মুসলিমদের কবল থেকে হিন্দু গৃহবধূকে উদ্ধার করে বাড়িতে ফিরিয়ে দিল হিন্দু সংহতি কর্মীরা

Sumita dasহিন্দু পরিচয় দিয়ে নিয়ে এসে আটকে রাখা এক অসহায় হিন্দু গৃহবধূকে মুসলিমদের কবল থেকে উদ্ধার করে তাঁর পরিবারের হাতে তুলে দিলো হিন্দু সংহতির কর্মীরা। গত ২২শে মে, ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার অন্তর্গত জীবনতলা থানা এলাকায়। হিন্দু সংহতির স্থানীয় কর্মীরা ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করার পর পুরো ঘটনাটি বিস্তারিত জানা যায়। জানা গিয়েছে, ওই গৃহবধূর নাম সুমিতা দাস(নাম পরিবর্তিত) ।তিনি এক কন্যা ও পুত্র সন্তানের মা। তার বাড়ি গোসাবায়। স্বামীর সঙ্গে মনোমালিন্যের কারণে তিনি তাঁর বাপের বাড়িতে থাকতেন এবং কলকাতায় কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। এর মধ্যে কিছুদিন আগে ফোনে মিসকলে জীবনতলা এলাকার এক মুসলিম যুবকের সঙ্গে পরিচয় হয়। ওই মুসলিম যুবক নিজেকে হিন্দু বলে পরিচয় দেয়।ধীরে ধীরে ওই যুবকের সঙ্গে ওই মহিলার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ওই যুবকের কথামতো তিনি তাঁর দুই ছেলেমেয়েকে নিয়ে জীবনতলায় চলে আসেন। ওখানে খেলার মাঠের পাশে একটি ঘরে মহিলাকে আটকে রাখে ওই মুসলিম যুবকেরা। ওই মাঠে হিন্দু সংহতির কিছু কর্মী ফুটবল খেলছিল। তাদের নজরে পড়ে যে মেয়েটিকে একটি ঘরে আটকে রাখা হয়েছে এবং মেয়েটি কান্নাকাটি করছে। আরও দেখা যায় যে বাইরে কয়েকজন মুসলিম যুবক মদ্যপান করছে। অশুভ কিছু ঘটতে চলেছে এই আশঙ্কা করে, ওই কর্মীরা অন্য কর্মীদের বিষয়টি জানান। তৎক্ষণাৎ হিন্দু সংহতির সক্রিয় কর্মী তাপস নস্কর, সন্দীপ নস্কর, মৃত্যুঞ্জয় রায়সহ কর্মীরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসে এবং ঐ মুসলিম ছেলেদের মারধর করে তাড়িয়ে দিয়ে গৃহবধূকে উদ্ধার করে নিজেদের বাড়িতে নিয়ে আসে এবং এক কর্মীর বাড়িতে নিরাপদ আশ্রয়ে রাখা হয়। পরে ওই মুসলিম ছেলেরা হিন্দু সংহতির কর্মীদের নামে থানায় অভিযোগ জানায় এবং পুলিস তদন্তে আসে। পরে পুলিসের সামনেই ওই মুসলিম ছেলেদের আবার মারধর করে হিন্দু সংহতির কর্মীরা। তারপরেই গতকাল ২৩শে মে ওই গৃহবধূর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় হিন্দু সংহতির তরফে। ওর পরিবারের লোকেরা সুমিতা দাসকে সঙ্গে করে বাড়ি নিয়ে যায় । তাদের মেয়েকে বিপদের হাত থেকে উদ্ধার করায় তাঁর পরিবারের লোকেরা হিন্দু সংহতি এবং কর্মীদেরকে অশেষ সাধুবাদ জানিয়েছেন।

জলপাইগুড়িতে রাজবাড়ির মন্দিরের মূর্তিসহ একাধিক মূর্তি ভাঙলো দুষ্কৃতীরা

এই পশ্চিমবঙ্গে সংখ্যাগুরু হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মস্থান সুরক্ষিত নয়। তার প্রমাণস্বরূপ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে একের পর এক মন্দিরে দুষ্কৃতীদের আক্রমণ ঘটে চলেছে। সেই তালিকায় নতুন নাম যোগ হলো জলপাইগুড়ি শহর। গত ১৭ই মে রাতে জলপাইগুড়ি রাজবাড়ীর ঐতিহ্যবাহী মনসা মন্দিরের মূর্তিসহ শহরের একাধিক মন্দিরের মূর্তিতে ভাঙচুর চালায় দুষ্কৃতীরা। পরেরদিন সকালে বিষয়টি শহরের বাসিন্দাদের নজরে আসে। তখনই শহর জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। শহরের একাধিক বাসিন্দা হিন্দু সংহতির প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন যে, জলপাইগুড়ির রাজবাড়ীর মনসা মন্দির খুবই ঐতিহ্যবাহী একটি মন্দির এবং মন্দিরটির সঙ্গে জলপাইগুড়ি জেলার মানুষের আবেগ জড়িত রয়েছে। কিন্তু ওই মন্দিরটির মূর্তি ভেঙে ফেলে দেয় দুষ্কৃতীরা। এছাড়াও শহরের জেলা সদর হাসপাতালের ভিতরে থাকা কালী মন্দিরের মূর্তিও ভেঙে দুষ্কৃতীরা। ভাঙা হয় তিস্তা বুড়ির মন্দিরের মূর্তিও।  এছাড়াও রাজবাড়ীর পার্কে থাকা একাধিক মূর্তিও ভেঙে ফেলে দিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। মন্দির ভাঙার খবর পেয়ে শহরের প্রচুর মানুষ ঘটনাস্থলে জড়ো হন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে জলপাইগুড়ি থানার পুলিসও। তথ্য প্রমান সংগ্রহ করে দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার করার আশ্বাস দিয়েছিলেন। তবে শহরের বাসিন্দারা প্রশ্ন তুলেছেন যে শুধুমাত্র মন্দিরের মূর্তিগুলি কেন ভাঙলো দুষ্কৃতীরা। এ নিয়ে তাদের অভিযোগের তীর শহরে গজিয়ে ওঠা বিশেষ সম্প্রদায়ের বস্তিগুলির ওপর এবং এই ঘটনায় শহরের বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তবে শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী এখনো পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিস।

আবির খেলাকে কেন্দ্র করে বীরভূমের লাভপুরে মন্দির ভাঙচুর, হিন্দুদের ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপালো মুসলিমরা

হরিনাম সংকীর্তনের নগর পরিক্রমায় আবির ছোঁড়া নিয়ে হিন্দুরা মুসলিমদের আক্রমণের শিকার হলো। ভাঙার চেষ্টা করা হলো মন্দির। মুসলিম দুষ্কৃতীদের আক্রমণে তিনজন হিন্দু মহিলা সহ মোট সাতজন জখম হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজনকে গুরুতর অবস্থায় বোলপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের চিকিৎসা চলছে লাভপুর গ্রামীণ হাসপাতালে। গত ১৬ই মে ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূম জেলার লাভপুর থানার অন্তর্গত ছোটগোগা গ্রামে। জানা গিয়েছে, কয়েকদিন ধরেই ওই গ্রামে কীর্তন অনুষ্ঠান চলছিল। গত ১৬ই মে শেষ দিনে ধুলোট অনুষ্ঠান অর্থাৎ নগর পরিক্রমা  চলছিল। সেই অনুষ্ঠানে হিন্দুরা আবির খেলছিলেন নিজেদের মধ্যে। সেই আবির খেলার সময় রাস্তা দিয়ে যাওয়া এক মুসলমান মোটরবাইক আরোহীর গায়ে লাগে। তখন একটু খানি বচসা হয়। সেদিন বিষয়টি মিতে গেলেও পরেরদিন অর্থাৎ ১৭ই মে, শুক্রবার রাত্রে পশ্চিমপাড়ার একদল মুসলিম দুষ্কৃতী বাঁশ, লোহার রড, ধারালো অস্ত্র নিয়ে হিন্দু পাড়ায় আক্রমণ চালায়। বিজলি দত্ত নামে এক হিন্দু গৃহবধূকে বাড়ি থেকে টেনে বের করে এনে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করে ওই মুসলমান দুষ্কৃতীরা। মুসলিম দুষ্কৃতীদের মারে ওই মহিলা গুরুতর আহত হয়, তাঁর কোমর ভেঙে যায়। নিতাই দাস নামে আর এক হিন্দু গ্রামবাসীর হাত ভেঙে যায়। এছাড়াও, বেশ কয়েকজন হিন্দুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়। এছাড়াও, গ্রামের যে মন্দিরে হরিনাম সংকীর্তন চলছিল, সেই মন্দিরটিতে আক্রমণ করে ভাঙতে থাকে মুসলিমরা। এলাকা বাসীরা প্রতিবাদ করলে কয়েকজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়।  এরপর ওই মুসলিম দুষ্কৃতীরা এলাকা ছেড়ে চলে যায়। ঘটনার আকস্মিকতা কাটিয়ে গ্রামবাসীরা আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যান। গুরুত্বই অবস্থা যাদের ছিল, তাদের বোলপুরে রেফার করা হয়। বাকিদের লাভপুর গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে।

হাসনাবাদের হাটখোলা বাজারে হামলা TMC আশ্রিত মুসলিম দুষ্কৃতীদের; ভেঙে দেওয়া হলো শনি ঠাকুরের মূর্তি

গ্রামের হিন্দু বাসিন্দারা বিজেপি করে, এই অজুহাতে হিন্দু অধ্যুষিত গ্রামে হামলা চালালো টিএমসি-এর ঝান্ডাধারী মুসলিম দুষ্কৃতীরা। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার অন্তর্গত হাসনাবাদ থানার হাটখোলা বাজারে। স্থানীয় এক হিন্দু বাসিন্দা হিন্দু সংহতির প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন যে গত ১৯শে মে রাত দশটা নাগাদ  একদল মুসলিম দুষ্কৃতী হাটখোলা বাজার এলাকায় এসে বেছে বেছে একের পর হিন্দু বাড়িতে হামলা চালায়। মুসলিম দুষ্কৃতীরা কয়েকটি আসবেস্টস-এর ছাউনি ভেঙে দেয়। এছাড়াও একটি ক্লাবে ভাঙচুর চালায়। এরপর ওই মুসলিম দুষ্কৃতীরা বাজারের পাশে থাকা একটি শনি মন্দিরে ভাঙচুর চালায়। মন্দিরে থাকা শনি ঠাকুরের মূর্তি টেনে বাইরে ফেলে দেয় এবং মন্দিরে থাকা পূজার উপাচার সামগ্রী তছনছ করা হয়। স্বাভাবিক ভাবেই এলাকার হিন্দু বাসিন্দারা এই ঘটনায় যথেষ্ট ক্ষুব্ধ। তাঁরা তাদের সেই ক্ষোভ হিন্দু সংহতির প্রতিনিধির কাছে প্রকাশ করেছেন। তবে এই ঘটনায় এলাকার কিছু হিন্দু বাসিন্দারা এখনো আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।

ডানকুনিতে খুন হলেন গৃহবধূ পিঙ্কি বারি, গ্রেপ্তার প্রেমিক শেখ সেলিম

চিকিৎসককে দেখাতে যাওয়ার কথা বলে নিজের শিশুপুত্রকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন লিলুয়ার বাসিন্দা গৃহবধূ পিঙ্কি বারি। তার পরে আর বাড়ি ফেরেননি। সেইদিন রাতেই ওই গৃহবধূর মৃতদেহ উদ্ধার হয় ডানকুনির হাউসিং মোড়ের কাছের একটি হোটেলে। গত ৯ই মে  এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিস গত ১১ই মে পিঙ্কির ‘প্রেমিক’ শেখ সেলিম নামে এক মুসলিম যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, পেশায় দিনমজুর সেলিম বিবাহিত এবং তাঁর একটি মেয়ে রয়েছে। চন্দননগর পুলিস কমিশনারেটের এক কর্তা জানিয়েছেন, ধৃত সেলিম জেরায় জানিয়েছে, পিঙ্কির সঙ্গে দু বছর আগে তাঁর আলাপ হয়। সেই থেকে দুজনের সম্পর্কের শুরু হয়। এদিকে পিঙ্কি বিবাহিত এবং তাঁর দেড় বছরের একটি ছেলে রয়েছে। সেলিম আরও জানিয়েছে, সে এবং পিঙ্কি প্রায়ই বিভিন্ন হোটেলে সময় কাটাতো। কিন্তু ইদানিং পিঙ্কি তাকে অতটা গুরুত্ব দিচ্ছিলো  অন্য ছেলের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিল। তাই সে পিঙ্কিকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করে। অভিযুক্তের দাবি খতিয়ে দেখছে পুলিস। আপাতত ধৃত সেলিম পুলিস হেফাজতে রয়েছে।

ঝান্ডার আড়ালে মার খাওয়াই কি পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুর ভবিষ্যৎ?

সময় বদলেছে, শাসক বদলেছে। কিন্তু হতভাগ্য হিন্দুর সুদিন ফেরেনি। বাম জমানায় লাল ঝান্ডার আড়ালে জিহাদি মুসলিমরা পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুর ওপর অত্যাচার চালিয়েছে। সেই দীর্ঘ অত্যাচার রাজনীতির সংঘর্ষের পরিচয়ে হিন্দুর সামনে তুলে ধরেছে মিডিয়া। ফলে এ রাজ্যের আপামর হিন্দু বুঝতেই পারেনি যে রাজ্যের অন্য প্রান্তে হিন্দুর ওপর জিহাদের স্টিম রোলার চালানো হয়েছে।
বর্তমানে শাসকদল পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু হিন্দুর ওপর অত্যাচার বিন্দুমাত্র কমেনি। টার্গেট সেই একই- হিন্দু; মার খেয়ে, ঘর-বাড়ি ছেড়ে পালানো হিন্দু। তাই এবারও তার ব্যতিক্রম হলো না। এবার টিএমসির ঝান্ডা নিয়ে ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত বিস্তীর্ণ অঞ্চলের হিন্দুদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লো সশস্ত্র জিহাদি মুসলিমরা। পুড়ে গেল ঘর-বাড়ি, ধানের গোলা, হিন্দুর দোকানঘর।
ঠিক আগের মতোই কোনো মিডিয়া দেখতে পেল না সেই ঘটনা। সেই আগের মতোই এই ঘটনাকে রাজনৈতিক সংঘর্ষ বলে চালানোর চেষ্টা করছে একদল লোক। এর মধ্যেই বাড়ি-ঘর ছেড়ে পালাচ্ছেন কিছু হিন্দু। তাঁরা জানেন না, তারা ভোট দিতে গ্রামে ফিরে আসতে পারবেন কিনা। তবুও পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির গভীর নেশায় বুঁদ।
কিন্তু আজ পশ্চিমবঙ্গের তামাম হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে প্রশ্ন- এর শেষ কোথায়?
একবারও কি আপনারা ভেবে দেখবেন না ঝান্ডার আড়ালে টার্গেট আপনি, আপনার মন্দির, আপনার সম্পত্তি?

শুধুই কি মার খাবেন? নাকি পাল্টা মার দেবেন?

ডিটেনশন ক্যাম্পে মৃত্যু বাঙালি হিন্দুর; ‘বাংলাদেশে দেহ পাঠাও’, বললো পরিবার

আসামের  তেজপুরের বাসিন্দা বাসুদেব বিশ্বাস। তাঁর পরিচয় সে একজন বাঙালি হিন্দু। ৫৮ বছর বয়সী বাসুদেব বিশ্বাসের পরিবারের সকলে ভারতীয় হলেও, সরকারের চোখে তিনি ছিলেন বাংলাদেশী। তাই তাকে গ্রেপ্তার করে ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠানো হয়। গত ১২ই মে, শনিবার সেই ডিটেনশন ক্যাম্পেই মৃত্যু হয় বাসুদেব বিশ্বাসের। কিন্তু মৃত্যুর পর তাঁর দেহ নিতে অস্বীকার করলো পরিবার। কিন্তু কারণ কি? পরিবারের বক্তব্য, আসলে ভারতীয় হলেও তাকে বাংলাদেশী চিহ্নিত করেই ছেড়েছে প্রশাসন। তাকে জীবিত অবস্থায় যখন ফেরানো গেল না, তখন তাঁর মৃতদেহ নিয়ে কি হবে? পরিবারের আরও দাবি, ডিটেনশন ক্যাম্পে অবহেলা  ও অত্যাচারেই বাসুদেববাবুর মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু সরকারের তরফে মৃত্যুর কারণ হিসেবে হৃদরোগ বলা হচ্ছে। বাসুদেববাবুর পুত্ররা দেহ নিতে অস্বীকার কারণ হিসেবে বলেছেন যে, বাবা যেহেতু বাংলাদেশী ছিল, তাই তাঁর মৃতদেহ বাংলাদেশে পাঠাক সরকার। আর এসবের ফাঁপরে পড়ে হতভাগ্য বাঙালি হিন্দু বাসুদেব বিশ্বাসের মৃতদেহ মর্গেই পড়ে আছে।

সমুদ্রগড়ে হিন্দু সংহতির বস্ত্র বিতরণ

হিন্দু সংহতি সমুদ্রগড় শাখা আয়োজিত মা কালী পূজার দ্বিতীয় দিনে অর্থাৎ গতকাল ১২ই মে, রবিবার  এলাকার দরিদ্র মহিলাদের হাতে শাড়ি তুলে দেওয়া হলো হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে। এই অনুষ্ঠানের শুরুতে সকালে অনুষ্ঠিত বসে আঁকো প্রতিযোগিতার পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। তারপরেই বস্ত্র বিতরণের অনুষ্ঠান শুরু হয়।  এই অনুষ্ঠানে সমুদ্রগড় এলাকার শতাধিক মহিলার হাতে শাড়ি তুলে দেওয়া হয়। হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সম্পাদক শ্রী সুন্দর গোপাল দাস, সহ সম্পাদক শ্রী সুজিত মাইতি। এছাড়াও এই অনুষ্ঠানে স্থানীয় হিন্দু সংহতির প্রমুখ কর্মী শ্রী শিবু রাজবংশী, শ্রী প্রশান্ত শিকদার এবং সুমন দাস।

রমজান মাসে রেশনে বিশেষ বরাদ্দ সরকারের

এর আগে সংখ্যালঘুদের নাম করে মুসলিম ছাত্র-ছাত্রীদের বৃত্তি, মাদ্রাসায় ঢালাও বরাদ্দ, বিদেশে উচ্চ শিক্ষার জন্যে ঋণ, ইমাম ভাতা তো ছিলই। এবার রেশনেও শুরু হলো মুসলিম তোষণ। কারণ রমজানের রোজা চলাকালীন মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষদের জন্যে রেশনে বিশেষ বরাদ্দের ঘোষণা করলো রাজ্য সরকার। বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে, রমজান মাসের জন্যে রেশনে চিনি,ময়দা,তেল, ছোলার বিশেষ বরাদ্দ হয়েছে। আগামী ৪ঠা জুনের মধ্যে দুই দফায় রোজা পালনকারী গ্রাহকদের এই বিশেষ বরাদ্দ সরবরাহ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। খাদ্য দপ্তরের বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা গিয়েছে,জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা প্রকল্পের আওতায় থাকা অন্ত্যোদয় এবং স্পেশাল প্রায়োরিটি রেশন গ্রাহকরা এটা পাবেন। এছাড়াও, নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ছোলা ও ময়দার প্রতি কেজিতে পাঁচ টাকা করে ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে। শুধুমাত্র রমজানের মাসে ১৯টাকা কেজি দরে ময়দা ও ৪৭টাকা কেজি দরে ছোলা পাবেন। প্রথম দফায় পরিবার পিছু ৫০০গ্রাম করে দুটি সামগ্রী দেওয়া হবে। এছাড়াও পরিবার প্রতি ১ লিটার করে তেল বরাদ্দ করা হয়েছে। তবে এই বিশেষ বরাদ্দ নিয়ে রেশন ডিলারদের সংগঠন আপত্তি তুলেছে। তাঁরা সব শ্রেণীর গ্রাহকদের এই বিশেষ বরাদ্দ  তুলেছেন। তারা সরকারকে চিঠি লিখে অনুরোধ জানিয়েছেন, যাতে সব শ্রেণীর গ্রাহকরা এই বিশেষ বরাদ্দ পান। তবে এই বরাদ্দ নিয়ে অনেকে মনে করছেন যে, স্পেশাল প্রায়োরিটির আড়ালে মুসলিম সম্প্রদায়ের রেশন গ্রাহকদের বিশেষ সুবিধা পাইয়ে দিতেই সরকারের এই পদক্ষেপ।

সমূদ্রগড়ে হিন্দু সংহতি আয়োজিত মা কালীর পূজায় জনসমুদ্র

গত ১১ই মে, হিন্দু সংহতির সমূদ্রগড় শাখার আয়োজিত মা কালীর পূজা মহা ধুমধামের সঙ্গে পালিত হলো। পূজার সঙ্গে ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে জেলে বন্দী তিন হিন্দু সংহতি কর্মী শ্রী সঞ্জিত শর্মা, শ্রী প্রতাপ সরকার এবং শ্রী সঞ্জয় সূত্রধর-এর মুক্তির দাবি তোলা হয় । আজ ছিল পূজার প্রথম দিন। প্রথম দিনে যজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছিল। যজ্ঞনুষ্ঠানে আশেপাশের প্রচুর মানুষ যোগ দিয়েছিলেন। সন্ধ্যায় পূজাস্থলে প্রচুর লোকের সমাগম ঘটে এবং পূজা প্রাঙ্গণ মেলার আকার ধারণ করে। সেই সঙ্গে আপামর জনগণকে খিচুড়ি প্রসাদ বিতরণ করা হয়। হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে সম্পাদক শ্রী সুন্দর গোপাল দাস এবং সহ সম্পাদক শ্রী সুজিত মাইতি উপস্থিত ছিলেন।

বীরভূমে জিহাদি মুসলমানের তান্ডব, হিন্দুদের লক্ষ্য করে বোমাবাজি; হিন্দুর দোকান ভাঙচুর ও লুঠপাট

আবার জিহাদি মুসলমানদের হাতে আক্রান্ত হলো বীরভূমের সিউড়ির হিন্দুরা। জিহাদি মুসলমানরা নির্বিচারে হিন্দুদের বাড়িঘর, দোকানে ভাঙচুর ও লুঠপাট চালালো। সেইসঙ্গে চললো দেদার বোমাবাজি। জিহাদি মুসলমানদের তান্ডবের সামনে রীতিমতো অসহায় দেখালো পুলিসকে। গত ৯ই মে, বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনাটি ঘটে বীরভূমের সিউড়ি থানার অন্তর্গত পুরন্দরপুর এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কিছুদিন আগে পুরন্দরপুর থেকে বোলপুর যাওয়ার রাস্তায় একটি লরির সাথে একটি মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগে এবং মোটরসাইকেল-আরোহী দুজন মারা যায়। তারপর থেকেই এলাকাবাসীরা সতর্কতামূলক কিছু পদক্ষেপ নেয়। এছাড়াও এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানা যায় ওই রাস্তায় প্রায়দুর্ঘটনা হয়, তাই প্রশাসন থেকে সকাল ৬টা থেকে রাত্রি ৮ টা পর্যন্ত ছয় চাকার থেকে শুরু করে কোনো বড়ো গাড়ী ওই রাস্তায় প্রবেশ করবেনা, এই রকম নিয়ম জারি করে। সেই মতো নো এন্ট্রি বোর্ড লাগানো হয়।  সকাল ৬টা থেকে রাত্রি ৮টা পর্যন্ত বড়ো  গাড়ী চলাচল বন্ধ হওয়ায় পুরন্দরপুর এর আশেপাশে মুসলমানদের ছিল বিশাল আপত্তি। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন যে, এলাকার মধ্য দিয়ে বড়ো বড়ো গাড়ি করে বালি, পাথর ইত্যাদি অন্য জায়গায় যেত। আর ঐসব গাড়ি থেকে মুসলমানরা তোলা আদায় করতো। কিন্তু বড় গাড়ি চলাচল এলাকার হিন্দু ছেলেরা বন্ধ করে দেওয়ায় মুসলিম তোলাবাজদের আয়ের উৎসে টান পড়েছিল। তাই মুসলমানরা ক্ষুব্ধ ছিল পুরন্দরপুরের হিন্দু বাসিন্দাদের ওপর।

সেই ক্ষোভের আগুনে ঘি পড়ে বৃহস্পতিবারের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে। ঐদিন অর্থাৎ ৯ই মে,  বৃহস্পতি বার সকাল বেলা থেকে পুরন্দরপুর এলাকাবাসী পুরন্দরপুর থেকে বোলপুর যাওয়ার রাস্তায় বেশ কিছু বাম্পার তৈরি করে। এছাড়াও সেই এলাকার কিছু ছেলে যারা জোরে গাড়ী চালিয়ে যাচ্ছিল এবং ফোনে কথা বলতে বলতে গাড়ি চালিয়ে যারা ওই রাস্তাদিয়ে  যাচ্ছিল তাদের দাঁড় করিয়ে সাবধান করছিল এবং কিছুজনকে কান ধরে উঠবস করায়।  আর এই কান ধরে উঠবস করার ঘটনাটি ভাইরাল হয়।বিকালে ওই রাস্তায় নো এন্ট্রি নিয়ে ওই এলাকায় প্রশাসনিক একটি বৈঠক হয় এবং কোন ধরে উঠবস করানোর ঘটনাটি সামনে এলে ওই ছেলেদের বারণ করা হয়।
কিন্তু এই ঘটনাকে উপলক্ষ করে এলাকার মুসলিমরা রাতে হিন্দুদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। ওই দিন রাত্রি ৮ টার দিকে হঠাৎই কয়েকশো জিহাদি মুসলমান পুরন্দরপুর বাজারে এসে হিন্দুদের লক্ষ্য করে বোমা ছুড়তে শুরু করে। বোমাবাজিতে মুহূর্তের মধ্যে হিন্দুদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আতঙ্কে বাজারের মধ্যে আসা মানুষজন ছোটাছুটি শুরু করে দেয়। তারপর মুসলিমরা বাজারের একের পর এক হিন্দু দোকানে ভাঙচুর চালায়। স্থানীয় সূত্রে খবর, প্রায় ৩৫টির বেশি দোকানে ভাঙচুর চালায় মুসলমানরা। স্থানীয় কিছু হিন্দু যুবক প্রতিরোধ করতে রাস্তায় নামে। তাতে মুসলিমদের সঙ্গে অল্প সংঘর্ষ বাঁধে। খবর পেয়ে পুলিসবাহিনী RAF নিয়ে ঘটনাস্থলে আসে। বর্তমানে এলাকায় RAF মোতায়েন থাকলেও চাপা উত্তেজনা রয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে হিন্দু সংহতির প্রতিনিধি এলাকা পরিদর্শনে যায় এবং এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী এবং আক্রান্ত হিন্দু বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে। সেইসঙ্গে হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে এলাকার হিন্দু বাসিন্দাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

রাস্তা আটকে নামাজ পড়ার প্রতিবাদ করায় হিন্দুদের ওপর আক্রমণ, উত্তপ্ত আসামের হাইলাকান্দি; কারফিউ জারি

আসামের হাইলাকান্দি শহরের কেন্দ্রস্থলে রাস্তা আটকে নামাজ পড়াকে কেন্দ্র করে নির্বিচারে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর আক্রমণ করলো মুসলিমরা। গতকাল ১০ই মে, শুক্রবার  দুপুরে এই ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, সামাল দিতে বিশাল পুলিসবাহিনী ও RAF মোতায়েন করতে হয়। জারি করা হয় ১৪৪ ধারা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কয়েকদিন ধরেই হাইলাকান্দির মুসলমানরা ফেসবুকে শহরের সম্পূর্ণ হিন্দু এলাকা মারোয়াড়ি পট্টিতে রাস্তা আটকে জুম্মার নামাজ পড়ার জন্য মুসলমানদেরকে আহ্বান জানিয়ে প্রচার চালাচ্ছিলো। সেই মতো আজ দুপুরে রাস্তা আটকে নামাজ পড়তে শুরু করে মুসলমানরা। হিন্দু পথচারী ও ব্যবসায়ীরা প্রতিবাদ করলে মুসলমানরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। একের পর এক হিন্দুদের দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। কিছু হিন্দু প্রতিরোধের চেষ্টা করলেও, উন্মত্ত মুসলিম জনতার সামনে দাঁড়াতে পারেনি তারা। একাধিক গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় মুসলিম জনতা। খবর পেয়ে পুলিসবাহিনী এলেও মুসলিম যুবকরা পুলিসকে লক্ষ্য করে কাশ্মীরি স্টাইলে ইট-পাথর ছুড়তে থাকে। ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে RAF ডাকতে হয়। তারপরেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

ভারতীয় সেনার গুলিতে পাকিস্তানের নাগরিকের মৃত্যু, ভারতীয় হাইকমিশনারকে ডেকে প্রতিবাদ জানালো পাকিস্তান

একটা সময় ছিল যখন সীমান্তে পাকিস্তান সংঘর্ষ বিরতি লঙ্ঘন করে ভারতের দিকে গোলাগুলি বর্ষণ করতো। তখন ভারত পাকিস্তানের হাইকমিশনারকে ডেকে পাঠাতো, প্রতিবাদ জানাতো । কিন্তু কাজের কিছুই হতো না। সীমান্ত সংঘর্ষ বিরতি চুক্তিকে বিশেষ পাত্তাই দিতো না পাকিস্তান। কিন্তু এখন সময় বদলেছে। কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন সরকার। ফলে এখন উল্টোটা হচ্ছে। এবার নিয়ন্ত্রণরেখায় সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি ভাঙার অভিযোগে ইসলামাবাদে নিযুক্ত ভারতীয় ডেপুটি হাইকমিশনার গৌরব আলুওয়ালিয়া তলব করে প্রতিবাদ জানাল পাকিস্তান সরকার। বুধবার পাক বিদেশ দপ্তর দক্ষিণ এশিয়া ডেস্কের ভারপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত ডিরেক্টর জেনারেল মহম্মদ ফয়জল বলেন, ‘গত ২ মে এবং ৫ মে নিয়ন্ত্রণরেখায় ভারতীয় সেনার গোলাবর্ষণে তিন অসামরিক নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর জখম হয়েছেন দু’জন। আমরা ভারতীয় কূটনীতিককে জানিয়েছি, সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের এই ঘটনা আঞ্চলিক শান্তি এবং সুস্থিতির পক্ষে বিপজ্জনক। এর ফলে কৌশলগত অবস্থান নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির সম্ভাবনা বাড়বে।’ পাক বিদেশ দপ্তরের তরফে এদিন একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত ২ মে রাখচিকরি সেক্টরে ভারতীয় সেনার গোলাবর্ষণে ১৫ বছরের তাহির হাফিজের মৃত্যু হয়। তার ৯ বছরের বোন তাহিরা গুরুতর জখম হয়। এর পরে ৫ মে ১২ বছরের মহম্মদ জাহিদ এবং নাসরিন নামে এক স্থানীয় মহিলা ভারতীয় বাহিনীর গোলায় নিহত হন। জখম হন সনিয়া বিবি নামে এক গ্রামবাসী।

লাহোরের দাতা দরবারে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ চালালো তালিবান , মৃত ১০

লাহোরের দাতা দরবার সুফি সৌধের বাইরে আত্মঘাতী বিস্ফোরণে প্রাণ গেল ১০ জনের, আহত কমপক্ষে ২৪। নিহতদের মধ্যে তিন জন পুলিশ আধিকারিক, দু’জন নিরাপত্তারক্ষী এবং পাঁচ জন সাধারণ নাগরিক, যার মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে। গতকাল ৮ই মে, বুধবার স্থানীয় সময় সকাল পৌনে ন’টা নাগাদ সৌধের মহিলা প্রবেশদ্বারের বাইরে বিস্ফোরণটি ঘটে। ২০১০ সালে সন্ত্রাসহানার পর থেকে এই সৌধে কড়া নিরাপত্তা থাকে। রমজান মাসে সেই নিরাপত্তা কয়েকগুণ বাড়ানো হয়। কিন্তু তাতেও হামলা এড়ানো গেল না। বিস্ফোরণের পর পুলিশের দোমড়ানো-মোচড়ানো গাড়ির ছবি সামনে এসেছে, তাতে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, পুলিশকে লক্ষ করেই হামলা চালানো হয়েছিল। পাকিস্তানি তালিবানের শাখা সংগঠন হিজবুল আহরার হামলার দায় স্বীকার করেছে। তবে সৌধে মহিলাদের প্রবেশের অধিকার দেওয়ার কারণেও এই বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে বলে অনেকে মনে করছেন। কারণ তালিবান বরাবরই নারী স্বাধীনতার বিরোধী। এর আগে তালিবানের জিহাদিরা মেয়েদের শিক্ষার বিরোধিতায় স্কুল জ্বালানো, বিস্ফোরণ ঘটানোর মতো কাজ করেছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, দাতা দরবার দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় সুফি সৌধ। দাতা গঞ্জ বক্সির এই সমাধিসৌধে প্রতিবছর হাজার হাজার শিয়া ও সুন্নি মুসলিম ভিড় জমান। ২০১০ সালে একবার আত্মঘাতী হামলার শিকার হয়েছিল এই সুফি সৌধ। প্রাণ গিয়েছিল ৫০ জনের, আহত হয়েছিলেন ২০০-রও বেশি মানুষ।