হিন্দু বাঙালি যেন দ্বিতীয়বার আঘাত না পান – সঞ্জয় সোম

sanjoy somআমি এনআরসি অর্থাৎ জাতীয় নাগরিক পঞ্জি চাই, অবশ্যই চাই। আমি এটাও চাই যে সেটি শুধু  পশ্চিমবঙ্গের মতন সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলিতে নয়, সারা ভারতবর্ষজুড়ে হোক। যারা ভারতীয় নাগরিক নন কিন্তু দেশের যে কোনো প্রদেশে ভারতীয় সেজে ভোটাধিকার সহ সমস্ত নাগরিক সুবিধা ভোগ করছেন, তাদের চিহ্নিত করা হোক এবং সব সুযোগ সুবিধে কেড়ে নেওয়া হোক যাতে তারা ফিরে যেতে বাধ্য হন। কিন্তু আসামের এনআরসির বেগতিক অবস্থা দেখে কয়েকটি ব্যাপার একদম স্পষ্ট হয়ে গেছে এবং এবার তার থেকে শিক্ষা নিয়ে তবেই এগোনো প্রয়োজন। শেষে এমন না হয়ে বসে যে বিদেশিরা সব নাগরিক হয়ে গেলেন আর আমাদের স্বদেশীরা বিদেশি। উদাহরণস্বরূপ, সবাই বলছিলেন আগে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিধি পাস করানো হোক, তিনটি পড়শী দেশের সংখ্যালঘু হিন্দু, বৌদ্ধ, ক্রিস্টান, পার্সি, শিখ ও জৈন শরণার্থীরা ভারতীয় নাগরিকত্বের অধিকারী হিসেবে স্বীকৃত হন, তারপর নাহয় নাগরিকপঞ্জির কাজ শুরু হোক। ঠিক কথা, তাই হওয়া উচিত। কিন্তু আসাম আমাদের শিক্ষা দিলো যে এই দুই প্রক্রিয়ার মধ্যিখানে অত্যন্ত জরুরি একটি কাজ বাকি রয়ে যাচ্ছিল। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাদের একটা যুগ্ম টাস্ক ফোর্স তৈরি করে আগে দেশব্যাপি জাল সার্টিফিকেট বানানোর র‍্যাকেটের বিরুদ্ধে বিরাট মাপের অভিযান চালানো হোক। আগে যে অনুপ্রবেশকারী জাল সার্টিফিকেট বানিয়েছে তাকে চিহ্নিত করে শাস্তি দেওয়া হোক, তারপর পঞ্জিকরণের কাজ শুরু হোক, নাহলে আসামের মুসলমান অনুপ্রবেশকারীরা যেমন জাল লেগাসি ডাটা তৈরি করে বেশিরভাগই নিজেদের নাম পঞ্জিতে তুলে দিয়েছেন আর বাদ পড়ে গেছেন বোকা হিন্দু বাঙালিরা, সেই কান্ড দেশজুড়েও হয়ে যেতে পারে।

হিন্দুদের প্রসঙ্গে যাওয়ার আগে দুটো প্রশ্ন তুলে ধরতে চাই। প্রসঙ্গত, এক্ষেত্রে আমি হিন্দু বলতে হিন্দুধর্মাশ্রয়ী সমস্ত পন্থীয়দের কথাই বলছি। প্রথম বিষয়টি হলো সারা দেশের ক্ষেত্রে কাট-অফ ডেট কি হবে তা কিসের ভিত্তিতে স্থির করা হবে? আসামের ক্ষেত্রে যে ২৪শে মার্চ ১৯৭১এর কাটঅফ আছে সেটির মধ্যরাত একটি পন্থনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশের ক্ষণ, ফলত হিন্দুরা যে আর সে দেশ থেকে  বিতাড়িত হবেন না, বা হলেও বাংলাদেশ তাঁদের সসম্মানে ফিরিয়ে নেবে, এমনটা নির্ধারিত হয়েছিল, যদিও বাস্তব পরিস্থতি ছিল ভিন্ন। যখন ১৯৮৫তে আসাম চুক্তি হয় তখনও বাংলাদেশে পুরানো সংবিধান বলবৎ ছিল, সুতরাং ১৯৭১কে কাটঅফ ধরে চলার যুক্তিও নাহয় মেনে নেওয়া গেল। কিন্তু ১৯৮৮তে দেশটি সংবিধান পরিবর্তন করে যখন ইসলামকে রাষ্ট্রপন্থ হিসেবে আবার গ্রহণ করে নিল, তারপরেও ১৯৭১কে কাটঅফ রেখে দেওয়ার যৌক্তিকতা কি ছিল? যে যুক্তিতে পাকিস্তানের অত্যাচার থেকে পালিয়ে আসা অত্যাচারিত হিন্দুদের জায়গা করে দেওয়ার জন্য পন্থনিরপেক্ষ বাংলাদেশের জন্মতারিখকে কাটঅফ ধরে নেওয়া হয়েছিল, সেই একই যুক্তিতে বাংলাদেশ ফের পাকিস্তানের মতো ইসলামিক হয়ে যাওয়ার পরেও বিষয়টি পর্য্যালোচনা করার প্রয়োজনীয়তা ছিল না কি? দ্বিতীয় বিষয়টি হলো পূর্ব পাকিস্তানের এনিমি প্রপার্টি আইন যা এখন বাংলাদেশে অর্পিত সম্পত্তি আইনের রূপ পেয়েছে, যেটিকে ভাঙিয়ে প্রতিনিয়ত গড়ে রোজ ৬৩০ জন হিন্দুকে দেশছাড়া করানো হচ্ছে, তাঁরা ভারতে পালিয়ে আসতে বাধ্য হচ্ছেন এবং ভবিষ্যতেও হবেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির প্রবীণ অধ্যাপক আবুল বারকাতের মতে বাংলাদেশি মুসলমানরা ওখানকার হিন্দুদের ২৬ লক্ষ একর জমি দখল করে বসে গেছেন এবং সেদেশের সরকার এই বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ করছেন না। সেক্ষেত্রে এখনো পাশ না হওয়া নাগরিকত্ব সংশোধনী বিধিতে ৩১শে ডিসেম্বর ২০১৪র কাটঅফের যৌক্তিকতা কি? ধরুন যে হিন্দু বাঙালি ২০১৯এ প্রাণ হাতে করে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে আসবেন, এ দেশ কি তাঁর স্বাভাবিক আশ্রয়স্থল হবেনা?

এতসব কথা এই কারণে উঠছে যে দুর্ভাগ্যবশত, আমাদের হিন্দুদের প্রাচীন মাতৃভূমি ভারতবর্ষ, এখনো যে দেশের জনসংখ্যার ৮০ শতাংশ হিন্দু, সেই দেশটি সাংবিধানিকরূপে ঘোষিত হিন্দুরাষ্ট্র নয়। কেন নয়, সেই প্রসঙ্গ অন্য একদিন আলোচনা করবো। কিন্তু যেখানে ১৪.৫ কোটি ইহুদীরা পর্য্যন্ত নিজেদের জন্য একটি ইহুদীরাষ্ট্র গঠন করে ফেলতে পেরেছেন, আমরা ১০৫ কোটি হিন্দুধর্মাবলম্বী মানুষ নিজেদের বাপ-ঠাকুর্দার দেশকে আজও হিন্দুদের দেশ বলতে অক্ষম। যদি ভারত ঘোষিত হিন্দুরাষ্ট্র হতো তাহলে কি আর হিন্দু বাঙালিকে এই অপমানকর নাগরিকরণের প্রক্রিয়াগুলোর মধ্যে দিয়ে যেতে হতো? হিন্দুপ্রধান ভারতবর্ষে একজন হিন্দুকে তার হিন্দুত্ব প্রমান করতে হবে, প্রমান দাখিল করতে হবে যে হিন্দু হওয়ার কারণে তাকে প্রতিবেশী দেশে সর্বস্ব খুইয়ে পালিয়ে আসতে হয়েছে, হিন্দুস্থানে মাথা গুঁজতে পারার জন্য একজন হিন্দুকে সরকার, কোর্ট, পুলিশের দোরে দোরে ঠোক্কর খেতে হবে, এগুলো কি মেনে নেওয়া যায় না মেনে নেওয়া উচিত? অনেকেই ভারতীয়ত্বের কথা বলেন এবং হিন্দুত্ব আর ভারতীয়ত্বকে এক করে দেখাতে চান। দুটো সম্পুর্ন আলাদা পরিচয়, প্রথমটি সাংস্কৃতিক এবং দ্বিতীয়টি ভৌগোলিক। আমাদের প্রাথমিক পরিচয় আমরা হিন্দু, অর্থাৎ যুগ যুগ ধরে বিভিন্ন অভিজ্ঞতার মাধ্যমে যে জীবনশৈলী ও সামাজিক মূল্যবোধ এই ভারতভূমিতে গড়ে উঠেছে, উত্তরাধিকারসূত্রে সেই শৈলী ও বোধের আমরা ধারক এবং বাহক। লক্ষ্য করে দেখবেন যে কোনো পরিবারের প্রতিটি সদস্য আলাদা আলাদা ব্যক্তিত্বের অধিকারী হওয়া স্বত্তেও, সমিষ্টিগতভাবে প্রত্যেকটি পরিবারের একটি নিজস্বতা থাকে। কেউ বেশি ঝাল খান, কারো পড়াশুনার প্রতি দুর্বলতা থাকে, কেউ গানবাজনার প্রতি আকৃষ্ট হন, কেউ সরকারি চাকরিকে প্রাধান্য দেন, কেউবা বংশানুক্রমিকভাবে কৃষিকাজ বা হস্তশিল্পে পারদর্শী হন, ইত্যাদি। প্রতিটি পরিবারের সকলের নাম যার যার হলেও, পদবি কিন্তু সবার। ঠিক তেমনিই, আমাদের দেশীয় পরিচয় আমরা হিন্দু, তারপর কোন অঞ্চলে বাস করি বা কি খাই বা কি পরি ইত্যাদি সব ব্যক্তিগত পরিচয়। বিড়ম্বনা হলো, আজ সমস্ত হিন্দুকে তার নিজস্ব রাষ্ট্রের সরকার স্বাভাবিক নাগরিক বলে মানছে না, সংস্কৃতি বাদ দিয়ে শুধুমাত্র ভৌগোলিক পরিচয়ের প্রমান চাইছে। সে অধিকার কি আদৌ হিন্দুস্থানের সরকারের থাকা উচিত?

এই পরিপ্রেক্ষিতে, সিটিজেনশিপ এমেন্ডমেন্ট এক্ট বা নাগরিকত্ব সংশোধনী বিধিটিকে বিশ্লেষণ করা দরকার। প্রথম কথা, এই বিধির মাধ্যমে আমরা মেনে নিচ্ছি যে হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন, শিখ, পার্সি আর তিনটি পড়শী ইসলামিক দেশের খ্রিস্টান নাগরিক আমাদের দেশে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় পাবার অধিকারী এবং ছয় বছর ভারতে বসবাসের পর নাগরিকত্ব পাওয়ারও অধিকারী, যা মুসলমানদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। অর্থাৎ বকলমে আমরা এটা মেনে নিচ্ছি যে মুসলমানরা আমাদের দেশের স্বাভাবিক নাগরিক নন, তাদের নাগরিকত্ব প্রমানসাপেক্ষ। দ্বিতীয় বিষয়, আমরা এই বিধিতে শরণার্থীদের ক্ষেত্রে ৩১শে ডিসেম্বর ২০১৪কে কাটঅফ ডেট ধরছি, অর্থাৎ ২০১৫ থেকে আজ পর্য্যন্ত যে সমস্ত হিন্দু বৌদ্ধ ইত্যাদি এই তিনটি দেশ থেকে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছেন বা ভবিষ্যতেও যাঁরা আসবেন, তাঁদের কি আর আমরা শরণার্থী বলে গণ্য করবো না? হিন্দুরা কি তবে হিন্দুস্থানেই আইনবলে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী বলে গণ্য হবেন? তৃতীয়ত, এই আইনে কেবল নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে অথচ সেই হিন্দুদের ছেড়ে দেওয়া জমির সমতুল্য জমি সেই পড়শী দেশগুলিকে ফিরিয়ে দেওয়ার কথা কোথাও বলা নেই, যার ফলে সে সব দেশে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার বাড়বে বৈ কমবে না। মুসলমানেরা যদি ফোকটে হিন্দুর জমি-বাড়ি কব্জা করে নিতে পারে এবং বিনিময়ে নিজেদের কোনো লোকসান না হয়, তারা কি একঘর হিন্দুকেও আর সেদেশে থাকতে দেবেন? হিন্দুদের সঙ্গে থাকবেন না বলেই তো তারা পন্থের ভিত্তিতে দেশভাগ করেছিলেন, আজ সেই দেশগুলিকে হিন্দুশুন্য করার সুবর্ন সুযোগ কেন আমরা তাদের হাতে তুলে দিচ্ছি?

আমি নাগরিকপঞ্জি চাই কিন্তু যাচাইয়ের প্রক্রিয়াটি কেবলমাত্র মুসলমানদের জন্য চাই। ভারতবর্ষ কেবলমাত্র মুসলমানদের পন্থের আধিপত্যে স্থাপনের ভিত্তিতে ভাগ হয়েছিল, আর অন্য কোনো কারণ ছিলনা। ভাগ হয়ে প্রথমে একটি ইসলামিক রাষ্ট্র তৈরি হয় যাতে ব্রিটিশ ভারতের মুসলমানরা ভারতীয় হিন্দুদের থেকে আলাদা থাকতে পারেন, পরে সেই অংশদুটি দুটি পৃথক ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত হয়। সেই সময়ে পাকিস্তানের পথে ধাবমান অবিভক্ত বঙ্গকে ভাগ করে হিন্দু বাঙালির একমাত্র বাসভূমি হিসেবে ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের পশ্চিমবঙ্গকে জিন্নার মুখ থেকে ছিনিয়ে আনেন, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ থাকা উচিৎ নয়। হিন্দু বাঙালির বাসভূমি মানে, যে হিন্দু বাঙালি পাকিস্তানের বিজাতীয় গোঁড়া ইসলামিক শাসনকে মেনে নিয়ে মুসলমানদের অত্যাচার ও কটূক্তি সহ্য করে পূর্ব পাকিস্তানে টিকতে পারবেন না, তাঁরা যেন স্বজাতীয় হিন্দু সংস্কৃতিমনস্ক ও সনাতন ধর্মানুসারিদের সাথে একত্রে সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারেন, সেই জন্যই পাকিস্তান ভাগ করে পশ্চিমবঙ্গ তৈরি হয়েছিল। এই রাজ্যে বাসস্থান সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা হিন্দু বাঙালিদের জন্মগত অধিকার, এই কথাটা যেন আমরা কেউ কোনোদিন ভুলে না যাই। ভারতের অন্যান্য রাজ্য ভাষার ভিত্তিতে গঠিত হলেও, আমাদের এই রাজ্য দা গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং এবং নোয়াখালী হিন্দুহত্যার পরিপ্রেক্ষিতে শুধুমাত্র মুসলমানদের অত্যাচার থেকে হিন্দু বাঙালিকে রক্ষা করার জন্য ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। আজ কি আমরা শ্যামাপ্রসাদের সেই রাজ্যে হিন্দু বাঙালির কাছে নতুন করে নাগরিকত্বের প্রমান চাইবো? কিসের লেগাসি ডাটা, কিসের সার্টিফিকেট? আমি একজন হিন্দু বাঙালি এবং পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা, এটাই কি আমার যথেষ্ট পরিচয় ও নাগরিকত্বের প্রমান নয়? যদি নাগরিকত্ব প্রমান করতে হয়, তারা দেবেন যারা পন্থের ভিত্তিতে দেশভাগ করেছিলেন, তারা দেবেন যারা আমাদের বাপ- ঠাকুর্দার ভিটেমাটি থেকে আমাদের উৎখাত করে একবস্ত্রে প্রাণ হাতে করে পালিয়ে আসতে বাধ্য করেছিলেন, তারা দেবেন যারা দেশের জমি ভাগ করে নিয়েও আবার এপারে অনুপ্রবেশ করে আমাদের অংশে ভাগ বসাতে এসেছিলেন, আমরা কেন দেব? কোনো কাটঅফ এখানে চলবে না – যেদিন কোনো হিন্দু বাঙালি পালিয়ে আসবেন, সেদিনই তিনি ভারতে আশ্রয় পাবেন এবং পরবর্তীকালে নাগরিকত্বও। হিন্দু বাঙালির হিন্দু পরিচয়ই যথেষ্ট, তার কাছে কোনো লেগাসি ডাটা চাওয়া যাবেনা। আর সবার আগে কঠোর পন্থপরিবর্তনবিরোধী বিধি পাস করাতে হবে যাতে ইচ্ছেমত পন্থ পাল্টে কেউ হিন্দু বাঙালি সেজে নাগরিকপঞ্জিতে নাম নথিভুক্ত করতে না পারেন। সবশেষে এটুকুই বলে ইতি টানবো যে কোনো হিন্দু বাঙালি যেন নিজভূমে অসম্মানিত না হন, সরকার সেই ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করুন। সেই সাথে এটিও সুনিশ্চিত করুন যে যাদের পন্থের ভিত্তিতে দেশভাগের তাড়নায় কয়েক কোটি হিন্দু বাঙালি পরিবার তছনছ হয়ে গেছে, তারা বা তাদের একজনেরও বংশধর যেন আর আমাদের দেশে মিথ্যে ভারতীয় সেজে করেকম্মে খেতে না পারেন।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s