লকডাউন পরিস্থিতিতে রাতের অন্ধকারে অবৈধভাবে নির্মাণ করা হচ্ছে মসজিদ

লকডাউনের মধ্যে রাতের অন্ধকারে তৈরি হচ্ছে অবৈধ মসজিদ। গ্রামবাসীরা প্রশাসনের সাহায্য চেয়ে কোন সাহায্য পাচ্ছেন না। এই অবৈধ নির্মাণ রুখতে গ্রামবাসীরা সাহায্য চাইল  হিন্দু সংহতির।

ঘটনাটি হুগলি জেলার শ্রীরামপুর বিধানসভার অন্তর্গত চাতরা পম্পা নগরের। এই এলাকায় মুসলিম জনসংখ্যা মাত্র ১০ শতাংশ, এই ১০ শতাংশ মুসলিমদের অত্যাচারে হিন্দুরা কোন ঠাসা। উল্লেখযোগ্যভাবে ওই মুসলিমরা কেউ স্থানীয় মুসলিম নয়, ১৫ থেকে ২০ বছর আগে আশেপাশের এলাকা থেকে কিছু সংখ্যক মুসলিম ওই গ্রামে এসে বসবাস শুরু করে, এই কদিনের মধ্যে তাদের জনসংখ্যা ১০ শতাংশে পৌঁছে গেছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, শ্রেয়া হলের উল্টো দিকের পাড়ায় একটি পুকুর ছিলো, সেই পুকুর মাটিফেলে বুঝিয়ে তার চারিদিকে টিন দিয়ে ঘিরে ভিতরে অবৈধভাবে চলছে বিল্ডিং নির্মাণের কাজ। মুসলিমরা প্রচার করছে ওটা মসজিদ নির্মাণের কাজ হচ্ছে। লকডাউনে কারনে সরকারের পক্ষ থেকে সমস্ত নির্মাণ কাজ  বন্ধ রাখা হয়েছে, সকলকে মানতে বলা হয়েছে সামাজিক দূরত্ব। কিন্তু রাত্রে বহু লোক একত্রিত হয়ে ওই অবৈধ বিল্ডিং নির্মাণের কাজ করে চলেছেন। এলাকার হিন্দুরা পুলিশ প্রশাসনকে জানিয়েছেন, কিন্তু এই অবৈধ নির্মাণের কাজ বন্ধ করতে পুলিশ প্রশাসন কোন পদক্ষেপ নিচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন গ্রামের হিন্দুরা। মাঝে মাঝে দিনের বেলায় পুলিশ একবার করে এসে ঘুরে যায়। কিন্তু মুসলিমরা তাদের নির্মাণের কাজ করেই চলেছে। এলাকার হিন্দুদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে এই কাজে যারা বাধা দিতে আসবে তাদের দেখে নেওয়া হবে।

অবশেষে হিন্দুরা যোগাযোগ করে হিন্দু সংহতির হাওড়া ডিভিশনাল সভাপতি মাননীয় শ্রী পার্থ প্রতিম ঘোষ মহাশয়ের সাথে। পার্থ বাবু বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখবেন বলে হিন্দুদের আশ্বস্ত করেন। পার্থবাবুর কথামতো হিন্দু সংহতির একটি যুবক প্রতিনিধি দল ওই জায়গা পরিদর্শন করেন। হিন্দু সংহতি নেতৃত্বদের কাছে পেয়ে এলাকার হিন্দুরা তাদের নানান সমস্যার ও অত্যাচারের কথা তুলে ধরেন। পার্থ বাবু বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে করোনা মোকাবিলায় হিন্দু সংহতির কর্মীরা বিভিন্ন স্থানে পুলিশ প্রশাসন ও হেলথ কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সহযোগিতা করেছেন। লকডাউনে ফলে যে অসহায় হিন্দু পরিবারগুলো সমস্যায় পড়েছে তাদের সর্বতোভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে হিন্দু সংহতির নেতৃত্ব। কিন্তু অপর দিকে জেহাদী মুসলিমরা তাদের জেহাদী কার্যকলাপ চালিয়ে চলেছেন। বহু জায়গা থেকে হিন্দুর অত্যাচারের খবর এসেছে। এই বিষয়গুলো আমরা গুরুত্ব সহকারে দেখছি, প্রয়োজনে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s