হিন্দু পরিচয়ে ৪টি বিয়ে, আরও ৩টি বিয়ে করার আগে দিঘা থেকে গ্রেপ্তার শেখ মুজিবর রহমান

mujiborসেক্স-জিহাদের এক নতুন রূপ দেখা গেলো কলকাতার একটি ঘটনায়। হিন্দু নাম ও পরিচয় নিয়ে একের পর এক বিয়ে করে টাকা-পয়সা হাতিয়ে নিয়ে উধাও হয়ে যেত শেখ মুজিবর রহমান। এইরকম করে একটা-দুটো নয়, পর পর চারটি বিয়ে করেছিল সে। কিন্তু কোনো ক্ষেত্রেই মেয়ের বাড়ির লোক আধার কার্ড বা পরিচয় পত্র দেখতে চাননি। আর তাই প্রতারিত হতে হলো মুসলিম যুবকের দ্বারা। আরো তিনটি বিয়ে করার মতলবে ছিল সে। কিন্তু তার আগেই দিঘা থেকে গ্রেপ্তার করলো কলকাতার সরশুনা থানার পুলিস। পুলিসের জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, ওই মুসলিম যুবকের আসল বাড়ি পূর্ব বর্ধমান জেলার অন্তর্গত দেওয়ানদিঘি। তার বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর। সে নিজেকে অভিজিৎ মন্ডল বলে পরিচয় দিতো। কিন্তু আধার কার্ড-এ তার নাম রয়েছে শেখ মুজিবর রহমান। এমনকি বিয়ে করার জন্যে সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দিতো। নিজেকে সিআরপিএফ-এর জওয়ান বলে পরিচয় দিতো। একই ভাবে মাস তিনেক আগে বেহালার সরশুনার বাসিন্দা এক হিন্দু তরুণীকে বিয়ে করে শেখ মুজিবর রহমান। কিন্তু কয়েক মাস পরেই সে বেপাত্তা হয়ে যায়। সেই তরুণী প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেন সরশুনা থানায়। তার পরেই তদন্তে নেমে গত ৩রা ডিসেম্বর, সোমবার রাত্রে দিঘার হোটেল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, শেখ মুজিবরকে গ্রেপ্তার করতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছে তাদের। ঘন ঘন সিমকার্ড বদলানোর ফলে তার নাগাল পাওয়া যাচ্ছিলো না। কিন্তু গ্রেপ্তার করার পর সব শুনে পুলিস অফিসাররাও হতবাক। কিন্তু এইসব করার পিছনে কারণ কি,তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারী অফিসাররা।

Advertisements

মুর্শিদাবাদের পাঁচথুপীতে সিংহবাহিনী মন্দিরে ভয়ানক চুরি

singhabahiniমুর্শিদাবাদ জেলার বড়ঞা থানার অন্তর্গত পাঁচথুপীর সিংহবাহিনী মন্দিরে ভয়ানক চুরির ঘটনা ঘটলো। আজ সকালে পুরোহিত মন্দিরে এসে দেখতে পান যে মন্দিরের তালা ভাঙা এবং  মূর্তির গায়ে থাকা প্রায় তিন লক্ষ টাকার  সোনার অলংকার  চুরি হয়ে গিয়েছে। তিনি এই ঘটনার কথা স্থানীয় বাসিন্দাদের জানান। খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা মন্দিরের সামনে ভিড় জমান। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে যে , এই মন্দির আশেপাশের এলাকাতে জাগ্রত মন্দির হিসেবেই পরিচিত। ফলে এই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা  ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বড়ঞা থানার পুলিস এসে পৌঁছায়। স্থানীয় মানুষরা পুলিসের কাছে দোষীদেরকে  করার আবেদন জানান। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে  এখনও পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।

তিনদফা দাবিতে হাওড়ার উলুবেড়িয়াতে বিশাল মিছিল হিন্দু সংহতির

uluberiya-rally1গতকাল ২৯শে নভেম্বর, হাওড়া জেলার উলুবেড়িয়াতে হিন্দু শরণার্থীদের নাগরিকত্ব প্রদান, বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের বিতাড়ন এবং বাধ্যতামূলক  জন্মনিয়ন্ত্রণ আইন-এই তিনদফা দাবিতে এক বিশাল মিছিলের আয়োজন করা  সংহতির উদ্যোগে। এই মিছিলে উলুবেড়িয়া এবং আশেপাশের এলাকা থেকে কয়েক হাজার হিন্দু সংহতি কর্মী যোগ দেন। এছাড়াও, প্রচুর হিন্দু জনসাধারণ মিছিলে পা মেলান। মিছিল গঙ্গারামপুর মোড় থেকে শুরু হয়ে শহর পরিক্রমা করে।  মিছিলের শেষে একটি ছোট পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই পথসভাতে বক্তব্য রাখেন হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য, সহ সভাপতি শ্রী সমীর গুহরায়।  শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য মহাশয় তার বক্তব্যে বলেন, ”আজ সমস্ত রাজনৈতিক সংকীর্ণতা ভুলে সমস্ত হিন্দুকে আজ জন্ম নিয়ন্ত্রণ আইনের দাবি তুলতে হবে। তা নাহলে এই পশ্চিমবঙ্গে যেভাবে মুসলিম জনসংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, একদিন হিন্দুরাই এই পশ্চিমবঙ্গে সংখ্যালঘুতে পরিণত হবে।তখন এই হিন্দুকে ভিটে-মাটি ত্যাগ করে বিহার, ঝাড়খন্ড কিংবা উড়িষ্যায় আশ্রয় খুঁজেতে হবে,  বাংলাদেশের হিন্দুরা অত্যাচারের শিকার হয়ে এদেশে  নিয়েছেন।” তিনি আরো বলেন যে আগামী দিনগুলিতে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় এই আন্দোলন চলতে থাকবে, যতদিন না সরকার এই তিনদফা মেনে না নেয়।  এছাড়াও এই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির উপদেষ্টা শ্রী চিত্তরঞ্জন দে, সহ সভাপতি শ্রী অভিষেক ব্যানার্জি এবং সহ সম্পাদক শ্রী মুকুন্দ কোলে। পরে হিন্দু সংহতির তরফ থেকে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল মহকুমা শাসকের অফিসে যান এবং তিনদফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি মহকুমা শাসকের হাতে তুলে দেন।

লাভ-জিহাদের শিকার হিঙ্গলগঞ্জ-এর নাবালিকা সুমিতা মন্ডল উদ্ধার

Photo2গত ১৯শে নভেম্বর  উত্তর ২৪  জেলার অন্তর্গত হিঙ্গলগঞ্জের হিন্দু নাবালিকা সুমিতা মন্ডল লাভ জিহাদের শিকার হয়ে মতিউর সরদার-এর সঙ্গে বাড়ি ছেড়েছিলো। সুমিতার পিতা তারপরের দিনই হিঙ্গলগঞ্জ থানায় FIR দায়ের করেছিলেন অভিযুক্ত মতিউর-এর বিরুদ্ধে। কিন্তু কোনো ভরসা না পেয়ে তিনি গত ২৬শে নভেম্বর  হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ হয়েছিলেন মেয়েকে ফিরে পাওয়ার আশায়। তারপরেই সুমিতাকে দ্রুত উদ্ধার করার জন্যে  হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে পুলিসের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়। তার ফলে গতকাল অর্থাৎ ২৭শে নভেম্বর রাত্রে হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিস সুমিতাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এতে সুমিতার পরিবার স্বভাবতই খুশি। সুমিতাকে দ্রুত উদ্ধার করায় হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিসকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এছাড়া ভবিষ্যতেও লাভ জিহাদের শিকার হওয়া হিন্দু মেয়েদেরকে  উদ্ধার করার কাজে হিন্দু সংহতি সবসময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবে বলে তিনি জানান।

লাভ-জিহাদের শিকার হিঙ্গলগঞ্জের সুমিতা মন্ডল; পুলিসের ঢিলেমি, হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ পরিবার

Photo2লাভ-জিহাদের করাল গ্রাস থামছে না পশ্চিমবাংলার বুকে। এইবার লাভ জিহাদের শিকার হল উত্তর ২৪ পরগনা জেলার  হিঙ্গলগঞ্জের হিন্দু নাবালিকা সুমিতা মন্ডল( নাম পরিবর্তিত, বয়স ১৬ বছর ৯মাস)। সে হিঙ্গলগঞ্জ হাইস্কুল( উঃ মাঃ ) দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়াশুনো করতো। গত ১৯ ই নভেম্বর রাত্রে সে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। হিঙ্গলগঞ্জ থানায় দায়ের করা অভিযোগে সুমিতার পিতা  জানিয়েছেন যে, তাঁর মেয়েকে হিঙ্গলগঞ্জের বাঁকড়া গ্রামের মতিউর সরদার (পিতা -রবিউল সরদার ) ফুঁসলিয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে নিয়ে গিয়েছে। তার অভিযোগের ভিত্তিতে হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিস অভিযুক্ত মতিউর সরদার-এর বিরুদ্ধে অপহরণের মামলা দায়ের করেন,যার FIR No -১৬৪/১৮। কিন্তু তার পরে বেশ কয়েকদিন কেটে গিয়েছে। কিন্তু অপহৃতা সুমিতা এখনো উদ্ধার হয়নি। এমতবস্থায় সুমিতার পিতা তার মেয়েকে ফিরে পাওয়ার আশায় হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ হয়েছেন। তিনি গতকাল ২৬শে নভেম্বর হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্যের সঙ্গে দেখা করে তাঁর নাবালিকা কন্যাকে ফিরিয়ে দেবার কাতর প্রার্থনা জানান। সুমিতার পিতা জানিয়েছেন যে, তার কন্যাকে ফিরিয়ে দেবার ক্ষেত্রে হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিস যথেষ্ট ঢিলেমি করছে এবং তিনি আরো জানিয়েছেন যে বার বার থানায় যাওয়া সত্বেও তার নাবালিকা কন্যাকে উদ্ধার করার ব্যাপারে কোনো ভরসা দিতে পারেননি হিঙ্গলগঞ্জ থানার পুলিস। তাই তিনি হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ হয়েছেন। এমতবস্থায় হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে তার অপহৃতা কন্যাকে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয় সুমিতার পিতাকে।

দুর্গাপুরে ২ হিন্দু কিশোরীকে অপহরণ, ২ মুসলিম যুবক গ্রেপ্তার

গত ২৩শে নভেম্বর, শুক্রবার দুর্গাপুরের দুই হিন্দু নাবালিকাকে অপহরণের অভিযোগে ২ মুসলিম যুবককে গ্রেপ্তার করলো পুলিস। ধৃতদের নাম মহম্মদ হোসেন এবং মুর্তাজা আনসারী। জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া দুই নাবালিকা দুর্গাপুরের বাসিন্দা এবং তারা বিধাননগরের একটি স্কুলে নবম শ্রেণীতে পড়তো। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্গাপুরের মুচিপাড়ার বাসিন্দা মহম্মদ হোসেন বিধাননগরের টেটিখোলায় একটি নাচের স্কুল চালায়। সেই স্কুলেই নাচ শিখতো ওই ২ নাবালিকা। গত ১২ই নভেম্বর, কলকাতায় একটি নাচের প্রতিযোগিতায় নিয়ে যাবার নাম করে ওই দুই নাবালিকাকে নিয়ে যায় মহম্মদ হোসেন। কিন্তু  কলকাতায় না নিয়ে গিয়ে বাসে করে সিউড়ি নিয়ে যায় এবং  সেখানে তাদের মুর্তজা আনসারীর বাড়িতে আটকে রাখে। এর মধ্যে এক কিশোরী গত ১৫ই নভেম্বর থেকে পালিয়ে গিয়ে বাড়িতে আসে এবং পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা বলে। এদিকে দুই কিশোরীর নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ পরিবারের তরফে নিউ টাউনশিপ থানায় জানানো হয়েছিল। পরে পুলিশ সেখানে হানা দিয়ে মুর্তাজা আনসারীকে গ্রেপ্তার করে। পুলিসের প্রাথমিক অনুমান যে, ধৃতদের সঙ্গে নারী পাচারকারীদের যোগাযোগ থাকতে পারে এবং  পাচার করার উদ্দেশ্যে ওই দুই নাবালিকাকে নিয়ে  যাওয়া হয়েছিল। বর্তমানে ধৃতদের জেরা করে পুরো বিষয়টি জানার চেষ্টা চলছে বলে পুলিসের তরফে জানানো হয়েছে।

তাসের সর্দারের পরিবার ক্ষতিপূরণ পেলেও অসীমা প্রামানিকের পরিবার বঞ্চিত

গত  ২৩শে অক্টোবর, মঙ্গলবার  হাওড়ার সাঁতরাগাছি স্টেশনের ফুট ওভারব্রিজে ভিড়ের চাপে পদপিষ্ট হয়ে মারা যান পেশায় রাজমিস্ত্রি তাসের সর্দার। তার বাড়ি মুর্শিদাবাদ জেলার হরিহরপাড়া থানার নশীপুর গ্রামে।এই মৃত্যুর পর রেল কোনো ক্ষতিপূরণ দেয়নি।কিন্তু তার মৃত্যুর ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই রাজ্য সরকার ৫লক্ষ টাকা তার পরিবারকে সাহায্য করলো এবং টাকা তার একাউন্ট  এ পৌঁছে গেল।খুব ভালো ।
কিন্তু তার আগে  গত ২৮শে সেপ্টেম্বর রাতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলার বারুইপুরের স্টেশনে ওভাররব্রিজের সিমেন্টের স্ল্যাব ভেঙে পড়ে মারা যান অসীমা প্রামানিক। এক্ষেত্রেও রেল কোনো ক্ষতিপূরণ দেয়নি। তিনি 2 নং প্লাটফর্ম এর তলা দিয়ে হেঁটে বাড়ি ফিরছিলেন।তার বাড়ি মাদারহাটের নায়েবের মোড়। তার বাড়িতে দেখা করতে গিয়েছিলেন এলাকার MLA এবং বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দোপাধ্যায়।কিন্তু সেই ঘটনার পর প্রায় ২মাস কেটে গেল।এখনো পর্যন্ত ১টাকাও ক্ষতিপূরণ পৌঁছায়নি রাজ্য সরকারের তরফে ।
কিন্তু তাসের সর্দার কে দিলেও, কেন অসীমা প্রামানিকের পরিবার ৫লক্ষ টাকা দেয়নি রাজ্য সরকার? কেন?কেন?অসীমা প্রামানিক হিন্দু বলে?নাকি অসীমা প্রামানিকরা দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক এই রাজ্যে? 

গাইঘাটায় গরু-সহ ২ পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করলো বিএসএফ

বেশকিছুদিন বন্ধ থাকার আবার নতুন করে গরু পাচার শুরু হয়েছে  উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকায়। বিভিন্ন সূত্র মারফত এমনই খবর আসছিলো। এবার তার প্রমান মিললো। গত মঙ্গলবার, ২০শে নভেম্বর সন্ধ্যায় এই জেলার গাইঘাটার আংরাইল সীমান্তে গরুবোঝাই গাড়িসহ ২  গ্রেপ্তার করলো বিএসএফ। ওই দুজন পাচারকারী হলো মনিরুল মন্ডল এবং হাবিবুল্লাহ মিস্ত্রী। পরে তাদেরকে পুলিসের হাতে তুলে দেয় বিএসএফ। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে ধৃত দুজন পাচারকারীর বাড়ি একই জেলার বাদুড়িয়া থানার অন্তর্গত কীর্তিপুরে। তাদের কাছ থেকে ৫টি গরু উদ্ধার করা হয়েছে। আটক করা হয়েছে পাচারে ব্যবহৃত গাড়িটিও।

কলকাতার হলদিরাম বাস-স্টপ এর নাম এখন হজ হাউস বাস স্টপ

IMG-20181115-WA0035কলকাতা এয়ারপোর্টের  দিকে বাসে করে যেতে গেলে হলদিরাম বলে একটি বাস স্টপ ছিল, যেখানে বাস দাঁড়াতো। কিন্তু ওখানে সরকারি উদ্যোগে তৈরি কোনো যাত্রীদের বসার বা অপেক্ষা করার শেড ছিল না। কিন্তু কিছুদিন আগেই মানুষজনের নজরে আসে যে ওখানে যাত্রীদের অপেক্ষা করার জন্যে একটি শেড নির্মাণ করা হয়েছে এবং নাম দেওয়া হয়েছে হজ হাউস বাস স্টপ। তবে এই নতুন নামকরণ নিয়ে সুশীল সমাজের অনেক মানুষই আপত্তি জানিয়েছেন। হঠাৎ কি কারণে এই নতুন নামকরণ, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। তাদের বক্তব্য, এই বাংলা যে ক্রমাগত ইসলামীকরণের দিকে  এগিয়ে চলেছে, এ তারই নমুনা। এ প্রসঙ্গে হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য বলেন, ”আজ সারা দেশের বিভিন্ন রাজ্যে নাম পরিবর্তন করা নিয়ে জলঘোলা হচ্ছে, প্রতিবাদ হচ্ছে। কিন্তু একইরকম ভাবে এই পশ্চিমবঙ্গেও নাম পরিবর্তন হয়ে চলেছে, তবে তা চুপিসারে। এমনকি মিডিয়া থেকে সংবাদপত্র কোথাও প্রকাশিত হচ্ছে না। কিন্তু কিছুদিন আগেই উত্তর দিনাজপুরের একটি স্কুল ইসলামপুরের জায়গায় ঈশ্বরপুর লেখাতে রাজনৈতিক থেকে শুরু করে বুদ্ধিজীবীরা প্রতিবাদ জানালেও,আজ কলকাতার  হলদিরাম বাস-স্টপের  নাম পরিবর্তিত হয়ে হজ হাউস হওয়ায় তাঁরা চুপ কেন?” তিনি আরও বলেন, ”পশ্চিমবাংলার এই নিঃশব্দ ইসলামীকরণের প্রতিবাদে সুশীল সমাজ ও বুদ্ধিজীবীদেরও এগিয়ে আসা উচিত।”

প্রেমপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় হিন্দু কলেজ ছাত্রীকে অ্যাসিড দিয়ে পুড়িয়ে মারার হুমকি মুসলিম যুবকের

প্রেমপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় এক হিন্দু কলেজ ছাত্রীকে অ্যাসিড দিয়ে পুড়িয়ে মারার হুমকি দিলো মুসলিম যুবক। ঘটনা দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার অন্তর্গত ক্যানিং-এর। আতঙ্কে কলেজ যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন ওই ছাত্রী। ইতিমধ্যেই নিরাপত্তা ও অভিযুক্ত আনোয়ার সরদারের  শাস্তি চেয়ে ক্যানিং থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই ছাত্রী। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ছাত্রী জানিয়েছেন, প্রায় মাস তিনেক ধরে কলেজে যাওয়া আসার পথে উত্যক্ত করতো আনোয়ার। তার বাড়ি তালদি এলাকার শিবনগর গ্রামে। সে বিবাহিত আনোয়ারকে পাত্তা না দেওয়ায় বেপরোয়া হয়ে ওঠে সে । একদিন কলেজ যাওয়ার পথে জোর করে মোবাইল কেড়ে নেয় সে। পরে মোবাইল ফেরত চাইলে আনোয়ার  ওই ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেয়। কিন্তু ছাত্রীটি প্রস্তাবে রাজি না হলে কলেজে যাওয়ার পথে অ্যাসিড দিয়ে পুড়িয়ে দেবার হুমকি দেয় আনোয়ার। আর তারপর থেকেই আতঙ্কে কলেজে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন ওই ছাত্রী। বিচার চেয়ে অভিযোগও করেছেন ক্যানিং থানায়। তবে এখনো পর্যন্ত অভিযুক্ত যুবক আনোয়ার সরদার গ্রেপ্তার হয়নি।

পশ্চিমবঙ্গের জনবিন্যাস পরিবর্তনের প্রতিবাদে ক্যানিং-এ বিশাল মিছিল হিন্দু সংহতির

গতকাল দক্ষিণ 24 পরগনা জেলার মহকুমা শহর ক্যানিং-এ পরিকল্পিতভাবে পশ্চিমবঙ্গের জন বিন্যাস পরিবর্তনের বিরুদ্ধে এক বিশাল মিছিলের আয়োজন করলো হিন্দু সংহতি। এই মিছিলে ক্যানিং মহকুমার বিভিন্ন গ্রাম থেকে প্রচুর হিন্দু জনসাধারণ যোগ দেন। মিছিল থানার মোড় থেকে শুরু হয়ে পুরো ক্যানিং বাজার ঘুরে বাসস্ট্যান্ডে এসে শেষ হয়।মিছিল থেকে হিন্দু সংহতির কর্মীরা বাংলাদেশ থেকে আগত হিন্দুদের নাগরিকত্বের দাবিতে, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইনের দাবিতে এবং বাংলাদেশি মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে তাড়ানোর দাবিতে আওয়াজ তোলেন। হিন্দু সংহতির কর্মীদের শ্লোগানে পুরো ক্যানিং শহর সরগরম হয়ে ওঠে।বাসস্ট্যান্ডে কর্মীদের জমায়েতের সামনে একটি ছোট পথসভার আয়োজন হয়। সেই পথসভায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য, সহ সভাপতি সমীর গুহরায়(বাবুদা), সহ সভাপতি শ্রী অভিষেক বন্দোপাধ্যায়, সুষেন বিশ্বাস এবং ক্যানিং মহকুমার প্রমুখ কর্মী শ্রী দীনবন্ধু ঘরামীসহ অন্যান্যরা। পরে হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে এক প্রতিনিধিদল মহকুমা শাসকের কাছে হিন্দু সংহতির তিনটি দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি জমা দেয়। হিন্দু সংহতির সভাপতি জানিয়েছেন যে ক্যানিং থেকে যে আন্দোলন শুরু হলো, আগামীদিনে তা সারা রাজ্যব্যাপি ছড়িয়ে দেওয়া হবে এবং এই আন্দোলন ততদিন চলবে, যতদিন না পর্যন্ত সরকার হিন্দু সংহতির দাবিগুলি মেনে না নেয়।

জেলায় জেলায় অনুষ্ঠিত হলো হিন্দু সংহতির বিজয়া সম্মেলন

আজ হাওড়া জেলার অন্তর্গত উলুবেড়িয়াতে হিন্দু সংহতির ডাকে বিজয়া সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো। এই সম্মেলনে শতাধিক হিন্দু সংহতি কর্মী উপস্থিত হয়েছিলেন। হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য, সহ সভাপতি শ্রী সমীর গুহরায় এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত সংহতি কর্মীদের উদ্দেশ্যে দেবতনু ভট্টাচার্য মহাশয় এবং সমীর গুহরায় মহাশয় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন।

আজ নদীয়া জেলার হরিণঘাটা থানার অন্তর্গত পাগলাতলা গ্রামে আর একটি হিন্দু সংহতির বিজয়া সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো। এই অনুষ্ঠানে শতাধিক হিন্দু সংহতি কর্মী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও এই অনুষ্ঠানে শস্ত্র পূজনও করা হয়। হিন্দু সংহতির সম্পাদক শ্রী সুন্দরগোপাল দাস, প্রমুখ কর্মী শ্রী সুষেন বিশ্বাস এবং নদীয়া জেলার প্রমুখ কর্মী পাঁচুগোপাল মন্ডল এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

সোনারপুরে ৩৫ লক্ষ টাকার হেরোইনসহ ২ মুসলিম গ্রেপ্তার

গত ২৮শে অক্টোবর, শনিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার স্টেশনের পাশে ৩৫ লক্ষ টাকার হেরোইনসহ দুজন মাদক কারবারীকে গ্রেপ্তার করলো পুলিস। ধৃতরা হলো রশিদ লস্কর এবং শেখ জালালুদ্দিন। এদের মধ্যে রশিদ দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ঘুটিয়ারি শরীফের বাসিন্দা এবং শেখ জালালুদ্দিন নদীয়ার কালীগঞ্জের বাসিন্দা। এদের কাছ থেকে পুলিস ১কেজি ১০০গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করেছে, যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকা। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে  যে, সূত্র মারফত বারুইপুর জেলা পুলিসের কাছে খবর আসে যে দুজন ব্যক্তি সোনারপুর স্টেশনের পাশেই হেরোইন ডেলিভারি দিতে আসবে। সেইমতো ঐদিন সকাল থেকে পুলিস কর্মীরা স্টেশনের আশেপাশে সন্দেহজনক ব্যক্তিদের ওপর নজর রাখতে থাকেন। পরে পুলিসকর্মীরা এই দুজনকে তল্লাশি করেন এবং পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এই কারবারে আর কারা জড়িত, তা জানার জন্যে তাদের জেরা করা হচ্ছে বলে পুলিসের তরফ থেকে জানানো হয়েছে।

বাঁকুড়ার রানিবাঁধের আদিবাসী মানুষজন করম উৎসবে মেতে উঠলেন

গতকাল ২৫শে অক্টোবর, বৃহস্পতিবার রানিবাঁধের আদিবাসী ও কুর্মি সম্প্রদায়ের মানুষজন করম পরবে মাতkaramলেন। এদিন রানিবাঁধের অম্বিকানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের চিরকুনকানালি গ্রামে তফসিলি উপজাতি সম্প্রদায়ের বিশেষ পরব অনুষ্ঠিত হয়। ওই অনুষ্ঠানে চিরকুনকানালি গ্রাম ছাড়াও পাশাপাশি ভালুকা, বুড়িশোল, বাগডুবি, মৌকানালি সহ বেশকিছু গ্রামের বাসিন্দারা অংশ নেন। সকলেই তাদের রঙিন ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে অনুষ্ঠানে অংশ নেন।  এদিন দুপুর ১২টা থেকে আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষরা ধামসা-মাদলের তালে তালে বিশেষ করম নৃত্যের মাধ্যমে এবং পুজো করে শস্যের দেবী  অর্থাৎ মা লক্ষ্মীর আরাধনা করেন । চিরকুনকানালি গ্রামের আদিবাসী সম্প্রদায়ের মোড়ল শরৎ টুডু বলেন, মূলত অবিবাহিত মেয়েরা মোড়লের কাছে অনুমতি নিয়ে করম পরবে নৃত্য করে। পাঁচদিন ধরে তারা এক বেলা অর্ধাহারে থাকে। শাল গাছের খুঁটি পুঁতে তার তলায় পুজো করা হয়।  এছাড়াও এই অনুষ্ঠানে লোধা, সাঁওতাল এবং ভূমিজ সম্প্রদায়ের মানুষেরাও মেতে ওঠেন।