হিন্দু ধর্মে ফিরলেন অলিপুরদুয়ারের খ্রিস্টান তরুণী হীরামনি

হিন্দু সংহতির সহায়তায় হিন্দু ধর্মে ফিরলেন আলিপুরদুয়ার জেলার তুরতুরী গ্রামের বাসিন্দা খ্রিস্টান তরুণী হীরামনি খাড়িয়া। তিনি বিয়ে করলেন একই জেলার উত্তর রামপুর বস্তির হিন্দু তরুণ বিশ্বজিৎ দেবনাথকে। গতকাল ১৫ই ফেব্রুয়ারি হিন্দু সংহতির সহযোগিতায় এবং কর্মীদের উদ্যোগে তাঁর বিবাহ সম্পন্ন হয় সম্পূর্ণ হিন্দু রীতিতে। বিশ্বজিৎ এবং হীরামনির মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল।কিন্তু তাঁরা বিয়ে করতে চাইলে বাধা আসে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী হীরামনির পরিবার থেকে। তখন তাঁরা হিন্দু সংহতির স্থানীয় কর্মীদের কাছে সহযোগিতা প্রাথর্না করে।তখন হিন্দু সংহতি কর্মীদের সহযোগিতায় এবং ব্যবস্থাপনায় বিশ্বজিৎ এবং হীরামনির শুভ বিবাহ সম্পন্ন হয়। হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে সনাতন ধর্মে স্বাগতম হীরামনিকে।

Advertisements

কাশ্মীরে জঙ্গি হামলার ঘটনায় বালুরঘাটে পাক পতাকা পুড়িয়ে মিলিটারি অ্যাকশনের দাবি জানিয়ে স্বরাষ্ট্রদপ্তর কে চিঠি হিন্দু সংহতির

কাশ্মীরে জঙ্গি হামলার ঘটনায় প্রতিবাদে গর্জে উঠল দক্ষিণ দিনাজপুর। গতকাল ১৫ই ফেব্রূয়ারি, শুক্রবার সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে রাস্তায় নামেন সাধারণ মানুষ। পাকপতাকা ও পাক প্রধানমন্ত্রীর কুশপুতুল দাহ করে প্রতিবাদ জানানো হয় জেলার বিভিন্ন প্রান্তে। ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে পিছপা হননি হিন্দু সংহতি ও। ওই ঘটনায় জঙ্গিদের বিরুদ্ধে করা মিলিটারি অ্যাকশন নেওয়ার দাবি জানিয়ে স্পিড পোস্টে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে চিঠি করা হয় হিন্দু সংহতির তরফে। পাশাপাশি এদিন বিকেলে শহরের হিলি মোড়ে দেশের ৪৪ জন বীর শহীদদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে জঙ্গি হামলার প্রতিবাদ জানায় হিন্দু সংহতি সদস্যরা। সংগঠনের তরফে ভারতীয় পতাকা উত্তোলন করে পোড়ানো হয় পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা। দাহ করা হয় পাক প্রধানমন্ত্রীর কুশপুত্তলিকাও। একই ঘটনায় এদিন বালুরঘাটের বাদামাইলে হিলি বালুরঘাট জাতীয় সড়কের ওপর ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের কুশপুতুল দাহ করে স্থানীয় বাসিন্দারা।

বালুরঘাটে হিন্দু সংহতির তরফে রজত রায় জানিয়েছেন, জঙ্গি প্রশিক্ষণের আঁতুড়ঘর পাকিস্তান। সেখানে বসেই পাকিস্তান এমন সব সন্ত্রাসমূলক কাজ করে চলেছে। এর বিরুদ্ধে কড়া মিলিটারি অ্যাকশন নিতে স্বরাষ্ট্র দপ্তরকে স্পিড পোস্টের মাধ্যমে তাদের সংগঠনের তরফে চিঠি পাঠানো হয়েছে। একই সাথে পোড়ানো হয়েছে পাকিস্তানের জাতীয় পতাকাও।

ডুয়ার্সের রায়ডাক চা বাগান এলাকায় হিন্দু সংহতির বস্ত্র বিতরণ

গত ১লা ফেব্রূয়ারি থেকে আলিপুরদুয়ার জেলার অন্তর্গত ডুয়ার্সের রায়ডাক চা বাগানে এক ভাগবত কথা  অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল, যার আয়োজকদের মধ্যে বেশিরভাগই হিন্দু সংহতির কর্মী। সেই অনুষ্ঠান গতকাল ৯ই ফেব্রূয়ারি শেষ হয়। শেষ দিনে ওখানে একটি গণ বিবাহ অনুষ্ঠিত হয়। সেই অনুষ্ঠানে হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে ৫০ জনের হাতে শাড়ি তুলে দেওয়া হয়। ওই অনুষ্ঠানে হিন্দু সংহতির স্থানীয় কর্মীদের সাথে উপস্থিত ছিলেন ওই এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত হিন্দু সংহতির প্রমুখ কর্মী শ্রী বিক্রম ছেত্রী।

তিনদফা দাবিতে বালুরঘাটে মিছিল হিন্দু সংহতির

দক্ষিণ দিনাজপুরে হিন্দু সংহতির কাজ পুরোদমে এগিয়ে চলছে। আদিবাসী ছাত্র-ছাত্রীদের পুস্তক বিতরণ গত 2রা ফেব্রয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়ার পরে, তিনদফা দাবিতে বালুরঘাটে এক মিছিল অনুষ্ঠিত হলো দক্ষিণ দিনাজপুরের প্রমুখ কর্মী শ্রী রজত রায়ের নেতৃত্বে। এই মিছিলে বালুরঘাট, বুনিয়াদপুর এবং আশেপাশের এলাকা থেকে কয়েকশ হিন্দু সংহতির কয়েকশ কর্মী-সমর্থক অংশ নেন। মিছিল থেকে বাংলাদেশ থেকে আগত হিন্দু শরণার্থীদের ভারতের নাগরিকত্ব দেবার দাবিতে, জন্ম নিয়ন্ত্রণ আইন চালুর দাবিতে এবং বাংলাদেশি মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের বিতাড়নের দাবিতে স্লোগান ওঠে। এই মিছিল থানা মোড় থেকে শুরু হয়ে শহর ঘুরে থানা মোড়ে শেষ হয়।

ডুয়ার্সের ধৌলাঝরা বস্তিতে হিন্দু সংহতির বস্ত্র বিতরণ

গত ৬ই জানুয়ারি, আলিপুরদুয়ার জেলার ডুয়ার্সের ধৌলাঝরা বস্তিতে হিন্দু সংহতির উদ্যোগে এক বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান হয়। এই অনুষ্ঠানে ধৌলাঝরা বস্তির রাভা, সাঁওতাল, সাদ্রীভাষী জনজাতির বহু মানুষ উপস্থিত হয়েছিলেন এই অনুষ্ঠানে শতাধিক মহিলার হাতে শাড়ি তুলে দেওয়া হয়। এই অনুষ্ঠানে হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির সহ সম্পাদক শ্রী সুজিত মাইতি, ডুয়ার্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মী শ্রী বিক্রম ছেত্রী, প্রমুখ কর্মী শ্রী অমিত মালী এবং ধৈলাঝরা এলাকার কর্মী শ্রীমতি মীনাক্ষী রাভা। এছাড়াও উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন শ্রী সুজিত মাইতি মহাশয়। তিনি তার বক্তব্যে উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে আহ্বান জানিয়ে বলেন যে আমাদের সকলকে সনাতন ধর্মে থেকে ধর্মকে, নিজের পরিচয়কে আরও বেশি শক্তিশালী করার দরকার।সেইসঙ্গে খ্রিস্টানদের ধর্মান্তকরণ করার চক্রান্তকে ব্যার্থ করার কাজে হিন্দু সংহতির সহযোগী হওয়ার জন্য এগিয়ে আসতে বলেন।

বালুরঘাটে দুঃস্থ আদিবাসী ছাত্র-ছাত্রীদের পুস্তক বিতরণ হিন্দু সংহতির

 

শিবা সোরেন – দক্ষিণ দিনাজপুরের পতিরাম উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্র। সে তাঁর পরিবারের প্রথম প্রজন্মের পড়ুয়া। ছোটবেলায় তাঁর বাবা মারা গিয়েছিলো। তার পর থেকে খুব কষ্ট করেই সে পড়াশুনো করছে।সে বড় হয়ে ডাক্তার হয়ে মানুষের সেবা করার স্বপ্ন দেখে।  শুভজিৎ হাঁসদা একই জেলার সুদর্শনগর P. H. H. B. উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর। তার পিতা সামান্য কিছু জমিতে কৃষিকাজ করে সংসার চালান। অভাবের পরিবারে শিক্ষিত হওয়ার স্বপ্ন দেখে শুভজিৎ। সে বড়ো হয়ে ইঞ্জিনিয়ার হতে চায়। বালুরঘাটের রীমা মান্ডি। সে কুরমাইল সোনাওয়ালা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী। সেও তার পরিবারের প্রথম প্রজন্মের পড়ুয়া। তার কৃষক পিতার সামর্থ নেই তাঁর হাতে প্রয়োজনীয় বই তুলে দেওয়ার। বংশীহারির অর্পণ পাহান। সে বংশীহারি উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণীতে পড়াশুনো করে। তাঁর পিতা একজন দিনমজুর। সেও শিক্ষিত হওয়ার স্বপ্ন দেখে, স্বপ্ন দেখে বড়ো হয়ে পরিবারের অভাব দূর করবার। গতকাল ২রা ফেব্রূয়ারি, শনিবার হিন্দু সংহতির কোষাধক্ষ্য সাগর হালদারের তত্বাবধানে বালুরঘাটে এইরকম ৫০ জন  ছেলেমেয়ের(যার মধ্যে ২৪ জন নবম শ্রেণীর এবং ২৬জন দশম শ্রেণীর ) হাতে হিন্দু সংহতির তরফ থেকে তাদের সমূহ প্রয়োজনীয় বইয়ের সেট তুলে দেওয়া হলো। এই অনুষ্ঠানে হিন্দু সংহতির সভাপতি  দেবতনু ভট্টাচার্য  বলেন, ”আমাদের সভ্যতা, সংস্কৃতি পৃথিবীর মধ্যে এক বিশেষ জায়গা অধিকার করে আছে। আজ যারা বয়স্ক, তারা ভারতের সভ্যতা, সংস্কৃতিকে উচ্চ তুলে ধরার কাজ আর করতে পারবে না। সেই দায়িত্ব আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ছাত্রসমাজকে নিতে হবে। সেই কাজে শক্তির দরকার। আর সেই শক্তি হলো শিক্ষা। আর সেই শক্তি গ্রহণের পথে যাতে কোনো বাধা না সৃষ্টি হয়, সেই কারণে হিন্দু সংহতি তোমাদের হাতে বই তুলে দিলো।” তিনি উপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেন যে, ”তোমরা মন দিয়ে পড়াশুনো করো,শক্তি সঞ্চয় করো এবং ভারতের সংস্কৃতি, সভ্যতাকে বিশ্বে তুলে ধরার কাজ করো। সেই পথে বাধা এলে হিন্দু সংহতি তোমাদের পাশে সবসময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবে।” এছাড়াও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির সহ সভাপতি শ্রী সমীর গুহরায়,  সহ সম্পাদক শ্রী সুজিত মাইতি, বালুরঘাট ভারত সেবাশ্রম সংঘের শ্রী বিদুরানন্দজী মহারাজ, অনুপমানন্দজী মহারাজ, বালুরঘাটের বিখ্যাত আইনজীবী শ্রী বিদ্যুৎ কুমার রায়, দক্ষিণ দিনাজপুরের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব শ্রী রজত রায় এবং শ্রী প্রমিত লাহা।

হিন্দুধর্মে ফিরলেন আলিপুরদুয়ারের খ্রিস্টান তরুণী অপর্ণা

shyam-anjali

পূর্বপুরুষের সনাতন হিন্দুধর্মে ফিরে এলেন আলিপুরদুয়ারের কোহিনুর চা বাগানের খ্রিস্টান তরুণী অপর্ণা ওঁরাও(নাম পরিবর্তিত)। বহু বছর আগে অপর্ণার পরিবারকে দারিদ্র্যের সুযোগ নিয়ে খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত করা হয়েছিল। সেই থেকে তাঁর পরিবারের সব সদস্যই খ্রিস্টান ধর্ম মেনে চলতেন। এর মধ্যে বিগত কয়েকবছর ধরে অপর্ণার সঙ্গে ধৈলাঝরা চা বাগানের শ্যাম খাড়িয়ার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিন্তু অপর্ণাকে বিয়ে করতে চাইলে স্থানীয় চার্চ-এর নেতৃত্বে খ্রিস্টানরা বাধা দেয়। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় হিন্দু সংহতির কর্মীরা সাহায্যে এগিয়ে আসে। এমনকি শ্যামের পরিবারও প্রথম দিকে খ্রিস্টান তরুণীকে বিয়ের ব্যাপারে বাধা দেয়। কিন্তু হিন্দু সংহতির কর্মীদের ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় শিব মন্দিরে সনাতন, বৈদিক মতে অপর্ণাকে হিন্দুধর্মে ফিরিয়ে আনা হয়। তারপর ওই শিবমন্দিরে তাদের বিবাহ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। এরপরই শ্যাম খাড়িয়ার পরিবার নতুন বধূকে আপন করে নেন। হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে ভবিষ্যতেও এই দম্পতির পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

বৈষ্ণবনগরে প্রায় ৫লক্ষ টাকার জালনোটসহ গ্রেপ্তার ইকবাল শেখ

মালদহের বৈষ্ণবনগর থানার তেলিপাড়া সড়ক থেকে বাইকে করে নিয়ে যাওয়ার পথে এক ব্যক্তির কাছ থেকে পৌনে পাঁচ লক্ষ টাকার জালনোট বাজেয়াপ্ত করেছে বিএসএফ। বুধবার ভোররাতে হঠাৎপাড়া লিঙ্ক রোডের কাজ থেকে সন্দেহভাজন এক বাইক আরোহীকে বিএসএফ আটক করে। তাদের কাছে তল্লাশি চালিয়ে ওই জালনোট বাজেয়াপ্ত হয়। বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম ইকবাল শেখ। ধৃত ওই যুবক শব্দলপুরের কুশলপাড়ার বাসিন্দা। ধৃতের কাছ থেকে ২৩৮টি নতুন ২০০০ টাকার জালনোট মিলেছে। উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমান ৪লক্ষ ৭৬ হাজার টাকা। গতকাল ২৩শে জানুয়ারী, বুধবার ধৃতকে বৈষ্ণবনগর থানার পুলিসের হাতে পরবর্তী তদন্তের জন্যে তুলে দেয় বিএসএফ ।

মালদহের ইংলিশবাজারের কালীমন্দিরে প্রণামীর টাকাসহ অলংকার চুরি, অধরা দুষ্কৃতীরা

inglishbazarপশ্চিমবঙ্গের জেলায় জেলায় একের পর এক মন্দিরে চুরি হয়ে চলেছে। চোরেরা প্রত্যেকটি মন্দিরের অলংকার থেকে শুরু করে পূজার যাবতীয় জিনিস চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। এবার চুরি হলো মালদার কালীমন্দিরে। গত ১৯শে জানুয়ারী, শুক্রবার রাতে  মালদহের ইংলিশবাজারের হায়দরপুরের একটি ক্লাবের কালীমন্দিরে  চুরির ঘটনা ঘটলো । শনিবার সকালে স্থানীয়রা মন্দিরের ভাঙা লোহার গেট দেখে চুরির বিষয়টি বুঝতে পারে। তারপরেই হইচই পড়ে যায়। ক্লাব সূত্রে জানা গিয়েছে, দেবীপ্রতিমার গায়ে থাকা যাবতীয় অলঙ্কার, বাসনপত্র ও প্রণামীর টাকা দুষ্কৃতীরা নিয়ে চলে গিয়েছে। সবমিলিয়ে লক্ষাধিক টাকার চুরি হয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি। ঘটনার খবর পেয়ে পরে পুলিস আসে। শহরের মধ্যে এধরনের চুরি নিয়ে বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। বাসিন্দাদের দাবি, সম্প্রতি শহরে একাধিক মন্দিরে চুরির ঘটনা ঘটেছে। ইংলিশবাজার থানার আইসি পূর্ণেন্দু কুণ্ডু বলেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে চুরির সঙ্গে জড়িত কাউকে এখনো পর্যন্ত গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিস।

সীমান্তে কাঁটাতার কাটার চেষ্টা, বিএসএফ-এর গুলিতে মৃত্যু বাংলাদেশীর

ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার কাটতে এসে বি এস এফের গুলিতে মৃত্যু হলো এক বাংলাদেশীর। গত ১৮ ই জানুয়ারী ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরদিনাজপুর জেলার গোয়ালপোখর থানার শ্রীপুর বর্ডার আউট পোষ্টে। পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ইসলামপুর হাসপাতাল মর্গে নিয়ে এসেছে। মৃতদেহের পাশ থেকে দুটি কাটার ও ভোজালি উদ্ধার হয়েছে। মৃতের পরিচয় জানা যায় নি। গোয়ালপোখর থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করছে। পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে, ওইদিন ভোরে গোয়ালপোখর থানার ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে শ্রীপুর বর্ডার দিয়ে এক ব্যাক্তি কাটাতারের বেড়া কেটে ভারত সীমান্তে ঢোকার চেষ্টা করে। সেই সময় প্রহরারত বি এস এফ জোয়ান তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় ওই ব্যাক্তির। মৃতদেহর পাশ থেকে উদ্ধার হয় দুটি কাটার ও একটি ভোজালি। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ইসলামপুর হাসপাতালে পাঠায়। মৃতের পরিচয় জানা যায়নি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে গোয়ালপোখর থানার পুলিশ।

কোচবিহারে কীর্তন অনুষ্ঠানের মাইক বন্ধ করলো প্রশাসন, প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ হিন্দুদের

kirtanব্লক প্রশাসনের বিরুদ্ধে কীর্তন বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ তুলে গতকাল ১২ই জানুয়ারী,  শনিবার কোচবিহারের ধলুয়াবাড়িতে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় হিন্দু বাসিন্দারা। জানা গিয়েছে, গত ১১ই জানুয়ারী, শুক্রবার রাতে ধলুয়াবাড়িতে কীর্তনের আসর বসেছিল।  সেই সময় স্থানীয় বিডিও এবং পুলিস গিয়ে কীর্তনের মাইক বন্ধ করে দেয় বলে অভিযোগ। গভীর রাতে মাইকে কীর্তন হওয়ার জেরে বাসিন্দাদের ঘুমের ব্যাঘাত হচ্ছে এই অভিযোগেই সেসময় কীর্তন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। ব্লক প্রশাসনের দাবি, স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগের জেরেই মাইক বন্ধ করার অনুরোধ করা হয়েছিল। কোনওভাবেই কোনও ভাবাবেগে আঘাত করার অভিপ্রায় ছিল না। এদিকে স্থানীয় হিন্দু বাসিন্দারা জানিয়েছেন, কীর্তন অনুষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে হয়ে আসছে। সেইসঙ্গে তারা অভিযোগ করেছেন,  জেলার বিভিন্ন জায়গায় গভীর রাত পর্যন্ত মাইক বাজিয়ে নানা ধরনের অনুষ্ঠান হয়। তখন কেন বন্ধ করা হয় না?  ঘণ্টাখানেক ধরে এই অবরোধ হয়। এতে দিনহাটা থেকে কোচবিহার যাওয়ার রাস্তায় ব্যাপক যানজট হয়। পরে বিডিও, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা, পুলিস গিয়ে বিক্ষোভকারীদের বুঝিয়ে অবরোধ তুলে দেয়। বিক্ষোভকারীরা বলেন, বিডিও গিয়ে আমাদের কীর্তন বন্ধ করে দিয়েছেন। এটা আমরা কোনওভাবেই মানব না।

বালুরঘাটে আদিবাসীদের কম্বল বিতরণ হিন্দু সংহতির

শীতের প্রকোপে নিতান্ত অসহায় হতদরিদ্র আদিবাসী ভাই বোনেদের মুখে সামান্য হাসি ফোটাতে তাদের বাড়ীর উঠোনে পৌছে গেলো হিন্দু সংহতি।বাস রাস্তা থেকে চার কিলোমিটার ভেতরে বালুরঘাট ব্লকের ডাঙ্গা অঞ্চলের প্রত্যন্ত মাধবপাড়া গ্ৰামে আদিবাসী ভাইদের বাড়ীর উঠোনে গিয়ে তাদের হাতে কম্বল তুলে দিয়ে এলেন হিন্দু সংহতির কার্যকর্তা শ্রী প্রমিত লাহা এবং শ্রী রজত রায়। এখনো ঐ গ্ৰামে লাঙ্গল দিয়ে চাষ হয়। বহু মানুষ সেখানে সম্পূর্ণ অসহায়, নিঃস্ব। তাদের পাশে থাকার বার্তা দিতে হিন্দুসংহতির এই প্রয়াস।

দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে আদিবাসীদের কম্বল বিতরণ হিন্দু সংহতির

আদিবাসী হিন্দু ভাই-বোনদের মুখে একটুখানি হাসি ফোটানোর লক্ষ্যে গত ৬ই জানুয়ারি, রবিবার হিন্দু সংহতির উদ্যোগে বালুরঘাট ব্লকের মালঞ্চা আয়নাপাড়া গ্ৰামে রবিবার দুস্থ আদিবাসী ভাই বোনদের মধ্যে কম্বল বিতরন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে দুঃস্থ আদিবাসী বৃদ্ধ-বৃদ্ধা এবং মহিলাদের হাতে কম্বল তুলে দেওয়া হয়। হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে ৫৮জনের হাতে কম্বল তুলে দেওয়া হয়।এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির স্থানীয় কর্মকর্তা শ্রী রজত রায় মহাশয়, বালুরঘাট সদর হাসপাতালের (অবসরপ্রাপ্ত) স্টোর ইনচার্জ শ্রী গৌরীশঙ্কর রায়, বালুরঘাট জেলা আদালতের আইনজীবি শ্রী প্রদীপ সরকার, মুহুরি শ্রী নিশিকান্ত পাহান, পঞ্চায়েত সদস্যা শ্রীমতি সাদ্রী ওরাও এবং আরো অনেকে। সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের মাধ্যমে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিরা হিন্দু সমাজের ঐক্যবদ্ধতার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন এবং বিভিন্ন কর্মসূচীর মাধ্যমে আদিবাসী সমাজকে আরো সক্রিয়ভাবে হিন্দুসমাজে অগ্ৰনী ভূমিকা নেবার আহ্বান জানান। দল নয়, গোষ্ঠী নয়, ভাষা নয়, বর্ণ নয়, পেশা নয়, পরিচিতি একটাই হোক- আমরা হিন্দু; এই বার্তাই দেন বক্তারা।

কোচবিহারে পুলিস ভ্যান থেকে পালিয়ে গেল ২ বাংলাদেশী মুসলিম অনুপ্রবেশকারী

সংশোধনাগারে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ কর্মীদের মারধর করে পালিয়ে গেল গ্রেপ্তার হওয়া দুই বাংলাদেশী মুসলিম অনুপ্রবেশকারী । গতকাল ২রা জানুয়ারী, বুধবার সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহার জেলার  ঘুঘুমারি এলাকায়। ওই ঘটনায় প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে ।জানা গিয়েছে, দিন ১৭ আগে অবৈধ ভাবে ভারতের প্রবেশ করার সময় দিনহাটা মহকুমার নয়ার হাট এলাকা থেকে বিএসএফ ২জন বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীকে  আটক করে। পরে তাদের দিনহাটা থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।  পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে ধৃত ওই দুই বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী  নাম মিজানুর শেখ ও সারিদ শেখ। এদিন তাঁদের দিনহাটা আদালত থেকে কোচবিহার সংশোধনাগারে নিয়ে আসার সময় ঘুঘুমারি এলাকায় পুলিশ কর্মীদের মারধর করে পুলিস ভ্যান থেকে পালিয়ে যায় ওই দুই বাংলাদেশী কয়েদি । পলাতক ওই দুই বাংলাদেশীর খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।

হিন্দু সংহতির উদ্যোগে কুমারগঞ্জে আদিবাসীদের কম্বল বিতরণ

দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুমারগঞ্জ থানার অন্তর্গত কাঁটাকোল গ্রামটি আদিবাসী অধ্যুষিত গ্রাম।গ্রামের চারিদিকে দারিদ্র্যের ছাপ। খড়ের ছাউনি এবং বাঁশের বেড়াতে মাটির লেপ দেওয়া দেওয়ালের বাড়িতে আদিবাসী ভাই-বোনদের বসবাস; বেশ কয়েকটি বাড়িতে টিন এবং এসবেস্টস-এর ছাউনি দেওয়া। সমাজের এই পিছিয়ে পড়া মানুষগুলির মাঝে কাজ শুরু করলো হিন্দু সংহতি।সেই কাজের অঙ্গ হিসেবে এই শীতে সেইসমস্ত আদিবাসী ভাই-বোনদের মুখে একটুখানি হাসি ফোটানোর উদ্দেশ্যে আজ হিন্দু সংহতির উদ্যোগে একটি কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে ২৫জনের হাতে কম্বল তুলে দেওয়া হয়। কম্বল প্রাপকদের মধ্যে কয়েকজন বৃদ্ধা উপস্থিত ছিলেন।
এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী দেবতনু ভট্টাচার্য, সহ সম্পাদক শ্রী সুজিত মাইতি, বালুরঘাট শহরের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব শ্রী রজত রায়।