জেলায় জেলায় অনুষ্ঠিত হলো হিন্দু সংহতির বিজয়া সম্মেলন

আজ হাওড়া জেলার অন্তর্গত উলুবেড়িয়াতে হিন্দু সংহতির ডাকে বিজয়া সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো। এই সম্মেলনে শতাধিক হিন্দু সংহতি কর্মী উপস্থিত হয়েছিলেন। হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য, সহ সভাপতি শ্রী সমীর গুহরায় এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত সংহতি কর্মীদের উদ্দেশ্যে দেবতনু ভট্টাচার্য মহাশয় এবং সমীর গুহরায় মহাশয় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন।

আজ নদীয়া জেলার হরিণঘাটা থানার অন্তর্গত পাগলাতলা গ্রামে আর একটি হিন্দু সংহতির বিজয়া সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো। এই অনুষ্ঠানে শতাধিক হিন্দু সংহতি কর্মী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও এই অনুষ্ঠানে শস্ত্র পূজনও করা হয়। হিন্দু সংহতির সম্পাদক শ্রী সুন্দরগোপাল দাস, প্রমুখ কর্মী শ্রী সুষেন বিশ্বাস এবং নদীয়া জেলার প্রমুখ কর্মী পাঁচুগোপাল মন্ডল এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
Advertisements

নদীয়ার কৃষ্ণগঞ্জে রুপো পাচারকারী নুরুদ্দিন মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করলো বিএসএফ

গত ৬ই এপ্রিল, শুক্রবার রাতে নদীয়া জেলার অন্তর্গত কৃষ্ণগঞ্জ থানার বানপুর সীমান্তে এক রুপোর গয়না পাচারকারীকে ধরে পুলিসের হাতে তুলে দিল বিএসএফের ১১নং ব্যাটেলিয়ানের জওয়ানরা। পুলিস অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতের নাম নুরুদ্দিন মণ্ডল। বাড়ি কৃষ্ণগঞ্জ থানার বানপুরে। তার কাছ থেকে ৬ কেজি ১৬০ গ্রাম রুপোর গয়না ও ৩ কেজি ২০০ গ্রাম রুপোর বল উদ্ধার করেছে বিএসএফ। উদ্ধার করা গয়না শুল্ক দপ্তরের হাতে তুলে দিয়েছে বিএসএফ। বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, জনা ছয়েক দুষ্কৃতী কিছু প্যাকেট কাঁটাতারের ওপারে ফেলার চেষ্টা করে। সীমান্তের একটি আমবাগানে তারা বিএসএফ জওয়ানদের দেখেই পালানোর চেষ্টা করে। সবাই পালিয়ে গেলেও নুরুদ্দিন ধরা পড়ে যায়। তার কাছ থেকেই রুপোর অলঙ্কার ও বল উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া ৩ কর্মীকে জেল থেকে ছাড়িয়ে আনলো হিন্দু সংহতি

IMG-20180323-WA0036নদীয়া জেলার নাকাশিপাড়া থানার অন্তর্গত ছোট শিমুলিয়া গ্রাম। সেই গ্রামের রাস্তার পাশেই গ্রামের বাসিন্দা অসীম মন্ডলের জমিতে  পাঁচুগোপাল প্রামানিকের সেলুন দোকান। কিন্তু গ্রামের দুইজন মুসলিম ব্যক্তি বাশার শেখ এবং বশির শেখ বালির ব্যবসা করেন এবং ওই সেলুন দোকানের সামনে রাস্তা আটকে বালি ফেলে রেখে ব্যবসা করতেন । এনিয়ে গত ৭ই মার্চ,বুধবার ওই সেলুন দোকানদার এবং দোকানে থাকা কয়েজনের সঙ্গে মুসলিমদের সংঘর্ষ হয়। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ ওই দিন রাত্রে স্থানীয় তিনজন হিন্দুকে গ্রেপ্তার করে, তারা হলো অসীম মন্ডল, রুহিতোষ ঘোষ এবং নিমাই বিশ্বাস। পরেরদিন ওদের আদালতে তোলা হলে বিচারক ১৪দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। আজ ২৩শে মার্চ, শুক্রবার হিন্দু সংহতির সহযোগিতায় ওই তিনজনকে জেল থেকে জামিনে ছাড়িয়ে আনা  হলো।

অম্বরীশ দাসের ২০০ কোটি, নতুন সাজে সাজছে মায়াপুর

প্রায় ৩৩৫ ফুট উঁচু মন্দিরের মাথায় বসানো হল রাশিয়া থেকে আনা ২১ ফুটের সোনালি চক্র৷ গতকাল ৭ই ফেব্রুয়ারী, বুধবার মায়াপুরে ইসকনের বিশ্ব সদর দপ্তর ক্যাম্পাসে নতুন এই মন্দিরের চূড়া স্থাপনের অনুষ্ঠানে আসেন আমেরিকার ফোর্ড কোম্পানির মালিক আলফ্রেড বুশ ফোর্ড, যিনি হিন্দুধর্ম গ্রহণ করে বর্তমানে অম্বরীশ দাস। হেনরি ফোর্ডের নাতি অম্বরীশ দাস  অনুষ্ঠান দেখে আপ্লুত৷ এ দিন নির্মীয়মান বিশাল গম্বুজাকৃতি মন্দিরটির মাথায় গাঁথা হয় দেড় টনের সেই চক্র৷ এ দিন সেই দৃশ্য দেখতে ভিড় করেছিলেন নানা দেশের প্রায় হাজার পাঁচেক মানুষ৷ আলফ্রেডের বাঙালি স্ত্রী শর্মিলা বলেন, ‘‘বাংলার এ মন্দির গোটা বিশ্বের আরও মানুষকে টেনে আনবেই৷’’ ফোর্ড নিজে অবশ্য বৈষ্ণবীয় রীতি মেনে শুধু বলেন, ‘‘সেবা করতে পারছি দেখে আমি খুব খুশি৷’’ ফোর্ড একাই এই মন্দিরের জন্য ২০০ কোটি টাকা অর্থ সাহায্য করেছেন বলে জানালেন ইসকনের জনসংযোগ আধিকারিক রসিক গৌরাঙ্গ দাস৷ চার লক্ষ ফুট এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই মন্দিরের ভিতরে ব্রহ্মাণ্ডের ত্রিমাত্রিক রুপ দেখা যাবে৷ মায়াপুর ইসকনের গভর্নিং বডি কমিশনের চেয়ারম্যান ভক্তিচারু স্বামী মহারাজ বলেন, ‘‘বৈদিক প্ল্যানেটোরিয়াম গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন ইসকনের প্রতিষ্ঠাতা৷ তিনি বলতেন, যেমন তাজমহলের স্থাপত্য দেখতে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে মানুষ আসেন, তেমনই এখানে আসবেন সভ্যতা, দর্শন, ধর্ম সংস্কৃতি দেখতে৷ আলফ্রেড ফোর্ড ওরফে অম্বরীশ দাস প্রভুপাদের সেই স্বপ্নকে সফল করতে অনেকটাই সাহায্য করছেন৷’’

শহিদ বিএসএফ কমান্ডান্ট দীপক মন্ডলকে শেষ বিদায়

bsf dipakশনিবার, ২১ শে অক্টোবর যথাযোগ্য মর্যাদায় শহিদ বিএসএফ কমান্ডান্ট দীপক মণ্ডলকে শেষ বিদায় জানানো হয়েছে৷ এদিনই সকালে তাঁর দেহ কফিনবন্দি হয়ে তাঁর বাড়ি নদীয়ার তারকনগরে অাসে৷ দীপক মণ্ডলের মৃতদেহ তারকনগর গ্রামে পৌঁছতেই পরিবার কান্নায় ভেঙে পড়েন৷ এলাকাবাসী শোকস্তব্ধ৷ ত্রিপুরা-বাংলাদেশ সীমান্তে গরু পাচারকারীরা তাঁর উপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে দিয়েছিল৷ গুরুতর জখম হয়েছিলেন বিএসএফ কমান্ডান্ট দীপক মণ্ডল৷ শুক্রবার হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়৷ শনিবার প্রয়াত দীপক মণ্ডলের দেহ কফিনবন্দি হয়ে তাঁর বাড়ি নদীয়ার তারকনগরে অাসে৷ দীপকবাবুর স্ত্রী ও দুই ছেলে রয়েছেন। তাঁরা কল্যাণীতে থাকেন।

পশ্চিম ত্রিপুরার সিপাহীজলা জেলার বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় পোস্টিং হয়েছিল দীপক মণ্ডলের৷ গত রবিবার,১৫ই অক্টোবর গরু পাচারকারীদের রুখতে গিয়েছিলেন তিনি৷ তখনই পাল্টা হামলা চালায় পাচারকারীরা৷ দীপক মণ্ডলের দেহের উপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে দেয়৷ গুরুতর জখম দীপকবাবুকে কলকাতায় আনা হয়েছিল চিকিৎসার জন্য৷ দীপক মণ্ডলের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন ত্রিপুরার রাজ্যপাল তথাগত রায়, যদিও ত্রিপুরার সিপিআইএম-এর মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার শোকপ্রকাশ করতে একটিও বাক্য খরচ করেননি।

নদীয়া জেলার তেহট্টে কালীপুজো উদ্বোধন করলেন হিন্দু সংহতির সহ-সভাপতি

নদীয়া জেলার তেহট্টের বার্নিয়া গ্রাম। এবছর গ্রামের হিন্দু বাসিন্দারা প্রথম কালীপুজো শুরু করলো। আর সেই পুজো শুরুর পিছনে এলাকার হিন্দু সংহতির কর্মীদের অবদানও উল্লেখযোগ্য। আর সেই পুজো উদ্বোধনের জন্যে গ্রামবাসীরা আমন্ত্রণ জানায় হিন্দু সংহতিকে। আর সেই ডাকে সাড়া দিয়ে পুজো উদ্বোধনের জন্যে ওই গ্রামে কালীপুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন হিন্দু সংহতির সহ-সভাপতি শ্রী ব্রজেন্দ্রনাথ রায় ও হিন্দু সংহতির কোষাধক্ষ্য শ্রী সুজিত মাইতি। পুজো উদ্বোধনের পর গ্রামবাসীদের উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন  শ্রী ব্রজেন্দ্রনাথ রায় ও শ্রী সুজিত মাইতি মহাশয়।

বন্ধ হতে চলা কালীপূজা করালো হিন্দু সংহতির কর্মীরা

haringhataনদীয়া জেলার হরিণঘাটা থানার অন্তর্গত বৈকারা গ্রাম। গ্রামের হিন্দু জন সাধারণ প্রতি বছরের মতো এবছরও কালীপূজার আয়োজন করছিলো। কিন্তু মুসলিমদের বাধার মুখে এবছরের মা কালীর আরাধনা বন্ধ হতে বসেছিল। এই খবর হিন্দু সংহতির কর্মীদের কানে যেতেই, তারা রুখে দাঁড়ায়। হিন্দুসংহতির প্রায় ১৫০ জন কর্মী এলাকার হিন্দু সংহতির প্রমুখ কর্মী পাঁচু গোপাল মন্ডলের  নেতৃত্বে এলাকায় গিয়ে দাঁড়িয়ে থেকে পুজোর মণ্ডপ-প্যান্ডেল নির্মাণ করায়। তারপর সংহতি কর্মীরা কাছের হরিণঘাটা বাজারে গিয়ে ঘুরে ঘুরে সব হিন্দু দোকান থেকে সাহায্য সংগ্রহ করে। ফলে এইবছর সুষ্ঠভাবে কালীপূজা সম্পন্ন হলো। তবে এই পূজাতে গ্রামবাসীরা সংহতি সভাপতি দেবতনু ভট্টাচার্যকে আমন্ত্রণ জানায়।গত ২০শে অক্টোবর,শুক্রবার  পূজাতে উপস্থিত হওয়ার পথে বৈকারা গ্রামে ঢোকার মুখে স্থানীয় প্রায় ৩০০ মুসলিম জনতা সংহতি সভাপতির গাড়ি ঘিরে ধরে। দেবতনু ভট্টাচার্য মহাশয়ের সঙ্গে ছিলেন হিন্দু সংহতির কোষাধক্ষ্য শ্রী সুজিত মাইতি মহাশয়। উভয়ের মধ্যে বচসা হয় এবং এতে সুজিত মাইতি মহাশয় একটু আঘাতপ্রাপ্ত হন। এবিষয়ে দেবতনু ভট্টাচার্য মহাশয় বলেন  ”যেখানে হিন্দুরা নিজেদের অধিকার রক্ষার জন্য লড়াই করে, তাঁরা আমার প্রেরণার উৎস। সেই লড়াইয়ের মাটি আমার কাছে তীর্থভূমি। তাই গিয়েছিলাম তীর্থদর্শনে প্রেরণা নিতে। জেহাদীরা প্রস্তুত ছিল। আশপাশ থেকে জমায়েত হয়ে অপেক্ষা করছিল। পরাজয়ের গ্লানি। মাইক বাজিয়ে পূজা চলছে। স্বাভাবিক ভাবেই প্রতিক্রিয়া হবে! কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, ওরা তিনশ, আমরা চার। স্থানীয় ছেলেরা নতুন, তাই চাপ নিতে না পারায় দূরে সরে গেছে। অথচ সামনা সামনি গায়ে হাত দেওয়ার সাহস অতগুলো মোল্লার মধ্যে একজনেরও হলো না ! অনেক হম্বিতম্বি, কিন্তু শেষে আক্রমণ হলো পিছন থেকে। যখন গাড়িতে উঠতে যাচ্ছি, তখন। সুজিতদার একটু চোট লেগেছে”।

দীপাবলির পুণ্যলগ্নে নদীয়ার কালীগঞ্জে বস্ত্র বিতরণ করলো হিন্দু সংহতি

নদীয়া জেলার কালীগঞ্জ থানার অন্তর্গত বানগড়িয়া গ্রামে গত ১৯শে অক্টোবর দীপাবলির দিন বস্ত্র বিতরণ করলো হিন্দু সংহতি। এলাকার নবীন সংঘের কালী পূজা মণ্ডপে এই বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়েছিল।এই নবীন সংঘের পূজার সঙ্গে হিন্দু সংহতির কর্মীরা অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। এই অনুষ্ঠানে এলাকার  আদিবাসী হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রায় ১০০ জনকে বস্ত্র দান করা হয়। অনুষ্ঠানে হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে সহ সভাপতি শ্রী ব্রজেন্দ্রনাথ রায়, কোষাধক্ষ্য সুজিত মাইতি। এছাড়াও উপস্থিত  ছিলেন জেলার প্রমুখ কর্মকর্তা দীপক সান্যাল।