দেশজুড়ে ব্যাপক ধরপাকড়, পুলিশের জালে ৩ সন্দেহভাজন আইএস জঙ্গি

ISISবড়সড় নাশকতার ছক বানচাল করল পুলিশ৷ ২০ এপ্রিল, দেশজুড়ে চলা অভিযানে সন্ত্রাসদমন শাখার (এটিএস) হাতে ধরা পড়ল ৩ সন্দেহভাজন ইসলামিক স্টেট জঙ্গি৷
পুলিশ সূত্রে খবর, উত্তরপ্রদেশ পুলিশের এটিএস ও দিল্লি পুলিশের স্পেশ্যাল সেল-সহ পাঁচ রাজ্যের পুলিশের দেশ জুড়ে যৌথ অভিযান চালায়৷ দেশের পাঁচ রাজ্য মহারাষ্ট্র, পাঞ্জাব, বিহার, উত্তরপ্রদেশ ও দিল্লিতে সন্দেহভাজন জঙ্গিদের খোঁজে হানা দেয় পুলিশ৷ ওই অভিযানে মুম্বই, লুধিয়ানা ও বিজনোর থেকে তিন আইএস জঙ্গিকে জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয়৷ ধৃতদের মধ্যে দু’জনের নাম মুফতি ফায়জান ও তানজির আহমেদ বলে জানা গিয়েছে৷সূত্রের খবর আরও ৬ জন সন্দেহভাজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ৷ ধৃত জঙ্গিরা দেশজুড়ে নাশকতার ছক কষছিল বলে জানা গিয়েছে৷ এই অভিযান নিরাপত্তাবাহিনীর কাছে বড় সাফল্য বলে মনে করা হচ্ছে৷
সম্প্রতি, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি উত্তরপ্রদেশে পুলিশের কাছে একটি সতর্কবার্তা পাঠায়৷ সেখানে বলা হয়েছিল, পাক সমর্থিত জঙ্গি সংগঠনগুলি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে হত্যার ছক কষছে৷ গোয়েন্দারা আরও জানিয়েছিল, লন্ডনে জঙ্গিদের একটি গোপন বৈঠকে ওই ষড়যন্ত্র করা হয়েছে৷
উল্লেখ্য, গতমাসে লখনউয়ে প্রায় বারো ঘন্টা ধরে চলা গুলির লড়াইয়ের পর সইফুল্লাহ নামের এক আইএস জঙ্গিকে নিকেশ করে পুলিশ৷ মধ্যপ্রদেশে ট্রেন বিস্ফোরণের মূলচক্রী ছিল সইফুল্লাহ৷ সইফুল্লাহ নিজেকে আইএসআইএস-এর একজন একনিষ্ঠ সদস্য মনে করত। সইফুল্লা-সহ আরও কয়েকজন যুবক ইন্টারনেটের মাধ্যমে কট্টরপন্থী জেহাদি মতাদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েছিল। অনলাইনেই শিখেছিল বিস্ফোরক কীভাবে বানাতে হয়। তারপরই ‘সন্ত্রাসবাদী সইফুল্লাহ ভারতীয় মুসলমানদের আদর্শ’, এমনটাই প্রচার শুরু করেছিল আন্তর্জাতিক জঙ্গিসংগঠন ইসলামিক স্টেটের জেহাদি চ্যানেল ‘আল-হিন্দি’৷ শুধু তাই নয়, সইফুল্লাহর মতো মুসলমান যুবকদের কাছে ভারতের মাটিতে ‘লোন উলফ’ হামলা চালানোর আবেদনও জানিয়েছিল ওই চ্যানেলটি৷