তৃণমূল এম.পি রা কি এরাজ্যে বাংলাদেশী সন্ত্রাসবাদীদের মদত দিচ্ছেন?

        বাংলাদেশের জামাত -ই -ইসলামি এবং ছাত্র শিবিরের কর্মীদের মদত দেওয়ার কারণে পশ্চিমবঙ্গের অনেক রাজনৈতিক নেতার উপর নজর রাখা হচ্ছে – এই মর্মে আই.বি-র পক্ষ থেকে স্বরাস্ট্র মন্ত্রককে একটি নোট পাঠানো হয়েছে।সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী আর.পি.এন সিং কে পাঠানো একটি নোটে আই.বি -র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে বিপুল অস্ত্র ভান্ডার ভারতে আনার চক্রান্ত চলছে এবং আশঙ্কা করা হচ্ছে যে, খুব তাড়াতাড়ি এই অস্ত্র-শস্ত্র পশ্চিমবঙ্গে এসে পৌঁছাবে। এই খবরটি আরও গুরত্বপূর্ণ এই কারণে যে, তৃণমূল কংগ্রেসের অনেক নেতার উপর জামাত-ই -ইসলামি এবং ছাত্রশিবিরে কর্মীদের আশ্রয় ও মদত দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ccc
আই.বি অফিসারদের বক্তব্য, বাংলাদেশ থেকে তাড়া খেয়ে এই সব সন্ত্রাসবাদীরা পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নিচ্ছে এবং এদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে রাজ্যের বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক নেতার উপরে নজরদারী চালানো হচ্ছে। আই.বি-র পক্ষ থেকে সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গে তৃণমূল নেতাদের সম্পর্কের ব্যাপারটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সম্প্রতি রাজ্যসভায় নির্বাচিত একজন প্রতিনিধি সহ আরও কয়েকজন নেতার নাম এব্যাপারে উঠে এসেছে।আই.বি-র বক্তব্য – কয়েকজন এম.পি , যাদের সিমির সঙ্গে প্রত্যক্ষ সম্পর্ক ছিল, তারা এই সমস্ত সন্ত্রাসবাদীদের নিরাপত্তা দিচ্ছে। আই.বি -র সূত্র অনুসারে প্রায় ৪০ জন সন্ত্রাসবাদী পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নিয়েছে।বিহারের ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনদের মত বাংলায় জামাত এবং সিমির সন্ত্রাসবাদীদের খুঁজে পাওয়া খুব সমস্যা হয়ে পড়ছে কারণ এদের পিছনে স্থানীয় লোকেদের পূর্ণ সমর্থন আছে। এরা রাজ্যে প্রবেশ করেই প্রত্যন্ত গ্রামে গঞ্জে ছড়িয়ে পড়ছে। স্থানীয় পুলিশ কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না। আশংকা করা হচ্ছে যে তারা উপরের চাপে মুখ খুলতে সাহস করছে না।
তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ধর্মীয় মৌলবাদ নিয়ে রাজনীতি করার অভিযোগ আগেও অনেকবার উঠেছে। বামপন্থী নেতা বিমান বসুও বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে আসা সন্ত্রাসবাদীদের আড়াল করার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে এনেছেন। বিমান বসু বলেছেন, – “বাংলাদেশ পুলিশ যখন সাতক্ষীরায় অপরেশন চালায় তখন সন্ত্রাসবাদীরা ভারতে পালিয়ে আসে এবং বসিরহাটের তৃণমূল এম.পি. তাদের আশ্রয় দেয়।” তিনি রাজ্যসভায় সদ্যনির্বাচিত আহমেদ হাসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন যে, বাংলাদেশের জামাতের সাথে হাসান সাহেবের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে এবং তিনি জামাতের মুখপত্র ‘নয়া দিগন্তের’ প্রতিনিধি হিসাবে কাজও করেছেন। বিমান বাবু মনে করেন যে বাংলাদেশের সম্প্রতিক পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে সেখ হাসিনা যে পদক্ষেপ নিয়েছেন তার বিরুদ্ধেই এই চক্রান্ত হচ্ছে। বাংলাদেশের আওয়ামী লীগের সদস্য সেখ ফজলুল করিম সেলিম কিছুদিন আগে এই একই অভিযোগ করেন।ভারতে আশ্রয় গ্রহণকারী সন্ত্রাসবাদীদের গ্রেপ্তার করে বাংলাদেশ সরকারের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য তিনি মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অনুরোধ করেন ।

নিরাপত্তা সংস্থা গুলির মতে পরিস্থিতি খুব খারাপের দিকে যাচ্ছে এবং এই বাংলাদেশী সন্ত্রাসবাদীদের যে বা যারা মদত দিচ্ছে তাদেরকে নজরদারীর আওয়তায় আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র দপ্তর থেকে বলা হয়েছে যে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ঢোকার সহজতম পথ হল পশ্চিমবাংলা এবং সেই কারণেই সিমির লক্ষ্য এই পথে অস্ত্র-শস্ত্র ভারতে এনে এদেশে সন্ত্রাস চালানো।এই পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নেওয়া সন্ত্রাসবাদীদের এই রাজনৈতিক মদত নিরাপত্তা সংস্থাগুলির কাছে যথেষ্ট উদ্বেগজনক।

সুত্র:- http://www.rediff.com/news/report/are-trinamool-mps-harbouring-bangladeshi-terrorists-in-wb/20140212.htm

Rediff.com  » News » Are Trinamool MPs harbouring Bangladeshi terrorists in WB?

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s