হিন্দু সংহতির উদ্যোগে চারঘাটে রক্তদান শিবির

3গত ১২ই মার্চ “হিন্দু সংহতির” উদ্যোগে আয়োজিত ও “INDIAN INSTITUTE OF PROFESSIONAL EDUCATION” এর সহযোগিতায় রূপায়িত বিনামূল্যে স্বাস্থ্য ও চক্ষু পরীক্ষা এবং রক্তদান  >>

শ্রী রামনবমী উপলক্ষে দূর্গাপুরের “ধর্মচক্র” আয়োজিত অস্ত্রপূজন

4গত ৫ই এপ্রিল দুর্গাপুরে রামনবমী উপলক্ষে উপস্থিত ছিলন পরম পূজ্যপাদ স্বামী অম্বিকানন্দ মহারাজ এবং স্বামী রাধাকান্তানন্দ’জী মহারাজ। এছাড়াও প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানমঞ্চ আলোকিত করেন  >>

বলিউডের হার্টথ্রব ঊর্মিলাও কি অবশেষে লাভ জেহাদের শিকারঃ উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া

uuuuuuuuuবলিউডের রঙ্গীলা নায়িকা ঊর্মিলা মার্তন্ডকর এখন মুম্বাইয়ের ফিল্মি জগৎ থেকে বহুদূরে নিজের স্বামীর সঙ্গে দিন কাটাচ্ছেন। বিয়ে করেছেন, তার থেকে অন্তত ৯ বছরের ছোট কাশ্মীরী ব্যাবসায়ী মহসীন আক্তার মীর’কে  >>

 

আদিনা মসজিদ কি সত্যিই মসজিদ?

……………..পরবর্তীতে দেখলাম  রজনীকান্ত চক্রবর্তী আমাদের ততটাও হতাশ করেন নি। প্রবাসী পত্রিকায় ‘পান্ডুয়া ভ্রমণ’ নামক রচনায় তিনি লিখেছেন, “আমি সাতাইশ বৎসর পূর্ব্বে একবার পান্ডুয়া দেখিতে গিয়াছিলাম…তখন আদিনার ভিতর বিস্তর হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি দিয়া খচিত নামাজের স্থানে উঠিবার সোপান দেখিয়াছিলাম। যেমন মসজিদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ স্খলিত হইতেছিল,অমনি মুসলমান ভয়ে লুক্কায়িত গণেশ কার্ত্তিকেয় কৃষ্ণ বিষ্ণু বাহির হইয়া পড়িতেছিল। সে সকল মূর্তির নাক প্রায় ভাঙ্গা ছিল। বেচারা কালাপাহাড়ের উপর তার কারণ অর্পিত হইত। এখন সে সকল মূর্তি দেখা গেল না। কোথায় গেল ?” ……….. »

 

শান্তির মূল্য

Image

শান্তি চাইলেই শান্তি পাবেন কেন ? এ জগতে কোনকিছু কি বিনা মূল্যে পাওয়া যায়? একটা পেন্সিলও তো বিনা মূল্যে পাওয়া যায় না! তাহলে শান্তি-র মত এত গুরুত্বপূর্ন জিনিস বিনা মূল্যে পেতে চাইছেন কেন ? পূর্ববঙ্গে আমাদের পূর্বপুরুষরা কোন মূল্য দিতে প্রস্তুত না থাকায় তো তাঁরা রিফিউজি হয়েছিলেন। আপনারা আবার সেই পথে এগোচ্ছেন ! এই পশ্চিম বাংলাকে আবার ইসলামিক স্থান করতে আপনারা তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষরা সাহায্য করছেন। এই বাংলার বাঁচার কোন আশা নেই। ৪৭-এর দেশভাগ থেকে কোন শিক্ষা এই জাতি নিল না। তাকে কে বাঁচাবে ? শান্তির জন্য মূল্য দিতে হয়। সে মূল্য হল – অশান্তিকে বরণ করে নেওয়া। দুর্বৃত্তের কাছে মাথা নত না করা। সত্যের জন্য ন্যায়ের জন্য লড়াই করা। আপনারা জেনেও জানেন না, বুঝেও বোঝেন না যে, শান্তি রক্ষার সব চেয়ে বড় উপায় হল শক্তি। আছে এই বাংলায় হিন্দুর সেই শক্তি? পার্কসার্কাস এলাকা থেকে সব হিন্দুরা বাড়ি বিক্রি করে চলে যাচ্ছে কেন ? জানেন না? বোঝেন না? দুর্বল বলে। শক্তির অভাবে। আপনারা ধর্মনিরপেক্ষ প্রগতিশীল উদার হিন্দুরা তাদের পাশে গিয়ে দাঁড়াচ্ছেন না কেন? বাস্তবে আপনারা এতই দুর্বল এতই কাপুরুষ যে পার্কসার্কাস – মেটিয়াবুরুজের নির্মম সত্যটাকেও লুকিয়ে রাখেন। কাশ্মীরের হিন্দুরা কোনদিন আর এস এস, শিবসেনা করে নি। আমি নিজে কাশ্মীরি রিফিউজি ক্যাম্পগুলো ঘুরেছি। দেখেছি – মুসলমানরা অসন্তুষ্ট হবে এই ভয়ে তারা শ্যামাপ্রসাদের নাম পর্যন্ত তাদের ছেলেমেয়েদেরকে জানতে দেয়নি। কোনদিন “জয় শ্রীরাম” স্লোগান দেয়নি। পূর্ববঙ্গের হিন্দুরাও কোনদিন আর এস এস করেনি। কিন্তু তারা কেউ বাঁচেনি ইসলামিক আগ্রাসন, অত্যাচার, ধর্ষনের হাত থেকে। আপনারা সেই পথে পশ্চিমবঙ্গকে আবার নিয়ে যাচ্ছেন। তাই বেশী দেরী না করে বুঝুন – শান্তির একমাত্র মূল্য যুদ্ধ। আর কিছু নয়।

                                                                                                   …………………..তপন ঘোষ