হাসনাবাদের হাটখোলা বাজারে হামলা TMC আশ্রিত মুসলিম দুষ্কৃতীদের; ভেঙে দেওয়া হলো শনি ঠাকুরের মূর্তি

গ্রামের হিন্দু বাসিন্দারা বিজেপি করে, এই অজুহাতে হিন্দু অধ্যুষিত গ্রামে হামলা চালালো টিএমসি-এর ঝান্ডাধারী মুসলিম দুষ্কৃতীরা। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার অন্তর্গত হাসনাবাদ থানার হাটখোলা বাজারে। স্থানীয় এক হিন্দু বাসিন্দা হিন্দু সংহতির প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন যে গত ১৯শে মে রাত দশটা নাগাদ  একদল মুসলিম দুষ্কৃতী হাটখোলা বাজার এলাকায় এসে বেছে বেছে একের পর হিন্দু বাড়িতে হামলা চালায়। মুসলিম দুষ্কৃতীরা কয়েকটি আসবেস্টস-এর ছাউনি ভেঙে দেয়। এছাড়াও একটি ক্লাবে ভাঙচুর চালায়। এরপর ওই মুসলিম দুষ্কৃতীরা বাজারের পাশে থাকা একটি শনি মন্দিরে ভাঙচুর চালায়। মন্দিরে থাকা শনি ঠাকুরের মূর্তি টেনে বাইরে ফেলে দেয় এবং মন্দিরে থাকা পূজার উপাচার সামগ্রী তছনছ করা হয়। স্বাভাবিক ভাবেই এলাকার হিন্দু বাসিন্দারা এই ঘটনায় যথেষ্ট ক্ষুব্ধ। তাঁরা তাদের সেই ক্ষোভ হিন্দু সংহতির প্রতিনিধির কাছে প্রকাশ করেছেন। তবে এই ঘটনায় এলাকার কিছু হিন্দু বাসিন্দারা এখনো আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।

টিএমসি আশ্রিত মুসলিম দুষ্কৃতীদের আক্রমণ হিন্দু পাড়ায়, ভাঙচুর মন্দির, মহিলাদের শ্লীলতাহানি

vangarদক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ভাঙ্গড় থানার অন্তর্গত মিলনবাজার মোড় থেকে ১ কি.মি দূরত্বে গ্রাম বড়”বাকড়ি ।ওই গ্রামে মাত্র ১০- ১২ঘর হিন্দুর বসবাস। গত ২৩শে এপ্রিল, বিকাল ৪টা নাগাদ কিছু তৃণমূল আশ্রিত মুসলিম দুষ্কৃতী লাঠি, রড, শাবল, বাঁশ নিয়ে ওই হিন্দু পাড়ায় আসে। ওই দুষ্কৃতীদের মুখে কাপড় বাঁধা ছিল। তারা এসে হিন্দু বাড়ির সামনে এসে নোংরা ভাষায় গালাগালি করতে থাকে। বলে তোরা হিন্দু, তোরা বিজেপি করিস, তোরা এইবার ভোট দিতে যাবি না। হিন্দুরা প্রতিবাদ করলে বচসা শুরু হয়। তারপরেই আসল রূপ ধারণ করে ওই মুসলিম দুষ্কৃতীরা। হিন্দুদের মারধর করে। পাড়ায় থাকা একটা মন্দিরে ভাঙচুর চালায় মুসলিম দুষ্কৃতীরা। বাড়ির মহিলারা বাধা দিলে তাদের কাপড় খুলে নেয় । মহিলাদের শ্লীলতাহানিও করে মুসলিম দুষ্কৃতীরা। মন্দিরের সামনে থাকা একটা তুলসী মঞ্চও ভাঙচুর করে মুসলিমরা।
ঘটনার খবর পেয়ে পরিস্থিতি সরজমিনে দেখতে হিন্দু সংহতির কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। হিন্দু সংহতির প্রতিনিধির সামনে কাঁদতে কাঁদতে হিন্দু মহিলারা ঘটনার কথা বলে। পুলিসের কাছে খবর পৌঁছনোর পরে পুলিস আসে। এখনো পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করার খবর পাওয়া যায়নি।

উত্তর ২৪ পরগনায় বিশাল অস্ত্র কারখানার হদিশ পেল পুলিস, গ্রেপ্তার শেখ আলী হোসেন

উত্তর ২৪ পরগনা জেলার অন্তর্গত নারায়ণপুর থানা এলাকায় বড়সড় অস্ত্র কারখানার হদিশ পেলো পুলিস। গতকাল ৪ঠা এপ্রিল, বৃহস্পতিবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বিধাননগর পুলিস এবং কলকাতা পুলিসের এসটিএফ নারায়ণপুরের দোননগর এবং ছোট গাঁতির একটি বাড়িতে হানা দেয়। সেখান থেকে ৩০টি নাইন এমএম পিস্তল এবং ৬০টি অসম্পূর্ণ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, শেখ আলি হোসেন ওরফে মুন্না বলে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রের খবর, এলাকায় ‘জামাই’ বলেই সে অতিপরিচিত ছিল। গত ছয়-আট মাস ধরে সাইকেলের বল বিয়ারিং তৈরির কারখানা চালাত বলেই বাসিন্দারা জানতেন। কিন্তু, এদিন সেখান থেকেই অস্ত্র কারখানা উদ্ধার হওয়ায় হতবাক এলাকার বাসিন্দারাও।
পুলিস সূত্রের দাবি,  আগের দিন এসটিএফ কলকাতা থেকে সদকাশ এবং টারজান নামে দু’জনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এসটিএফের গোয়েন্দারা জানতে পারেন, নারায়ণপুর থানা এলাকার একটি জায়গায় পিস্তল তৈরি হচ্ছে। সেই পিস্তল চোরাপথে কলকাতায় ঢুকছে। আবার ভিন জেলাতেও তা পাঠানো হচ্ছে। এরপরেই নারায়ণপুর থানার পুলিসকে নিয়ে এসটিএফ যৌথভাবে মধ্যমগ্রামের রোয়ান্ডা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার দোননগরে হানা দেয়। পুলিস জানিয়েছে, দোননগরের বাড়িতে হানা দিয়ে জানা যায় বিধাননগর পুরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের ছোট গাঁতি এলাকায় এই পিস্তলগুলি তৈরি করা হয়েছে। সেখান থেকেই তা বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করা হয়। এরপরেই পুলিসের যৌথ দল ছোট গাঁতিতেও হানা দেয়। সেখান থেকেই হাতেনাতে মুন্না বলে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ছোট গাঁতির বাড়িটিতে একটা অস্ত্র তৈরির কারখানা চলছিল। সেখানে মুঙ্গের থেকে বিভিন্ন কাঁচামালের পাশাপাশি শ্রমিকও আসছিল। তারপরে এই কারখানায় সেই কাঁচামালগুলিকে একত্রিত করে পিস্তল তৈরি করা হচ্ছিল। সেই কারখানা থেকেই ৬০টি অর্ধেক তৈরি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিস আরও জানিয়েছে, ছোট গাঁতির একটি ক্লাবের পাশে ওই বাড়ি থেকে ৬০টি আধা তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র ছাড়াও লেদ মেশিন এবং ড্রিলিং মেশিন সহ বিভিন্ন কাঁচামাল সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে।

প্রিয়া সর্দারের অপহরণকারী মোক্তাউদ্দিন মোল্লা গ্রেপ্তার

গত ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ তে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার মিনাখা থানার অন্তর্গত গড় আবাদ গ্রামের হিন্দু নাবালিকা প্রিয়া সর্দারকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় মোক্তাউদ্দিন। পরে মেয়েকে ফিরে পাবার আশায় মোক্তাউদ্দিন মোল্লার বিরুদ্ধে মিনাখা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন প্রিয়ার পিতা মাধাই সর্দার। প্রথমে পুলিস গুরুত্ব না দিলেও পরে হিন্দু সংহতি এই ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করলে পুলিস সক্রিয় হয়। গত ১২ই মার্চ প্রিয়াকে উদ্ধার করে পুলিস। এবার অপহরনকারী মোক্তাউদ্দিন মোল্লাকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। এই গ্রেপ্তারে প্রিয়ার পরিবার স্বভাবতই খুশি। সেইসঙ্গে হিন্দু সমাজ থেকে হারিয়ে যেতে বসা একটি মেয়েকে ফিরিয়ে আনতে পেরে হিন্দু সংহতি সমাজের প্রতি দায়িত্ব পালন করেছে। হিন্দু সংহতি প্রথম থেকেই প্রিয়ার দরিদ্র পরিবারের পাশে থেকেছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। সেইসঙ্গে মিনাখা থানার পুলিস অফিসেরদেরকে ধন্যবাদ। 

হিন্দু সংহতির প্রচেষ্টায় লাভ জিহাদের শিকার প্রিয়া সর্দার উদ্ধার

IMG-20181228-WA0033গত ২৩শে ডিসেম্বর, ২০১৮ তারিখে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার মিনাখাঁ থানার অন্তর্গত গড় আবাদ গ্রামের বাসিন্দা মাধাই সর্দারের নাবালিকা কন্যাকে অপহরণ করে নিয়ে যায় মোক্তাউদ্দিন মোল্লা। সেইসময় প্রিয়ার বয়স মাত্র ১৫ বছর ৮মাস ছিল। প্রিয়ার পিত মাধাই সর্দার  মিনাখাঁ থানায় মেয়েকে ফিরে পাবার জন্যে এবং দোষীর গ্রেপ্তারের জন্যে অভিযোগ দায়ের করেনFIR নং -৩৮৪/১৮ । কিন্তু পুলিসের তৎপরতা না দেখে তিনি হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ হন। হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে প্রিয়াকে উদ্ধার করার জন্যে পুলিসের ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করা হয়। সেইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী, স্টেট চাইল্ড ওয়েলফেয়ার দপ্তরে এবং প্রধানমন্ত্রীকেও চিঠি দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে প্রিয়ার পরিবারের নিরাপত্তার দিকটিও হিন্দু সংহতির কর্মীরা লক্ষ রেখেছিলো। শেষপর্যন্ত গতকাল ১২ই মার্চ রাতে মিনাখাঁ থানার পুলিস প্রিয়াকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। নাবালিকা প্রিয়া উদ্ধার হওয়ায়  হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য মিনাখাঁ থানার পুলিসকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

সেনা জওয়ানদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বনগাঁতে পাকিস্তানের পতাকা পুড়িয়ে বিক্ষোভ হিন্দু সংহতির

FB_IMG_1550286982658কাশ্মীরে ভারতীয় সেনাদের কনভয়ে জঙ্গি হামলার প্রতিবাদে পাকিস্তানের পতাকা পুড়িয়ে বিক্ষোভ দেখালেন হিন্দু সংহতির সদস্যরা। গতকাল ১৫ই ফেব্রূয়ারি, শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ছটা নাগাদ উত্তর ২৪ পরগণার বনগাঁ থানার বাটার মোড় অবরোধ করে পাকিস্তানের পতাকা পোড়ানো হলো বনগাঁর হিন্দু সংহতির নেতা অজিত অধিকারীর নেতৃত্বে । এদিন হিন্দু সংহতির সদস্যরা সংগঠনের পতাকা নিয়ে সারা বনগাঁ শহর ঘুরে বাটার মোড়ে অবস্থান বিক্ষোভ করে। পরে ৩০ মিনিট বাটার মোড় অবরোধ করে পাকিস্তানের পতাকা পুড়িয়ে বিক্ষোভ দেখায়। পরে পুলিশ গিয়ে অবরোধ তুলে দেয়। এই অবরোধ ও বিক্ষোভে সামিল হয় সাধারণ পথ চলতি মানুষও। অবরোধকারীরা জানায়, মারের বদলা মার। মিছিলের পর শহীদ জওয়ানদের উদ্দেশ্যে শোক পালন করা হয়।

পশ্চিমবঙ্গের ইসলামীকরণ : বারাসাতের হাতিপুকুর হলো সিরাজ উদ্যান

siraj udyanপশ্চিমবঙ্গের ইসলামীকরণ চলছে পুরোদমে, কিন্তু তা চলছে নীরবে। এর আগেই কলকাতার হলদিরাম বাস-স্টপের নাম পাল্টে হজ হাউস বাস-স্টপ করা হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বারাসাতের চাঁপাডালি মোড়ের বাস স্টপের নাম পাল্টে ‘তিতুমীর বাস টার্মিনাস’ করা হয়েছে। সেই তালিকায় নতুন সংযোজন বারাসাতের সিরাজ উদ্যান। বারাসত শহরে জেলাশাসকের অফিসের পাশেই এই হাতিপুকুর অবস্থিত। কিন্তু পরিচর্যা এবং রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে হাতিপুকুর মজে গিয়েছিল। আবর্জনা জমতে জমতে পুকুরের জল কালো হয়ে দুর্গন্ধ বের হতো। এই হাতিপুকুরের সঙ্গে সিরাজদৌল্লার স্মৃতিও জড়িয়ে রয়েছে। অনেকে বলেন, সিরাজদৌল্লা এই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় তাঁর হস্তী বাহিনীকে এখানেই বিশ্রাম দিতেন। এই পুকুরেই হাতিরা জল খেত বলে নাম হয়েছে হাতিপুকুর। আড়াই বছর আগে বারাসতের সংসদ সদস্য ডাঃ কাকলি ঘোষদস্তিদার এই হাতিপুকুর সংস্কার করার জন্য উদ্যোগ নিয়েছিলেন। ২০১৬ সালের ২৩ জুলাই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই উদ্যানের কাজের শুভারম্ভও করেন। নিজের সংসদ তহবিল থেকে ৫০ লক্ষ টাকা অনুদানও দেন। গত ১২ই জানুয়ারী, শনিবার ডাঃ কাকলি ঘোষদস্তিদার এর উদ্বোধন করেন। কিন্তু উদ্যান সংস্কার করার পর  আগের নাম হাতিপুকুর উদ্যান রাখা হলো না কেন, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

অপহৃতা প্রিয়া সরদার এখনও উদ্ধার হলো না

IMG-20181228-WA0033অপহৃতা হওয়ার পর আজ ১০দিন কেটে গেল। এখনও উদ্ধার হলো না উত্তর ২৪ পরগনা জেলার মিনাখাঁ থানার অন্তর্গত গড় আবাদ গ্রামের মাধাই সরদার-এর ১৫ বছর ৮ মাস বয়সী নাবালিকা কন্যাকে উদ্ধার করতে পারলো না পুলিস। মাধাই সরদার একজন দরিদ্র মানুষ, যিনি দিনমজুরের কাজ করেন।এমতবস্থায় বারবার পুলিসের দ্বারস্থ হয়েও কোনো এক অজ্ঞাত কারণে উদ্ধার হয়নি তার কন্যা। হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে আইনিসহ সবরকম সহযোগিতা করা হচ্ছে প্রিয়ার পরিবারকে, যাতে তাদের মনোবল না ভেঙে পড়ে । তাছাড়া গত ৩রা জানুয়ারি, রাজ্যের শিশু ও মহিলা কল্যাণ দপ্তরে নিজের কন্যাকে দ্রুত ফিরিয়ে দেবার আবেদন জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন হতভাগ্য পিতা মাধাই সরদার।এছাড়াও কেন্দ্রের Schedule Castes ডিপার্টমেন্টে চিঠি দিয়েছেন তিনি।তা সত্বেও এখনো উদ্ধার হলো না নাবালিকা প্রিয়া সরদার। মিনাখাঁ থানার পুলিস শুধু এক কথাই বলে চলেছে-আমরা চেষ্টা করছি।কিন্তু উদ্ধার করার লক্ষ্যে কোনোরকম দায়িত্বপূর্ণ উদ্যোগ পুলিসের পক্ষ থেকে দেখা যায়নি।হয়তো প্রিয়ার পিতা দিনমজুর বলে সুবিচার থেকে বঞ্চিত।
এমতবস্থায় সুশীল, শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষদের কাছে নিবেদন এই যে আপনারা আন্দোলন গড়ে তুলুন, প্রতিবাদের ভাষাকে জোরদার করুন।

লাভ-জিহাদের শিকার মিনাখাঁর হিন্দু নাবালিকা প্রিয়া সরদার, হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ পিতা

IMG-20181228-WA0033লাভ-জিহাদের করাল গ্রাসের শিকার হয়ে হারিয়ে যাচ্ছে  হিন্দু সমাজের একের পর এক কন্যা। একের পর এক ঘটনা ঘটে চলেছে পশ্চিমবঙ্গে। এবার লাভ-জিহাদের শিকার হলো উত্তর ২৪ পরগনা জেলার মিনাখাঁ থানার অন্তর্গত গড় আবাদ গ্রামের বাসিন্দা  হিন্দু নাবালিকা প্রিয়া সরদার(নাম পরিবর্তিত, বয়স ১৫ বছর ৮মাস)। সে গত ২৩শে ডিসেম্বর বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে যায়। তাঁর পিতা শ্রী মাধাই সরদার বিশেষ সূত্রে জানতে পারেন যে ওই গ্রামের বাসিন্দা মোক্তাউদ্দিন মোল্লা তাঁর মেয়েকে নিয়ে গিয়েছে। এরপরেও তিনি তার মেয়ের খোঁজ করতে থাকেন। কোনোভাবে মেয়ের কোনো খোঁজ না পেয়ে তিনি মিনাখাঁ থানায় অভিযুক্ত মুসলিম যুবক মোক্তাউদ্দিন মোল্লার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন, যার FIR নম্বর ৩৮৪/১৮। পুলিসের কাছে দায়ের করা অভিযোগে প্রিয়ার পিতা মাধাই সরদার জানিয়েছেন যে অভিযুক্ত মুসলিম যুবক মোক্তাউদ্দিন তার মেয়েকে অসৎ উদ্দেশ্যে নিয়ে গিয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত হিন্দু নাবালিকা প্রিয়া সরদারকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিস। এমতবস্থায় প্রিয়ার পিতা তার নাবালিকা কন্যাকে ফিরিয়ে আনতে সহযোগিতা চেয়ে হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ হয়েছেন। তিনি হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য-কে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন তার নাবালিকা কন্যাকে উদ্ধারে সহযোগিতা চেয়ে। হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে তাকে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

বারাসাত বাস ডিপোর নাম হলো তিতুমীর বাস টার্মিনাস

titumirপশ্চিমবঙ্গে একের পর এক স্থান, বাস স্টপ-এর নাম পরিবর্তন করে ইসলামিক নাম রাখা হচ্ছে। এর আগে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর একটি স্টেশনের নাম হিন্দু হত্যাকারী  তিতুমীর-এর নামে করা হয়েছে। তারপর কলকাতা এয়ারপোর্টের দিকে যেতে হলদিরাম বাস-স্টপের নাম পরিবর্তন করে হজ হাউস বাস-স্টপ করা হয়েছে। এই তালিকায় নতুন সংযোজন উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বারসাত শহরের বাস টার্মিনাস । ওই বাস টার্মিনাসের নতুন নাম এখন ‘তিতুমীর বাস টার্মিনাস’। সেই মতো সেই নামে নীলরঙের বড়ো বোর্ডও লাগানো হয়েছে। কিন্তু কি কারণে, কাদের খুশি করতে  এই নতুন নামকরণ তা অজানা থেকেই গেলো। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বারাসাতের চাঁপাডালি মোড়ে দীর্ঘদিন থেকেই একটি বাস ডিপো ছিল। ওখান থেকেই জেলার বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়ার বাস ধরতেন সাধারণ মানুষ। কিন্তু হঠাৎ করেই নতুন নামকরণ করা হয়। তবে  এই নতুন নামকরণ নিয়ে সুশীল সমাজের অনেকেই আপত্তি জানিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন, তিতুমীরের মতো চরম হিন্দুবিরোধী একজন ব্যক্তির নামে কি করে বাস-টার্মিনাসের হতে পারে। সেই সঙ্গে পুরোনো নামও ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি তুলেছেন তারা। এ প্রসঙ্গে হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য বলেন, ”আজ সারা দেশের বিভিন্ন রাজ্যে নাম পরিবর্তন করা নিয়ে জলঘোলা হচ্ছে, প্রতিবাদ হচ্ছে। কিন্তু একইরকমভাবে পশ্চিমবঙ্গেও নাম পরিবর্তন চলছে, তবে তা চুপিসারে। এমনকি ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া থেকে সংবাদপত্র কোথাও সেই সংবাদ প্রকাশিত হচ্ছে না ”। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, ”পশ্চিমবাংলার এই নিঃশব্দ ইসলামীকরণের প্রতিবাদে সুশীল সমাজ ও বুদ্ধিজীবীদেরও এগিয়ে আসা উচিত”।

গাইঘাটায় ৪ রোহিঙ্গা মুসলিম অনুপ্রবেশকারী গ্রেপ্তার

Rohingya-Intruder_newগতকাল ১৪ই ডিসেম্বর, শুক্রবার সন্ধ্যায় উত্তর ২৪ পরগনা জেলার অন্তর্গত গাইঘাটার নাড়িকেলার মোড়ে ৪ রোহিঙ্গা মুসলিম অনুপ্রবেশকারীকে গ্রেপ্তার করল গাইঘাটা থানার পুলিস। ধৃতদের মধ্যে দুই যুবতীও রয়েছে। ধৃতদের নাম আরশাদ, ইউনুস, আমিনা ও কায়াস বিবি। ধৃতরা প্রত্যেকেই মায়ানমারের বাথারিডং এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ধৃতরা কয়েক দিন আগেই গাইঘাটা থানার ভারত-বাংলাদেশের আংরাইল সীমান্ত দিয়ে চোরাপথে এদেশে ঢুকে ছিল। তারপর স্থানীয় চাঁদপাড়া বাজার এলাকায় একটি গোপন ডেরায় আশ্রয় নেয়। সেখান থেকেই অটো করে বারাসাতের দিকে যাচ্ছিলো তারা। কিন্তু যাওয়ার পথে অটো নাড়িকেলা মোড়ে দাঁড়ালে ওখানকার স্থানীয় বাসিন্দাদের সন্দেহ হয়। তারা ওই ৪জনকে আটকে রেখে গাইঘাটা থানায় খবর দেন। পরে পুলিস এসে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়। প্রথমে তারা নিজেদেরকে চট্টগ্রামের বাসিন্দা হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলো। কিন্তু পরে জেরায় জানায় যে তারা মায়ানমারের বাসিন্দা। এছাড়াও দালাল মারফত মুম্বইয়ে গিয়ে কাজের উদ্দেশ্যেই ধৃতরা এই দেশে ঢুকেছিল বলে জানতে পারে পুলিস। আজ শনিবার ধৃতদের বনগাঁ মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক তাদের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। ধৃতদের সঙ্গে কোনও সন্ত্রাসী কাজের যোগ আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

বনগাঁ শহরে হিন্দু শরণার্থীদের নাগরিকত্বের দাবিসহ তিনদফা দাবিতে হিন্দু সংহতির গণ ডেপুটেশন

আজ ১৪ই ডিসেম্বর, শুক্রবার উত্তর 24 পরগনা জেলার অন্তর্গত বনগাঁ শহরে তিনদফা দাবিতে -সকলের জন্য বাধ্যতামূলক জন্ম নিয়ন্ত্রণ আইনের দাবিতে, বাংলাদেশ থেকে আগত হিন্দু শরণার্থীদের ভারতের নাগরিকত্বের দাবিতে এবং অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের বিতাড়নের দাবিতে এক বিশাল মিছিল হয়।এই মিছিল বনগাঁ বাটার মোড় থেকে শুরু হয়ে শহরের কোর্ট রোড ঘুরে বনগাঁ এসডিও অফিসের সামনে শেষ হয়। সেখানে একটি পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।সেই পথসভায় বক্তব্য রাখেন হিন্দু সংহতির সহ সভাপতি শ্রী সমীর গুহরায়, বনগাঁর প্রমুখ কর্মী শ্রী অজিত অধিকারী, জগন্নাথ মঠ-এর স্বামী বলভদ্র মহারাজ এবং শ্রী দীনবন্ধু ঘরামী। জগন্নাথ মঠ-এর স্বামী বলভদ্র মহারাজ তার বক্তব্যে বলেন যে, ”রাতারাতি দেশভাগ করে ভারত ও পাকিস্তান সৃষ্টি করা হয়েছিল। তারপরে তখনকার পূর্ব পাকিস্তান অর্থাৎ বর্তমান বাংলাদেশ থেকে অত্যাচারিত হয়ে আসা হিন্দুদের ডে ভারতকে নিতে হবে এবং সেইসঙ্গে তাদেরকে ভারতের নাগরিকত্ব দিতে হবে”। হিন্দু সংহতির সহ সভাপতি শ্রী সমীর গুহরায় তাঁর বক্তব্যে বলেন, ”হিন্দু সংহতির এই তিনদফা দাবির সমর্থনে এই আন্দোলন পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত হিন্দুদের কল্যাণের জন্যে”। সেই সঙ্গে তিনি পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত হিন্দুদেরকে হিন্দু সংহতির এই আন্দোলনে সমবেত হওয়ার আহ্বান জানান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির উপদেষ্টা শ্রী চিত্তরঞ্জন দে এবং সহ সম্পাদক শ্রী সুজিত মাইতি, সহ সম্পাদক শ্রী মুকুন্দ কোলে। SDO অফিসের সামনে পথসভার শেষে হিন্দু সংহতির সম্পাদক শ্রী সুন্দর গোপাল দাস-এর নেতৃত্বে চার সদস্যের এক প্রতিনধিদল SDO অফিসে গিয়ে তিনদফা দাবি সম্মিলিত একটি স্মারকলিপি জমা দেয়। মহকুমা শাসকের অফিস থেকে বেরিয়ে এসে হিন্দু সংহতির সহ সভাপতি শ্রী সমীর গুহরায় জানান, ভবিষ্যতে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় এই আন্দোলন ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

লাভ-জিহাদের শিকার হিঙ্গলগঞ্জ-এর নাবালিকা সুমিতা মন্ডল উদ্ধার

Photo2গত ১৯শে নভেম্বর  উত্তর ২৪  জেলার অন্তর্গত হিঙ্গলগঞ্জের হিন্দু নাবালিকা সুমিতা মন্ডল লাভ জিহাদের শিকার হয়ে মতিউর সরদার-এর সঙ্গে বাড়ি ছেড়েছিলো। সুমিতার পিতা তারপরের দিনই হিঙ্গলগঞ্জ থানায় FIR দায়ের করেছিলেন অভিযুক্ত মতিউর-এর বিরুদ্ধে। কিন্তু কোনো ভরসা না পেয়ে তিনি গত ২৬শে নভেম্বর  হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ হয়েছিলেন মেয়েকে ফিরে পাওয়ার আশায়। তারপরেই সুমিতাকে দ্রুত উদ্ধার করার জন্যে  হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে পুলিসের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়। তার ফলে গতকাল অর্থাৎ ২৭শে নভেম্বর রাত্রে হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিস সুমিতাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এতে সুমিতার পরিবার স্বভাবতই খুশি। সুমিতাকে দ্রুত উদ্ধার করায় হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিসকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এছাড়া ভবিষ্যতেও লাভ জিহাদের শিকার হওয়া হিন্দু মেয়েদেরকে  উদ্ধার করার কাজে হিন্দু সংহতি সবসময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবে বলে তিনি জানান।

লাভ-জিহাদের শিকার হিঙ্গলগঞ্জের সুমিতা মন্ডল; পুলিসের ঢিলেমি, হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ পরিবার

Photo2লাভ-জিহাদের করাল গ্রাস থামছে না পশ্চিমবাংলার বুকে। এইবার লাভ জিহাদের শিকার হল উত্তর ২৪ পরগনা জেলার  হিঙ্গলগঞ্জের হিন্দু নাবালিকা সুমিতা মন্ডল( নাম পরিবর্তিত, বয়স ১৬ বছর ৯মাস)। সে হিঙ্গলগঞ্জ হাইস্কুল( উঃ মাঃ ) দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়াশুনো করতো। গত ১৯ ই নভেম্বর রাত্রে সে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। হিঙ্গলগঞ্জ থানায় দায়ের করা অভিযোগে সুমিতার পিতা  জানিয়েছেন যে, তাঁর মেয়েকে হিঙ্গলগঞ্জের বাঁকড়া গ্রামের মতিউর সরদার (পিতা -রবিউল সরদার ) ফুঁসলিয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে নিয়ে গিয়েছে। তার অভিযোগের ভিত্তিতে হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিস অভিযুক্ত মতিউর সরদার-এর বিরুদ্ধে অপহরণের মামলা দায়ের করেন,যার FIR No -১৬৪/১৮। কিন্তু তার পরে বেশ কয়েকদিন কেটে গিয়েছে। কিন্তু অপহৃতা সুমিতা এখনো উদ্ধার হয়নি। এমতবস্থায় সুমিতার পিতা তার মেয়েকে ফিরে পাওয়ার আশায় হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ হয়েছেন। তিনি গতকাল ২৬শে নভেম্বর হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্যের সঙ্গে দেখা করে তাঁর নাবালিকা কন্যাকে ফিরিয়ে দেবার কাতর প্রার্থনা জানান। সুমিতার পিতা জানিয়েছেন যে, তার কন্যাকে ফিরিয়ে দেবার ক্ষেত্রে হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিস যথেষ্ট ঢিলেমি করছে এবং তিনি আরো জানিয়েছেন যে বার বার থানায় যাওয়া সত্বেও তার নাবালিকা কন্যাকে উদ্ধার করার ব্যাপারে কোনো ভরসা দিতে পারেননি হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিস। তাই তিনি হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ হয়েছেন। এমতবস্থায় হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে তার অপহৃতা কন্যাকে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয় সুমিতার পিতাকে।

গাইঘাটায় গরু-সহ ২ পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করলো বিএসএফ

বেশকিছুদিন বন্ধ থাকার আবার নতুন করে গরু পাচার শুরু হয়েছে  উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকায়। বিভিন্ন সূত্র মারফত এমনই খবর আসছিলো। এবার তার প্রমান মিললো। গত মঙ্গলবার, ২০শে নভেম্বর সন্ধ্যায় এই জেলার গাইঘাটার আংরাইল সীমান্তে গরুবোঝাই গাড়িসহ ২  গ্রেপ্তার করলো বিএসএফ। ওই দুজন পাচারকারী হলো মনিরুল মন্ডল এবং হাবিবুল্লাহ মিস্ত্রী। পরে তাদেরকে পুলিসের হাতে তুলে দেয় বিএসএফ। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে ধৃত দুজন পাচারকারীর বাড়ি একই জেলার বাদুড়িয়া থানার অন্তর্গত কীর্তিপুরে। তাদের কাছ থেকে ৫টি গরু উদ্ধার করা হয়েছে। আটক করা হয়েছে পাচারে ব্যবহৃত গাড়িটিও।