১৫ বছরের মাধবীকে উদ্ধার করল হিন্দু সংহতির অর্ণব পাণ্ডা

downloadপশ্চিমবঙ্গ পুলিশের সাহায্য ছাড়াই হিন্দু সংহতি’র উদ্যোগে হায়দ্রাবাদ থেকে উদ্ধার হল দক্ষিণ ২৪ পরগণা’র ঢোলাহাট থানার এক কিশোরী নাবালিকা। গত ১৫ই এপ্রিল রাত্রি ১-টায় হায়দ্রাবাদ থেকে ১৫ বছরের মাধবীকে উদ্ধার করল হিন্দু সংহতির অর্ণব পাণ্ডা। দক্ষিণ ২৪ পরগণার প্রত্যন্ত ঢোলাহাট থানার প্রত্যন্ত অঞ্চলে নদীর ধারে বাড়ি মাধবী নাইয়ার। অত্যন্ত গরীব। বাবা শ্রমিক, মা নদীতে মাছ ধরে। মাধবী লাভ জেহাদের কবলে পড়েছিল। এই দিন-আনা দিন-খাওয়া পরিবারটির মেয়েকে ফুঁসলিয়ে বিয়ে করার নাম নিয়ে সেকেন্দ্রাবাদ পাড়ি দেয় লাভ জেহাদি সুলতান গাজী। স্থানীয় একটি উচ্চবিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী ছিল বছর পনেরো’র এই কিশোরী। গত ২৮ শে মার্চ সে নিখোঁজ হয়ে যায়। অসহায় বাবা গৌতম নাইয়া ১লা এপ্রিল, ছুটে যান স্থানীয় ঢোলাহাট থানায়। কিন্তু প্রথমে থানা, অভিযোগ নিতে অস্বীকার করলেও পরে তা জেনারেল ডাইরি হিসেবে গৃহিত হয় (GDE no. 02/17)। জানা যায়, স্থানীয় মধুসূদন পুরের নজরুল গাজীর ছেলে সুলতান এই অপকর্মটি ঘটিয়েছে।তারপর মাধবীর বাবা মা হিন্দু সংহতির স্থানীয় কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। হিন্দু সংহতির কর্মীরা তার মা-বাবাকে কেন্দ্রীয় অফিসে নিয়ে আসেন। ইতিমধ্যে মেয়ে একবার মা-কে ফোন করে। সেই সূত্র পেয়ে হিন্দু সংহতির সভাপতি শ্রী তপন ঘোষ হায়দ্রাবাদে যোগাযোগ করেন । সেখানে পরিচিত কয়েকজন আছে এবং বাঙালিও আছে। সেই যোগাযোগগুলো নিয়ে মাধবীর বাবা, একজন প্রতিবেশী ও আমাদের কর্মী গত শুক্রবার ফলকনামা এক্সপ্রেসে হায়দ্রাবাদ গেছে।
পরেরদিন সকালে পৌঁছেই সব যোগাযোগ করে, ওখানকার পুলিশের সাহায্য নিয়ে রাত্রি ১-টায় মেয়েকে উদ্ধার করে অর্ণব । অপরাধী সুলতান আহমেদ গাজী-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এখানেই হল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের সঙ্গে অন্য রাজ্যের পুলিশের তফাৎ। হুগলি জেলার একজন বাঙালি স্বর্ণকার রঞ্জন খুব সাহায্য করেছে।
কিন্তু, যেহেতু এফ এই আর নেই তাই মেয়েকে হিন্দু সংহতির হাতে তুলে দিতে পুলিশের অসুবিধা হচ্ছে। তাই সম্ভবতঃ ওখানে নতুন করে কেস ফাইল করা হবে, যেহেতু অপরাধের ঘটনাস্থল হায়দ্রাবাদ।