সেনা জওয়ানদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বনগাঁতে পাকিস্তানের পতাকা পুড়িয়ে বিক্ষোভ হিন্দু সংহতির

FB_IMG_1550286982658কাশ্মীরে ভারতীয় সেনাদের কনভয়ে জঙ্গি হামলার প্রতিবাদে পাকিস্তানের পতাকা পুড়িয়ে বিক্ষোভ দেখালেন হিন্দু সংহতির সদস্যরা। গতকাল ১৫ই ফেব্রূয়ারি, শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ছটা নাগাদ উত্তর ২৪ পরগণার বনগাঁ থানার বাটার মোড় অবরোধ করে পাকিস্তানের পতাকা পোড়ানো হলো বনগাঁর হিন্দু সংহতির নেতা অজিত অধিকারীর নেতৃত্বে । এদিন হিন্দু সংহতির সদস্যরা সংগঠনের পতাকা নিয়ে সারা বনগাঁ শহর ঘুরে বাটার মোড়ে অবস্থান বিক্ষোভ করে। পরে ৩০ মিনিট বাটার মোড় অবরোধ করে পাকিস্তানের পতাকা পুড়িয়ে বিক্ষোভ দেখায়। পরে পুলিশ গিয়ে অবরোধ তুলে দেয়। এই অবরোধ ও বিক্ষোভে সামিল হয় সাধারণ পথ চলতি মানুষও। অবরোধকারীরা জানায়, মারের বদলা মার। মিছিলের পর শহীদ জওয়ানদের উদ্দেশ্যে শোক পালন করা হয়।

Advertisements

পশ্চিমবঙ্গের ইসলামীকরণ : বারাসাতের হাতিপুকুর হলো সিরাজ উদ্যান

siraj udyanপশ্চিমবঙ্গের ইসলামীকরণ চলছে পুরোদমে, কিন্তু তা চলছে নীরবে। এর আগেই কলকাতার হলদিরাম বাস-স্টপের নাম পাল্টে হজ হাউস বাস-স্টপ করা হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বারাসাতের চাঁপাডালি মোড়ের বাস স্টপের নাম পাল্টে ‘তিতুমীর বাস টার্মিনাস’ করা হয়েছে। সেই তালিকায় নতুন সংযোজন বারাসাতের সিরাজ উদ্যান। বারাসত শহরে জেলাশাসকের অফিসের পাশেই এই হাতিপুকুর অবস্থিত। কিন্তু পরিচর্যা এবং রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে হাতিপুকুর মজে গিয়েছিল। আবর্জনা জমতে জমতে পুকুরের জল কালো হয়ে দুর্গন্ধ বের হতো। এই হাতিপুকুরের সঙ্গে সিরাজদৌল্লার স্মৃতিও জড়িয়ে রয়েছে। অনেকে বলেন, সিরাজদৌল্লা এই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় তাঁর হস্তী বাহিনীকে এখানেই বিশ্রাম দিতেন। এই পুকুরেই হাতিরা জল খেত বলে নাম হয়েছে হাতিপুকুর। আড়াই বছর আগে বারাসতের সংসদ সদস্য ডাঃ কাকলি ঘোষদস্তিদার এই হাতিপুকুর সংস্কার করার জন্য উদ্যোগ নিয়েছিলেন। ২০১৬ সালের ২৩ জুলাই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই উদ্যানের কাজের শুভারম্ভও করেন। নিজের সংসদ তহবিল থেকে ৫০ লক্ষ টাকা অনুদানও দেন। গত ১২ই জানুয়ারী, শনিবার ডাঃ কাকলি ঘোষদস্তিদার এর উদ্বোধন করেন। কিন্তু উদ্যান সংস্কার করার পর  আগের নাম হাতিপুকুর উদ্যান রাখা হলো না কেন, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

অপহৃতা প্রিয়া সরদার এখনও উদ্ধার হলো না

IMG-20181228-WA0033অপহৃতা হওয়ার পর আজ ১০দিন কেটে গেল। এখনও উদ্ধার হলো না উত্তর ২৪ পরগনা জেলার মিনাখাঁ থানার অন্তর্গত গড় আবাদ গ্রামের মাধাই সরদার-এর ১৫ বছর ৮ মাস বয়সী নাবালিকা কন্যাকে উদ্ধার করতে পারলো না পুলিস। মাধাই সরদার একজন দরিদ্র মানুষ, যিনি দিনমজুরের কাজ করেন।এমতবস্থায় বারবার পুলিসের দ্বারস্থ হয়েও কোনো এক অজ্ঞাত কারণে উদ্ধার হয়নি তার কন্যা। হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে আইনিসহ সবরকম সহযোগিতা করা হচ্ছে প্রিয়ার পরিবারকে, যাতে তাদের মনোবল না ভেঙে পড়ে । তাছাড়া গত ৩রা জানুয়ারি, রাজ্যের শিশু ও মহিলা কল্যাণ দপ্তরে নিজের কন্যাকে দ্রুত ফিরিয়ে দেবার আবেদন জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন হতভাগ্য পিতা মাধাই সরদার।এছাড়াও কেন্দ্রের Schedule Castes ডিপার্টমেন্টে চিঠি দিয়েছেন তিনি।তা সত্বেও এখনো উদ্ধার হলো না নাবালিকা প্রিয়া সরদার। মিনাখাঁ থানার পুলিস শুধু এক কথাই বলে চলেছে-আমরা চেষ্টা করছি।কিন্তু উদ্ধার করার লক্ষ্যে কোনোরকম দায়িত্বপূর্ণ উদ্যোগ পুলিসের পক্ষ থেকে দেখা যায়নি।হয়তো প্রিয়ার পিতা দিনমজুর বলে সুবিচার থেকে বঞ্চিত।
এমতবস্থায় সুশীল, শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষদের কাছে নিবেদন এই যে আপনারা আন্দোলন গড়ে তুলুন, প্রতিবাদের ভাষাকে জোরদার করুন।

লাভ-জিহাদের শিকার মিনাখাঁর হিন্দু নাবালিকা প্রিয়া সরদার, হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ পিতা

IMG-20181228-WA0033লাভ-জিহাদের করাল গ্রাসের শিকার হয়ে হারিয়ে যাচ্ছে  হিন্দু সমাজের একের পর এক কন্যা। একের পর এক ঘটনা ঘটে চলেছে পশ্চিমবঙ্গে। এবার লাভ-জিহাদের শিকার হলো উত্তর ২৪ পরগনা জেলার মিনাখাঁ থানার অন্তর্গত গড় আবাদ গ্রামের বাসিন্দা  হিন্দু নাবালিকা প্রিয়া সরদার(নাম পরিবর্তিত, বয়স ১৫ বছর ৮মাস)। সে গত ২৩শে ডিসেম্বর বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে যায়। তাঁর পিতা শ্রী মাধাই সরদার বিশেষ সূত্রে জানতে পারেন যে ওই গ্রামের বাসিন্দা মোক্তাউদ্দিন মোল্লা তাঁর মেয়েকে নিয়ে গিয়েছে। এরপরেও তিনি তার মেয়ের খোঁজ করতে থাকেন। কোনোভাবে মেয়ের কোনো খোঁজ না পেয়ে তিনি মিনাখাঁ থানায় অভিযুক্ত মুসলিম যুবক মোক্তাউদ্দিন মোল্লার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন, যার FIR নম্বর ৩৮৪/১৮। পুলিসের কাছে দায়ের করা অভিযোগে প্রিয়ার পিতা মাধাই সরদার জানিয়েছেন যে অভিযুক্ত মুসলিম যুবক মোক্তাউদ্দিন তার মেয়েকে অসৎ উদ্দেশ্যে নিয়ে গিয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত হিন্দু নাবালিকা প্রিয়া সরদারকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিস। এমতবস্থায় প্রিয়ার পিতা তার নাবালিকা কন্যাকে ফিরিয়ে আনতে সহযোগিতা চেয়ে হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ হয়েছেন। তিনি হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য-কে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন তার নাবালিকা কন্যাকে উদ্ধারে সহযোগিতা চেয়ে। হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে তাকে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

বারাসাত বাস ডিপোর নাম হলো তিতুমীর বাস টার্মিনাস

titumirপশ্চিমবঙ্গে একের পর এক স্থান, বাস স্টপ-এর নাম পরিবর্তন করে ইসলামিক নাম রাখা হচ্ছে। এর আগে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর একটি স্টেশনের নাম হিন্দু হত্যাকারী  তিতুমীর-এর নামে করা হয়েছে। তারপর কলকাতা এয়ারপোর্টের দিকে যেতে হলদিরাম বাস-স্টপের নাম পরিবর্তন করে হজ হাউস বাস-স্টপ করা হয়েছে। এই তালিকায় নতুন সংযোজন উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বারসাত শহরের বাস টার্মিনাস । ওই বাস টার্মিনাসের নতুন নাম এখন ‘তিতুমীর বাস টার্মিনাস’। সেই মতো সেই নামে নীলরঙের বড়ো বোর্ডও লাগানো হয়েছে। কিন্তু কি কারণে, কাদের খুশি করতে  এই নতুন নামকরণ তা অজানা থেকেই গেলো। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বারাসাতের চাঁপাডালি মোড়ে দীর্ঘদিন থেকেই একটি বাস ডিপো ছিল। ওখান থেকেই জেলার বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়ার বাস ধরতেন সাধারণ মানুষ। কিন্তু হঠাৎ করেই নতুন নামকরণ করা হয়। তবে  এই নতুন নামকরণ নিয়ে সুশীল সমাজের অনেকেই আপত্তি জানিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন, তিতুমীরের মতো চরম হিন্দুবিরোধী একজন ব্যক্তির নামে কি করে বাস-টার্মিনাসের হতে পারে। সেই সঙ্গে পুরোনো নামও ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি তুলেছেন তারা। এ প্রসঙ্গে হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য বলেন, ”আজ সারা দেশের বিভিন্ন রাজ্যে নাম পরিবর্তন করা নিয়ে জলঘোলা হচ্ছে, প্রতিবাদ হচ্ছে। কিন্তু একইরকমভাবে পশ্চিমবঙ্গেও নাম পরিবর্তন চলছে, তবে তা চুপিসারে। এমনকি ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া থেকে সংবাদপত্র কোথাও সেই সংবাদ প্রকাশিত হচ্ছে না ”। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, ”পশ্চিমবাংলার এই নিঃশব্দ ইসলামীকরণের প্রতিবাদে সুশীল সমাজ ও বুদ্ধিজীবীদেরও এগিয়ে আসা উচিত”।

গাইঘাটায় ৪ রোহিঙ্গা মুসলিম অনুপ্রবেশকারী গ্রেপ্তার

Rohingya-Intruder_newগতকাল ১৪ই ডিসেম্বর, শুক্রবার সন্ধ্যায় উত্তর ২৪ পরগনা জেলার অন্তর্গত গাইঘাটার নাড়িকেলার মোড়ে ৪ রোহিঙ্গা মুসলিম অনুপ্রবেশকারীকে গ্রেপ্তার করল গাইঘাটা থানার পুলিস। ধৃতদের মধ্যে দুই যুবতীও রয়েছে। ধৃতদের নাম আরশাদ, ইউনুস, আমিনা ও কায়াস বিবি। ধৃতরা প্রত্যেকেই মায়ানমারের বাথারিডং এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ধৃতরা কয়েক দিন আগেই গাইঘাটা থানার ভারত-বাংলাদেশের আংরাইল সীমান্ত দিয়ে চোরাপথে এদেশে ঢুকে ছিল। তারপর স্থানীয় চাঁদপাড়া বাজার এলাকায় একটি গোপন ডেরায় আশ্রয় নেয়। সেখান থেকেই অটো করে বারাসাতের দিকে যাচ্ছিলো তারা। কিন্তু যাওয়ার পথে অটো নাড়িকেলা মোড়ে দাঁড়ালে ওখানকার স্থানীয় বাসিন্দাদের সন্দেহ হয়। তারা ওই ৪জনকে আটকে রেখে গাইঘাটা থানায় খবর দেন। পরে পুলিস এসে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়। প্রথমে তারা নিজেদেরকে চট্টগ্রামের বাসিন্দা হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলো। কিন্তু পরে জেরায় জানায় যে তারা মায়ানমারের বাসিন্দা। এছাড়াও দালাল মারফত মুম্বইয়ে গিয়ে কাজের উদ্দেশ্যেই ধৃতরা এই দেশে ঢুকেছিল বলে জানতে পারে পুলিস। আজ শনিবার ধৃতদের বনগাঁ মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক তাদের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। ধৃতদের সঙ্গে কোনও সন্ত্রাসী কাজের যোগ আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

বনগাঁ শহরে হিন্দু শরণার্থীদের নাগরিকত্বের দাবিসহ তিনদফা দাবিতে হিন্দু সংহতির গণ ডেপুটেশন

আজ ১৪ই ডিসেম্বর, শুক্রবার উত্তর 24 পরগনা জেলার অন্তর্গত বনগাঁ শহরে তিনদফা দাবিতে -সকলের জন্য বাধ্যতামূলক জন্ম নিয়ন্ত্রণ আইনের দাবিতে, বাংলাদেশ থেকে আগত হিন্দু শরণার্থীদের ভারতের নাগরিকত্বের দাবিতে এবং অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের বিতাড়নের দাবিতে এক বিশাল মিছিল হয়।এই মিছিল বনগাঁ বাটার মোড় থেকে শুরু হয়ে শহরের কোর্ট রোড ঘুরে বনগাঁ এসডিও অফিসের সামনে শেষ হয়। সেখানে একটি পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।সেই পথসভায় বক্তব্য রাখেন হিন্দু সংহতির সহ সভাপতি শ্রী সমীর গুহরায়, বনগাঁর প্রমুখ কর্মী শ্রী অজিত অধিকারী, জগন্নাথ মঠ-এর স্বামী বলভদ্র মহারাজ এবং শ্রী দীনবন্ধু ঘরামী। জগন্নাথ মঠ-এর স্বামী বলভদ্র মহারাজ তার বক্তব্যে বলেন যে, ”রাতারাতি দেশভাগ করে ভারত ও পাকিস্তান সৃষ্টি করা হয়েছিল। তারপরে তখনকার পূর্ব পাকিস্তান অর্থাৎ বর্তমান বাংলাদেশ থেকে অত্যাচারিত হয়ে আসা হিন্দুদের ডে ভারতকে নিতে হবে এবং সেইসঙ্গে তাদেরকে ভারতের নাগরিকত্ব দিতে হবে”। হিন্দু সংহতির সহ সভাপতি শ্রী সমীর গুহরায় তাঁর বক্তব্যে বলেন, ”হিন্দু সংহতির এই তিনদফা দাবির সমর্থনে এই আন্দোলন পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত হিন্দুদের কল্যাণের জন্যে”। সেই সঙ্গে তিনি পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত হিন্দুদেরকে হিন্দু সংহতির এই আন্দোলনে সমবেত হওয়ার আহ্বান জানান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির উপদেষ্টা শ্রী চিত্তরঞ্জন দে এবং সহ সম্পাদক শ্রী সুজিত মাইতি, সহ সম্পাদক শ্রী মুকুন্দ কোলে। SDO অফিসের সামনে পথসভার শেষে হিন্দু সংহতির সম্পাদক শ্রী সুন্দর গোপাল দাস-এর নেতৃত্বে চার সদস্যের এক প্রতিনধিদল SDO অফিসে গিয়ে তিনদফা দাবি সম্মিলিত একটি স্মারকলিপি জমা দেয়। মহকুমা শাসকের অফিস থেকে বেরিয়ে এসে হিন্দু সংহতির সহ সভাপতি শ্রী সমীর গুহরায় জানান, ভবিষ্যতে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় এই আন্দোলন ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

লাভ-জিহাদের শিকার হিঙ্গলগঞ্জ-এর নাবালিকা সুমিতা মন্ডল উদ্ধার

Photo2গত ১৯শে নভেম্বর  উত্তর ২৪  জেলার অন্তর্গত হিঙ্গলগঞ্জের হিন্দু নাবালিকা সুমিতা মন্ডল লাভ জিহাদের শিকার হয়ে মতিউর সরদার-এর সঙ্গে বাড়ি ছেড়েছিলো। সুমিতার পিতা তারপরের দিনই হিঙ্গলগঞ্জ থানায় FIR দায়ের করেছিলেন অভিযুক্ত মতিউর-এর বিরুদ্ধে। কিন্তু কোনো ভরসা না পেয়ে তিনি গত ২৬শে নভেম্বর  হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ হয়েছিলেন মেয়েকে ফিরে পাওয়ার আশায়। তারপরেই সুমিতাকে দ্রুত উদ্ধার করার জন্যে  হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে পুলিসের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়। তার ফলে গতকাল অর্থাৎ ২৭শে নভেম্বর রাত্রে হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিস সুমিতাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এতে সুমিতার পরিবার স্বভাবতই খুশি। সুমিতাকে দ্রুত উদ্ধার করায় হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিসকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এছাড়া ভবিষ্যতেও লাভ জিহাদের শিকার হওয়া হিন্দু মেয়েদেরকে  উদ্ধার করার কাজে হিন্দু সংহতি সবসময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবে বলে তিনি জানান।

লাভ-জিহাদের শিকার হিঙ্গলগঞ্জের সুমিতা মন্ডল; পুলিসের ঢিলেমি, হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ পরিবার

Photo2লাভ-জিহাদের করাল গ্রাস থামছে না পশ্চিমবাংলার বুকে। এইবার লাভ জিহাদের শিকার হল উত্তর ২৪ পরগনা জেলার  হিঙ্গলগঞ্জের হিন্দু নাবালিকা সুমিতা মন্ডল( নাম পরিবর্তিত, বয়স ১৬ বছর ৯মাস)। সে হিঙ্গলগঞ্জ হাইস্কুল( উঃ মাঃ ) দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়াশুনো করতো। গত ১৯ ই নভেম্বর রাত্রে সে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। হিঙ্গলগঞ্জ থানায় দায়ের করা অভিযোগে সুমিতার পিতা  জানিয়েছেন যে, তাঁর মেয়েকে হিঙ্গলগঞ্জের বাঁকড়া গ্রামের মতিউর সরদার (পিতা -রবিউল সরদার ) ফুঁসলিয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে নিয়ে গিয়েছে। তার অভিযোগের ভিত্তিতে হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিস অভিযুক্ত মতিউর সরদার-এর বিরুদ্ধে অপহরণের মামলা দায়ের করেন,যার FIR No -১৬৪/১৮। কিন্তু তার পরে বেশ কয়েকদিন কেটে গিয়েছে। কিন্তু অপহৃতা সুমিতা এখনো উদ্ধার হয়নি। এমতবস্থায় সুমিতার পিতা তার মেয়েকে ফিরে পাওয়ার আশায় হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ হয়েছেন। তিনি গতকাল ২৬শে নভেম্বর হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্যের সঙ্গে দেখা করে তাঁর নাবালিকা কন্যাকে ফিরিয়ে দেবার কাতর প্রার্থনা জানান। সুমিতার পিতা জানিয়েছেন যে, তার কন্যাকে ফিরিয়ে দেবার ক্ষেত্রে হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিস যথেষ্ট ঢিলেমি করছে এবং তিনি আরো জানিয়েছেন যে বার বার থানায় যাওয়া সত্বেও তার নাবালিকা কন্যাকে উদ্ধার করার ব্যাপারে কোনো ভরসা দিতে পারেননি হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিস। তাই তিনি হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ হয়েছেন। এমতবস্থায় হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে তার অপহৃতা কন্যাকে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয় সুমিতার পিতাকে।

গাইঘাটায় গরু-সহ ২ পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করলো বিএসএফ

বেশকিছুদিন বন্ধ থাকার আবার নতুন করে গরু পাচার শুরু হয়েছে  উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকায়। বিভিন্ন সূত্র মারফত এমনই খবর আসছিলো। এবার তার প্রমান মিললো। গত মঙ্গলবার, ২০শে নভেম্বর সন্ধ্যায় এই জেলার গাইঘাটার আংরাইল সীমান্তে গরুবোঝাই গাড়িসহ ২  গ্রেপ্তার করলো বিএসএফ। ওই দুজন পাচারকারী হলো মনিরুল মন্ডল এবং হাবিবুল্লাহ মিস্ত্রী। পরে তাদেরকে পুলিসের হাতে তুলে দেয় বিএসএফ। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে ধৃত দুজন পাচারকারীর বাড়ি একই জেলার বাদুড়িয়া থানার অন্তর্গত কীর্তিপুরে। তাদের কাছ থেকে ৫টি গরু উদ্ধার করা হয়েছে। আটক করা হয়েছে পাচারে ব্যবহৃত গাড়িটিও।

লস্কর জঙ্গি নইম-এর বিচার শুরু হলো বনগাঁ আদালতে

উদ্দেশ্য ছিল জম্মু-কাশ্মীরের সেনা ছাউনির উপর হামলা এবং ভারতে জঙ্গিঘাঁটি তৈরি করা। এই গুরুতর অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েও লস্কর-ই-তোইবার জঙ্গি নেতা শেখ আবদুল নইম ওরফে সমীর ফিল্মি কায়দায় ট্রেন থেকে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে গিয়েছিল। তবে, ওই মামলায় ইতিমধ্যেই তার সহযোগীদের তথা দুই পাকিস্তানি সহ তিন লস্কর জঙ্গির ফাঁসির সাজা ঘোষণা করেছে বনগাঁ মহকুমা আদালত। এনআইএ’র হাতে ফের ধরা পড়ার পর অবশেষে গতকাল ১০ই অক্টোবর, বুধবার ওই মামলায় প্রধান অভিযুক্ত জঙ্গি নেতা নইমের শুনানি শুরু হল এই বনগাঁ মহকুমা আদালতে।
পুলিস ও গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০০৭ সালের ৪ এপ্রিল শেখ আবদুল নইম ওরফে সমীর, মহম্মদ ইউনুস, আবদুল্লা এবং মুজাফ্ফর আহমেদ রাঠের নামে চারজন লস্কর জঙ্গিকে পেট্রাপোল সীমান্তে আটক করে বিএসএফ। বনগাঁ থানার পুলিসের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। পরে তদন্তভার নেয় সিআইডি। গোয়েন্দারা জানতে পেরেছিলেন, ভারতে হামলার জন্য এই চারজনই পাকিস্তানে লস্কর শীর্ষনেতাদের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে এসেছে। একে-৪৭ চালানো, গ্রেনেড ছোঁড়া এবং বোমা তৈরির প্রশিক্ষণও নিয়েছিল। চারজনের মধ্যে নইমই ছিল প্রধান জঙ্গিনেতা। তার বাড়ি মহারাষ্ট্রের ঔরঙ্গাবাদে। সে ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করেছিল। ইংরাজিতে দক্ষ। ভারতীয় আইন সম্পর্কেও তার জ্ঞান রয়েছে।  গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, ২০০৬ সালে মুম্বইয়ে বোমা বিস্ফোরণেও যুক্ত ছিল নইম। তাই বনগাঁ আদালতে মামলা চলাকালীন ২০১৪ সালের ডিসেম্বর মাসে তাকে এ রাজ্য থেকে মুম্বই নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। কিন্তু, ছত্তিশগড় এলাকা থেকে সে ট্রেন থেকে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যায়। তারপর কোনও খোঁজ ছিল না। এদিকে, মামলা চলতে থাকে বনগাঁ আদালতে। সমস্ত তথ্য ও প্রমাণ খতিয়ে দেখে এই গুরুত্বপূর্ণ মামলায় ১২১ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ২০১৭ সালের ২১ জানুয়ারি বনগাঁ মহকুমা আদালতের ফাস্ট ট্র্যাক-১ কোর্টের বিচারক বিনয়কুমার পাঠক তিন জঙ্গি সদস্য আবদুল্লা, ইউনুস ও মুজাফ্ফরের ফাঁসির সাজা ঘোষণা করেন। সাজা ঘোষণার ১১ মাস পর ওই বছরের ২৮ নভেম্বর লখনউ থেকে নইমকে গ্রেপ্তার করে এনআইএ।
বনগাঁ মহকুমা আদালতে এই মামলার সরকারি পক্ষের আইনজীবী সমীর দাস বলেন, নইম প্রধান অভিযুক্ত। সিআইডি তাকে তিহার জেল থেকে গত ৭ তারিখ দমদম সেন্ট্রাল জেলে নিয়ে আসে। ওই মামলায় এদিন নইমকে বনগাঁ মহকুমা আদালতের ফাস্ট ট্র্যাক-১ কোর্টের হাজির করানো হয়েছিল। এদিন থেকে শুনানি শুরু হল। নইমের কোনও আইনজীবী ছিলেন না। সে নিজেই নিজের শুনানিতে অংশ নিয়েছিল। সে বিচারককে জানিয়েছে, সে যাতে বাড়ির লোকজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে, তার জন্য তাকে ফোন করার সুযোগ দেওয়া হোক। দিল্লিতে তার পরিবারের সদস্যরা আছে। আগামী, শুক্রবার ফের হাজিরা রয়েছে। তাই তার জন্য লিগ্যল এইড থেকে একজন আইনজীবী দেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় মা-মেয়ের ওপর অ্যাসিড ছুঁড়লো সুকুর আলি

ফের অ্যাসিড হামলা৷ এবার উত্তর ২৪ পরগণা জেলার অন্তর্গত গোপালনগর থানার ভাণ্ডারখোলায়৷ কুপ্রস্তাবে রাজি না -হওয়ার এক মহিলাকে অ্যাসিড ছোড়ে এলাকারই এক যুবক৷ অ্যাসিড হানায় আক্রান্ত হন ওই মহিলা ও তাঁর মেয়ে৷ অভিযুক্ত পলাতক৷ তার খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ৷ জানা গিয়েছে, গত ৯ই মে, বুধবার গভীর রাতে সুকুর আলি জানালা দিয়ে ওই মহিলাকে লক্ষ করে অ্যাসিড ছোড়ে বলে অভিযোগ৷ তখন মেয়েকে নিয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন ওই গৃহবধূ।  স্বামী বাথরুমে গিয়েছিলেন৷ অ্যাসিড পড়তেই যন্ত্রণায় চিৎকার  করে ওঠেন মা ও মেয়ে৷ দ্রুত ঘরে ঢুকে স্বামী দেখেন যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে স্ত্রী ও মেয়ে৷ গৃহবধূর স্বামীর অভিযোগ , জানালা দিয়ে মুখ বাড়িয়ে তিনি তখন সুকুর আলিকে পালাতে দেখেন৷ তখন অবশ্য সুকুরকে নিয়ে ভাবার সময় ছিল না৷ দ্রুত স্ত্রী -মেয়েকে নিয়ে বনগাঁ হাসাতালে ছোটেন তিনি৷ সঙ্গে যান পড়শিরাও৷ পরে গোপালনগর থানায় সুকুর আলির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে৷ পুলিশ অভিযুক্ত সুকুর আলির খোঁজ শুরু করেছে৷ ঘটনার পর থেকেই এলাকা ছাড়া অভিযুক্ত সুকুর আলি৷ স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে , বেশ কিছুদিন ধরেই ওই গৃহবধূর পিছু নিয়েছিল সুকুর৷ রাস্তাঘাটে দেখা হলেই নানা কুপ্রস্তাব দিত সে৷ সুকুর এলাকায় অটো চালায়৷ সেই সুকুরের ভয়ে রাস্তায় বেরোতেই ভয় পেতেন ওই গৃহবধু৷ হাসপাতালে বেডে শুয়ে আক্রান্ত মহিলা বলেন , ‘রাত তখন বারোটা হবে৷ আমি মেয়েকে নিয়ে ঘুমিয়ে ছিলাম৷ আচমকাই মুখে ,হাতে , গলায় জ্বালা শুরু হল৷ যন্ত্রণায় আমরা দু’জনেই চিৎকার  শুরু করি৷ ’ বুধবার রাতেই অ্যাসিডে দগ্ধ মা -মেয়ের চিকিৎসা  শুরু হয় বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে৷ হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে , প্রাথমিক চিকিৎসার  পর দু’জনকেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে৷ বৃহস্পতিবার সকালেই সুকুর আলির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়৷ আক্রান্ত মহিলার পরিবারের অভিযোগ , দিনে দিনে সুকুর আলির কুপ্রস্তাব বেড়েই চলছিল৷ এলাকার লোকজনের দাবি , সুকুরকে গ্রেপ্তার  করে কঠোর শাস্তি দিতে হবে৷ সুকুরের খোঁজ জোর তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।

দেগঙ্গাতে রাতের অন্ধকারে কালীমূর্তিতে আগুন দিলো দুষ্কৃতীরা, এলাকায় উত্তেজনা

IMG-20180505-WA0011উত্তর ২৪ পরগনা জেলার অন্তর্গত দেগঙ্গা থানা এলাকা হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের কারণে পশ্চিমবঙ্গে একটি পরিচিত নাম। এই থানা এলাকার মঙ্গলনগর গ্রামের শ্মশানকালী মন্দিরের মূর্তিতে আগুন লাগিয়ে দিলো দুষ্কৃতীরা। আগুন লেগে প্রতিমার বস্ত্র এবং মাথার চুল পুড়ে গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রামের শ্মশান-এর আশেপাশে কোনো লোক বসতি নেই। ফলে তার সুযোগ নিয়ে দুষ্কৃতীরা রাতের অন্ধকারে গত ৪ঠা মে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। মন্দিরটি পাকা হওয়ায় বড়সড় কোনো ক্ষতি হয়নি। কিন্তু মূর্তিতে আগুন লাগানোর ঘটনা ছড়িয়ে পড়ায় এলাকার হিন্দুরা উত্তেজিত হয়ে পরে এবং তারা শ্মশানের কাছে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখতে থাকেন। ঘটনার খবর পেয়ে দেগঙ্গা থানার পুলিশ, এসডিও ঘটনাস্থলে আসেন। তারা উদ্যোগ নিয়ে নতুন মূর্তি বসিয়ে দেন। এমকি তারা উত্তেজিত হিন্দু জনতাকে প্রতুশ্রুতি দেন যে সরকারি খরচে শ্মশানটিকে ইঁটের দেওয়াল দিয়ে ঘিরে দেওয়া হবে। তবে শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী এই ঘটনায় কোনো পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি এবং দেগঙ্গা থানার ২জন পুলিশকর্মী মন্দির প্রাঙ্গনে মোতায়েন রয়েছে।

কাঁকিনাড়ায় রামনবমীর শোভাযাত্রায় হামলা, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ, আহত ৭

ইটপাটকেল এবং বোমা নিয়ে হামলার অভিযোগ রামনবমীর শোভাযাত্রায়। ঘটনায় বেশ কয়েকজন জখম হয়েছে এবং পুলিশের গাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে । ঘটনাটি ঘটেছে ২৫শে মার্চ, সন্ধ্যায় উত্তর ২৪ পরগনার কাঁকিনাড়ার ভাটপাড়া মোড় এলাকায়।
রামনবমী উপলক্ষে রবিবার রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শোভাযাত্রা হয়। উত্তর ২৪পরগনার  কাঁকিনাড়া আর্যসমাজ রোড থেকেও সেরকমই তৃণমূল পরিচালিত শোভাযাত্রা বের হয়েছিল। সেই মিছিল থেকে উত্তেজনা মূলক স্লোগান দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। কাঁকিনাড়া রেলব্রিজ পেরোনোর সময় কিছু লোকজন শোভাযাত্রায় হামলা চালায় বলে অভিযোগ। শোভাযাত্রা লক্ষ্য করে একটি তিনতলা বাড়ি থেকে ইট ছোঁড়া হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। বোমাও ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ।এর ফলে মিছিলের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে  যায়। অপরপ্রান্তে থাকা ভাটপাড়া ফাঁড়ির পুলিশের গাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয়। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয় বলে দাবি পুলিশের।
অভিযোগ, এর পর মিছিলে হামলার পালটা হামলা শুরু হয়। ফলে, উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। চলে বোমাবাজি। ঘটনায় বেশ কয়েকজন জখম হয়েছে। তারমধ্যে এক ব্যক্তিকে চিকিৎসার জন্য ভাটপাড়া স্টেট জেনারেল  হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী এসে লাঠি এবং কাঁদানেগ্যাস ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় পুলিশি টহল ও ধরপাকড় শুরু করে । এই ঘটনায় দুপক্ষের ১২ জনকে গ্রফতার করে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে জগদ্দল থানার পুলিশ ।

ঠাকুরনগরে বারুণীস্নানে আগত মতুয়া ভক্তদের জন্যে জলসত্র হিন্দু সংহতির

motuaগত কয়েকদিন ধরে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ঠাকুরনগরে মতুয়া মহাতীর্থে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অগণিত ভক্ত বারুনীস্নানে আসছেন। বিস্বস্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বছরে প্রায় তিরিশ লক্ষ ভক্ত সমাগম হতে পারে। আর দূর দূরান্ত থেকে আসা সেই ভক্তদের কথা মাথায় রেখে এই বছর মেলায় হিন্দু সংহতির তরফ থেকে মেলার শুরুর দিন থেকে জলসত্রের আয়োজন করা হয়েছে। দেখা গিয়েছে, হিন্দু সংহতির আয়োজিত জলসত্রে প্রচুর হরিভক্ত আসছেন এবং জলসেবন করছেন। গত ১৫ই মার্চ,বৃহস্পতিবার এই জলসত্রে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির সর্বভারতীয় সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য মহাশয়। তিনি নিজহাতে আগত হরিভক্তদের জল ও অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন। বারুণীস্নানে আগত হরিভক্তরা হিন্দু সংহতির এই উদ্যোগকে দুহাত তুলে সাধুবাদ জানিয়েছেন।