লাভ জেহাদের এক নির্মম বলি, জিয়াগঞ্জের ১৭ বছরের মিস্টু হালদার।

মৃত মিস্টু হালদার

লাভ জেহাদের এক নির্মম বলি। মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জের ঘটনা। ১৭ বছরের মিস্টু হালদার। বছর দেড়েক আগে দুর্গাপূজার অষ্টমীর দিন প্রেমে পড়ে কালুখালি রামকান্তপুর ডাঙ্গাপাড়ার রোহিত দাসের। ঘুণাক্ষরেও বুঝতে পারেনি যে রোহিত দাস প্রকৃতপক্ষে তৌফিক আহমেদ। হিন্দু নাম নিয়ে প্রেমের সম্পর্ক চালাচ্ছিলো তৌফিক আহমেদ। প্রেমে পড়ার বছরখানেক পর মিস্টু জানতে পারে ছেলেটির আসল পরিচয়। সরে আসতে চায় প্রেমের সম্পর্ক থেকে। তৌফিক শুরু করে ব্ল্যাকমেইল। অবশেষে ২১ শে জানুয়ারী মিষ্টুকে ডেকে পাঠায় মুছিপুর ব্রীজে। বলে যে ঐ সাক্ষাতের পর আর মিষ্টুকে বিরক্ত করবে না। সরল বিশ্বাসে মিন্টু সেখানে যায়। আরো কিছু বন্ধুকে সাথে নিয়ে তৌফিক তৈরীই ছিলো। মিষ্টুকে ব্রীজের উপর নিয়ে হাতের শিরা কেটে নদীতে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়। একটা ফুলের মতো জীবন শেষ হয়ে গেলো। মেয়ের বাবা থানায় গেলে পুলিশ চাপ দিয়ে কোনমতে কেবল একটা ডাইরি করিয়ে নেয়। পুলিশের গাফিলতিতে, পরোক্ষ মদতে অপরাধী অনায়াসে পালিয়ে যায়। মৃতার বাবা দীর্ঘদিন ধরে বিচার পাবার জন্যে সবার দরজায় দরজায় ঘোরে। ঐ হতভাগ্য পিতার কথা কে শুনবে? অবশেষে কারো মাধ্যমে সন্ধান পেয়ে হিন্দু সংহতির দ্বারস্থ হয়। যোগাযোগ হয় সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সমীর গুহ রায়ের সঙ্গে। সমীর গুহ রায় আশ্বাস দেন যে হিন্দু সংহতি ঐ হতভাগ্য মেয়েটির খুনীর শাস্তির জন্যে যতোদূর যেতে হয় যাবে। সমীর বাবু বলেন “আমরা শেষ পর্যন্ত যাবো। তৌফিকের ফাঁসীর সাজা শোনার আগে আমরা থামবো না।”

জেহাদী তৌফিক আহমেদ