প্রেমপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় হিন্দু কলেজ ছাত্রীকে অ্যাসিড দিয়ে পুড়িয়ে মারার হুমকি মুসলিম যুবকের

প্রেমপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় এক হিন্দু কলেজ ছাত্রীকে অ্যাসিড দিয়ে পুড়িয়ে মারার হুমকি দিলো মুসলিম যুবক। ঘটনা দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার অন্তর্গত ক্যানিং-এর। আতঙ্কে কলেজ যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন ওই ছাত্রী। ইতিমধ্যেই নিরাপত্তা ও অভিযুক্ত আনোয়ার সরদারের  শাস্তি চেয়ে ক্যানিং থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই ছাত্রী। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ছাত্রী জানিয়েছেন, প্রায় মাস তিনেক ধরে কলেজে যাওয়া আসার পথে উত্যক্ত করতো আনোয়ার। তার বাড়ি তালদি এলাকার শিবনগর গ্রামে। সে বিবাহিত আনোয়ারকে পাত্তা না দেওয়ায় বেপরোয়া হয়ে ওঠে সে । একদিন কলেজ যাওয়ার পথে জোর করে মোবাইল কেড়ে নেয় সে। পরে মোবাইল ফেরত চাইলে আনোয়ার  ওই ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেয়। কিন্তু ছাত্রীটি প্রস্তাবে রাজি না হলে কলেজে যাওয়ার পথে অ্যাসিড দিয়ে পুড়িয়ে দেবার হুমকি দেয় আনোয়ার। আর তারপর থেকেই আতঙ্কে কলেজে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন ওই ছাত্রী। বিচার চেয়ে অভিযোগও করেছেন ক্যানিং থানায়। তবে এখনো পর্যন্ত অভিযুক্ত যুবক আনোয়ার সরদার গ্রেপ্তার হয়নি।

Advertisements

পশ্চিমবঙ্গের জনবিন্যাস পরিবর্তনের প্রতিবাদে ক্যানিং-এ বিশাল মিছিল হিন্দু সংহতির

গতকাল দক্ষিণ 24 পরগনা জেলার মহকুমা শহর ক্যানিং-এ পরিকল্পিতভাবে পশ্চিমবঙ্গের জন বিন্যাস পরিবর্তনের বিরুদ্ধে এক বিশাল মিছিলের আয়োজন করলো হিন্দু সংহতি। এই মিছিলে ক্যানিং মহকুমার বিভিন্ন গ্রাম থেকে প্রচুর হিন্দু জনসাধারণ যোগ দেন। মিছিল থানার মোড় থেকে শুরু হয়ে পুরো ক্যানিং বাজার ঘুরে বাসস্ট্যান্ডে এসে শেষ হয়।মিছিল থেকে হিন্দু সংহতির কর্মীরা বাংলাদেশ থেকে আগত হিন্দুদের নাগরিকত্বের দাবিতে, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইনের দাবিতে এবং বাংলাদেশি মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে তাড়ানোর দাবিতে আওয়াজ তোলেন। হিন্দু সংহতির কর্মীদের শ্লোগানে পুরো ক্যানিং শহর সরগরম হয়ে ওঠে।বাসস্ট্যান্ডে কর্মীদের জমায়েতের সামনে একটি ছোট পথসভার আয়োজন হয়। সেই পথসভায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য, সহ সভাপতি সমীর গুহরায়(বাবুদা), সহ সভাপতি শ্রী অভিষেক বন্দোপাধ্যায়, সুষেন বিশ্বাস এবং ক্যানিং মহকুমার প্রমুখ কর্মী শ্রী দীনবন্ধু ঘরামীসহ অন্যান্যরা। পরে হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে এক প্রতিনিধিদল মহকুমা শাসকের কাছে হিন্দু সংহতির তিনটি দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি জমা দেয়। হিন্দু সংহতির সভাপতি জানিয়েছেন যে ক্যানিং থেকে যে আন্দোলন শুরু হলো, আগামীদিনে তা সারা রাজ্যব্যাপি ছড়িয়ে দেওয়া হবে এবং এই আন্দোলন ততদিন চলবে, যতদিন না পর্যন্ত সরকার হিন্দু সংহতির দাবিগুলি মেনে না নেয়।

সোনারপুরে ৩৫ লক্ষ টাকার হেরোইনসহ ২ মুসলিম গ্রেপ্তার

গত ২৮শে অক্টোবর, শনিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার স্টেশনের পাশে ৩৫ লক্ষ টাকার হেরোইনসহ দুজন মাদক কারবারীকে গ্রেপ্তার করলো পুলিস। ধৃতরা হলো রশিদ লস্কর এবং শেখ জালালুদ্দিন। এদের মধ্যে রশিদ দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ঘুটিয়ারি শরীফের বাসিন্দা এবং শেখ জালালুদ্দিন নদীয়ার কালীগঞ্জের বাসিন্দা। এদের কাছ থেকে পুলিস ১কেজি ১০০গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করেছে, যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকা। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে  যে, সূত্র মারফত বারুইপুর জেলা পুলিসের কাছে খবর আসে যে দুজন ব্যক্তি সোনারপুর স্টেশনের পাশেই হেরোইন ডেলিভারি দিতে আসবে। সেইমতো ঐদিন সকাল থেকে পুলিস কর্মীরা স্টেশনের আশেপাশে সন্দেহজনক ব্যক্তিদের ওপর নজর রাখতে থাকেন। পরে পুলিসকর্মীরা এই দুজনকে তল্লাশি করেন এবং পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এই কারবারে আর কারা জড়িত, তা জানার জন্যে তাদের জেরা করা হচ্ছে বলে পুলিসের তরফ থেকে জানানো হয়েছে।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুরে গ্রেপ্তার নারী পাচারচক্রের মাথা তসলিমা

একসময় নিজেই পাচার হয়ে গিয়েছিল। পরে সেই হয়ে যায় মুম্বইয়ে নারী পাচার চক্রের অন্যতম মাথা। মুম্বইয়ের নারী পাচারচক্রের এহেন বড় চাঁই তসলিমাকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার মথুরাপুর থানার পুলিস গত ১৬ই জুন, শনিবার রাতে ঘোড়াদলের বৈদ্যপাড়া থেকে গ্রেপ্তার করেছে। তসলিমার সঙ্গে দশ বছরের এক নাবালককে পাওয়া গিয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, মথুরাপুরের বাসিন্দা তসলিমা চার বছর বয়সে বেপাত্তা হয়ে যায়। পরে জানা যায়, তাকে মুম্বইতে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। অনেক পরে তসলিমা নিজেই নারী পাচারের এক বড় পাণ্ডা বনে যায়। মথুরাপুর ছাড়াও ডায়মন্ড হারবার, কাকদ্বীপ মহকুমার নানা এলাকা  থেকে নানা টোপ দিয়ে একাধিক কিশোরীকে মুম্বই নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছে। পুলিস অনেকদিন ধরেই তাকে খুঁজছিল। কিন্তু পাওয়া যাচ্ছিল না। তিন মাস আগে কাকদ্বীপ মহকুমার হারউড পয়েন্ট কোস্টাল থানার এক নাবালিকাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে তার স্বামীর  মাধ্যমে মুম্বইতে বিক্রি করে দেয়। দীর্ঘদিন অনুসন্ধানের পর মুম্বইয়ের একটি বার থেকে সেই নাবালিকাকে উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার করা হয়েছিল গফুরকেও। শনিবার হারউড কোস্টাল থানার পুলিস খবর পায়, তসলিমা মথুরাপুরে ঘাঁটি গেড়েছে। বিষয়টি মথুরাপুর থানাকে অবগত করা হয়। এরপর তার ছবি দেওয়া হয়। সেই সূত্র ধরে মথুরাপুর থানার ওসি শিবেন্দু ঘোষ বিশাল পুলিস বাহিনী নিয়ে ঘোড়াদলের বৈদ্যপাড়া থেকে তসলিমাকে ধরে।

আশ্রমের জমি দখলের চেষ্টা, রুখে দাঁড়ালো হিন্দু সংহতি

IMG-20180505-WA0002দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার মন্দিরবাজার আঁচনা। ওখানে রাস্তার ধারে সুশান্ত মহারাজের একটি আশ্রম রয়েছে, যা এলাকার সাধারণ হিন্দুদের কাছে অতি পরিচিত। আশ্রমের ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলিতে এলাকার হিন্দু জনসাধারণ উৎসাহের সঙ্গে যোগ দিয়ে থাকে। কিন্তু ওই জমির ওপর নজর স্থানীয় মুসলমানদের একাংশের। স্থানীয় মুসলমানদের একটি গোষ্ঠির সহযোগিতায় জাহির মোল্লা (পিতা-মৃত নাজিম মোল্লা) নামক ব্যক্তি দলবল নিয়ে এসে জমি দখল করে ঘর করতে শুরু করে। আশ্রমের সন্ন্যাসী বাধা দেন। তখনকার মতো কাজ বন্ধ করে চলে যায়। কিন্তু আশ্রমের মহারাজ জাহির মোল্লা ও স্থানীয় মুসলমানদের বিরুদ্ধে ডায়মন্ড হারবার মহকুমা আদালতে মামলা দায়ের করেন। কোর্ট গত ৩রা মে ওই জমির ওপর ১৪৪ ধারা জারি করে এবং মন্দিরবাজার থানার পুলিশকে নির্দেশ দেয় যে তারা যেন ২১জুন,২০১৮ -এর মধ্যে কোর্টে রিপোর্ট পেশ করে। কিন্তু কোর্টের আদেশ অমান্য করে গতকাল ৫ই মে, শনিবার মুসলমানরা আশ্রমের জায়গায় গায়ের জোরে ঘর তৈরি করতে শুরু করে। কিন্তু স্থানীয় হিন্দুরা সাহায্যের জন্যএগিয়ে আসেনি। এমনকি মন্দিরবাজার থানার পুলিশকে জানানো হলেও কোনো এক অজ্ঞাত কারণে পুলিশ সাহায্যের জন্যে এগিয়ে আসেনি। তখন সুশান্ত মহারাজ হিন্দু সংহতির প্রমুখ কর্মী শ্রী রাজকুমার সরদারকে ফোন সমস্যার কথা জানান এবং সাহায্যের জন্যে আবেদন করেন। শ্রী রাজকুমার সরদার হিন্দু সংহতির কর্মীদের নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে পুলিশের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়। পরে পুলিশ ওই জমিতে ঘর নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দেয়। বর্তমানে ওই স্থানে মন্দিরবাজার থানার পুলিশকর্মী মোতায়েন রয়েছে।

কুলতলীতে অস্ত্রসহ ৫ বাংলাদেশী জলদস্যুকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ

ভারতীয় জলসীমানা পেরিয়ে এখানকারমৎস্যজীবীদের নৌকায় লুঠতরাজ চালাতে এসে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে গেল সশস্ত্র পাঁচ বাংলাদেশি জলদস্যু৷ গত ১৩ই এপ্রিল, শুক্রবার রাত দেড়টা নাগাদ দস্যুদের দলটি নদীপথে হাতের নাগালে চলে এলে সকলকে হাতে নাতে ধরে ফেলে পুলিশ৷ কুলতলির কাছে বিদ্যাধরী নদীর খাঁড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে পাঁচটি একনলা বড় ও একটি ছোট পাইপগান , সাতটি কার্তুজ ও বোমা উদ্ধার হয়েছে৷ পুলিশ জানায় , গত  মার্চে এই দলটিই পিরখালি জঙ্গলের কাছে পুলিশের সঙ্গে গুলির লড়াই করে অন্ধকারে বাংলাদেশে পালিয়ে গিয়েছিল৷ গতকাল ১৪ই এপ্রিল,শনিবার বারুইপুর আদালতে তোলা হলে বিচারক তাদের দশ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।

হিন্দু গৃহবধূকে অপহরণের চেষ্টা বারুইপুরে

দিনে-দুপুরে এক হিন্দু গৃহবধূকে অপহরণের চেষ্টা করল দুষ্কৃতীরা। ঘটনাটি গতকাল ১২ই এপ্রিল, বৃহস্পতিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে ঘটেছে। ঐদিন বিকেলের দিকে ওই হিন্দু গৃহবধূ বারুইপুর হাসপাতালে ডাক্তার দেখিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে তিনি অটো ধরার জন্যে দাঁড়িয়েছিলেন। অটোওয়ালা বলেন যে তিনি শাঁখারিপুকুর রাস্তা দিয়ে যাবেন। ওই গৃহবধূ সরল বিশ্বাসে অটোতে  উঠে বসেন। পিছনে একজন মুসলিম ব্যক্তি বসে ছিলেন। কিন্তু আউটটি শাঁখারিপুকুরের রাস্তায় না গিয়ে যখন লক্ষীকান্তপুর রাস্তার দিকে যেতে শুরু করে, তখন ওই গৃহবধূ প্রতিবাদ করেন। ওই মহিলা হিন্দু সংহতির প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন যে তিনি প্রতিবাদ করলে ওই দুষ্কৃতী রুমাল দিয়ে তার মুখ চেপে ধরে এবং তাকে খুন করার ভয় দেখায়। কিন্তু লক্ষীকান্তপুর যাবার রাস্তায় চাঁদখালী মোর উল্টোদিক থেকে আসা একটি সন্ন্যাসীভর্তি গাড়ি দেখে মহিলাটি সাহস করে ওই মুসলিম দুস্কৃতিটিকে ধাক্কা মারবেন এবং চিৎকার করেন। তারাই ওই মহিলাকে উদ্ধার করে বাড়িতে পৌঁছে দেয়। ওই গাড়িটি দ্রুত ওখান পালিয়ে যাওয়ায় দুষ্কৃতীদেরকে ধরা সম্ভব হয়নি। রাতেই ওই মহিলা বারুইপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন, যার নম্বর ১০৩৪/১৮। তবে এই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।

লাভ-জিহাদের শিকার রামনগরের সুজাতা প্রধান

এই বাংলায় আর একটি হিন্দু মেয়ে  লাভ-জিহাদের শিকার হয়ে হিন্দু সমাজ থেকে হারিয়ে গেলো। এইবার লাভ-জিহাদের শিকার হলো দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার রামনগর থানার অন্তর্গত সিংহলগঞ্জের হিন্দু কিশোরী সুজাতা প্রধান (নাম পরিবর্তিত, বয়স ১৭ বছর ১০ মাস)। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই গ্রামের শম্ভূনাথ প্রধানের মেয়ে গত ২১শে মার্চ, বুধবার স্কুল থেকে ফেরার সময় বিষ্ণুপুর থানার অন্তর্গত খুড়ীরপোলের বাসিন্দা জাকির হোসেন মোল্লা সুজাতাকে নিয়ে যায়। পরের দিন ২২শে মার্চ, বৃহস্পতিবার সুজাতার পরিবার তাদের মেয়েকে ফিরে পাবার জন্যে রামনগর থানায় FIR দায়ের করেন, যার নম্বর ৪৪/১৮। পুলিশ অভিযুক্ত জাকির হোসেন মোল্লার  বিরুদ্ধে IPC -৩৬৩ ধারায়  কেস রুজু করে। কিন্তু এতদিন পেরিয়ে গেলেও রামনগর থানার পুলিশ অপহৃতা সুজাতা প্রধানকে উদ্ধার করতে পারেনি।

পিরখালি জঙ্গলে বাংলাদেশী ও পুলিশের গুলির লড়াই,গ্রেপ্তার ৪ জলদস্যু

বাংলাদেশি জলদস্যুদের সঙ্গে পুলিসের দীর্ঘ গুলির লড়াইয়ে উত্তপ্ত হল সুন্দরবনের পিরখালি জঙ্গল।গতকাল ২৪শে মার্চ,  শুক্রবার ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে। অন্ধকার খাঁড়ির মধ্যে দাঁড় করানো জলদস্যুদের ভুটভুটি থেকে পুলিসকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি ছোঁড়া হয়। পাল্টা গুলির জবাব দেয় পুলিস। দু’পক্ষের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ লড়াইয়ের পর ভুটভুটি থেকে লাফ মেরে বাংলাদেশি জলদস্যুরা জঙ্গলে ঘাপটি মেরে থাকে। কিন্তু, তাদের ধাওয়া করে চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলে পুলিস। শেষ পর্যন্ত ওই চার জলদস্যু হাবিবুর ঢালি, হাবিবুল্লা বাহার, সাহেব আলি গাজি ও মহম্মদ বিলাল হোসেন আত্মসমর্পণ করে। বাকি আরও চারজনের খোঁজ চলছে। ধৃতদের প্রথম তিনজনের বাংলাদেশের সাতক্ষীরা ও চতুর্থজনের বাড়ি খুলনা জেলায়।
জেলা পুলিসের এক শীর্ষকর্তা বলেন, ধৃতরা সকলে বাংলাদেশের কুখ্যাত দস্যু ‘জনাব গোষ্ঠী’র সদস্য। তবে তাদের সঙ্গে কোনও জঙ্গি গোষ্ঠীর যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিস। কারণ, এখন ভারত-বাংলাদেশ সীমানায় আধা সামরিক বাহিনীর কড়া নজরদারি রয়েছে। তা টপকে সুন্দরবনে ঢুকে পড়ার মতো তালিম একমাত্র জঙ্গি দলের সদস্যদেরই রয়েছে। জলদস্যুদের কাছ থেকে একটি ভুটভুটি ছাড়াও বড় ও ছোট মিলিয়ে সাতটি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১৫ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে।

কানিং-এ বোমা বাঁধতে গিয়ে জখম ৪ মুসলিম দুষ্কৃতি

দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার অন্তর্গত কানিং মহকুমা৷ আর এই মহকুমার বিভিন্ন এলাকা প্রায়দিনই খবরের শিরোনামে থাকে বোমা গুলির লড়াইয়ের জন্যে৷ এবার সেই কানিং-এর ইটখোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রত্যন্ত গ্রাম গড়খালিতে বোমা বাঁধতে গিয়ে বিস্ফোরণে জখম হলো চারজন মুসলিম দুষ্কৃতি৷ স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে যে গত ২০শে মার্চ, মঙ্গলবার রাতে ওই গড়খালি গ্রামে গোপনে বোমা বানানো চলছিল৷ কিন্তু আচমকাই বিস্ফোরণ হয়৷ বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে বিস্ফোরণের আওয়াজে কেঁপে ওঠে গোটা গ্রাম৷ গড়খালির ছেলে মুজাফ্ফর নাইয়া গুরুতর জখম হয়েছে৷ তার একটি হাত উড়ে গিয়েছে৷ মুজাফ্ফরের মতো গুরুতর না হলেও, জখম হয়েছে আরও তিনজন৷ সবাই গ্রামের মাঠে বসে বোমা বাঁধছিল৷ বিস্ফোরণের পরেই রক্তাক্ত অবস্থায় কোনও মতে এলাকা ছেড়ে পালায় সকলে৷ বারুইপুর থানার পুলিস মুজাফ্ফরকে রক্তাক্ত অবস্থায় ঘোলা বাজার থেকে ধরে ফেলে৷ মুজফ্ফরের সঙ্গে ধরা পড়ে শফিক জমাদার ও মজিবর মণ্ডল৷ বারুইপুর থানার পুলিশ তিন জনকেই পরে ক্যানিং থানার হাতে তুলে দেয়৷ গ্রামের মানুষের বক্তব্য, পঞ্চায়েত ভোটকে মাথায় রেখে গ্রামে আগ্নেয়াস্ত্র মজুতের কাজ চলছিল৷ গ্রামের বাসিন্দারা পঞ্চায়েতের ভোটের জন্যে বোমা বানানোর কথা বললেও এই বোমা বানানোর পিছনে অন্য কোনো কারণ আছে কিনা, সেটা তদন্ত করে দেখছে কানিং থানার পুলিস  ৷

সন্দেশখালি হয়ে বারুইপুরে জলের স্রোতের মতো ঢুকছে রোহিঙ্গা মুসলমান, বিএসএফ ও রাজ্য প্রশাসন অন্ধ


rrrrrrশুধু মায়ানমার বা বাংলাদেশ নয়, রোহিঙ্গা  ইস্যুতে এবার রীতিমতো বিপাকে ভারতও। বিশেষ করে রোহিঙ্গাদের একাংশের জঙ্গিযোগে টনক নড়েছে দিল্লির কর্তাদেরও। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের মতে অভ্যন্তরীণ সুরক্ষার প্রতি বড়সড় বিপদ ‘রোহিঙ্গা জেহাদিরা’। সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিলেমিশে থাকে তাদের শনাক্ত করাও কঠিন। এমনই পরিস্থিতিতে কলকাতা থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দুরে ঘাঁটি গেড়েছে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারীরা। সূত্রের খবর, তাদের থাকার জন্য একটি শরণার্থী শিবির খুলেছে ‘দেশ বাঁচাও সামাজিক কমিটি’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা।

সূত্রের খবর, সীমান্ত পেরিয়ে তিন দফায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের হাড়দহ গ্রামে ঘাঁটি গেড়েছে রোহিঙ্গা অনুপ্রেবেশকারীরা। সম্প্রতি ওই শিবিরের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। তারপরই শুরু হয় শোরগোল। এক্ষেত্রে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে দেখা দেয় একাধিক প্রশ্ন। জানা গিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে জলপথে সন্দেশখালি হয়ে রোহিঙ্গাদের পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করানো হচ্ছে। ২০১৭-র  ডিসেম্বর টেকনাফ থেকে হাড়দহের শিবিরে প্রথম দফায় ২৯ জন রোহিঙ্গাকে আনা হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ২২ জন আসে। তৃতীয় পর্যায়ে ৫৩ জন প্রবেশ করে ১৭ ফেব্রুয়ারি। ১০ মার্চ আসে পাঁচজন। আর সবচেয়ে বড় দলটি এসেছে মঙ্গলবার রাতে। এনিয়ে প্রশ্ন করা হলে বিএসএফ ও প্রশাসনিক কর্তাদের যথারীতি উত্তর ‘বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে’।

তবে এতগুলি শরণার্থী পরিবারকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য টাকা কোথা থেকে আসছে? উঠছে এমন প্রশ্ন। উত্তরে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাটির এক কর্তা জানান, প্রায় ৪০টির বেশি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা একজোট হয়ে এই বড় দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছেও সাহায্যের আবেদন জানানো হয়েছে। তবে ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলির ভূমিকা নয়ে কিন্তু সন্দেহের অবকাশ থাকছে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি বাংলাদেশের রোহিঙ্গা শিবিরে  বেশ কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে নিষিদ্ধ করে সে দেশের সরকার। অভিযোগ, মদতের নামে জেহাদি কার্যকলাপ চালাচ্ছিল ওই সংগঠনগুলি। রোহিঙ্গাদের নিয়ে ভারত সরকারের সাফ নীতি, অনুপ্রবেশকারীদের পাকড়াও করে ফেরত পাঠানো।

উস্থিতে নির্মীয়মান শিবস্থান ভেঙে দিলো মুসলিম দুষ্কৃতিরা

দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার অন্তর্গত উস্থি থানা এলাকায় অনেকদিন থেকেই হিন্দুরা সংখ্যালঘুতে পরিণত হয়েছে। ওই থানার অন্তর্গত শেরপুর অঞ্চলের সেকেন্দারপুর গ্রামে রাস্তার ধারের একটি জমিতে দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয় হিন্দুরা হরিনাম সংকীর্তন অনুষ্ঠান এবং শিবঠাকুরের পুজো করে আসছে। বেশ কিছুদিন আগেই স্থানীয় গ্রামবাসীরা একটি কমিটি গঠন করেন এবং ওই স্থানে একটি পাকা শিবলিঙ্গ বসানোর সিদ্ধান্ত করেন। সেই মতো ওখানে ইঁট গাঁথার কাজ শুরুও হয়ে যায়। শিবঠাকুরের থান নির্মাণের কাজ প্রায় অর্ধেক হয়ে এসেছিলো। কিন্তু ওই জমির পিছনে স্থানীয় হিন্দু গৌতম সর্দার এবং তপন সর্দার-এর জমি আছে। তারা দীর্ঘদিন ধরেই হিন্দু গ্রামবাসীদের পুজোর স্থল ওই জমিটি দখল করার চেষ্টা করে আসছিলো। কিন্তু পারেনি। কিন্তু গত ১১ই মার্চ, শনিবার বিকেলে গৌতম সর্দার এবং তপন সর্দার স্থানীয় মুসলিমদের নিয়ে আসে শাবল, রড নিয়ে এবং ওই নির্মীয়মান থানটিকে ভেঙে দেয়। হিন্দুরা দুএকজন বাধা দেয় কিন্তু বেশিদূর এগোতে পারেনি। পরে ক্ষুব্ধ হিন্দুরা থানায় যায় এবং অভিযুক্তদের নামে একটি জেনারেল ডাইরি করে। তবে শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী পুলিশ এখনো পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করেনি। স্থানীয় হিন্দুরা জানিয়েছেন যে উস্থি থানার মুসলিম ওসি হিন্দু গ্রামবাসীদের বক্তব্যকে গুরুত্ব দেননি।

দলে দলে রোহিঙ্গা এসে আশ্রয় নিচ্ছে দক্ষিণ ২৪ পরগণার বারুইপুরে

unnamedগতকাল ১৩ই মার্চ, মঙ্গলবার গভীর রাতে বাংলাদেশের কক্সবাজার থেকে আরও ৮০ জন রোহিঙ্গা এসে পৌঁছেছেন বারুইপুরে। এর আগেও রোহিঙ্গারা নদীপথে সীমান্ত পেরিয়ে তিন দফায় এসে ঘাঁটি গেড়েছেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের হাড়দহ গ্রামে। কলকাতা থেকে ৫০ কিমি দূরে সেখানে অস্থায়ী শিবির খুলে তাঁদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করছে ‘দেশ বাঁচাও সামাজিক কমিটি’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা।

বিশেষ সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে জলপথে সন্দেশখালি হয়ে রোহিঙ্গাদের এ রাজ্যে প্রবেশ করানো হচ্ছে। গত ১৮ ডিসেম্বর টেকনাফ থেকে হাড়দহের শিবিরে প্রথম দফায় ২৯ জন রোহিঙ্গাকে আনা হয়েছে।  দ্বিতীয় পর্যায়ে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ২২ জন এসেছেন। তৃতীয় পর্যায়ে ৫৩ জন এসেছেন গত ১৭ ফেব্রুয়ারি। ১০ মার্চ পাঁচজন এসেছেন। আর সবচেয়ে  বড় দলটি এসেছে মঙ্গলবার রাতে।

যা শুনে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক ওয়াই রত্নাকর রাও বলেন,‘‘বিষয়টি খোঁজ নিচ্ছি। পুলিশ সুপারকে রিপোর্ট দিতে বলেছি।’’ কী ভাবে সীমান্ত টপকে আসছেন রোহিঙ্গারা? বিএসএফের দক্ষিণবঙ্গের আইজি অঞ্জনইয়েলু বলেন,‘‘আমরা সতর্ক আছি। সীমান্ত টপকালে আমরা তা খোঁজখবর করছি।’’ এর আগেও ২০ জন রোহিঙ্গা ধরা পড়ার পর তাঁদের পুশব্যাক করা হয়েছে বলে বিএসএফ সূত্রের দাবি। যদিও ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সম্পাদক হোসেন গাজি জানিয়েছেন, ‘‘কক্সবাজারের টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবিরে আমাদের অফিস রয়েছে। সেখান থেকেই মায়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের এখানে আনা হচ্ছে। টিন, বাঁশের ছাউনি দিয়ে আপাতত থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। উদ্বাস্তুদের মধ্যে মহিলা ও শিশুর সংখ্যা বেশি। ২২টি পরিবারের ১০৯ জনের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাঁরা আসবেন তাঁদেরও করা হবে। ’’

কিন্তু এত টাকা-পয়সা আসছে কোথা থেকে? হাড়দহ শিবিরের পরিচালক হোসেন গাজির কথায়, ‘‘৪০টির বেশি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা একজোট হয়ে এই বড় দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছেও সাহায্যের আবেদন জানানো হয়েছে।’’ তবে স্থানীয় প্রশাসনের কর্তারা রোহিঙ্গা প্রশ্নে কিছুটা দূরত্ব বজায় রাখছেন। বারুইপুর ব্লকের বিডিও সৌম্য ঘোষের কথায়, ‘‘স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার উদ্যোগে রোহিঙ্গারা বারুইপুরের শিবিরে মাস তিনেক আগে এসেছেন বলে শুনেছি। ওঁদের বিষয়টি খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।’’ স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক নির্মলচন্দ্র মণ্ডলের কথায়, ‘‘হাড়দহে রোহিঙ্গারা এসেছে, শুনেছি। এর বেশি কিছু জানি না।’’ হাড়দহের শিবির দেখে শতাধিক রোহিঙ্গার দেখা মিললেও পুলিশের হিসেবে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা  সংখ্যার মাত্র ২৬। বারুইপুরের এসডিপিও অর্ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, ‘‘দিন কুড়ি আগে সমীক্ষা চালিয়ে দেখেছি, ওখানে ২৬ জন রোহিঙ্গা সদস্য রয়েছেন।’’ বারুইপুরে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের কাছে ‘ইউনাইটেড নেশনস হাই কমিশনার ফর রিফিউজিস’ স্বীকৃত একটি পরিচয়পত্র রয়েছে। বারুইপুরের এসডিপিও-র কথায়, ‘‘হাড়দহে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের পরিচয়পত্র আসল কিনা তা খতিয়ে দেখতে দিল্লির  অফিসে ওই পরিচয়পত্রের নমুনা পাঠানো হয়েছে।’

 

ফলতায় তৃণমূল নেতা লতাউল মোল্লার নেতৃত্বে হিন্দুদের দোকান ভাঙচুর ও লুঠ

গত  24শে ফেব্রূয়ারি, শনিবার বেলা 10.30 টা নাগাদ,দক্ষিণ 24 পরগণা জেলার ফলতা থানার অন্তর্ভুক্ত মল্লিকপুর হাটে কয়েকশো জেহাদী মুসলমান হাতে লাঠি,সোর্ড নিয়ে বাজারে থাকা দীপক কুমার পুরকাইত ,অজিত দে,শ্যমলাল চক্রবর্তী সহ অন্যান্য হিন্দুদের  দোকানগুলি  ভেঙে দেয়,দোকানগুলো লুট করে বলে জানা গেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, পুরো ঘটনার নেতৃত্বে দেন তৃণমূলের অঞ্চল নেতা,লতাউল মোল্লা। ঘটনায় অভিযুক্তদের দাবি, ওই দোকানগুলো ভেঙে রাস্তা আরো চওড়া করতে হবে।যদিও 12 ফুঁট রাস্তার পাশে গত  পঞ্চাশবছর ধরে থাকা ,ওই দোকানঘরগুলি সব নিজস্ব জায়গা,এবং সেগুলি ভাঙার কোনো সরকারি নির্দেশ নেই।
পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে আসে কিন্তু পুলিশের নাকের ডগায় ধ্বংস যজ্ঞ চলে। জনৈক প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ, ফলতা থানার ওসি কৌশিক কুন্ডু তার কনস্টেবল দের নিয়ে অসহায় হয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন।দোকানদাররা প্রাণভয়ে যে যার দোকান খোলা রেখে পালায়।পুলিশের সামনেই কয়েকজন দোকানদার  বেধড়ক মার খায়।
স্থানীয় মানুষরা হিন্দু সংহতির প্রতিনিধিকে  জানিয়েছেন যে তৃণমূল নেতা লতাউল মোল্লা আসলে একজন হিন্দুবিরোধী জিহাদি মানসিকতার লোক। এই লতাউল মোল্লা শাসকদল তৃণমূলের ক্ষমতাকে ব্যবহার করে এলাকার হিন্দুদেরকে উচ্ছেদ করতে চাইছে। সব জেনে শুনে জেলার নেতারা এই হিন্দুবিরোধী নেতার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে সক্ষম হয় নি।এখনো পর্যন্ত লতাউল মোল্লা সমেত কোন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পুলিশ কোনো ব্যাবস্থা নেয় নি বলে জানা গেছে।

২হিন্দু নাবালিকাকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে যাবার অভিযোগে গ্রেপ্তার মুসলিম গৃহশিক্ষক

মুসলিম গৃহশিক্ষকের কাছে পড়তে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায়  দুই হিন্দু নাবালিকা। এই ঘটনায় অভিযুক্ত গৃহশিক্ষক জামসেদ আলী লস্করকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ক্যানিং থেকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে গেলো হাওড়া জেলার জয়পুর থানার পুলিশ। ঘটনাটি গত ২৬শে ফেব্রূয়ারি, সোমবার ঘটে। ধৃতকে ২৭শে ফেব্রূয়ারি, মঙ্গলবার ধৃতকে উলুবেড়িয়া কোর্টে তোলা হলে বিচারক জামসেদ আলী লস্করকে তিন দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।   স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত জামসেদ আলী লস্করের বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং-এ হলেও সে হাওড়া জেলার জয়পুরের মল্লিকপাড়ায় থাকতো। ওই দুই নাবালিকা তার কাছে পড়তে যাবার সুবাদে তাদের কাছে প্রিয় হয়ে ওঠেন। আর সোমবার সকালে দুই নাবালিকা পড়তে গিয়ে আর বাড়ি ফেরেনি। এমনকি জামদেস এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। এরপরেই নাবালিকার পরিবার অভিযুক্তের নামে জয়পুর থানায় অভিযোগ দায়ের করে। পুলিশ রাতেই ক্যানিং-এ তল্লাশি চালিয়ে জামশেদকে গ্রেপ্তার করে এবং দুই নাবালিকাকে তার বাড়ি থেকে উদ্ধার করে।  পুলিশের সন্দেহ যে জামসেদ ওই দুই নাবালিকা পাচার করে দেবার ছক কষছিল।