হিন্দু ধর্মে ফিরলেন অলিপুরদুয়ারের খ্রিস্টান তরুণী হীরামনি

হিন্দু সংহতির সহায়তায় হিন্দু ধর্মে ফিরলেন আলিপুরদুয়ার জেলার তুরতুরী গ্রামের বাসিন্দা খ্রিস্টান তরুণী হীরামনি খাড়িয়া। তিনি বিয়ে করলেন একই জেলার উত্তর রামপুর বস্তির হিন্দু তরুণ বিশ্বজিৎ দেবনাথকে। গতকাল ১৫ই ফেব্রুয়ারি হিন্দু সংহতির সহযোগিতায় এবং কর্মীদের উদ্যোগে তাঁর বিবাহ সম্পন্ন হয় সম্পূর্ণ হিন্দু রীতিতে। বিশ্বজিৎ এবং হীরামনির মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল।কিন্তু তাঁরা বিয়ে করতে চাইলে বাধা আসে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী হীরামনির পরিবার থেকে। তখন তাঁরা হিন্দু সংহতির স্থানীয় কর্মীদের কাছে সহযোগিতা প্রাথর্না করে।তখন হিন্দু সংহতি কর্মীদের সহযোগিতায় এবং ব্যবস্থাপনায় বিশ্বজিৎ এবং হীরামনির শুভ বিবাহ সম্পন্ন হয়। হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে সনাতন ধর্মে স্বাগতম হীরামনিকে।

Advertisements

ডুয়ার্সের রায়ডাক চা বাগান এলাকায় হিন্দু সংহতির বস্ত্র বিতরণ

গত ১লা ফেব্রূয়ারি থেকে আলিপুরদুয়ার জেলার অন্তর্গত ডুয়ার্সের রায়ডাক চা বাগানে এক ভাগবত কথা  অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল, যার আয়োজকদের মধ্যে বেশিরভাগই হিন্দু সংহতির কর্মী। সেই অনুষ্ঠান গতকাল ৯ই ফেব্রূয়ারি শেষ হয়। শেষ দিনে ওখানে একটি গণ বিবাহ অনুষ্ঠিত হয়। সেই অনুষ্ঠানে হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে ৫০ জনের হাতে শাড়ি তুলে দেওয়া হয়। ওই অনুষ্ঠানে হিন্দু সংহতির স্থানীয় কর্মীদের সাথে উপস্থিত ছিলেন ওই এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত হিন্দু সংহতির প্রমুখ কর্মী শ্রী বিক্রম ছেত্রী।

ডুয়ার্সের ধৌলাঝরা বস্তিতে হিন্দু সংহতির বস্ত্র বিতরণ

গত ৬ই জানুয়ারি, আলিপুরদুয়ার জেলার ডুয়ার্সের ধৌলাঝরা বস্তিতে হিন্দু সংহতির উদ্যোগে এক বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান হয়। এই অনুষ্ঠানে ধৌলাঝরা বস্তির রাভা, সাঁওতাল, সাদ্রীভাষী জনজাতির বহু মানুষ উপস্থিত হয়েছিলেন এই অনুষ্ঠানে শতাধিক মহিলার হাতে শাড়ি তুলে দেওয়া হয়। এই অনুষ্ঠানে হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির সহ সম্পাদক শ্রী সুজিত মাইতি, ডুয়ার্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মী শ্রী বিক্রম ছেত্রী, প্রমুখ কর্মী শ্রী অমিত মালী এবং ধৈলাঝরা এলাকার কর্মী শ্রীমতি মীনাক্ষী রাভা। এছাড়াও উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন শ্রী সুজিত মাইতি মহাশয়। তিনি তার বক্তব্যে উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে আহ্বান জানিয়ে বলেন যে আমাদের সকলকে সনাতন ধর্মে থেকে ধর্মকে, নিজের পরিচয়কে আরও বেশি শক্তিশালী করার দরকার।সেইসঙ্গে খ্রিস্টানদের ধর্মান্তকরণ করার চক্রান্তকে ব্যার্থ করার কাজে হিন্দু সংহতির সহযোগী হওয়ার জন্য এগিয়ে আসতে বলেন।

হিন্দুধর্মে ফিরলেন আলিপুরদুয়ারের খ্রিস্টান তরুণী অপর্ণা

shyam-anjali

পূর্বপুরুষের সনাতন হিন্দুধর্মে ফিরে এলেন আলিপুরদুয়ারের কোহিনুর চা বাগানের খ্রিস্টান তরুণী অপর্ণা ওঁরাও(নাম পরিবর্তিত)। বহু বছর আগে অপর্ণার পরিবারকে দারিদ্র্যের সুযোগ নিয়ে খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত করা হয়েছিল। সেই থেকে তাঁর পরিবারের সব সদস্যই খ্রিস্টান ধর্ম মেনে চলতেন। এর মধ্যে বিগত কয়েকবছর ধরে অপর্ণার সঙ্গে ধৈলাঝরা চা বাগানের শ্যাম খাড়িয়ার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিন্তু অপর্ণাকে বিয়ে করতে চাইলে স্থানীয় চার্চ-এর নেতৃত্বে খ্রিস্টানরা বাধা দেয়। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় হিন্দু সংহতির কর্মীরা সাহায্যে এগিয়ে আসে। এমনকি শ্যামের পরিবারও প্রথম দিকে খ্রিস্টান তরুণীকে বিয়ের ব্যাপারে বাধা দেয়। কিন্তু হিন্দু সংহতির কর্মীদের ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় শিব মন্দিরে সনাতন, বৈদিক মতে অপর্ণাকে হিন্দুধর্মে ফিরিয়ে আনা হয়। তারপর ওই শিবমন্দিরে তাদের বিবাহ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। এরপরই শ্যাম খাড়িয়ার পরিবার নতুন বধূকে আপন করে নেন। হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে ভবিষ্যতেও এই দম্পতির পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

আলিপুরদুয়ারের রায়ডাক চা বাগানে হিন্দু সংহতির কম্বল বিতরণ

গত ৮ই ডিসেম্বর, শনিবার আলিপুরদুয়ার জেলার শামুখতলা থানার অন্তর্গত রায়ডাক চা বাগানে হিন্দু সংহতির উদ্যোগে এক কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানটি রায়ডাক চা বাগানের শ্রী শ্রী হনুমান মন্দির প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠানটি হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির সহ সম্পাদক শ্রী সুজিত মাইতি, প্রমুখ কর্মী শ্রী অমিত মালী, আলিপুরদুয়ার -এর প্রমুখ কর্মী শ্রী বিক্রম ছেত্রী ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।এই অনুষ্ঠানে প্রায় ১০০জন আদিবাসী ও পাহাড়ি মানুষকে কম্বল দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে ভজন সন্ধ্যারও আয়োজন করা হয়েছিল। সবশেষে আগত সবাইকে খিচুড়ি খাওয়ানো হয়।এই অনুষ্ঠানে হিন্দু সংহতির সহযোগী হয়েছিলেন কলকাতার “সালাসার ভক্তবৃন্দ”। এই শুভ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ডুয়ার্সে হিন্দু সংহতির পথচলা শুরু হলো।

আলিপুরদুয়ারের ময়নাবাড়িতে হিন্দু সংহতির কম্বল বিতরণ

আজ ১২ই ডিসেম্বর, বুধবার আলিপুরদুয়ার জেলার শামুখতলা থানার অন্তর্গত ময়নাবাড়ি চা বাগানে হিন্দু সংহতি, কলকাতার সালাসার ভক্তবৃন্দ -এর সহযোগিতায় কম্বল বিতরণ করলো।এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির সহ সম্পাদক শ্রী সুজিত মাইতি, স্থানীয় প্রমুখ কর্মী শ্রী বিক্রম ছেত্রী, শ্রী রাম ছেত্রী, মোহন ছেত্রী, নারায়ণ শাহ এবং শিবু শর্মা। গত ৯ই ডিসেম্বর থেকে ময়নাবাড়ি নিবাসী শ্রী পদম বাহাদুর ছেত্রী মহাশয়ের বাড়িতে তিনদিন ব্যাপী ভাগবত কথা অনুষ্ঠান ছিল। সেই অনুষ্ঠানে স্থানীয় চা বাগানে কর্মরত আদিবাসী,নেপালি সম্প্রদায়ের বহু মানুষ উপস্থিত ছিলেন।তাদেরকে হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে কম্বল বিতরণ করা হয়।এছাড়াও এই অনুষ্ঠানে দুই জন নেপালী দম্পতির বিবাহ দেওয়া হয়।তাদের মধ্যে একজন দম্পতিকে খ্রিস্টান ধর্ম থেকে হিন্দু ধর্মে ফিরিয়ে আনার পর তাদেরকে হিন্দু ধর্মের নিয়ম মেনে বিবাহ দেওয়া হয়। হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে ওই দুই দম্পতিকে একটি করে কম্বল উপহার দেওয়া হয়।

আলিপুরদুয়ারের রায়মাটাং চা বাগানে ছাত্রী নিখোঁজ, পাচার হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা

আলিপুরদুয়ার জেলার কালচিনি থানার অন্তর্গত রায়মাটাং চা বাগানের বাসিন্দা দশম শ্রেণির এক ছাত্রী নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গত ১নভেম্বর সকালে স্কুলে যায় কালচিনি হিন্দি হাইস্কুলের ওই ছাত্রীটি। কিন্তু আর বাড়ি ফেরেনি। সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুজির পরও তাকে পাওয়া যায়নি। ছাত্রীর পরিবারের ধারণা মেয়ে নারী পাচারচক্রের খপ্পরে পড়তে পারে। কারণ ইদানিং চা বাগান এলাকায় নারীপাচার প্রচুর সংখ্যায় হচ্ছে। বেশ কিছুদিন আগেই এক নারীপাচারকারী সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ফলে পাচার হয়ে যাবার সম্ভাবনা একেবারেই উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এনিয়ে তারা কালচিনি থানায় সন্দেহভাজন একজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগও দায়ের করেছে। পুলিশ সুপার আভারু রবীন্দ্রনাথন বলেন, রায়মাটাং চা বাগান থেকে এক স্কুল ছাত্রী নিখোঁজ হয়েছে। ছাত্রীটিকে উদ্ধারে সব রকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

আলিপুরদুয়ারে ৩৬হাজার টাকার জালনোটসহ রহিম মিঞা গ্রেপ্তার

ভারতীয় ৩৬ হাজার টাকার জাল নোটসহ আলিপুরদুয়ারের শামুকতলা থানার পুলিশ গত ৭ই নভেম্বর, মঙ্গলবার এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম রহিম মিঞা। তার বাড়ি তুফানগঞ্জের উত্তর ধলপলে। এদিন দুপুরে ভাটিবাড়ি বাজারে এক লটারি বিক্রেতার দোকানে ওই জাল টাকার নোট ভাঙাতে এলে লটারি বিক্রেতার নোটগুলি দেখে সন্দেহ হয়। তারপরই বিষয়টা পুলিশকে জানানো হয়। পরে পুলিশ এসে রহিম মিঞাকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ সুপার আভারু রবীন্দ্রনাথন বলেন, বুধবার ধৃত ব্যক্তিকে আদালতে তুলে পুলিশি হেপাজতের জন্য আদালতের কাছে আবেদন করা হবে।

লকআপ থেকে বন্দি পালানোর ঘটনায় ক্লোজ জয়গাঁ থানার ওসি

শৌচাগারে যাওয়ার নাম করে পুলিশি লকআপ থেকে কুখ্যাত অপরাধী পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় জয়গাঁ থানার ওসি বিরাজ মুখোপাধ্যায়কে ক্লোজ করা হয়েছে। ওই জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দীপঙ্কর সাহাকে। জেলার পুলিশ সুপার আভারু রবীন্দ্রনাথ বলেন, পুলিশের লকআপ থেকে দুষ্কৃতী পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগে জয়গাঁ থানার ওসিকে ক্লোজ করা হয়েছে। ফেরার ওই অপরাধী জিল্লাদ মিঞার খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চলছে। প্রসঙ্গত, ডুয়ার্সের বিভিন্ন জায়গায় সোনার দোকানে ডাকাতি ও অস্ত্র পাচারের অভিযোগে জামিনে থাকা জিল্লাদকে গত ৫৪ঠা নভেম্বর, শনিবার রাতে অন্য একটি মামলায় পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল। কিন্তু পরেরদিন ৫ই নভেম্বর, রবিবার, ভোরে শৌচাগারে যাওয়ার নাম করে ধৃত থানার লকআপ থেকে চম্পট দেয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কর্তব্যে গাফিলতির কারণেই আগের ওসিকে ক্লোজ করা হয়েছে।

পাচারের আগে আলিপুরদুয়ারে উদ্ধার ২ আদিবাসী যুবতী, গ্রেপ্তার সাদ্দাম হোসেন

বেশিরভাগ চা বাগানই বন্ধ। কাজ নেই, বাড়িতে অভাব। আর সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আদিবাসী পরিবারের মেয়েদেরকে পাচার করে দেওয়া হচ্ছে ভারতের অন্য রাজ্যের যৌনপল্লীগুলিতে। রীতিমতো দল বেঁধে  পাচারকারীরা ঘাঁটি গেড়েছে চা বাগানগুলিতে। কাজের  টোপ দিয়ে  ভিনরাজ্যে পাচারের আগে কালচিনি থানার পুলিশ ১৪ই অক্টোবর, শনিবার সকালে হাসিমারা থেকে দুই আদিবাসী যুবতীকে উদ্ধার করে। নারীপাচারের অভিযোগে এদিনই পুলিশ এক মহিলাকে আটক করে এবং এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। কালচিনি থানার ওসি লাকপা লামা বলেন, কালচিনির একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাহায্যে চা বাগানের দুই যুবতীকে এদিন হাসিমারা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। সাদ্দাম হোসেন নামে নারীপাচার চক্রের এক পান্ডাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত এক মহিলা এজেন্টকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর দুই যুবতীকে তাদের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া দুই যুবতীর বাড়ি কালচিনির ভাতখাওয়া চা বাগানে। গত পাঁচ দিন ধরে ওই দু’জন নিখোঁজ ছিল। এনিয়ে যুবতীদের পরিবার পুলিশকে অভিযোগও জানায়। পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পারে লোহিত এক্সপ্রেসে দুই কিশোরীকে এদিন পাচারের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সেকারণেই তাদের হাসিমারায় লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। এদিন পুলিশ হাসিমারা থেকে তাদের উদ্ধার করে।