অমৃতসরে শিখ ধর্মালম্বীদের অনুষ্ঠানে গ্রেনেড হামলা, মৃত ৩, আহত ২০

shikhজঙ্গি অনুপ্রবেশের খবর পেয়ে দু’দিন আগেই রাজ্য জুড়ে সতর্কতা জারি করেছিল পঞ্জাব সরকার। তার পরেও গতকাল ১৯শে নভেম্বর, সোমবার অমৃতসরের শিখ ধর্মালম্বীদের এক ধর্মীয় সমাবেশে গ্রেনেড বিস্ফোরণে মৃত্যু হল ৩ জনের।

পুলিশ জানায়, গতকাল রাজাসংসী গ্রামের নিরঙ্কারি ভবনে প্রার্থনার জন্য জমা হয়েছিলেন নিরঙ্কারি শিখ সম্প্রদায়ের কয়েকশো সদস্য। বেলা ১২টা নাগাদ মোটরবাইকে এসে তাঁদের দিকে গ্রেনেড ছোড়ে মুখোশধারী দুই ব্যক্তি। ঘটনাস্থলেই নিহত হন ৩ জন। আহত ২০। প্রাথমিক তদন্তের পরে পুলিশ মনে করছে, এই হামলা চালিয়েছে জঙ্গিরাই। পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের মদতে পুষ্ট খলিস্তানি বা কাশ্মীরি জঙ্গি সংগঠনের হাত থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না মুখ্যমন্ত্রী অমরেন্দ্র সিংহ। জইশ ই মহম্মদের ছয় বা সাত জন জঙ্গি পঞ্জাবে ঢুকেছে এবং তারা ফিরোজপুরে রয়েছে বলে বৃহস্পতিবারই সতর্ক করেছিলেন গোয়েন্দারা। বলা হয়েছিল, দিল্লির দিকে যাওয়ার চেষ্টা করছে ওই জঙ্গিরা। গত সপ্তাহে পঠানকোটের মাধোপুরে চালকের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে একটি এসইউভি ছিনতাইয়ের ঘটনায় জঙ্গি হামলার আশঙ্কা আরও বাড়ে। পঞ্জাব পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল সুরেশ অরোরা বলেছেন, ‘‘এই হামলা জঙ্গিদের কাজ বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ, কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তির উপরে হামলা হয়নি, হামলা হয়েছে একটি সম্প্রদায়ের উপরে। অকারণে এক দল মানুষের উপরে গ্রেনেড ছোড়ার আর কোনও কারণ নেই।’’ মৃতদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী অমরেন্দ্র সিংহ। আহতদের বিনামূল্যে চিকিৎসার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে সরকার। হামলাকারীদের গোপন ঘাঁটির খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশের একাধিক দল।
Advertisements

কাশ্মীরের যুবসমাজে জিহাদের ভাবধারা প্রচার, গ্রেপ্তার সাজিয়া

সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ব্যবহার করে জম্মু-কাশ্মীরের যুবসমাজকে জঙ্গি ভাবধারায় উদ্বুদ্ধ করার অভিযোগে এক মহিলাকে গ্রেপ্তার করল নিরাপত্তা বাহিনী। তার নাম সাজিয়া। তার বাড়ি উত্তর কাশ্মীরের বান্দিপোরার সম্বল এলাকায়। উপত্যকায় এইধরনের ঘটনা আগেও একাধিকবার ঘটেছে। কিন্তু, কোনও ক্ষেত্রেই কোনও মহিলাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। অভিযোগ, ধৃত শাজিয়া তার ফেসবুক প্রোফাইল ব্যবহার করে উপত্যকার যুবসমাজকে ‘জিহাদ’ এবং হাতে অস্ত্র তুলে নেওয়ার জন্য উস্কানি দিত। জয়েশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে ধৃতের যোগ রয়েছে বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা।   শাজিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদে অংশ নেওয়া এক আধিকারিকের কথায়, ‘প্রাথমিকভাবে আমাদের অনুমান ওই মহিলাকে পুলিস ও নিরাপত্তা বাহিনীর গোপন তথ্য ও নথি জোগাড়ের জন্য ব্যবহার করত জঙ্গি সংগঠনগুলি।’ জেরায় একাধিক জঙ্গি কম্যান্ডারের নাম নিয়েছে শাজিয়া বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।

প্রসঙ্গত জঙ্গি কার্যকলাপে যুক্ত থাকার অভিযোগে গত সপ্তাহেই আরেক মহিলাকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিস। পুলিসের কাছে খবর ছিল, লাওয়াপোরা এলাকায় অস্ত্রশস্ত্র পাচারের মতলবে রয়েছে জঙ্গিরা। সেই মতো ওই এলাকায় হানা দিয়ে পুলিস ২৮ বছরের আয়সিয়া জানকে গ্রেপ্তার করে। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয় ২০টি গ্রেনেড এবং বেশিকিছু গুলি। ঘটনায় আয়সিয়াকে সাহায্য করার অভিযোগে তার দুই ভাইকেও আটক করে পুলিস।

আসামে ৫ বাঙালি হিন্দু হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ প্রদর্শন হিন্দু সংহতির

আসামের তিনসুকিয়াতে ৫ বাঙালিকে গুলি করে হত্যা করার প্রতিবাদে গতকাল ২রা নভেম্বর, শুক্রবার হিন্দু সংহতির বরাক শাখা উপত্যকার বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ প্রদর্শন করলো। হিন্দু সংহতির কর্মীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে শিলচর শহরে এবং অন্য একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয় উধারবন্দ।  দুটি মিছিলে শতাধিক হিন্দু সংহতি কর্মী হাতে প্লাকার্ড নিয়ে বিক্ষোভ দেখায়। মিছিল থেকে  পরেশ বড়ুয়ার গ্রেপ্তারির দাবিতে শ্লোগান দেয় হিন্দু সংহতি কর্মীরা। দুটি মিছিল শেষেই আলফা জঙ্গিগোষ্ঠীর প্রধান পরেশ বড়ুয়ার কুশপুতুল পোড়ায় হিন্দু সংহতির কর্মীরা।

বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু মূর্তি ‘স্ট্যাচু অফ ইউনিটি’-এর উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

unityগতকাল ৩১শে অক্টোবর, বুধবার গুজরাতের নর্মদা জেলায় সর্দার সরোবর বাঁধের কাছে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ১৮২ মিটার উঁচু মূর্তির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ‘স্ট্যাচু অব ইউনিটি’ বা ঐক্যের প্রতীক এই মূর্তি উচ্চতায় বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে লম্বা। প্রসঙ্গত, আমেরিকার স্ট্যাচু অব লিবার্টি এবং চীনের স্প্রিং টেম্পল বুদ্ধের উচ্চতা যথাক্রমে ৯৭ এবং ১৫৩ মিটার। এদিনের অনুষ্ঠানে বিরোধীদের কটাক্ষ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জাতীয় নায়কদের এই ধরনের মূর্তি তৈরি করে তিনি কোনও অপরাধ করেননি। ২০১৩ সালে গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন এই মূর্তিটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন মোদি। প্রসঙ্গত রেকর্ড ৩৩ মাসের মধ্যে এই সুবিশাল মূর্তিটি তৈরি করতে খরচ হয়েছে ২ হাজার ৯৮৯ কোটি টাকা।

জালনোট এবং গরুপাচারের লাভের টাকায় জিহাদি কার্যকলাপ চালাচ্ছে বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠনগুলি

ভারতে জালনোট এবং গরুপাচারের লাভের টাকায় ভারতবিরোধী জিহাদি কার্যকলাপ চালাচ্ছে বাংলাদেশের জামাত-উল-মুজাহিদিন (জেএমবি) এবং নব্য জেএমবি-এর মত জঙ্গি সংগঠনগুলি। আর এইসব হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের মালদা-মুর্শিদাবাদ সীমান্ত এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্যের সীমান্ত দিয়ে। এইরকমই রিপোর্ট কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের। এমনকি জঙ্গি সংগঠনগুলি এইসমস্ত জেলাগুলিতে অস্ত্র প্রশিক্ষণ এবং মজুত করার কাজও চালিয়ে যাচ্ছে নিঃশব্দে, যা দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিপজ্জনক। এমনকি এই কারবারে পশ্চিমবঙ্গের স্থানীয় কিছু বাসিন্দা জিহাদিদের সঙ্গ দিচ্ছে। জানা গিয়েছে, নতুন ৫০০ টাকার নোট ছাপানোর  কাজ চলছে বাংলাদেশের জেএমবি-এর নিয়ন্ত্রণে। আর এই কারবারের লাভের টাকায় অস্ত্র কেনা হচ্ছে।  সেই কারণেই বিষয়টি নিয়ে আগেভাগে পদক্ষেপ নিতে চাইছে দিল্লি। যে সমস্ত রাজ্যে জাল নোটের কারবারের রমরমা, সেগুলিকে নিয়ে বিশেষ বৈঠক করা হবে। সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলি নকল নোটের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নিয়েছে এবং তদন্ত প্রক্রিয়া কীভাবে চালানো হচ্ছে, তা জানানো হবে ওই বৈঠকে। খতিয়ে দেখা হবে কোথা থেকে মোট কত নোট এখন পর্যন্ত ধরা পড়েছে। কোথা থেকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ টাকা উদ্ধার হয়েছে, তার ভিত্তিতেই রূপরেখা তৈরি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যাতে শুধুমাত্র তল্লাশি নয়, সেখানে জাল নোট নিয়ে সচেতনতার উপরও জোর দেওয়া হবে। সূত্রের খবর, কেন্দ্রও তদন্তের ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু নির্দেশিকা জারি করতে চায়। তারা চাইছে, রাজ্যগুলি একেবারে গোড়ায় গিয়ে তদন্ত করুক। শুধুমাত্র দালাল বা কেরিয়ার ধরেই যেন জাল নোটের তদন্ত শেষ করে না দেওয়া হয়। শিকড়টা কোথায় খুঁজে বের করতে হবে। এই কারবারের সঙ্গে জড়িত আসল ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে জোর দিতে হবে। তাদের পাওয়া না গেলে সংশ্লিষ্টদের ভারতে থাকা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে নিতে হবে। যাতে তারা বাধ্য হয় জাল নোটের কারবার বন্ধ করতে। কোথাও জাল নোট সহ কেউ ধরা পড়লে যেন নোট বাজেয়াপ্ত করেই তদন্ত শেষ করে না দেওয়া হয়। জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির সঙ্গে জাল নোট কারবারিদের যোগাযোগ প্রমাণ করতে তথ্য ও নথি সংগ্রহের উপর জোর দেওয়ার কথা বলা হবে বলে সূত্রের খবর।

ডি-ভোটারের নোটিস পেয়ে আত্মহত্যা করলেন আসামের ওদালগুড়ির দীপক দেবনাথ।

আসামে  বাঙালি হিন্দুদের আত্মহত্যা চলছেই। কয়েকদিন আগে দরং জেলার অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক নীরোদবরণ দাসের পর এবার আত্মহত্যা করলেন ওদালগুড়ির যুবক দীপক দেবনাথ। তার বাড়ি ঘাগ্রা উলুবাড়ি গ্রামে। স্থানীয় বাজারে তার একটা সাইকেল সারাইয়ের দোকান ছিল। কয়েকমাস আগেই তিনি ডি-ভোটারের নোটিস পান। পরিবারের লোকেরা জানিয়েছেন, সেই থেকেই তিনি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। যদিও নিজেকে ভারতীয় নাগরিক প্রমান করার জন্যে তার কাছে কোর্টে মামলা করার সুযোগ খোলা ছিল; কিন্তু সাইকেল সারাইয়ের দোকানের সামান্য উপার্জনে মামলা চালানো তার পক্ষে অসম্ভব ছিল। সে কথা জানিয়েছিলেনও পরিবারের বাকিদের। তারপরেও গত ২৮শে অক্টোবর, শনিবার রাতে বাড়ির কাছেই একটি  গাছে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা  করেন তিনি। তার মৃত্যুর খবর পেয়ে আশেপাশের এলাকার বাঙালি হিন্দুরা ভিড় করেন। পরে তার মৃতদেহ নিয়ে একটা মিছিল বের করেন স্থানীয়রা এবং মিছিল থেকে এনআরসি রাজ্য কো-অর্ডিনেটর প্রতীক হাজেলার অপসারণের দাবি ওঠে।

এনআরসি-তে বিদেশী ঘোষণা, অবসাদে আত্মহত্যা করলেন আসামের দলগাওঁয়ের শিক্ষক নীরোদবরণ দাস

dorongপ্রকৃত ভারতীয় হয়েও নাম নেই নাগরিকপঞ্জীর খসড়া তালিকাতে। আর তার ফলেই দীর্ঘদিন ধরেই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন আসামের দরং জেলার দলগাওঁয়ের বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক নীরোদবরণ দাস। তার ওপর এনআরসি সেবাকেন্দ্রে গেলে তাকে জানানো হয় যে তিনি বিদেশী। আর সেই মানসিক অবসাদ থেকেই আত্মহত্যা করলেন তিনি। গতকাল ২১শে অক্টোবর, রবিবার নিজের বাড়িতে আত্মহত্যা করেন ওই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। এনআরসি কতৃপক্ষের ভুলে আর একজন হিন্দু বাঙালিকে মরতে হলো বলে তার পরিবারের লোকেরা জানিয়েছেন। তবে  এই ঘটনা আসামের বাঙালি হিন্দুদের বর্তমান পরিস্থিতিকে তুলে ধরলো বলে মনে করছেন অনেকেই। কারণ সম্পূর্ণ খসড়া প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় লক্ষ লক্ষ হিন্দু বাঙালি দেশের নাগরিক হওয়া সত্বেও আতঙ্কে রয়েছেন। এই আতঙ্ক মোটেই অমূলক নয়। নাগরিকপঞ্জির খসড়া প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের বহু জেলার বিশেষ করে নিম্ন আসামের জেলাগুলির হিন্দু বাঙলিরা আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছেন। সেই তালিকায় নতুন সংযোজন হলেন নীরোদবরণ দাস। তবে কোনোরকম মামলা ছাড়াই কিভাবে তাকে বিদেশী ঘোষণা করলেন এনআরসি কতৃপক্ষ,তা নিয়ে পরিবারের লোকেরা প্রশ্ন তুলেছেন ইতিমধ্যেই। তবে এই ঘটনা নিয়ে আসামের হিন্দু বাঙালিদের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। কিভাবে কোনো মামলা ছাড়াই বিদেশী ঘোষণা করা হলো নীরোদবরণ দাসকে, তা খতিয়ে দেখতে  দরং জেলার এসপি তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন।

মা-মেয়েকে ধর্ষণ,দিল্লীতে গ্রেপ্তার আসিফ খান ওরফে আশু মহারাজ।

asu-moharajতার আসল নাম আসিফ খান। কিন্তু সে নিজেকে হিন্দু নাম  আশু মহারাজ নামে মিথ্যে পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তার আশ্রমের কাজ চালিয়ে আসছিলেন। আর এই আশ্রমের আড়ালে মহিলাদের যৌন নির্যাতন,ধর্ষণের মতো কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলো। শেষমেশ তার বিরুদ্ধে গত ১৩ই সেপ্টেম্বর, শক্রবার নতুন দিল্লির হাউস খাস থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই মহিলা। সেই অভিযোগে মহিলা জানান যে মহারাজ তাকে দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে ধর্ষণ করেছেন। এমনকি মহারাজের ছেলের হাতে ধর্ষণের শিকার হয়েছে তাঁর নাবালিকা কন্যা। এই অভিযোগ পাবার পরেই দিল্লী পুলিসের একটি টিম এবং ক্রাইম ব্রাঞ্চ গত  ১২ই সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার রাতেই আশ্রমে অভিযান চালান। ওখান থেকে গ্রেপ্তার করা হয় মহারাজকে এবং তার ছেলে সময় খানকে । জেরায় জানা যায়, আশু মহারাজ উনার আসল নাম নয়। তিনি ধর্মেও হিন্দু নন। তিনি হিন্দু নাম নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে হিন্দু মহিলাদের নিজের যৌন লালসার শিকার বানিয়েছেন।

প্রেমপ্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় হিন্দু নাবালিকাকে কেমিক্যাল ইনজেকশন দিলো মুসলিম ছাত্র

প্রেম প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় স্কুলের মধ্যেই এক নাবালিকা ছাত্রীকে কেমিক্যাল ইনজেকশন দিলো স্কুলেরই মুসলিম ছাত্র। এই চাঞ্চল্যকর এবং অমানবিক ঘটনাটি ঘটেছে আসামের শিলচরের ঘুঙঘুর থানা এলাকার ললিত জৈন মেমোরিয়াল হাই স্কুলে। স্কুলেরই মুসলিম ছাত্র মহম্মদ রবিউল করিম মজুমদার স্কুলে যাওয়া আসার পথে সবসময় উত্যক্ত করতো হিন্দু নাবালিকা রমা দাস (নাম পরিবর্তিত, বয়স ১৪ বছর) কে। একাধিকবার প্রেম প্রস্তাবও দেয় রবিউল। কিন্তু তা প্রত্যাখ্যান করে রমা। কিন্তু তার ফলে যে এতবড়ো মূল্য দিতে হবে তা রমা নিজেও কল্পনা করতে পারেনি। গত ৭ই জুন, বৃহস্পতিবার স্কুলের ল্যাবরেটরিতে ক্লাস চলাকালীন রবিউল  পিছন থেকে রমার হাতে একটি সিরিঞ্জ ফুটিয়ে দেয়।  তারপর মেয়েটি বাড়ি ফিরে আসে। কিন্তু বিকেলে রমা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায়  তাকে শিলচর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ডাক্তাররা পরীক্ষা করে জানায় যে রমার শরীরে কেমিক্যাল ইনজেকশন করা হয়েছে। এই ঘটনায় দোষী রবিউল মজুমদারের গ্রেপ্তার ও শাস্তি চেয়ে ঘুঙঘুর থানায় রমার মা অভিযোগ দায়ের করেছেন। উনি স্থানীয় হিন্দু সংহতির কর্মীদের কাছেও সহযোগিতা চেয়েছেন। কিন্তু দোষী রবিউলকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিস। পুলিশ জানিয়েছে সে ও তার পরিবার পলাতক। রবিউলের গ্রেপ্তার চেয়ে গত ১১ই জুন, সোমবার হিন্দু সংহতির কর্মীরা ঘুঙঘুর থানায় ডেপুটেশন দেন।

কাছাড়ের বন্যাদূর্গত হিন্দুদের ত্রাণ বিতরণ করলো হিন্দু সংহতি

গত ১৬ই জুন, শনিবার আসামের কাছাড় জেলার রংপুরের বন্যাদুর্গত হিন্দুদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলো হিন্দু সংহতির আসাম শাখার সদস্যরা।উল্লেখ্য  গত কয়েকদিন ধরেই কাছাড় জেলার বিভিন্ন অংশে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। তাতেই অনেক হিন্দু এলাকা বিশেষ করে রংপুরের শিমুলতলা ও আশেপাশের এলাকাগুলি জলে প্লাবিত হয়ে যায়। আর সেই সমস্ত মানুষগুলিকে খিচুড়ি বিতরণ করা হয় হিন্দু সংহতির তরফ থেকে। এই কাজে হিন্দু সংহতির তরুণ কর্মীরা উৎসাহের সঙ্গে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এই ট্রেন বিতরণের সময় কর্মীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির বরাক উপত্যকার দায়িত্বপ্রাপ্ত সভাপতি শ্রী পান্তু চন্দ মহাশয়।

আসামের হাইলাকান্দিতে হিন্দু ছাত্রের খৎনা করলো স্কুলের মুসলিম শিক্ষকরা

khotnaগত ১১ই মে, শনিবার আসামের হাইলাকান্দির এক স্কুলে পাঠরত হিন্দু ছাত্রকে ইসলামিক নিয়ম অনুযায়ী খতনা (লিঙ্গচ্ছেদ) করালো স্কুলেরই মুসলিম শিক্ষক ও ছাত্ররা। এইরকম মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে হাইলাকান্দির ঘাড়মুরা বিদ্যাপীঠে। জানা গিয়েছে, ওই ছাত্রের নাম সমু দাস। এই ব্যাপারে হাইলাকান্দির পুলিশ সুপার মনীশ শর্মা জানিয়েছেন যে শিশুটির বয়স ৬ বছর। তার মা আমাদের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। আমরা বিশেষজ্ঞ দিয়ে ঘটনার তদন্ত করছি। তবে এই ঘটনা অসামজুড়ে যথেষ্ট চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। এইরকম ইসলামিক বর্বরতা পাকিস্তান বা বাংলাদেশে এর আগে ঘটলেও ভারতে ঘটায় অনেকেই আতংকিত এবং চিন্তিত।

হিন্দু বাঙালিদের নাগরিকত্ব দেবার বিরোধিতা করছে আসামের মুসলিম সংগঠনগুলি

গুয়াহাটির খানপাড়ার অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ স্টাফ কলেজ। ভিতরে চলছে জাতীয় নাগরিকপঞ্জী সংশোধনের কাজ,ঠিক সেই সময় বাইরে তুমুল বিক্ষোভ চলছে। বিক্ষোভকারীরা শ্লোগান দিচ্ছে ঘনঘন। সবার একটি দাবি-”বাংলাদেশী হিন্দুদের নাগরিকত্ব মানছি না। গত ৬ই মে, এইরকম ঘটনার স্বাক্ষী থাকলো গুয়াহাটি। হিন্দু বাঙালিদের নাগরিকত্ব দেবার বিরোধিতায় বিক্ষোভ দেখালো সংখ্যালঘু ছাত্র সংগঠন, সারা অসম মাদ্রাসা স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন এবং মুসলিম ছাত্র সংস্থা। তারা হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে শ্লোগান দিতে থাকেন ‘নাগরিকত্ব আইন সংশোধন মানব না’, ‘হিন্দু বাংলাদেশী হুঁশিয়ার’। একইসঙ্গে বিক্ষোভ দেখায় সারা অসম বামপন্থী ছাত্র সংগঠন, কৃষক মুক্তি সংগ্রাম সমিতি। আর এই বিক্ষোভের সংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই আসামের বাঙালি হিন্দুদের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

উচ্চ শিক্ষিত জঙ্গি মহম্মদ রফি ভাট সেনাবাহিনীর গুলিতে নিহত

vatগত ৬ই মে কাশ্মীরে সেনাবাহিনী বড়ো সাফল্য পেলো। সেনাবাহিনীর গুলিতে মৃত্যু হয় পাঁচজন জিহাদির-যারা সকলেই হিজবুল মুজাহিদিনের জঙ্গি। এরমধ্যে সবচেয়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টিকারী নাম হলো মহম্মদ রফি ভাট। কিন্তু কে এই মহম্মদ রফি ভাট? কাশ্মীর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের কনট্র্যাকচুয়াল প্রফেসর ছিল মহম্মদ রফি ভাট (৩৩)। সমাজবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি ছিল তার। গান্ডেরওয়াল জেলার চুন্দিনার বাসিন্দা সে। কয়েকদিন আগেই জঙ্গি সংগঠনে নাম লিখিয়েছিল ভাট। শুক্রবার নিখোঁজ হওয়ার পর ওই দিনই মাকে শেষবারের মতো ফোন করেছিল সে। বলেছিল, স্বল্প মেয়াদী জীবনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা। রবিবার বাবা ফৈয়াজ আহমেদ ভাটকে ফোন করে রফি। তখনই বাবাকে ‘বিদায়’ জানায় সে।
ঠিক কী বলেছিল রফি? পুলিসকে ফৈয়াজ জানিয়েছে, ‘সকালেই ছেলে আমাকে ফোন করে বলে, বাবা আমি যদি তোমাকে কখনও আঘাত দিয়ে থাকি, তাহলে আমাকে ক্ষমা করো। এটাই আমার শেষ ফোন। কারণ আমি আল্লার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছি।’ রিপোর্ট বলছে, জঙ্গি সংগঠনে নাম লেখালেও ছেলে কখনও অস্ত্র তুলে নেবে না বলে পুলিসকে জানিয়েছিলেন ফৈয়াজ। ১৮ বছর বয়সে একবার পাক অধিকৃত কাশ্মীরে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল ভাট। তখন পুলিস তাকে পাকড়াও করে পরিবারের হাতে তুলে দিয়েছিল। ওই ঘটনার পর থেকেই ছেলের উপর কড়া নজর রাখতেন বাবা ফৈয়াজ।
বুরহান ওয়ানির মৃত্যুর পর থেকে যে সমস্ত কাশ্মীরি তরুণ জঙ্গি সংগঠনে যোগ দিয়েছে, তাদের বেশিরভাগই অল্প দিনের মধ্যে প্রাণ হারিয়েছে। সেইমতো গতকাল ৬ই মে, রবিবার পুলিসের জালে পড়ে যায় ভাট। নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে মৃত্যু হয় তার।

 

পাকিস্তানী মদতপুষ্ট হ্যাকার,দুই কাশ্মীরি মুসলিম যুবককে গ্রেপ্তার করলো দিল্লী পুলিস

গত ২৭শে এপ্রিল, শুক্রবার পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের মদতপুষ্ট একটি হ্যাকার-গোষ্ঠীর কার্যকলাপ ফাঁস করে দিল দিল্লি পুলিসের বিশেষ দল। ঘটনায় দুই কাশ্মীরি যুবককে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। এই প্রথম এই ধরনের অভিযান চালিয়ে সাফল্য মিলেছে বলে দাবি করেছে দিল্লি পুলিস।
পুলিস জানিয়েছে, শাহিদ মাল্লা এবং আদিল হুসেন নামে ধৃত দুই যুবক পাঞ্জাবের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। শাহিদ বি-টেক করছিল এবং আদিলের বিষয় ছিল বিসিএ। ধৃতদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২৪এ এবং তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৬৬ নম্বর ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে ধৃতদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের জন্য ১২০বি ধারাটিও যোগ করা হয়েছে।
পুলিস জানিয়েছে, ‘টিম হ্যাকার থার্ড আই’ নামে ওই হ্যাকার গোষ্ঠী এখনও পর্যন্ত দেশের ৫০০টি ওয়েবসাইট হ্যাক করেছে। যার মধ্যে গত জানুয়ারি মাসে হ্যাক হওয়া জম্মু ও কাশ্মীর ব্যাঙ্কের ওয়েবসাইটও রয়েছে। ধৃতদের জেরা করে গোটা চক্রে পাকিস্তান-যোগের বিষয়ে একপ্রকার নিশ্চিত হয়ে গিয়েছেন তদন্তকারীরা। পুলিসের দাবি, ধৃতদের সঙ্গে পাক গুপ্তচর সংস্থার সরাসরি যোগ ছিল। এক তদন্তকারী আধিকারিক জানিয়েছেন, ধৃতদের সঙ্গে ফয়জল আফজল এবং আমির মুজফ্ফর নামে দুই পাক নাগরিকের যোগাযোগের প্রমাণ মিলেছে। এই ফয়জল এবং আমির আবার পাকিস্তানেরই হ্যাকার গোষ্ঠী পাক সাইবার অ্যাটাকার বা সংক্ষেপে পিসিএ’র সদস্য।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, দুবাই এবং লাহোর থেকে অপারেশন চালানো এই গোষ্ঠী ২০১৬ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত হাজারেরও বেশি ভারতীয় ওয়েবসাইট হ্যাক করেছে।

রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের মুক্তাঞ্চলে পরিণত হয়েছে ত্রিপুরার কমলাসাগর সীমান্ত

রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারীরা ভারতে অনুপ্রবেশের নতুন রাস্তা খুঁজে পায়েয়েছে। বর্তমানে মায়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গা মুসলিমরা বাংলাদেশ থেকে ত্রিপুরা হয়ে ভারতের অন্য রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ছে। এ ক্ষেত্রে ত্রিপুরার বিশালগড় মহকুমার মিঞাপাড়া হয়ে রোহিঙ্গা মুসলিম অনুপ্রবেশের করিডর হয়ে উঠেছে। গত চার-পাঁচ মাস ধরে রোহিঙ্গা মুসলিমরা মিঞাপাড়া হয়ে ভারতে ঢুকে আসাম হয়ে ভারতের অন্যান্য রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ছে। মধুপুর থানা এলাকার মিঞাপাড়া হলো পাচারের মুক্তাঞ্চল। এটা বিএসএফ-এর কমলাসাগর বর্ডার অউটপোস্টের অধীনে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন যে,মিঞাপাড়া সীমান্তের ১১০, ১১১, ১১২,১১৩ এবং ১১৪ নং গেটের মাঝের কাঁটাতার পেরিয়ে রোহিঙ্গা মুসলিমরা প্রবেশ করে। দুপুরে বিএসএফ-এর জওয়ানরা যখন ডিউটি বদল করে,তখন ভারতীয় দালালরা রোহিঙ্গা মুসলিমদের ভারতে প্রবেশ করায়। তারপর তাদেরকে কাছের মুসলিম বস্তি রানিরবাজারের কাওয়ামারা এলাকায় নিয়ে গিয়ে রাখা হয়। সেটাই হলো অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গা মুসলিমদের বেসক্যাম্প। সেখানে তাদের ভারতবর্ষ সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়। রাস্তায় কি কথা বলতে হবে,বাড়ি কোথায় জিজ্ঞেস করলে কি উত্তর দিতে হবে এইসব শেখানো হয়।এমনকি সবাইকে নির্দেশ দেওয়া হয় যেন সকলে হিন্দি ভাষায় কথা বলে।  বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গিয়েছে যে, ভারতে যে সমস্ত রোহিঙ্গা মুসলিম আসছে, তারা রেলপথে বাংলাদেশের কসবা স্টেশনে এসে নামছে। সেখান থেকে এরা দালাল ধরে মিঞাপাড়া সীমান্তে এসে ভারতে প্রবেশ করছে। গত চার-মাস ধরে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ চললেও, বিএসএফ আজ পর্যন্ত একজন রোহিঙ্গা মুসলিম অনুপ্রবেশকারীকে ধরতে পারেনি। অথচ ত্রিপুরা পুলিশ রাস্তা থেকে ধরছে রোহিঙ্গা মুসলিমদের। যা দেখে অনেকেই অবাক হয়েছেন।