সংখ্যালঘু হিন্দুর সুরক্ষায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি দিলো বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট

bdবাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ভবিষ্যত সুরক্ষিত করার লক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি দিলো সে দেশের হিন্দু স্বার্থে কাজ করা হিন্দু সংগঠন ‘বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট’।গত ৭ই নভেম্বর শেখ হাসিনাকে দেওয়া চিঠিতে মহাসচিব গোবিন্দ চন্দ্র প্রামানিক জাতীয় সংসদে ৫০টি আসন সংরক্ষণ করার দাবি জানিয়েছেন।এছাড়াও সংখ্যালঘু মন্ত্রক তৈরির দাবি এবং সংখ্যালঘুদের অভাব-অভিযোগের নিষ্পত্তির জন্যে সংখ্যালঘু কমিশন গঠনেরও দাবি জানিয়েছেন।কিন্তু এই দাবির কতটা বাস্তবায়ন হবে,কিংবা সংখ্যালঘু হিন্দুসমাজের নিরাপত্তা কতটা সুনিশ্চিত হবে,তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে।
এইবার ভারতের সঙ্গে তুলনা করে দেখা যাক।এদেশে সংখ্যালঘুর জন্যে আলাদা মন্ত্রক, আলাদা কমিশন, পৃথক ধর্মীয় শিক্ষার ব্যবস্থা।কিন্তু একটা মুসলিমপ্রধান দেশে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও অধিকার সুনিশ্চিত করার জন্যে কোনো ব্যবস্থা নেই।তাই ভারতের ধর্মনিরপেক্ষবাদীরা যতই দাবি করুক না কেন যে বাংলাদেশে হিন্দুধর্মালম্বী মানুষেরা ভালো আছে, বাস্তব কিন্তু সম্পূর্ণ উল্টো।

Advertisements

বাংলাদেশের মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলায় মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুর

madaripurমাদারীপুরের রাজৈর উপজেলায় একটি মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। দুষ্কৃতীরা মন্দিরের প্রতিমা ভেঙে বাইরে ফেলে দিয়ে যায়।
রাজৈর থানার ওসি জিয়াউল মোর্শেদ জানান, বাজিতপুর ঘোষপাড়া সর্বজনীন মন্দিরে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এই ভাংচুর হয় বলে তারা অভিযোগ পেয়েছেন।
মন্দির কমিটির সভাপতি দীনবন্ধু ঘোষ অভিযোগ করেন, “রাতের আঁধারে আমাদের মন্দিরের রাধাকৃষ্ণ প্রতিমাটি দুর্বৃত্তরা ভেঙে ফেলেছে। সকালে পূজা দিতে গিয়ে বিষয়টি আমাদের নজরে আসে।”
স্থানীয় বাসিন্দা বাবুল ঘোষ বলেন, “নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর এমন একটি ঘটনা ঘটায় আমরা নিরাপত্তাহীনতা বোধ করছি। হিন্দু সম্প্রদায়ের ভেতরে আতঙ্ক কাজ করছে।”

শিখ কিশোরীকে গণধর্ষণ পাকিস্তানে

পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে এম্বুলেন্সের ভিতরে একজন শিখ কিশোরীকে গণধর্ষণ করলো ২ মুসলিম যুবক।। পুলিস জানিয়েছে, ওই কিশোরী মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন। সে গত শনিবার নানকানা সাহিব শহরের একটি গুরুদ্বার থেকে নিখোঁজ হয়ে যায়। দুদিন মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে মেয়েটির বাবা পুলিসের দ্বারস্থ হন। শেষে রবিবার সকালে শহরের বাইপাসে একটি এম্বুলেন্সের ভিতর থেকে মেয়েটিকে উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা গাড়ির ভিতর থেকে গোঙানির শব্দ শুনতে পান। তখনি মেয়েটিকে উদ্ধার করা হয়। মেয়েটি তার পরিবারের লোককে জানায় যে দুজন তার ওপর পাশবিক অত্যাচার করেছে। কিন্তু কারোর নাম বলতে পারেনি সে। পরে স্থানীয়রা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে ওই কিশোরী চিকিৎসাধীন।  তবে এই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।

বাংলাদেশের গাইবান্ধায় ২ হিন্দু শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার

গাইবান্ধার সদর উপজেলায় একই হিন্দু পরিবারের সাত বছরের দুই কন্যা শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে। যৌন নির্যাতনের অভিযোগে ৬০ বছর বয়সী মুদি দোকানদার নুরুন্নবী মিঞা  ও তার পুত্র জাহির মিঞা । এমনকি ঘটনার পর ওই দুই শিশুটির পরিবারকে অভিযোগ না জানানোর জন্যে হুমকিও দেওয়া হয়। শেষপর্যন্ত নুরুন্নবী মিঞা এবং তার ছেলে জাহির মিঞা-এর  বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ২৪ অক্টোবর, বুধবার  রাতে নির্যাতিত দুই শিশুর একজনের বাবা  সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি দায়ের করেন। ওই দিন দুপুরে সদর উপজেলার চক মামরোজপুর গ্রামের একটি দোকান ঘরে যৌন নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। রবিদাস সম্প্রদায়ের দুই শিশুই দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী। তবে এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত পুলিস কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

পিরোজপুরের কালীমন্দিরে ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ২ মুসলিম দুষ্কৃতী

বাংলাদেশের পিরোজপুরের সদর উপজেলার পাঁচপাড়া সর্বজনীন শ্রী শ্রী কালী মন্দিরে ভাঙচুর চালিয়ে প্রতিমাটিকে পাশের পুকুরে ফেলে দিলো একদল মুসলিম দুষ্কৃতী। গত ১২ই অক্টোবর,শনিবার রাতে এই ঘটনা ঘটে। পরেরদিন সকালে স্থানীয় হিন্দু বাসিন্দারা ভাঙা মন্দির দেখতে পেয়ে ঢাকা-পিরোজপুর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দোষীদের গ্রেপ্তার করার আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেয় স্থানীয় হিন্দু জনতা। পরে ঐদিন পুলিস ওহেদ হাওলাদার(৪৫) এবং মফিদুল ইসলাম(৫০)-কে গ্রেপ্তার করে।  স্থানীয় হিন্দু বাসিন্দারা জানিয়েছেন, যে ধৃতরা সকলেই আওয়ামী লীগের সদস্য এবং এই মন্দির ভাঙার পিছনে আওয়ামী লীগের ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলামের হাত রয়েছে। কারণ এর আগে মন্দিরের জমি নিজের দাবি করে আদালতে মামলা করেছিলেন শহিদুল ইসলাম। তাই স্থানীয় হিন্দুরা শহিদুল ইসলামকেও গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

নাটোরের নলডাঙ্গায় মন্দিরে আগুন এবং প্রতিমা ভাঙচুর করলো দুষ্কৃতীরা

বাংলাদেশের নাটোরের নলডাঙ্গায় সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দিরে আগুন দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিমাও ভাঙচুর করেছে দুষ্কৃতীরা। গত ১৮ই জুন, সোমবার রাত ২টার দিকে উপজেলার মোমিনপুর ঘোষপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মন্দির কমিটির সভাপতি অজিত কুমার ঘোষ নলডাঙ্গা থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানায়, উপজেলার মোমিনপুর ঘোষপাড়ায় ঘোষ সম্প্রদায়ের ৮-১০টি পরিবারের একটি পারিবারিক মন্দির অবস্থিত। মন্দিরের ভিতরে রক্ষিত বাঁশ ও পাটশলায় আগুন দিয়ে এবং একটি সরস্বতী প্রতিমা ভাঙচুর করে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা । স্থানীয়রা জল দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলে। খবর পেয়ে ১৯ই জুন, মঙ্গলবার সকালে নলডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও ইউএনও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ বিষয়ে নলডাঙ্গা থানার ওসি নুর হোসেন খন্দকার জানান, তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ইউএনও রেজা হাসান জানান, ঘটনাটি দেখে মনে হয়েছে ঘোষ সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক ও ভীতি তৈরি করার জন্য এ ধরনের ঘটনা ঘটাতে পারে। ঘটনার সাথে জড়িতদের খুঁজে বের করার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে একই এলাকায় আদিবাসি সম্প্রদায়ের একটি মন্দির ভাঙচুর করা হয়েছিল।

রাতের অন্ধকারে গোপালগঞ্জের শ্মশান কালীমন্দিরে ভাঙচুর চালালো দুষ্কৃতীরা

বাংলাদেশের গোপালগঞ্জের শ্মশান কালীমন্দিরে হামলা চালিয়ে কালী মূর্তিতে ভাঙচুর চালায় কিছু দুষ্কৃতী। গত ৯ই মে, বুধবার রাত ১১টার দিকে এই ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার সকালে গোপালগঞ্জ পৌরসভার মেয়র কাজী লিয়াকত আলী ও পুলিশ কর্মকর্তারা শ্মশান পরিদর্শন করেছেন।গোপালগঞ্জ পৌর মহাশ্মশানের পূজারী চন্ডিদাস বিশ্বাস বলেন, আমি শ্মশান কালী মন্দিরের পিছনে একতলা ভবনে থাকি। রাত ১১টার দিকে মন্দিরে শব্দ শুনতে পাই। শব্দ শুনে মন্দিরে কারা জিজ্ঞাসা করলে তারা আমার ঘরের সামনে এসে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে বাইরে আসতে বলে এবং আমাকে হত্যার হুমকি দেয়। সকালে মন্দিরে গিয়ে দেখতে পাই কালী মূর্তির বাম হাতের দুটি আঙ্গুল ও মাথার ডান পাশের কিছু অংশ ভাঙা। মন্দিরের মধ্যে একটা লম্বা বাঁশও দেখতে পাই। মন্দিরের গেটের বাইরে থেকেই তারা লম্বা ওই বাঁশ দিয়ে মূর্তি ভেঙেছে বলে জানান ওই পূজারি। গোপালগঞ্জ পৌর মহাশ্মশানের সভাপতি ভিষ্মদেব মৃধা বলেন, “বুধবার রাতে কে বা করা শ্মশানে কালী মন্দিরের মূর্তি ভাংচুর করেছে। “সকালে শ্মশানের পূজারি চণ্ডিদাস বিশ্বাসের কাছে খবর পেয়ে শশ্মানে ছুটে যাই এবং বিষয়টি পুলিশকে জানাই। মন্দিরটি পরিদর্শন করে এসে গোপালগঞ্জ সদর সার্কেলের এএসপি মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন জানান, বিষয়টি খুব গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছেন তারা।ঘটনার সাথে জড়িতদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা। পুলিশ দোষীদের গ্রেপ্তার করার আশ্বাস দিলেও সন্তুষ্ট হতে পারছেন না স্থানীয় সংখ্যালঘু হিন্দুরা। তারা এই ঘটনায় আতঙ্কিত বোধ করছেন।

একাত্তরের গণহত্যার অভিযুক্ত আল-বদর কমান্ডার রিয়াজউদ্দিন ফকিরের মৃত্যুদণ্ড

বাংলাদেশে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানী মদতপুষ্ট ঘাতক বাহিনী আল-বদর সারা বাংলাদেশ জুড়ে হিন্দু গণহত্যা,লুঠপাঠ ও ধর্ষণ চালিয়েছিল। সেইসঙ্গে মুক্তিকামী মুসলিম জনগণের ওপরও ঝাঁপিয়ে পড়েছিল আল-বদর বাহিনী।  সেই আল-বদর বাহিনীর কমান্ডার রিয়াজউদ্দিন ফকিরকে গতকাল ১০ই মে, বৃহস্পতিবার মৃত্যুদণ্ডের সাজা শুনিয়েছে ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল। তার বিরুদ্ধে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়াতে গণহত্যা, খুন, ধর্ষণ-এর মতো গুরুতর অভিযোগ ছিল। সেইসব অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ট্রাইবুনালের বিচারপতি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে থাকা তিন বিচারপতির বেঞ্চ আল-বদর কমান্ডার রিয়াজউদ্দিনকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা শোনায়। ময়মনসিংহ জেলায় গণহত্যার মামলায় ৫৯ বছর বয়সী রিয়াজুদ্দিন ছাড়াও আর এক অপরাধী আমজাদ আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল ২০১৬ খ্রিস্টাব্দে। কিন্তু বিচার চলাকালীন গতবছর আমজাদ আলী অসুস্থ হয়ে মারা যান। বাংলদেশের সংবাদপত্রে  প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, রিয়াজউদ্দিন প্রথমে জামাত-ই -ইসলামীর ছাত্র সংগঠন ইসলামিক ছাত্র সংঘের নেতা ছিলেন। পরে মুক্তি যুদ্ধের সময় গঠিত আল-বদর বাহিনীতে যোগ দেন এবং ময়মনসিংহ জেলার কমান্ডার দায়িত্ব পান। তার নেতৃত্বে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর সঙ্গে মিলে বাংলাদেশের  ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন অংশে গণহত্যা ও ধর্ষণ-এর মতো মানবতাবিরোধী কাজ করেছিলেন। রিয়াজুডিয়ানের মৃত্যুদণ্ডের রায়ে খুশি বাংলদেশের সাধারণ মানুষজন।

নারায়ণগঞ্জের হিন্দুসম্প্রদায়ের একমাত্র শ্মশান দখল চলছে

বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জের হিন্দু  ধর্মাবলম্বীদের ৩০০ বছরের পুরানো একমাত্র মহা শ্মশানের জলাশয় দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। হিন্দু নেতাদের দাবি, স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল রাতের আঁধারে বালি-মাটি  ফেলে তার উপর ছোট টিনের ঘর নির্মাণ করে ধীরে ধীরে ওই জলাশয় দখল করে নিয়ে নিচ্ছে । এমনকি রীতিমত শ্মশানে হওয়া হিন্দু সম্প্রদায়ের  অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় বাধা দেওয়ার চক্রান্ত  শুরু হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ মহা শ্মশান কমিটির সহ সভাপতি শংকর সাহা বলেন, ৩০০ বছরের বেশি পুরানো এ মহা শ্মশান। এখানে নারায়ণগঞ্জ ও এর আশেপাশের বিভিন্ন এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের মরদেহ দাহ করা হয়। এর জন্য শ্মশানের পাশেই  রয়েছে দীর্ঘদিনের পুরানো জলাশয়। তবে দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী মহল দখল করতে করতে জলাশয়টি প্রায় ভরাট করে নিয়েছে। এখন যেটুকু আছে সেটুকুও রাতের আধাঁরে দখল করতে শুরু করেছে। প্রতিবাদ করাতো দূরে কথা বরং দাহ করতে গেলেও বাধা দিতে আসে ওই প্রভাবশালী মহলের লোকজন।নারায়ণগঞ্জ মহা শ্মাশন কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুজন সাহা বলেন, শ্মশানের এ জলাশয় দখল হয়ে গেলে এখানে হিন্দু সম্প্রদায়ের শব দাহ করা বন্ধ হয়ে যাবে। যার ফলে ২ থেকে আড়াই লাখ হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ ভোগান্তিতে পড়বে। তিনি আরো বলেন যে এই নিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

বাংলাদেশের ময়মনসিংহে শিবমূর্তি ভাঙচুর করলো মুসলিম যুবক

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটের এক মন্দিরে প্রতিমা ভাংচুরের অভিযোগে এক মুসলিম যুবককে আটক করেছে পুলিশ। গত ১৮ই এপ্রিল, বুধবার বিকালে  ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট উপজেলার কেন্দ্রীয় মন্দিরে শিব প্রতিমা ভাংচুরের এ ঘটনা ঘটে বলে হালুয়াঘাট থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার জানিয়েছেন। তবে ই ঘটনা ঘটার পর পুলিশের দাবি, আটক মামুন মানসিক ভারসাম্যহীন। ওসি আরো বলেন, বিকালে মন্দিরে ঢুকে প্রতিমা ভাংচুরের সময় স্থানীয়রা এগিয়ে এলে মামুন পালিয়ে যায়। প্রতিমার হাত, মাথার চূড়া, এবং গলায় পেঁচানো সাপ ভাংচুর করা হয়েছে।

স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী , প্রতিমার হাত, মাথার চূড়া, এবং গলায় পেঁচানো সাপ ভাংচুর করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। আটক যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে বাংলাদেশজুড়ে অনেকগুলি প্রতিমা ভাঙচুরের বা মন্দিরে হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া মুসলিম যুবকের পরিবার দাবি করে যে তাদের সন্তান মানসিক ভারসাম্যহীন। এইসব কথা পরিকল্পিতভাবে রটানো হচ্ছে বলে অনেকে জানিয়েছেন।

নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়ে লাখো মানুষের ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ ঢাকায়

গতকাল সকাল থেকেই মানুষের ভিড়ে সরগরম ছিল ঢাকার প্রায় সবকটি প্রধান রাস্তাঘাট। কেউ কেউ আবার ব্যস্ত রাস্তার ধারে আল্পনা আঁকতে। অনেকে হাতে রং-বেরঙের মুখোশ নিয়ে রমনার বটমূলে চলেছেন বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে, মুসলিম মৌলবাদীদের হুমকি অগ্রাহ্য করে। প্রসঙ্গত, পয়লা বৈশাখের বর্ষবরণের অনুষ্ঠান হিন্দু সংস্কৃতি – এই অভিযোগ বাংলাদেশের অধিকাংশ মৌলবাদী মুসলিম ধর্মগুরুর।

রাজশাহী প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মন্দিরের জিনিসিপত্র চুরি করলো দুষ্কৃতীরা

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) মন্দিরের তালা ভেঙে চুরির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা মন্দিরে পূজা দিতে গেলে মন্দিরের তালা ভাঙা এবং ভেতরের সরঞ্জামাদি চুরি হওয়ার বিষয়টি দেখতে পান। তবে কবে এ ঘটনা ঘটেছে এ বিষয়ে কেউ কিছু বলতে পারছে না।  বিশ্ববিদ্যালয়ের হিন্দু  ধর্মালম্বী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ধর্মীয় কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে এমন কাজ করেছে দুর্বৃত্তরা। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আবেদনের পর ২০১৪ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হলের চতুর্থ তলায় একটি কক্ষ মন্দির হিসেবে ব্যবহার করার জন্য বরাদ্দ দেয় প্রশাসন। এরপর থেকে তারা ওই কক্ষটি মন্দির হিসেবে ব্যবহার করে আসছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পূজা উদযাপন কমিটির অর্থ-সম্পাদক অধ্যাপক ড. সিদ্ধার্থ শংকর সাহা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে সারা দিন ক্লাস চলে। এ জন্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা রাতে পূজা আরাধনা করেন। আমরা প্রতি বুধবার মন্দিরে পূজা করি।গত ৪ই এপ্রিল,  বুধবারও যথারীতি পূজার জন্য যাই। মন্দিরের সামনে গিয়ে দেখি দরজার তালা ভাঙা। পরে মন্দিরে ভেতরে ঢুকে দেখি ফ্যান ও পূজার দেওয়ার পাত্র নেই।

জানতে চাইলে হল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিন্সিপাল  অধ্যাপক মিয়া মো. জগরুল শাহাদাৎ বলেন, এটা খুবই দুঃখজনক ঘটনা। আমি এ বিষয়টি শুনেছি। হলের কোনো শিক্ষার্থী এ ধরনের কাজ করছে কিনা তা বের করতে শিক্ষার্থীদের নজরদারিতে রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশের টাকা ছাপানোর কাগজে ছাপা হচ্ছে ভারতীয় জালনোট, জানালো এনআইএ

বাংলাদেশে যে কাগজে সেদেশের টাকা ছাপা হয়, তাতেই ছাপা হচ্ছে ভারতীয় জাল নোট। এমনই তথ্যপ্রমাণ ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ) সহ বেশ কয়েকটি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে এসেছে। সীমান্তের ওপারের কারেন্সি পেপার ব্যবহার করে নকল ভারতীয় নোট ছাপার কথা জানতে পেরে উদ্বিগ্ন তদন্তকারী সংস্থার কর্তারা। যে কোনও দেশেই কারেন্সি পেপার অত্যন্ত সুরক্ষিত অবস্থায় থাকে। বাংলাদেশে নিরাপত্তার বেড়া ভেঙে কীভাবে তা বাইরে আসছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। শুধু তাই নয়, ভারতীয় নোটের ১৭টি ‘সিকিউরিটি ফিচার’-এর মধ্যে ১১টিই নকল করে ফেলেছে জাল নোটের কারবারিরা। যে কারণে গোয়েন্দাদের চিন্তা আরও বেড়েছে। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি ইতিমধ্যেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে এ নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট পাঠিয়েছে। এ বিষয়ে বিদেশ মন্ত্রক মারফত বাংলাদেশের সঙ্গে কথা বলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এনআইএ’র কর্তারা। যাতে হাসিনা সরকার আলাদা করে তদন্ত শুরু করতে পারে।
কিন্তু কীভাবে এই কারেন্সি পেপারের বিষয়টি জানতে পারলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কর্তারা? চলতি বছরে মালদহ থেকে বিপুল পরিমাণ জাল নোট উদ্ধার করে বিএসএফ এবং এনআইএ। ওই নোটগুলি ছিল উন্নতমানের। সেই কারণেই তাদের সন্দেহ বাড়ে। সেই নোটের নমুনা ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। সেই রিপোর্ট তদন্তকারী অফিসারদের হাতে এসেছে। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে, কারেন্সি পেপারেই নোটগুলি ছাপা হয়েছে। কিন্তু ভারতীয় নোট যে কারেন্সি পেপারে ছাপা হয়, তাতে এই নোটগুলি ছাপা হয়নি।
তাহলে এই কারেন্সি পেপার কোন দেশের? এই নিয়ে আলাদা করে তদন্ত শুরু হয়। ধৃতরা জেরায় জানায়, বাংলাদেশের কারেন্সি পেপার এ দেশে আসছে সেখানকার জাল নোট কারবারিদের মারফত। এরপর মালদহ থেকে ওই কারেন্সি পেপার উদ্ধার করা হয়। অফিসারদের ধারণা, জাল নোট ছাপার কাজে এই পেপারই ব্যবহৃত হচ্ছে ।
ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞ ও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অফিসারদের কথায়, এই কাগজের গুণগত মান যথেষ্ট ভালো। সেই কারণে সহজেই ভারতীয় নোটের সিকিউরিটি ফিচারগুলি নকল করা যাচ্ছে। এতদিন পর্যন্ত নোট কারবারিরা ছ’-সাতটি বৈশিষ্ট্য নকল করতে পেরেছিল। কারেন্সি পেপার ব্যবহারে নোটের ১৭টি বৈশিষ্ট্যের মধ্যে তারা ১১টি হুবহু নকল করে ফেলেছে। এমনকী জলছাপও নকল হয়ে গিয়েছে। গোয়েন্দাদের আশঙ্কা, এই কাগজে নোট ছাপা হলে আগামীদিনে তারা সব ফিচারই নকল করে ফেলতে পারবে। এই কাগজে বিশেষ ধরনের টিস্যু থাকায় তা সহজে ছিঁড়ছে না। এমনকী, আসল নোটে আঙুল দিয়ে টোকা মারলে যে ধরনের শব্দ হয়, নকল নোটেও অবিকল সেই শব্দ শোনা যাচ্ছে।

নব্য জেএমবি-এর মহিলা শাখার প্রধান নাবিলা গ্রেপ্তার

বাংলাদেশে পুলিসের জালে কুখ্যাত জঙ্গিনেত্রী। গত ৫ই এপ্রিল, বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের  রাজধানী ঢাকার অভিজাত এলাকা গুলশন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে নাবিলা ওরফে হুমায়ারাকে। জেহাদি সংগঠন নব্য জেএমবির মহিলা শাখা ‘ব্যাট উইমেন’-এর প্রধান সে। গোয়েন্দাদের কাছে ওই জঙ্গি নেত্রী ‘ব্যাট উইমেন’ হিসেবেই পরিচিত। বহুদিন ধরেই তাকে হন্য হয়ে খুঁজছিল বাংলাদেশ পুলিস। অবশেষে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ঢাকার অভিজাত এলাকায় অভিযানে নামে পুলিসের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। পাকড়াও করা হয় নাবিলাকে।
গত বছর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু মুজিবুর রহমানের মৃত্যু দিবসে হামলার ছক বানচাল করে বাংলাদেশ পুলিস। ধানমাণ্ডির ৩২ নম্বরে মন্ত্রী-এমপিসহ শতাধিক মানুষকে হত্যার যে ছক কষেছিল জঙ্গিরা, সেই পরিকল্পনা এবং অর্থ ঢালার সঙ্গে জড়িত ছিল নাবিলারা। সেদিন ঢাকার একটি অভিজাত হোটেল ওলিও ইন্টারন্যাশনালে অভিযান চালিয়ে ভয়াবহ নাশকতার পরিকল্পনা ভেস্তে দেওয়া হয়। অভিযানে সাইফুল নামে এক জঙ্গি আত্মঘাতী হয়। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, এতদিন নাবিলার উপর নজর রাখা হচ্ছিল। অন্তঃসত্ত্বা থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
নাবিলার বাবা জাকির হোসেন ঢাকার হাতিরপুলের মোতালেব প্লাজার মালিক। দুই ভাইবোনের মধ্যে নাবিলা ছোট। ভিকারুন্নিসা নুন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে ভর্তি হয় নর্থসাউথ ইউনিভার্সিটিতে। সেখানে তাজরিন খানম শুভর সঙ্গে পরিচয় হয় তার। শুভর ভাই আকরাম হোসেন নিলয় নব্য জেএমবির গুরুত্বপূর্ণ একজন নেতা। শুভর মাধ্যমে জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়ে হুমায়ারা ওরফে নাবিলাও। এরপর ধীরে ধীরে হয়ে ওঠে নব্য জেএমবির সিস্টার উইংয়ের প্রধান। জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়ার পর নাবিলা নব্য জেএমবির সিক্রেট যোগাযোগ অ্যাপে অন্তর্ভুক্ত হয়। সেখানে নাবিলা নিজের আইডি খুলেছিল ‘ব্যাট উইমেন’ নামে। ফলে ব্যাট উইমেন নামেই সংগঠনের অন্য সদস্যরা তাকে চিনত। নাবিলার সঙ্গে আরও অন্তত ১০-১২ জন মেয়ে নব্য জেএমবির সিস্টার উইংয়ে কাজ করত বলে জানা গিয়েছে। বিত্তশালী জঙ্গি সমর্থকদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে গোপনে তা দলের কাছে পৌঁছে দিত নাবিলা।
নাবিলার স্বামী তানভির ইয়াসিন করিমকে গ্রেপ্তার করা হয় গত বছরের ১৯ নভেম্বর। তানভিরও ধনী পরিবারের সন্তান। আগে থেকেই দু’জন পরিচিত হওয়ায় তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। দু’জনই জঙ্গি কাজে জড়িয়ে পড়ে একসঙ্গে। যদিও গ্রেপ্তারের পর নাবিলার স্বামী তানভির ইয়াসিন করিম কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের কর্তাদের কাছে বলেছে, স্ত্রী নাবিলার প্রভাবেই জঙ্গিবাদে জড়ানো ও সাংগঠনিক কাজে অর্থ সংগ্রহ ও সরবরাহ করত সে। জঙ্গি কাজকর্মের বাইরে সে ইসলামি বই প্রকাশনার কাজ করত। তার একাধিক প্রকাশনা সংস্থা রয়েছে।
এর আগে বুধবার জঙ্গিদের সঙ্গে যুক্ত থাকার অপরাধে বেগম রোকেয়া কলেজের এক ছাত্রীকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। সে জেএমবি’র তামিম গ্রূপের সদস্য। জঙ্গিদমন শাখার উপ-কমিশনার মহম্মদ মহিবুল ইসলাম খান জানান, লালমনিরহাট জেলা থেকে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী সাদিয়া আফরোজ ওরফে নিনাকে (২৪) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাংলাদেশে জোরকদমে জেহাদিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে শেখ হাসিনা সরকার। জঙ্গি নেটওয়ার্ক গুঁড়িয়ে দিতে একের পর এক অভিযান চলছে দেশজুড়ে। শেষ সংযোজন নব্য জেএমবি-র মহিলা শাখা ‘ব্যাট উইমেন’-এর প্রধানকে পাকড়াও করা।
বাংলাদেশে ২০১৬ সালের জুলাইতে গুলশানের হোলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলার পর দেখা গিয়েছিল, শিক্ষিত বিত্তবান পরিবারের ছেলেরা জঙ্গি কর্মকাণ্ডে যুক্ত হয়ে পড়েছে। এখন কি সেই একই ধারায় মহিলারাও যুক্ত হচ্ছে জঙ্গিবাদে? বাংলাদেশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের উপ-কমিশনার মহম্মদ মহিবুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, জঙ্গি কর্মকাণ্ডে মেয়েদের যুক্ত হওয়ার হার এখনও কম হলেও, এই সংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু আগে যেখানে শুধুমাত্র পরিবারের প্রভাবে জড়িয়ে যেত মেয়েরা, এখন তেমন নয়। অনেক ক্ষেত্রে নিজেরাই জড়িত হচ্ছে জঙ্গি কাজে। মহিবুল জানিয়েছেন, ‘বছর খানেক আগে আমরা কয়েকজন মহিলাকে এই অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছিলাম। দেখা গিয়েছে পরিবারের অর্থাৎ বাবা, স্বামী বা ভাই এমন কারও সূত্রে জঙ্গি তৎপরতার তারা জড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে যে, শুধু পরিবারের প্রভাবেই তারা জড়িয়ে পড়ছে না। বরং সেটা নিজে নিজেই। নাবিলার ক্ষেত্রেও এই কথা প্রযোজ্য।’

নদীয়ার কৃষ্ণগঞ্জে রুপো পাচারকারী নুরুদ্দিন মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করলো বিএসএফ

গত ৬ই এপ্রিল, শুক্রবার রাতে নদীয়া জেলার অন্তর্গত কৃষ্ণগঞ্জ থানার বানপুর সীমান্তে এক রুপোর গয়না পাচারকারীকে ধরে পুলিসের হাতে তুলে দিল বিএসএফের ১১নং ব্যাটেলিয়ানের জওয়ানরা। পুলিস অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতের নাম নুরুদ্দিন মণ্ডল। বাড়ি কৃষ্ণগঞ্জ থানার বানপুরে। তার কাছ থেকে ৬ কেজি ১৬০ গ্রাম রুপোর গয়না ও ৩ কেজি ২০০ গ্রাম রুপোর বল উদ্ধার করেছে বিএসএফ। উদ্ধার করা গয়না শুল্ক দপ্তরের হাতে তুলে দিয়েছে বিএসএফ। বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, জনা ছয়েক দুষ্কৃতী কিছু প্যাকেট কাঁটাতারের ওপারে ফেলার চেষ্টা করে। সীমান্তের একটি আমবাগানে তারা বিএসএফ জওয়ানদের দেখেই পালানোর চেষ্টা করে। সবাই পালিয়ে গেলেও নুরুদ্দিন ধরা পড়ে যায়। তার কাছ থেকেই রুপোর অলঙ্কার ও বল উদ্ধার করা হয়।