আমাদের কথা

জাতীয়তাবাদী নেতা শ্রী তপন ঘোষের নেতৃত্বে ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠার মাত্র ছয় বছরের মধ্যেই আজ হিন্দু সংহতি পশ্চিমবাংলার হিন্দুজনমানসের কাছে এক আশা-ভরসার প্রতীক হয়ে উঠেছে। সুন্দরবন থেকে শান্তিপুর, বোলপুর থেকে বারাসাত, যেখানেই হিন্দুরা আক্রান্ত হয়েছে, হিন্দু সংহতির কর্মীরা তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং তাদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। রাজনৈতিক মতাদর্শের ভেদাভেদ ভুলে শুধুমাত্র হিন্দু পরিচয়ের অস্তিত্ব রক্ষার জন্যে সংকল্পবদ্ধ এরকম আর একটিও সংগঠনের অস্তিত্ব বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে নেই।

কোন জায়গা থেকে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের খবর পেলে হিন্দু সংহতি মূলতঃ তিনটি স্তরে কাজ করে থাকে  –

১) ঘটনার প্রতি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক অধিকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তাদের উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য করা।

২)  ঘটনাটির বিশদ বিবরণ জনসাধারনের কাছে প্রচার করে তাদেরকে আগত বিপদ সম্পর্কে অবহিত করা । এবং

৩) আক্রান্তদের কাছে পৌঁছে তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা।

দেগঙ্গা হোক বা নলিয়াখালী, পাঁচলা হোক বা সন্দেশখালী যেখানেই হিন্দুরা জেহাদী আক্রমণের শিকার হয়েছে, হিন্দু সংহতির অকুতোভয় সদস্যরা গিয়ে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে।পেট্রোডলারে পুষ্ট পশ্চিমবঙ্গের সংবাদমাধ্যম এবং রাজনৈতিক দলগুলি বরাবরই জেহাদী আক্রমণ নিয়ে নীরব থেকেছে।তাই হিন্দু সংহতির প্রতিষ্ঠার আগে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে সকলের অজান্তে যেসব জেহাদী পরিকল্পনা সহজেই রূপায়িত হয়ে যেত আজ সেগুলো শুধু সর্বসমক্ষে প্রকাশিত হচ্ছে তা ই নয়, সেগুলিকে হিন্দু সংহতির পক্ষ থেকে কঠিন প্রতিরোধের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

Advertisements

14 thoughts on “আমাদের কথা

  1. erokom drishta aro tule dhara uchit..jate kare haramira ektu bhai pai, notuba oder ja growth rate tate agami 10 bacher maddhe pashim bangla ta purbo pakistan e rupatarito hote besi samay lagbe na .

    Like

  2. বারাসাতের চাপাডালি কবে আসবেন?

    Like

  3. আমাদের রাজ্যে যখন কংগ্রেস শাসন ছিল তখন দলিত মানুষদের খারাপ চোখে দেখা হোত।অন্তত সরকার সরাসরি এরূপ না করলেও সমাজে ব্রাহ্মণ ও উঁচু জাতের লোকেরা এমনটিই করতেন।তারপর বামফ্রন্টের শাসন কালে দলিত মানুষদের সামাজিক মর্যাদা অনেকটাই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।যদিও দলীয় প্রতিনিধিত্বে ও পলিসি মেকিং -এ উঁচু জাতের লোকেরাই ছড়ি ঘোরাত। তবে সরাসরি দলিত মানুষদের তাঁরা বেশি ঘাঁটাতেনও না। কিন্তু বাম আমলেও দলিত মানুষদের দারুণ উন্নতি হয়নি। বিষয় টি নিয়ে মন্ত্রী মশাই রেজ্জাক মোল্লা সে আমলে এবং এই আমলেও বেশ সরব হয়েছিলেন।দলিত মানুষদের কাছে তিনি এজন্য শ্রদ্ধার আসনে প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু বর্তমানে কংগ্রেস থেকে আগত ও মেকি বাম লোকেরা এখনকার রাজশক্তির সঙ্গে মিশে জাত পাতের বৈষম্যকে ও উঁচু জাতের আধিপত্যকে সমাজে ফিরিয়ে এনেছেন বা আনছেন।তাই গ্রামে ও শহরে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে দলিত দলনের নতুন পদ্ধতি ও তার সাফল্যের উন্মত্ত খতিয়ান। বিশেষ করে শিক্ষিত ও উন্নয়নশীল দলিতদের বেশি টার্গেট করা হচ্ছে।এজন্য দলিতরা বাংলাতে আজ ভালো নেই।আপ নি তাদের পাশে দাঁড়ান। প্লিস…

    Like

  4. ভারতীয় হিন্দু জনগণের প্রতি একটি আবেদন
    আপনারা সকলেই জানেন স্বামী বিবেকানন্দের স্বপ্নের ভারত গঠনের অন্যতম ক্ষেত্র বেলুড় মঠ । এই বেলুড় মঠের সামাজিক ও সাধনার পরিবেশ আজ বিপন্ন।গত কুড়ি বছর ধরে এখানে বেশ কিছু আলকায়দা জঙ্গি , বামপন্থী জঙ্গী ব্রহ্মচারী ও সন্ন্যাসী হয়ে রয়েছেন।এনারা অনেকেই মঠ ছেড়ে বাইরে গেলে আসল মূর্তি ধরেন- ভোগে মত্ত হন ও ভারত বিদ্বেষী হয়ে ওঠেন। অনেক সন্ন্যাসী ব্রহ্মচারী রয়েছেন –যারা দেশের সভ্যতা ও সংস্কৃতির বিরোধী। এঁরা বেলুড় মঠ পরিচালিত স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্ট করতে চাইছেন।রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যামন্দিরের অধ্যক্ষ স্বামী শাস্ত্রজ্ঞানন্দ মহারাজ বা সঞ্জীব মহারাজ এরকম একজন ভণ্ড সন্ন্যাসী।ইনি মাননীয় পবিত্র সরকারের মানসপুত্র এবং এখন বামপন্থীদের পরামর্শ দাতা, প্রবল হিন্দু বিদ্বেষী, মোদি বিরোধী এবং যোগী বিরোধী আবার সকলের চোখে ধূলো দিতে পূজো ও করেন।এনার তত্বাবধানে ছেলেরা এবং অধ্যাপকেরাও ক্রমে দেশ বিরোধী ও হিন্দু বিরোধী হয়ে উঠছেন। এনার তত্ত্বাবধানে বিদ্যামন্দির আসলে অবিদ্যার মন্দিরে পরিণত হতে চলেছে।ইনি নাকি আবার V.C. হতে চলেছেন।ইনি নাকি UGC তেও কিছু একটা পদ পেয়েছেন।মঠের যে সব সন্ন্যাসী দেশ কে ভালোবাসেন, হিন্দুত্ত্ব ভালোবাসেন, সংস্কৃত ভাষা ভালোবাসেন যোগ ও প্রানায়াম ভালোবাসেন তাদের প্রতিও ইনি শত্রুর মত আচরণ করেন।ইনি বিবেকানন্দ অপেক্ষা কার্লমার্ক্স কে বেশি গুরুত্ব দেন।ছাত্র জীবনে ইনি নাকি SFI নেতা ছিলেন।বেলুড় মঠের এই প্রতাপশালী মহারাজ হিন্দু ভাবাপন্ন ছাত্র অভিবাবক ও মাস্টারমশায়দের সর্বদা বাম-টনিক খাওয়ান।তাই তাঁর আশ্রয়ে বাম ও জঙ্গিদের নির্ভয় ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে স্বামীজীর স্বপ্নের এই প্রতিষ্ঠান। এখানে রামায়ণ ও মহাভারত সম্পর্কে অকথা কুকথা বলা হয়।ছেলেদের মধ্যে সেই ধারণা ছড়ানো হয়।আর যারা এর বিরোধীতা করে তাদের খাবারে বিষ জাতীয় কিছু দেওয়া হয়।অনেকে তাই এস্থান ছেড়ে চলে গেছেন। বিষয় টি আগে মঠের পরিচালন সমিতিতে জানিয়েও তেমন কিছু হয় নি।তাই ভারতীয় হিন্দু জনগণ আপনারাই ঠিক করুন কি করবেন।

    Like

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s