কবির সুমনের তপন ঘোষকে অর্ধমুন্ডন করা দাবীর প্রত্যুত্তর – লিখছেন শ্রী প্রসূন মৈত্র

new-bitmap-image-3 তপন ঘোষকে অর্ধমুন্ডন করা অবস্থায় ছবি দেখতে চাওয়ার দাবীকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার স্বার্থে ফেসবুকে সমর্থন জানিয়েছে জেহাদি, থুড়ি, মাফ করবেন, কবীর সুমন। বিষয়টা খানিকটা ঐ আইফোন থেকে সাম্যবাদী ট্যুইট করার মত শোনালেও আসল ব্যাপার কিন্তু সেটা নয়। কবীর বাবুর, থুড়ি, কবীর মিঞার বিভিন্ন সময় করা দাবী অনুযায়ী সে ভাল গান লেখে, সুর করে এবং গাইতে পারে। সুতরাং পৃথিবীর যে কোন বিষয়ে কথা বলার, গালাগাল করার, এলোমেলো বকার, লেখিকাদের চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলার, হিন্দু মহিলাদের চরিত্র নিয়ে কদর্য মন্তব্য করার এবং পরে “বেশ করেছি, বলেছি” বলার অবাধ স্বাধীনতা তার আছে। এই ধরনের কুযুক্তির উপর ভিত্তি করা লেখা দিয়ে সে মাঝে মধ্যেই সোশাল মিডিয়ার মানুষদের হালকা হাসির খোঁড়াক দিয়ে থাকে। কিন্তু তপন ঘোষের ক্ষেত্রে বিষয়টা একটু আলাদা নয়তো?

মিঞার চিরাচরিত বামৈস্লামিক মনস্তত্ত্ব ছাড়াও তার ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে এই দাবী নিঃসৃত হয়নি তো?? মানে, তপন ঘোষ তার চেয়ে বয়সে কিঞ্চিত ছোট হওয়া সত্ত্বেও মাথা ভর্তি চুল নিয়ে ঘুরবেন আর কবির মিঞা নিজের রঙিন বার্ধ্যকে শুধু টাকে হাত বোলাবে এটাও তো ঠিক নয়। তাতে ওর একটু আধটু চুলবুল করার অধিকার আছে বইকি। আর সেই থেকে বুড়ো খোকার মত বায়না করারও অধিকার আছে।

বলি কি কবীর মিঞা, উনিশ ঘন্টায় মাত্র ১৪৭ টা লাইক আর সাকুল্যে দুটি কমেন্ট, আর সেটাও নিজের করা, পাবলিসিটি কি আজকাল একদমই জুটছেনা? আহারে! শেষে তপন ঘোষকে ধরে পাবলিসিটির জুটানোর চেষ্টা??? বলি কি, এতই শখ যখন, নিজেই একবার আল্লাহর নাম নিয়ে, কাঁচি হাতে চেষ্টা করে দেখ। তবে দেখিস, উলটে নিজের বাকি অর্ধেকটাও খুইয়ে আসিসনা যেন। দিনকাল কিন্তু খুব খারাপ।