পাচার হয়ে যাওয়া ২ হিন্দু কিশোরীকে বৈষ্ণবনগর ও ইংরেজবাজার থেকে উদ্ধার করলো কুমারগঞ্জ থানার পুলিস

কয়েকদিন আগেই বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়েছিল নবম শ্রেণীতে পড়া বছর পনেরোর হিন্দু কিশোরী। তার কয়েকদিন পরে আর বছর তেরোর এক হিন্দু কিশোরী বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলো। দুই পরিবারের তরফে কুমারগঞ্জ থানায় নিখোঁজ ডাইরি করে তাদের পরিবারের লোকেরা, কারণ তাদের কাছে তাদের মেয়েরা কোথায় গিয়েছে কোনোরকম সূত্র ছিল না। কিন্তু এই দুই ঘটনার তদন্তে নেমে ওই দুই হিন্দু কিশোরীকে উদ্ধার করতে কোনোরকম চেষ্টা করতে বাকি রাখেনি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুমারগঞ্জ থানার পুলিস। তদন্তে নেমে পুলিস প্রাথমিকভাবে জানতে পারে যে মালদহ জেলার দুই যুবকের সঙ্গে মিসকলে আলাপ হয়েছিল ওই দুই হিন্দু কিশোরী। সেই নাম্বারের সূত্রে পুলিস টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করতে শুরু করে। আর তারই সূত্র ধরে কুমারগঞ্জ থানার পুলিস পৌঁছে যায় মালদহ জেলায়। একটি দল যায় ইংরেজবাজার এবং আর কাটি দল যায় বৈষ্ণবনগর এলাকায়। স্থানীয় থানার সহযোগিতায় গত ১৭ই আগস্ট, শনিবার দুজনকে উদ্ধার করে পুলিস। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে। বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে, তারা প্রেমের টানে মালদহ জেলার দুই মুসলিম যুবকের সঙ্গে পালিয়ে গিয়েছিলো। প্রথমে নবম শ্রেণীতে পড়া মেয়েটিকে কালিয়াচক নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তারপর সেখান থেকে তাকে বৈষ্ণবনগরে নিয়ে আসা হয়। সেখানে তাকে এক পাচারকারীর কাছে বিক্রি করে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই কুমারগঞ্জ থানার পুলিস উদ্ধার করে। একইভাবে বছর তেরোর কিশোরীকে ইংরেজবাজারে নিয়ে এসেছিলো এক মুসলিম যুবক। তাকেও পাচারকারীর কাছে বিক্রি করে দেবার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু তাকেও উদ্ধার করে পুলিস। তবে দুই ক্ষেত্রে পুলিস ওই মুসলিম যুবকদেরকে ধরতে পারেনি পুলিস। তবে পুলিসের তৎপরতায় দুই পরিবারের মানুষ খুশি। তারা পুলিসের কাছে ওই দুই পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করে শাস্তি দেবার দাবি জানিয়েছে।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s