রোহিঙ্গা হাফেজদের পায়ুপথে ইয়াবা পাচার: আটক ৪

Abu-Siddique-Jiabulচট্টগ্রাম মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিচালনায় আলাদা অভিযানে সাড়ে ৬ হাজার ইয়াবাসহ চার ইয়াবা ব্যবসায়ীকে আটক করেছে। আটককৃত ৪ জনের মধ্যে দুই জন ইয়াবা ব্যবসায়ী নিজেদেরকে কোরানে হাফেজ বলে পরিচয় দিয়েছে।শামীম আহমেদ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম মেট্রো উপ-অঞ্চলের উপ-পরিচালক জানান, মঙ্গলবার (২৯শে আগস্ট) রাতে ও বুধবার (৩০শে আগস্ট) ভোরে নগরীর সিনেমা প্যালেস ও শাহ আমানত সেতু এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে এই ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।এসময় তাদের কাছ থেকে সাড়ে ৬ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।গ্রেপ্তাররা হলেন- শফিকুল ইসলাম (২৪), মো. ইউনুস (২২), আবু সিদ্দিক (২০), আবু ফয়াজ ওরফে জিয়াবুল (৪০)।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম মেট্রো উপ অঞ্চলের উপ পরিচালক শামীম আহমদে এই প্রতিবেদককে জানান, গ্রেপ্তারদের মধ্যে শফিকুল ও ইউনুস নিজেদের ‘কোরানে হাফেজ’ বলে পরিচয় দিয়েছেন। গ্রেফতার হওয়ার পর পুলিশের সামনে নিজেদের অপরাধ ছোট করে দেখা এবং সমবেদনা আদায়ের জন্য কোরানের সূরা তেলাওয়াত করে শোনানোর চেষ্টা করেছে বলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সূত্র জানায়।শামীম আহমেদ জানান, তারা টেকনাফের লেদা ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং এদের মধ্যে ইউনুস মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিক। লেদা রিফিউজি ক্যাম্পে থাকে সে। ক্যাম্প থেকে বেরিয়ে সে ইয়াবা পাচার আর ব্যবসা করে। আর অপর দুইজন টেকনাফ পৌরসভার বাসিন্দা।শামীম বলেন, আগে থেকে খবর পেয়ে মঙ্গলবার রাতে বাকলিয়া থানার শাহ আমানত সেতু এলাকা থেকে শফিকুল ও ইউনুসকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে মিয়ানমার থেকে সরাসরি পায়ুপথ দিয়ে শরীরের অভ্যন্তরে ঢুকিয়ে ইয়াবা নিয়ে বাংলাদেশে আসার তথ্য জানান তারা।পরে তাদের কাছ থেকে পুলিশ ‘বিশেষ কৌশলে’ দেড় হাজার ইয়াবা বের করে।এদিকে বুধবার সকালে কোতোয়ালি থানার সিনেমা প্যালেস এলাকা থেকে পাঁচ হাজার ইয়াবাসহ আবু সিদ্দিক ও জিয়াবুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা শামীম বলেন, পলিথিন দিয়ে ছোট ছোট পুটলি বানিয়ে ইয়বাগুলো গিলে পেটের ভেতরে করে নিয়ে আসে গ্রেপ্তারকৃত পাচারকারীরা।

Advertisements