Whatsapp গ্রূপের মাধ্যমে পাথর ছোঁড়ার কাজে মদত দেয় ISI, এনআইএ তদন্তে উঠে এলো বিস্ফোরক তথ্য

কাশ্মীরে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর পাথর ছোড়ার তদন্তে নেমে ইতিমধ্যেই নানা বিস্ফোরক তথ্য উঠে এসেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-এর হাতে। তদন্তে উঠে এসেছে আরও সমস্ত চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, উপত্যকাজুড়ে কাশ্মীরি কিশোর-যুবকদের পাথর ছুড়তে যারা উসকানি দিয়েছে, তাদের অধিকাংশই পাকিস্তান ও আরবের দেশগুলির  বাসিন্দা। পাকিস্তানের মাটিতে বসেই একাধিক Whatsapp গ্রূপের মাধ্যমে তারা কাশ্মীরি যুবকদের লাগাতার ভারতীয় সেনাবাহিনীর ওপর পাথর ছোড়ার উসকানি দিত। ইতিমধ্যেই এমন ৭৯টি গ্রূপ ও ১১৭ জনকে খুঁজে পেয়েছে এনআইএ। এরা প্রতিনিয়ত গ্রূপগুলিতে লাগাতার ভারত-বিরোধিতা করে উসকানিমূলক বক্তব্য প্রচার করতো। সেইসঙ্গে ছিল নগদ টাকার টোপ। তদন্তে নেমে এনআইএ জানতে পেরেছে, এই গ্রূপগুলির প্রায় প্রতিটিরই অ্যাডমিন রয়েছে পাকিস্তানে। ইতিমধ্যে এমন কয়েকটি গ্রূপের নাম প্রকাশ্যে এনেছে এনআইএ। ‘ভ্যালি অফ টিয়ারস’, ‘পুলওয়ামা রেবেলস’, ‘ফ্রিডম ফাইটার্স’, ‘আল-জিহাদ’ নামে গ্রূপগুলির প্রত্যেকটির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে একাধিক পাকিস্তানের ও আরব দেশগুলির বাসিন্দা। জানা গিয়েছে, মোট ৬,৩৮৬ জন সদস্য গ্রূপগুলিতে যুক্ত। এনআইএ আরও জানিয়েছে, কোনো জায়গাতে নিরাপত্তা বাহিনী বা সেনা অভিযান চালালে সেই এলাকার Whatsapp গ্রূপের মাধ্যমে যুবকদেরকে জড়ো হয়ে পাথর ছুড়তে নির্দেশ দিতো। বিনিময়ে নগদ টাকা ছাড়াও একাধিক সুযোগ-সুবিধা  পেত ওই যুবকরা। বিভিন্ন রকমের উপহার থেকে শুরু করে পাকিস্তানের মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করার লোভ দেখানো হতো এই সমস্ত যুবকেরা। তার বদলে এই গ্রূপগুলির সঙ্গে যুক্ত যুবকেরা সেনাবাহিনীর গতিবিধি ও কার্যকলাপ গ্রূপের মধ্যে শেয়ার করতো। আবার কখনও  যুবকদেরকে পাথর ছোড়ার জন্য কোনো স্থানে জড়ো হবার নির্দেশ আসতো এই গ্রূপগুলির মাধ্যমে।

Advertisements