মালদায় হিন্দুদের উপর পরপর আক্রমণে পুলিশী নিস্কৃয়তার বিরুদ্ধে হিন্দু সংহতির বিক্ষোভ

২০১১ সালের জনগণনা অনুসারে মালদা জেলায় মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। পৃথিবীর অন্যান্য স্থানে মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হলে সংখ্যালঘুদের যে পরিণতি হয় মালদাও তার ব্যতিক্রম নয়। গত বছর মালদা জেলার যাত্রা শুরু হয়েছিল কালিয়াচক দিয়ে আর শেষ হয়েছিল কলিগ্রামে। উভয়ক্ষেত্রেই আক্রমণকারী ছিল মুসলিম আর আক্রান্ত ছিল হিন্দু। তবে হ্যাঁ, উভয়ক্ষেত্রেই আরেকটা বিষয় ‘কমন’ ছিল, সেটা হল হিন্দু সংহতির প্রতিরোধ।

কালিয়াচকের বেলায় যেমন তন্ময় তিওয়ারি জেহাদি আক্রমণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিল তেমনি কলিগ্রামের বেলাতেও রুখে দাঁড়িয়েছিল হিন্দু সংহতির কিছু সাহসী যোদ্ধা। এদের কারনেই মালদা আজও জেহাদিদের মুক্তাঞ্চল হয়ে যায়নি।

তবে কোন অঞ্চলে জেহাদি সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে তার প্রথম প্রভাব পরে প্রশাসনিক ক্ষেত্রে। রাজনৈতিক নেতাদের ক্রীতদাস প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিরা তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থে জেহাদিদের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করে। মালদা জেলায় গত কয়েকমাস ধরে জেহাদিরা নির্বিচারে অত্যাচার চালিয়ে গেলেও প্রশাসনের কোন হেলদোল নেই।

নাবালিকা ভুবনেশ্বরী দাসের অপহরণ হোক বা অমল মন্ডলের জমির ফসল নষ্ট করে দেয়া হোক বা জতন মাঝির মেয়ের বিয়ের শুভ অনুষ্ঠানে বাধাদান- কোন ক্ষেত্রেই প্রশাসনের কাছে নালিশ জানিয়ে সুরাহা হয়নি হিন্দুদের।

অবশেষে গত ২৩ শে এপ্রিল হিন্দু সংহতির Pijush Mandal এবং Jitendra Chowdhury-র নেতৃত্বে স্থানীয় হিন্দুরা অপরাধীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবীতে গাজোল থানা অবরোধ করে। হিন্দুদের সম্মিলিত চাপের মুখে থানার আধিকারিক অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করার লিখিত প্রতিশ্রুতি দেন।

 

 

Advertisements