হিন্দুদের জন্যে সংস্কৃত গবেষণা কেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনা মুখ্যমন্ত্রীর,বরাদ্দ ২৬ কোটি

বাঙালি দীর্ঘ দিন বামপন্থা ও ধর্মনিরপেক্ষতার যুগে নিজের ধর্ম ও সংস্কৃতিকে ভুলে ছিল। আপন করে নিয়েছিল বিশ্বায়ন ও আধুনিকতাকে। আর এদের ঠেলায় পড়ে বাংলা থেকে সংস্কৃত ভাষা চর্চা প্রায় উঠেই যেতে বসেছে। সংস্কৃত বিশ্ব বিদ্যালয়ের করুন অবস্থা একথার প্রমান দেয়। টোলগুলিও প্রায় বন্ধ হবার মুখে। এমন অবস্থায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী সংস্কৃত-এর হাল ফেরানোর জন্যে উদ্যোগী হলেন। তিনি নদীয়া জেলার নবদ্বীপে সংস্কৃত গবেষণা কেন্দ্র  গড়ে তোলার কথা ঘোষণা করেছেন। এজন্যে রাজ্য সরকার ২৬ কোটি টাকা বরাদ্দও করেছে। সংস্কৃতের হাল ফেরানোর জন্যে অনেকগুলি নতুন পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে সরকারের তরফ থেকে। টোলগুলির হাল ফেরানোর জন্যে প্রাথমিকভাবে ঠিক হয়েছে রাজ্যের সব টোলগুলিকে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসা হবে। এদের নিয়ন্ত্রণের রাশ থাকবে সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয় ও স্টাডি সেন্টারের হাতে। পাশাপাশি বদলে ফেলা হবে সংস্কৃত সাহিত্যের সিলেবাসও। এব্যাপারে জোর উদ্দমে কাজ শুরু হয়েছে। প্রসঙ্গত, রাজ্যে টোলের সংখ্যা প্রায় ৪০০। নতুনভাবে নবদ্বীপে গৌরাঙ্গ সেতুর পাশে গবেষণাকেন্দ্র তৈরী করা হবে। এমনকি সংস্কৃত গবেষণা কেন্দ্রের প্রবেশ পথের নকশা এঁকেছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগে অনেকে হিন্দু ভোট কাছে টানার চেষ্টা বলে মনে করছেন। কারণ  সামনেই পঞ্চায়েত ভোট। আজ বাংলার সাধারণ হিন্দু জনগণ মমতা ব্যানার্জির মুসলিম তোষণে যথেষ্ট বিরক্ত। হিন্দু জনতার ক্ষতে প্রলেপ দিতেই মমতার এই পদক্ষেপ বলেই অনেকে মনে করছেন।

Advertisements