হাওড়ার দাশনগরে একই রাতে দুটি মন্দিরে চুরি, দুষ্কৃতীরা অধরা

গত ১৯শে ফেব্রূয়ারি, মঙ্গলবার হাওড়া জেলার অন্তর্গত দাশনগর এলাকার একটি শ্যামাকালী ও তারা মায়ের মন্দিরে চুরি হয়েছে। দু’টি মন্দির থেকেই দুষ্কৃতীরা প্রতিমার গায়ে থাকা অলঙ্কার ও বাসনপত্র নিয়ে চম্পট দিয়েছে। এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। এই নিয়েও দাশনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত কয়েকদিন ধরেই হাওড়া শহরের বিভিন্ন এলাকায় চুরির ঘটনা ব্যাপক আকার নিয়েছে। প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও চুরি হচ্ছে। অথচ পুলিস এখনও পর্যন্ত কোনও চুরির ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এই ঘটনায় পুলিসের ভূমিকায় মানুষের ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

Advertisements

সেনা জওয়ানদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বনগাঁতে পাকিস্তানের পতাকা পুড়িয়ে বিক্ষোভ হিন্দু সংহতির

FB_IMG_1550286982658কাশ্মীরে ভারতীয় সেনাদের কনভয়ে জঙ্গি হামলার প্রতিবাদে পাকিস্তানের পতাকা পুড়িয়ে বিক্ষোভ দেখালেন হিন্দু সংহতির সদস্যরা। গতকাল ১৫ই ফেব্রূয়ারি, শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ছটা নাগাদ উত্তর ২৪ পরগণার বনগাঁ থানার বাটার মোড় অবরোধ করে পাকিস্তানের পতাকা পোড়ানো হলো বনগাঁর হিন্দু সংহতির নেতা অজিত অধিকারীর নেতৃত্বে । এদিন হিন্দু সংহতির সদস্যরা সংগঠনের পতাকা নিয়ে সারা বনগাঁ শহর ঘুরে বাটার মোড়ে অবস্থান বিক্ষোভ করে। পরে ৩০ মিনিট বাটার মোড় অবরোধ করে পাকিস্তানের পতাকা পুড়িয়ে বিক্ষোভ দেখায়। পরে পুলিশ গিয়ে অবরোধ তুলে দেয়। এই অবরোধ ও বিক্ষোভে সামিল হয় সাধারণ পথ চলতি মানুষও। অবরোধকারীরা জানায়, মারের বদলা মার। মিছিলের পর শহীদ জওয়ানদের উদ্দেশ্যে শোক পালন করা হয়।

মাইক বন্ধের নামে মন্দিরে পুলিসের ভাঙচুরের অভিযোগ, বিক্ষোভে রণক্ষেত্র নিউ টাউনের পাথরঘাটা


new townমন্দিরের মাইক বাজানো বন্ধকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল কলকাতার নিউটাউনের পাথরঘাটা গ্রাম। গ্রামবাসী-পুলিস খণ্ডযুদ্ধে কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে পাথরঘাটা গ্রাম। এলাকায় তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অভিযোগ, লাউডস্পিকার বন্ধের নামে মন্দিরে ভাঙচুর চালায় পুলিস। আর তারপরই পুলিসের ওপর হামলা চালায় বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসী। টায়ার জালিয়ে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়রা।
অভিযোগ, ভরা পরীক্ষার মরসুমে গভীর রাতেও মাইক বাজানো হচ্ছিল মন্দিরে। তাতে আপত্তি জানায় পুলিস। মাইক বন্ধ করে দিতে বলে পুলিস। এরপরই এককথা-দুকথায় বচসা শুরু হয়ে যায়। বচসা গড়ায় বিক্ষোভে। অভিযোগ, এরপরই মাইক বন্ধের নামে মন্দিরে ভাঙচুর চালায় পুলিস। আর এরপরই বিক্ষোভে ফেটে পড়ে উত্তেজিত গ্রামবাসী। রাস্তায় টায়ার জালিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিক্ষোভকারীরা। যত সময় গড়ায় তত উত্তেজনা বাড়তে থাকে।
গ্রামে ঢোকার রাস্তা বন্ধ করে দেয় উত্তেজিত জনতা। ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয় গ্রামে ঢোকার পথ। অশান্তির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন পঞ্চায়েত প্রধান এবং জেলা পরিষদের সভাধিপতি। তাঁদের ঘিরেও বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠছে দেখে তখনকার মত এলাকা ছেড়ে চলে যায় পুলিস।
তারপর আজ ১৪ই ফেব্রুয়ারি, সকালে আবার নতুন করে উত্তেজনা ছাড়ায় পাথরঘাটা গ্রামে। বন্ধ সমস্ত দোকানপাট। কোনও গাড়িও চলছে না এলাকায়। এদিন সকালে আবার গ্রামে ঢোকে পুলিস। আর গ্রামে ফের পুলিস ঢোকার খবর পেয়েই মারমুখী হয়ে ওঠে বিক্ষোভকারীরা। অভিযোগ, ভাঙচুর করা হয় পুলিসের গাড়ি। উত্তেজিত জনতা বেধড়ক মারধর করে পুলিসকে।

অভিজিৎ সর্দার, পতিতপাবন নস্কর, অনাদি নস্কর, সুজিত নস্করের বলিদান স্মরণ হিন্দু সংহতির

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বাসন্তী থানার অন্তর্গত ৩নং সোনাখালী গ্রাম। এই গ্রামের হিন্দুদের স্বাধীন ভাবে বাঁচার অধিকার ছিল না ২০০০ সাল নাগাদ। গ্রামের হিন্দুদের ওপর বিভিন্নভাবে অত্যাচার করতো মুসলিম দুষ্কৃতী আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে। হিন্দুদেরকে জমির ধান ট্যাক্স হিসেবে দিতে হতো, গরু চুরি করে নিয়ে যেত মুসলমানেরা, হিন্দু মেয়েদেরকে তুলে নিয়ে যেত মুসলমানেরা। রাজনীতি নেতারা, পুলিস-প্রশাসন কেউ হিন্দুদের সুবিচার দিতে পারেনি। তাই এর প্রতিকার করতে, হিন্দুদের স্বাধীনভাবে বাঁচার অধিকার দিতে এগিয়ে এসেছিলেন গ্রামের কয়েকজন তরতাজা হিন্দু যুবক RSS এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে। তাদের নেতৃত্বে হিন্দুদের ঐক্য গড়ে ওঠে সোনাখালী ও আশেপাশের গ্রামে। সেই মতো তারা ২০০১ সালের ১১ই ফেব্রুয়ারি একটি বনভোজনের আয়োজন করে। কিন্তু তার আগের দিন ১০ই ফেব্রুয়ারি হিন্দু যুবকদেরকে ঘিরে ধরে আনোয়ার হোসেন ও তার বাহিনী। গুলি করে , গলার নলি কেটে নৃশংসভাবে খুন করা হয় তরতাজা চার জন হিন্দু যুবককে-অভিজিৎ সর্দার, পতিতপাবন নস্কর, অনাদি নস্কর এবং সুজিত নস্করকে। তার প্রতিবাদে হিন্দুদের প্রতিক্রিয়ায় মুসলিমদের গ্রামছাড়া করা হয়। আজও পর্যন্ত সেই গ্রামে মুসলিমরা ফিরতে পারেনি। তাদের সেই বলিদানকে RSS কোনোদিন মনে রাখেনি।কিন্তু হিন্দু সংহতি প্রতিষ্ঠার পর হিন্দু সংহতি প্ররি বছর এই দিনটিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে আসছে।
গতকাল ১০ই ফেব্রুয়ারি, সেই দিনটিকে স্মরণ করা হলো হিন্দু সংহতির উদ্যোগে। তাদের সেই বলিদানকে স্মরণ করে এক স্মরণসভা এবং এক রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিলো। রক্তদান শিবিরে শতাধিক হিন্দু সংহতির কর্মীরা রক্তদান করে। গতকাল তাদের বেদিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা অর্পণ করেন হিন্দু সংহতির সহ সম্পাদক শ্রী সুজিত মাইতি, বিশিষ্ট নেতৃত্ব শ্রী দীনবন্ধু ঘরামী, কোষাধ্যক্ষ শ্রী সাগর হালদার, প্রমুখ কর্মী শ্রী শ্যামল মন্ডল, শ্রী মৃত্যুঞ্জয় মন্ডল প্রমুখ।

চলন্ত বাসে মহিলার শ্লীলতাহানি, গ্রেপ্তার ৩ মুসলিম যুবক

প্রথমে মহিলাকে দেখে অশ্লীল মন্তব্য। তার পর গায়ে পড়ার চেষ্টা। বারবার বিরক্তি প্রকাশ করছিলেন মহিলা। কিন্তু নিরস্ত করতে পারেননি। বরং, উত্যক্ত করার মাত্রা বাড়তেই থাকে। এমনকী, মহিলার মোবাইল নম্বর নেওয়ার অছিলায় তাঁর গায়েও হাত দেয় এক যুবক। চলন্ত বাসে বেশ কিছুক্ষণ ধরেই চলছিল এই পর্ব। সহযাত্রীদের কেউ কেউ সামান্য বিরক্তি প্রকাশ করলেও কেউ সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেননি। শেষমেশ তরুণীর চিৎকারে টহলদারি পুলিশ বাস থামিয়ে পাকড়াও করল তিনজনকেই। ঘটনাটি গত ২৬শে জানুয়ারী,  শনিবার রাতে প্রগতি ময়দান থানা এলাকার। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা হলেন পারভেজ, মুজিবর ও আফতাব। তাঁরা বাসন্তী হাইওয়ের ধারে একটি চামড়ার কারখানায় কাজ করেন। ধৃতদের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, কটূক্তি ও একই উদ্দেশে অপরাধের মামলা রুজু হয়েছে।

হলদিয়ায় বিরাট অস্ত্র কারখানার হদিশ, গ্রেপ্তার মুঙ্গেরের ৩ কারবারি

haldiaকলকাতা, হাওড়ার পর এবার বিশাল বড় মাপের অস্ত্র কারখানার হদিশ মিলল পূর্ব মেদনীপুরের হলদিয়ায়। শুক্রবার এসটিএফ এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশের যৌথ অভিযানে দুর্গাচক থানার ভাগ্যবন্তপুরের একটি লেদ কারখানার মধ্যে এই অস্ত্র কারখানার হদিশ পেয়েছে।  পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, লেদ কারখানাটি একটি ভাড়া বাড়িতে চলত। এদিন কারখানার মধ্যে থেকে প্রায় ১০০টি অর্ধ সমাপ্ত বন্দুক উদ্ধার হয়েছে ওই লেদ কারখানাটি থেকে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ ও এসটিএফ দল অস্ত্র সহ লেদ মেশিনও বাজেয়াপ্ত করেছে।  এসটিএফ সূত্রে খবর, গত ১৩ জানুয়ারী কলকাতার নারকেলডাঙা এলাকা থেকে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে গ্রেফতার করে এসটিএফ। জাল নোটের বিনিময়ে অস্ত্র কেনাবেচা চক্রের পর্দাফাঁস করে পুলিশ।যার মধ্যে ৩ জন মুঙ্গেরের বাসিন্দা।ধৃতরা হলো মহম্মদ নিজাম, নৌশাদ এবং রোহিত সাহিল।   ধৃতদের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হচ্ছে। তাঁদের কাছ থেকেই পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ার এই অস্ত্র কারখানার হদিশ জানতে পারে এসটিএফ। এরপরেই আজ পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে ভাগ্যবন্তপুরের ওই বাড়িটিতে অভিযান চালানো হয়। বাড়িটি স্থানীয় এক সাইকেল ব্যবসায়ীর হলেও তাঁরা এই বিষয়ে কিছুই জানতেন না বলে দাবী করেছেন।  পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার ভি. সোলেমান নেশাকুমার জানিয়েছেন, এসটিএফ এর সঙ্গে যৌথ ভাবে অভিযানে নেমেছিল পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশ। ওই কারখানা থেকে প্রায় ১০০টি অসম্পূর্ণ বন্দুক উদ্ধার হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এই কারখানাটিকেও সিল করে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। তবে এদিন নতুন করে কেউ গ্রেফতার হয়নি বলে পুলিশ সুপার জানিয়েছেন।

লালগোলা স্টেশন এলাকায় ৫ বাংলাদেশী মুসলিম অনুপ্রবেশকারী গ্রেপ্তার

অবৈধভাবে এদেশে প্রবেশ করায় গত ২০শে জানুয়ারী, রবিবার সন্ধ্যায় মুর্শিদাবাদের লালগোলা স্টেশন সংলগ্ন এলাকা থেকে পাঁচ বাংলাদেশি মুসলিম অনুপ্রবেশকারীকে গ্রেপ্তার করেছে লালগোলা থানার পুলিস। পুলিস জানিয়েছে, ধৃত পাঁচজনের বাড়ি বাংলাদেশের রাজশাহী জেলার গোদাবাড়ি থানার প্রসুণ্ডা গ্রামে। ধৃতদের গতকাল ২১শে জানুয়ারী, সোমবার লালবাগ মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক ১৪দিন জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। লালগোলা থানার পুলিস জানিয়েছে, ওইদিন সন্ধ্যায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী লালগোলা থানার রামনগর সীমান্ত দিয়ে চারজন অবৈধভাবে মুর্শিদাবাদে ঢোকে। ট্রেন ধরে অন্য কোথাও যাওয়ার উদ্দেশ্যে লালগোলা স্টেশনের দিকে যাচ্ছিল। খবর পেয়ে স্টেশন সংলগ্ন এলাকা থেকে পুলিস পাঁচজনকে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের অভিযোগে গ্রেপ্তার করে। ধৃতদের জেরা করে প্রাথমিকভাবে  গিয়েছে যে কেরল বা মুম্বইয়ে নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করার জন্য ধৃত যুবকরা মুর্শিদাবাদ সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিল।

নগ্ন ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে দিনের পর দিন ধর্ষণ তরুণীকে, গ্রেপ্তার শেখ সাহিল

বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের সময়ের নগ্ন ছবি তুলে রেখে দিয়েছিল প্রেমিক। পরে প্রেমিকা আপত্তি করলে তা দেখিয়েই দিনের পর দিন ব্ল্যাকমেল ও জোর করে সহবাসে বাধ্য করছিল প্রেমিক সেখ সাহিল। বারুইপুর থানার অন্তর্গত ফুলতলায় নিজের ফ্ল্যাটে আটকে রেখে দিনের পর দিন ওই তরুণীকে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার করা হতো বলে অভিযোগ। প্রেমিকের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করেছেন প্রেমিকা। গত ১৭ই জানুয়ারী, বৃহস্পতিবার রাতে প্রেমিকের বিরুদ্ধে বারুইপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতা ঐ তরুণী। তরুণীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত শেখ সাহিলকে গত ১৮ই জানুয়ারী গ্রেপ্তার করে পুলিস। জানা গিয়েছে, বছর দুয়েক আগে নির্যাতিতার সাথে বন্ধুদের মাধ্যমে আলাপ হয় সাহিলের। সময়ের সাথে দুজনের মধ্যে প্রেম ভালোবাসার সম্পর্কও তৈরি হয়। নির্যাতিতা তরুণীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিকবার তার সাথে সহবাসও করে সেখ সাহিল। অভিযোগ সহবাসের সময় ঐ তরুণীর নগ্ন ছবি সে মোবাইল ফোনে তুলে রাখে। পরবর্তী সময়ে সেই নগ্ন ছবি দেখিয়ে একাধিকবার ঐ তরুণীকে জোর করে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ উঠেছে সেখ সাহিলের বিরুদ্ধে। এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় ঐ ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার ও হুমকি দেওয়া হয়েছে নির্যাতিতা তরুণীকে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়ও ঐ তরুণীর সাথে জোর করে শারীরিক সম্পর্ক করতে চায় অভিযুক্ত। নির্যাতিতা তাতে বাধা দিলে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।
এরপরেই বৃহস্পতিবার রাতে অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে বারুইপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ঐ নির্যাতিতা তরুণী। তারপরেই তদন্তে নেমে শেখ সাহিলকে গ্রেপ্তার করে বারুইপুর থানার পুলিস। গতকাল ১৯শে জানুয়ারী, দুপুরে শেখ সাহিলকে বারুইপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্তের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।

হাওড়ার জগৎবল্লভপুরের পঞ্চানন মন্দিরে লক্ষাধিক টাকার অলঙ্কার চুরি, অধরা দুষ্কৃতীরা

jagatballavpurরাতের অন্ধকারে মন্দিরের দরজার তালা ভেঙে প্রায় লক্ষাধিক টাকার অলঙ্কার চুরির ঘটনায় উত্তেজনা ছড়াল জগৎবল্লভপুরের উত্তর মাজু পঞ্চাননতলা এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৭ই জানুয়ারী, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কয়েকজন দুস্কৃতি উত্তর মাজু পঞ্চাননতলা এলাকায় পঞ্চানন্দ মন্দিরের দরজার তালা ভেঙে ভিতরে থাকা বিগ্রহের সোনা ও রুপার সমস্ত অলঙ্কার চুরি করে নিয়ে পালিয়ে যায়। শুক্রবার ভোরে স্থানীয় মহিলা মন্দির পরিস্কার করার জন্য মন্দিরে এলে চুরির বিষয়টি তার নজরে আসে। পরে তার চিৎকারে স্থানীয় বাসিন্দারা এসে মন্দিরের ভিতরে ঢুকে সমস্ত অলঙ্কার চুরির বিষয়টি তারা জানতে পারে। পরে পুলিশে খবর দিলে জগৎবল্লভপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে চুরির ঘটনার তদন্তে নামে। তবে এখনো পর্যন্ত কোনো দুষ্কৃতীর গ্রেপ্তরির খবর পাওয়া যায়নি।  মন্দির কমিটি সূত্রে জানা গেছে এর আগেও দুস্কৃতিরা মন্দিরে চুরির চেষ্টা করলেও সফল হয়নি। তবে এই ঘটনায় স্থানীয় হিন্দুদের মনে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।

পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলায় ওলাইচন্ডি মন্দিরে আগুন দিলো মুসলিমরা, পুড়ে ছাই মন্দির, গ্রেপ্তার ১ মুসলিম

মকর সংক্রান্তির দিন পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলার ওলাইচন্ডি মন্দিরে আগুন দিলো মুসলিমরা। আগুনে খড়ের ছাউনি দেওয়া মন্দিরটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়।  এই ঘটনায় পিংলা থানার পুলিস মহম্মদ রফিক নামে স্থানীয় এক মুসলিমকে গ্রেপ্তার করে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মকর সংক্রান্তির দিন ওই মন্দিরে পূজা চলছিল। সেই সময় পূজাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মুসলিমদের সঙ্গে হিন্দুদের বচসা বেঁধে যায়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিকেলে একদল মুসলিম স্থানীয় মহম্মদ রফিক-এর নেতৃত্বে মন্দিরে আসে। এসেই মুসলিমরা মন্দিরের পুরোহিতকে মারধর করে মন্দিরটিকে ভেঙে দেয়। আতঙ্কে মন্দিরের কাছে থাকা হিন্দুরা পালিয়ে যায়। তখন মুসলিমরা মন্দিরে আগুন লাগিয়ে দেয়। মুহূর্তের মধ্যে মন্দিরটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এই ঘটনার খবর আশেপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়তেই বিক্ষুব্ধ হিন্দুরা পরেরদিন দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে থানা ঘেরাও করে। চাপে পড়ে পুলিস মহম্মদ রফিককে গ্রেপ্তার করে। কিন্তু পুলিস মাত্র ১ জনকে গ্রেপ্তার করায় পরেরদিন ক্ষুব্ধ হিন্দুরা পথ অবরোধ করে। তখন পুলিস ৩০জন হিন্দুকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার হওয়া হিন্দুদেরকে আজ কোর্টে তোলার কথা পুলিসের। এখনো পর্যন্ত  উত্তেজনা থাকায় এলাকায় পুলিস মোতায়েন রয়েছে।

হুগলির জাঙ্গিপাড়ায় মনসা পূজার শোভাযাত্রায় বাধা- লাঠিচার্জ পুলিসের; হিন্দু জনতা এবং পুলিসের সংঘর্ষ

গতকাল ১৬ই জানুয়ারী, বুধবার হুগলি জেলার জাঙ্গিপাড়া থানার সামনে মা মনসা ঠাকুরের শোভাযাত্রায় গান বাজানো নিয়ে থানার অফিসার আপত্তি করেন এবং হিন্দুদের  ওপর লাঠিচার্জ করার আদেশ দেন। পরে তা নিয়ে পুলিসের সঙ্গে হিন্দু জনতা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনায় জাঙ্গিপাড়া থানার কয়েকজন পুলিসকর্মী এবং কয়েকজন হিন্দু গ্রামবাসী আহত হয়েছেন। স্থানীয় হিন্দু সংহতি প্রতিনিধি সূত্রে প্রাপ্ত সংবাদে জানা গিয়েছে যে গতকাল সকালে হুগলী জেলার জাঙ্গিপাড়ার চন্দনপুর কুলিপাড়ার হিন্দু যুবকরা মনসা পূজার ঠাকুর আনতে থানার সামনে দিয়ে গান(জয় শ্রী রাম) বাজিয়ে যাচ্ছিল।তখন পুলিশ ঐগান বন্ধ করতে বললে ছেলেরা কর্ণপাত না করে ঠাকুর আনতে চলে যায়। কিন্তু ঠাকুর নিয়ে ফেরার সময় শোভাযাত্রায় বাধা দেন এবং গান বাজানো বন্ধ করতে বলে পুলিসকর্মীরা, কিন্তু হিন্দু গ্রামবাসীরা তা না মানায়  ২জন পুলিশ ও ২ সিভিক ভলান্টিয়ার হিন্দু ছেলেদের লাঠি দিয়ে মারধর করে ।এই খবর গ্রামে পৌঁছালে গ্রামের হিন্দু জনতা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।  কয়েক হাজার হিন্দুজনতা থানার সামনে এসে জড়ো হয় ।তখন থানার মেজোবাবু হিন্দু জনতার ওপর লাঠিচার্জ করতে নির্দেশ দেন ।পুরুষ-মহিলা নির্বিশেষে হিন্দুরা তখন থানায় ঢুকে পুলিশ এর উপর চড়াও হয়। সংঘর্ষ শুরু হয়ে যায়।  এতে উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হয়, সিভিক পুলিশরা ভয়ে লুকিয়ে পড়ে, শেষে পুলিশ থানার গেট বন্ধ করে হাত জোড় করে সন্মিলিত হিন্দু জনতার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে। পরে থানার সামনে ৩০মিনিট ধরে ঐ গান চালিয়ে লাঠিসোটা হাতে হিন্দু রা নাচানাচি করে। কয়েকজন আহত হিন্দু বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি, তাদের চিকিৎসা চলছে।

খ্রিস্টানরা বাইবেল বিতরণ করছে গঙ্গাসাগর মেলাতে

Evangelical Church Of India গঙ্গাসাগর মেলাতে বাইবেল বিনামূল্যে বিতরণ করছে ।গঙ্গাসাগর মন্দিরের কাছে যে হেলিপ্যাড আছে, তার পাশেই হচ্ছে এই বিতরণ। গঙ্গাসাগরের বাসিন্দা হিন্দু থেকে খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত হওয়া বরুণ প্রামানিক এবং তাঁর স্ত্রী সুলোচনা প্রামানিক এই কাজ করছেন।পেটি পেটি বাইবেল নিয়ে আসা হয়েছে। হিন্দি এবং বাংলা এই দুই ভাষায় বাইবেল দেওয়া হচ্ছে।হিন্দুদের বোকা বানাবার জন্যে হিন্দি বাইবেলের নাম দেওয়া হচ্ছে, “পবিত্র শাস্ত্র” এবং বাংলা বাইবেলের নাম দেওয়া হয়েছে “নতুন নিয়ম” ।কয়েকজন অবাঙালি হিন্দু তীর্থযাত্রীদের নজরে আসে বিষয়টি এবং প্রতিবাদ করায় জিনিসপত্র গুছিয়ে নিয়ে চলে যায় তারা।তারা জানিয়েছে যে গত ৩ বছর ধরে গঙ্গাসাগর মেলায় বাইবেল বিতরণ করছে।প্রায় ৩ লক্ষের বেশি বাইবেল বিতরণ করেছে এই পর্যন্ত।হিন্দু নাম কেন জিজ্ঞেস করায় তারা বলেছে যে খ্রিস্টান হয়েছেন তারা এবং নাম পরিবর্তন করার কোনো প্রয়োজন নেই।

পশ্চিমবঙ্গের ইসলামীকরণ : বারাসাতের হাতিপুকুর হলো সিরাজ উদ্যান

siraj udyanপশ্চিমবঙ্গের ইসলামীকরণ চলছে পুরোদমে, কিন্তু তা চলছে নীরবে। এর আগেই কলকাতার হলদিরাম বাস-স্টপের নাম পাল্টে হজ হাউস বাস-স্টপ করা হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বারাসাতের চাঁপাডালি মোড়ের বাস স্টপের নাম পাল্টে ‘তিতুমীর বাস টার্মিনাস’ করা হয়েছে। সেই তালিকায় নতুন সংযোজন বারাসাতের সিরাজ উদ্যান। বারাসত শহরে জেলাশাসকের অফিসের পাশেই এই হাতিপুকুর অবস্থিত। কিন্তু পরিচর্যা এবং রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে হাতিপুকুর মজে গিয়েছিল। আবর্জনা জমতে জমতে পুকুরের জল কালো হয়ে দুর্গন্ধ বের হতো। এই হাতিপুকুরের সঙ্গে সিরাজদৌল্লার স্মৃতিও জড়িয়ে রয়েছে। অনেকে বলেন, সিরাজদৌল্লা এই পথ দিয়ে যাওয়ার সময় তাঁর হস্তী বাহিনীকে এখানেই বিশ্রাম দিতেন। এই পুকুরেই হাতিরা জল খেত বলে নাম হয়েছে হাতিপুকুর। আড়াই বছর আগে বারাসতের সংসদ সদস্য ডাঃ কাকলি ঘোষদস্তিদার এই হাতিপুকুর সংস্কার করার জন্য উদ্যোগ নিয়েছিলেন। ২০১৬ সালের ২৩ জুলাই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই উদ্যানের কাজের শুভারম্ভও করেন। নিজের সংসদ তহবিল থেকে ৫০ লক্ষ টাকা অনুদানও দেন। গত ১২ই জানুয়ারী, শনিবার ডাঃ কাকলি ঘোষদস্তিদার এর উদ্বোধন করেন। কিন্তু উদ্যান সংস্কার করার পর  আগের নাম হাতিপুকুর উদ্যান রাখা হলো না কেন, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

আমতায় দুঃস্থ হিন্দুদের কম্বল বিতরণ হিন্দু সংহতির

গতকাল বীর হিন্দু সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন ছিল  সেই পুণ্য তিথিতে স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনে শ্রদ্ধার্ঘ্য সহ দুঃস্থ হিন্দুদের কম্বল বিতরণ করা হলো হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে। এই অনুষ্ঠানটি হাওড়া জেলার আমতা থানার অন্তর্গত দক্ষিণ হরিশপুর গ্রামে অনুষ্ঠিত হয়। হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য স্বামী বিবেকানন্দের ছবিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন। তারপর হরিশপুর গ্রাম এবং আশেপাশের গ্রামের ২০০ জন দরিদ্র বৃদ্ধ, মহিলাদের হাতে কম্বল তুলে দেওয়া হয়।এই অনুষ্ঠানে হিন্দু সংহতিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন কলকাতার Magnum পরিবার।এই অনুষ্ঠানে হিন্দু সংহতির সভাপতি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির সম্পাদক শ্রী সুন্দর গোপাল দাস, সহ সম্পাদক শ্রী মুকুন্দ কোলে, উপদেষ্টা শ্রী চিত্তরঞ্জন দে এবং কলকাতার Magnum পরিবারের পক্ষ থেকে শ্রীমতি মীনা আগারওয়াল, সঞ্জীব তান্ঠিয়া এবং শ্রী বীরেন্দ্র মোদীজি। 

দিনে ফেরি,রাতে নাবালিকাকে অপহরণের চেষ্টা, গ্রেপ্তার দুই মুসলিম যুবক

ফাঁকা রাস্তা থেকে এক কিশোরীকে অপহরণের চেষ্টা এবং তার মায়ের শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগে ভিনজেলার দুই ফেরিওয়ালা মুসলিম যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথি থানার পুলিস। গত ৬ই জানুয়ারী, রবিবার রাতে কাঁথি থানার বেণীচক গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। এর আগে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্তদের অটোতে ভাঙচুর চালায় এবং তাদের গণধোলাই দেয়। খবর পেয়ে পুলিস উত্তেজিত জনতার হাত থেকে দু’জনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে ওই কিশোরীর আত্মীয়র অভিযোগের ভিত্তিতে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে ওই দুই মুসলিম যুবক অটোতে করে বিভিন্ন জিনিস ফেরি করতো।  রবিবার রাতে দেশপ্রাণ ব্লকের পেটুয়া থেকে ফেরি করে কাঁথি ফিরছিলো। সেই সময় কাঁথি-রসুলপুর রাজ্য সড়কের শ্যামপুরের কাছে বাড়ি আসার জন্যে অটো ধরতে দাঁড়িয়ে ছিল এক কিশোরী তাঁর মা। তারা যাত্রীবাহী অটো মনে করে হাত দেখায়, তখন তাদেরকে গাড়িতে তুলে নেয়।  গাড়ি একটু এগিয়ে যেতেই কিশোরী ও তার মায়ের শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে দুই যুবক। তারা এই ঘটনার প্রতিবাদ করতেই কিশোরীর মাকে ঠেলে গাড়ি থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়। এরপর আনিস ও হাসিবুল ওই কিশোরীকে মুখ চাপা দিয়ে তাদের গাড়িতে করে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। বিপদ বুঝে ওই কিশোরী কোনওরকমে মুখের কাপড় সরিয়ে চিৎকার শুরু করতেই স্থানীয় পথচলতি মানুষজন দৌড়ে আসেন। তাঁরা পিছু ধাওয়া করে ওই গাড়িটিকে ধরে ফেলেন। পাকড়াও করা ওই দুই যুবককে। শুরু হয় গণধোলাই। গাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয়। খবর পেয়েই পুলিস ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। দু’জনকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিস জানিয়েছে, ধৃতরা হল দক্ষিণ ২৪পরগনা জেলার ইন্দ্রনারায়ণপুর গ্রামের শেখ হাসিবুল ও নদীয়া জেলার নবদ্বীপের বাসিন্দা শেখ আনিস। ধৃতরা এই ঘটনায় যুক্ত থাকার কথা স্বীকার করে নিয়েছে বলে পুলিসের দাবি। মঙ্গলবার দু’জনকে কাঁথি মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক ১৪দিন জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। কাঁথি থানার আইসি সুনয়ন বসু বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে ওদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।