোনও কারণ নেই।’’ মৃতদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী অমরেন্দ্র সিংহ। আহতদের বিনামূল্যে চিকিৎসার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে সরকার। হামলাকারীদের গোপন ঘাঁটির খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশের একাধিক দল।