লাভ-জিহাদের শিকার হিঙ্গলগঞ্জ-এর নাবালিকা সুমিতা মন্ডল উদ্ধার

Photo2গত ১৯শে নভেম্বর  উত্তর ২৪  জেলার অন্তর্গত হিঙ্গলগঞ্জের হিন্দু নাবালিকা সুমিতা মন্ডল লাভ জিহাদের শিকার হয়ে মতিউর সরদার-এর সঙ্গে বাড়ি ছেড়েছিলো। সুমিতার পিতা তারপরের দিনই হিঙ্গলগঞ্জ থানায় FIR দায়ের করেছিলেন অভিযুক্ত মতিউর-এর বিরুদ্ধে। কিন্তু কোনো ভরসা না পেয়ে তিনি গত ২৬শে নভেম্বর  হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ হয়েছিলেন মেয়েকে ফিরে পাওয়ার আশায়। তারপরেই সুমিতাকে দ্রুত উদ্ধার করার জন্যে  হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে পুলিসের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়। তার ফলে গতকাল অর্থাৎ ২৭শে নভেম্বর রাত্রে হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিস সুমিতাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এতে সুমিতার পরিবার স্বভাবতই খুশি। সুমিতাকে দ্রুত উদ্ধার করায় হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিসকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এছাড়া ভবিষ্যতেও লাভ জিহাদের শিকার হওয়া হিন্দু মেয়েদেরকে  উদ্ধার করার কাজে হিন্দু সংহতি সবসময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবে বলে তিনি জানান।

Advertisements

লাভ-জিহাদের শিকার হিঙ্গলগঞ্জের সুমিতা মন্ডল; পুলিসের ঢিলেমি, হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ পরিবার

Photo2লাভ-জিহাদের করাল গ্রাস থামছে না পশ্চিমবাংলার বুকে। এইবার লাভ জিহাদের শিকার হল উত্তর ২৪ পরগনা জেলার  হিঙ্গলগঞ্জের হিন্দু নাবালিকা সুমিতা মন্ডল( নাম পরিবর্তিত, বয়স ১৬ বছর ৯মাস)। সে হিঙ্গলগঞ্জ হাইস্কুল( উঃ মাঃ ) দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়াশুনো করতো। গত ১৯ ই নভেম্বর রাত্রে সে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। হিঙ্গলগঞ্জ থানায় দায়ের করা অভিযোগে সুমিতার পিতা  জানিয়েছেন যে, তাঁর মেয়েকে হিঙ্গলগঞ্জের বাঁকড়া গ্রামের মতিউর সরদার (পিতা -রবিউল সরদার ) ফুঁসলিয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে নিয়ে গিয়েছে। তার অভিযোগের ভিত্তিতে হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিস অভিযুক্ত মতিউর সরদার-এর বিরুদ্ধে অপহরণের মামলা দায়ের করেন,যার FIR No -১৬৪/১৮। কিন্তু তার পরে বেশ কয়েকদিন কেটে গিয়েছে। কিন্তু অপহৃতা সুমিতা এখনো উদ্ধার হয়নি। এমতবস্থায় সুমিতার পিতা তার মেয়েকে ফিরে পাওয়ার আশায় হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ হয়েছেন। তিনি গতকাল ২৬শে নভেম্বর হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্যের সঙ্গে দেখা করে তাঁর নাবালিকা কন্যাকে ফিরিয়ে দেবার কাতর প্রার্থনা জানান। সুমিতার পিতা জানিয়েছেন যে, তার কন্যাকে ফিরিয়ে দেবার ক্ষেত্রে হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিস যথেষ্ট ঢিলেমি করছে এবং তিনি আরো জানিয়েছেন যে বার বার থানায় যাওয়া সত্বেও তার নাবালিকা কন্যাকে উদ্ধার করার ব্যাপারে কোনো ভরসা দিতে পারেননি হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিস। তাই তিনি হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ হয়েছেন। এমতবস্থায় হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে তার অপহৃতা কন্যাকে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয় সুমিতার পিতাকে।

গাইঘাটায় গরু-সহ ২ পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করলো বিএসএফ

বেশকিছুদিন বন্ধ থাকার আবার নতুন করে গরু পাচার শুরু হয়েছে  উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকায়। বিভিন্ন সূত্র মারফত এমনই খবর আসছিলো। এবার তার প্রমান মিললো। গত মঙ্গলবার, ২০শে নভেম্বর সন্ধ্যায় এই জেলার গাইঘাটার আংরাইল সীমান্তে গরুবোঝাই গাড়িসহ ২  গ্রেপ্তার করলো বিএসএফ। ওই দুজন পাচারকারী হলো মনিরুল মন্ডল এবং হাবিবুল্লাহ মিস্ত্রী। পরে তাদেরকে পুলিসের হাতে তুলে দেয় বিএসএফ। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে ধৃত দুজন পাচারকারীর বাড়ি একই জেলার বাদুড়িয়া থানার অন্তর্গত কীর্তিপুরে। তাদের কাছ থেকে ৫টি গরু উদ্ধার করা হয়েছে। আটক করা হয়েছে পাচারে ব্যবহৃত গাড়িটিও।

লস্কর জঙ্গি নইম-এর বিচার শুরু হলো বনগাঁ আদালতে

উদ্দেশ্য ছিল জম্মু-কাশ্মীরের সেনা ছাউনির উপর হামলা এবং ভারতে জঙ্গিঘাঁটি তৈরি করা। এই গুরুতর অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েও লস্কর-ই-তোইবার জঙ্গি নেতা শেখ আবদুল নইম ওরফে সমীর ফিল্মি কায়দায় ট্রেন থেকে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে গিয়েছিল। তবে, ওই মামলায় ইতিমধ্যেই তার সহযোগীদের তথা দুই পাকিস্তানি সহ তিন লস্কর জঙ্গির ফাঁসির সাজা ঘোষণা করেছে বনগাঁ মহকুমা আদালত। এনআইএ’র হাতে ফের ধরা পড়ার পর অবশেষে গতকাল ১০ই অক্টোবর, বুধবার ওই মামলায় প্রধান অভিযুক্ত জঙ্গি নেতা নইমের শুনানি শুরু হল এই বনগাঁ মহকুমা আদালতে।
পুলিস ও গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০০৭ সালের ৪ এপ্রিল শেখ আবদুল নইম ওরফে সমীর, মহম্মদ ইউনুস, আবদুল্লা এবং মুজাফ্ফর আহমেদ রাঠের নামে চারজন লস্কর জঙ্গিকে পেট্রাপোল সীমান্তে আটক করে বিএসএফ। বনগাঁ থানার পুলিসের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। পরে তদন্তভার নেয় সিআইডি। গোয়েন্দারা জানতে পেরেছিলেন, ভারতে হামলার জন্য এই চারজনই পাকিস্তানে লস্কর শীর্ষনেতাদের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে এসেছে। একে-৪৭ চালানো, গ্রেনেড ছোঁড়া এবং বোমা তৈরির প্রশিক্ষণও নিয়েছিল। চারজনের মধ্যে নইমই ছিল প্রধান জঙ্গিনেতা। তার বাড়ি মহারাষ্ট্রের ঔরঙ্গাবাদে। সে ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করেছিল। ইংরাজিতে দক্ষ। ভারতীয় আইন সম্পর্কেও তার জ্ঞান রয়েছে।  গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, ২০০৬ সালে মুম্বইয়ে বোমা বিস্ফোরণেও যুক্ত ছিল নইম। তাই বনগাঁ আদালতে মামলা চলাকালীন ২০১৪ সালের ডিসেম্বর মাসে তাকে এ রাজ্য থেকে মুম্বই নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। কিন্তু, ছত্তিশগড় এলাকা থেকে সে ট্রেন থেকে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যায়। তারপর কোনও খোঁজ ছিল না। এদিকে, মামলা চলতে থাকে বনগাঁ আদালতে। সমস্ত তথ্য ও প্রমাণ খতিয়ে দেখে এই গুরুত্বপূর্ণ মামলায় ১২১ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ২০১৭ সালের ২১ জানুয়ারি বনগাঁ মহকুমা আদালতের ফাস্ট ট্র্যাক-১ কোর্টের বিচারক বিনয়কুমার পাঠক তিন জঙ্গি সদস্য আবদুল্লা, ইউনুস ও মুজাফ্ফরের ফাঁসির সাজা ঘোষণা করেন। সাজা ঘোষণার ১১ মাস পর ওই বছরের ২৮ নভেম্বর লখনউ থেকে নইমকে গ্রেপ্তার করে এনআইএ।
বনগাঁ মহকুমা আদালতে এই মামলার সরকারি পক্ষের আইনজীবী সমীর দাস বলেন, নইম প্রধান অভিযুক্ত। সিআইডি তাকে তিহার জেল থেকে গত ৭ তারিখ দমদম সেন্ট্রাল জেলে নিয়ে আসে। ওই মামলায় এদিন নইমকে বনগাঁ মহকুমা আদালতের ফাস্ট ট্র্যাক-১ কোর্টের হাজির করানো হয়েছিল। এদিন থেকে শুনানি শুরু হল। নইমের কোনও আইনজীবী ছিলেন না। সে নিজেই নিজের শুনানিতে অংশ নিয়েছিল। সে বিচারককে জানিয়েছে, সে যাতে বাড়ির লোকজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে, তার জন্য তাকে ফোন করার সুযোগ দেওয়া হোক। দিল্লিতে তার পরিবারের সদস্যরা আছে। আগামী, শুক্রবার ফের হাজিরা রয়েছে। তাই তার জন্য লিগ্যল এইড থেকে একজন আইনজীবী দেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় মা-মেয়ের ওপর অ্যাসিড ছুঁড়লো সুকুর আলি

ফের অ্যাসিড হামলা৷ এবার উত্তর ২৪ পরগণা জেলার অন্তর্গত গোপালনগর থানার ভাণ্ডারখোলায়৷ কুপ্রস্তাবে রাজি না -হওয়ার এক মহিলাকে অ্যাসিড ছোড়ে এলাকারই এক যুবক৷ অ্যাসিড হানায় আক্রান্ত হন ওই মহিলা ও তাঁর মেয়ে৷ অভিযুক্ত পলাতক৷ তার খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ৷ জানা গিয়েছে, গত ৯ই মে, বুধবার গভীর রাতে সুকুর আলি জানালা দিয়ে ওই মহিলাকে লক্ষ করে অ্যাসিড ছোড়ে বলে অভিযোগ৷ তখন মেয়েকে নিয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন ওই গৃহবধূ।  স্বামী বাথরুমে গিয়েছিলেন৷ অ্যাসিড পড়তেই যন্ত্রণায় চিৎকার  করে ওঠেন মা ও মেয়ে৷ দ্রুত ঘরে ঢুকে স্বামী দেখেন যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে স্ত্রী ও মেয়ে৷ গৃহবধূর স্বামীর অভিযোগ , জানালা দিয়ে মুখ বাড়িয়ে তিনি তখন সুকুর আলিকে পালাতে দেখেন৷ তখন অবশ্য সুকুরকে নিয়ে ভাবার সময় ছিল না৷ দ্রুত স্ত্রী -মেয়েকে নিয়ে বনগাঁ হাসাতালে ছোটেন তিনি৷ সঙ্গে যান পড়শিরাও৷ পরে গোপালনগর থানায় সুকুর আলির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে৷ পুলিশ অভিযুক্ত সুকুর আলির খোঁজ শুরু করেছে৷ ঘটনার পর থেকেই এলাকা ছাড়া অভিযুক্ত সুকুর আলি৷ স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে , বেশ কিছুদিন ধরেই ওই গৃহবধূর পিছু নিয়েছিল সুকুর৷ রাস্তাঘাটে দেখা হলেই নানা কুপ্রস্তাব দিত সে৷ সুকুর এলাকায় অটো চালায়৷ সেই সুকুরের ভয়ে রাস্তায় বেরোতেই ভয় পেতেন ওই গৃহবধু৷ হাসপাতালে বেডে শুয়ে আক্রান্ত মহিলা বলেন , ‘রাত তখন বারোটা হবে৷ আমি মেয়েকে নিয়ে ঘুমিয়ে ছিলাম৷ আচমকাই মুখে ,হাতে , গলায় জ্বালা শুরু হল৷ যন্ত্রণায় আমরা দু’জনেই চিৎকার  শুরু করি৷ ’ বুধবার রাতেই অ্যাসিডে দগ্ধ মা -মেয়ের চিকিৎসা  শুরু হয় বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে৷ হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে , প্রাথমিক চিকিৎসার  পর দু’জনকেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে৷ বৃহস্পতিবার সকালেই সুকুর আলির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়৷ আক্রান্ত মহিলার পরিবারের অভিযোগ , দিনে দিনে সুকুর আলির কুপ্রস্তাব বেড়েই চলছিল৷ এলাকার লোকজনের দাবি , সুকুরকে গ্রেপ্তার  করে কঠোর শাস্তি দিতে হবে৷ সুকুরের খোঁজ জোর তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।

দেগঙ্গাতে রাতের অন্ধকারে কালীমূর্তিতে আগুন দিলো দুষ্কৃতীরা, এলাকায় উত্তেজনা

IMG-20180505-WA0011উত্তর ২৪ পরগনা জেলার অন্তর্গত দেগঙ্গা থানা এলাকা হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের কারণে পশ্চিমবঙ্গে একটি পরিচিত নাম। এই থানা এলাকার মঙ্গলনগর গ্রামের শ্মশানকালী মন্দিরের মূর্তিতে আগুন লাগিয়ে দিলো দুষ্কৃতীরা। আগুন লেগে প্রতিমার বস্ত্র এবং মাথার চুল পুড়ে গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রামের শ্মশান-এর আশেপাশে কোনো লোক বসতি নেই। ফলে তার সুযোগ নিয়ে দুষ্কৃতীরা রাতের অন্ধকারে গত ৪ঠা মে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। মন্দিরটি পাকা হওয়ায় বড়সড় কোনো ক্ষতি হয়নি। কিন্তু মূর্তিতে আগুন লাগানোর ঘটনা ছড়িয়ে পড়ায় এলাকার হিন্দুরা উত্তেজিত হয়ে পরে এবং তারা শ্মশানের কাছে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখতে থাকেন। ঘটনার খবর পেয়ে দেগঙ্গা থানার পুলিশ, এসডিও ঘটনাস্থলে আসেন। তারা উদ্যোগ নিয়ে নতুন মূর্তি বসিয়ে দেন। এমকি তারা উত্তেজিত হিন্দু জনতাকে প্রতুশ্রুতি দেন যে সরকারি খরচে শ্মশানটিকে ইঁটের দেওয়াল দিয়ে ঘিরে দেওয়া হবে। তবে শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী এই ঘটনায় কোনো পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি এবং দেগঙ্গা থানার ২জন পুলিশকর্মী মন্দির প্রাঙ্গনে মোতায়েন রয়েছে।

কাঁকিনাড়ায় রামনবমীর শোভাযাত্রায় হামলা, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ, আহত ৭

ইটপাটকেল এবং বোমা নিয়ে হামলার অভিযোগ রামনবমীর শোভাযাত্রায়। ঘটনায় বেশ কয়েকজন জখম হয়েছে এবং পুলিশের গাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে । ঘটনাটি ঘটেছে ২৫শে মার্চ, সন্ধ্যায় উত্তর ২৪ পরগনার কাঁকিনাড়ার ভাটপাড়া মোড় এলাকায়।
রামনবমী উপলক্ষে রবিবার রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শোভাযাত্রা হয়। উত্তর ২৪পরগনার  কাঁকিনাড়া আর্যসমাজ রোড থেকেও সেরকমই তৃণমূল পরিচালিত শোভাযাত্রা বের হয়েছিল। সেই মিছিল থেকে উত্তেজনা মূলক স্লোগান দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। কাঁকিনাড়া রেলব্রিজ পেরোনোর সময় কিছু লোকজন শোভাযাত্রায় হামলা চালায় বলে অভিযোগ। শোভাযাত্রা লক্ষ্য করে একটি তিনতলা বাড়ি থেকে ইট ছোঁড়া হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। বোমাও ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ।এর ফলে মিছিলের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে  যায়। অপরপ্রান্তে থাকা ভাটপাড়া ফাঁড়ির পুলিশের গাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয়। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয় বলে দাবি পুলিশের।
অভিযোগ, এর পর মিছিলে হামলার পালটা হামলা শুরু হয়। ফলে, উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। চলে বোমাবাজি। ঘটনায় বেশ কয়েকজন জখম হয়েছে। তারমধ্যে এক ব্যক্তিকে চিকিৎসার জন্য ভাটপাড়া স্টেট জেনারেল  হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী এসে লাঠি এবং কাঁদানেগ্যাস ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় পুলিশি টহল ও ধরপাকড় শুরু করে । এই ঘটনায় দুপক্ষের ১২ জনকে গ্রফতার করে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে জগদ্দল থানার পুলিশ ।

ঠাকুরনগরে বারুণীস্নানে আগত মতুয়া ভক্তদের জন্যে জলসত্র হিন্দু সংহতির

motuaগত কয়েকদিন ধরে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ঠাকুরনগরে মতুয়া মহাতীর্থে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অগণিত ভক্ত বারুনীস্নানে আসছেন। বিস্বস্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বছরে প্রায় তিরিশ লক্ষ ভক্ত সমাগম হতে পারে। আর দূর দূরান্ত থেকে আসা সেই ভক্তদের কথা মাথায় রেখে এই বছর মেলায় হিন্দু সংহতির তরফ থেকে মেলার শুরুর দিন থেকে জলসত্রের আয়োজন করা হয়েছে। দেখা গিয়েছে, হিন্দু সংহতির আয়োজিত জলসত্রে প্রচুর হরিভক্ত আসছেন এবং জলসেবন করছেন। গত ১৫ই মার্চ,বৃহস্পতিবার এই জলসত্রে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির সর্বভারতীয় সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য মহাশয়। তিনি নিজহাতে আগত হরিভক্তদের জল ও অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন। বারুণীস্নানে আগত হরিভক্তরা হিন্দু সংহতির এই উদ্যোগকে দুহাত তুলে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

খুন ও মাদক পাচারে যুক্ত বাংলাদেশী গ্রেপ্তার পেট্রাপোল সীমান্তে

খুন সহ চোরাচালানে যুক্ত বাংলাদেশের এক কুখ্যাত দুষ্কৃতিকে গ্রেপ্তার করলো উত্তর ২৪ পরগনা জেলার পেট্রাপোল থানার পুলিশ। সে চোরাপথ দিয়ে এ দেশে ঢুকেছিল। গত ২১শে ফেব্রুয়ারী, বুধবার রাত ১১টা নাগাদ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম মহম্মদ শাহিদ হোসেন লিটন। বাংলাদেশের সারসা থানার লাউতারা এলাকায় বাড়ি। বয়স ২৭ বছর। ধৃতের কাছ থেকে ১০ লিটার কোডেইন মিক্সচারও পাওয়া গিয়েছে। সে চোরাপথে এ দেশে ঢুকে অপরাধ ঘটিয়ে আবার বাংলাদেশে ফিরে গিয়ে গা ঢাকা দিত। তাই তাকে গ্রেপ্তার করা যাচ্ছিল না।

পুলিশ জানিয়েছে, বছরখানেক আগে পেট্রাপোলে জসীম মণ্ডল নামে এক ব্যক্তি খুন হয়েছিলেন। ধৃত লিটন এবং সঙ্গীরা এ পারে ঢুকে খুন করেছিল। খুনের অন্যতম সাক্ষী মৃতের বাবা বাবর আলি মণ্ডলকেও গুলি করে খুনের চেষ্টা করেছিল লিটন। নিরাপত্তার অভাব বোধ করে বাবর আলি খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও চিঠি দিয়েছিলেন। জেলা পুলিশের তরফে তাঁকে নিরাপত্তাও দেওয়া হয়েছিল। পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার রাতে লিটন মাদক নিয়ে এ দেশে ঢোকা মাত্রই পেট্রাপোল থানার কাছে খবর পৌঁছায়। তারপরই হাতেনাতে তাকে পাকড়াও করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, লিটনের সঙ্গীদের খোঁজেও তল্লাশি চলছে। তাদের প্রত্যেককেই গ্রেপ্তার করা হবে।

চিকিৎসার টাকা,পাসপোর্ট নিয়ে পালানোর আগে সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার বাংলাদেশী

মুকুন্দপুরের গেস্ট হাউস থেকে পাসপোর্ট, ১৩,৫০০ মার্কিন ডলার, ৭০ হাজার ভারতীয় টাকা, ৬০ হাজার বাংলাদেশী টাকা এবং মোবাইল ফোন চুরি করে বাংলাদেশে পালানোর পথে বনগাঁ থেকে বনগাঁ থানার পুলিশের সাহায্য নিয়ে আয়নাল হক সর্দার নামে এক বাংলাদেশীকে গ্রেপ্তার করেছে পূর্ব যাদবপুর থানা। বাংলাদেশে সেনাবাহিনীর কর্মী লুৎফর হাসান মণ্ডল ছেলে তারিকের কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য মুকুন্দপুরে আসেন। বিদেশে সঙ্গী হিসাবে লুৎফর সঙ্গে এনেছিলেন শ্যালক আয়নাল হক সর্দারকে। আয়নাল একটি কিডনি দান করবে, এমন কথা ছিল। কিন্তু সেই শ্যালকই সর্বস্ব চুরি করে বাংলাদেশে পালিয়ে যাচ্ছিল। লুৎফর হাসান মণ্ডলের অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামে পূর্ব যাদবপুর থানা। খবর যায় লালবাজারে। তৈরি করা হয় বিশেষ টিম। এই ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে প্রথমে পুলিশ গ্রেপ্তার করে সীমান্তে লোক পারাপারের এক দালালকে। তার কাছ থেকে পাওয়া যায় ফোন নম্বর। সেই  ফোনে আড়ি পেতে আয়নালের গতিবিধি জানতে পারে কলকাতা পুলিশ। তারপরই সীমান্ত পার হওয়ার মুখে বনগাঁ থানাকে দিয়ে গ্রেপ্তার করা হয় পলাতক আয়নালকে। পরে কলকাতা পুলিশের তরফে চুরি যাওয়া টাকা ফেরত দেওয়া হয়। কলকাতা পুলিশ সূত্রে এই খবর জানা গিয়েছে।

উত্তর ২৪ পরগনার বাগদায় তরুণীকে ধর্ষণের চেষ্টা, গ্রেপ্তার রিপন শেখ

ripon sekhতরুণীর ঘরে ঢুকে জোর করে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। গ্রামবাসীরা যুবককে ধরে ফেলে বেধড়ক মারধর করে। এক ব্যক্তি ওই যুবককে গ্রামবাসীর হাত থেকে বাঁচাতে গেলে তাকেও ধরে মারধর করে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় ওই যুবক সহ সাত জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গত ৭ই ফেব্রূয়ারি, বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা থানার ঘাটপাকিল এলাকায়। ধৃত যুবক বাগদার বয়রা এলাকার বাসিন্দা রিপন শেখ। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর বনগাঁ কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রী বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ নিজের ঘরে পড়াশোনা করছিল। তরুণীর বাবা মা বাড়ি না থাকার সুযোগ নিয়ে রিপন শেখ ঘরে ঢুকে পরে। তাকে একা পেয়ে তার মুখে কাপড় বেঁধে জোর করে ধর্ষণ করার চেষ্টা করে। মুখ থেকে কাপড় খুলে যেতেই তরুণী চিৎকার করতে থাকে। চিৎকার শুনে ছুটে আসে আশপাশের প্রতিবেশীরা। তরুণীকে ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করে ওই যুবক। গ্রামবাসীরা তাড়া করে যুবককে ধরে বেধড়ক মারধর করে। স্থানীয় বিকাশ বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তি গ্রামবাসীর হাত থেকে ওই যুবকে বাঁচাতে গেলে তাকেও বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে গ্রামবাসীরা পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ করে। পুলিশের সামনেই রিপন শেখ ও বিকাশ বিশ্বাসকে মারতে থাকে। বাগদা থানার পুলিশ ওই দুজনকে গ্রামবাসীর হাত থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। গ্রামবাসী বিকাশ বিশ্বাস বলেন রিপন শেখ নামে ওই যুবককে আমি চিনি না। তাকে ওই ভাবে মারতে দেখে আমি বাধা দিয়ে পুলিশকে খবর দিতে বলাতেই গ্রামবাসীরা আমার ওপর চড়াও হয়। এই ঘটনায় বাগদা থানার পুলিশ তিন মহিলা সহ ছ’জন গ্রামবাসীকে গ্রেফতার করে। এছাড়া ধর্ষণের অভিযোগে রিপন শেখকে গ্রেফতার করে। বাগদা থানার পুলিশ জানিয়েছে ধৃতদের বৃহস্পতিবার বনগাঁ আদালতে তোলা হলে বিচারক রিপন শেখকে ৫ দিনের পুলিশি হেফাজত ও বাকি গ্রামবাসীদের ১৪ দিনের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয়।

মুসলিম বন্ধুর কীর্তি : টাকার জন্যে হিন্দু বন্ধুকে খুন করে গঙ্গায় ফেলে দিল দেহ

muslim bondhur kirti, takarটাকার জন্য নিজের হিন্দু বন্ধুকে খুন করে গঙ্গায় ফেলে দিলো তারই তিন মুসলিম বন্ধু। তারপর বাড়িতে ফোন করে মুক্তিপণ দাবি করলো তারা। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগণা জেলার জগদ্দল থানা এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, গত ৩রা ফেব্রুয়ারী, শনিবার মহম্মদ জাহিদ, মহম্মদ সরফরাজ এবং মহম্মদ উকিল নামে তিন বন্ধুকে গ্রেপ্তার করা হয়। মৃতের নাম অভিষেক চৌবে ওরফে প্রিন্স (১৮)। বাড়ি পূর্বাশা এলাকায়। সে স্থানীয় হাইস্কুলের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র ছিল। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রেলকর্মী প্রিন্সের বাবা বেশ কিছুদিন আগেই মারা যান। তার দিদি পূজা সাউ ও জামাইবাবু সুশান্ত সাউয়ের দিল্লিতে দু’টি ফিটনেস সেন্টার রয়েছে। তাঁরাই আদরের ভাইকে দামি জুতো, বাইক কিনে দিয়েছিলেন। জাহিদ আর সরফরাজ প্রিন্সের বন্ধু হলেও তার থেকে বয়সে তিন বছরের বড়। তারা পড়াশুনা করতো না।

গত ২০ জানুয়ারী প্রিন্স টিউশন যাচ্ছি বলে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর জাহিদ ও সরফরাজ ফোন করে তাকে কাঁকিনাড়া স্টেশনে ডাকে। বেড়াতে যাবো বলে ট্রেনে করে তারা তিনজনে হুগলী ঘাট স্টেশনে যায়। সেখানে একটি জায়গায় বসে মদ খায়। পরে জুবিলি ব্রিজ ধরে হাঁটতে হাঁটতে শ্বাসরোধ করে মাঝগঙ্গায় প্রিন্সকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয় তারা। এরপর তারা উকিলের সাহায্য নিয়ে প্রিন্সের মোবাইল থেকে বাড়ির লোকজনকে ফোন করে ১০ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ চায়।

ঘটনার পরদিনই জগদ্দল থানায় অভিযোগ দায়ের করলেও বাড়ির লোকজন মুক্তিপণের টাকা দিতে রাজি হয়ে যান। তারা কখনও টিটাগড়, কখনও নৈহাটি, ব্যারাকপুর, আগরপাড়া স্টেশনের লাইনের ধারে টাকা রেখে যাওয়ার প্রস্তাব দেয়। টাকা রাখা হলেও পুলিশের ভয়ে তারা আসেনি। এর মধ্যে পুলিশ দুই বন্ধুর কথা জানতে পারে। তাদের মোবাইল ট্র্যাক করে নিশ্চিত হয় তারাই এই কাজে যুক্ত। তারপর গত শনিবার তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশি জেরার মুখে পড়ে তারা প্রিন্সকে খুন করার কথা স্বীকার করেছে।

উত্তর ২৪ পরগনায় জাল পাসপোর্টসহ গ্রেপ্তার বাংলাদেশী মুসলিম অনুপ্রবেশকারী

গত ৩রা ফেব্রুয়ারী, শনিবার জাল পাসপোর্ট, জাল আধার কার্ড ও ভোটার কার্ড সমেত এক বাংলাদেশী মুসলিম অনুপ্রবেশকারীকে গ্রেপ্তার করলো শুল্ক দপ্তর। ঘটনাটি ঘটে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার পেট্রাপোল আন্তর্জাতিক সীমান্তে। ধৃত যুবকের নাম জাহাঙ্গীর সিরাজুল মন্ডল। তার বাড়ি বাংলাদেশের যশোর জেলায়। সে কয়েক বছর ধরেই এদেশে বসবাস করছে। এখানে থাকার সময় সে জাল আধার কার্ড ও ভোটার কার্ড বানায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে গত ৩রা ফেব্রুয়ারী, শনিবার জাল পাসপোর্ট নিয়ে বাংলাদেশ যাওয়ার সময় চেকিং-এর অফিসারদের সন্দেহ হয়। তারপর তাকে জেরা করে জানা যায় যে সে ভারতের নাগরিক নয়। তখন তাকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

পেট্রাপোল সীমান্তে সোনার বিস্কুট উদ্ধার, গ্রেপ্তার মহম্মদ রাসেল রানা

গত ৩০শে জানুয়ারী, মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগনা জেলার পেট্রাপোল আন্তর্জাতিক সীমান্তে প্রায় ১১লক্ষ টাকার সোনার বিস্কুট উদ্ধার করলো বিএসএফ। এই ঘটনায় একজন পাচারকারীকেও গ্রেপ্তার করেছে বিএসএফ। বিএসএফ-এর তরফে জানানো হয়েছে ধৃত পাচারকারীর নাম মহম্মদ রাসেল রানা। গত মঙ্গলবার বেলা ১২টা নাগাদ সে সোনার বিস্কুট পাচার করার জন্যে পেট্রাপোলের আইসিপি গেট এলাকায় দাঁড়িয়েছিল। তখনই বিএসএফ জওয়ানরা তাকে আটক করে। বিএসএফ জানিয়েছে, তার কাছে তিনটি সোনার বিস্কুট পাওয়া গিয়েছে। যার ওজন ৩৫০গ্রাম, যার বাজারমূল্য প্রায় ১০লক্ষ ৭৯হাজার ৫৭৫টাকা। পরে ধৃত রাসেল রানা ও সোনার বিস্কুটকে পেট্রাপোল শুল্ক দপ্তরের হাতে তুলে দেয় বিএসএফ।

দক্ষিণেশ্বরে পুরোহিতদের মমতা ব্যানার্জীর শুভেচ্ছাবার্তা নিয়ে গেলেন তাঁর সরকারের মন্ত্রী

dakkhineshwarer purohitder mamata banerjir suvecchabartaবীরভূমের অনুব্রত মণ্ডলের পুরোহিত সম্মেলনের রেশ ধরেই গত ১০ই ডিসেম্বর, বুধবার দক্ষিণেশ্বরের মাটিতে হাজার বিশেক ব্রাহ্মণের জমায়েত থেকে ‘বন্দে পুরুষোত্তম’ ধ্বনি তুলে পশ্চিমবঙ্গের জমিতে হিন্দুত্বের প্রশ্নে বিজেপিকে যে জমি ছাড়া হবে না তা স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দিল শাসকদল৷ এ দিন রাজ্য সনাতন ব্রাহ্মণ ট্রাস্টের বকলমে তৃণমূলের এই সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে উপস্থিত না থাকলেও, জমায়েত ও সংগঠকদের উদ্দেশ্যে তাঁর শুভেচ্ছাবার্তা পাঠিয়েছেন রাজ্যের সেচমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাধ্যমে৷ রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী সব মানুষকেই পরিষেবা দিতে জাতপাত, ধর্মের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের জন্য কাজ করছেন৷ ব্রাহ্মণদেরও কিছু দাবিদাওয়া রয়েছে৷ মুখ্যমন্ত্রী সহানুভূতির সঙ্গে সব বিবেচনা করবেন৷ সমাবেশের বার্তা তাঁকে সবিস্তারে জানাব৷’’ এ দিনের সভায় মূলত দুই মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বীরভূম, বাঁকুড়া ও দুই ২৪ পরগনা থেকে সনাতন ব্রাহ্মণদের জমায়েত হয়েছিল৷ ব্রাহ্মণ সমাজের উন্নয়নে নয় দফা দাবি সামনে রেখে গত কয়েক মাসে ট্রাস্টের সংগঠন গড়ে তোলার কাজে শ্রীধর মিশ্র, মধুসূদন মিশ্রদের নেতৃত্বে সারা রাজ্যজুড়েই পুরোহিতদের সংগঠিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল৷ দাবির মধ্যে যেমন পঞ্চম শ্রেণি থেকে সংস্কৃত ভাষা শিক্ষার দাবি আছে, তেমনই প্রবীণ পুরোহিতদের মাসিক ভাতার দাবিও স্থান পেয়েছে৷ আছে পূজক ব্রাহ্মণদের জন্যও মাসিক ভাতার দাবি৷ ব্রাহ্মণদের জন্য কর্মসংস্থান, বাসগৃহ, পঞ্চায়েত ও পুর এলাকায় টোল নির্মাণের মতো দাবিও রয়েছে৷ রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় সব দাবিই মুখ্যমন্ত্রীর বিবেচনার জন্য তাঁর কাছে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলেছেন৷ উদ্যোক্তারা জানান, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যেই সংগঠনের স্থায়ী কার্যালয় ও আশ্রম, বৃদ্ধাবাস ইত্যাদি করার জন্য মেচেদায় তিন বিঘা জমি দিয়েছেন৷ মার্চে কলকাতার গান্ধীমূর্তির সামনে আরও বড়, অন্তত ৫০ হাজার ব্রাহ্মণ পুরোহিতের জমায়েত করা হবে৷’’