রোহিঙ্গাদের রুখতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে নজরদারি বাড়াচ্ছে বিএসএফ

দুষ্কৃতীদলের সাহায্যে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত পার হয়ে চোরাপথে এদেশে ঢুকছে রোহিঙ্গারা। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে ইতিমধ্যেই এমন ১৪০টি জায়গা চিহ্নিত করে নিরাপত্তারক্ষীদের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। কড়া নজরদারি চালানোর জন্য বসানো হয়েছে আধুনিক যন্ত্রপাতিও। শুক্রবার একথা জানিয়েছেন বিএসএফ ডিজি কে কে শর্মা। সম্প্রতি বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিবি) সঙ্গে চারদিন ব্যপী বার্ষিক আলোচনাসভায় অংশ নিয়েছিল বিএসএফ কর্তারা। এই বৈঠকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে রোহিঙ্গাদের ঢুকে পড়ার বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়। দ্বিপাক্ষিক আলোচনার শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজিবি ডিজি মেজর জেনারেল আবুল হোসেন জানান, বাংলাদেশের মাটিকে ব্যবহার করে সেদেশে বা ভারতের বিরুদ্ধে কোনওরকম সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ রুখতে বদ্ধপরিকর বাংলাদেশ সরকার। পাশাপাশি, মায়ানমার ও বাংলাদেশের মধ্যে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি। বিএসএফ ডিজি কে কে শর্মা জানান, রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে দু’দেশের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের একটা বড় অংশ বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছে। এই ইস্যুটি যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তা আমরা জানি। সীমান্ত পেরিয়ে রোহিঙ্গাদের ভারতে ঢোকার বিষয়টিও ঠিক। বিষয়টি নিয়ে বিএসএফ এবং বিজিবি, দুই পক্ষই পদক্ষেপ নিয়েছে। রোহিঙ্গাদের গতিবিধির উপর নজর রাখবে বিজিবি। তারা যাতে সীমান্ত টপকে ভারতে না ঢুকতে পারে তার জন্যও নজর রাখবে বিজিবি।’ তিনি আরও জানান, ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের ১৪০টি জায়গা চিহ্নিত করেছে বিএসএফ, যেখান দিয়ে রোহিঙ্গারা সীমান্ত টপকে ভারতে আসতে পারে। রোহিঙ্গাদের ভারতে ঢোকা রুখতে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলির সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।

Advertisements