ধর্মান্তরিত যুবক সজিত দেবনাথ আইএসের বাংলাদেশ প্রধান ?

sajit-chandra-1পলাতক বাংলাদেশি হিন্দু যুবক সজিত দেবনাথের হাতেই কি সংগঠনের বাংলাদেশ শাখার দায়িত্ব দিয়েছে ইসলামিক স্টেট ? কিছু তথ্যের ভিত্তিতে এমনই সংবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের ওয়েব মিডিয়া ‘Dhaka Tribune’ তবে বিভিন্ন সূত্র থেকে আগেই নিখোঁজ সজিত দেবনাথ ওরফে সইফুল্লাকে নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট প্রকাশ করেছিল http://www.kolkata24x7.com.বাংলাদেশের সজিতের মতোই আইএসে যোগ দিয়েছিল ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক সিদ্ধার্থ ধর৷ তাকে ঘিরে ছড়িয়েছিল আলোড়ন৷
সজিত দেবনাথ ধর্ম পরিবর্তন করে নাম রাখে সইফুল্লা ওজাকি৷ বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে জাপান৷ সেখান থেকে ইরাক ও সিরিয়ায় গিয়ে আইএসে সরাসরি যোগ দেয়৷ মোস্ট ওয়ান্টেড এই জঙ্গি নেতার বাড়ি বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া৷ গত বছর ঢাকার গুলশনে হোলি আর্টিজান ক্যাফে হামলার পিছনেও জড়িত সজিত ওরফে সাইফুল্লা৷ এমনই মনে করছেন বাংলাদেশের গোয়েন্দারা৷ তাঁদের দাবি, একাধিক ‘জিহাদি হামলা’-র সঙ্গেও জড়িত এই যুবক৷ তবে গুলশন হামলার মূল ষড়যন্ত্রী তামিম চৌধুরীকে খতম করা হয়েছে৷ হামলায় জড়িত নব্য জেএমবির শীর্ষ নেতৃত্বের কয়েকজন খতম কয়েকজন নিখোঁজ বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার৷
ঢাকার সংবাদ মাধ্যম জানাচ্ছে, ২০১৪ সাল থেকে অন্তত ৫০ জন বাংলাদেশি তরুণ আইএস জঙ্গি সংগঠনে যোগ দিয়ে ইরাক-সিরিয়ায় গিয়েছিল৷ বাংলাদেশি যুবক সজিত দেবনাথ ওরফে সইফুল্লাহ ওজাকি জাপানের নাগরিকত্ব নেয়। তার তত্ত্বাবধানে আইএস জঙ্গি রিক্রুট করার কাজ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে৷ গোয়েন্দা তথ্য জানাচ্ছে, ফেসবুকের বিশেষ পেজ থেকে সিরিয়ায় যেতে বাংলাদেশি তরুণদের উদ্বুদ্ধ করত সইফুল্লা। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট দুই ব্যক্তিকে ২০১৫ সালেই গ্রেফতার করে ঢাকার পুলিশ৷ জেরায় তারা স্বীকার করে, সইফুল্লা ওজাকি ছিল ওই ফেসবুক গ্রুপের আ্যাডমিন৷
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মেধাবী ছাত্র সজিত দেবনাথ সে ২০০১ সালে জাপানে গিয়েছিলেন উচ্চশিক্ষার জন্য৷ ২০১১ সালে রিসুমেকান বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে বিভাগে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। ‘ জাপান টাইমস ’ আগেই জানিয়েছে, সেদেশের অধ্যাপক হাসান কো নাকাতার সংস্পর্শে এসেই আইএসে যোগ দেয় সজিত চন্দ্র ওরফে সাইফুল্লা৷ তার জঙ্গি গুরু নাকাতা গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে৷

Advertisements