দুর্গাপুরে ২ হিন্দু কিশোরীকে অপহরণ, ২ মুসলিম যুবক গ্রেপ্তার

গত ২৩শে নভেম্বর, শুক্রবার দুর্গাপুরের দুই হিন্দু নাবালিকাকে অপহরণের অভিযোগে ২ মুসলিম যুবককে গ্রেপ্তার করলো পুলিস। ধৃতদের নাম মহম্মদ হোসেন এবং মুর্তাজা আনসারী। জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া দুই নাবালিকা দুর্গাপুরের বাসিন্দা এবং তারা বিধাননগরের একটি স্কুলে নবম শ্রেণীতে পড়তো। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্গাপুরের মুচিপাড়ার বাসিন্দা মহম্মদ হোসেন বিধাননগরের টেটিখোলায় একটি নাচের স্কুল চালায়। সেই স্কুলেই নাচ শিখতো ওই ২ নাবালিকা। গত ১২ই নভেম্বর, কলকাতায় একটি নাচের প্রতিযোগিতায় নিয়ে যাবার নাম করে ওই দুই নাবালিকাকে নিয়ে যায় মহম্মদ হোসেন। কিন্তু  কলকাতায় না নিয়ে গিয়ে বাসে করে সিউড়ি নিয়ে যায় এবং  সেখানে তাদের মুর্তজা আনসারীর বাড়িতে আটকে রাখে। এর মধ্যে এক কিশোরী গত ১৫ই নভেম্বর থেকে পালিয়ে গিয়ে বাড়িতে আসে এবং পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা বলে। এদিকে দুই কিশোরীর নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ পরিবারের তরফে নিউ টাউনশিপ থানায় জানানো হয়েছিল। পরে পুলিশ সেখানে হানা দিয়ে মুর্তাজা আনসারীকে গ্রেপ্তার করে। পুলিসের প্রাথমিক অনুমান যে, ধৃতদের সঙ্গে নারী পাচারকারীদের যোগাযোগ থাকতে পারে এবং  পাচার করার উদ্দেশ্যে ওই দুই নাবালিকাকে নিয়ে  যাওয়া হয়েছিল। বর্তমানে ধৃতদের জেরা করে পুরো বিষয়টি জানার চেষ্টা চলছে বলে পুলিসের তরফে জানানো হয়েছে।

Advertisements

আসানসোলে রাম নবমীর শোভাযাত্রায় আক্রমণ মুসলিমদের, পোড়ানো হলো শ্রীরামের মূর্তি

গত ২৭শে মার্চ, মঙ্গলবার আসানসোলের চাঁদমারি এলাকা থেকে একটি রামনবমীর একটি মিছিল চলছিল। মিছিলটি যখন শ্রীনগর রাস্তার মোড়ের কাছে পৌঁছায়, তখন বেশকিছু মুসলিম মিছিল আটকায় এবং বলে যে এখানে আমাদের ‘ইস্তমা’ আছে, তাই এখন থেকে মিছিল যাবে না। এ নিয়ে মিছিলে থাকা হিন্দুদের সঙ্গে মুসলিমদের বচসা বাঁধে। মিছিলে অংশ নেওয়া একজন জানিয়েছেন যে, যে মাঠে ইস্তমা হচ্ছিলো তার পাশে একটা বড়ো  ঘর আছে, যেখানে আগে থেকেই মুসলিমরা বোমা গুলি নিয়ে প্রস্তুত ছিল। হিন্দুদের মিছিল এগিয়ে যাবার চেষ্টা করলে মুসলিমরা আল্লাহু আকবর, নারায়ে তাকবীর শ্লোগান দিয়ে শোভাযাত্রা লক্ষ্য করে বোমা গুলি ছুঁড়তে থাকে। হিন্দুরা নিরস্ত্র থাকায় তারা এই আক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারেনি। মুসলিমরা মিছিলের সামনে থাকা রাম  নবমীর শোভাযাত্রার ট্যাবলো গাড়িটিতে থাকা শ্রী রামের মূর্তিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। মুসলিমরা পুলিশকে লক্ষ্য করেও বোমা ছোঁড়ে এবং পুলিশের গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। আশেপাশে থাকা হিন্দুবাড়িগুলোতে নির্বিচারে ভাঙচুর চালায় মুসলিম জনতা। বেশ কয়েকজন পুলিসকর্মী আহত হয়। পরে ধীরে ধীরে পুরো আসানসোল জুড়ে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। গন্ডগোল ছড়িয়ে পড়ে ওকে রোড, মহুয়াডাঙাল, রামকৃষ্ণডাঙাল, আমবাগান এলাকা এবং আসানসোল স্টেশন এলাকায়। স্থানীয় হিন্দু সংহতির প্রতিনিধি জানিয়েছেন যে একের পর এক বাড়ি থেকে কালো ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিস লাঠিচার্জ করে, পরপর টিয়ার গ্যাসের সেল ফাটায়। কিন্তু হামলাকারীরা পিছু না হটে বাড়িতে ভাঙচুর চালাতে থাকে। দাউদাউ করে বাড়িগুলিতে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। কয়েকটি বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাও ছোঁড়া হয়। আতঙ্কে বহু লোকজন কাঁদতে কাঁদতে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। বোমা গুলির মধ্যেই আটকে পড়ে বেসরকারি একটি স্কুলের পড়ুয়ারা। তারাও আতঙ্কে কান্নাকাটি শুরু করে দেয়। কোনও রকমে অভিভাবকরা এসে তাদের বাড়ি নিয়ে যান।
এদিন পরিস্থিতি সামাল দিতে বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়া থেকেও পুলিসবাহিনী আনা হয়। কিন্তু লাঠিচার্জ এবং টিয়ার গ্যাসের সেল ফাটিয়েও দীর্ঘক্ষণ পরিস্থিতি পুলিস নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। হামলাকারীরা ইট, পাথর এবং বোমা নিয়ে পুলিসকে তাড়া করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ময়দানে নামেন খোদ পুলিস কমিশনার লক্ষ্মীনারায়ণ মিনা সহ অন্যান আধিকারিকরা। এদিন শহরের অধিকাংশ জায়গা বনধের চেহারা নেয়। খুব কম যানবাহন চলাচল করে। রেলপাড়ের বিভিন্ন এলাকায় অস্ত্র নিয়ে দাপিয়ে বেড়াতে থাকে হামলাকারীরা। আসানসোলের মহকুমা শাসক প্রলয় রায়চৌধুরী বলেন, রেলপাড়ের বেশ কিছু জায়গায় মঙ্গলবার রাত থেকে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। পুলিস কমিশনার বলেন, সবাইকে শান্তি বজায় রাখার অনুরোধ করছি।

আসানসোলের বারাবনিতে হনুমান মন্দিরের সামনে গরুর হাড় ফেললো মুসলিমরা,শক্ত প্রতিরোধ হিন্দুদের

asansoler barabonite Hanuman Mandirerগত ২৯শে জানুয়ারী, সোমবার সকালবেলায় আনুমানিক সময় সাতটার সময় পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোল শহরের পাশের বারাবনি পঞ্চায়েত এলাকার পঞ্চগাছিয়া মোড়ের কাছে থাকা হনুমান মন্দির লক্ষ্য করে এক মুসলিম ব্যক্তি গরুর হাড় ছুঁড়ে দেয়। তারপর ওই মুসলিম ব্যক্তি পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় একজন হিন্দু ব্যক্তি তাকে ধরে ফেলেন। তখন খবর পেয়ে আশেপাশের হিন্দুরা ছুটে আসেন এবং ওই ব্যক্তিকে প্রচুর মারধর করেন। তখন জানা যায় ওই ব্যক্তি পাশের মসজিদপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তখন ক্ষিপ্ত হিন্দুরা দলবেঁধে মসজিদপাড়া এলাকায় গিয়ে মুসলিমদের প্রচুর মারধর করে। এমনকি উত্তেজিত হিন্দুরা মসজিদ লক্ষ্য করে পাথর ছোঁড়ে। এই নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে এলাকায় ছুটে আসেন বিধায়ক শ্রী মানিক উপাধ্যায়। তিনি দুপক্ষকে শান্ত করেন এবং তিনি ব্যাপারটি দেখবেন বলে আশ্বাস দেন। পরে ঐদিন সন্ধ্যায় বিধায়ক হিন্দু-মুসলিম দুপক্ষকে নিয়ে  আলোচনায় বসেন। আলোচনায় যারা এই কাজ করেছিল তাদেরকে ৫০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়, যা মন্দিরের রং ও সংস্কার করার কাজে খরচ করা হবে বলে মন্দিরের সঙ্গে যুক্ত পঞ্চগাছিয়া মোড়ের হিন্দুরা জানিয়েছেন।

তিনদিন পর জামুড়িয়ার অপহৃত শিশু উদ্ধার, মূল অভিযুক্ত রাজা খানকে খুঁজছে পুলিশ

অপহরণের তিন দিন পর নিখোঁজ শিশুকে উদ্ধার করল পশ্চিম বর্ধমান জেলার জামুড়িয়া থানার পুলিশ৷ গত ২৪ জানুয়ারী সন্ধ্যা সাড়ে ছ’টা নাগাদ প্রিন্স নামে ওই শিশুটিকে অপহরণ করা হয়৷ মণ্ডলপুর গ্রামের বাসিন্দা প্রিন্সের বাবা কাল্টু তাঁতির ছোট ব্যবসা রয়েছে৷ রাত সাড়ে ন’টা পর্যন্ত ছেলে বাড়ি না ফেরায় তিনি জামুড়িয়া থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন৷ তার পর তদন্ত করে প্রিন্সকে উদ্ধার করে পুলিশ৷ জামুড়িয়ার ওসি পার্থ ঘোষ বলেন, ‘‘ব্যবসায়িক লেনদেনের কারণে শিশুটিকে অপহরণ করে পাটনায় নিয়ে যাওয়া হয়৷ ওকে উদ্ধার করে বাবা-মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিতে পেরে আমরা খুশি৷’’ তদন্ত নেমে পুলিশ জানতে পারে রাজা খান ও মুন্নু নামে দুই ব্যবসায়ীর সঙ্গে পুরোনো লেনদেন নিয়ে কাল্টুর বিরোধ বাঁধে৷ তার হিসেব মেটাতেই ঘটনার দিন দু’টি গাড়ি নিয়ে তারা কাল্টুর বাড়ির কাছে গিয়ে সুযোগ বুঝে প্রিন্সকে তুলে নিয়ে যায়৷ তখন কাল্টু বাড়ি ছিল না৷ পরে ৬ লাখ টাকা মুক্তিপণও দাবি করে রাজা৷ অভিযোগ পেয়ে পুলিশ প্রথমে ধানবাদ যায়৷ সেখানে রাজা খানের ফোন নম্বর পেয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয় পুলিশ৷ এরপর একটি সূত্র থেকে পাটনায় যায় পুলিশ৷ সেখান থেকেই শিশুটিকে উদ্ধার করে পুলিশ৷ তবে দুই অভিযুক্তই পালিয়ে যায়৷ তাদের খোঁজে তল্লাশি চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে৷

আসানসোলে বালি মাফিয়া সৈয়দ কিরণের কীর্তি -বিএলএলআরও সহ ৫জনকে বেধড়ক মার

গত ২৭শে ডিসেম্বর, বুধবার কাঁকসার বনকাঠি পঞ্চায়েতের সাতকাহনিয়ায় অজয় নদের অবৈধ বালিঘাটে অভিযানে যাওয়ায় ভূমি ও ভূমি রাজস্ব আধিকারিক সহ মোট পাঁচজন সরকারি কর্তাকে মাটিতে ফেলে পেটাল মাফিয়ারা। তাঁদের বেশ কিছুটা তাড়া করে দফায়-দফায় লাঠি, রড দিয়ে মারধর করা হয়। সরকারি গাড়িতেও মাফিয়ারা ভাঙচুর চালিয়েছে। গাড়িতে আগুন ধরানোর চেষ্টা করা হয়। হাতজোড় করে ক্ষমা চাওয়ার পর তাঁরা রেহাই পান। সেখান থেকে কোনও রকমে বনকাঠি পঞ্চায়েতে এসে তাঁরা নিজেদের রক্ষা করেন।

এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাজ্যের শাসক দল ও কাঁকসা থানার মদতেই মাফিয়ারা অবৈধভাবে দেদার বালি তুলছে।সরকারি আধিকারিকদের দাবি, অনেক সময় কাঁকসা থানার পুলিশের সহযোগিতা পাওয়া যায় না। এমনকি তাদের সঙ্গে নিয়ে গেলে মাফিয়ারা আগেই অভিযানের খবর পেয়ে যায়। সেকারণেই এদিন পুলিশ ছাড়াই সরকারি আধিকারিকরা অভিযানে গিয়েছিলেন।

এডিসিপি অভিষেক মোদি বলেন, ‘‘দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের ধরতে অভিযান চলছে। ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের আধিকারিকরা যখনই আমাদের সহযোগিতা চায় তখনই পুলিশ পাঠানো হয়।’’ বাসিন্দারা বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া দু’জনই এলাকায় তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী হিসাবে পরিচিত। তাদের মধ্যে সৈয়দ কিরণ নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। সে এলাকা দাপিয়ে বেড়ায়। কাঁকসার তৃণমূল নেতা দেবদাস বক্সী বলেন, এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। পুলিশ তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেবে।

কাঁকসার বিএলএলআরও সিদ্ধার্থ মজুমদার বলেন, ‘‘আমরা ঘাটে গিয়ে দেখি ট্রাকে বালি তোলা হচ্ছে। সেখানে যেতেই প্রথমে পাঁচ-ছ’জন আমাদের ঘিরে ধরে। ওদের হাতে লাঠি, রড ছিল। কোনও কথা বলার আগেই মারধর করতে থাকে।কিছুক্ষণের মধ্যে আরও ২০-২২ জন চলে আসে। তাদের কারও কারও হাতে বঁটি ছিল। প্রাণ বাঁচাতে সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করলে ওরা তাড়া করে মারে। বেশ কিছুক্ষণ মাটিতে ফেলে মারধর করার পর হাতজোড় করে রেহাই পাই।’’ দুর্গাপুরের এসডিএলএলআরও সুনীল চৌধুরী বলেন, ‘‘ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। বিএলএলআরও, দুই রেভিনিউ অফিসার এবং আরও দুই আধিকারিককে ওরা বেধড়ক মেরেছে। মাফিয়ারা অবৈধভাবে বালি তুলছিল। সে খবর পেয়ে বিএলএলআরও অভিযানে গিয়েছিলেন।’’ দুর্গাপুরের মহকুমা শাসক শঙ্খ সাঁতরা বলেন, ‘‘প্রশাসন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেবে। অবৈধভাবে বালি তোলা বন্ধ করতে ফের অভিযান চালানো হবে।’’

প্রসঙ্গত, এর আগেও অবৈধ বালিঘাটে অভিযান চালানোয় মাফিয়ারা কাঁকসার বিডিওকে আবাসনে ঢুকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছিল। সেবারও পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ ওঠে। সে কারণে বেশ কিছুদিন অভিযান বন্ধ ছিল। প্রশাসন ফের অভিযোনে নামতে মাফিয়ারাও সক্রিয় হয়ে ওঠে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কাঁকসা ব্লক জুড়েই বালি মাফিয়াদের দাপট রয়েছে। অজয়ের বিভিন্ন ঘাটে মাফিয়ারা মেশিনের সাহায্যে বালি তুলছে। দিনের বেলাতে ট্রাকে তা পাচার হলেও পুলিশ কোনও পদক্ষেপ নেয় না বলে অভিযোগ।

পশ্চিম বর্ধমান জেলার হিন্দু সংহতির কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো দুর্গাপুরের রাজেন্দ্রভবনে

বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু বিরোধী পরিবেশে হিন্দু সংহতি দ্রুত বিস্তারলাভ করে চলেছে। এবার তার আঁচ পাওয়া গেলো পশ্চিম বর্ধমান জেলাতেও। এই জেলার হিন্দু সংহতির নতুন কর্মীদের নিয়ে এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হল গত ১০ই ডিসেম্বর, রবিবার দুর্গাপুরের রাজেন্দ্রভবনে। জেলার কোনা কোনা থেকে কর্মীরা দলে দলে উপস্থিত হয়েছিল এই সম্মেলনে। উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান উপদেষ্টা শ্রী তপন ঘোষ মহাশয় এবং সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য মহাশয়। দুর্গাপুর মেনগেট থেকে প্রায় ৩০০ কর্মী বাইক মিছিল করে তপন ঘোষ মহাশয় ও দেবতনু ভট্টাচার্য মহাশয়কে সভাস্থলে নিয়ে আসে। তারপর সভার কাজ শুরু হয়। এছাড়া এই সভায় উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির সহ সম্পাদক ও বর্ধমান জেলার পর্যবেক্ষক শ্রী সুজিত মাইতি ও অন্যতম সহ সম্পাদক শ্রী বিশ্বজিৎ মজুমদার মহাশয়। এই সভায় প্রায় ৭০০ কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

আসানসোলের খোলামুখ খনিতে ২ যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার, কয়লা চুরির সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না

গত ৩রা ডিসেম্বর, রবিবার আসানসোল উত্তর থানার ভানোড়া খোলামুখ খনিতে দুই যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে রহস্য দানা বেঁধেছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম মহম্মদ ওসমান (৩৪) এবং সামিম আনসারি (৩২)। তাঁদের একজনের বাড়ি আসানসোল উত্তর থানার হাঁড়িপাড়া এবং অন্যজন গিরমিটের বাসিন্দা। এডিসিপি জে মারসি বলেন, খনির কাছে থেকে মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। কীভাবে তারা মারা গিয়েছেন তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। খনিতে পড়ে গিয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে।

মৃত ওসমানের পরিবারের দাবি, তার মৃগী রোগ ছিল। এদিন সকালে প্রাতঃকৃত্য করতে গিয়ে তিনি পড়ে গিয়ে মারা যান। অন্যজন তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে খনিতে পড়ে যান। পরে তাঁর মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা অবশ্য বলেন, খনি থেকে প্রায় রাতেই কয়লা চুরি হয়। কয়লা কাটতে গিয়ে অনেক সময় দুর্ঘটনা হয়। এর আগেও এরকম ঘটনা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, এদিন আসানসোল জেলা হাসপাতালে মৃতদেহ দুটির ময়নাতদন্ত করা হয়। ঘটনায় কোনও অভিযোগ হয়নি।