রোহিঙ্গা সংকটে মায়ানমারের পক্ষে দাঁড়ালো চীন

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এক জরুরী বৈঠকের প্রাক্কালে চীন আবারও মায়ানমারের প্রতি তাদের পূর্ণ সমর্থনের কথা জানিয়েছে। আজ নিউইয়র্কে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এই জরুরী বৈঠকটি হতে চলেছে। জানা গেছে, ব্রিটেন এবং সুইডেনের অনুরোধে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এই জরুরী বৈঠক ডাকা হয়েছে। কিন্তু সেখানে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক হত্যা-নির্যাতন-নিপীড়নের অভিযোগে মায়ানমারের ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা এখনো পর্যন্ত ক্ষীণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

নিরাপত্তা পরিষদে পাঁচটি স্থায়ী সদস্য দেশের যে কোন দেশ একটি যদি কোন প্রস্তাব বা সিদ্ধান্তের বিপক্ষে ভোট দেয়, তাহলে সেটি আটকে যায়। রোহিঙ্গা ইস্যুতে নিরাপত্তা পরিষদের এই বৈঠকে তাই ঘটতে যাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। এর অন্যতম কারণ, চীন এখনো পর্যন্ত রোহিঙ্গা সংকটে মায়ানমার সরকারের গৃহীত সব ব্যবস্থাকে শতভাগ সমর্থন জানিয়ে চলেছে।

গতকাল চীন আবারও বলেছে, তারা ‘শান্তি ও স্থিতিশীলতা’ রক্ষায় মায়ানমার সরকারের পাশে আছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গেং শুয়াং বলেছেন, “মায়ানমার সরকার তাদের জাতীয় উন্নয়নের জন্য শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার যে চেষ্টা করছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত তার পাশে থাকা।” মনে করা হচ্ছে চীন মায়ানমারের পক্ষে এই বিবৃতি দিয়েছে যাতে করে নিরাপত্তা পরিষদের আজকের বৈঠকে মায়ানমারের নিন্দা করে কোন প্রস্তাব আনা না যায়।

রাশিয়ার অবস্থানও মায়ানমারের পক্ষে বলে মনে করা হচ্ছে। মায়ানমারের বিরুদ্ধে কোন প্রস্তাব যদি ভোটাভুটিতে দেয়া হয়, তাহলে রাশিয়া তাতে কতটা সমর্থন দেবে, সেটা নিয়ে সংশয় আছে। জাতিসংঘের কূটনীতিকদের উদ্ধৃত করে বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, রোহিঙ্গা সংকটে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ কোন মাথা গলাক, সেটা চীন চায় না।

Advertisements