এবার থেকে গুজরাটে গো-হত্যার শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

cow_web.jpgগো-হত্যার শাস্তি হিসেবে কারাদণ্ডের নির্দেশ ছিলই গুজরাটে৷ এবার তাতে এল বড়সড় পরিবর্তন৷ বাড়ল শাস্তির মেয়াদ৷ এবার থেকে গুজরাটে গো-হত্যায় দোষী সাব্যস্ত হলে হবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড৷
বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ আইনের আওতায় ২০১১ সালেই এই বিল পাশ হয়েছিল গুজরাট বিধানসভায়৷ যেখানে গো-হত্যার শাস্তি ছিল সাত বছর ও সেই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা৷ হত্যার জন্য গরু পাচার করলেও তা অপরাধের পর্যায়ভুক্ত বলেই ধরা হত৷ সম্প্রতি সেই বিলে বড় পরিবর্তন আনা হল৷ সাত বছরের কারাদণ্ডের মেয়াদ বাড়িয়ে করা হল যাবজ্জীবন৷ পাচারের ক্ষেত্রে এই শাস্তির মেয়াদ হবে ১০ বছরের কারাদণ্ড৷
গোটা দেশের মধ্যে গুজরাটেই প্রথম এরকম নজিরবিহীন শাস্তির পদক্ষেপ নেওয়া হল৷ প্রসঙ্গত, আর কিছুদিন পরেই রাজ্যে বিধানসভা ভোট৷ তার আগে এ ধরনের পদক্ষেপ বিজেপিকে বাড়তি মাইলেজ দেবে বলেই ধারণা রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের৷ ইতিমধ্যে উত্তরপ্রদেশে ক্ষমতায় এসেই বেআইনি কসাইখানা রুখতে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছেন যোগী আদিত্যনাথ৷ ফলে বেজায় বিপাকে পড়েছেন মাংস বিক্রেতারা৷ কিন্তু তাপর্যপূর্ণভাবে যোগীর পথ ধরেই উত্তরাখণ্ড, রাজস্থান, ছত্তিশগড় ও মধ্যপ্রদেশ প্রশাসনও বেআইনি কসাইখানা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি যে এক পথ ধরেই চলছে এমনটাই পর্যবেক্ষণ বিশেষজ্ঞদের৷
উত্তরপ্রদেশ নির্বাচন ছিল বিজেপির কাছে অ্যাসিড টেস্ট৷ সে পরীক্ষায় সসম্মানে উত্তীর্ণ হয়েছে বিজেপি৷ ফলত আসন্ন গুজরাট নির্বাচন দলের কাছে মর্যাদা রক্ষার৷ ১৯৯৫ সাল থেকে এ রাজ্যে বিজেপিরই শাসন বলবৎ রয়েছে৷ দলীয় সূত্রে খবর, ১৮২টি বিধানসভা আসনের মধ্যে অন্তত ১৫০টি আসন যাতে হাতে আসে তারই নির্দেশ দিয়েছেন অমিত শাহ৷ ঠিক তার আগে গো-হত্যায় শাস্তির সিদ্ধান্ত যে দলকে বাড়তি অক্সিজেন দেবে, এমনটাই বিশ্বাস বিশেষজ্ঞদের৷