পশ্চিমবঙ্গকে বাঁচাতে হলে শুধুমাত্র জনজাগরণ নয়, অাগ্রাসী ইসলামিক শক্তির প্রতিরোধের প্রস্তুতি চাই

গত ১৭ই নভেম্বর রাজ্যসভাতে আসামের এমপি ঝর্ণা দাস বৈদ্য-এর এক প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কইরেন রিজিজু বলেন যে ভারতে বর্তমানে ২ কোটি মুসলিম অনুপ্রবেশকারী যেআইনি ভাবে বসবাস করছে। এরা ভারতে অনুপ্রবেশ করে মূলত আসাম ও পশ্চিমবঙ্গ দিয়ে। তিনি আরো বলেন যে এরা  ভারতে আসার পর সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে আশ্রয় পাচ্ছে এবং পরে সেখান থেকে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে। তারপর এরা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কল-কারখানা ও নির্মীয়মান বাড়িগুলিতে হিসেবের কাজ করছে। তারপর এই সব অনুপ্রবেশকারীরা হাওলার মাধ্যমে দেশে টাকা পাঠাচ্ছে। এদের মধ্যে আবার অনেকে কিছুদিন পর তাদের আত্মীয়-স্বজনদের কেও এদেশে ডেকে নিচ্ছে।  ফলে ভারতে মুসলিম অনুপ্রবেশকারীর সংখ্যা ক্রমশ বেড়ে চলেছে। শ্রীমতি দাস বৈদ্য এর পর কিরেন রিজিজু-এর কাছে জানতে চান কেন্দ্র এইসব মুসলিম অনুপ্রবেশকারীর বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নিচ্ছে। এর উত্তরে রিজিজু মহাশয় বলেন যে তাদের সরকার এই সমস্ত অনুপ্রবেশকারীদেরকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে এবং তাদেরকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। প্রসঙ্গত বলা যায় যে, গত ২০০৪সালে UPA জমানার স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রাজ্য সভাতে জানিয়েছিলেন যে ভারতে প্রায় ১কোটি ২০ লক্ষ মুসলিম অনুপ্রবেশকারী  করছে।

  তবে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে কিরেন রিজিজু মহাশয়ের এই বক্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ পশ্চিমবঙ্গের দুই সীমান্তবর্তী জেলা মালদহ ও মুর্শিদাবাদ-এর জনবিন্যাস বদলে যাওয়ার কারণ হলো এই মুসলিম অনুপ্রবেশ। দ্রুত কমে চলেছে হিন্দু জনসংখ্যা। যদিও এই ব্যাপারে পশ্চিমবঙ্গের মিডিয়া নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে চলেছে দীর্ঘদিন ধরে। এছাড়া আরো একটি বিষয় দীর্ঘদিন ধরে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে সারা রাজ্যের নির্মীয়মান আবাসন প্রকল্পে কাজ করা রাজমিস্ত্রি ও শ্রমিক -সবই এই দুই সীমান্তবর্তী জেলাগুলির বাসিন্দা এবং আশ্চর্জনক এরা সকলেই মুসলিম।তাছাড়া এটা আজ আমাদের সকলেরই জানা যে খাগড়াগড় কাণ্ডে জড়িতরা সকলেই রাজমিস্ত্রির কাজ করতো এবং সেই কাজের সূত্রে তারা সারা রাজ্যে তাদের জিহাদি জাল ছড়িয়ে দিতে পেরেছিলো।