আসামের মরিগাঁওয়ে হিন্দু প্রাথমিক শিক্ষিকাকে জোর করে গরুর মাংস খাওয়ানো হলো

এই চমকে দেবার মতো ঘটনাটি ঘটেছে আসামের মরিগাঁও জেলার লাহোরীঘাটে। সেখানকার একটি প্রাথমিক স্কুলের হিন্দু শিক্ষিকা দাবি করেছেন যে তার স্কুলের প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম ও তার ভাই সহকারী শিক্ষক আলী তাকে জোর করে গরুর মাংস খাইয়েছেন। এমনকি একথা কাউকে জানালে ওই শিক্ষিকাকে প্রধানশিক্ষক ধর্ষণ করে চলন্ত গাড়ির সামনে ছুড়ে ফেলে দেবার হুমকি দেন। তারপরও ওই শিক্ষিকাকে দীর্ঘদিন মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার সহ্য করতে হয়। বাধ্য হয়ে তিনি আসামের শিক্ষামন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাকে চিঠি লিখে সবকিছু জানান। এই ঘটনা জানাজানি হতেই আসামজুড়ে হৈচৈ পড়ে গিয়েছে। আসামের প্রায় সব টিভি চ্যানেলে এই ঘটনা দেখানো হচ্ছে।
উজনি দাস ( নাম পরিবর্তিত) অভিযোগ করেছেন যে,” সহকারী শিক্ষক আলী তাকে অনেকবার বিবাহের প্রস্তাব দিয়েছেন যদিও তিনি বিবাহিত এবং ওনার ৯ বছরের একটি মেয়ে রয়েছে। আমি হিন্দু ইটা জানার পরও উনি আমায় জোর করে গরুর মাংস খাইয়েছেন।” তিনি আরও বলেছেন,”যখন আমি গরুর মাংস খেতে অস্বীকার করি, তখন প্রধানশিক্ষক নুরুল ইসলাম আমায় বোঝাবার চেষ্টা করেন যে অনেক হিন্দু গরুর মাংস খেয়ে থাকে; এতে দোষের কিছু নেই।” এনিয়ে উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয় এবং তখন তার কাপড় ধরে টানাহেঁচড়া করেন ওই শিক্ষক।  এই ঘটনা দেখিয়ে দিলো মুসলিমের সংস্পর্শে হিন্দু মহিলারা কতটা নিরাপদ।
Advertisements