আমাদের কথা

বাংলাদেশের পরিস্থিতি খুবই উদ্বেগজনক। আমার সাধারণ বুদ্ধিতে ওখানে হিন্দুর শেষ হয়ে যাওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা। ভারত সরকার হয়তো পাশেই চিনের উপস্থিতির কথা ভেবে বাংলাদেশের হাসিনা সরকারকে ফেভার করছে। কিন্তু সেখানকার হিন্দুদের নিরাপত্তা বলে আর কিছুই নেই।

একটা আন্তর্জাতিক চাপকে সামনে রেখেই এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করা সম্ভব। তারজন্য এপারে পালিয়ে আসা হিন্দুদের একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে বলে আমি মনে করি।

এদেরকে ভারতে একটা হলফনামা দিয়ে স্বীকার করতে হবে যে তারা ওপারে ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে অত্যাচারিত হয়ে অথবা সম্ভাব্য অত্যাচারের আশঙ্কায় ভারতে এসেছে।

কয়েক লাখ হলফনামাকে ভিত্তি করে একটা বিরাট আন্তর্জাতিক চাপ বাংলাদেশ সরকারের উপরে সৃষ্টি করা সম্ভব। সেক্ষেত্রে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ইস্যুতে চিনের হস্তক্ষেপকেও আটকানো যেতে পারে। তখন অনেকগুলো বিকল্প পথ হিন্দুদের সামনে খুলে যাবে বলে আমার ধারণা –

১) হিন্দুদের জন্য কয়েকটি স্বায়ত্বশাসিত জেলা এবং সেই জেলাগুলোতে ভারতীয় সেনার উপস্থিতি।

২) বাংলাদেশ ভেঙে হিন্দুদের জন্য একটি স্বতন্ত্র রাষ্ট্র গঠন, পরে ভারতের অন্তর্ভূক্তি।

আজকে অবাস্তব মনে হলেও একেবারে অসম্ভব নয়। কিন্তু বাঙালি হিন্দু নিজের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য কতটা মরিয়া হয়ে উঠতে পারবে, সবটাই তার উপরে নির্ভর করছে।

19 Comments

  1. erokom drishta aro tule dhara uchit..jate kare haramira ektu bhai pai, notuba oder ja growth rate tate agami 10 bacher maddhe pashim bangla ta purbo pakistan e rupatarito hote besi samay lagbe na .

    Like

    1. tumi ghor-e jaao,chador chapa diye ghoomiye poro. Ram Mandir Andolon ki Registration Number niye hoyechilo ???!!!!!

      Like

  2. বারাসাতের চাপাডালি কবে আসবেন?

    Like

  3. আমাদের রাজ্যে যখন কংগ্রেস শাসন ছিল তখন দলিত মানুষদের খারাপ চোখে দেখা হোত।অন্তত সরকার সরাসরি এরূপ না করলেও সমাজে ব্রাহ্মণ ও উঁচু জাতের লোকেরা এমনটিই করতেন।তারপর বামফ্রন্টের শাসন কালে দলিত মানুষদের সামাজিক মর্যাদা অনেকটাই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।যদিও দলীয় প্রতিনিধিত্বে ও পলিসি মেকিং -এ উঁচু জাতের লোকেরাই ছড়ি ঘোরাত। তবে সরাসরি দলিত মানুষদের তাঁরা বেশি ঘাঁটাতেনও না। কিন্তু বাম আমলেও দলিত মানুষদের দারুণ উন্নতি হয়নি। বিষয় টি নিয়ে মন্ত্রী মশাই রেজ্জাক মোল্লা সে আমলে এবং এই আমলেও বেশ সরব হয়েছিলেন।দলিত মানুষদের কাছে তিনি এজন্য শ্রদ্ধার আসনে প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু বর্তমানে কংগ্রেস থেকে আগত ও মেকি বাম লোকেরা এখনকার রাজশক্তির সঙ্গে মিশে জাত পাতের বৈষম্যকে ও উঁচু জাতের আধিপত্যকে সমাজে ফিরিয়ে এনেছেন বা আনছেন।তাই গ্রামে ও শহরে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে দলিত দলনের নতুন পদ্ধতি ও তার সাফল্যের উন্মত্ত খতিয়ান। বিশেষ করে শিক্ষিত ও উন্নয়নশীল দলিতদের বেশি টার্গেট করা হচ্ছে।এজন্য দলিতরা বাংলাতে আজ ভালো নেই।আপ নি তাদের পাশে দাঁড়ান। প্লিস…

    Liked by 1 person

  4. ভারতীয় হিন্দু জনগণের প্রতি একটি আবেদন
    আপনারা সকলেই জানেন স্বামী বিবেকানন্দের স্বপ্নের ভারত গঠনের অন্যতম ক্ষেত্র বেলুড় মঠ । এই বেলুড় মঠের সামাজিক ও সাধনার পরিবেশ আজ বিপন্ন।গত কুড়ি বছর ধরে এখানে বেশ কিছু আলকায়দা জঙ্গি , বামপন্থী জঙ্গী ব্রহ্মচারী ও সন্ন্যাসী হয়ে রয়েছেন।এনারা অনেকেই মঠ ছেড়ে বাইরে গেলে আসল মূর্তি ধরেন- ভোগে মত্ত হন ও ভারত বিদ্বেষী হয়ে ওঠেন। অনেক সন্ন্যাসী ব্রহ্মচারী রয়েছেন –যারা দেশের সভ্যতা ও সংস্কৃতির বিরোধী। এঁরা বেলুড় মঠ পরিচালিত স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্ট করতে চাইছেন।রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যামন্দিরের অধ্যক্ষ স্বামী শাস্ত্রজ্ঞানন্দ মহারাজ বা সঞ্জীব মহারাজ এরকম একজন ভণ্ড সন্ন্যাসী।ইনি মাননীয় পবিত্র সরকারের মানসপুত্র এবং এখন বামপন্থীদের পরামর্শ দাতা, প্রবল হিন্দু বিদ্বেষী, মোদি বিরোধী এবং যোগী বিরোধী আবার সকলের চোখে ধূলো দিতে পূজো ও করেন।এনার তত্বাবধানে ছেলেরা এবং অধ্যাপকেরাও ক্রমে দেশ বিরোধী ও হিন্দু বিরোধী হয়ে উঠছেন। এনার তত্ত্বাবধানে বিদ্যামন্দির আসলে অবিদ্যার মন্দিরে পরিণত হতে চলেছে।ইনি নাকি আবার V.C. হতে চলেছেন।ইনি নাকি UGC তেও কিছু একটা পদ পেয়েছেন।মঠের যে সব সন্ন্যাসী দেশ কে ভালোবাসেন, হিন্দুত্ত্ব ভালোবাসেন, সংস্কৃত ভাষা ভালোবাসেন যোগ ও প্রানায়াম ভালোবাসেন তাদের প্রতিও ইনি শত্রুর মত আচরণ করেন।ইনি বিবেকানন্দ অপেক্ষা কার্লমার্ক্স কে বেশি গুরুত্ব দেন।ছাত্র জীবনে ইনি নাকি SFI নেতা ছিলেন।বেলুড় মঠের এই প্রতাপশালী মহারাজ হিন্দু ভাবাপন্ন ছাত্র অভিবাবক ও মাস্টারমশায়দের সর্বদা বাম-টনিক খাওয়ান।তাই তাঁর আশ্রয়ে বাম ও জঙ্গিদের নির্ভয় ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে স্বামীজীর স্বপ্নের এই প্রতিষ্ঠান। এখানে রামায়ণ ও মহাভারত সম্পর্কে অকথা কুকথা বলা হয়।ছেলেদের মধ্যে সেই ধারণা ছড়ানো হয়।আর যারা এর বিরোধীতা করে তাদের খাবারে বিষ জাতীয় কিছু দেওয়া হয়।অনেকে তাই এস্থান ছেড়ে চলে গেছেন। বিষয় টি আগে মঠের পরিচালন সমিতিতে জানিয়েও তেমন কিছু হয় নি।তাই ভারতীয় হিন্দু জনগণ আপনারাই ঠিক করুন কি করবেন।

    Like

    1. Aapni k ami Janina r janteo chai na kintu aapnar uddeshye ekta ktha Oboshyoi bolbo aapni karur somporke ki6u montobyo korar aage tar somporke janun tarpor montobyo kriben nahole manush Aapnake pagol bolbe r Aager thkei jodi kono problem theke thake tahole please Dr. Dekhiye neben

      Like

    2. আপনি কী সুস্থ? না মানে যাকে নিয়ে কথাগুলো বলছেন তিনি নিজে হিন্দুত্ব নিয়ে আপনার থেকে একটু বেশি জানেন বলে মনে হল তাই বললাম, অধ্যক্ষ তো কাউকে মুখ দেখে করা হয়না বলেই জানি, শিক্ষার গুরুত্ব নাই বা দিতে পারলেন, পদের গুরুত্ব বুঝবেন না?

      Like

  5. আমি সদস্যতা গ্ৰহণ ফর্ম পূরণ করেছি। এরপর কি করতে হবে, সদস্যতার জন্য?

    Like

Leave a Reply to Suvankar Biswas Cancel reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s