আবার মালদা থেকে উদ্ধার ২০০০ টাকার জাল নোট, গ্রেপ্তার ১

downloadনোট বাতিলের পর এখনও তিনমাসও পেরোয়নি। এর মধ্যেই বাজারে ঢুকে পড়েছে জাল নোট। এর আগে মালদা থেকে উদ্ধার হয়েছিল ২০০০ টাকার জালনোট। এবার জেলার বৈষ্ণবনগর এলাকা থেকে উদ্ধার হল অন্তত ৪৮টি জালনোট।
নোট বাতিলের অন্যতম কারণ হিসেবে বলা হয়েছিল সন্ত্রাস দমন। কালো টাকার কারণেই দেশে সন্ত্রাসী কাজকর্ম দানা বাঁধছিল বলেও অভিযোগ ওঠে। নোট বাতিলের পর খানিকটা ধাক্কা খায় সন্ত্রাসবাদীরা। শান্ত হয় পরিস্থিতি। তবে কিছুদিন পেরতে না পেরতেই ফের সে চক্র সক্রিয় হয়েছে। বাড়ছে জালনোট পাচারের প্রবণতা।
এনআইএ-র গোয়েন্দাদের অনুমান ছিল বাংলাদেশ সীমান্ত হয়ে ভারতে জালনোট পাচার হচ্ছে। বিএসএফের হাতে আটক হওয়া পাচারকারীকে জেরা করে সে ব্যাপারে নিশ্চিত হন গোয়েন্দারা। বাজেয়াপ্ত করা হয় জালনোট। তবে গোয়েন্দারা জানিয়েছিলেন, এখনও পুরোমাত্রায় পাচারচক্র সক্রিয় হতে পারেনি। অল্পসংখ্যক জালনোটই বাজারে এসেছে।
কিন্তু কটাদিন যেতে না যেতেই ফের পাকড়াও হল জালনোট পাচারকারী। এবার উদ্ধার হল ৪৮টি ২০০০ টাকার জাল নোট। আগেরবারের মতো এবারেরও আসল নোটের বেশিরভাগ বৈশিষ্ট্য এখানে নকল করা হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের কাছে জালনোট চিনে ওঠা নেহাতই অসম্ভব। ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে একজনকে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পাচার চক্রের পান্ডাদের হদিশ পেতে চাইছেন গোয়েন্দারা। তবে ধারপাকড়ের বাইরেও বাজারে জালনোট ছেয়ে যাচ্ছে কিনা, সে প্রশ্নই ভাবিয়ে তুলেছে সাধারণ মানুষ ও গোয়ন্দাদেরও।

Advertisements