আতঙ্কে ঘর ছাড়া হিন্দু মহিলাকে ঘরে ফেরালো হিন্দু সংহতি কর্মীরা

মুসলিমদের ভয়ে বাড়ি ছাড়া হিন্দু মহিলাকে ঘরে ফেরালো হিন্দু সংহতির কর্মীরা। গত ১০ই মার্চ, রবিবার হিন্দু সংহতির কর্মীরা মহিলাকে।সঙ্গে করে তাঁর বাড়িতে রেখে আসেন। ঘটনাটি হাওড়া জেলার অন্তর্গত বাগনান শহরের ।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে আশ্রম মোড়ের বাসিন্দা শুভ্রা মিত্রের একটি পৈতৃক জমি তার ভাই ওনার অজান্তে ইউনুস নামে একজন মুসলমানকে বিক্রি করে দেন। সেইমতো মুসলমানরা ওই জমিতে একটি টিনের বাড়িও তৈরি করেন।সেটা জানার পর শুভ্রা মিত্র কোর্টে মামলা করেন এবং কোর্ট ১৪৪ ধারা জারি করে। ফলে বাড়ি তৈরির কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয় মুসলিমরা। এমতবস্থায় গত ৭ই মার্চ, বৃহষ্পতিবার ইউনুসের পরিবারের মহিলারা এবং তাঁর ছেলেরা শুভ্রা মিত্রের বাড়িতে এসে উনাকে শারীরিকভাবে নিগ্রহ করে। উনাকে মারধর করে এবং কেস তুলে নেবার জন্যে শাসিয়ে যায় । এতে আতঙ্কিত হয়ে উনি ঘর ছাড়েন। এরপর ঘটনার কথা হিন্দু সংহতির কর্মীদের জানান। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হিন্দু সংহতির কর্মীরা ওই মহিলাকে ওনার বাড়িতে ফিরিয়ে দিয়ে আসেন।সেই সঙ্গে হিন্দু সংহতির কর্মীরা উনার নিরাপত্তার বিষয়টিও খেয়াল রাখবেন বলে আশ্বাস দেন। তবে যখন হিন্দু সংহতির কর্মীরা গিয়েছিলেন, সেই সময় ওই মুসলিমদের পরিবারের কেউ ছিল না, বাড়িটা তালাবন্ধ অবস্থায় ছিল। 

ভিডিও লিংক -https://www.facebook.com/hindusamhatibangla/videos/331598884151961/?t=3

Advertisements

হাওড়ার কালী মন্দিরে মাইক দান হিন্দু সংহতির

হাওড়া জেলার বাগনান থানার অন্তর্গত মুর্গাবেড়িয়া গ্রাম। সেই গ্রামের শ্মশান কালী মন্দির খুবই জাগ্রত একটি মন্দির। গ্রামের বাসিন্দারা মন্দিরের পূজার সুবিধার জন্যে হিন্দু সংহতির স্থানীয় কর্মীদের কাছে একটি মাইক সেট দেবার আবেদন করেন। সেই মতো হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে আজ ওই মন্দিরে মাইক সেট তুলে দেওয়া হয়। এই সময় মন্দির প্রাঙ্গনে  গ্রামবাসীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে সহ সম্পাদক শ্রী মুকুন্দ কোলে এবং বাগনান থানা এলাকার প্রমুখ কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এই কর্মসূচিতে হিন্দু সংহতিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন একজন সহৃদয় সমর্থক শ্রী তপন দেশপ্রেমী। মাইক সেট পাওয়ায় গ্রামবাসীরা স্বভাবতই খুশি এবং তাঁরা এই কাজে হিন্দু সংহতিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

হাওড়ার দাশনগরে একই রাতে দুটি মন্দিরে চুরি, দুষ্কৃতীরা অধরা

গত ১৯শে ফেব্রূয়ারি, মঙ্গলবার হাওড়া জেলার অন্তর্গত দাশনগর এলাকার একটি শ্যামাকালী ও তারা মায়ের মন্দিরে চুরি হয়েছে। দু’টি মন্দির থেকেই দুষ্কৃতীরা প্রতিমার গায়ে থাকা অলঙ্কার ও বাসনপত্র নিয়ে চম্পট দিয়েছে। এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। এই নিয়েও দাশনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত কয়েকদিন ধরেই হাওড়া শহরের বিভিন্ন এলাকায় চুরির ঘটনা ব্যাপক আকার নিয়েছে। প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও চুরি হচ্ছে। অথচ পুলিস এখনও পর্যন্ত কোনও চুরির ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এই ঘটনায় পুলিসের ভূমিকায় মানুষের ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

হাওড়ার জগৎবল্লভপুরের পঞ্চানন মন্দিরে লক্ষাধিক টাকার অলঙ্কার চুরি, অধরা দুষ্কৃতীরা

jagatballavpurরাতের অন্ধকারে মন্দিরের দরজার তালা ভেঙে প্রায় লক্ষাধিক টাকার অলঙ্কার চুরির ঘটনায় উত্তেজনা ছড়াল জগৎবল্লভপুরের উত্তর মাজু পঞ্চাননতলা এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৭ই জানুয়ারী, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কয়েকজন দুস্কৃতি উত্তর মাজু পঞ্চাননতলা এলাকায় পঞ্চানন্দ মন্দিরের দরজার তালা ভেঙে ভিতরে থাকা বিগ্রহের সোনা ও রুপার সমস্ত অলঙ্কার চুরি করে নিয়ে পালিয়ে যায়। শুক্রবার ভোরে স্থানীয় মহিলা মন্দির পরিস্কার করার জন্য মন্দিরে এলে চুরির বিষয়টি তার নজরে আসে। পরে তার চিৎকারে স্থানীয় বাসিন্দারা এসে মন্দিরের ভিতরে ঢুকে সমস্ত অলঙ্কার চুরির বিষয়টি তারা জানতে পারে। পরে পুলিশে খবর দিলে জগৎবল্লভপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে চুরির ঘটনার তদন্তে নামে। তবে এখনো পর্যন্ত কোনো দুষ্কৃতীর গ্রেপ্তরির খবর পাওয়া যায়নি।  মন্দির কমিটি সূত্রে জানা গেছে এর আগেও দুস্কৃতিরা মন্দিরে চুরির চেষ্টা করলেও সফল হয়নি। তবে এই ঘটনায় স্থানীয় হিন্দুদের মনে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।

আমতায় দুঃস্থ হিন্দুদের কম্বল বিতরণ হিন্দু সংহতির

গতকাল বীর হিন্দু সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন ছিল  সেই পুণ্য তিথিতে স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনে শ্রদ্ধার্ঘ্য সহ দুঃস্থ হিন্দুদের কম্বল বিতরণ করা হলো হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে। এই অনুষ্ঠানটি হাওড়া জেলার আমতা থানার অন্তর্গত দক্ষিণ হরিশপুর গ্রামে অনুষ্ঠিত হয়। হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য স্বামী বিবেকানন্দের ছবিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন। তারপর হরিশপুর গ্রাম এবং আশেপাশের গ্রামের ২০০ জন দরিদ্র বৃদ্ধ, মহিলাদের হাতে কম্বল তুলে দেওয়া হয়।এই অনুষ্ঠানে হিন্দু সংহতিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন কলকাতার Magnum পরিবার।এই অনুষ্ঠানে হিন্দু সংহতির সভাপতি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির সম্পাদক শ্রী সুন্দর গোপাল দাস, সহ সম্পাদক শ্রী মুকুন্দ কোলে, উপদেষ্টা শ্রী চিত্তরঞ্জন দে এবং কলকাতার Magnum পরিবারের পক্ষ থেকে শ্রীমতি মীনা আগারওয়াল, সঞ্জীব তান্ঠিয়া এবং শ্রী বীরেন্দ্র মোদীজি। 

টিকিয়াপাড়ায় বেআইনি অস্ত্র কারখানায় পুলিশের অভিযান, গ্রেপ্তার ৩

হাওড়ার টিকিয়াপাড়ায় বেআইনি অস্ত্র তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়ে ভিনরাজ্যের ৩ কারিগরসহ একাধিক পিস্তল, পিস্তল তৈরির যন্ত্রাংশ এবং কয়েকটি লেদ মেশিন উদ্ধার করেছে। গতকাল ১৮ই ডিসেম্বর, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হাওড়া সিটি পুলিসের গোয়েন্দাবিভাগ টিকিয়াপাড়ার গঙ্গারাম বৈরাগী লেনের একটি বাড়িতে অভিযান চালায়। সেই অভিযানে এই কারখানার সন্ধান পায় পুলিস। পাশাপাশি তিনজন কারিগরকেও গ্রেপ্তার করেছে, যাদের বাড়ি বিহার এবং ঝাড়খণ্ডে।পুলিস জানিয়েছে, বেআইনি এই অস্ত্র কারখানা থেকে ৪০টি তৈরি পাইপগান উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়াও ছোট আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি করা যায়, এরকম বহু যন্ত্রাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিস সূত্রের দাবি, যে পরিমাণ যন্ত্রাংশ উদ্ধার করা হয়েছে, তা দিয়ে প্রায় শতাধিক বন্দুক তৈরি করা সম্ভব। পুলিস যখন কারখানায় হানা দেয়, তখন সেখানে তিনজন ছিল। সেই তিনজনকেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। বাকি একজনের খোঁজে ইতিমধ্যে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি শুরু হয়েছে। পুলিসের দাবি, ধৃতরা জেরায় জানিয়েছে, আগ্নেয়াস্ত্রগুলি বিভিন্ন জেলায় সরবরাহের জন্য তারা একমাস আগে থেকেই বরাত পেয়েছিল। সেই মতো সেগুলি তৈরি করার কাজ শুরু হয়েছিল। দু-এক মাসের মধ্যে সেগুলি সরবরাহ করার কথা ছিল। পুলিস ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে কারা বরাত দিয়েছিল, সেবিষয়ে খোঁজখবর শুরু করেছে। এমনকী যে ব্যক্তি ধৃতদের বাড়ি ভাড়া দিয়েছিল, সে এই অস্ত্র তৈরির কারবারের সঙ্গে জড়িত ছিল কি না, তাও হাওড়া কমিশনারেটের গোয়েন্দারা খতিয়ে দেখছেন।

তিনদফা দাবিতে হাওড়ার উলুবেড়িয়াতে বিশাল মিছিল হিন্দু সংহতির

uluberiya-rally1গতকাল ২৯শে নভেম্বর, হাওড়া জেলার উলুবেড়িয়াতে হিন্দু শরণার্থীদের নাগরিকত্ব প্রদান, বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের বিতাড়ন এবং বাধ্যতামূলক  জন্মনিয়ন্ত্রণ আইন-এই তিনদফা দাবিতে এক বিশাল মিছিলের আয়োজন করা  সংহতির উদ্যোগে। এই মিছিলে উলুবেড়িয়া এবং আশেপাশের এলাকা থেকে কয়েক হাজার হিন্দু সংহতি কর্মী যোগ দেন। এছাড়াও, প্রচুর হিন্দু জনসাধারণ মিছিলে পা মেলান। মিছিল গঙ্গারামপুর মোড় থেকে শুরু হয়ে শহর পরিক্রমা করে।  মিছিলের শেষে একটি ছোট পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই পথসভাতে বক্তব্য রাখেন হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য, সহ সভাপতি শ্রী সমীর গুহরায়।  শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য মহাশয় তার বক্তব্যে বলেন, ”আজ সমস্ত রাজনৈতিক সংকীর্ণতা ভুলে সমস্ত হিন্দুকে আজ জন্ম নিয়ন্ত্রণ আইনের দাবি তুলতে হবে। তা নাহলে এই পশ্চিমবঙ্গে যেভাবে মুসলিম জনসংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, একদিন হিন্দুরাই এই পশ্চিমবঙ্গে সংখ্যালঘুতে পরিণত হবে।তখন এই হিন্দুকে ভিটে-মাটি ত্যাগ করে বিহার, ঝাড়খন্ড কিংবা উড়িষ্যায় আশ্রয় খুঁজেতে হবে,  বাংলাদেশের হিন্দুরা অত্যাচারের শিকার হয়ে এদেশে  নিয়েছেন।” তিনি আরো বলেন যে আগামী দিনগুলিতে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় এই আন্দোলন চলতে থাকবে, যতদিন না সরকার এই তিনদফা মেনে না নেয়।  এছাড়াও এই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির উপদেষ্টা শ্রী চিত্তরঞ্জন দে, সহ সভাপতি শ্রী অভিষেক ব্যানার্জি এবং সহ সম্পাদক শ্রী মুকুন্দ কোলে। পরে হিন্দু সংহতির তরফ থেকে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল মহকুমা শাসকের অফিসে যান এবং তিনদফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি মহকুমা শাসকের হাতে তুলে দেন।

জেলায় জেলায় অনুষ্ঠিত হলো হিন্দু সংহতির বিজয়া সম্মেলন

আজ হাওড়া জেলার অন্তর্গত উলুবেড়িয়াতে হিন্দু সংহতির ডাকে বিজয়া সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো। এই সম্মেলনে শতাধিক হিন্দু সংহতি কর্মী উপস্থিত হয়েছিলেন। হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য, সহ সভাপতি শ্রী সমীর গুহরায় এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত সংহতি কর্মীদের উদ্দেশ্যে দেবতনু ভট্টাচার্য মহাশয় এবং সমীর গুহরায় মহাশয় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন।

আজ নদীয়া জেলার হরিণঘাটা থানার অন্তর্গত পাগলাতলা গ্রামে আর একটি হিন্দু সংহতির বিজয়া সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো। এই অনুষ্ঠানে শতাধিক হিন্দু সংহতি কর্মী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও এই অনুষ্ঠানে শস্ত্র পূজনও করা হয়। হিন্দু সংহতির সম্পাদক শ্রী সুন্দরগোপাল দাস, প্রমুখ কর্মী শ্রী সুষেন বিশ্বাস এবং নদীয়া জেলার প্রমুখ কর্মী পাঁচুগোপাল মন্ডল এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

উলুবেড়িয়াতে ঈদের রাত্রে হিন্দু মন্দিরে মদের বোতল ও ইট ছুড়লো দুষ্কৃতীরা

হাওড়া জেলার উলুবেড়িয়া শহরের কালীবাড়ির  জেটিঘাট এলাকা। ওই রোডের পাশে একটি কালী মন্দির রয়েছে। আর মন্দিরের আশেপাশেই রয়েছে বেশকিছু হিন্দু মালিকানাধীন দোকানঘর। গত ১৭ই জুন, রবিবার রাতে ওই মন্দিরে দুষ্কৃতীরা কালীপ্রতিমা ভাঙচুর করার উদ্দেশ্যে দুষ্কৃতীরা মন্দিরে মদের বোতল, ইঁট-পাথর ছোড়ে। ইটের আঘাতে মন্দিরের পুজোর থালা,পুজোর প্রদীপ ও অন্যান্য বাসনপত্র এলোমেলোভাবে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে থাকে। তারপর পাশের কয়েকটি হিন্দু দোকানের টালির চাল ভাঙচুর করে দুষ্কৃতীরা। তবে মন্দিরের বাইরে লোহার শক্ত দরজা থাকায় মন্দিরের বড়োসড়ো কোনো ক্ষতি করতে পারেনি। তা নাহলে দুষ্কৃতীরা প্রতিমা ভেঙে গুঁড়িয়ে দিতে পারতো বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।  স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন যে, তাদের সন্দেহ মুসলিম দুষ্কৃতীদের দিকেই। কারণ ঈদের কয়েকদিন  আগেই মুসলিমরা জোর করে মন্দিরের কাছেই ঈদের গেট তৈরি করে, যদিও মুসলিম পাড়া অনেক দূরে অবস্থিত । আর সেই ঈদের গেট তৈরি  করা নিয়ে হিন্দু-মুসলিমদের মধ্যে মন কষাকষি ছিল। তাছাড়া মন্দিরের থেকে দুমিনিটের হাঁটাপথেই উলুবেড়িয়া থানা, উলুবেড়িয়া মহকুমা শাসকের অফিস থাকা সত্বেও কিভাবে মন্দিরে দুষ্কৃতীরা মন্দিরে হামলা চালাতে পারলো,তা নিয়ে স্থানীয় হিন্দুরা ক্ষুব্ধ। ঘটনায় পুলিস এখনো পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। মন্দিরের সামনে বর্তমানে পুলিস মোতায়েন রয়েছে।

দুই সন্তানসহ হিন্দু গৃহবধূকে নিয়ে গেলো শেখ রাজু, উদ্ধারের জন্যে হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ পরিবার

হাওড়া জেলার আমতা থানার অন্তর্গত খরিওফ গ্রামের বাসিন্দা অর্জুন হাজরা। গ্রামে তার সামান্য জমিজমা আছে, তাতেই চাষবাস করে কোনোরকমে সংসার চলতো। অর্জুনের দুই ছেলেমেয়ে-১২ বছরের সুস্মিতা এবং ১০ বছরের সবুজ। কিন্তু অর্জুনের বন্ধুত্ব ছিল খরিওফ কালীতলার বাসিন্দা শেখ রাজুর সঙ্গে।বন্ধুত্বের সূত্রে বাড়িতে যাওয়া আসা ছিল শেখ রাজুর।  শেখ রাজু জরির কাজের ব্যবসাদার ছিল। পরিবারে আর্থিক স্বাচ্ছন্দ আনতে অর্জুন হাজরার স্ত্রী সোনামনিও জরির কাজ করতে শুরু করে। প্রায় গত পাঁচ বছর ধরে সে জরির কাজ করে আসছে। কিন্তু হঠাৎই গত ২৯শে আগস্ট, ২০১৭তে অর্জুনের স্ত্রী সোনামনি তার মেয়ে সুস্মিতা এবং  ছেলে সবুজকে নিয়ে শেখ রাজুর সঙ্গে পালিয়ে যায়। স্ত্রী ও সন্তানকে ফিরে পাবার আশায় অর্জুন হাজরা আমতা থানায় শেখ রাজুর বিরুদ্ধে গত ১৪ই অক্টোবর, ২০১৭ তারিখে অভিযোগ দায়ের করে। আমতা থানার পুলিশ শেখ রাজুর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৬৩ এবং ৩৬৫ ধারায় কেস দায়ের করে তদন্ত শুরু করে, যার কেস নম্বর ৪৬৪/১৭। কিন্তু কোনো এক অজ্ঞাত কারণে পুলিশ দীর্ঘদিন তদন্ত চালিয়েও তাদের উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়। কিন্তু নাছোড়বান্দা অর্জুন হাজরা গত ১২ই ফেব্রূয়ারি, ২০১৮ তারিখে হাওড়া গ্রামীণ জেলার পুলিশ সুপারের কাছে চিঠি দিয়ে স্ত্রী এবং ছেলে-মেয়েকে উদ্ধার করার কাতর আবেদন জানান। কিন্তু পুলিশ এখনো তাদের খুঁজে পায়নি। নিরুপায় অর্জুন স্ত্রী-সন্তানদের ফিরে পাবার জন্যে হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ হয়েছেন। তিনি গতকাল ১৩ই এপ্রিল, ২০১৮ তারিখে হিন্দু সংহতির সভাপতি দেবতনু ভট্টাচার্য মহাশয়-এর কাছে আবেদন জানান তার স্ত্রী-সন্তানকে উদ্ধার করতে সাহায্য করার। হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে তাকে সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন  দেবতনু ভট্টাচার্য মহাশয়। 

মুম্বই থেকে কিশোরীকে অপহরণ, হাওড়া থেকে গ্রেপ্তার শেখ রোহিত

মুম্বইতে কাজ করতে গিয়ে ওখানকার কিশোরীকে অপহরণ করার অভিযোগে হাওড়ার উদয়নারায়ণপুরের খলতপুর থেকে গত ১৫ই মার্চ এক যুবককে গ্রেপ্তার করলো মুম্বই পুলিশ। পাশাপাশি অপহৃত মেয়েটিকেও উদ্ধার করে পুলিশ।  ধৃতের নাম শেখ রোহিত (১৯)। পরের দিন ধৃতকে উলুবেড়িয়া কোর্টে তোলা হয়। মুম্বই পুলিশ অভিযুক্তকে ট্রানজিট রিমান্ডে মুম্বই নিয়ে যাবার আবেদন জানায়। বিচারক সেই আবেদনে না করেননি।  বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে যে , বছর দুয়েক আগে উদয়নারায়ণপুরের বাসিন্দা শেখ রোহিত চশমার দোকানে কাজ করার উদ্দেশে মুম্বইয়ের কল্যানে যায়। সেখানে কাজ করার সুবাদে ওই মেয়েটির সঙ্গে আলাপ হয়। কিন্তু গত সোমবার সেস্ক রোহিত মেয়েটিকে নিয়ে নিজের বাড়িতে চলে আসে। মেয়েটির পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মুম্বই পুলিস শেখ রোহিতকে গ্রেপ্তার করে।

১৪ই ফেব্রুয়ারী সভায় আসার পথে বিষ্ণুপুর ও উলুবেড়িয়াতে মুসলিমদের দ্বারা আক্রান্ত হিন্দু সংহতির কর্মীরা

গত ১৪ই ফেব্রুয়ারী, বুধবার কলকাতার বুকে ধর্মতলার রানী রাসমণি এভিনিউতে হিন্দু সংহতির দশম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত হয়। এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে কর্মীরা গাড়ি করে সভায় আসছিল। কিন্তু আসার পথে পাকিস্তানপন্থী জিহাদি মুসলমানরা দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বিষ্ণুপুর এবং হাওড়া জেলার উলুবেড়িয়াতে হিন্দু সংহতির কর্মীদের গাড়ি ভাঙচুর করে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুর থানা এলাকার হিন্দু সংহতির কর্মীরা ৩টি গাড়ি করে যখন নওহাজারীর পোলের ওপর দিয়ে পাকিস্তান মুর্দাবাদ স্লোগান দিতে দিতে আসছিল, তখন স্থানীয় মুসলিমরা গাড়ি লক্ষ্য করে ইট ছোঁড়ে। পরে বিশাল সংখ্যক মুসলিম জনতা সংহতি কর্মীদের গাড়ি ঘিরে ধরে এবং দাবি করে যে এই এলাকায় পাকিস্তান মুর্দাবাদ স্লোগান দেওয়া চলবে না। এই নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এই সংঘর্ষে হিন্দু সংহতির কয়েকজন কর্মী আহত হয়। পরে বিষ্ণুপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনার ফলে সংহতি কর্মীরা ১৪ই ফেব্রুয়ারী-এর সভায় যোগ দিতে পারেনি।
অন্যদিকে, হাওড়া জেলার উলুবেড়িয়ার হিন্দু সংহতি কর্মীরা ৬টি গাড়ি করে ১৪ই ফেব্রুয়ারী-এর জনসভায় যোগ দিতে আসছিল। কিন্তু একটি গাড়ি একটু পিছনে থেকে  যায়। আর সেই গাড়িটিকে লক্ষ্য করে মুসলিমরা নিমদিঘির ফকিরপাড়া মোড়ের কাছে ইট ছোড়ে। সেই ইটের আঘাতে গাড়ির ড্রাইভার ও সামনে বসা দুজন হিন্দু সংহতির কর্মী আহত হয়। পরে কর্মীরা নেমে মুসলিমদের তাড়া করে এবং মুসলিমরা পালিয়ে যায়। পরে গাড়িটি ধর্মতলার সমাবেশে এসে পৌঁছায়।

উলুবেড়িয়াতে মনসা পুজোর মেলায় মুসলিম দুষ্কৃতিদের হামলা, হিন্দুদের বাড়িঘরে ভাঙচুর-আগুন

হাওড়া জেলার অন্তর্গত উলুবেড়িয়া একটি মহকুমা শহর। এই মহকুমার উলুবেড়িয়া থানার অন্তর্গত লালতেগর খডিয়াময়নাপুর দামনঘাটা এলাকায় গত ১৪ই জানুয়ারী, রবিবার মনসা পূজা উপলক্ষে একটি মেলার আয়োজন করেছিল গ্রামবাসীরা।  কিন্তু মেলা চলা কালীন এলাকার কিছু মুসলিম যুবক মেলায় থাকা মহিলাদের কটূক্তি করতে থাকে। মহিলারা প্রতিবাদ করলে তাদের শ্লীলতাহানি করে ওই মুসলিম দুষ্কৃতিরা। তখন মেলায় থাকা হিন্দুরা ওদেরকে ওখান থেকে তাড়িয়ে দেয়। কিন্তু ওই মুসলিম দুষ্কৃতিরা যাওয়ার সময় রাস্তায় থাকা তিনটি হিন্দু বাড়ি ভাঙচুর করে এবং একটি ছোট পিক-আপ গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। এই ঘটনায় মেলা কমিটি থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের করেনি। কিন্তু যাদের বাড়ি ভাঙচুর হয়েছিল, তারা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এতে একজন মুসলিম দুষ্কৃতিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে বলে জানা গিয়েছে।

শ্যামপুরের ওসিকে মারধরে ঢোলাহাট থেকে গ্রেপ্তার ৫

Shyampure OC ke mardhore Dholahat.jpgশ্যামপুর থানার বারগ্রাম মুন্সিপাড়ায় ওসি সুমন দাস সহ পুলিশ কর্মীদের বেধড়ক মারধর করার অভিযোগে গত ৮ই জানুয়ারী,  সোমবার ভোরবেলা পুলিশ আরও ৫ জনকে গ্রেপ্তার করল। এদিন ভোরে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঢোলাহাট থানার জগদীশপুর থেকে স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতায় মুন্সিপাড়ার বাসিন্দা বাবর মুন্সি, বরহান মুন্সি, রমজান মুন্সি, ইব্রাহিম মুন্সি সহ মোট ৫ জনকে ধরেছে পুলিশ। গত শুক্রবার রাতের ঘটনার পর মুন্সিপাড়া জনমানবশূন্য। যে যেখানে পেরেছে ঘরে তালা লাগিয়ে সপরিবারে পালিয়েছে। গ্রামে এখন পুলিশি টহল ছাড়া কিছুই নেই। এমনকী মহিলারাও বাড়িছাড়া।

ঘটনার দিনই পুলিশ মূল অভিযুক্ত মুন্সি মতিয়ার রহমান সহ মোট ৭ জনকে গ্রেপ্তার করে। এই নিয়ে মোট ২২ জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হল পুলিশ। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে জোর তল্লাসি জারি রয়েছে।

অন্যদিকে, চিকিৎসাধীন ওসি সুমন দাসের অবস্থা আগের তুলনায় কিছুটা ভালো বলে জানিয়েছে কলকাতার ওই নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ। তারা জানিয়েছে, সুমনবাবুর সিটি স্ক্যান করা হয়েছিল সোমবার। তাতে কোনও অবনতি লক্ষ্য করা যায়নি। চিকিৎসকদের আশা, তাঁর মস্তিষ্কে জমে থাকা রক্ত ধীরে ধীরে মিশে যাবে। তখন অবস্থার আরও উন্নতি হবে।