বিদ্যালয়ে ভর্তির মাসুল; ছাত্রের সামনেই মায়ের শ্লীলতাহানীঃ অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক আজিজ মল্লিক

নবম শ্রেনিতে ছেলেকে স্কুলে ভর্তি করাবেন বলে বারবার প্রধান শিক্ষকের কাছে ছুটে গিয়েছেন মা। কিন্তু তাতে চিঁড়ে ভেজেনি। অবশেষে সে গুনধর শিক্ষক মা’কে তার বাড়িতে গিয়ে একান্তে সাক্ষাৎ করতে বলেন। মনে ‘কু’-ডাকায় সেই প্রস্তাবে সায় দেননি মহিলা। অবশেষে স্কুলের মধ্যেই নিজের সন্তানের সামনে শ্লীলতাহানি’র শিকার হতে হল তাকে। অভিযোগের তির যার দিকে উঠেছে, তিনি আর যে সে কেউ নন, ওই স্কুলেরই প্রধান শিক্ষক আজিজ মল্লিক। ন্যাক্কারজনক এই ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমান জেলার নাদানঘাট থানার অন্তর্গত নসরৎ পুরের পারুলডাঙ্গা হাইস্কুলে।

সংবাদ সুত্রের খবর অনুযায়ী, বর্ধমানের সমুদ্রগড় অঞ্চলের মধ্য গৌরাঙ্গপাড়ার বাসিন্দা, মাঝবয়েসী শ্রীমতি অনিতা বিশ্বাস এদিন স্থানীয় নাদানঘাট থানায় এই মর্মে উক্ত স্কুলেরই প্রধান শিক্ষক আজিজ মল্লিকের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

ঘটনা থেকে এখনও পর্যন্ত অত্যন্ত আতঙ্কিত শ্রীমতি বিশ্বাস এদিন এমনই এক গুরুতর অভিযোগ জানিয়ে বলেন যে, পারুলডাঙ্গা হাইস্কুলে তার ছেলে অমিত বিশ্বাস’কে সঙ্গে নিয়ে দুপুর একটার দিকে নবম শ্রেনীতে ভর্তি করাতে গেলে, অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক আজিজ মল্লিক তাকে ফাঁকা ঘরে একা পেয়ে তার সদ্য কৈশোরপ্রাপ্ত সন্তানের সামনেই অত্যন্ত অশালীন আচরন এমনকি তার শ্লীলতাহানীও করেন। মহিলার আরও অভিযোগ, এদিন তার ছেলে আমিতই শেষ পর্যন্ত ঐ “মল্লিক স্যারের” বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে মায়ের আব্রু রক্ষা করে।
এদিন ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ থানায় অভিযোগ জানিয়ে শ্রীমতি বিশ্বাস উক্ত নসরৎ পুর, পারুলডাঙ্গা হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক আজিজ মল্লিক’কে গ্রেফতার করে তার কঠোর শাস্তির দাবী করেছেন। শেষ প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী এখনো পর্যন্ত সেই শিক্ষকের গ্রেফতারির কোন খবর নেই। এই নিয়ে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।