কাশ্মীরে গুলিযুদ্ধে খতম অমরনাথ হামলার মূলচক্রী লস্কর জঙ্গি আবু ইসমাইল

abuismailjpgজম্মু ও কাশ্মীরে বড়সড় সাফল্য পেল পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী। গুলিতে খতম হল অমরনাথ হামলার মূলচক্রী পাকিস্তানি নাগরিক তথা লস্কর-ই-তোইবার কমান্ডো আবু ইসমাইল (২৬)। গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও এক পাক জঙ্গির। পাশাপাশি, সন্দেহভাজন দুই হিজবুল মুজাহিদিন সদস্যকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা হল ওয়াহিদ আহমেদ ভাট ও মহম্মদ শফি মীর।
গোপন সূত্রে দুই পাকিস্তানি জঙ্গির উপস্থিতির খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার নওগামের আরিবাগে যায় পুলিশ ও নিরাপত্তাবাহিনীর একটি দল। শুরু হয়ে যায় তল্লাশি অভিযান। বিপদ বুঝতে পেরে বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে তারা। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় দু’জন। ডিজিপি এস পি বৈদ জানিয়েছেন, ‘আবু ইসমাইলসহ দুই পাকিস্তানি জঙ্গির উপস্থিতির খবর আমাদের কাছে আগে থেকেই ছিল। দু’জনকেই খতম করা গিয়েছে।’ ইসমাইলের দেহ শনাক্ত করা গেলেও অপরজনকে রাত পর্যন্ত চিহ্নিত করা যায়নি। ঘটনাচক্রে এদিনই লস্কর-ই-তোইবা ও জয়েশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি নিয়ে সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে পাকিস্তানকে একজোটে কাঠগড়ায় তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে।
পুলিশ জানিয়েছে, আবুই গত জুলাই মাসে অমরনাথ তীর্থযাত্রীদের উপর বর্বরোচিত জঙ্গি হামলার মূলচক্রী ছিল। ওই হামলায় আটজন তীর্থযাত্রী প্রাণ হারিয়েছিলেন। পুলিশ আরও জানিয়েছে, গুজরাত ও মহারাষ্ট্র থেকে আসা অমরনাথ তীর্থযাত্রীদের বাসে হামলা চালানোর পর কাশ্মীরে লস্কর-ই-তোইবার সংগঠন প্রসারের দায়িত্ব ছিল ইসমাইলের উপরই। পাশাপাশি, সাম্প্রতিক অতীতে দক্ষিণ কাশ্মীরে পুলিশ, নিরাপত্তারক্ষী ও সাধারণ মানুষের উপর হামলার ঘটনাতেও জড়িত ছিল আবু। প্রসঙ্গত, গত এক বছরে এই নিয়ে চারজন শীর্ষ সন্ত্রাসবাদীকে নিকেশ করল বাহিনী। ইসমাইলের আগে হিজবুল জঙ্গি বুরহান ওয়ানি, সবজার ভাট ও আবু দুজানাকে হত্যা করেছিল বাহিনী।
Advertisements