শবরীমালার ঐতিহ্য ধ্বংসের চেষ্টার প্রতিবাদে, কেরালার মুখ্যমন্ত্রীর ছবি পুড়িয়ে বিক্ষোভ হিন্দু সংহতির

কেরালার হিন্দুদের আবেগবিজড়িত শবরীমালা মন্দিরের ঐতিহ্য ধ্বংসের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সে রাজ্যের বাম সরকার । জোর করে , পুলিস-প্রশাসন দিয়ে মন্দিরের সম্মান ও পবিত্রতা ধ্বংসের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে কেরালার বাম সরকার। তারই প্রতিবাদে আজ হিন্দু সংহতির বারুইপুর জেলা ইউনিটের কর্মীরা কলকাতার ঢাকুরিয়ায় অবস্থিত কেরালার ট্যুরিজম অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখায়।এই বিক্ষোভে হিন্দু  সংহতির কয়েকশ কর্মী অংশ নেয়।হিন্দু সংহতির কর্মীরা শবরীমালা মন্দিরের ঐতিহ্য ধ্বংসের প্রতিবাদে এবং কেরালার হিন্দুদের ওপর বাম সরকারের দমন-পীড়নের প্রতিবাদে কেরালার স্টেট ট্যুরিজম অফিসের সামনে শ্লোগান দেয়। মাথায় গেরুয়া ফেট্টি বেঁধে, হাতে হিন্দু সংহতির পতাকা নিয়ে হিন্দু সংহতির কর্মীরা বিক্ষোভ দেখায়। হিন্দু সংহতির কর্মীরা ট্যুরিজম অফিসের কর্মীদেরকে বের করে অফিসের শাটার নামিয়ে তালা লাগিয়ে দেয়। তারপর ওই অফিসের সামনে কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের ছবি পোড়ানো হয়।এ শবরীমালা রক্ষায় কেরালার হিন্দুদের সমর্থন জানাতে আগামীদিনেও হিন্দু সংহতি পথে নামতে কুন্ঠাবোধ করবে না। 

Advertisements

লোকসভায় পাশ হলো নাগরিকত্ব বিল

তুমুল বিতর্ক এবং বিরোধী দলগুলির বিরোধিতা সত্বেও লোকসভায় পাশ হয়ে গেলো নাগরিকত্ব বিল।  এর ফলে  বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে আসা ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা ভারতের নাগরিকত্ব পাবেন। গতকাল ৮ই জানুয়ারী লোকসভায় এই বিল পাশ হয়। বিল পেশের আগে সব বিরোধী দলগুলি বিতর্কে অংশ নেয়। তামাম বিরোধী দলগুলি এই বিলের বিরোধিতায় বক্তব্য রাখেন। তাদের মধ্যে কয়েকটিদল এই তালিকায় বাংলাদেশী মুসলমানদের অন্তর্ভুক্ত করারও দাবি জানান। এই নিয়ে দীর্ঘসময় পর্যন্ত সংসদে বিতর্ক চলতে থাকে। এর উত্তরে সংসদে রাজনাথ সিংহ বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন যে যারা ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হচ্ছেন, তাঁরা সেদেশে সংখ্যালঘু এবং তাদের ভারত ছাড়া যাওয়ার আর কোনও জায়গা নেই। তিনি আরও বলেন যে এই  তিন দেশের নির্যাতিত সংখ্যালঘুদের আশ্রয় দেওয়া কোনও ভাবেই সংবিধান-বিরোধী নয়। এই আইন পাশের ফলে বৈধ নথি না থাকলেও নাগরিকত্বের আবেদন জানাতে পারবেন। কিন্তু লোকসভায় পাশ হলেও, রাজ্যসভায় পাশ করাতে যথেষ্ট বেগ পেতে হতে পারে মোদী সরকারকে।

৫রোহিঙ্গা মুসলিমকে মায়ানমারে ফেরত পাঠালো কেন্দ্র

Members of a Muslim Rohingya family sit as they pose for a photograph with Indian and Myanmar security officials before their deportation on India-Myanmar border at Morehভারতে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশকারী ৫ সদস্যের একটি রোহিঙ্গা মুসলিম পরিবারকে গত ৩রা জানুয়ারী, বৃহস্পতিবার মায়ানমারে ফেরত পাঠালো কেন্দ্র সরকার, সংবাদ সংস্থা রয়টার্স সূত্রে এমন খবর জানা  গিয়েছে। আরো জানা গিয়েছে যে ওই রোহিঙ্গা মুসলিম পরিবারটি গত ২০১৪ খ্রিস্টাব্দে বেআইনিভাবে মনিপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে এবং পরে আসাম পুলিসের হাতে গ্রেপ্তার হয়। সেই থেকে তারা আসামে জেলবন্দি ছিল। কিন্তু গত বছর কেন্দ্র সরকার ঘোষণা করে যে রোহিঙ্গা মুসলিমরা ভারতের নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক। আর তারপরেই এদেশে অবৈধভাবে থাকা রোহিঙ্গা মুসলিমদের চিহ্নিত করার কাজ শুরু করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক এবং তারপরেই রোহিঙ্গাদের মায়ানমারে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। সেই মতো গত বছরে অক্টোবর মাসে ৭জন রোহিঙ্গা মুসলিমকে মায়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়। তারপরেই ৫ জন রোহিঙ্গা মুসলিমকে ফেরত পাঠানো হলো। তাদেরকে মনিপুর সীমান্ত দিয়ে মায়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়। সংবাদ সংস্থা রয়টার্স ওই রোহিঙ্গা মুসলিমদের একটি ছবিও প্রকাশ করেছে, যাতে ওই রোহিঙ্গাদের সঙ্গে ভারত এবং মায়ানমারের বিদেশমন্ত্রকের অফিসারদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে।

শবরীমালা রক্ষায় ভিক্টোরিয়ার সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন কলকাতার মালয়ালীদের

sdsdশবরীমালা মন্দিরের পবিত্রতা রক্ষার আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করলেন কলকাতায় বসবাসরত শতাধিক মালায়ালী হিন্দু। গতকাল ৫ই জানুয়ারী, শনিবার শতাধিক পুরুষ ও মহিলা হাতে প্ল্যাকার্ড, প্রদীপ ও ফুলসহ পুজোর থালা হাতে নিয়ে মন্দিরের পবিত্রতা রক্ষায় কেরালার হিন্দু জনতার আন্দোলনকে সমর্থন জানান। অনেকের মাথায় ‘সেভ শবরীমালা’ লেখা ফেট্টি বাঁধা ছিল। প্রসঙ্গত কলকাতায় খুব কম সংখক মালয়ালম হিন্দু বসবাস করেন। কিন্তু তাদের এই ক্ষুদ্র পরিসরের প্রতিবাদ কেরালার আন্দোলনরত হিন্দু জনতাকে সমর্থন যোগাবে, এমনটাই ধারণা বিক্ষোভকারীদের। এ প্রসঙ্গে হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য বলেন, ”শবরীমালা মন্দিরের ঐতিহ্য ও পবিত্রতা রক্ষায় কেরালার হিন্দুদের আন্দোলনের প্রতি হিন্দু সংহতির পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।”এছাড়াও তিনি বলেন ”ভবিষ্যতে কলকাতার মালয়ালী হিন্দুরা যদি বৃহৎ পরিসরে আন্দোলন করে, হিন্দু সংহতি তাদের পাশে থাকবে। ”

অযোধ্যায় ২২১ মিটার শ্রী রাম-এর মূর্তি তৈরির ঘোষণা করলেন যোগী আদিত্যনাথ

lord-ram.jpegঅযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণ নিয়ে এখন গোটা দেশে হইচই শুরু হয়েছে। এরইমধ্যে অযোধ্যায় ২২১ মিটার উঁচু রামচন্দ্রের ব্রোঞ্জের মূর্তি তৈরির কথা ঘোষণা করে বড়সড় চমক দিল উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ সরকার। এটিই হবে বিশ্বের উচ্চতম মূর্তি। গত ২৪শে নভেম্বর, শনিবার সন্ধ্যায় যোগী সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান উত্তরপ্রদেশের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি (তথ্য) অবনীশ অবস্থি। তিনি বলেন, মূল মূর্তিটির উচ্চতা হবে ১৫১ মিটার। কিন্তু রামচন্দ্রের মূর্তির মাথার উপর যে ছাতা থাকবে তার দৈর্ঘ্য হবে ২০ মিটার। এছাড়া নীচে বেদীর উচ্চতা হবে ৫০ মিটার। সেখানে একটি জাদুঘর তৈরি করা হবে। প্রায় ১০০ এক জমির উপর জমির উপর তৈরি হবে এই রামমূর্তি। পাশাপাশি সরযূ নদীর তীরও সাজিয়ে তোলা হবে। ইতিমধ্যে পাঁচটি সংস্থাকে বাছা হয়েছে। গতকাল মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সামনে প্রেজেন্টেশনও দিয়েছে তারা। মূর্তি বসানোর জন্য মাটির পরীক্ষাও করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, গত ৩১ অক্টোবর গুজরাতে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ১৮২ মিটার উঁচু মূর্তির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই মুহূর্তে এটিই বিশ্বের উচ্চতম মূর্তি।

অমৃতসরে শিখ ধর্মালম্বীদের অনুষ্ঠানে গ্রেনেড হামলা, মৃত ৩, আহত ২০

shikhজঙ্গি অনুপ্রবেশের খবর পেয়ে দু’দিন আগেই রাজ্য জুড়ে সতর্কতা জারি করেছিল পঞ্জাব সরকার। তার পরেও গতকাল ১৯শে নভেম্বর, সোমবার অমৃতসরের শিখ ধর্মালম্বীদের এক ধর্মীয় সমাবেশে গ্রেনেড বিস্ফোরণে মৃত্যু হল ৩ জনের।

পুলিশ জানায়, গতকাল রাজাসংসী গ্রামের নিরঙ্কারি ভবনে প্রার্থনার জন্য জমা হয়েছিলেন নিরঙ্কারি শিখ সম্প্রদায়ের কয়েকশো সদস্য। বেলা ১২টা নাগাদ মোটরবাইকে এসে তাঁদের দিকে গ্রেনেড ছোড়ে মুখোশধারী দুই ব্যক্তি। ঘটনাস্থলেই নিহত হন ৩ জন। আহত ২০। প্রাথমিক তদন্তের পরে পুলিশ মনে করছে, এই হামলা চালিয়েছে জঙ্গিরাই। পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের মদতে পুষ্ট খলিস্তানি বা কাশ্মীরি জঙ্গি সংগঠনের হাত থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না মুখ্যমন্ত্রী অমরেন্দ্র সিংহ। জইশ ই মহম্মদের ছয় বা সাত জন জঙ্গি পঞ্জাবে ঢুকেছে এবং তারা ফিরোজপুরে রয়েছে বলে বৃহস্পতিবারই সতর্ক করেছিলেন গোয়েন্দারা। বলা হয়েছিল, দিল্লির দিকে যাওয়ার চেষ্টা করছে ওই জঙ্গিরা। গত সপ্তাহে পঠানকোটের মাধোপুরে চালকের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে একটি এসইউভি ছিনতাইয়ের ঘটনায় জঙ্গি হামলার আশঙ্কা আরও বাড়ে। পঞ্জাব পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল সুরেশ অরোরা বলেছেন, ‘‘এই হামলা জঙ্গিদের কাজ বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ, কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তির উপরে হামলা হয়নি, হামলা হয়েছে একটি সম্প্রদায়ের উপরে। অকারণে এক দল মানুষের উপরে গ্রেনেড ছোড়ার আর কোনও কারণ নেই।’’ মৃতদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী অমরেন্দ্র সিংহ। আহতদের বিনামূল্যে চিকিৎসার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে সরকার। হামলাকারীদের গোপন ঘাঁটির খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশের একাধিক দল।

কাশ্মীরের যুবসমাজে জিহাদের ভাবধারা প্রচার, গ্রেপ্তার সাজিয়া

সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ব্যবহার করে জম্মু-কাশ্মীরের যুবসমাজকে জঙ্গি ভাবধারায় উদ্বুদ্ধ করার অভিযোগে এক মহিলাকে গ্রেপ্তার করল নিরাপত্তা বাহিনী। তার নাম সাজিয়া। তার বাড়ি উত্তর কাশ্মীরের বান্দিপোরার সম্বল এলাকায়। উপত্যকায় এইধরনের ঘটনা আগেও একাধিকবার ঘটেছে। কিন্তু, কোনও ক্ষেত্রেই কোনও মহিলাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। অভিযোগ, ধৃত শাজিয়া তার ফেসবুক প্রোফাইল ব্যবহার করে উপত্যকার যুবসমাজকে ‘জিহাদ’ এবং হাতে অস্ত্র তুলে নেওয়ার জন্য উস্কানি দিত। জয়েশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে ধৃতের যোগ রয়েছে বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা।   শাজিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদে অংশ নেওয়া এক আধিকারিকের কথায়, ‘প্রাথমিকভাবে আমাদের অনুমান ওই মহিলাকে পুলিস ও নিরাপত্তা বাহিনীর গোপন তথ্য ও নথি জোগাড়ের জন্য ব্যবহার করত জঙ্গি সংগঠনগুলি।’ জেরায় একাধিক জঙ্গি কম্যান্ডারের নাম নিয়েছে শাজিয়া বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।

প্রসঙ্গত জঙ্গি কার্যকলাপে যুক্ত থাকার অভিযোগে গত সপ্তাহেই আরেক মহিলাকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিস। পুলিসের কাছে খবর ছিল, লাওয়াপোরা এলাকায় অস্ত্রশস্ত্র পাচারের মতলবে রয়েছে জঙ্গিরা। সেই মতো ওই এলাকায় হানা দিয়ে পুলিস ২৮ বছরের আয়সিয়া জানকে গ্রেপ্তার করে। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয় ২০টি গ্রেনেড এবং বেশিকিছু গুলি। ঘটনায় আয়সিয়াকে সাহায্য করার অভিযোগে তার দুই ভাইকেও আটক করে পুলিস।

আসামে ৫ বাঙালি হিন্দু হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ প্রদর্শন হিন্দু সংহতির

আসামের তিনসুকিয়াতে ৫ বাঙালিকে গুলি করে হত্যা করার প্রতিবাদে গতকাল ২রা নভেম্বর, শুক্রবার হিন্দু সংহতির বরাক শাখা উপত্যকার বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ প্রদর্শন করলো। হিন্দু সংহতির কর্মীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে শিলচর শহরে এবং অন্য একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয় উধারবন্দ।  দুটি মিছিলে শতাধিক হিন্দু সংহতি কর্মী হাতে প্লাকার্ড নিয়ে বিক্ষোভ দেখায়। মিছিল থেকে  পরেশ বড়ুয়ার গ্রেপ্তারির দাবিতে শ্লোগান দেয় হিন্দু সংহতি কর্মীরা। দুটি মিছিল শেষেই আলফা জঙ্গিগোষ্ঠীর প্রধান পরেশ বড়ুয়ার কুশপুতুল পোড়ায় হিন্দু সংহতির কর্মীরা।

বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু মূর্তি ‘স্ট্যাচু অফ ইউনিটি’-এর উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

unityগতকাল ৩১শে অক্টোবর, বুধবার গুজরাতের নর্মদা জেলায় সর্দার সরোবর বাঁধের কাছে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ১৮২ মিটার উঁচু মূর্তির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ‘স্ট্যাচু অব ইউনিটি’ বা ঐক্যের প্রতীক এই মূর্তি উচ্চতায় বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে লম্বা। প্রসঙ্গত, আমেরিকার স্ট্যাচু অব লিবার্টি এবং চীনের স্প্রিং টেম্পল বুদ্ধের উচ্চতা যথাক্রমে ৯৭ এবং ১৫৩ মিটার। এদিনের অনুষ্ঠানে বিরোধীদের কটাক্ষ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জাতীয় নায়কদের এই ধরনের মূর্তি তৈরি করে তিনি কোনও অপরাধ করেননি। ২০১৩ সালে গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন এই মূর্তিটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন মোদি। প্রসঙ্গত রেকর্ড ৩৩ মাসের মধ্যে এই সুবিশাল মূর্তিটি তৈরি করতে খরচ হয়েছে ২ হাজার ৯৮৯ কোটি টাকা।

জালনোট এবং গরুপাচারের লাভের টাকায় জিহাদি কার্যকলাপ চালাচ্ছে বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠনগুলি

ভারতে জালনোট এবং গরুপাচারের লাভের টাকায় ভারতবিরোধী জিহাদি কার্যকলাপ চালাচ্ছে বাংলাদেশের জামাত-উল-মুজাহিদিন (জেএমবি) এবং নব্য জেএমবি-এর মত জঙ্গি সংগঠনগুলি। আর এইসব হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের মালদা-মুর্শিদাবাদ সীমান্ত এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্যের সীমান্ত দিয়ে। এইরকমই রিপোর্ট কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের। এমনকি জঙ্গি সংগঠনগুলি এইসমস্ত জেলাগুলিতে অস্ত্র প্রশিক্ষণ এবং মজুত করার কাজও চালিয়ে যাচ্ছে নিঃশব্দে, যা দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিপজ্জনক। এমনকি এই কারবারে পশ্চিমবঙ্গের স্থানীয় কিছু বাসিন্দা জিহাদিদের সঙ্গ দিচ্ছে। জানা গিয়েছে, নতুন ৫০০ টাকার নোট ছাপানোর  কাজ চলছে বাংলাদেশের জেএমবি-এর নিয়ন্ত্রণে। আর এই কারবারের লাভের টাকায় অস্ত্র কেনা হচ্ছে।  সেই কারণেই বিষয়টি নিয়ে আগেভাগে পদক্ষেপ নিতে চাইছে দিল্লি। যে সমস্ত রাজ্যে জাল নোটের কারবারের রমরমা, সেগুলিকে নিয়ে বিশেষ বৈঠক করা হবে। সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলি নকল নোটের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নিয়েছে এবং তদন্ত প্রক্রিয়া কীভাবে চালানো হচ্ছে, তা জানানো হবে ওই বৈঠকে। খতিয়ে দেখা হবে কোথা থেকে মোট কত নোট এখন পর্যন্ত ধরা পড়েছে। কোথা থেকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ টাকা উদ্ধার হয়েছে, তার ভিত্তিতেই রূপরেখা তৈরি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যাতে শুধুমাত্র তল্লাশি নয়, সেখানে জাল নোট নিয়ে সচেতনতার উপরও জোর দেওয়া হবে। সূত্রের খবর, কেন্দ্রও তদন্তের ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু নির্দেশিকা জারি করতে চায়। তারা চাইছে, রাজ্যগুলি একেবারে গোড়ায় গিয়ে তদন্ত করুক। শুধুমাত্র দালাল বা কেরিয়ার ধরেই যেন জাল নোটের তদন্ত শেষ করে না দেওয়া হয়। শিকড়টা কোথায় খুঁজে বের করতে হবে। এই কারবারের সঙ্গে জড়িত আসল ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে জোর দিতে হবে। তাদের পাওয়া না গেলে সংশ্লিষ্টদের ভারতে থাকা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে নিতে হবে। যাতে তারা বাধ্য হয় জাল নোটের কারবার বন্ধ করতে। কোথাও জাল নোট সহ কেউ ধরা পড়লে যেন নোট বাজেয়াপ্ত করেই তদন্ত শেষ করে না দেওয়া হয়। জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির সঙ্গে জাল নোট কারবারিদের যোগাযোগ প্রমাণ করতে তথ্য ও নথি সংগ্রহের উপর জোর দেওয়ার কথা বলা হবে বলে সূত্রের খবর।

ডি-ভোটারের নোটিস পেয়ে আত্মহত্যা করলেন আসামের ওদালগুড়ির দীপক দেবনাথ।

আসামে  বাঙালি হিন্দুদের আত্মহত্যা চলছেই। কয়েকদিন আগে দরং জেলার অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক নীরোদবরণ দাসের পর এবার আত্মহত্যা করলেন ওদালগুড়ির যুবক দীপক দেবনাথ। তার বাড়ি ঘাগ্রা উলুবাড়ি গ্রামে। স্থানীয় বাজারে তার একটা সাইকেল সারাইয়ের দোকান ছিল। কয়েকমাস আগেই তিনি ডি-ভোটারের নোটিস পান। পরিবারের লোকেরা জানিয়েছেন, সেই থেকেই তিনি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। যদিও নিজেকে ভারতীয় নাগরিক প্রমান করার জন্যে তার কাছে কোর্টে মামলা করার সুযোগ খোলা ছিল; কিন্তু সাইকেল সারাইয়ের দোকানের সামান্য উপার্জনে মামলা চালানো তার পক্ষে অসম্ভব ছিল। সে কথা জানিয়েছিলেনও পরিবারের বাকিদের। তারপরেও গত ২৮শে অক্টোবর, শনিবার রাতে বাড়ির কাছেই একটি  গাছে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা  করেন তিনি। তার মৃত্যুর খবর পেয়ে আশেপাশের এলাকার বাঙালি হিন্দুরা ভিড় করেন। পরে তার মৃতদেহ নিয়ে একটা মিছিল বের করেন স্থানীয়রা এবং মিছিল থেকে এনআরসি রাজ্য কো-অর্ডিনেটর প্রতীক হাজেলার অপসারণের দাবি ওঠে।

এনআরসি-তে বিদেশী ঘোষণা, অবসাদে আত্মহত্যা করলেন আসামের দলগাওঁয়ের শিক্ষক নীরোদবরণ দাস

dorongপ্রকৃত ভারতীয় হয়েও নাম নেই নাগরিকপঞ্জীর খসড়া তালিকাতে। আর তার ফলেই দীর্ঘদিন ধরেই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন আসামের দরং জেলার দলগাওঁয়ের বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক নীরোদবরণ দাস। তার ওপর এনআরসি সেবাকেন্দ্রে গেলে তাকে জানানো হয় যে তিনি বিদেশী। আর সেই মানসিক অবসাদ থেকেই আত্মহত্যা করলেন তিনি। গতকাল ২১শে অক্টোবর, রবিবার নিজের বাড়িতে আত্মহত্যা করেন ওই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। এনআরসি কতৃপক্ষের ভুলে আর একজন হিন্দু বাঙালিকে মরতে হলো বলে তার পরিবারের লোকেরা জানিয়েছেন। তবে  এই ঘটনা আসামের বাঙালি হিন্দুদের বর্তমান পরিস্থিতিকে তুলে ধরলো বলে মনে করছেন অনেকেই। কারণ সম্পূর্ণ খসড়া প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় লক্ষ লক্ষ হিন্দু বাঙালি দেশের নাগরিক হওয়া সত্বেও আতঙ্কে রয়েছেন। এই আতঙ্ক মোটেই অমূলক নয়। নাগরিকপঞ্জির খসড়া প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের বহু জেলার বিশেষ করে নিম্ন আসামের জেলাগুলির হিন্দু বাঙলিরা আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছেন। সেই তালিকায় নতুন সংযোজন হলেন নীরোদবরণ দাস। তবে কোনোরকম মামলা ছাড়াই কিভাবে তাকে বিদেশী ঘোষণা করলেন এনআরসি কতৃপক্ষ,তা নিয়ে পরিবারের লোকেরা প্রশ্ন তুলেছেন ইতিমধ্যেই। তবে এই ঘটনা নিয়ে আসামের হিন্দু বাঙালিদের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। কিভাবে কোনো মামলা ছাড়াই বিদেশী ঘোষণা করা হলো নীরোদবরণ দাসকে, তা খতিয়ে দেখতে  দরং জেলার এসপি তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন।

মা-মেয়েকে ধর্ষণ,দিল্লীতে গ্রেপ্তার আসিফ খান ওরফে আশু মহারাজ।

asu-moharajতার আসল নাম আসিফ খান। কিন্তু সে নিজেকে হিন্দু নাম  আশু মহারাজ নামে মিথ্যে পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তার আশ্রমের কাজ চালিয়ে আসছিলেন। আর এই আশ্রমের আড়ালে মহিলাদের যৌন নির্যাতন,ধর্ষণের মতো কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলো। শেষমেশ তার বিরুদ্ধে গত ১৩ই সেপ্টেম্বর, শক্রবার নতুন দিল্লির হাউস খাস থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই মহিলা। সেই অভিযোগে মহিলা জানান যে মহারাজ তাকে দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে ধর্ষণ করেছেন। এমনকি মহারাজের ছেলের হাতে ধর্ষণের শিকার হয়েছে তাঁর নাবালিকা কন্যা। এই অভিযোগ পাবার পরেই দিল্লী পুলিসের একটি টিম এবং ক্রাইম ব্রাঞ্চ গত  ১২ই সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার রাতেই আশ্রমে অভিযান চালান। ওখান থেকে গ্রেপ্তার করা হয় মহারাজকে এবং তার ছেলে সময় খানকে । জেরায় জানা যায়, আশু মহারাজ উনার আসল নাম নয়। তিনি ধর্মেও হিন্দু নন। তিনি হিন্দু নাম নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে হিন্দু মহিলাদের নিজের যৌন লালসার শিকার বানিয়েছেন।

প্রেমপ্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় হিন্দু নাবালিকাকে কেমিক্যাল ইনজেকশন দিলো মুসলিম ছাত্র

প্রেম প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় স্কুলের মধ্যেই এক নাবালিকা ছাত্রীকে কেমিক্যাল ইনজেকশন দিলো স্কুলেরই মুসলিম ছাত্র। এই চাঞ্চল্যকর এবং অমানবিক ঘটনাটি ঘটেছে আসামের শিলচরের ঘুঙঘুর থানা এলাকার ললিত জৈন মেমোরিয়াল হাই স্কুলে। স্কুলেরই মুসলিম ছাত্র মহম্মদ রবিউল করিম মজুমদার স্কুলে যাওয়া আসার পথে সবসময় উত্যক্ত করতো হিন্দু নাবালিকা রমা দাস (নাম পরিবর্তিত, বয়স ১৪ বছর) কে। একাধিকবার প্রেম প্রস্তাবও দেয় রবিউল। কিন্তু তা প্রত্যাখ্যান করে রমা। কিন্তু তার ফলে যে এতবড়ো মূল্য দিতে হবে তা রমা নিজেও কল্পনা করতে পারেনি। গত ৭ই জুন, বৃহস্পতিবার স্কুলের ল্যাবরেটরিতে ক্লাস চলাকালীন রবিউল  পিছন থেকে রমার হাতে একটি সিরিঞ্জ ফুটিয়ে দেয়।  তারপর মেয়েটি বাড়ি ফিরে আসে। কিন্তু বিকেলে রমা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায়  তাকে শিলচর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ডাক্তাররা পরীক্ষা করে জানায় যে রমার শরীরে কেমিক্যাল ইনজেকশন করা হয়েছে। এই ঘটনায় দোষী রবিউল মজুমদারের গ্রেপ্তার ও শাস্তি চেয়ে ঘুঙঘুর থানায় রমার মা অভিযোগ দায়ের করেছেন। উনি স্থানীয় হিন্দু সংহতির কর্মীদের কাছেও সহযোগিতা চেয়েছেন। কিন্তু দোষী রবিউলকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিস। পুলিশ জানিয়েছে সে ও তার পরিবার পলাতক। রবিউলের গ্রেপ্তার চেয়ে গত ১১ই জুন, সোমবার হিন্দু সংহতির কর্মীরা ঘুঙঘুর থানায় ডেপুটেশন দেন।

কাছাড়ের বন্যাদূর্গত হিন্দুদের ত্রাণ বিতরণ করলো হিন্দু সংহতি

গত ১৬ই জুন, শনিবার আসামের কাছাড় জেলার রংপুরের বন্যাদুর্গত হিন্দুদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলো হিন্দু সংহতির আসাম শাখার সদস্যরা।উল্লেখ্য  গত কয়েকদিন ধরেই কাছাড় জেলার বিভিন্ন অংশে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। তাতেই অনেক হিন্দু এলাকা বিশেষ করে রংপুরের শিমুলতলা ও আশেপাশের এলাকাগুলি জলে প্লাবিত হয়ে যায়। আর সেই সমস্ত মানুষগুলিকে খিচুড়ি বিতরণ করা হয় হিন্দু সংহতির তরফ থেকে। এই কাজে হিন্দু সংহতির তরুণ কর্মীরা উৎসাহের সঙ্গে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এই ট্রেন বিতরণের সময় কর্মীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির বরাক উপত্যকার দায়িত্বপ্রাপ্ত সভাপতি শ্রী পান্তু চন্দ মহাশয়।