বাসন্তিতে কালী মূর্তিসহ একাধিক প্রতিমা ভাঙচুর, গ্রেপ্তার সাবির মোল্লা

মুসলিমদের পাশে বসবাসরত হিন্দুর ধর্মস্থান, মন্দির, ধর্মীয় শোভাযাত্রা আর কোনোভাবেই এই পশ্চিমবঙ্গে সুরক্ষিত নয়। পশ্চিমবঙ্গের জেলায় জেলায় শান্তিপ্রিয় হিন্দুর ওপর জিহাদি মানসিকতার মুসলমানের অত্যাচার নেমে আসছে। এবার ভাঙা পড়লো কালী মূর্তি, মা বিপত্তারিনির মুর্তিসহ শনি মূর্তি। ঘটনা দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বাসন্তী থানার অন্তর্গত মসজিদবাটি গ্রামের। মূর্তি ভাঙচুর করার দায়ে স্থানীয় মুসলিম যুবক সাবির মোল্লাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। স্থানীয় প্রতিনিধি সূত্রে জানা গিয়েছে যে, মসজিদবাটি গ্রামে ব্যক্তিগত উদ্যোগে তৈরি একটি কালী মন্দির রয়েছে। সেই মন্দিরে মা কালীর মূর্তি ছাড়াও আরো অন্যান্য দেব-দেবীর মূর্তিও রয়েছে।গত ৪ঠা মে ভোরে স্থানীয় মুসলিম যুবক সাবির মোল্লা(পিতা-গোলাম) মন্দিরে থাকা মূর্তি ভাঙচুর করে। ভাঙচুরের শব্দে স্থানীয় বাসিন্দাদের একজন জেগে যান এবং সাবির মোল্লাকে ধরে ফেলেন। তাকে আটকে রাখা হয়। ইতিমধ্যে ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন টিএমসি নেতা এবং প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধান শ্রী গৌর প্রধান। তিনি এসেই বিষয়টিকে হালকা করার চেষ্টা করেন এই বলে যে সাবির মানসিক ভারসাম্যহীন এবং বিষয়টিকে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে মিটিয়ে নেবার জন্যে চাপ দিতে থাকেন।কিন্তু ইতিমধ্যে মন্দির ভাঙার খবর হিন্দু সংহতির কর্মীদের কানে পৌঁছায়। খবর পাওয়া মাত্রই হিন্দু সংহতির কর্মীরা সক্রিয় হয়। সাবির মোল্লাকে গ্রেপ্তার করে কঠোর শাস্তি দেবার দাবি জানিয়ে পুলিসের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয় হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে। শেষমেশ চাপে পড়ে পুলিস সাবির মোল্লাকে গ্রেপ্তার করতে বাধ্য হয়। উত্তেজনা থাকায়,এলাকায় পুলিসবাহিনী মোতায়েন রয়েছে।

ভাঙড়ে তাজা বোমাসহ গ্রেপ্তার ২ মুসলিম দুষ্কৃতী

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার কাশীপুর থানার অন্তর্গত অনন্তপুর বি এড কলেজের পিছনে বোমা তৈরি করার সময় দুজন মুসলিম দুষ্কৃতীকে বোমাসহ গ্রেপ্তার করলো পুলিস। বারুইপুর পুলিস জেলার পুলিস সুপার ইন্দ্রজিৎ বসু জানিয়েছেন, ধৃতদের নাম এনদাদুল মোল্লা ও মফিজুল মোল্লা। তাদের কাছ থেকে ৯টি তাজা বোমা এবং বেশকিছু বোমা তৈরির মশলা উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে যে, ধৃত দুজন ভাঙড়ের দক্ষিণ গাজীপুরের মাঝেরপাড়ার বাসিন্দা। ধৃতদের গতকাল ৩রা মে বারুইপুর আদালতে তোলা হলে, তাদেরকে জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক।

দাদা মিথ্যা কেসে জেল খাটছে। বোনের বিয়েতে সাহায্যর হাত বাড়িয়ে দিলো হিন্দু সংহতি

4দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বাসন্তী থানার ৯ নং কুমড়াখালী গ্রামের দেবদাস সাঁফুই। বাড়ির বড়ো ছেলে হওয়ার জন্যে সংসারের অনেক দায়িত্ব ছিলো দেবদাসের উপর। ভাই এবং ছোট বোন পড়াশুনো করতো। তাদের বই এবং টিউশন মাস্টারের টাকা সহ সংসার চালানোর জন্যে অনেক কষ্ট করতে হতো দেবদাসকে। গ্রামে তেমন কাজ না থাকার জন্য কেরালাতে যোগাড়ের কাজে যেতে হতো তাকে। কষ্ট করে সংসার চালাতে হলেও তাদের সংসার ছিলো সুখের সংসার। বাবা, মা, ভাই, বোন আর দেবদাস এই পাঁচ জনের সুখের সংসার। কিন্তু এই সুখ স্থায়ী হলোনা। কেরালায় কাজ করে ২০১৭ দূর্গা পুজোর সময় বাড়িতে আসে দেবদাস। ইচ্ছা ছিলো পরিবারের সকলকে সাথে পূজা কাটাবে। দুর্ভাগ্য তার সেই ইচ্ছা পূরণ হলো না।5

গত ২০১৭ দূর্গা পুজোর অষ্ঠমীর রাতে (আনুমানিক রাট ১.৩০) ৯নং কুমড়াখালী গ্রামে সমীর সেখ (৫৫) ও তার স্ত্রীকে (৪৩) রাতের অন্ধকরে কে বা কারা গুলি করে চলে যায়। তাতে নাম জড়ায় দেবদাস সহ আরো ১০ জন হিন্দুছেলের। কারণ এরা ওই এলাকাতে #হিন্দু_সংহতি করতো, এরা হিন্দু সমাজের নেতৃত্ব দিতো, এরা জেহাদিদের হাত থেকে হিন্দুদের বাঁচাতো। এটা মেনেনিতে পারেনি ওই এলাকার মুসলিম নেতৃত্বরা। তাই প্ল্যান করে #হিন্দু_সংহতি -র নেতৃত্বাধীন ছেলেদের ফাসাঁনো হয় সেই কেসে। মোট ১১ জন হিন্দুর নামে কেস হয় বাসন্তী থানায়। সেই কেসের ভিত্তিতে ৪ (4) জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের আলিপুর কোর্টে বিচার চলছে। তাদের পরিবার এবং কেসের দায়িত্ব নিয়েছে হিন্দু সংহতি।

গত  ২৮/০৪/২০১৯ দেবদাসের বোনের বিয়ে ছিলো। সেই বিয়েতে হিন্দু সংহতি বারুইপুর_জেলা কমিটি পক্ষথেকে ১০,০০০ টাকা তুলে দেওয়া হয় দেবদাসের মায়ের হাতে।

হিন্দু সংহতির পক্ষথেকে উপস্থিত ছিলেন স্বপন মন্ডল (সভাপতি হিন্দু সংহতি বারুইপুর জেলা ) শ্যামল মন্ডল, নিমাই হালদার, মিলন ওঝা, অরুন মন্ডল, সোনা নস্কর, তন্ময় সহ আরও অনেকে।

 

হিন্দু সংহতির প্রচেষ্টায় উদ্ধার লাভ-জিহাদের শিকার নাবালিকা সুপর্ণা

Suparna Tarafdarদক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ভাঙড় থানা এলাকার বাসিন্দা সুপর্ণা তরফদার(নাম পরিবর্তিত) লাভ জিহাদের শিকার হয়েছিল গত ইংরেজি ২০১৮ সালের জুলাই মাসে। সুপর্ণা জুলাই মাসের ৮ তারিখে সোনারপুরের বাঘের মোড় থেকে নিখোঁজ হয়ে যায়।  এর পর সুপর্ণার পিতা মেয়েকে ফিরে  পাওয়ার জন্যে সোনারপুর থানায় সালাম লস্কর এবং মিন্টু লস্কর নামে দুজন মুসলিম যুবকের বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেন, যার FIR নম্বর-১০৯২/১৮। এরপরে তদন্তে নেমে পুলিস সালাম লস্করের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে, কিন্তু সালাম লস্করকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিস। তারপরে সুপর্ণার পিতা কলকাতা হাইকোর্টে মেয়েকে ফিরে পাওয়ার জন্যে মামলা করেন। কলকাতা হাইকোর্ট বারুইপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দেন যে স্পেশ্যাল তদন্তকারী টিম গঠন করে কেসের তদন্তকারী অফিসারকে সহযোগিতা করতে, যাতে নাবালিকা সুপর্ণাকে যাতে  দ্রুত উদ্ধার করা সম্ভব হয়।  এর পরেও  সালাম লস্কর আগাম  জামিন পেয়ে যায় আলিপুর জজ কোর্ট থেকে । কিন্তু দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও নির্মলবাবু তাঁর মেয়েকে ফিরে পাননি।  কোনো উপায়ে মেয়েকে ফিরে না পেয়ে তিনি হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ হন। তিনি হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্যকে লিখিত আবেদন করেন এবং মেয়েকে ফিরিয়ে দেবার জন্য কাতর প্রাথর্না করেন। এর পরেই হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে মেয়েকে উদ্ধার করার জন্যে পুলিস-প্রশাসনের  ওপর মহলে চাপ সৃষ্টি করা হয়। শেষপর্যন্ত গতকাল মেয়েকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে পুলিস-প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানানো হচ্ছে ।

অভিজিৎ সর্দার, পতিতপাবন নস্কর, অনাদি নস্কর, সুজিত নস্করের বলিদান স্মরণ হিন্দু সংহতির

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বাসন্তী থানার অন্তর্গত ৩নং সোনাখালী গ্রাম। এই গ্রামের হিন্দুদের স্বাধীন ভাবে বাঁচার অধিকার ছিল না ২০০০ সাল নাগাদ। গ্রামের হিন্দুদের ওপর বিভিন্নভাবে অত্যাচার করতো মুসলিম দুষ্কৃতী আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে। হিন্দুদেরকে জমির ধান ট্যাক্স হিসেবে দিতে হতো, গরু চুরি করে নিয়ে যেত মুসলমানেরা, হিন্দু মেয়েদেরকে তুলে নিয়ে যেত মুসলমানেরা। রাজনীতি নেতারা, পুলিস-প্রশাসন কেউ হিন্দুদের সুবিচার দিতে পারেনি। তাই এর প্রতিকার করতে, হিন্দুদের স্বাধীনভাবে বাঁচার অধিকার দিতে এগিয়ে এসেছিলেন গ্রামের কয়েকজন তরতাজা হিন্দু যুবক RSS এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে। তাদের নেতৃত্বে হিন্দুদের ঐক্য গড়ে ওঠে সোনাখালী ও আশেপাশের গ্রামে। সেই মতো তারা ২০০১ সালের ১১ই ফেব্রুয়ারি একটি বনভোজনের আয়োজন করে। কিন্তু তার আগের দিন ১০ই ফেব্রুয়ারি হিন্দু যুবকদেরকে ঘিরে ধরে আনোয়ার হোসেন ও তার বাহিনী। গুলি করে , গলার নলি কেটে নৃশংসভাবে খুন করা হয় তরতাজা চার জন হিন্দু যুবককে-অভিজিৎ সর্দার, পতিতপাবন নস্কর, অনাদি নস্কর এবং সুজিত নস্করকে। তার প্রতিবাদে হিন্দুদের প্রতিক্রিয়ায় মুসলিমদের গ্রামছাড়া করা হয়। আজও পর্যন্ত সেই গ্রামে মুসলিমরা ফিরতে পারেনি। তাদের সেই বলিদানকে RSS কোনোদিন মনে রাখেনি।কিন্তু হিন্দু সংহতি প্রতিষ্ঠার পর হিন্দু সংহতি প্ররি বছর এই দিনটিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে আসছে।
গতকাল ১০ই ফেব্রুয়ারি, সেই দিনটিকে স্মরণ করা হলো হিন্দু সংহতির উদ্যোগে। তাদের সেই বলিদানকে স্মরণ করে এক স্মরণসভা এবং এক রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিলো। রক্তদান শিবিরে শতাধিক হিন্দু সংহতির কর্মীরা রক্তদান করে। গতকাল তাদের বেদিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা অর্পণ করেন হিন্দু সংহতির সহ সম্পাদক শ্রী সুজিত মাইতি, বিশিষ্ট নেতৃত্ব শ্রী দীনবন্ধু ঘরামী, কোষাধ্যক্ষ শ্রী সাগর হালদার, প্রমুখ কর্মী শ্রী শ্যামল মন্ডল, শ্রী মৃত্যুঞ্জয় মন্ডল প্রমুখ।

নগ্ন ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে দিনের পর দিন ধর্ষণ তরুণীকে, গ্রেপ্তার শেখ সাহিল

বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের সময়ের নগ্ন ছবি তুলে রেখে দিয়েছিল প্রেমিক। পরে প্রেমিকা আপত্তি করলে তা দেখিয়েই দিনের পর দিন ব্ল্যাকমেল ও জোর করে সহবাসে বাধ্য করছিল প্রেমিক সেখ সাহিল। বারুইপুর থানার অন্তর্গত ফুলতলায় নিজের ফ্ল্যাটে আটকে রেখে দিনের পর দিন ওই তরুণীকে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার করা হতো বলে অভিযোগ। প্রেমিকের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করেছেন প্রেমিকা। গত ১৭ই জানুয়ারী, বৃহস্পতিবার রাতে প্রেমিকের বিরুদ্ধে বারুইপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতা ঐ তরুণী। তরুণীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত শেখ সাহিলকে গত ১৮ই জানুয়ারী গ্রেপ্তার করে পুলিস। জানা গিয়েছে, বছর দুয়েক আগে নির্যাতিতার সাথে বন্ধুদের মাধ্যমে আলাপ হয় সাহিলের। সময়ের সাথে দুজনের মধ্যে প্রেম ভালোবাসার সম্পর্কও তৈরি হয়। নির্যাতিতা তরুণীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিকবার তার সাথে সহবাসও করে সেখ সাহিল। অভিযোগ সহবাসের সময় ঐ তরুণীর নগ্ন ছবি সে মোবাইল ফোনে তুলে রাখে। পরবর্তী সময়ে সেই নগ্ন ছবি দেখিয়ে একাধিকবার ঐ তরুণীকে জোর করে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ উঠেছে সেখ সাহিলের বিরুদ্ধে। এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় ঐ ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার ও হুমকি দেওয়া হয়েছে নির্যাতিতা তরুণীকে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়ও ঐ তরুণীর সাথে জোর করে শারীরিক সম্পর্ক করতে চায় অভিযুক্ত। নির্যাতিতা তাতে বাধা দিলে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।
এরপরেই বৃহস্পতিবার রাতে অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে বারুইপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ঐ নির্যাতিতা তরুণী। তারপরেই তদন্তে নেমে শেখ সাহিলকে গ্রেপ্তার করে বারুইপুর থানার পুলিস। গতকাল ১৯শে জানুয়ারী, দুপুরে শেখ সাহিলকে বারুইপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্তের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।

খ্রিস্টানরা বাইবেল বিতরণ করছে গঙ্গাসাগর মেলাতে

Evangelical Church Of India গঙ্গাসাগর মেলাতে বাইবেল বিনামূল্যে বিতরণ করছে ।গঙ্গাসাগর মন্দিরের কাছে যে হেলিপ্যাড আছে, তার পাশেই হচ্ছে এই বিতরণ। গঙ্গাসাগরের বাসিন্দা হিন্দু থেকে খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত হওয়া বরুণ প্রামানিক এবং তাঁর স্ত্রী সুলোচনা প্রামানিক এই কাজ করছেন।পেটি পেটি বাইবেল নিয়ে আসা হয়েছে। হিন্দি এবং বাংলা এই দুই ভাষায় বাইবেল দেওয়া হচ্ছে।হিন্দুদের বোকা বানাবার জন্যে হিন্দি বাইবেলের নাম দেওয়া হচ্ছে, “পবিত্র শাস্ত্র” এবং বাংলা বাইবেলের নাম দেওয়া হয়েছে “নতুন নিয়ম” ।কয়েকজন অবাঙালি হিন্দু তীর্থযাত্রীদের নজরে আসে বিষয়টি এবং প্রতিবাদ করায় জিনিসপত্র গুছিয়ে নিয়ে চলে যায় তারা।তারা জানিয়েছে যে গত ৩ বছর ধরে গঙ্গাসাগর মেলায় বাইবেল বিতরণ করছে।প্রায় ৩ লক্ষের বেশি বাইবেল বিতরণ করেছে এই পর্যন্ত।হিন্দু নাম কেন জিজ্ঞেস করায় তারা বলেছে যে খ্রিস্টান হয়েছেন তারা এবং নাম পরিবর্তন করার কোনো প্রয়োজন নেই।

গ্রেপ্তার হওয়া কর্মীদের জেল থেকে ছাড়িয়ে আনলো হিন্দু সংহতি

Taldiহিন্দু সংহতি সবসময়ই তার কর্মীদের বিপদে-আপদে পাশে থেকেছে। এবারও সেই ধারা বজায় থাকলো। গত ২৬শে ডিসেম্বর দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ক্যানিং-এর দুই জন কর্মী সৌমেন নস্কর এবং চিরঞ্জিত হালদারকে জেল থেকে ছাড়িয়ে আনলো হিন্দু সংহতি। হিন্দু সংহতির প্রতিনিধি মারফত জানা গিয়েছে, গত ২৫শে ডিসেম্বর রাত্রে ক্যানিং-এর তালদি বাস স্ট্যান্ডে একটি অনুষ্ঠান থেকে ফেরার সময় দুইজন মুসলিম যুবককে ব্যাপক মারধর করে হিন্দু সংহতির কর্মীরা। সেই ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করে ওই মুসলিম যুবকেরা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে দুই জন হিন্দু সংহতির কর্মীকে গ্রেপ্তার করে ক্যানিং থানার পুলিস। পরেরদিন তাদেরকে কোর্টে তুললে তাদেরকে জামিন করানো হয়। জামিন করানোর সময় হিন্দু সংহতির সম্পাদক শ্রী সুন্দর গোপাল দাস উপস্থিত ছিলেন। ভবিষ্যতেও হিন্দু সংহতি তার্কর্মীদের পাশে দাঁড়াবে বলে তিনি  জানান।

ডাকাতির উদ্দেশ্যে জড়ো হওয়া ৫ মুসলিম দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করলো মন্দিরবাজার থানার পুলিস

ডাকাতির উদ্দেশ্যে জড়ো হওয়া ৫ মুসলিম দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করলো মন্দিরবাজার থানার পুলিস। গত ১৫ই নভেম্বর রাতে তাদেরকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার অন্তর্গত মন্দিরবাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ঐদিন রাতে বাজারে বেশ কয়েকজন সিভিক ভলান্টিয়ার ডিউটি করছিলো। সেই সময় ওই ৫জনকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখে মন্দিরবাজার থানায় খবর দেয় ওই সিভিকরা। খবর পেয়ে মন্দিরবাজার থানার পুলিস ওই দুষ্কৃতীদেরকে গ্রেপ্তার করে। ধৃতরা হলো খেলারামপুরের কাশেম মোল্লা(২৮),  ক্যানিং-এর সাইফুল মালি(২৫), নীলাম্বরপুরের আব্দুল সালাম সর্দার(২৫) এবং রামনারায়ণপুরের মানছুর শেখ এবং মোবারক শেখ। ধৃতদের কাছ থেকে ওয়ান শাটার পাইপগান এবং কয়েকটি গুলি উদ্ধার করেছে পুলিস। ধৃতদেরকে আরো জেরা করছে পুলিস।

তাসের সর্দারের পরিবার ক্ষতিপূরণ পেলেও অসীমা প্রামানিকের পরিবার বঞ্চিত

গত  ২৩শে অক্টোবর, মঙ্গলবার  হাওড়ার সাঁতরাগাছি স্টেশনের ফুট ওভারব্রিজে ভিড়ের চাপে পদপিষ্ট হয়ে মারা যান পেশায় রাজমিস্ত্রি তাসের সর্দার। তার বাড়ি মুর্শিদাবাদ জেলার হরিহরপাড়া থানার নশীপুর গ্রামে।এই মৃত্যুর পর রেল কোনো ক্ষতিপূরণ দেয়নি।কিন্তু তার মৃত্যুর ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই রাজ্য সরকার ৫লক্ষ টাকা তার পরিবারকে সাহায্য করলো এবং টাকা তার একাউন্ট  এ পৌঁছে গেল।খুব ভালো ।
কিন্তু তার আগে  গত ২৮শে সেপ্টেম্বর রাতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলার বারুইপুরের স্টেশনে ওভাররব্রিজের সিমেন্টের স্ল্যাব ভেঙে পড়ে মারা যান অসীমা প্রামানিক। এক্ষেত্রেও রেল কোনো ক্ষতিপূরণ দেয়নি। তিনি 2 নং প্লাটফর্ম এর তলা দিয়ে হেঁটে বাড়ি ফিরছিলেন।তার বাড়ি মাদারহাটের নায়েবের মোড়। তার বাড়িতে দেখা করতে গিয়েছিলেন এলাকার MLA এবং বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দোপাধ্যায়।কিন্তু সেই ঘটনার পর প্রায় ২মাস কেটে গেল।এখনো পর্যন্ত ১টাকাও ক্ষতিপূরণ পৌঁছায়নি রাজ্য সরকারের তরফে ।
কিন্তু তাসের সর্দার কে দিলেও, কেন অসীমা প্রামানিকের পরিবার ৫লক্ষ টাকা দেয়নি রাজ্য সরকার? কেন?কেন?অসীমা প্রামানিক হিন্দু বলে?নাকি অসীমা প্রামানিকরা দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক এই রাজ্যে? 

প্রেমপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় হিন্দু কলেজ ছাত্রীকে অ্যাসিড দিয়ে পুড়িয়ে মারার হুমকি মুসলিম যুবকের

প্রেমপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় এক হিন্দু কলেজ ছাত্রীকে অ্যাসিড দিয়ে পুড়িয়ে মারার হুমকি দিলো মুসলিম যুবক। ঘটনা দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার অন্তর্গত ক্যানিং-এর। আতঙ্কে কলেজ যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন ওই ছাত্রী। ইতিমধ্যেই নিরাপত্তা ও অভিযুক্ত আনোয়ার সরদারের  শাস্তি চেয়ে ক্যানিং থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই ছাত্রী। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ছাত্রী জানিয়েছেন, প্রায় মাস তিনেক ধরে কলেজে যাওয়া আসার পথে উত্যক্ত করতো আনোয়ার। তার বাড়ি তালদি এলাকার শিবনগর গ্রামে। সে বিবাহিত আনোয়ারকে পাত্তা না দেওয়ায় বেপরোয়া হয়ে ওঠে সে । একদিন কলেজ যাওয়ার পথে জোর করে মোবাইল কেড়ে নেয় সে। পরে মোবাইল ফেরত চাইলে আনোয়ার  ওই ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেয়। কিন্তু ছাত্রীটি প্রস্তাবে রাজি না হলে কলেজে যাওয়ার পথে অ্যাসিড দিয়ে পুড়িয়ে দেবার হুমকি দেয় আনোয়ার। আর তারপর থেকেই আতঙ্কে কলেজে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন ওই ছাত্রী। বিচার চেয়ে অভিযোগও করেছেন ক্যানিং থানায়। তবে এখনো পর্যন্ত অভিযুক্ত যুবক আনোয়ার সরদার গ্রেপ্তার হয়নি।

পশ্চিমবঙ্গের জনবিন্যাস পরিবর্তনের প্রতিবাদে ক্যানিং-এ বিশাল মিছিল হিন্দু সংহতির

গতকাল দক্ষিণ 24 পরগনা জেলার মহকুমা শহর ক্যানিং-এ পরিকল্পিতভাবে পশ্চিমবঙ্গের জন বিন্যাস পরিবর্তনের বিরুদ্ধে এক বিশাল মিছিলের আয়োজন করলো হিন্দু সংহতি। এই মিছিলে ক্যানিং মহকুমার বিভিন্ন গ্রাম থেকে প্রচুর হিন্দু জনসাধারণ যোগ দেন। মিছিল থানার মোড় থেকে শুরু হয়ে পুরো ক্যানিং বাজার ঘুরে বাসস্ট্যান্ডে এসে শেষ হয়।মিছিল থেকে হিন্দু সংহতির কর্মীরা বাংলাদেশ থেকে আগত হিন্দুদের নাগরিকত্বের দাবিতে, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইনের দাবিতে এবং বাংলাদেশি মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে তাড়ানোর দাবিতে আওয়াজ তোলেন। হিন্দু সংহতির কর্মীদের শ্লোগানে পুরো ক্যানিং শহর সরগরম হয়ে ওঠে।বাসস্ট্যান্ডে কর্মীদের জমায়েতের সামনে একটি ছোট পথসভার আয়োজন হয়। সেই পথসভায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য, সহ সভাপতি সমীর গুহরায়(বাবুদা), সহ সভাপতি শ্রী অভিষেক বন্দোপাধ্যায়, সুষেন বিশ্বাস এবং ক্যানিং মহকুমার প্রমুখ কর্মী শ্রী দীনবন্ধু ঘরামীসহ অন্যান্যরা। পরে হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে এক প্রতিনিধিদল মহকুমা শাসকের কাছে হিন্দু সংহতির তিনটি দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি জমা দেয়। হিন্দু সংহতির সভাপতি জানিয়েছেন যে ক্যানিং থেকে যে আন্দোলন শুরু হলো, আগামীদিনে তা সারা রাজ্যব্যাপি ছড়িয়ে দেওয়া হবে এবং এই আন্দোলন ততদিন চলবে, যতদিন না পর্যন্ত সরকার হিন্দু সংহতির দাবিগুলি মেনে না নেয়।

সোনারপুরে ৩৫ লক্ষ টাকার হেরোইনসহ ২ মুসলিম গ্রেপ্তার

গত ২৮শে অক্টোবর, শনিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার স্টেশনের পাশে ৩৫ লক্ষ টাকার হেরোইনসহ দুজন মাদক কারবারীকে গ্রেপ্তার করলো পুলিস। ধৃতরা হলো রশিদ লস্কর এবং শেখ জালালুদ্দিন। এদের মধ্যে রশিদ দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ঘুটিয়ারি শরীফের বাসিন্দা এবং শেখ জালালুদ্দিন নদীয়ার কালীগঞ্জের বাসিন্দা। এদের কাছ থেকে পুলিস ১কেজি ১০০গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করেছে, যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকা। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে  যে, সূত্র মারফত বারুইপুর জেলা পুলিসের কাছে খবর আসে যে দুজন ব্যক্তি সোনারপুর স্টেশনের পাশেই হেরোইন ডেলিভারি দিতে আসবে। সেইমতো ঐদিন সকাল থেকে পুলিস কর্মীরা স্টেশনের আশেপাশে সন্দেহজনক ব্যক্তিদের ওপর নজর রাখতে থাকেন। পরে পুলিসকর্মীরা এই দুজনকে তল্লাশি করেন এবং পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এই কারবারে আর কারা জড়িত, তা জানার জন্যে তাদের জেরা করা হচ্ছে বলে পুলিসের তরফ থেকে জানানো হয়েছে।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুরে গ্রেপ্তার নারী পাচারচক্রের মাথা তসলিমা

একসময় নিজেই পাচার হয়ে গিয়েছিল। পরে সেই হয়ে যায় মুম্বইয়ে নারী পাচার চক্রের অন্যতম মাথা। মুম্বইয়ের নারী পাচারচক্রের এহেন বড় চাঁই তসলিমাকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার মথুরাপুর থানার পুলিস গত ১৬ই জুন, শনিবার রাতে ঘোড়াদলের বৈদ্যপাড়া থেকে গ্রেপ্তার করেছে। তসলিমার সঙ্গে দশ বছরের এক নাবালককে পাওয়া গিয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, মথুরাপুরের বাসিন্দা তসলিমা চার বছর বয়সে বেপাত্তা হয়ে যায়। পরে জানা যায়, তাকে মুম্বইতে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। অনেক পরে তসলিমা নিজেই নারী পাচারের এক বড় পাণ্ডা বনে যায়। মথুরাপুর ছাড়াও ডায়মন্ড হারবার, কাকদ্বীপ মহকুমার নানা এলাকা  থেকে নানা টোপ দিয়ে একাধিক কিশোরীকে মুম্বই নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছে। পুলিস অনেকদিন ধরেই তাকে খুঁজছিল। কিন্তু পাওয়া যাচ্ছিল না। তিন মাস আগে কাকদ্বীপ মহকুমার হারউড পয়েন্ট কোস্টাল থানার এক নাবালিকাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে তার স্বামীর  মাধ্যমে মুম্বইতে বিক্রি করে দেয়। দীর্ঘদিন অনুসন্ধানের পর মুম্বইয়ের একটি বার থেকে সেই নাবালিকাকে উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার করা হয়েছিল গফুরকেও। শনিবার হারউড কোস্টাল থানার পুলিস খবর পায়, তসলিমা মথুরাপুরে ঘাঁটি গেড়েছে। বিষয়টি মথুরাপুর থানাকে অবগত করা হয়। এরপর তার ছবি দেওয়া হয়। সেই সূত্র ধরে মথুরাপুর থানার ওসি শিবেন্দু ঘোষ বিশাল পুলিস বাহিনী নিয়ে ঘোড়াদলের বৈদ্যপাড়া থেকে তসলিমাকে ধরে।

আশ্রমের জমি দখলের চেষ্টা, রুখে দাঁড়ালো হিন্দু সংহতি

IMG-20180505-WA0002দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার মন্দিরবাজার আঁচনা। ওখানে রাস্তার ধারে সুশান্ত মহারাজের একটি আশ্রম রয়েছে, যা এলাকার সাধারণ হিন্দুদের কাছে অতি পরিচিত। আশ্রমের ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলিতে এলাকার হিন্দু জনসাধারণ উৎসাহের সঙ্গে যোগ দিয়ে থাকে। কিন্তু ওই জমির ওপর নজর স্থানীয় মুসলমানদের একাংশের। স্থানীয় মুসলমানদের একটি গোষ্ঠির সহযোগিতায় জাহির মোল্লা (পিতা-মৃত নাজিম মোল্লা) নামক ব্যক্তি দলবল নিয়ে এসে জমি দখল করে ঘর করতে শুরু করে। আশ্রমের সন্ন্যাসী বাধা দেন। তখনকার মতো কাজ বন্ধ করে চলে যায়। কিন্তু আশ্রমের মহারাজ জাহির মোল্লা ও স্থানীয় মুসলমানদের বিরুদ্ধে ডায়মন্ড হারবার মহকুমা আদালতে মামলা দায়ের করেন। কোর্ট গত ৩রা মে ওই জমির ওপর ১৪৪ ধারা জারি করে এবং মন্দিরবাজার থানার পুলিশকে নির্দেশ দেয় যে তারা যেন ২১জুন,২০১৮ -এর মধ্যে কোর্টে রিপোর্ট পেশ করে। কিন্তু কোর্টের আদেশ অমান্য করে গতকাল ৫ই মে, শনিবার মুসলমানরা আশ্রমের জায়গায় গায়ের জোরে ঘর তৈরি করতে শুরু করে। কিন্তু স্থানীয় হিন্দুরা সাহায্যের জন্যএগিয়ে আসেনি। এমনকি মন্দিরবাজার থানার পুলিশকে জানানো হলেও কোনো এক অজ্ঞাত কারণে পুলিশ সাহায্যের জন্যে এগিয়ে আসেনি। তখন সুশান্ত মহারাজ হিন্দু সংহতির প্রমুখ কর্মী শ্রী রাজকুমার সরদারকে ফোন সমস্যার কথা জানান এবং সাহায্যের জন্যে আবেদন করেন। শ্রী রাজকুমার সরদার হিন্দু সংহতির কর্মীদের নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে পুলিশের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়। পরে পুলিশ ওই জমিতে ঘর নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দেয়। বর্তমানে ওই স্থানে মন্দিরবাজার থানার পুলিশকর্মী মোতায়েন রয়েছে।