নন্দীগ্রামের সরস্বতী বাজারে একটি সাম্প্রদায়িক ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রেপ্তার ৫ হিন্দু সংহতি কর্মী : আশঙ্কাজনক ১

nandiগত ১৮ ই মার্চ রাতে নন্দীগ্রামের (পূর্ব মেদিনীপুর) সরস্বতী বাজারে একটি সাম্প্রদায়িক ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ ৫ জন হিন্দু সংহতি কর্মীকে গ্রেফতার করেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। পুলিশের বিরুদ্ধে ওঠা গুরুতর অভিযোগ অনুসারে, নন্দীগ্রাম থানায় নিয়ে গিয়ে তারা আটক পুলিশ হিন্দুদের উপর এত মারধর এবং অত্যাচার করে যে অয়ন পট্টনায়ক (৩০ বছর) বর্তমানে প্রায় মৃত্যুমুখে। তাকে তমলুক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অবস্থা আরও আশঙ্কাজনক হওয়ায় কলকাতার Apollo হাসপাতালে স্থানানন্তরিত করা হয় এবং তাকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়।
ঘটনার সূত্রপাত, সরস্বতী বাজারের কাছে একটি মন্দির প্রাঙ্গণে মুসলমানের দোকান আছে। সবক’টি দোকানই অস্থায়ী। মন্দিরের উৎসব উপলক্ষে স্থানীয়রা দোকানগুলিকে সরিয়ে নিতে বলে। কিন্তু পূজার দিন স্থানীয় অধিবাসীরা এসে দেখে যে মুসলমানেরা দোকানগুলি না সরিয়ে দোকানে তালা মেরে দিয়ে গেছে। কথার খেলাপ করায় সাধারণ মানুষ দোকানগুলিকে সরাতে গেলে উভয় সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। বচসা পরে গন্ডগোলের আকার ধারণ করে।
এলাকাবাসীর বক্তব্য, এ থেকেই স্পষ্ট যে, স্থানীয় শাসক দলের নির্দেশে পুলিশ দিয়ে বার বার হিন্দু সংহতির কাজকে ভেঙে দিয়ে জেহাদিদের জন্য ময়দান উন্মূক্ত করে দেওয়ার চক্রান্ত চলছে।
এই প্রসঙ্গে হিন্দু সংহতির মাননীয় সভাপতি শ্রী তপন কুমার ঘোষ পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন যে, সংহতি কর্মী অয়ন পট্টনায়কের মৃত্যু হলে, শাসক দলের মন্ত্রী ও নন্দীগ্রামের এমএলএ শুভেন্দু অধিকারী ওই হত্যার জন্য দায়ী থাকবেন। কারণ, তাঁর মতে এটা কারোর-ই অজ্ঞাত নয় যে, নন্দীগ্রামের পুলিশ কার কথায় পরিচালিত হয়।

Advertisements